Bratin Das
গ্রাহক হন
ভারতীয় ক্রিকেটের প্রবাদপুরুষ। আমার সারা জীবনের হিরো।নিজের সময়ের সমস্ত বোলার কে ওয়েস্ট ইন্ডিজ :-ম্যালকম মার্শাল, আন্ডি রবার্টস, মাইকেল হোল্ডিং,জোয়েল গার্ণার,হোল্ডার,ইংল্যান্ড : স্যার ইয়ান বথাম, জন স্নো, ডেরেক আন্ডারউড নিউজিল্যান্ড:- স্যার রিচার্ড হ্যাডলিপাকিস্তান:- ইমরান খান, সফররাজনওয়াজ, আবদুল কাদিরঅষ্ট্রেলিয়া থমসম, ম্যাসিঅপরিসীম উদ্ধত্যের সাথে খেলেছেন ( লিলি কে বাদ দিয়ে). যাকে দেখে মনে হত ফার্স্ট বোলিং খেলা কত সহজ। আর সেটা বছরের পর বছর করে দেখিয়েছেন অনায়াসে আর হেলমেট ছাড়া। একদম শেষের দিকে স্ক্যাল ক্যাপ ব্যবহার করেছিলেন।একবার সাংবাদিক রা ওনাকে জিজ্ঞেস করেছিল "হেলমেট ছাড়া খেলতে ভয় লাগে না?" উত্তরে উনি বলেছিলেন " প্রথমেই যদি ধরে নি বোলার আমার মাথায় বল লাগাতে পারবে। আমি তো সেখানেই ... ...
আজ সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টি। এই বৃষ্টির মধ্যে একটা অদ্ভুত ব্যাপার আছে। মানুষকে খামোকা নস্টালজিক করে তোলে। যে দিনগুলো একেবারেই গেছে, কিছু বাকি নেই, সেগুলো কে ফিরে পাবার জন্যে মন আকুলি বিকুলি করে। কবি বোধহয় একেই বলেছেন "দুঃখবিলাস"। তখন আশুতোষ কলেজের প্রথম বর্ষ। কদিন ক্লাশ করার পরেই বুঝে গেলাম কার কার ক্লাশ করতেই হবে। আর কার কার ক্লাশ কাটা যায়। তখন আমরা সেই উদ্দাম আঠারো ... ...
স্মৃতিচারণা:- ... ...
দেখতে দেখতে আবার কালীপুজো এসে গেলো। এটাই আমাদের বাড়ির ফ্যমিলি গেটটুগেদার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মসূত্রে এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে যাওয়া সবাই এই ক`টা দিন অন্ততঃ তারকেশ্বরের কাছে আমাদের দেশের বড়িতে থাকার চেষ্টা করেন। এবারে অবশ্য বরুনদাদা-দের পুজো, তাতে অবশ্য আনন্দ কিছুমাত্র কম নয়। দাদুরা দু ভাই ছিলেন। এক বছর ওদের পালা, এক বছর আমদের এই রকম। এবারে অনুপুস্থিতির তালিকা বেশ বড়। ছোটকাকারা আসে নি মুম্বাই থেকে। মেজদা হায়দ্রাবাদ থেকে, কিংবা বুড়ু (সেজ কাকার মেয়ে) ব্যাঙ্গালুরু থেকে। অশোকরা অবশ্য এসে গেছে (জেঠুর ছোট ছেলে) পুণে থেকে। মেজদি-রা(জেঠুর মেজ মেয়ে) ... ...
বারাণসী বাঙালীর সংস্কৃতি আর মননের সাথে মিশে আছে। একে বাঙালীর দ্বিতীয় বাড়ি বললেও অত্যুক্তি হয় না। বারাণসী নামের সৃষ্টি হয়েছে বরুণা এবং অসি এই দুই নদীর সঙ্গম স্থলে অবস্থানের কারণে। আমাদের ভারতবর্ষের অনেক সাধক তাদের মুল্যবান জীবন এখানে অতিবাহিত করেছেন। যেমন ভাস্করচার্য্য, তৈলঙ্গস্বামী প্রমুখ। আমাদের বহুদিনের ইচ্ছা ছিল কাশী যাবার সেটা এবারে পূর্ণ হল। আমরা এলাম লখনৌ থেকে ট্রেনে। ট্রেন লেট করে করে বারাণসী পৌঁছল যখন, তখন সময় রাত ৯ঃ৩০। টুক করে একটা রিক্সা চেপে হোটেলে চেক ইন করলাম তার আধঘন্টার মধ্যেই। আমাদের বুকিং ছিলো "ইন্ডিয়া" তে। এটি একটি চার তারা হোটেল। বিদেশীদেরই ভিড় বেশী। ... ...
ঠিক কবে থেকে গান শুনতে শুরু করি খেয়াল নেই। যতদূর মনে পড়ছে সালটা হবে ১৯৮৩/৮৪। তখন ছোটকাকা বেলুড়ের বাড়িতে থেকে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে পড়ে। কাকার ছিল খুব গান শোনার নেশা। সকাল ছটায় চয়ন। ৬ঃ৩০ এ বর্ণালী। আমার তখন কতই বা বয়েস - ১০/১১। তখন থেকে আস্তে আস্তে পরিচিত হতে শুরু করলাম আমাদের এই সব অসাধারণ শিল্পীদের সাথে। তখন অবশ্য আমার পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ওনার ওমন ব্যারিটোন ভয়েসের জাদুতে আমি মুগ্ধ। কাকা কিন্তু মান্না দে-র ভক্ত। আমাদের খুনসুটি লেগেই থাকতো। কাকা বলতো ধর এই গানের আসরটা যদি একটা বিয়ে বাড়ির নেমতন্ন এর পদ সমুহের মতো হয়ঃ- তাহলে ... ...
সৈয়দ মুজতবা আলীকে নিয়ে কিছু লিখবো এমন বুকের পাটা আমার নেই। শুধু ভালোলাগাটুকু জানানো। মুজতবা আলীর জন্ম ১৯০৪ সালে। প্রথম দিকে পড়াশুনা সিলেটে। তারপরে কবিগুরুর চিঠি পেয়ে অভিভূত হয়ে তিনি শান্তিনিকেতন চলে আসেন। পাঁচ বছর সেখানে পড়াশোনা করেন। বিশ্বভারতীর প্রথম বছর এর স্নাতক তিনি। এর পরে তিনি কাবুল চলে যান। শিক্ষা বিভাগে চাকরি নিয়ে। সেখানে ২ বছর থাকেন। তার সেই কাবুলবাসের সরস বর্ণনা আছে তার বহুসমাদৃত "দেশে বিদেশে" গ্রন্হে। এর পরে তিনি ... ...
এইবার সুগতবাবুর এক পিস গল্প লিখি। গল্প মানে সত্য ঘটনা। ক্লাশ হচ্ছে হেডুর ঘরের ঠিক নীচে। স্যার ইতিহাসের কিছু একটা পড়াচ্ছেন। হাই ফাই নোটস দিচ্ছেন। ভালো ছেলেরা মন দিয়ে নোট নিচ্ছে আর "স্যার আর এক বার বলুন" "আর এক বার বলুন" করছে। আমি এবং আরও বেশ কিছু ওঁচা ছেলে খাতার পেছন দিকে ট্যালি মার্ক দিয়ে স্যার কটা 'কেমন' বললেন গুনছি। ... ...
কন্টিনেন্ট এবং আমেরিকায় ছোটগল্প প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠেছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতেই। কিন্তু সাহিত্য সংস্কৃতি ঐশ্বর্য্য এ মদমত্ত ইংল্যান্ডের চূড়ান্ত আত্মপ্রসাদে তখনও ফাটল ধরে নি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিপর্যস্ত মানসিকতা, বিচ্ছিন্নতা বোধ, ক্লান্তি আর যন্ত্রণার মধ্যেই সাবালক হল ইংল্যান্ডের ছোট গল্প। রবার্ট লুই স্টিভেনসন বা এইচ জি ওয়েলসের আডভেঞ্চার বা ওসকার ওয়াইল্ডের আলিগরির জগত থেকে সমারসেট মম, এইচ ই বেয়টস, ডি এইচ লরেন্স, ই এম ফস্টার এবং ক্যাথারিন ম্যানসফিল্ডের ছোটগল্পের জগত সম্পূর্ণ আলাদা। এদের দাবি অল্প কিন্তু অখণ্ড মনোযোগ। ডি এইচ লরেন্সের "Lady Chatterley's Lover" পড়েছি। ফস্টারের পড়েছি "A passage to India". অবশ্য ক্যাথারিন ম্যানসফিল্ডের কোন লেখা পড়ার সৌভাগ্য এখনও আমার হয় নি। ... ...
অনেক দিন থেকেই বন্ধুবর সন্দীপ বলছে ব্রতীন ধানবাদটা ঘুরে যা। অবশেষে এক গ্রীষ্মের দিনে প্ল্যান করলাম। সকালে উঠতে একটু দেরী হয়ে গিয়েছিল, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে দেখি তখনও ইন্টারসিটি হাওড়া ধানবাদ এক্সপ্রেস দিব্যি দাঁড়িয়ে আছে। চটপট নিজের কামরায় উঠে পরা গেল। পুরো ট্রেনটাই বাতানুকূল। আর খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও বেশ ভালো। ক্ষণেক্ষণে চা, কফি, স্যান্ডুইচ, অমলেট এই সব আসতেই থাকছে। আর ইয়ে বলতে নেই খাবার দেখলেই টেনিদার ভাষার আমি একটু "মেফিস্টোফিলিস" "মেফিস্টোফিলিস" হয়ে যাই। ... ...