লেখাটির আর্টিকল নম্বর হল "21011" সৃষ্টির চোখ, মানুষের দেখার স্বাধীনতা ও জ্ঞানচক্ষু,—--- গাইয়া, পর্যবেক্ষণ ও ‘দৃশ্যমান সৃষ্টির’ ধারণা,বৈজ্ঞানিক কল্পনা ও দার্শনিক অনুসন্ধানলেখক: শঙ্কর ভট্টাচার্য (২৩/১২/২৫)সারসংক্ষেপএই প্রবন্ধে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার গাইয়া মিশনকে কেবল একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক জরিপ হিসেবে নয়, বরং জ্ঞানতাত্ত্বিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গাইয়া মিল্কি ওয়ের নক্ষত্রগুলির অবস্থান, গতি ও বৈশিষ্ট্যকে দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একটি গতিশীল ও সম্পর্কভিত্তিক কাঠামোয় উপস্থাপন করে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও সম্পর্কভিত্তিক অন্টোলজির আলোকে এই প্রবন্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে বাস্তবতা শূন্যতা বা বিচ্ছিন্ন সত্তা থেকে নয়, বরং সম্পর্ক থেকেই উদ্ভূত। ‘দৃশ্যমান সৃষ্টি’ ধারণাটি এখানে একটি তাত্ত্বিক নির্মাণ হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে ... ...
এই আর্টিকল #: 33786আইডিয়োলজিক্যাল রিকয়েল এই পর্যবেক্ষণ বলছে—একটি রাজনৈতিক দল নিজের ছায়াপথ, অর্থাৎ নিজস্ব মতাদর্শ থেকে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছে। তার পরেও সেই ছায়াপথেরই ধার ঘেঁষে সে এগিয়ে চলেছে—যেখানে এখনও কিছু মানুষ অন্ধ আনুগত্যে আবদ্ধ। কিন্তু দলটির অভিমুখ স্পষ্টভাবে আন্তঃছায়াপথ শূন্যস্থানের দিকে—বিভিন্ন মতাদর্শের মাঝখানে তৈরি হওয়া এক আদর্শহীন শূন্যতার দিকে।এই বিচ্যুত দৌড় রাজনৈতিক দলগুলোর ... ...
এই আর্টিকল #: 33720দেখতে চাও যদি সেবক-মাশরুম—- শংকর ভট্টাচার্য্য ✍️ ০৭/১২/২৫ মাঝেমধ্যে মাঠে নেমে করে নেয় লেফট রাইট,আধুনিক সেবক, কেউ নহে পদাতিক, বাহনে চড়ে যাওয়া আসার আসক্তি অত্যাধিক। শ্রমে কাতর দেশের দশের কল্যাণ ভাবনায়,পরিব্রাজক হতে গেলে অনেক সময় খরচ,কে যায় অতো ঝামেলায়,তাছাড়া মাঠে লেফট রাইটের তামাশা দেখে— কেউ বলে না অনুচিত! সেবার কীর্তন গেয়ে সেবা মধূ নিস্কাশনেবাজিয়ে ঢাক,সহজেই ব্যবহার করা যায় ভক্তির মৌচাক, তাক লাগানো বাণিয়া-কর্পোরেট কর্পোরেশন, জুড়তে নরনারায়ণের ডেস্টিনেশন! দেশের দশের কল্যাণ ভাবনায়–ঘুম নাই খিদা নাইআইঢাই প্রাণ, শান্তি নাই। মাঝে মাঝে করে নিই নকল fight,জীমখানায় মিলে মিশে হয়ে যায় কসরত slight,ধর্ম বা আদর্শ মতে সেবার left right কৌশলেই কেল্লা ফতে!আধুনিক সেবক—কেউ নহে টাকাকড়ি নিয়ে পলাতক,কাঁহাতক নির্বোধগুলো কে বোঝাই,মর্মে গাঁথা সেবা ... ...
এই আর্টিকল #: 33712একে কি সভ্যতা বলে?—-- শংকর ভট্টাচার্য্য ✍️ ০৬/১২/২৫সেই প্রভাতে চারি পাশে দিকে দিকে স্বর্ণালঙ্কারে সজ্জিত ঋক,চিত্রাভা চিত্রাভ – নারী পুরুষ সেই প্রথম বুঝতে পারলো ঋকের সাথে তারা আত্মীক,ঋকের সঙ্গে শস্য গাছপালা পশুপাখি মানুষ সকলের আত্মীয়তা সর্বাঙ্গীন,জিজ্ঞাসা করোনা এই বস্তুনিষ্ঠ অনুভব কবে হয়েছিল কোন যুগে কোন দিন। উচ্ছসিত তারা ঋকের সাথে এই সমাকলনে,সেই প্রভাত ফেরীতে প্রজ্ঞান প্রকাশিত হয়েছিল সাম গানে।চিত্রাভ চিত্রাভা সেই প্রথম বুঝতে পারলো ঋকের সাথে তাদের আছে ধ্যান জ্ঞান কর্মে সাযুজ্যতা,ঋক তখন সাম-এর পর তাদের শিখিয়ে দিলেন যজু — মনকে নিয়ন্ত্রণ ও উন্নত করার জন্য ব্যবহৃত মন্ত্রের কার্যকারিতা। তারপরে ঋক দিলেন অথর্বস্বাস্থ্য ও মন সুরক্ষায়।দীর্ঘায়ুর অর্থ বুঝিয়ে ... ...
এই আর্টিকল #: 33568“Political Biomass” — ধারণা, সংজ্ঞা ও তাত্ত্বিক ভিত্তি—- শংকর ভট্টাচার্য্য ✍️ ১৮/১১/২৫© কপি রাইট সংরক্ষিত। 1. ভূমিকাঃ কেন ‘Political Biomass’? পরিবেশ বিজ্ঞানে ‘বায়োমাস’ বলতে বোঝায়—একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীবিত প্রজাতির মোট শুষ্ক ভর, যা থেকে বোঝা যায় সেই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য, শক্তি, উৎপাদন শক্তি এবং স্বাস্থ্য। ঠিক একইভাবে, একটি রাজনৈতিক অঞ্চলে মানুষের অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক শক্তির বণ্টন, নৈতিকতার মাত্রা, এবং দলের বাস্তব জনসমর্থনের ‘শুষ্ক পরিমাপ’ বোঝার জন্য একটি নতুন সামাজিক-রাজনৈতিক সূচক তৈরি করা যায়— Political Biomass Index (PBI) এই ধারণাটি জীববিজ্ঞানের বায়োমাস মডেল থেকে অনুপ্রাণিত, কিন্তু ... ...
এই আর্টিকল #: 33553বর্ণের আবরণের নীচে বর্মধারী—----------- ধর্ম যদি হয় হিংসুক সেই ধর্মে নেই কোন সুখ।ধর্ম নয় জাতপাতের বিষেভরা,যে ধর্ম মানুষকে করে তাড়া– সেই ধর্ম ধর্মই নয়,হত্যা হিংসায় মানুষ হয় ক্ষয়। কৌতূহল জিজ্ঞাসার পরিবর্তে ক্ষমতা লোভী আমদানি করে বিকৃত ধর্ম, বিকৃত সামাজিক সম্পর্ক, আরোপ করে গরিব দুঃখী অস্পৃশ্যদের উপর খেটে খাওয়া ও বসবাসের শর্ত, গ্রাম সমাজ নিয়ন্ত্রিত হয় জাতপাতের শাসনে, সাধারণ মানুষ থাকে শিক্ষায় অনগ্রসর, জাতপাতের বিভাজনকে বলা হয় জাতীর পরিচয়,পশ্চাৎপদ সমাজে শর্তাধীন সমস্ত স্বাধীনতা–বাহুবলীরা হর্তাকর্তা বিধাতা হয় অনায়াসে,তারা বোঝেনা মনুষ্যত্বের মর্ম,বিষাক্ত তাদের কর্ম।বিচার আইনের করে না তোয়াক্কা, জানে আইন কানুনের ফাঁক ফোকর দীর্ঘসূত্রতা,এরাই হয় জাতপাতের ছত্রছায়ায় বর্মাচ্ছাদিত। মনুষ্যত্বই ধর্ম – মানুষকে করে মহান,ধর্মের নামে কোনো রাষ্ট্র হলে – রাষ্ট্রের ... ...
এই আর্টিকল #: 33542ভোটার তালিকা: গণতন্ত্রের মূল্যবান সম্পদ ও বড় গাফিলতি-----ভারতবর্ষে ২০২৪ সালের নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট নিবন্ধিত ভোটার ছিল ৯৬.৮৮ কোটি। অন্যদিকে, জাতিসংঘ ও ইউনিসেফের প্রমাণভিত্তিক অনুমান অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১৮ বছর এবং তার উর্ধ্বে মানুষের সংখ্যা প্রায় ১,০১০ কোটি। অর্থাৎ, আনুমানিক ৪১.৬ কোটি মানুষ ভোটারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।ভোটার তালিকা আমাদের গণতন্ত্রের একটি মূল্যবান সম্পদ। প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত হওয়া গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি। কিন্তু এই বিশাল সংখ্যক মানুষের নাম তালিকায় না থাকা নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং নির্বাচন কমিশনের বিশাল গাফিলতি হিসেবে দেখা যায়।এখান থেকে স্পষ্ট যে, ভোটার তালিকার পূর্ণতা আমাদের গণতন্ত্রের ... ...
এই আর্টিকল #: 33525ইথোলজি (Ethology) এবং সভ্যতার এই সময়ের নানাবিধ চিত্রাংশ —- ✍️ ০৯/১১/২৫ ন্যায় পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের, মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তির নয়। একশো শতাংশ সত্য। কিন্তু অগণিত মানুষের বয়স হয়, জীবন চলে যায় তবুও ফয়সালা পান না বা মামলার নিষ্পত্তি হয় না।মানুষের ইথোলজি শুরু হয়েছিল প্রাণীজগতের আচরণবিজ্ঞানের ধারাবাহিকতায়, পরে তাতে সংস্কৃতি, সমাজ, ও মানসিক উপাদান যুক্ত হয়েছে। আধুনিক ইথোলজি তাই মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক দিকের প্রতিফলন বোঝার চেষ্টা করে। মানুষ শুধুমাত্র জৈবিক চাহিদা দিয়ে, হিংসা বিদ্বেষ নিয়ে তৈরি নয়। তবে এখনও মানুষকে পশুর মতো হিংস্র করে তৈরি করার উপকরণের অভাব নেই রাজনীতিতে! আধুনিকতার নামে ইথোলজির নানাবিধ চিত্রাংশ, গণতন্ত্র, রাজনীতি এবং স্বাধীনতার আপাতত বয়স ... ...
এই আর্টিকল #: 33520সত্য ও জীবনের কঠিন সংঘাত—- শংকর ভট্টাচার্য্য ✍️ ০৮/১১/২৫ সত্য ও জীবনের কঠিন সংঘাত –জীবন চলতে চায় সত্য এড়িয়ে কিন্তু সত্য জড়িয়ে রাখে জীবনকে। ক্ষমতা লোভী অগ্রসর হয় জীবন ও সত্যকে মাড়িয়ে।নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়,সহিংসতার আশ্রয় নেয়। তাই দেখে সত্য থেকে বুদ্ধিজীবী সরে যায় তার জীবন বাঁচানোর চেষ্টায়মত পাল্টায়,সত্য ও জীবন – দুই তখন বেকায়দায়, বুদ্ধিজীবীর এই দুরাবস্থাই ক্ষমতা লোভী চায়। সহিংসতার হুমকিতে সাধারণ মানুষ সরে না সত্য থেকে।ক্ষমতা লোভীর হিংস্রতা ক্রমশ যখন বৃদ্ধি পায়সত্য-কে নিজের মধ্যে আত্মগোপনে সাহায্য করে থাকে সাধারণ মানুষেরা তাদের চেতনায় থাকে সত্যের জন্য সুরক্ষিত ঘরসত্যের জন্য দাম দর কষাকষি বুদ্ধিজীবীদের মতো করে না। পৃথিবীতে রাষ্ট্র জন্ম থেকেই অস্ত্রধারী,সমাজের কোনো স্তরে ... ...
এই আর্টিকল #: 33518মূল লেখাটি: জননী মাতরম্—- শংকর ভট্টাচার্য ✍️ ০৭/১১/২৫জাতপাতর মধ্যে ফেলে জাতিকে মন্ডলাকারং নয়,জাতপাতের নহে বন্দেমাতরম। জাতপাত হিংসা বিদ্বেষ ছড়িয়ে হয় না কভু দেশ সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাম্ শ্যস্যশ্যামলাং।জাতপাত হিংসা বিদ্বেষ জয়, জাতির পরিচয়— সেই পরিচয়ই শুভ্র-জ্যোত্স্না-পুলকিত-যামিনীম্ফুল্লকুসুমিত-দ্রুমদলশোভিনীম্সুহাসিনীং সুমধুরভাষিণীম্সুখদাং বরদাং মাতরম্ ॥ বন্দে মাতরম্ ॥ মা তোমার ধর্মের নামে —মানুষকে অশিক্ষিত রেখে,জাতপাত অস্পৃশ্যতা কুসংস্কারের কাছে জ্ঞান বিজ্ঞান পরাজিত হয়, তখন রাজনীতি ভন্ডদের দ্বারা পরিচালিত হয়,মিথ্যে বলে তোমাকে মা বলে প্রচার করলেও, তখনো মা তুমি "সপ্তকোটি (সাত কোটি) কণ্ঠের কলকল নিনাদে মুখরিত, এবং দ্বিসপ্তকোটি (চৌদ্দ কোটি) বাহুর দ্বারা তুমি খড়গ ধারণ করে থাকো, কার্যত তুমি কিছুই করতে পারো না। হে জননী, তুমি এত দুর্বল কেন?"। [এই উক্তিটি "বন্দে মাতরম্" গানের ... ...