এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • এই ফাটকাবাজির দেশে স্বপ্নের পাখিগুলো বেঁচে নেই: মুক্তিযোদ্ধারা কি সন্ত্রাসী?! 

    জোনাকি পোকা ৭১ লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ আগস্ট ২০২৫ | ৫২২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • | | | | | | | |
    বাংলাদেশের বুকের গভীর থেকে যেন এখন কেবলি দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসছে। 'অভিশপ্ত' সময়ের কথা যদিও বা বলি, এই অভিসম্পাত কে কিংবা কারা দিয়েছে, কে জানে? হয়তো মুক্তিযুদ্ধে সর্বস্ব হারানো সেই তরুণ শহীদ; যাঁর বুক জুড়ে এক সোনার বাংলার স্বপ্ন টগবগে রক্তস্নাত হয়ে আকুলিবিকুলি করতো, এরকম সেই সব আত্মদানকারী মহাত্মাদের দীর্ঘশ্বাস এখন এই দেশের ইতিহাস জুড়ে।

    শিরোনামে পরে আসছি

    গত ২৫ আগস্টের পত্র-পত্রিকা থেকে আমরা দেখলাম, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে এসে বলেছেন, একাত্তরের অমীমাংসিত বিষয় আগেই সমাধান হয়ে গেছে।

    কিন্তু সমাধানের সেইসব নথিপত্র কোথায়? বাংলাদেশের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান যাতে ১টি রাষ্ট্র হিসেবে এবং জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চালানো গণহত্যার দায় স্বীকার করে নেয়। এছাড়া যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল তার কিছু ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব নেয়।

    অথচ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে প্রথম কথাই হলো, সেই সব নাকি আগেই চুকে গেছে। কবে চুকেছে? জানা নেই। ব্যক্তি পর্যায়ে কোনো কোনো পাকিস্তানি হয়তো সংবাদমাধ্যমে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলতে পারে। তবে তা কেবল ব্যক্তিগত মাতামতের মতনই। একটা রাষ্ট্র হিসেবে তা কখনোই পাকিস্তান করেনি।

    আর এখন ইসহাক দার'র কথা শুনে মনে হচ্ছে, এ ঘটনা তেমন কিছুই না। অমীমাংসিত সব চুকে গেছে। বললেই হয়ে গেল। মুখের কথা। তিনি আরো বলেছেন, আপনাদের হৃদয় পরিষ্কার করুন । মানে বাঙালিদের হৃদয়ে যে ক্ষত উনারা করেছেন, তা তিনি মেনে নিয়েছেন এক দিক দিয়ে। বাঙালিদের হৃদয়ে যে ক্ষত-পূঁজ জমে আছে তা তিনি পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন!

    কিন্তু আমাদের কথা হলো, জনাব ইসহাক, যে ক্ষত গত ৫৪ বছর আগে আপনারা করে গেছেন, সেই ক্ষতের উপর মলমপট্টি তো কিছুই পড়ে নাই। উপর্যুপরি ক্ষণে ক্ষণে আরো আঘাত হানা হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে যেমন, সেরকমই কিছু মুষ্টিমেয় আপনাদেরই দালাল জামাত-শিবির-বিএনপি ও অন্যান্য সহযোগী দলের তত্ত্বাবধানে সেই ক্ষত আরো বৃহৎ হয়েছে। এখন আপনার মিঠেকড়া মৃদু ভাষণে আর অলীক আশ্বাসে তো আমরা আস্থা রাখতে পারি না। ইতিহাস সাক্ষী, আপনারা বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে গেছ ধান!

    পাকিস্তানের স্ট্রাটেজি'র ভিতর দিয়েই যে আমেরিকা তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে চায় এবং তারা যে বাংলাদেশের বুকের ভিতরে আপনাদের প্রেতাত্মাদের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করতে চায়, দেশের এই অস্থিতিশীল সময়ে আমরা তা হলফ করেই বুঝতে পারি। বাংলাদেশে ঠিক যতবার অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক ততবার আপনারা পাকিস্তানিরা মিত্রের মুখোশে বাংলার বুকের ক্ষতকে খুঁচিয়ে দগদগে ঘাঁ'তে পরিণত করেছেন।

    আপনারা পাকিস্তানিরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ঐতিহাসিক বয়ানে সর্বদা কারচুপির আশ্রয় নিয়েছেন। সেই সব ব্যাপার মীমাংসিত হওয়া জরুরি। তন্মধ্যে যেগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ৭১'কে 'গন্ডগোল' বলে ডিফাইন করার কূটচাল থেকে সরে আসার চেষ্টা করুন। দ্বিতীয়ত, ৭১'কে মুক্তিযুদ্ধ বলে পরিচিতি দেয়ার ব্যাপারে আপনাদের দিককার ঐতিহাসিক বয়ানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার চেষ্টা করুন। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে চালানো আপনাদের সামরিক বাহিনীর গণহত্যার দায় স্বীকার করেননি। দায় স্বীকার করুন। এবং তা অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে দালিলিক বয়ানে হতে হবে। চতুর্থত, শহীদের সংখ্যাকে মিসগাইড করেছেন। এমনকি আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট মতিউর রহমানকে আপনাদের দেশের বয়ানে জাতীয় গাদ্দার আখ্যা দিয়ে রেখেছেন। এই সকল ইতিহাস'কে সততার সাথে আপনার দেশের ঐতিহাসিক বয়ানে পুনর্লিখন করা প্রয়োজন। এরকম যদি প্রপাগান্ডার রাজত্ব কায়েমই করেন তবে আমরা কীভাবে আমাদের হৃদয়ের ক্ষত পরিষ্কার করবো, বলেন?

    মুক্তিযোদ্ধারা কি সন্ত্রাসী?!

    গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ভবন থেকে প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশের স্বনামধন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। জনাব সিদ্দিকী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জীবিত এক প্রমিত পুরুষ। তাঁকে এবং তাঁর কীর্তি নিয়ে আমি এখানে ফিরিস্তি লিখতে বসিনি। কেননা তাঁকে গুগল করলেই পাঠক এবং বিদ্বজ্জনেরা সবকিছু জেনে যাবেন। জনাব সিদ্দিকী'র সাথে আরো যে ১৬ জন পুলিশের হেফাজতে গেছেন তন্মধ্যে ১জন ঢাবি'র আইনশাস্ত্রের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, আরো আছেন মানচিত্র নামক ইউটিউব চ্যানেলের সঞ্চালক, পরিচালক ও সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না।

    তাদের আটক করা হলো কেন? বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের সংবিধান লেখক ড. কামাল হোসেন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. জেড আই খান পান্নার তত্ত্বাবধানে মঞ্চ৭১ নামের একটি সংগঠনের আবির্ভাব ঘটে। এই সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'কে জনগণের মাঝে সংক্রমিত করা এবং বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের একত্রিত করা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'কে রাজাকারদের হাত থেকে রক্ষা করা'র প্রয়োজনীয়তা প্রতীয়মান হয়েছে। কেননা এই ইন্টেরিমের সময়েই তো দেখা যাচ্ছে বিরোধীশক্তিরা কীভাবে ভ্যান্ডালিজম আর মবের মাধ্যমে ইতিহাসের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এছাড়া এই মঞ্চ৭১'র আরো একটি এজেন্ডা হচ্ছে বাংলাদেশের সংবিধান'কে রক্ষা করা। কেননা বর্তমানে জামাতে ইসলাম এবং এনসিপিসহ সমমনা দলগুলো এই সংবিধান'কে উল্টে দিয়ে জুলাই সনদ কায়েমে ব্যাতিব্যস্ত হয়ে উঠেছে।

    গতকাল ডিআরইউ'তে মঞ্চ৭১ এর ব্যানারেই আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিল। আলোচনার বিষয়ের নাম দেখেই আমরা বুঝতে পারছি যে, এই সংকটকালে মুক্তিযুদ্ধ এবং সংবিধানের মহিমা সমুজ্জ্বল রাখতেই এই আয়োজন। কিন্তু সেই আলোচনা-সভাকে পণ্ড করে দেয় একদল মবসন্ত্রাসী। এ যেন মবের মুল্লুক! কতকগুলা লোক একত্রিত হয়ে হাউকাউ চিল্লাপাল্লা করে উনাদের'কে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে নির্যাতন শুরু করে। অভিযোগ হলো মঞ্চ৭১ ইন্টেরিম সরকার পতনের নীল নকশা করছে।

    এইসব মিথ্যা কারণ দেখিয়ে লাঞ্ছনার পর মব-পার্টি(আদতে জামাত-শিবিরের অনুসারী) সবশেষে গোলটেবিলের ১৬ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। যেহেতু একদা জনাব সিদ্দিকী একজন আওয়ামী লীগার ছিলেন, যদিও ২০১৪ সালে তিনি দল থেকে বহিস্কৃত হন এবং তারপর আর কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জোটবদ্ধ হননি; তথাপি তাকে এক্স আওয়ামী লীগার, সশস্ত্র বিপ্লবের পরিকল্পনাকারী এবং সন্ত্রাসী হিসেবে পাকড়াও করা হয়। ৮৭ বছর বয়স্ক ১জন ব্যক্তি। তিনি নাকি সশস্ত্র বিপ্লবের পরিকল্পনা করতে গোলটেবিল বৈঠকে গেছেন? মানে হাস্যকর নয় কি? হ্যা, ইতিহাসের প্রয়োজনে ৭১ সালে তিনি সশস্ত্র বিপ্লব করেছেন ঠিক। তাই বলে সেই ৫৪ বছর আগের কৃতকর্মে আজ আপনারা তাঁকে অভিযুক্ত দেখিয়ে শ্রীঘরে পাঠাবেন? আপনাদের স্বাধীনতা অর্জনে আত্মনিয়োগের এই প্রতিদান?

    আবার এ কথাও ভুলে গেলে চলবে না, ২৪'র আন্দোলনে লতিফ সিদ্দিকী ছাত্রদের কোটাসংস্কারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। এমনকি মঞ্চ ৭১ এর অন্যতম সংগঠক জেড আই খান পান্নাও ছাত্রদের পক্ষেই ছিলেন। অন্যদিকে সেই গোলটেবিলে যাদের আটক করা হয়েছে, সবাইকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত এবং সরকারবিরোধী তৎপরতায় অভিযোগ দেখিয়ে আজ আদালতে পেশ করা হয়! এ যেন দারুণ প্রহসনের অবতারণা! তাহলে কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যারাই কথা বলেন, যারাই সংবিধানের পক্ষে কথা বলেন সকলেই সন্ত্রাসী?

    নাকি যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আস্থা রাখে তারা সবাই আওয়ামী লীগ? আর এদিকে আরেকটা কথা চলে আসে, আপনারা কি তবে আওয়ামী লীগকে জঙ্গীসংগঠনের আকার দেয়ার চেষ্টা করছেন? কেননা কর্তৃত্ববাদী আচরণ হয়তো আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীরা করেছে, দূর্নীতিও আওয়ামী নেতারা করেছে, কিন্তু সেই দলটির সমর্থকগোষ্ঠীরাও কি তবে জঙ্গী/সন্ত্রাসী/দূর্নীতিবাজ নামে খ্যাতি লাভ করবে? এত এত প্রশ্নের উত্তর কোথায়? এই জটিল মহাবিশ্বে জটিল মানুষের মাঝে এই সহজসরল প্রশ্নের জবাব সবাই জানে। তবে কেউ প্রশ্ন তোলে না, উত্তরও সমাধানে আসে না।

    আর মঞ্চ ৭১'র তারা যদি সন্ত্রাসী কর্মপরিকল্পনার জন্যই একত্রিত হয়ে থাকেন, তবে তারা কি সেই আলোচনা প্রেসব্রিফিংয়ের সামনে করবেন? সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বুঝি এমন হয়? ঢাল নেই তলোয়ার নেই, তবু যেন নিধিরাম সর্দার! টিভি সাংবাদিকদের ডেকে এনে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তামিল সিনেমার স্টাইলে যেন ঘনঘোর সন্ত্রাসে এরকম এক দক্ষযজ্ঞ ব্যাপারের আয়োজন করা হয়েছিল! তাই না?

    জনাব লতিফ সিদ্দিকী আজ আদালতে জামিনের জন্য তদবির কিংবা উকিলের সহায়তাকে প্রত্যাখ্যান করে নিজের জাত চিনিয়েছেন। তিনি যে সন্ত্রাসী নন, সেই কথা তো এই প্রহসনের আদালতে উকিল ডেকে তাকে প্রমাণ করতে হবে না।

    অপরদিকে এই ২/৩দিন আগে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. জনাব ফজলুর রহমান'র বাসার সামনে মব সৃষ্টি করা হয়। এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তাঁর অবস্থানকে তিরস্কার করা হয়। এই মবের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএনপি আগামী ৩ মাসের জন্য জনাব রহমানকে দলীয় কাজ থেকে অব্যহতি দিয়ে প্রমাণ দিয়ে দিল, তারা মুক্তিযুদ্ধ'র পক্ষে অবিচল দল নয়। শুধু স্বার্থ উদ্ধারে ব্যবহার করতেই তারা চেতনার কথা বলে। মননে তারা সেই ৭১'র মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করতে পারে না।

    এখন কথা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধারা কি তবে সত্যিই সন্ত্রাসী? এতটাই কাঁচা হাতে এরা এই চিত্রনাট্য সাজিয়েছে যে, ১টি ক্লাস ফাইভের বাচ্চাও বলবে, এটা মিথ্যা মামলা। কেন তারা সন্ত্রাসবিরোধী এবং সরকারবিরোধী তৎপরতার মামলা'র অবতারণা করলো তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এই মামলার আসামি'রা সাধারণত জামিনযোগ্য থাকে না। এই মহার্ঘ অস্ত্র আগের রিজিমের সরকার মানে হাসিনা রিজিমের কর্তাব্যক্তিরাও ব্যবহার করেছে। আর এখন সেই একই কর্তৃত্ববাদী আচরণ অব্যহত আছে। কথায় বলে, যে যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ!

    আমার সাদা মনে ১টা প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধারা কি তবে সন্ত্রাসী? যে ব্যক্তিবর্গকে এই মামলার আসামি করা হয়েছে, সেই মামলা যে মিথ্যা তা প্রমাণ করার জন্য তো রকেট সাইন্টিস্ট হওয়া লাগে না। নাকি?

    পাকিপ্রেমীদের আদতে কীসের ভয়? ঐ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়? নাকি আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনে?

    ২৯/০৮/২৫
    [আবার আগামী পর্বে কথা হবে। ধন্যবাদ।]
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ২৯ আগস্ট ২০২৫ ২২:১৯733734
  • পড়ছি
  • Ranjan Roy | ২৯ আগস্ট ২০২৫ ২৩:২৪733745
  • পড়লাম।
  • asim nondon | ৩০ আগস্ট ২০২৫ ১১:০২733759
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন