• বুলবুলভাজা : আলোচনা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। প্রবেশ করে দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
  • পাতা : 8 | 7 | 6 | 5 | 4 | 3 | 2 | 1
  • এই দুনিয়ার সকল ভাল,
    আসল ভাল, নকল ভাল
    ডিটেনশন সেন্টারও ভাল।

    - জয়ন্ত ভট্টাচার্য
    আলোচনা | ১২ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪৭ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ২, লিখছেন (জয়ন্ত ভট্টাচার্য , গুরুচণ্ডা৯ )

    এ এক অদ্ভুত শিউড়ে ওঠা সময়ের কাহিনী। আমরা সেই সময় অতিবাহিত করছি যখন আমাদের মনে পড়ে যায় “পিচ্ছিল নেপথ্যে আজও রয়েছে মানুষ – একা – নরক দর্শন করে, তবু অন্ধ নয়, খোঁড়া নয়;

  • একটি পুরোনো ছবি, নোবেলজয়ী কবির কবিতা আর আমাদের কেটে-যাওয়া সময়

    - বিষাণ বসু
    আলোচনা | ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | মন্তব্য : ৫, লিখছেন (খ, খ, এটা পোড়ো)

    দুখানা বাঁদর। শেকল দিয়ে বাঁধা। শেকলের এক প্রান্ত আটকানো মেঝের সাথে। বাঁদরগুলো বসে আছে একখানা ছোট জানালার ওপরে। সম্ভবত জেলখানার কুঠুরি - অন্তত জানালার ধাঁচ তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাঁদরগুলো যেখানে বসে, সেই জানালায় ইতস্তত ছড়িয়ে আছে বেশ কিছু বাদামের খোলা - বাঁদরগুলো বাদাম খাচ্ছিল। আমি ছবিটা দেখছি এই জেলখানার কুঠুরির মধ্যে দাঁড়িয়ে। একখানা বাঁদর তাকিয়ে আছে আমার দিকে। বিষণ্ণ, সম্ভবত - অবশ্য সে আমার ভুলও হতে পারে। আরেকটি অন্যমনস্ক - মাথা ঝুঁকিয়ে তাকিয়ে আছে বাইরের দিকে - আমার সাথে চোখাচোখি হতে পারছে না তেমন একটা।

  • বিশ্বাসঘাতকতার আখ্যান 'সিজনস অব বিট্রেয়াল'

    - অরিজিৎ গুহ
    আলোচনা | ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৩, লিখছেন (i, দ, দ)

    ১৯৪৭ আর্থ' এ একটা দৃশ্য ছিল অমৃতসর থেকে লাহোরের দিকে আসা উদ্বাস্তু পরিপূর্ণ একটা ট্রেন লাহোর স্টেশনে এসে যখন দাঁড়িয়েছিল, লাহোরের আত্মীয়স্বজনরা ট্রেনের ভেতর থেকে কেউ বেরোচ্ছে না দেখে যখন উঁকি মেরে দেখতে যায়, এক ঝলক দেখেই আতঙ্কে বাইরে ছিটকে সরে আসে, কেউ কেউ বা ওখানেই বমি করে দেয়। ট্রেনটা ভর্তি ছিল শুধু ছিন্নভিন্ন লাশে। একজনও কেউ জীবিত ছিল না ট্রেনে। লাহোর থেকে যখন অমৃতসরে ট্রেন যায় এদিকের উদ্বাস্তুদের নিয়ে, তখন সেই ট্রেনটাও পালটা লাশে ভরে ওঠে। অমৃতসর স্টেশনের আত্মীয় স্বজনরাও ঠিক একইভাবে আতঙ্কে সিঁটিয়ে উঠেছিল। সিনেমায় ওই দৃশ্যটা দেখে মনে মনে ভয় পেয়েছিলাম। পরে ভেবেছিলাম সিনেমার প্রয়োজনে অনেক কিছুই তো দেখাতে হয়, তাই এটাও হয়ত বানানো। এরকম যে বাস্তবে হতে পারে কখনো মাথাতেও আসে নি। অনেক অনেক পরে মান্টো পড়ার সময় বুঝেছিলাম এরকম কেন, এর থেকেও অনেক সাঙ্ঘাতিক জিনিস মানুষ করতে পারে। উন্মাদনার চরম সীমায় মানুষ যে কী করতে পারে আর কী করতে পারে না, তা মানুষ নিজেও জানে না। গুরুচণ্ডালী পাবলিকেশনের 'দময়ন্তী'র লেখা 'সিজনস অব বিট্রেয়াল' আবার সেই উন্মাদনার দিনগুলোতে নিয়ে ফেলছিল যেন।

  • এমপ্যাথি, র‍্যাশনাল কমপ্যাশন, কাঁটাতার, ছিন্নমূল, আজকের ছবিটবি

    - বিষাণ বসু
    আলোচনা | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ | মন্তব্য : ৩, লিখছেন (সঞ্জয় বন্দোপাধ্যায়, জয়ন্ত ভট্টাচার্য , ক্যাম্পের আরেকজন)

    না, শিল্পী কখনই সাংবাদিক নন - নিত্যকার ঘটনার জার্নাল মেইনটেইন করা তাঁর অবশ্যপালনীয় দায় নয়। তাঁর মনের মধ্যে আসা দৃশ্যকল্পকে তিনি রঙতুলি দিয়ে ধরেন কাগজে, ক্যানভাসে। কিন্তু, সেই মনের মধ্যে আসা দৃশ্যকল্পে সমকাল, পারিপার্শ্বিক হানাহানি, মানুষের অসহায়তা, সমাজের গরিষ্ঠ অংশের অনিশ্চয়তা ঠাঁই পাবে না এতটুকু? ছবিতে শুধুই ফুটে উঠতে থাকবে শিল্পীর সমকালবিমুক্ত অন্তর্দর্শন (শিল্পীর অন্তর্জগত যদি সমকালীন সঙ্কটে আলোড়িত না হয়, তাহলে সেই অন্তর্দর্শন তো নিছক আত্মকেন্দ্রিকতা), কিম্বা স্বপ্নের নারী, অথবা দৃষ্টিনন্দন প্রকৃতিদৃশ্য? এ কী তাঁদের অন্তর্জগতের যথার্থ প্রতিফলন? নাকি, তাঁরা সর্বার্থেই এমন অন্তঃসারশূন্য হয়েছেন, যে ক্লিশে বিষয় বাদ দিয়ে কিছুই আনতে পারেন না ক্যানভাসে?

  • সারল্যের রঙ এবং একটি পাঁচালীর সহজ পাঠ অভিজ্ঞতা

    - রাজদীপ্ত রায়
    আলোচনা | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (প্রতিভা , জয়ন্ত ভট্টাচার্য, i)

    ছবিটি প্রথম দর্শনে যতটা সরলরৈখিক দেখায় ততটা একতলবিশিষ্ট আদপে নয়, এবং ঠিক সে কারণেই পরিসর বা বিনির্মিত বিষয় বৈচিত্রে গাঢ় মনোযোগ ও বিশ্লেষণ দাবী করে। ছবি দেখে ফেলার পর যে চিন্তা ভাবনার অবশ্যম্ভাবী বুদবুদ ধীরে ধীরে আচ্ছন্ন করে দর্শকের মন এবং মগজকে। তার এক সুদূরপ্রসারী আমেজ আর কথাজাল তৈরি হয়। অনেকটা সময় ধরে সে আমেজের বিস্তার, অনেকগুলি কথামুখের ধাপে তার অবধারিত আলোকপাত। মানসমুকুলের গপ্প তৈরি করার উপাদান অথবা গপ্পের বুননের ধরন, তার বাধাহীন এগিয়ে চলা, বাঁক নেওয়া বা ন্যারেটিভের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে উপনীত হওয়া, সমস্তটাই মিলে মিশে একাকার হয়ে যায় গল্পের মেজাজ, অনুভূতির ভিত্তি এবং বিষয়ের সংগে। বলার ধরন এবং কি বলা হচ্ছে সেই বিষয়ের সনির্বন্ধ সমণ্বয়ে যে অভূতপূর্ব নির্মাণ প্রকল্পের ছায়াপ্রতিমা ক্রমপ্রতীয়মান হতে থাকে এই আপাত সহজ অথচ গভীর চলচ্ছবি-আখ্যানের সরল দ্রুতির চালে ছন্দে, বিষাদে, হরষে – সেই একান্ত শিল্পরূপটিই সহজ পাঠের গপ্প-কে চলচ্চিত্র হিসেবে একুশ শতকের বাংলা সংস্কৃতির চালচিত্রে অসাধারন করে তুলেছে।

  • রাম কে নাম

    - শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    আলোচনা | ৩০ আগস্ট ২০১৯ | ১ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ২, লিখছেন (প্রিচিং ট্যু দ্য কনভার্টেড, aranya)

    একটা শিল্পবস্তু কি রাজনীতির গতিপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করবার ক্ষমতা আর রাখে? মাকেল মুরের ফারেনহাইট ৯/১১ আমেরিকার ইতিহাসে সর্বাধিক লাভ করা তথ্যচিত্র হয়েও জর্জ বুশের দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হওয়া আটকাতে পারেনি। আনন্দ পটবর্ধন পরের পর দলিত প্রান্তবাসী প্রতিবাদী স্বরদের তাঁর তথ্যচিত্রে আনার পরেও নরেন্দ্র মোদির বিপুল ভোটে পুনর্নির্বাচিত হওয়া রোধ করতে পারেনি। আজকের পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে শিল্প এতটাই সাধারণের জীবনযাত্রা থেকে বিচ্ছিন্ন, এমনকি আভা-গাঁর্দও, যে কিছুতেই কোনও প্রভাবই তা ফেলতে পারছে না। এমনকি 'রাম কে নাম', তার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েও, নিছক শিল্পের হিসেবেই একটি ম্যাড়ম্যারে এবং সরলরৈখিক তথ্যচিত্র মাত্র। এই ধরণের তথ্যচিত্র প্রদর্শনের সমস্যা হল, এদের টার্গেট অডিয়েন্স সম্বন্ধে সঠিক ধারণা না থাকা। এগুলো গ্রামের দিকে, বা বস্তিতে দেখালে মানুষ কতটা গ্রহণ করবেন সন্দেহ আছে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের যে পরিমণ্ডলগুলিতে দেখানো হয়, এবং যাঁরা দেখেন, সেই ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই অসাম্প্রদায়িক, উদারনৈতিক, বামপন্থী সেকুলার। ফলে পুরো ব্যাপারটাই প্রিচিং টু দ্য কনভার্টেড হয়ে যায়।

  • বামৈস্লামিক

    - দীপ্তায়ন সেন
    আলোচনা | ৩০ আগস্ট ২০১৯ | ১ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) |

    এর পর হাজির সুর শাহ - যাকে আমরা এতদিন শের শাহ বলে জানতাম। কিন্তু জানতাম না যে তিনিই হিন্দু রাগসঙ্গীতের জনক। পরে মুঘলরাই যে গভীর ষড়যন্ত্র করে এই কৃতিত্ব আত্মসাৎ করে তানসেনকে বিখ্যাত করে সেকথা জানা গেল। তাই হয়ে গেল আজানের মূল সুর। সুর শাহ র মৃত্যু ছিল এক পরিকল্পিত উগ্রবাদী অপারেশন। বাম চক্রান্ত এখানে ও ছিল, হিন্দু সভ্যতা কে অপদস্থ করতে। আর ছিল আজকের আইসিসের পূর্বজরা - সুর শাহ রাম (ভগবান) ভক্ত ছিলেন এবং বামৈস্লামিকদের হাতেই হত হন। তাঁর বংশধরই আজকের মূখ্য রাজপরিকর

  • ডিগিং আদানি

    - প্রতিভা সরকার
    আলোচনা | ৩০ আগস্ট ২০১৯ | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (Kushan, বিপ্লব রহমান, জয়ন্ত ভট্টাচার্য)

    আজ মহামহিম গৌতম আদানির কর্মকান্ডের ওপর নির্মিত ফোর কর্ণারের তথ্যচিত্র ডিগিং আদানি দেখে প্রত্যয় হলো যে এই একটা বিরাট ভুল আমি করেই চলেছি। যেভাবে শকুনের ফিস্টির, মানে পরিবেশ ও মানুষ খাওয়া উন্নয়নের ছবি পরতের পর পরত উঠে এলো স্ক্রিনে, তাতে আমি নিশ্চিত যে এইরকম বহুকেলে ছাপ (লাস্টিং ইমপ্রেশন) রেখে যাওয়া আর কোনো মাধ্যমের পক্ষে বিরল-সম্ভব। যেমন, বেঁটেখাটো গোলগাল ফর্সাপানা একটি লোক, বিন্দুমাত্র হাসলে যার ঠোঁটের দুদিকের কোণ উন্মুক্ত হয়ে থাকে, সেইই হলো সেরা প্রফিটজীবী গৌতম আদানি, পরঞ্জয় গুহঠাকুরতা যার সম্বন্ধে বলেছেন, এমন কোনো কাজ নেই যা সে প্রফিট- মেকিংয়ের জন্য করতে পারেনা। এবার থেকে ধনের দেবতা কুবের আর ঠোঁটখোলা হাসি হাসা আদানি আমার মনে একাকার হয়ে গেল, জেগে রইল শুধু পরমারাধ্য প্রফিট।

  • ‘পাইয়া ফিরিঙ্গ ডর’—একটি বহুকৌণিক ঐতিহাসিক আখ্যান

    - শৌভ চট্টোপাধ্যায়
    আলোচনা | ১৭ জুলাই ২০১৯ | মন্তব্য : ৭, লিখছেন (b, শৌভ, রঞ্জন)

    রসগ্রাহী পাঠকমাত্রেই জানেন, ঐতিহাসিক উপন্যাসকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে গেলে, তথ্যের খুঁটিনাটি ও সত্যতা-সম্পর্কে লেখককে কতখানি নিষ্ঠাবান হতে হয়। আমি আমার ক্ষুদ্রবুদ্ধিতে যতটুকু বুঝি, রাজর্ষি এই কাজে সম্পূর্ণ সফল। সপ্তদশ শতকের বাংলা, বিশেষ করে, সমতটের বাকলা-বাখরগঞ্জ থেকে, সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম হয়ে, আরাকান বা রাখান-দেশ অবধি বিস্তৃত ভূখণ্ডের ভুগোল ও ইতিহাস, অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে চিত্রিত হয়েছে এই উপন্যাসে। শুধু তা-ই নয়, সামাজিক আচার-ব্যবহার, খাদ্যাভ্যাস, বাচনভঙ্গী, এমনকী নৌবিদ্যার খুঁটিনাটি বর্ণনাতেও, লেখকের মনোযোগ ও যত্নের ছাপ সুস্পষ্ট। অথচ, তথ্যের এমত প্রাচুর্য কখনও বাহুল্য হয়ে ওঠেনি। বরং, পটভূমির বিশ্বাসযোগ্যতার কারণে, গল্পের চরিত্রগুলিকেও আরো বেশি রক্তমাংসের বলে মনে হয়েছে।

  • প্রমীলা নজরুল ইসলাম – স্মৃতিতে...

    - অনির্বাণ ভট্টাচার্য
    আলোচনা | ১০ জুলাই ২০১৯ | ২ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ১, লিখছেন (বিপ্লব রহমান )

    ঘনঘন কান্দিরপাড়ে বসবাসের মধ্যেই নজরুল-আশালতা তীব্র এক সম্পর্কের কুঁড়ি। ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস। গোমতীর তীরে দুজন মানুষ মানুষী। প্রকাশ্যে চলে এল প্রেম। অন্যরকম বিরজাসুন্দরী, সাহসিনী তেজস্বিনী মায়ের মতো এই নারী নজরুলের পাশে থাকলেন না। সামাজিকতার বেড়াজাল। ছোবল। গিরিবালা একা। সঙ্গে মেয়ে। অপমান। বাড়ি থেকে পালিয়ে বাপের বাড়ি বিহারের সমস্তিপুরে চলে এলেন মা-মেয়ে। অন্যদিকে ব্যস্ত নজরুল আশালতার সঙ্গে ভালবাসছেন দেশকে। ধূমকেতু। নিষিদ্ধ দিওয়ালি সংখ্যায় ‘ম্যায় ভুখা হু’- মতো প্রবন্ধ লিখে ফেরার। ব্রিটিশ রোষে। একটা সময়ে কুমিল্লায় গ্রেপ্তার। ক্রমশ আলিপুর সেন্ট্রাল জেল এবং কুখ্যাত হুগলী জেল – অনশন। ‘দোলনচাঁপা’ কাব্যগ্রন্থ। যার দোলন খোদ দুলি অর্থাৎ আশালতা। একটা সময়ে মুক্ত নজরুল সমস্তিপুর থেকে কলকাতায় নিয়ে এলেন গিরিবালা-আশালতাকে। বিয়ের সিদ্ধান্ত। তীব্র বিরোধিতা উগ্র মুসলিম সমাজ থেকে। স্বামী ইন্দ্রকুমারের অসম্মতি – উপায়ান্তর না দেখে প্রকৃতই পাশে থাকলেন না বিরজাও। ‘প্রবাসী’ পত্রিকার দপ্তরের প্রকারান্তরে ‘হিন্দু’ হয়ে পড়া ব্রাহ্মদের থেকেও ক্ষোভের শিকার। প্রবাসীতে নজরুলের লেখা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। বিয়ের দিন।

  • আমাদের মহীন জীবন

    - প্রদীপ (বুলা) চট্টোপাধ্যায়
    আলোচনা | ২১ জুন ২০১৯ | ৩ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৩, লিখছেন (debu, কল্লোল, debu)

    মহীনের ঘোড়াগুলির যখন জন্ম হয় তখন তাদের সামনে কিছুই ছিল না, শুধু ছিল ধু ধু ফাঁকা বিস্তীর্ণ অঞ্চল আর ছিল তাদের ফেলে আসা পথের অভিজ্ঞতা। এই ফেলে আসা পথের অভিজ্ঞতা নিয়ে তারা বিস্তীর্ণ চারণ ভূমিতে সবাই মিলে এলোমেলো ভাবেই ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছিল।

    তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছোটার আরও ছিল বিভিন্ন ঘরানার জনা তিরিশেক ছুটন্ত ঘোড়া যারা মূলত ছেলেবেলায় একসাথে বেড়ে উঠেছিল কোন অঞ্চলে। ঘোড়াদের আস্তাবল ছিল নাকতলায় এবং তার দেখাশুনো করতেন আমাদের মা ও পিসি, যথাক্রমে বিভা দেবী ও রতনপ্রভা – যাঁরা স্নেহ দিয়ে, ঘোড়াদের সবরকম বেপরোয়া দুরন্তপনাকে উৎসাহ দিয়ে, তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছিলেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ঘোড়াদের কোন কোন বান্ধবীরাও। তারাও সমান তালে ছুটতে শুরু করেছিল দলের বিভিন্ন রকম দায়িত্ব নিয়ে।

  • ঈদ সাহিত্য - উৎসব স্তিমিত হলেও থেকে যায় রেশ

    - নাহার তৃণা
    ঈদের কড়চা | ১২ জুন ২০১৯ |

    ঈদ উৎসবের বিবিধ উপকরণের মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো ঈদ সংখ্যার সাহিত্য সম্ভার। ঈদ আর ঈদ উপলক্ষ্যে তৈরি সেমাই, পায়েশ, কোর্মা পোলাও আর অন্যান্য আনন্দ সকল ফুরিয়ে গেলেও ওমর খৈয়ামের উপমার আল ধরে অনন্ত যৌবনের তীব্র সম্ভাবনা নিয়ে সাহিত্য প্রিয় পাঠকের জন্য ঈদের আনন্দ যূথবদ্ধ করে নিয়ে আসে ঈদ সংখ্যা সাহিত্যসম্ভার। সারা বছর অপেক্ষায় থাকা লেখক পাঠকের কাছে ঈদের সাহিত্য সংখ্যা ভীষণ আরাধ্যের বস্তুবিশেষ। এক সময় ঘরে ঘরে এই উৎসব কেন্দ্রিক সাহিত্যের প্রথম পাঠক হবার লড়াই চলতো রীতিমত চর দখলের কায়দায়। তখনকার ঈদ সংখ্যার কারিগরিমান যেমনই থাকুক না কেন গুণগত মান আজকের চেয়ে অনেকগুণ বেশিই ছিল বলে মনে করেন প্রাচীন- বোদ্ধা পাঠক শ্রেণী। আজকের বহু খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁদের সোনার কলমে সৃষ্টি করেছিলেন কত সব স্বর্ণালী সাহিত্য। তাঁদের মধ্যে শওকত আলী, শওকত ওসমান, সৈয়দ শামসুল হক, রাবেয়া খাতুন, রিজিয়া রহমান, হুমায়ূন আহমেদ, সেলিনা হোসেন, প্রমুখেরা উল্লেখযোগ্য। ঈদকে ঘিরে শিল্প সাহিত্য বর্তমানেও সংস্কৃতির একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত।

  • ঘাম ঝরানো সৃষ্টি: নলিনী বেরার শবর চরিত

    - কুমার রাণা
    আলোচনা | ০৭ মে ২০১৯ | ১ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৭, লিখছেন (দ, সৈকত, খ)

    নলিনী উপন্যাস জুড়ে এরকম অসংখ্য চরিত্র- মানুষের যন্ত্রণা, হাসি, আনন্দ, দুঃখ, বেদনা, সর্বোপরি মানবীয় দ্বন্দ্ব, স্ব-বিরোধিতা নিয়ে জীবন্ত উঠে আসে। চরিত্রগুলোকে দেখা যায়, ছোঁয়া যায়, তাদের সঙ্গে কথা বলা যায়। সাতশো চল্লিশ পৃষ্ঠার উপন্যাসটি হয়ে ওঠে একটি যাত্রা যেখানে পাঠক হয়ে ওঠেন লোধা ও পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জনসমুদায়গুলির নানান বহুত্বময়তার সঙ্গী। বন-নির্ভরতা থেকে ধীরে ধীরে কৃষি মজুরে পরিণত হওয়া, তার ভিতরকার জটিল রাষ্ট্রীয় ও দলীয় রাজনীতি, পঞ্চায়েত, পুলিশ, পার্টি, কাঠ-ব্যবসা,সব মিলিয়ে যে সমাজ পরিবর্তন তার ফাঁকে ফাঁকে নলিনী আবিষ্কার করেন ঐতিহাসিকতা – -সংহিতা থেকে নিয়ে প্রত্নতত্ত্ব, ভূগোল থেকে লোকসাহিত্য, নানা ভান্ডার থেকে উপাদান সংগ্রহ করে উপন্যাসের পরিধিকে বিস্তৃত করেন সেই অসীমে যেখানে পৌঁছাতে পারে শুধু চলমান মানবিকতা। মাটি, কাঁকর, কাদা; ভুড়রু, কেঁদ, মহুয়া; সাপ, পাখি,গুগলি; চুরি, সুদখোরী, ভালবাসা; দয়া, নিষ্ঠুরতা, পাপ; সব মিলেমিশে গড়ে ওঠে এক বহমান ইতিহাস, যার কেন্দ্রে থাকে মানুষ, যার হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকে প্রকৃতি – শত আঘাতেও যে মানুষ বেঁচে থাকে, এগিয়ে যায়, শত আক্রমণেও যে প্রকৃতি ডালপালা মেলে জড়িয়ে ধরে তার আদরের মানুষকে।

    ">" style="display"block;" alt="" width="100%" />

  • আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - দ্বিতীয় পর্ব

    - বিপ্লব রহমান
    অপার বাংলা | ০৩ মার্চ ২০১৯ | মন্তব্য : ৬, লিখছেন (Biplob Rahman, aranya, বিপ্লব রহমান)

    পাহাড় ও সমতলের ভাষাগত সংখ্যালঘু, তথা আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে আদিবাসীর মাতৃভাষায় পাঠের ওই বেহাল চিত্র প্রায় একই। পার্বত্য চট্টগ্রাম, বৃহত্তর উত্তরবঙ্গে, কক্সবাজার ও পটুয়াখালিতে ব্যক্তি উদ্যোগে বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে অল্প কয়েকটি চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়। ব্রাকসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাও এগিয়ে এসেছে এ ক্ষেত্রে। অনেক দেরিতে হলেও ২০১৪ সালে প্রথম খোদ সরকারই এগিয়ে আসে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে। তবে আর সব সরকারি প্রকল্পের মত চার বছরে মুখ থুবড়ে পড়েছে এ উদ্যোগ।

    বাংলাদেশের প্রায় ৭০টি আদিবাসী জনগোষ্ঠির ২৫ লাখের বেশী মানুষ হাজার বছর ধরে বংশপরম্পরায় ব্যবহার করছেন নিজস্ব মাতৃভাষা। পাশাপাশি বাঙালির সঙ্গে ভাব বিনিময়ে তারা ব্যবহার করেন বাংলা। প্রতিটি আদিবাসী জনগোষ্ঠির রয়েছে নিজস্ব প্রাচীন ভাষা, রীতিনীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য।

  • আজকের কবিতার পক্ষে বারোটি পাল্টা প্রশ্ন/ কবির স্থানাঙ্ক বিষয়ক দুই চারিটি কথা - তৃতীয় পর্ব

    - কুশান গুপ্ত
    কাব্যি | ০৩ মার্চ ২০১৯ | মন্তব্য : ৩, লিখছেন (Sampad roy, ফরিদা, অনিরুদ্ধ সরকার )

    কবিতা থেকেই খুঁজতে চাই কার বাড়ি রানাঘাট, কার মেদিনীপুর, কার শিমুলপুর, কার বাড়ি অজয় নদীর ধারে। স্থানাঙ্ক জানা মানে শুধু স্থান নয়, অবস্থানও। কোন কবির কোন ঝোঁক, তাও বেরিয়ে আসতে পারে। কে কোন জাতীয় মদ খান, কার কোন পোশাক প্রিয়, কে চাইবাসা কতবার গেছেন, কে ধলভূমগড়, এই নিয়ে বহু চর্চা হয়েছে। গায়ত্রী চক্রবর্তী প্রসঙ্গ এখনো বিনয় প্রসঙ্গ এলে যেন আগে এসে পড়ে। কিন্তু, আগে তো কবির কবিতা পড়ি, কবিতা নিয়েই আলোচনায় প্রবৃত্ত হই। সেখানে কবিকে খুঁজতে চাওয়াই তো সঙ্গত। রবীন্দ্রনাথের ' কবি কোনখানে তোর স্থান' বলে একটি লাইন মনে পড়ে গেল।

  • এক ডজন গরু - পাঠ প্রতিক্রিয়া

    - প্রতিভা সরকার
    আলোচনা | ১২ জানুয়ারি ২০১৯ | মন্তব্য : ২, লিখছেন (বিপ্লব রহমান , প্রতিভা)

    একটি উপকারী অহিংস পশুর ওপর প্রথমে মাতৃত্ব ও পরে দেবত্ব আরোপিত হলে তা হয়ে ওঠে রাজনীতির কান্ডারী দের হাতের অস্ত্র, ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার কারণ ও আক্ষরিক অর্থেই ভোট বৈতরণী পার হবার মাধ্যম। গোরুর বিবর্তন- ইতিহাসের এই অনুসন্ধান ভক্তিভাব না জাগিয়ে প্রশ্নমুখর ব্যঙ্গের ঝিলিকে চোখ ধাঁধাবে এটাই প্রত্যাশিত। সে দিক থেকে শুভাশিস মৈত্রের "এক ডজন গরু ও অন্যান্য"কে ব্যঙ্গ রচনা বলা যেতেই পারে, কিন্তু সংকলনটি শুধু তাই নয়। তোষামুদে পুঁজি , সমাজ, রাজনীতি ও সুবিধাবাদী ভাঁড়- সকলের বিপরীতে দাঁড়িয়ে শানিত যুক্তি ও মানবিক বিশ্লেষণের চিরকেলে লড়াইয়ের একটা যুদ্ধ -দলিলও বটে।

  • বিতর্ক - আমাদের উৎসব ধর্মীয় সামাজিক কুপ্রথার পালন নয়, এ নেহাত নান্দনিক ফূর্তিফার্তা, উদযাপন

    - বিপক্ষে
    মোচ্ছব | ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | মন্তব্য : ২৯, লিখছেন (bulet train, মঞ্জিস রায় , শিবাংশু )

    মতামত দিয়েছেন - যশোধরা রায়চৌধুরী, জয়া চৌধুরী, রৌহিন ব্যানার্জ্জি, অচল সিকি, সৌভিক ঘোষাল।
    http://www.guruchandali.com/default/2018/11/18/1542554496369.html">পক্ষে | বিপক্ষে | http://www.guruchandali.com/default/2018/11/18/1542554311765.html">অপাক্ষিক

  • বিতর্ক - আমাদের উৎসব ধর্মীয় কুপ্রথার উদযাপন নয়, এ নেহাত নান্দনিক ফূর্তিফার্তা

    - অপাক্ষিক
    মোচ্ছব | ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | মন্তব্য : ৩, লিখছেন (Tim, Du, Vivek)

    উৎসব টুৎসব মিটল, এবার কথাটা বলা যাক। প্রতি বছর পুজো এলেই দুমদাম করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। শুরু হয়ে যায় মহালয়া থেকে। হরেক রকম বিষয়ে। যেমন ধরুন, পিতৃপুরুষের তর্পণের দিনকে শুভ মহালয়া বলা উচিত কি উচিত না। ঐতিহ্যগতভাবে কেউ শুভ মহালয়া বলেননি কখনও, কিন্তু হতেও পারে, ধর্মীয় চিহ্নগুলিকে বাদ দিয়ে উৎসব স্রেফ ফুর্তিতে পরিণত হচ্ছে। তার পরই আসে কুমারী পুজো। বাচ্চা একটি মেয়েকে সাজিয়ে গুছিয়ে পুজো করার মধ্যে অনেকে পুতুল খেলা ছাড়া আর কিছু দেখতে পাননা। উল্টোদিকে এর তীব্র বিরোধীরা ধর্মীয় কুপ্রথার পুনর্নবীকরণ দেখতে পান। পুজো গড়ায়, বিতর্কও গড়ায়, এবং দশমীতে এসে চরমে পৌঁছয়। দশমীর পেট টপিক সিঁদুর খেলা। সিঁদুর খেলা কি স্রেফ নান্দনিক ফূর্তি, নাকি নারীর বশ্যতার প্রতীক? এইসব নানা ব্যাপার... মতামত দিয়েছেন - শুচিস্মিতা, সুমন মান্না, সৃজিতা সান্যাল শূর এবং সম্রাট আমীন।
    http://www.guruchandali.com/default/2018/11/18/1542554496369.html">পক্ষে | http://www.guruchandali.com/default/2018/11/18/1542554475445.html">বিপক্ষে | অপাক্ষিক

  • ছবি দেখা – সুনীল দাসের শিল্পকৃতি ও কিছু অপ্রসঙ্গ

    - বিষাণ বসু
    মোচ্ছব | ২৭ অক্টোবর ২০১৮ | মন্তব্য : ৫৪, লিখছেন (স্বস্তি শোভন চৌধুরী, স্বস্তি শোভন চৌধুরী, অর্জুন )

    ছবি দেখার কি আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে? (অথবা, রাগসঙ্গীত শোনার? সাহিত্যপাঠের? কিম্বা, ভালো সিনেমা দেখার? এককথায়, শিল্পবিষয়ে সচেতন চর্চার কি আদপেই কোনো যুক্তি আছে?) ভেবেছিলাম, এই প্রশ্নের অতি স্বাভাবিক উত্তরটি অস্তিবাচক। কিন্তু, কিছু আলাপ-আলোচনার শেষে বুঝলাম, এই প্রশ্নের সর্বজনগ্রাহ্য উত্তর পাওয়া মুশকিল।

    যেমন, আমার মনে হয়, এই অভ্যেস জরুরী। এই প্রসঙ্গেই, আগের একটি লেখায় বলেছিলাম, নান্দনিকতার বোধ গড়ে তুলতে এই অভ্যেস অবশ্যপ্রয়োজনীয়। পশ্চিমী দেশে, স্কুলের বাচ্চাদের নিয়মিত আর্ট গ্যালারী বা চিত্রপ্রদর্শনীতে নিয়ে যাওয়ার চল রয়েছে। এবং, শুধু দেখাই নয়, ছবি দেখে কেমন লাগলো, সেই অনুভব নিয়ে তাদের দস্তুরমতো লিখতেও হয়। এইভাবেই নান্দনিকতার বোধ তৈরী হয়, আর সাথে সাথে নিজের ভালো লাগাটিকে বিচার বা বিশ্লেষণ করার বোধটিও তৈরী হয়। সুকুমার হৃদয়বৃত্তির গঠনে এমন চর্চা বা পাঠ জরুরী, এমনই আমার ধারণা।

  • বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

    - শুভাশিস মৈত্র
    বুলবুলভাজা | ২৭ অক্টোবর ২০১৮ | মন্তব্য : ৯, লিখছেন (সুমনা সান্যাল, প্রভাস চন্দ্র রায়, রুখসানা কাজল )

    বজ্রডঙ্কুশ বা উদংষ্টিট্টিভ। এর মানে কী? শশীশেখর তাঁর ছেলের নাম রেখেছিলেন মৃগাঙ্কভূষণ। স্কুলে একদিন ছাত্রের মুখে বাবার নাম শুনে শিক্ষক বললেন,‘সেকী! শশীশেখরের ছেলের নাম মৃগাঙ্কভূষণ কেন? বাবাকে বল নাম বদলে মৃগাঙ্কশেখর করে দিতে। ছেলে বাবাকে বাড়ি ফিরে সেকথা বলতে শশীশেখরের জবাব, ‘মাস্টারকে বলিস আমার ছেলের নাম আমি বজ্রডঙ্কুশ রাখব না উদংষ্টিট্টিভ রাখব, তাতে মাস্টারের কী। এরকমই নতুন শব্দ সুকুমার রায়ের হিজবিজবিজ, কুমড়োপটাশ, কাঁকড়ামতী নদী বা ল্যাগব্যাগর্নিস পাখি। এরা কেউ বাস্তবে নেই, কিন্তু নাম থেকেই এদের কী কোনও ছবি মনে আসে? বা সুকুমার এই সব চরিত্রের চেহারার যে বর্ণনা লিখে গেছেন, মনে হয় নাকি, সেসব এক্কেবারে সঠিক! শব্দের এটাই শক্তি, এটাই জোর।

  • পাতা : 8 | 7 | 6 | 5 | 4 | 3 | 2 | 1
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক দাস , দীপক)
    মিষ্টিমহলের আনাচেকানাচে
    (লিখছেন... দীপক, J, দীপক)
    অচিন্ত্যনীয় লাঞ্চনা
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, সে)
    রাজনীতির জয়- পরাজয় আপাতত এক বিরাট মানবিক উদযাপনের মুখোমুখি
    (লিখছেন... g, Sarbani, Supriya Roy Chowdhury)
    আফজল গুরু – বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে?
    (লিখছেন... Du, Du, দোবরু পান্না)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • কাগজ আমরা লুকাবো না
    (লিখছেন... দোবরু পান্না, Du, a)
    NRC-NPR-CAA : প্রতিবাদের ছবি
    (লিখছেন... pi, এবার? )
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... )
    গুরুচণ্ডা৯র প্রকাশিতব্য বইএর জন্য দত্তকের আহ্বান
    (লিখছেন... গুরুচণ্ডা৯, Guruchandali, গুরুচণ্ডা৯)
    ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা চটি সিরিজ
    (লিখছেন... )
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    (লিখছেন... খ, 2024, রৌহিন)
    গুরুচণ্ডা৯‘র ঢাকা অ্যাটক!
    (লিখছেন... aranya, বিপ্লব রহমান, রৌহিন)
    কৈলাসে কেলেঙ্কারি
    (লিখছেন... দোবরু পান্না)
    ইরানে - নীলাঞ্জন হাজরা
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান , Nilanjan, বিপ্লব রহমান)
    কাজুতন্ত্র ও সুফিবাদ
    (লিখছেন... দ, de, J)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত