১. জামাইয়ের নামে রন্ধন, গোরো গুষ্টি ভক্ষণ। ২. চতুরালি করে কয় জামায়ের ভূতে, চল সোয়ামী ঘরে যাই কাঁথার ভিতর শুতে। ৩. জামাইয়ের জন্য মারে হাঁস ... ...
আহা! আমার বুকের ভিতর সেই হীরেমন পাখি, আমি তাকে শেকলে, খাঁচায় বেঁধে রাখি, বলি, তুই বলিস না বোকার মতন অনর্গল, অবান্তর কথা, তুই ছুটে ছুটে যাস না মিছে, অকাজের অবাক ... ...
আচাই- খালাই ওয়াইসা থুই- নাই তা কারিসিদি কিরি-অই পাইগালাক প্রাণ, হরি মুংন লাছিদি। হুনা বুনা লুমা লুতি বলাই ন-বার-তই ওরি জাওক নাইদি,সব থুইন সব হাম-ন ভাবে নাইসিদি। বাখা যদি হামছক- খালাই হাম-ইয়া চাইয়া বন নুংখালাই, মাখালান ইয়াকছি ইয়াগ্রা সব তর নাইদি। রতন-নি ইয়াকংন নাই নাই,বড় থাঙ্গই নুংজাক- ছিনাই যেফুং ওথুঁং খুসী কৃষ্ণ তা ছারেছিদি। রিয়াং ভাষায় লিখিত এই গানটির বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়:- জন্মিলে তো মরিতেই হবে একদিন, তাই ভয় পেয়ো না ... ...
প্রত্যেকটা আচার উৎসবের পিছনেই একটা মহত্তর সামাজিক দিক থাকে। কিন্তু তথাকথিত ধার্মিক বলে নিজেদের পরিচয়প্রদানকারী মানুষেরা সেই উৎসব বা আচারের অন্তর্নিহিত মূল ভাবনাটিকে না বুঝে স্থূল কামনা বাসনার দিকটির দিকেই সচরাচর ধাবিত হন। যাঁরা প্রতি মঙ্গলবার মেয়ের বিয়ে, ছেলের প্রমোশন, নাতির ভালো ইস্কুলে এ্যাডমিশন, প্রেমিকের সাথে আবার মিলন, আসচে ভোটে টিকিট পাওয়া ইত্যাদি এজেন্ডা নিয়ে হনুমানবাবুকে নিত্য কলাটা লাড্ডুটা খাওয়াচ্ছেন এবং হনুমান চালিশা পড়ছেন ... ...
তেলেঙ্গানার সুরাইয়াম্মা ৩৬ বছরের হাসি খুশি একজন যুবতী। স্বামী ও দুটি সন্তান নিয়ে সুখের সংসার। স্বামী যথেষ্ট কেয়ারিং এবং প্রতিষ্ঠিত, নিজেও অনলাইনে জব করে ভালোই আয় করেন। হঠাৎ করেই সুইসাইড করলেন। কারণ খুঁজতে খুঁজতে দিশেহারা পরিবার যখন অথৈ জলে তখনই ক্রেডিট কার্ডে প্রায় নয় লক্ষ টাকা ধারের স্টেটমেন্ট এলো বাড়িতে। বিহারের শাশারাম থেকে মুম্বাইয়ে রোড কন্সস্ট্রাকশানে কাজ করতে আসা ভিনীত কুমারের মৃতদেহ পাওয়া গেল ভিরারের একটি চৌল থেকে। তারও ক্রেডিট কার্ডে ধারের পরিমাণ সাড়ে চার লক্ষ টাকার মতো। এমন অনেক ছোট বড় ঘটনা আপনার ব্যস্ত জীবনের নজর এড়িয়ে ঘটে যাচ্ছে। আপনি হয়ত পড়ছেন, কিন্তু গভীরে ঢুকছেন না এবং ভুলে যাচ্ছেন। মোবাইল এ্যাপে লুডো, ... ...
আপনি রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম চায়ের কাপে চুমুক দ্যান তো? কি দ্যান না?? এই উষ্ণ তরল শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে আপনাকে জড়তা কাটিয়ে চাঙ্গা করে তোলে দৈনন্দিন কাজের স্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য। চুমুক্ষরিত হর্মোণগুলির কাজও অনেকটা এইরকম।। গবেষণা বলছে, চুমু খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, পেটের গোলমাল, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদযন্ত্রে রক্তচলাচল নিয়ন্ত্রণে থাকে। একটি তিরিশ সেকেন্ডের চুমু খেতে আপনার ছয় ক্যালরি শক্তি ক্ষয় হবে এবং ফেসিয়াল পেশীগুলোর সুন্দর এক্সারসাইজ হবে, ফলে দীর্ঘদিন যাবত মুখের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য বজায় থাকবে। চুমু খেলে সেরেটনিন নামে যে ফিলগুড হর্মোণ ক্ষরিত হয় শরীরে এবং যে অতিরিক্ত লালাক্ষরণ হয়ে থাকে তা দাঁতের মাড়ির ... ...
কিরে গুপে অমন গোলাপ হাতে চল্লি কোথা? নৌকো থেকে লাফ দিয়ে নামা গুপেকে শুধোয় নফরা। এসব তুমি বুঝবেনি কো চাচ্চা, এ হলো গে পেম্পিরীতের সাতকাহন। পেম পিরিতের এই সাতকাহনটা কি বটে হে বাপু? খুরপিতে ফুলকপি গাছের আল কাটতে কাটতে গুপীকে জিগালো নফরচন্দ্র। ডায়মন্ড হারবার থেকে আরও আট দশ ক্রোশ দূরে গঙ্গার তীর ঘেঁষে পলি জমে জমে জেগে উঠেছে এই নতুন দ্বীপ। লোকে কয় নবদ্বীপ। না হে আমাদের নিমাইচাঁদের নবদ্বীপ নয় সে। ধু ধু ফাঁকা ডাঙা, যে পারো সস্তা দামে যতটা খুশি দখল করে নাও। সেখানে পলি জমির উপর কাশেম আলির এই বিরাট আবাদ চাষজমি। এপারে নৌকো ছাড়লে ওপারে জলে জলে হলদিয়ার কারখানায় চলে যাওয়া যায়। ... ...
ছোটবেলায় বাঁকুড়া শহরের যে পাড়ায় আমার বেড়ে ওঠা তার আশেপাশে গরাই, বাউরী, মালো, টুডু ইত্যাদি মানুষের জনবসতি। তাদের অধিকাংশের জীবিকা বিড়ি বাঁধা অথবা তেলকল বা ধানকলে শ্রম, কিংবা মাঠে দিনমজুর হিসেবে চাষ। আমাদের উঁচু পাঁচিল ঘেরা দোতলা পাকা দালান, আমার গৌরবর্ণ সাহেবী পোশাক পরা দাদু ও বাবা, আমার চশমা আঁটা গম্ভীর স্কুলমিষ্ট্রেস মা সব মিলিয়ে তারা আমাদের বাড়িটিকে বলতো "বাবুদের ঘর"। তখনো মিউনিসিপালিটির কলে সারাদিন জল পড়ে না, টাইম কল, সুতরাং আমাদের ইঁদারা থেকে জল নিতে আসতো পাড়ার মেয়েবউরা। ঠাকুমার নির্দেশ ছিল, জল নিচ্ছো নাও কিন্তু কুয়োর উপরের লোহারফ্রেমের জাল ঠিকঠাক ঢাকা দিয়ে যেতে হবে আর চুপচাপ জল নিয়ে চলে যাবে, বাগানের ফুল ... ...
পরি'র ছবি দেখলে যেটা সবচে আগে চোখে পড়বে সেটা হলো ওর কপালের ডগডগে সিঁথিভরা সিন্দুর। Facebook,WhatsApp এর প্রোফাইল পিকচারে অমন লাল চওড়াপাড় টাঙ্গাইল আর সিন্দুরচর্চিত চেহারা দেখে ওর আভ্যন্তরীণ আহ্লাদ আর সুখ এক্কেবারে প্রকট। দুজায়গাতেই ওর মাঙ্কিক্যাপ পরা বর ওর পাশে। ফেসবুক photos ভর্তি হাজারো কিসিমের ঠাকুর কেউ জিভ বার করে, কেউ না বার করে বরপ্রদা ভঙ্গিতে অথবা ওর নাতনীর ছবি বা ভিডিও, সে হামা দিচ্ছে, সে হাসছে, সে নাচছে অপটু পায়ে, সে আবৃত্তি করছে আধো আধো গলায়, সে পাকা পাকা কথা বলছে কোনো অদৃশ্য প্রশ্নকর্ত্রীর উত্তরে। ফেসবুকে আমাকে খুঁজে পেয়ে বন্ধুত্বের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। গ্রহণ করেছি। তখন মেসেঞ্জারে ফোন নম্বর দেয়। বলে ... ...
যতদিন তুমি যত্নভরে প্রত্যহত্বক মাজবেততদিন তোমার উজ্জ্বল ত্বকের দিকেইআগে চোখ যাবে আর ততদিন তোমার তীক্ষ্ণ মস্তিষ্ককে কেউ খেয়াল করে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেই না, যতদিন তুমি ক্লিভেজ খুলে লোভ দেখাবে ততদিন তোমার স্তনের প্রতিই মোহগ্রস্ত হয়ে থাকবে এই পৃথিবী, আর তোমার সুঠাম দৈহিক শক্তিকে, কিংবা তোমার দৃপ্ত মনকে দ্বিতীয় স্থানে রাখা হবে, যতদিন তুমি বিবাহকে প্রেমের চেয়ে বেশি নিরাপদ হিসেবে ভাববে ততদিন তোমার প্রেম হেরো হয়ে থাকবে তোমার চোখে, এমনকি ক্ষয়ে যেতে যেতে শূন্য হয়েও যেতে পারে \ ... ...