• বুলবুলভাজা : বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। প্রবেশ করে দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
  • পাতা : 44 | 43 | 42 | 41 | 40 | 39 | 38 | 37 | 36 | 35
  • অচিন্ত্যনীয় লাঞ্চনা

    - Prativa Sarker
    বুলবুলভাজা | ২৫ জানুয়ারি ২০২০ | ৯৭ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ২, লিখছেন (বিপ্লব রহমান, সে)

    অচিন্ত্য প্রান্তর আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন একজন মানুষ। তার মার্জিত ব্যবহার, পরিশীলিত বাচন, তার কন্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান আমাকে মুগ্ধ করে।  যদি সে সম্পূর্ণ অচেনা কেউ হতো, রূঢ় এবং শিক্ষাহীন, তাহলেও আজ বিমানবন্দরে সিআই এসএফ যে ভাবে তাকে পরীক্ষা করেছে তার আপত্তি সত্ত্বেও, তার তীব্র প্রতিবাদ করতাম। কারণ লিঙ্গ পরিচিতি যে কোন মানুষের একেবারে ভেতরের উপলব্ধির বিষয়, তার একান্ত মানসিক এবং অনুভূতির ব্যাপার।       

  • রাজনীতির জয়- পরাজয় আপাতত এক বিরাট মানবিক উদযাপনের মুখোমুখি

    - Bodhisattva Dasgupta
    বুলবুলভাজা | ২০ জানুয়ারি ২০২০ | ৭৪১ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৯, লিখছেন (g, Sarbani, Supriya Roy Chowdhury)

    উদ্দেশ্য আমার কাছে অন্তত খুবই স্পষ্ট ছিল। এন আর সি, সি এ এ এবং ছাত্র ছাত্রীদের উপরে পুলিশ তথা সরকার সমর্থক গুন্ডা দের হামলা ইত্যাদি নিয়ে সারা দেশে যে নানা প্রতিবাদ হচ্ছে, কলকাতায় থেকে তার যতটুকু আঁচ পাওয়া যায়, সেটা অনুভব করার , চাক্ষুষ করার চেষ্টা করা। এবং গুরুচন্ডালি তে লিখে ফেলা, যতটা পারা যায়।।

  • যাত্রাপথের আনন্দগান

    - Prativa Sarker
    বুলবুলভাজা | ১৭ জানুয়ারি ২০২০ | ৯০০ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৭, লিখছেন (শক্তি , গ, Shibanshu De)

    পার্ক সার্কাসে গিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়ালেই আমার মনে পড়ে রক্তবীজের কাহিনী। আকাশ-চাটা আগুন-চিতায় সহমরণে মরতে যাওয়া মায়ের অসহ্য যন্ত্রণার চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গে জরায়ু উন্মোচনে তার জন্ম। একফোঁটা রক্ত যেখানে পড়ে সেখানেই জন্ম হয় রক্তবীজের। এক থেকে একশ, হাজার, লক্ষ -- লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে তরুণাসুর রক্তবীজের সংখ্যা।    

  • চন্দ্রশেখর আজাদ

    - প্রতিভা সরকার
    বুলবুলভাজা | ১২ জানুয়ারি ২০২০ | ১৬৮ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (Shibanshu De, বিপ্লব ব্যানার্জী, দ)

    তেত্রিশ বছরের একটা জোয়ান কিন্তু রুগ্ন ছেলে শুয়ে আছে জেলখানার ঠান্ডা মেঝেতে, গায়ে হয়ত শুধু একটা কম্বল। গরাদের ফাঁকে তাকে কড়া নজরে রেখেছে এদেশের কুখ্যাত ট্রিগারহ্যাপি পুলিশ বাহিনী, যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমাতে নিজেরাই সরকারি বাস পোড়ায়, গুজরাত মডেলে সংখ্যালঘুর দোকান ভেঙে দামী মাল লুঠ করে। আর দমাদম গুলি ছুঁড়ে শুইয়ে দেয় শিশুদেরও। আটক নাবালকদের সোডোমাইজ করার অভিযোগও ওঠে এদের বিরুদ্ধে।

  • আমরা দেখে নেবোই : রোহিত ও নাজীবের জন্য

    - সায়ন্তন মিত্র
    nrc | ০৮ জানুয়ারি ২০২০ | ৪৬ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ২, লিখছেন (quark, লোহিয়া থেকে)

    এই লেখা লিখতে লিখতেই শোনা যাচ্ছে বিশ্বভারতীতে সঙ্ঘের পেটোয়া লোকজন নিয়ে ব্যবস্থা করা হয়েছিল এক সেমিনার যাতে সিএএ ও এনআরসির সুফল ব্যখ্যা করার কথা ছিল। সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় রড লাঠি নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে আরেক গুন্ডাবাহিনী। বিশ্বভারতী থেকে আসা এই খবর কোনদিকে গড়াবে আমরা জানি না, কিন্তু গোটা দেশজুড়ে যে সমস্ত ক্যাম্পাসগুলিতে আরেসেস এবিভিপির যাতায়াত ছিল সীমিত সেগুলিতেই নানা ফিকিরে ঝামেলার পরিবেশ তৈরী করে এক একটা ফেনোমেনন বানাতে চাইছে তারা। কিন্তু তাদের এই বর্বরতা কোনোভাবেই শেষ কথা হয়ে যে উঠবে না তার প্রমান প্রায় প্রতি মুহুর্তে দিয়ে চলেছেন এই দেশের ছাত্রছাত্রীসমাজ ও তাদের পাশে দাঁড়ানো সাধারণ মানুষ। আরেসেস বিজেপি যত হিন্দুরাষ্ট্র বা অন্যকে টুকরে গ্যাঙের নাম করে আসলে নানাভাবে ভারতের বিভাজনে ব্রতী হবে ততোই তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হবে এবং অতীত থেকে ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করার শিক্ষা তাদেরও দেওয়ার জন্য একত্রিত হবেন এদেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। যে আজাদীর স্লোগান উঠে এসেছিল বিক্ষুদ্ধ কাশ্মীর থেকে আজ তা শোনা যাচ্ছে কলকাতায় মুম্বইতে সব জায়গায় এবং তা দিচ্ছেন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ গৃহবধু বাচ্চা বুড়ো সবাই। ফয়েজের কবিতার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি বসাতে বাধ্য হচ্ছে ভীতু কর্তৃপক্ষ।

  • জাগ্রত শাহিন বাগ

    - ফরিদা
    nrc | ০৫ জানুয়ারি ২০২০ | ৭ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৫, লিখছেন (প্রচুর পুলিশ, Rathindra Pal , শাহিনবাগ থেকে এস ও এস)

    ফিরোজ - দেখ, তোমায় তো বললাম জামিয়া আর 'জেএনইউ' এর ছাত্রছাত্রীরা শুরু করেছিল অবরোধের তা ক্রমে মানুষের প্রতিরোধে পৌঁছেছে। এর বেশিরভাগটাই সামলাচ্ছেন মহিলারা। আট থেকে আশি, এমনকি অন্তসত্ত্বা মহিলারাও রয়েছেন এই দলে। পালা করে তারা আসছেন। বাড়ির কাজ সামলে। পুরুষেরাও আছেন, তবে তাদের ভিড় বেশি সন্ধ্যার পর। আর এই জমায়েতে যে শুধু মুসলমানরাই রয়েছেন তা কিন্তু নয়। এতে অনেক হিন্দু শিখ এরাও রয়েছেন একসঙ্গে জোট বেঁধে।

  • সূচীপত্র

    - বছর শুরুর গুরুচন্ডা৯
    মোচ্ছব | ০৫ জানুয়ারি ২০২০ | ৫৩ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) |

    সূচীপত্র

  • অনুপ্রবেশকারী

    - শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়
    কাব্যি | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ |

    নতুন মালিক এলে গাছ গুলি ভয়ে জড়সড়
    আগাছা আপদ ভেবে যদি ওরা উপড়ায় মুল
    কিম্বা সাধের পাতা ছেঁটে কেটে বানায় অদ্ভুত
    সান্ত্বনা চেয়েছে ওরা মাথা নুয়ে মাটির উপর

  • পরিব্রাজিকা এবং

    - বেবী সাউ
    কাব্যি | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ২ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) |

    তুমিও সহজ মতো বিশ্বাস করেছ সবকিছু। 
    সত্য ভেবে এ সংসার। ভাঙা চাল। ভাতের কাঁকর  

    নীরবে না-পাওয়া নিয়ে আমিও জপেছি রাধানাম  

    ঝড় এলে উড়ে যায় চাল, শস্য, তাও বলি --'তিষ্ঠ ক্ষণকাল'  

    যেভাবে বানের জলে ভাসে কৃষিকাজ 

    কৃষকের মন ভাবে প্লাবিত এ মাটি 
    অধিক ফলন সুখে 

    বর্ষশেষে ভেজা নারী 
    কোথা থেকে কোথায় বা যায়!  

  • পোড়া মাটির পুতুল এবং

    - মানস ঘোষ 
    কাব্যি | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ৭ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) |

    দেশ জাতি দ্বেষ জাতি পোড়া 
    মাটির পুতুল দিয়ে
     চিত্রনাট্য,স্টেজ, আলো, পর্দা সব রেডি, 
    সেট সাজিয়েছি... 
    মৃত্যু উপত্যকার... 
     
    যাবতীয় আলো দর্শকের চোখে !
    মঞ্চ অন্ধকার |
    ...

  • নগিনা বাগ আর মেহর আলি

    - শিবাংশু দে
    মোচ্ছব | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ১২ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ২, লিখছেন (অরিন, সুকি)

    বারো বছর কাটার পর হঠাৎ একদিন গভীর রাতে সুলতান দেখেন তাঁর শোবার ঘরে দুজন অতি সুন্দর যুবক এসে পরিচয় দিলেন রামোজি আর লক্ষ্মোজি নামে। তাঁরা রামদাসের মুক্তিপণ হিসেবে ছ'লক্ষ টাকার সোনার মোহর আর সুদ হিসেবে ছ'লক্ষ টাকার রূপোর মোহর নিয়ে এসেছেন। মোহরগুলিতে রামচন্দ্রের নিজের নাম ছাপা আছে। সুলতানের তো চক্ষু চড়কগাছ। এভাবে মাঝরাতে তাঁর শোবার ঘরে দুজন ঢুকলো কী করে? অন্যদিকে তিনি এই দুজন আগন্তুকের ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ। সুলতান রামদাসের মুক্তি পরওয়ানা স্বাক্ষর করে দিলেন। সেই রাতেই ঐ দুই যুবক কারাধ্যক্ষকে ফরমান দেখিয়ে রামদাসকে মুক্ত করে দিলেন।

    পরদিন সকালে হইহই ব্যাপার রইরই কাণ্ড। সুলতান ও রামদাস দুজনেই বুঝতে পেরেছেন ঐ দুজন যুবক কে ছিলেন? রাজা তো চমৎকৃত। আর রামদাসের বিলাপ বাধা মানেনা। তিনি বারবার বলছেন, রামলক্ষ্মণ ভক্তকে দর্শন না দিয়ে কেন যবন রাজাকে করুণা করলেন?

  • মনে পড়ে, পম্পেই?

    - সুপর্ণা দেব  
    মোচ্ছব | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ২ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৫, লিখছেন (PM, de, দ)

    বড়বড় ধনীদের তো কথাই নেই। আয়েশে আমোদে দিন কাটত। গ্রানাইট পাথরে বাঁধানো রাস্তা। রাস্তার মধ্যে রথের চাকা যাবার জন্য সমান্তরাল ভাবে ও সমান দূরত্বে উঁচু করে দেওয়া আছে। ফুটপাথ ও জলের লেড পাইপ। আর রোমান বাথ। রোমানরা কী নাইতে ভালোবাসে ! পাবলিক বাথ। ঠাণ্ডা জল, গরম জল। গরম বাষ্প। সবচেয়ে ভালোভাবে বোঝা যাবে স্টাবিয়ান বাথে। মাঝে মাঝে সারনো নদীর জল উঠে আসতো শহরে। ওই জলে একবার পা পিছলে গ্রানাইট পাথরের পথে পিছলে গেছিলাম। রুটির বাস্কেট হাত থেকে পড়ে গেছিল। আমার মনিবের কাছে কী মারটাই খেয়েছিলাম, মনে আছে।

    আভেন থেকে গরম রুটি আর মাছের আচার গারুম, খুব লোভনীয়। গরম গরম রুটি, তাজা ফল রোমানদের চাইই চাই। বন্দর আর সমুদ্র এই শহরকে কত বৈচিত্র্য দিয়েছে। কত রকম লোক দেখতে পেতাম। ফোরামের বাজার ভরে থাকতো রাশি রাশি জিনিশে। মন্দ ব্যাপারও কম ছিল না। আমার বরাত ভালো রুটির বেকারিতে কাজ করতাম। মারধোর খেতাম।সেটাও ভালো ছিল কারণ বেশীর ভাগ ক্রিতদাসীরা ভিনদেশি বণিক আর রোমানদের সঙ্গিনী হত। সেই সব ঘরের ধ্বংসাবশেষ পম্পেই তে আছে । ভাল্লাগে না দেখতে ! যে দেশে এতো ধনী আর এতো ব্যাবসায়ী ছিল, মেয়েরা তো সেখানে প্রমোদের উপকরণ মাত্র।

  • দাক্ষিণাত্যের পালমিরা, বিজাপুর

    - স্বাতী রায়
    মোচ্ছব | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ৬১ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (সুকি, দ, স্বাতী রায়)

    আঁকা বাঁকা সরু সরু রাস্তা দিয়ে চলেছি। পুরোন শহর। ঝাঁ চকচকে নয় মোটেই। বরং একটু ধুলোভরা, অগোছালো – পথের পাশের বেআব্রু দারিদ্রে একটু যেন আবছা মত। পথের বাঁক ঘুরলে হঠাৎ হঠাৎ চোখে ভেসে ওঠে এক একটা পাথরে গড়া মায়া – কালের প্রলেপে ধুসর তাদের রং। ট্যুরিস্ট নেই মোটেই – শুধু পাড়ার দু চার জন লোকের ইতস্তত ঘোরাফেরা, নতুন লোক দেখে একবার তাকিয়ে দেখা – ব্যস ওইটুকুই। অটো নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে থামছে, ড্রাইভার শুধু জায়গার নামটা বলে দিচ্ছেন। বেশি কথাবার্তা হচ্ছে না, দুপক্ষেরই ভাষাজ্ঞানে ঘাটতি হচ্ছে। এরই মধ্যে দেখে নেওয়া গেল ইব্রাহিম রোজা। দ্বিতীয় ইব্রাহিম আদিল শাহের স্ত্রী তাজ সুলতানার সমাধি, সুলতানেরও। পাথরের দৃঢ়তার সঙ্গে অলংকরণের সূক্ষ্মতার আর আর্চের পেলবতার মিশেলে তৈরি একটা ছবি।

  • দক্ষিণাবর্ত

    - রৌহিন ব্যানার্জি
    মোচ্ছব | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ৪ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৭, লিখছেন (রৌহিন, সুকি, স্বাতী রায়)

    এর ঠিক দুদিন পরেই এসে পড়ল সেই অভিশপ্ত দিন, ৬ই ডিসেম্বর। তারপর সারা ভারত জুড়ে তাণ্ডব – এমন কি এই কলকাতা শহরেও আমার জীবনের সেই প্রথম কার্ফিউ দেখা। সুমনের বসে আঁকো তখনও বেরোয়নি – মগজে কারফিউ শব্দবন্ধ তখনো অচেনা, শহরে কারফিউ চিনে ফেললাম। কিন্তু দাঙ্গা হল না পশ্চিমবঙ্গে। রাজাবাজার, খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, কোথাও না। আস্তে আস্তে আবার স্বাভাবিক হয়ে এল শহর – কিন্তু মনের কালো ছায়াটা সরছিল না কিছুতেই। উত্তর ভারত জুড়ে চলমান অশান্তি – আদবানীর গ্রেপ্তারী, খবর আসছিল সবই, যদিও খবরের কাগজই ছিল আমাদের প্রধান ভরসা – আর ডিডি ওয়ান এর সংবাদ। আর এসবের মধ্যেই ১৯ তারীখে এসে পড়ল বাবা, মা, বোন – কুচবিহার থেকে। তিনদিন গজল্লা পাড়ার পরে ২১শে সন্ধেবেলা ট্যাক্সি ধরে সোজা হাওড়া - রাতে ম্যাড্রাস মেল সাড়ে দশটায়। স্লিপার থ্রি-টায়ার। থ্রি-এসি তখনো ভবিষ্যতের গর্ভে, এসি কামরা বিরাট বড়লোকেদের ব্যাপার।

  • মরফিন

    - সুকান্ত ঘোষ
    বুলবুলভাজা | ০২ জানুয়ারি ২০২০ | ৩২ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ১৯, লিখছেন (দ, সুকি, স্বাতী রায়)

    সকাল আরো কাছ এগিয়ে আসে, বিছানায় যাওয়া জরুরী, কাল সকালে মিটিং আছে। ঘড়িটা ড্রয়ার থেকে টেনে বের করতে গিয়ে চোখ পড়ে যায় সেই মরফিন প্যাচ্‌-গুলোর প্যাকেটে। এখনো রয়ে গ্যাছে এরা? বেশ কয়েকটা প্যাচের প্যাক দেখলাম, হাত দিয়ে সরিয়ে আরো পেলাম মরফিন ট্যাবলেটও। মনে পড়ে গেল সেই ক্যানাল রোডের দোকান থেকে কেনা – সাথের ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনটা এগিয়ে দিয়েছিলাম, সেটা শুধু মরফিনেরই জন্য। ওরা আবেগহীন আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দেয় যন্ত্রণা – এই ডাক্তারের হাতের লেখা খুব সুন্দর, কালি পেনে লিখেছে। আমিও পড়ে নিতে পারি, ডাক্তার লিখে দিয়েছে চাইলে মাস দুয়েকের জন্য স্টক করে নিতে পারি মরফিন প্যাচ এবং ট্যাবলেট। ওরা প্যাচ এনে দেখায়, আমার চোখ চলে যায় ছোট ছোট ট্যাবলেটে। কেমন প্রশান্তি এনে দেবে এরা?

  • বছর শুরুর গুরুচন্ডা৯

    - গুরুচন্ডা৯
    মোচ্ছব | ০১ জানুয়ারি ২০২০ | ৮ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ১, লিখছেন (.)

    এ বড় সুখের সময় নয়। ঘাড়ের উপর এনআরসি, মাথার উপর ক্যা। আসামে বাংলা কোনঠাসা, উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। কাশ্মীর এখনও অবরুদ্ধ, নাগাল্যান্ডে বুটের শব্দ। এখনও পর্যন্ত  ১১ টি রাজ্য এনপিআর মানবেনা জানিয়েছে, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার অনমনীয়। দেশভাগের পর গত সত্তর বছরে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতীয় ইউনিয়নের সামনে এত বড় সংকট আর আসেনি। এ ঠিক উৎসবের সময় নয়।

    সেই জন্যই এ সময় উৎসবেরও। রাষ্ট্র যখন পিটিয়ে সমস্ত বহুত্বকে সমতল করে দিতে চায়, তখনই তো সময় বহুত্বকে উদযাপন করার। রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন কিচ্ছু বদলাতে পারেনা দেখিয়ে দেবার। সংকটের মধ্যেই জন্ম হয় নতুন উচ্চারণের, স্ফুরণ হয় নতুন শব্দ, নতুন চিৎকারের, নতুন সৃজনের।

    এ সময় উৎসবেরও। উৎসব সংখ্যার।

  • কিংবদন্তীর আড়ালে যা কিছু থাকতে পারে

    - বিপুল দাস
    মোচ্ছব | ০১ জানুয়ারি ২০২০ |

    কখনও পূর্ণচাঁদের আলোয়, কখনও সন্ধ্যার প্রায়ান্ধকারে একটা ঘোড়া ছুটে যায়। ঘোড়ার পিঠে দীর্ঘকায় এক পুরুষ। তার হাতে বন্দুক, আর তার কোলে নাকি এক সুন্দরী নারী বসে থাকে। ঘোড়াছুটেযাওয়া ওই পথের দুপাশ জুড়ে ছড়িয়ে যায় জমাটবাঁধা অসংখ্য ধূলিপিন্ড। প্রতিটি খন্ডের ভেতরে গল্প শোনা যায়। সেই গল্প কাঁধে তুলে নেয় কোনও পাগল কিংবা প্রেমিক। লোকজীবনের হাটেমাঠে, সিদলমাখা গরম ভাতের সঙ্গে, পালাগানের আসরে সেই গল্প শোনে জাপান ঘোষ, পূর্ণিমা বর্মন, ইছুপ মন্ডল।

  • আচাভূয়া উড়াপাক

    - অভিষেক ভট্টাচার্য্য
    মোচ্ছব | ০১ জানুয়ারি ২০২০ |

    আমি রবি ঠাকুরের কবিতাও গড়্ গড়্ করিয়া বলিয়া যাইতে পারি। যেমন, ছপ্পড় পর কৌঁয়া নাচে ও আর কত কাল একা থাকব। এরূপ ভীষণ স্মরণশক্তি আজিকালকার বাঙ্গালীদের মধ্যে দেখা যায় না। শুনিয়াছিলাম মহাপুরুষ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের এইরূপ ভীষণ স্মরণশক্তি ছিল। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মহাশয় বাঘের ন্যায় গর্জ্জন করিতে পারিতেন। এ কারণে লোকে তাঁহাকে বাঙ্গালার বাঘ বলিত। তিনি একবার অত্যাচারী বৃটিশ শাসকের বাড়িতে গিয়া এইরূপ ভয়ানক গর্জ্জন করিয়াছিলেন যে অত্যাচারী বৃটিশ শাসক ভয় পাইয়া তাঁহার নামে একটি অট্টালিকা লিখিয়া দেয়। সেই অট্টালিকাতে স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মহাশয় একটি কলেজ স্থাপন করেন। সেই কলেজ অধুনা আশুতোষ কলেজ নামে খ্যাত। এইরূপ আরো বহু ঘটনার কথা আমি নানা দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থে পড়িয়াছি। এইভাবে নানা দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের পর গ্রন্থ পড়িতে পড়িতে আমি বর্ত্তমানে একজন কেও-কেটা হইয়াছি। আমার সহিত এখন আর কেহই পাল্লা টানিতে পারিবে না।

  • রবীন মণ্ডল - ফিরে দেখা

    - বিষাণ বসু
    মোচ্ছব | ০১ জানুয়ারি ২০২০ | ১ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (সুকি, Ekak, Bishan Basu)

    আর দেখুন, রবীন মণ্ডল তো কলকাতার লোক কেনে নি। কিনেছে দিল্লী আর মুম্বাইয়ের বায়াররা। লাস্ট ফোর-ফাইভ ইয়ার্স, দে আর বায়িং টু বিল্ড আপ দেয়ার স্টক। এরপর কী হবে? মার্কেটে যা পড়ে আছে, ওরাই কিনে নেবে - দরকার হলে, বেশী দামে হলেও। দেন, দে উইল ক্রিয়েট আ ডিমান্ড, আ ক্রাইসিস - প্রাইস চড়চড় করে বাড়বে। দিস হ্যাপেনড উইথ সুজা অ্যান্ড টেক মাই ওয়ার্ডস, দ্য সেম ইজ গোয়িং টু হ্যাপেন উইথ রবীন মণ্ডল।

    বেশ কথা। শাঁসালো কালেক্টর কদ্দূর সহমত হলেন, বলতে পারি না। আমার শুধু মনে পড়ে গেল, রবীন মণ্ডল চেয়েছিলেন, তাঁর ছবি দেখে দর্শক যেন দর্পণের মুখোমুখি হন। কে সেই দর্শক? দর্পণের মুখোমুখি হয়ে ডিজাইনার হেয়ার-সালোঁ থেকে ছেঁটে আসা চুলটুকু গুছিয়ে নেওয়া বাদে সেই ধনী মানুষটি আর কী করবেন?

  • ডোডিতালের পথে

    - ডোডিতালের পথে
    বুলবুলভাজা | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ |

    উত্তরকাশী জেলায় ৩০২৪মিটার উচ্চতায় প্রাকৃতিক হ্রদ ডোডিতাল-এখান থেকেই জন্ম নিয়ে আশিগঙ্গা নদী মিশেছে গঙ্গাতে।পথ শুরু হয়েছে উত্তরকাশী থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরের সঙ্গমচট্টি থেকে।আগোডা,বেবরা হয়ে ডোডিতাল।প্রথমদিন পেরোতে হবে ৮ কিলোমিটার,গন্তব্য বেবরা গ্রাম, এপথের শেষ গ্রাম।থাকা যায় আগোডাতেও,গ্রামের লোকের বাড়িতে হোম-স্টে প্রথায় অথবা নিজেদের তাঁবুতে।ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পথ গিয়েছে।প্রথম দু কিলোমিটার অবশ্য ‘পথ’ কিনা তা নিয়ে ঘোর সংশয় জাগে।গাইড জানালেন ২০১৩ সালের বৃষ্টি,ধ্বসে ভেঙ্গে গিয়েছে পথ।এখন তো সবে ২০১৮,সারানোর সময় হয়নি বোধহয়।মনে পড়ল –হৃষিকেশ থেকে শুরু করে সারা রাস্তা জুড়ে দেখে এসেছি কর্মকাণ্ড,চারধামের জন্য তৈরি হচ্ছে সুপ্রশস্ত রাজপথ পাহাড় কেটে, গাছ কেটে।সময় কোথায় গ্রামের পথের দিকে নজর দেওয়ার, হোক না সে গ্রামের একমাত্র পথ।সে যাক,দু কিলোমিটার পর ‘পথ’ চোখে পড়ল।

  • পাতা : 44 | 43 | 42 | 41 | 40 | 39 | 38 | 37 | 36 | 35
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক দাস , দীপক)
    মিষ্টিমহলের আনাচেকানাচে
    (লিখছেন... দীপক, J, দীপক)
    অচিন্ত্যনীয় লাঞ্চনা
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, সে)
    রাজনীতির জয়- পরাজয় আপাতত এক বিরাট মানবিক উদযাপনের মুখোমুখি
    (লিখছেন... g, Sarbani, Supriya Roy Chowdhury)
    আফজল গুরু – বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে?
    (লিখছেন... Du, Du, দোবরু পান্না)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • কাগজ আমরা লুকাবো না
    (লিখছেন... দোবরু পান্না, Du, a)
    NRC-NPR-CAA : প্রতিবাদের ছবি
    (লিখছেন... pi, এবার? )
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... )
    গুরুচণ্ডা৯র প্রকাশিতব্য বইএর জন্য দত্তকের আহ্বান
    (লিখছেন... গুরুচণ্ডা৯, Guruchandali, গুরুচণ্ডা৯)
    ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা চটি সিরিজ
    (লিখছেন... )
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    (লিখছেন... খ, 2024, রৌহিন)
    গুরুচণ্ডা৯‘র ঢাকা অ্যাটক!
    (লিখছেন... aranya, বিপ্লব রহমান, রৌহিন)
    কৈলাসে কেলেঙ্কারি
    (লিখছেন... দোবরু পান্না)
    ইরানে - নীলাঞ্জন হাজরা
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান , Nilanjan, বিপ্লব রহমান)
    কাজুতন্ত্র ও সুফিবাদ
    (লিখছেন... দ, de, J)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত