Srimallar Speaks কে?
Srimallar Speaks কী? মনের ভাগ্য আকাশ শোনে বিপুল এলোমেলোবৃষ্টি যেন আগের থেকেইওড়ার সময় পেলসুখের ভাগ্য বাতাস জানেধোঁয়ায় মরণশখ মেঘের যেন প্রথম থেকেইঅদৃশ্যমান ত্বকপ্রেমের ভাগ্য স্বপ্নে আসে ডানায় ডানায় চুল অনুভাবক বুঝতে পারেন, কোনটা ঠিক আর ভুল ... ...
১সুসময় ঘুমোচ্ছে। ডাকার কেউ নেই। অস্থিরতা বাড়ছে। কাকে ডেকে শোনাব? নেই, নেই কেউ। ২একলাবিকেল আসে পুড়ে যাওয়া মন নিয়ে। কী লিখছি? কোন ভাষায় লিখছি? কাকে লিখছি এতসব কথা? শুনছে কি কেউ? আমি লিখছি, একা একা ব’সে... ৩মেঘ উড়ে আসছে! বিরক্তি, আবার বিরক্তি। দ্যাখো গঠন নেই। শুধু স্মৃতিবিষ ছড়িয়ে রয়েছে এই মেঘে ... ...
সন্ধেবেলায় দেখা হল আবারদেখেই বললি, ‘কেমন আছিস তুই?’তোর মুখে যে শান্ত আবহাওয়া—তার ওপরেই নিছক এমনি শুই। মনে পড়ছে ১৯ সালের কথাসোম শুক্রয় দেখা একটিবার... বছর সাতেক পরে এখন ভাবি, আগের মতো আমরা নেই আর! সন্ধেগুলো কাটিয়েছিলাম চুপ... পাশেই ছিলিস, অথচ কী একা! দেখা হল আবার আমাদের– যখন আমরা সন্ধেবেলায় একা ... ...
১অনুমতিহাওয়া বড্ড ঝামেলা আনেকখনও সুযোগ পেলে সময়টানে—আমাকে ভাবিয়ে যায়, কোনও গোপনে...২গর্ভবতীমেঘ জানি বন্ধু প্রেমেরআজ তবু স্বাদ নেই টুকরোমনের...জানতাম হবে তুমি অন্যজনের।৩বিপরীতে ঝগড়ায় বিচ্ছেদ ভালউপায় করেছি কিছু নতুন আলো–এখন আগুন শেষ, ছাইয়েরা কালো। ... ...
কয়েকটি কথা: ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ১৯:১৩ র সময়ে গুরুর ‘পর্বে পর্বে কবিতা ৫৮’য় আমার এই কবিতাটা জমা করেছিলাম। লেখাটা আমার নিজের বেশ কাছের। আবারও আজকে প্রকাশ করলাম, খেরোর নতুন খাতায়... সময় থাকলে বা ইচ্ছে চাইলে, প’ড়ে দেখতে পারেন। যুদ্ধ মানুষ কত সম্ভাবনাময়মানুষ কত জটিলতায় মানুষফাঁকা মাঠে গোল তো সবাই দেয়,এবার মানুষ অন্য কিছু করুক।হাসিমুখের প্রতিক্রিয়াতেইভুলে যাচ্ছে অবসাদের কথা৷এমন কোনও প্রতিক্রিয়াই নেই,খালি চোখে সহজে যায় দেখা।রক্ত নিয়ে খেলা হচ্ছে কত...বদলা মানেই টুকরো ক’রে ফেলা।অন্ধকারে পিছিয়ে আসছি তত,ভরসা বলতে আকাশভরা তারা।আকাশ থেকেই বৃষ্টি পড়ছে আবারআকাশ দিয়েই উড়ে যাচ্ছে পাখি৷এই শহরে এইটুকুই তো চাওয়া—বিপদ এলে হাত বাড়াতে পারি।জ্বলতে জ্বলতে আগুন ধুন্ধুমারপোড়া গন্ধে সভ্যতা আজ ... ...
লেখা দৌড়চ্ছে। তার পেছন পেছন ছুটে চ’লেছি আমি। যাওয়ার সময়ে পাশ দিয়ে চ’লে যাচ্ছে—মৃতদেহ নিয়ে নবদ্বীপ শ্মশানের দিকে মনমরা গাড়ি।যাওয়ার সময়ে পাশ দিয়ে চ’লে যাচ্ছে—জীবন নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত এক যুবক। যে পরিবর্তনের আশায় শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে সম্ভবত... এক, দুই, তিন, চার—এইভাবে আরও আরও দৃশ্য আসছে যেতে যেতে। লেখার কাছে পৌঁছনোর আগে পরিশ্রমের পাঠ শেখাচ্ছে,লেখা নিজেই আমাকে। সবকিছু হাতে ধ’রে শেখানোর মতো এতভালো বন্ধু আর কখনও ছিল কি আমার?লেখার বন্ধু হ’তে পেরে, বেঁচে থাকা সার্থক মনে হচ্ছে। ... ...
তোকে বোঝাতে পারিনি, আসলে যা বলতে চাই আমি...এখন কোথাও নেই, ভালবাসা খুঁজে যাচ্ছি আমি...তোকে ভাল বেসে বেসেউঠেছি স্বপ্নে ভেসেবোঝাতে পারিনি তোকে, ভালবাসি তোকে।আজ পাঠকের হাতে, তুলে দিচ্ছি তোকে লেখা আমার প্রথম সেই চিঠি—‘মনামী,হাওয়ারা মারপিট জানে?কেন রাত শুধু শুধু, শুধু শুধু তোকে টেনে আনে?ভাগ্য হাসছে আর কোথায়?ভাবছি জানি বদলে যাব, কাল কোনও অন্যমতো হাওয়ায়...ঘুরছি দূরে কাছে,কবিতার বারান্দায়, এখনও তোকেই পাই কাছে।নতুন ডাইরি কিনে ফিরি—তোকে নিয়ে লিখব আরও, যতটুকু যতদিন পারি... তোর সেই ‘ভালো ছাত্র’ ... ...
বাতাস এখন চুপ–দেখতে পাচ্ছি রাত্রিবেলার অন্যরকম রূপ, বাতাস যখন চুপ... আকাশ এখন ধীর–বিক্রি হচ্ছে ফড়িং এবং শহরজুড়ে ভিড়, আকাশ যখন ধীর... মাথায় এখন জল–আমার পাশে নানান রঙের বান্ধবীদের দল, চোখে হঠাৎ জল ... ...
উড়তে থাকুক প্রজাপতি, নিভতে থাকুক রোদ–বৈশাখের প্রথমদিনেই তোমার বিয়ে হোক...ইচ্ছেরা নিক সহজকথায় জটিল যত লোভমালিন্যদোষ হাওয়ায় মিলাক, আসুক ফিরে রাগ–দূরের কাছের শুভেচ্ছারা সবার ভাল চাক...যত্ন ক’রে ছড়াক ডানা কঠিনগোপন রাতআকাশ আসুক হরিণ এঁকে, মেঘের ভাঙুক জল—গাছের কাছে পাঠিয়ে দেবো মানুষ চলাচল...বৈশাখে মন সেলাই শিখে, বদলে নেবে দল ... ...
সাদা পাতা অপেক্ষায় আছে।লেখা তুমি ফিরে এসো... ... ...