এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:৩৪305250
  • ধ্যেত, অনেক ভাষার ইদিক সিদিক হয়েছে।
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:৩৩305248
  • পরীক্ষা শেষের পরে দুম করে চলে যাওয়া হয়েছিল। সারাদিন এসিতে বসে থাকতে হত আর সন্ধের পরে বেরোনো যেত। মা-বাবা সুজ্জোদয়ের আগে ঘুরতে বেরোত কিনা বলতে পারবনা, আমি পরিষ্কার ঘুমোতাম তখন।

    কিন্তু আগস্টে গিয়ে দিব্যি ঘুরে বেরিয়েছি। এই তো আগের বছরই।
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:৩৩305249
  • মাদের কালে আঁচল হতো এই ম্যাক্স কোমরের নীচ। একটা প্রান্ত আবার কোমরে গুঁজে রাখতো। অত পাট্পাট করে প্লিটের বাহুল্য ছিলো না।
    আমাদের স্কুলের মেয়েরা প্রায় মেট্রনের স্টাইলে শাড়ি পড়তো। নাইনে উঠেই শাড়ি। কুঁচিতে দুটি সেফটিপিন, আঁচলে দুটি( আঁচলের দৈর্ঘ্যের প্রতি কিছু শিক্ষিকার কড়া নজর ছিলো)। গাছ কোমর করে সেটি কেউ কেউ কোমরে গুঁজে রাখতো। সেখানেও মুশকিল ছিলো, পেট দেখা গেলে পোঁটা গেলে দেওয়া হতো।
    সেই শাড়ি পড়ে স্কুলে সারাদিন কাটিয়ে বাড়ি ফিরে তাকে সযত্নে সেফটিপিন সমেত খুলে রাখা হত। পরদিন আবার সেই শাড়ি গলিয়ে বিদ্যাচর্চা।দুটো শাড়ি সপ্তাহে তিনদিন করে পড়তে হতো।
    ভাবতে গিয়ে মনে হচ্ছে গতজন্মের কথাঃ(
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:২৯305247
  • বয়স্ক কি, আমার ২৩ বছর বয়সে গিয়েই ত্রাহি-ত্রাহি রব ছাড়বার হাল হয়েছিল।
  • T | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:২৭305246
  • পাইদির জন্য, প্রথমে কয়েকটা ইনফরমেশন,

    ১) গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে কালামের সাথে আরো কয়েকজনকে ট্রেনিং এ পাঠানো হয়েছিল। পাঠিয়েছিলেন খোদ বিক্রম সারাভাই। কারণটা ছিল খুব সহজ। যে সমস্ত সাউন্ডিং রকেট ইম্পোর্ট করা হচ্ছিল সেইসময়, সেগুলোর অ্যাসেম্বলিং, লঞ্চ প্রসিডিওর, ডেটা কালেকশন ইত্যাদি। সারাভাই চেয়েছিলেন ট্রেনিং শেষে এঁরা দেশে ফিরে এসে রকেট লঞ্চিং স্টেশন তৈরী করবেন, থুম্বায়।

    ২) এরপর এসএলভি-৩ র সময়, সতীশ ধাওয়ান চেয়েছিলেন এমন একজনকে প্রজেক্ট ডিরেক্টর করতে যে সবদিক সামলাতে পারবে। ধাওয়ান বেছে নেন কালামকে। ধাওয়ান প্রথম থেকে জোর দিয়েছিলেন দেশের সমস্ত প্রিমিয়ার ইন্সটিট্যুট গুলোকে ইনভলভ করতে। তাঁর দরকার ছিল একজন এফিশিয়েন্ট প্রজেক্ট ম্যানেজার। ন্যাশনাল এরোস্পেস ল্যাবরেটরিজ, এবং আই আই এস সি র টেস্ট ফেসিলিটি (যা কিনা ধাওয়ানের নিজের বানানো) এক্সটেন্সিভলি ইউজ করা হয়। কর্মকান্ডটা ছিল বিশাল। এবং সেই সময় পাশে ছিলেন ব্রম্‌হ প্রকাশ। অসাধারণ নলেজের এই স্বল্পভাষী মানুষটি ছিলেন বলতে গেলে এই গোটা কর্মকান্ডের প্রাণপুরুষ।

    কিন্তু এসএলভি-৩ এর সাফল্যের পর রাতারাতি প্রচারমাধ্যমের মুখ হিসেবে চলে আসেন কালাম। গোয়ারিকর, ব্রহ্‌ম প্রকাশ প্রমুখ ব্যাক্তিরা প্রচারের আড়ালেই থেকে যান। এখন যেমন কিছু উজবুক মার্কা সাংবাদিক দেখি, যেমন এন ডি টি ভির পঙ্কজ বাগলা না কি যেন, সেইসময়ও সেই উজবুকরা কালামকে হিরো বানিয়ে প্রচার করতে শুরু করে। এতে কালাম নিজেও অস্বস্তিতে পড়ে যান। যাঁরা যাঁরা ইন্সট্রুমেন্টাল ছিলেন ঐ প্রজেক্টে হয়তো তারা একটু আহতই হয়েছিলেন, স্পেসিফিক্যালি যদি দেখা যায় যে, সফল উৎক্ষেপণ শেষে ফেরার পথে তিরুবনন্তপুরমের এয়ারপোর্টে কাতারে কাতারে লোক শুধু একজনের জন্যই অপেক্ষা করছে এবং জয়ধ্বনি দিচ্ছে।

    এরপরই কালাম ইসরো ছেড়ে ডিয়ারডিও তে চলে আসেন। কারণ হিসেবে দুই আর দুই য়ে চার করাই যায়।

    কালাম একজন এক্সেপশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার। লোককে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে জানতেন। ওঁর টেকনিক্যাল অবদান, ইসরো বা ডিয়ারডীওতে খুব সামান্যই। বরং সারাভাই, ধাওয়ান, ব্রহ্‌ম প্রসাদ, ইউ আর রাও এঁদের টেকনিক্যাল এবং সায়েন্টিফিক অবদান হাজারগুণে বেশী। ইনফ্যাক্ট এঁরা না থাকলে আরো দশটা কালামকে দিয়েও কিছু হত না।

    কিন্তু অবশ্যই উনি একজন অসাধারণ ম্যানেজার। অর্গানাইজেশনের ইনারশিয়া খুব চট করে ধরতে পারতেন। ফলে কর্পোরেট ভারত যে শোক জ্ঞাপন করছে, তা একপ্রকার মানানসই। বাদবাকী ভারতবাসীর জন্য উনি একজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, জেন্টেলম্যান, দরদী, কর্মঠ, শিক্ষাব্রতী ইত্যাদি মানুষ ছিলেন।
  • a x | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:১৯305245
  • আচ্ছা জুন মাসে পুরী কি বীভৎস গরম? বয়ষ্ক লোকজনের পক্ষে অসুবিধের?
  • kumu | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:১২305244
  • দিব্য শাড়ী,ফুলহাতা ব্লাউজ,সাদা সোয়েটার।
    বেশ তো লাগছে।আর কী চান আপনারা??
    শাড়ীর কুঁচি আঁচল এইসব লুটোতে দিতে হয়,তবেনা গিয়ে--
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:০৪305243
  • আগে হলে নিশ্চিত পারবই বলতে পারতাম। এখন বলা মুশকিল। অভ্যাস চলে গেছে তো। আমার মার ছিলো থুতুকফের বাতিক। শাড়ির কুঁচির নিম্নভাগ রাস্তার খানিক উপরে ঝুলে থাকতো। ফলে একই ঘরানা,আর কুঁচিটা ঠিক দুইপায়ের মধ্যে রেখে লাথি দিয়ে চলছি স্টাইলে হাঁটলে অসুবিধা কম হয়ঃ))
    এইটা শাশুড়িকেও দেখি। সব সময় মনে কোনো কাল্পনিক জলের উপর দিয়ে চলেছেন;)
  • potke | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০০:০২305242
  • বোঝো, জিউ দের মস্কো ইউনি তে অ্যাডমিসন আটকাবার জন্য ম্যাথ টেস্ট ডিসাইন করেছিল!!!

    http://arxiv.org/pdf/1110.1556v2.pdf
  • Arpan | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:৫০305241
  • ঐ হল। বিড়ালের রঙে কিবা যায় আসে। ফটরফটর করলেই হল।
  • 4z | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:৪৬305240
  • নিল সাদা হাওয়াই কোথায়? সাদা স্যান্ডাক মনে হল তো
  • pipi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:৩৪305239
  • মিঠুদি পারবে। গ্র্যান্টিঃ-) কিন্তু ঐ হাওয়াই চটি ফটফটাতে পারবে কি না জানি নাঃ-)
  • | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:৩২305238
  • মিঠু সেই শাড়ী পরে কি তুমি অমন তেজের সাথে ডুন্টুকেয়ার ভাব নিয়ে চলতে পারবে? না পারলে আর অমন শাড়ী থেকে লাভ কী?
  • pipi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:৩১305236
  • কিন্তু এই সব জিলিপি সিঙাড়া কোথায় দেখছেন আপনারা? আমি তো দেখ্লুম পাড়ে পিরামিড, আঁচলে গ্রীক চাবি!
  • Arpan | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:২৭305235
  • শুধু শাড়ি দে কী হবে, অমন ফটরফটর করা নীল সাদা হাওয়াই চটি আছে?

    হুহুবাওয়া, সেই পুরাকালে গান্ধীজি আর নব্যকালে রানীমা নেটিবের বেশে বিলেত জয় করে এলেন।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:২৬305234
  • কৌশিকদার পোস্টঃ
    'কাল থেকে কালাম বিষয়ক যত পোস্ট দেখছি, তা মূলত দুরকম।
    ১। ধুস! রবীন্দ্রনাথ আবার একটা কবি নাকি? মালটার পায়ে গোদ ছিল, জানিস না? শালা ফাইলেরিয়া লুকোতে আলখাল্লা পরত, আর তাই দেখে দেবতা বানিয়ে দিলি। ফালতু একটা দেড়েল লোক।
    ২। বলিস কী? সচীন তেন্ডুলকর পৃথিবীর সবচেয়ে হ্যান্ডসাম লোক নয়? ওর ভয়েস ব্যারিটোন নয়? কত রান করেছে জানিস? একশটা সেঞ্চুরি। ক্রিকেট বুঝিস না, আবার কথা বলিস!
    হয় কালাম নির্ভুল, সবচেয়ে বড় সবকিছু। নাহলে ফ্যাসিস্ট, হিন্দুত্ববাদী, বোমারু, খুনে পাজি নচ্ছাড়। মাঝামাঝি কোনো মানুষ হয় না। একটা মানুষ মরে গেল, বিচারকের আসন থেকে নেমে যে পাঁচ মিনিট দুঃখ পাব, তার উপায় নেই। একদিকে যেমন তিনিই শ্রেষ্ঠ চলছে, তেমনি উল্টোদিকে লোকে গ্রুপে, থ্রেডে এমনকি পার্সোনাল মেসেজে ক্রমাগত বোঝানোর চেষ্টা করছে কেন আমার কালামকে ঘৃণা করা উচিত। আরে ভাই ঘৃণা করার বিদ্যেটাই আমি ঠিক মতো আয়ত্ব করতে পারিনি। পারলে এতদিনে বিপ্লবী বা প্রতিবিপ্লবী কিছু একটা হয়ে যেতাম। ঘৃণা না করে দুঃখিত হবার, আর পূজা না করে শ্রদ্ধাশীল হবার জায়গাটুকু থাকুক না।"'
  • Arpan | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:২৫305233
  • যাক, আমি তালে আর লুটেরা নামাচ্ছি না।

    মর্মপীড়ের থানে জোড়া পাঁটা দিলাম।
  • | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:২৩305232
  • বাব্বাঃ সহজ করে জিলিপি লিখেছি, তাই বলছেন। এখন যদি বলি প্রাচীন জ্যামিতিক নকশা অমনি লাফ দিয়ে বুঝে যেতেন!
    যাক গে, রানীর আর টুনির একই 'ধন' থাকার আনন্দ উপভোগ করবো,না দুঃখিত হবো বুঝতে পারছি নাঃ(
  • a x | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:২১305231
  • কেউ এমি দেখলে/ন?
  • pipi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:১৯305230
  • শাড়ি পরারই দক্কার কি ঃ-)
  • a x | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:১৪305229
  • আর কখন ঙ্গ হবে কখন ঙ হবে এটাই বা বোঝেন কীভাবে?
  • a x | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:১৩305228
  • আপনারা একটু লতা পাতা ফুল এইসব সিম্পুল নকশার শাড়ি পরতে পারেন না? সিঙ্গারা না জিলিপি, হাতি না গণ্ডার বোঝা যায়না, এইসবই পরতে হবে?
  • | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:০৯305226
  • সিঙাড়া কোথায় পেলেন! একটার সঙ্গে আরেকটা প্যাঁচানো, জিলিপিগোত্র ছাড়া আর কারো এমন প্যাঁচ দেখেছেন?
  • a x | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:০৯305227
  • কি আলবাল জিনিস নিয়ে খবর হয় আজকাল! ফেবু থেকে নামিয়ে দিল হয়ে গেল সাংবাদিকতা।
  • | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:০৮305225
  • হ্যাঁ হ্যাঁ হুতো,এই সেই। থ্যাংকিউ থ্যাংকিউ।
  • Du | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২৩:০৭305224
  • জিলিপি কোথায়? সিঙ্গারা তো।
  • rabaahuta | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২২:৫৮305222
  • লুটেরা? এইতো http://www.einthusan.com/movies/watch.php?hindimoviesonline=Lootera&lang=hindi&id=2215 (নাকি অন্যকিছুর কথা হচ্ছে? যাউগ্গা)

    এদিকে ছুটি দাদু মুয়াহ গল্পটা আনন্দবাজারে বেরিয়ে গেছে স্ক্রিনশট শুদ্ধু। আজেবাজে লোককে বন্ধু করলে এই হয়, এরা ছোটবেলায় কথামালা বর্ণপরিচয় কিছুই পড়েনি বোধয়।
  • Atoz | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২২:৫৮305223
  • হায়-
    দিন কেটে যায়
    রাত কেটে যায়
    এখনো শুনি নি আমি
    রোদ্দুর রায়।
    ঃ-)
  • | ২৮ জুলাই ২০১৫ ২২:৫৩305220
  • ভুলো না কিন্তু। বহুদিন ধরে দেখার ইচ্ছেঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত