আমরা দেখছি এই শতাংশটি এই ভোটে প্রায় কোথাওই সেইভাবে বেড়ে যাচ্ছে না। বড়োজোর এক থাকছে বা এক শতাংশ বাড়ছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কমছে, কিছু ক্ষেত্রে খুবই কমছে। কমে যাওয়ার সাধারণভাবে কারণ এস আই আরে বিদ্যমান বাসিন্দাদের নাম বাদ যাওয়া, যাদের নাম আগের ভোটে লিস্টে ছিল। ... ...
জনগণনা ২০১১ এর পরে আর হয় নি। অনেকেই মনে করেন রাজ্যে তৃণমূল আসার পরে ব্যাপক ভাবে অবৈধ ভোটার ঢোকানো হয়েছে। তাই আমি ২০১১ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে বিধানসভা আসনে ভোটার বৃদ্ধির হারের সঙ্গে এসআইআরে নাম ডিলিটের একটি আন্তঃসম্পর্ক দেখার চেষ্টা করলাম। মনে রাখতে হবে, ভোটার সংখ্যা নানান স্বাভাবিক কারণে বাড়তে পারে। ... ...
এইবার আমরা সামশেরগঞ্জে এস আই আরে কতজনের নাম কাটা গেছে, দ্বিতীয় পর্বে বা লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সিজনিত বিচারের পর্বে, তা খেয়াল করি। সংখ্যাটা হল- ৭৪০০০ এর কিছু বেশি। এর ফলে, এই বিধানসভায় বর্তমানে ৪৯ হাজার হিন্দু এবং ১ লক্ষ বারো হাজার মুসলিম হয়েছে। এই সংখ্যাটি ২২শে এপ্রিলের টেলিগ্রাফ কাগজ থেকে গৃহীত। লক্ষ্য করবার যে যদি মুসলমান ভোট কংগ্রেস ও তৃণমূলে আড়াআড়ি ভাগ হয় এবং বিজেপি সমস্ত হিন্দুর ভোট পায়, তাহলেও এই আসনে সরল পাটগণিতের নিয়মে বিজেপির জয় হচ্ছে না। ... ...

মনোজ আগরওয়াল, যিনি নির্বাচন কমিশনের বাংলার সিইও, তিনি প্রাথমিকভাবে বললেন তাঁর কাছে নাকি তথ্যই নেই কত মানুষ বিচারাধীন অবস্থা থেকে মুক্তি পেলেন। পরে অবশ্য একটা গোল গোল হিসেব দিলেন, যা দেখে মনে হচ্ছে ঐ ৬০ লক্ষ মানুষের বেশীরভাগ মানুষের নামই বাদ যেতে চলেছে। আগের বাদ যাওয়া এবং শেষে বিচারাধীন অবস্থা থেকে বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যা যদি হিসেব করা যায় তাহলে ২০২৪ সাল থেকে প্রায় ১ কোটি মানুষের নাম বাদ যেতে চলেছে, যা ভারতের নির্বাচনী গণতন্ত্রের জন্য একটা কালো দাগ ছাড়া কিছু নয়। ... ...