এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বইপত্তর

  • পুজাবার্ষিকী - ২০০৭

    umesh
    বইপত্তর | ৩১ আগস্ট ২০০৭ | ১১৪১৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rimi | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:১৬392189
  • দুদি, দু:খ নিয়ে আপত্তি নেই। আমিও গল্প পড়ে প্রচুর কেঁদেছি। কিন্তু কিছু দু:খ আছে জোর করে সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দেওয়া, প্রচুর আবেগে পরিপূর্ণ, কিন্তু আবেগটা। ঠিক বোঝাতে পারছি না হয়ত। স্যান যেমন বলেছে - পথের পাঁচালী পড়ে দু:খ পায় নি এমন কেউ নেই। কিন্তু লেখক বিভূতি সেই দু:খ পাঠককে অনুভব করানোর জন্যে কোনোরকম আদিখ্যেতা করেন নি। আদিখ্যেতা যেমন - দুর্গার মৃত্যু হইল। অপু রোজ কাশবনের মধ্যে দিদিকে খুঁজিয়া বেড়ায়। পায় না। চোখ জলে ভরে আসে উহার। বুকের মধ্যে খাঁ খাঁ শূণ্যতা। খেলায় রুচি নাই। ইত্যাদি একগাদা সেন্টু। যাতে দু:খের থেকে দু:খের বহি:প্রকাশটা বড় হয়ে দাঁড়ায়।
  • Du | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:২১392190
  • আচ্ছা এই কথা। দারুন এগ্‌জাম্পল :)
  • kS | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৩৩392191
  • এইভাবে বোঝানোটা মোক্ষম হয়েছে।

    খুব বেশী সুক্ষ্ম তফাৎ মনে হতে পারে কারো কারো, typified মনে হতে পারে, ঠিক জানিনা কারণ এ ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা ভাল না।
    কিন্তু সন্দেহ নেই, উপলব্ধির ফারাক টা সাঙ্ঘাতিক হয়ে যায়।
  • nyara | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৪:২৩392192
  • ঠিক এই থ্রেডের বিষয় নয় যদিও।

    ইমোশন, সেন্টিমেন্ট, ড্রামা, মেলোড্রামা - এগুলো প্রত্যেকটাই খুব ভ্যালিড ইমোশন
    এবং লেখক-শিল্পীদের হাতের চালু ডিভাইস। সবাইকার শক্তি বা পরিমিতিবোধ তো এক
    থাকে না। যার শক্তি ও পরিমিতিবোধ বেশি সে ডিভাইসটা অনেক সুক্ষ্ণ ভাবে ব্যবহার করতে
    পারবেন। রবীন্দ্রনাথ (ডাকঘর) বা বিভূতি বন্দো (পথের পাঁচালী) অনেক কৌশলী ও উন্নততর
    আর্টিস্ট শৈলেন ঘোষ বা নারায়ন সান্যালের তুলনায়। তাই তাদের হাতে ডিভাইসের ব্যবহার
    অনেক বেশি উৎরোয়। আমি গান গাইতে ভাল পারিনা বলে আমার গলায় তান খেলে না।
    আমার গলার তান শুনে তান মাত্রেই খারাপ - এরকম বলাটা
    বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে।

    এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে। আমরা শহুরে শিক্ষিত লোকেরা কেন যেন র ইমোশনকে
    সন্দেহের চোখে দেখি, একটু ভয় পাই। আমার কথার থেকে শম্ভু মিত্রর কথা শুনুন:

    'এ থেকে একটা আরো গভীর পয়েন্ট আসে। সেটা হয় কী যে - আমরা কীরকম ভয় করি
    ইমোশনকে। হ্যাঁ? ভাবি যে, কোনো শক্‌ট্‌ ইমোশন বা কোনো শক্‌ট্‌ জাজমেন্ট
    তো আছে, তাকে নিয়েই মানুষ বাঁচে। সেইগুলো ঢুকলেই যেন খারাপ হয়ে যাবে।
    তখন, যখনই করি, তখন একটা ডিহাইড্রেটেড চেষ্টা করি - ডি-হাইড্রেটেড রূপের চেষ্টা
    করি। এবং সেইটেকে মনে করি খুব ইন্টেলেকচুয়াল ব্যাপার হল। এবং যে মুহূর্তে
    করছি সেইটা, সেইটে কিন্তু আমি - একটা কমপ্লিট হিউম্যান বীয়িং থেকে কিন্তু আমি
    নিজে সরে যাচ্ছি। নাম্বার ওয়ান। আর নাম্বার টু হচ্ছে, যে, অডিয়েন্সের সঙ্গে
    কমিউনিকেশন কিন্তু সেইখেনে ভাঙা হচ্ছে। আমাদের কোটারি থিয়েটার হবে তখন। আমরা
    কিছু লোক যাব, পরস্পরের পিঠ চাপড়াব। বলব খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু আমরাই আবার
    হিন্দি ফিল্ম দেখতে যাব। আমার মনের অন্য অংশটার জন্য। তাই না? এ করে এই যে
    সব্বোনাশটা ডেকে আনা হয়। কেন, এই মনের এইটা তৈরি হয়েছে কেন? কেন, এই ভয়
    কেন? মানে, সেন্টিমেন্টালিজম নিশ্চয়ই পরিহার করা উচিত, কিন্তু সেই যাকে বলে না
    যে টবের স্নানের ময়লা জল ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই [ ডোন্ট থ্রো ] দি বেবি আউট অলসো।

    'পুতুল খেলা' করবার পরে, সেও একজন ডাক্তার, তাঁদের মনে হলো যে ওই শেষকালে
    যেটা আছে যে, 'যদি আমরা একদম বদলে যাই, তাহলে?' তাহলে? তো বলল, 'তাহলে
    সেইদিন আমাদের সত্যিকার বিয়ে হবে'। বলে চলে গেল।

    তা বলল, 'ওটা নিশ্চয়ই ইবসেনে নেই, অ্যাঁ? ওটা নিশ্চয়ই বানানো?' বলুন, এর পর
    কী বলব। তাহলে কথাটার ইম্‌পোর্টটা নষ্ট হয়ে গেল। মনে হলো ওটা একটা - মানে
    স্বামী-স্ত্রীর একটা সেন্টিমেন্টাল কথা। এবং ওটা যখন ওইরকম আবার একটা মনোভাব
    হোক কী যাই হোক এটা যখন প্রকাশ পেল তাদের অন্তত তো তাই মনে হলো - তা যখন
    প্রকাশ পেল তখন নিশ্চয়ই এটা ইবসেন-এর মতো একটা বড়ো লেখকের লেখা নয়?'

    [এক-বক্তার বৈঠক, শম্ভু মিত্র]
  • Shuchismita | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৫:২৬392193
  • আমারো লীলা মজুমদার ভাল্লাগে না (অবশ্য রান্নার বইটা খুব কাজের)। শৈলেন ঘোষ ছোটোবেলায় খুবই ভালো লাগতো। মিশরের এক ফারাও আর তার পালিত মেয়েকে নিয়ে একটা গল্প লিখেছিলেন - গল্পটা নিয়ে আমার একটা ভীষন মুগ্‌ধতা ছিল বহুদিন। বইটা হারিয়ে গেছিল। কিন্তু মনে মনে ঐ গল্পটাকে যে কোন উচ্চতায় বসিয়ে ফেলেছিলাম তার ঠিকানা নেই। তারপর বোধহয় পার্ট টু দেওয়ার সময় বইটা খুঁজে পাওয়া গেল। সেকি অসম্ভব উত্তেজনা হারিয়ে যাওয়া গল্পটাকে ফিরে পেয়ে। এক নি:শ্বাসে পড়ে তো ফেললাম। কিন্তু মনে হয় বইটা কোনদিন খুঁজে না পেলেই ভালো হত। খুব রদ্দি, সস্তা সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দেওয়া, ন্যাকামি চুপচুপে একটি লেখা। অথচ সেই গল্পটাই আমি দশ বছর ধরে খুঁজে চলেছিলাম। আর আরো বড় কথা সেই গল্পটা যেন ততদিন পর্যন্ত আমার ছোটোবেলাটাকে ডিফাইন করছিল। এখন প্রশ্ন হল কোনটা সত্যি। ছোটোবেলার ঐ ভালোলাগা? নাকি এখনকার মনে হওয়াটা?

    আমি তো তাই ঠিক করেছি ঐ গল্পগুলো আর কখনো ফিরে পড়ার চেষ্টা করবো না। সোনাঝরা গল্পের ইনকা, মিতুল নামের পুতুলটি, সোনালীর দিন, মা এক নির্ভীক সৈনিক - এগুলো আবছা স্মৃতি হয়েই থাক। ইতি পলাশ আর শিউলি যখন লেখা হয়েছিল তখন কিছুটা বড় হয়েছি। দুটোর একটাও ভালো লাগেনি। কিন্তু "ইতি তোমার মা" - এখনো মনে ধাক্কা মারে। আলাদা কিছু ছিল কি? সেই বয়সের পর আর তো পড়িনি। পড়তে ভয়ও করে। যদি শৈলেন ঘোষের গল্পটির মত দশা হয়!

    তবে আশাপুর্ণা আর শীর্ষেন্দু মোটামুটি সেফ বেট। "আলোর ফুলকি"র প্রায় সব গল্প এখনও সমান আনন্দ দেয়। তবে তার কতটা খাঁটি আর কতটা নস্টালজিয়া কে জানে!
  • papiya | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৬:৩৭392194
  • সোনাঝরা গল্পের ইনকা গল্পটা কোনো এক কালে আমি এক দু:সম্পর্কের মামাবাড়িতে আধখানা পড়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম (মা বাবা র ট্রেন ধরার তাড়ায় :(), সেই থেকে ইনকা আজটেক এসব নিয়ে দুর্নিবার আকর্ষণ অনুভব করি, কিন্তু বইটা আর পড়া হলনা :(
  • Bratin | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৮:২৮392195
  • "আলোর ফুলকি" কিন্তু কোনো পূজা সংখ্যা নয়। ১৯৮০ সালে শিশু বর্ষ এ wb govt এটা প্রকাশ করেছিল।

    এবারে পড়লাম "আগমনী"। দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত। পিন্ডি দা,বগলা মামা,কাবুল টাবুল,অমরেশ। এক নিমিষে মন ভলো করে দেয়া সব লেখা।

    আনন্দমেলা তে শীর্ষেন্দু পড়লাম। সেই এক ই রকম plot। এই বার বোধহয় খানিক টা ক্লান্তিকর হয়ে যাচ্ছে। "জাহাঙ্গীর র স্বর্ণ মুদ্রা " র চিত্ররুপ ভালো ই লাগল। এমন কি কলকাতা থেকে পানিহাটি যাবার পথে শ্যামবাজার র নেতাজী র statue ও চোখে পড়ল।

    দেশ,বর্তমান আর শারদীয়া উল্টে পাল্টে দেখছি। পরে লিখছি।
  • siki | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৯:১৮392196
  • ছোট থেকে বড় হবার পরে আমরা পাল্টে যই, আমাদের মানসিকতা আমূল পাল্টে যায়। কিন্তু একজন বড় হয়ে যাওয়া লোক (শৈলেন ইত্যাদি) যে ছোটদের সেই বয়েসের পাল্‌সটা ধরে তাদের ভালোলাগার মতন একটা লেখা লিখতে পারছেন, সেটাই বা কী কম কথা, বলো?

    শৈলেন ঘোষের আরও একটা উপন্যাস মনে পড়ল, ভূতের নাম আক্কুশ।

    পাপিয়া, দু:সম্পর্ক, না দূরসম্পর্ক? :-) সোনাঝরা গল্পের ইনকা, সেই হুয়াসকার আর আতাহুয়ালপাকে নিয়ে লেখা, ওটা সত্যিকারের ইতিহাসের ওপর রং চড়িয়ে লেখা গল্প।

    আর একটা কথা। উন্নততম প্রাণী হবার দৌলতে "ইমোশন' ব্যাপারটা একমাত্র মানুষেরই আছে। আর কোনও প্রাণীর নেই। তো, ব্যাপারটাকে এতটা হ্যাটা করারও কিছু নেই। ইমোশন অনেকের খুব কম থাকে, অনেকের মডারেট থাকে, অনেকের বেশি থাকে। আমার যেমন গুচ্ছ গুচ্ছ ইমোশন আছে। এটা আমি নিজেই বুঝতে পারি। :-)))
  • papiya | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৯:২৫392197
  • আমারো বানান নিয়ে সংশয় ছিল :)
  • papiya | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৯:৩০392199
  • ছোটবেলা ওতো সাহিত্য, ইমোশন এসব বুঝে কেউ পড়ে নাকি? আমি যা পেতাম গোগ্রাসে গিলতাম :)
  • shrabani | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:২১392200
  • দেব সাহিত্য কুটীরের "আগমনী" আর অন্য দুটো বই আনিয়ে পড়লাম। ভাল লাগল, তবে সেই আগের মত ভাল কি আর লাগল?

    আচ্ছা কারুর "দুষ্টুর রামায়ণ" ভাল লাগেনা?
  • san | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:২৬392201
  • আবার। ইমোশনকে কেউ হ্যাটা করেনি। বস্তুত ইমোশনের বালাই না থাকলে গল্প কবিতা লেখার দরকারই হতনা। কথা হচ্ছে ইমোশনের প্রকাশ নিয়ে।তো চিৎকৃত প্রকাশ সক্কলের ভালো লাগেনা।কারুর লাগতে পারে। কারুর নাও লাগতে পারে। একগাদা লোকের পাল্‌স ধরলেই দারুণ কিছু সৃষ্টি হয়ে যায়না।তাহলে নতুনবউ রাঙাবউ মায়ের আঁচল কেও দারুণ সিনেমা বলতেই হত। কেউ বলে, কেউ বলেনা। কোন সমাধান নেই :-)

    আমার দুষ্টুর রামায়ণ ভাললাগে।
  • arjo | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:৩৪392202
  • জীবনের অধিকাংশটাই তো র‌্যাশনালিটির মোড়কে ঢাকা। ইমোশন দেখাতে হলেও মেপে, না দেখাতে হলেও মেপে। তা এহেন দুই প্লাস দুই চারের জীবনে ছোটবেলার ভালোলাগা,দু:খ (বানামটা খেয়াল করবেন) ইত্যাদিকে না হয় একটু ইর‌্যাশানিলি পাঁচ ভাবলাম ক্ষেতিটা কি?
  • san | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:৫০392203
  • ক্ষতি তো কেউ বলেনি।ভাবুন না যত খুশি। আমার ভাবতে বিচ্ছিরি লাগে এটা বললেই যদি মনে হয় আপনি ভাবলে প্রচন্ড ক্ষতি আছে বলা হচ্ছে .....

    অবশ্য আমাদের দেশে তো আমি আমার মত শান্তিতে বসে গরু খেলেও অন্য লোকের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়ে যায় :-))))
  • Bratin | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১১:৩৮392204
  • অর্পন, মহাভারত বা রামায়নের প্রায় সব বীর কে ই ছলে, বলে (!!), কৌশলে মারা হল।

    মহাভারত
    ------------
    ১। ভীষ্ম নিজে ই বলে দিল শিখন্ডী কে সামনে রেখে বান চাললে আমি আর counter attack এ যাব না।

    ২। দ্রোণ র সময় "অশ্বথামা হত: এই গজ" এই বলিয়ে বুড়ো ভদ্রলোক কে অস্ত্র ত্যাগ এ বাধ্য করা।

    ৩। কর্ণের বেলায় ইন্দ্র অগে এসে 'কবজ কুন্তল" নিয়ে গিয়ে 'একপুরুষ ঘাতিনী" দিয়ে আগেই "ভেতর থেকে ব্যবস্থা করে" গিয়েছিল। কৃষ্ণ আগে ঘটোৎকচ কে আগে যুদ্ধে পাঠিয়ে সেটার ব্যবস্থা করল। তারপরে নিরস্ত্র কর্ণের মাথা কাটলো "মহাবীর" অর্জুন।

    রামায়ণ
    ----------

    ১। অতিকায় এক piece অক্ষয় কবচ পড়ে এসেছিল। লক্ষণ বাছা বাছা তীর মেরে ও কায়দা করতে পারছিল না। কোনএক দেবতা এসে ব্রম্ভাস্ত্র suggest করে গেল।
    ২। ইন্দ্রজিত, বিভীষনের জন্যে "শহীদ" হল।
  • Blank | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১২:১৮392205
  • দুষ্টুর রামায়ন? পুর্নেন্দু পত্রী ?

    রামের মাথায় থোকা থোকা
    চড়ে বেড়ায় উকুন পোকা
  • shrabani | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১২:৩০392206
  • হ্যাঁ, পুর্ণেন্দু পত্রী!

    "রামের ছেলে লব ও কুশ
    খায়নি কভু লেবেঞ্চুস।"

    "কৈকেয়ীটা পাজির ঘাঁটি
    ফোকলা দাঁতে আমড়া আঁটি"।

    কি দারুন না?
  • I | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১২:৩৪392207
  • আমার দুষ্টুর রামায়ণ ভাল্লাগে না। যাদের ভাল্লাগে, আমি তাদের প্রচন্ড ক্যালাবো, কনসে®¾ট্রশন ক্যাম্পে ভরে রাখবো, বগের পালক দিয়ে পায়ের তলায় সুড়সুড়ি দেবো। দুপুরে হ্যালেঞ্চা শাগ খেতে দেবো, শুঁটকি মাছ দিয়ে মেখে।
  • Blank | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১২:৫৭392208
  • ডাগদার দা কে
    সীতা পরে প্যান্টালুন
    মুখে পান হাতে দোক্তা চুন
  • r | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:০৮392210
  • ইমোশন, মেলোড্রামা ইত্যাদি ইত্যাদির সাথে ন্যাকামির কি সম্পর্ক? ন্যাকামি মানে ন্যাকামি- প্লেন এন্ড সিম্পল। ক্লাস ওয়ান বা টু থেকেই শৈলেন ঘোষ পড়ে অত্যন্ত ন্যাকা লাগত। অতএব বড় হয়ে পড়ার প্রশ্নই নেই।

    ইমোশনের বহি:প্রকাশ বনাম ইমোশনাল আন্ডারস্টেটমেন্ট হল ঋত্বিক ঘটক বনাম সত্যজিৎ রায়।

    মেলোড্রামা বনাম ন্যাকামি হল ঋত্বিক ঘটক বনাম সুখেন দাস।

    সুখেন দাসকে ন্যাকাস্য ন্যাকা বললে যদি কেউ "এই ভাই, ওকে ন্যাকা বলছি কেন রে ভাই, ওর কি দুষ্কু হয় না রে ভাই" বলেন, কি আর করা!

    সুখেন দাসের সিনেমা ন্যাকা মানে এই নয় যে যারা সুখেন দাসের সিনেমার ফ্যান, তারাও ন্যাকা।

    উফ্‌!
  • Arpan | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:১৬392211
  • কিন্তু উন্নততম প্রাণী হওয়ার সুবাদে ন্যাকামিটাও কি মানুষেরই একচেটিয়া? তালে তাকে হ্যাটা করা কেন ভাই!
  • r | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:২৮392212
  • বিড়ালের দ্বিচারিতা, কুকুরের সংকীর্ণ মানসিকতা, হাতির মিথ্যাচার, ভালুকের দুর্নীতি বা বাঘের অমানবিকতা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নাই।
  • r | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:৫১392213
  • আবেগ ভালো, কাচ্চা আবেগ ভালো, কাচ্চা আবেগের সাচ্চা বহি:প্রকাশও ভালো, কিন্তু "আ: বেগ" ডাকাডাকি করে কাপড়েচোপড়ে মাখামাখি ইমোশনাল ডায়েরিয়া মোটেও ভালো নয়।

    পু: যেহেতু মনুষ্যেতর প্রাণীও ডায়েরিয়ায় ভোগে, অতএব আশা করি ডায়েরিয়া নিয়ে হ্যাটা করা নিয়মানুগ হবে।
  • san | ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:৫৪392214
  • হ্যাটা কই! এ তো সার্মন পড়ে গেল। ভালো, খারাপ।
  • bappa | ২১ জুলাই ২০০৯ ২২:২৬392215
  • শৈলেন ঘোষ এর গল্পের বই, ইন্টার নেটে, pdf/doc, গলো download কোরতে চাই
  • dukhe | ২১ জুলাই ২০০৯ ২৩:৫৫392216
  • ন্যাকামির অভিযোগ থেকে রবিবাবু থেকে সুখেন দাস - কারোরই রেহাই নেই দেখছি।
  • সৌম্যাদীপ | ০৩ মে ২০১৫ ২৩:৩৫392217
  • আহা ভুতের নাম আক্কুশ। ।সেই উপন্যাসটা সিকি মনে পরিয়ে দিল ়
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন