এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মানুষ কি তবে পৃথিবীর বাইরের জীব?

    Rajat Das লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ জুন ২০২৪ | ৪০৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • এরিক ভন দানিকেনের দাবি ছিল, পৃথিবীর বাইরে এলিয়েন নামক প্রাণীরা আছে। এবার সেই দাবিকে ভর করে আর এক বিজ্ঞানী এলিস সিলভারের চাঞ্চল্যকর তত্ত্ব:-

    "বিজ্ঞানী এলিস সিলভারের চাঞ্চল্যকর দাবি: মানুষ পৃথিবীর জীব নয়।"

    তাঁর 'হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ: এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স' বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, 'মানুষ পৃথিবীর জীব নয়'।

    বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং অনেক আগেই বলেছিলেন, “এলিয়েন আছে, অবশ্যই আছে।” নাসার গবেষকেরা কেপলার টেলিস্কোপের সাহায্যে এমন ২০টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যাদের মধ্যে সম্ভবত প্রাণ আছে। নাসার প্রথম সারির বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান, বিজ্ঞানী সিলভানো পি কলম্বানো, বিজ্ঞানী থমাস জুরবিউকেন বিভিন্ন সময় বলেছেন এলিয়েনদের থেকে নাসা আর বেশি দূরে নেই। কয়েক বছরের মধ্যেই নাসা এলিয়েনদের কাছে পৌঁছে যাবে।

    কিন্তু সম্প্রতি নাসার এই বক্তব্যে জল ঢেলে দিয়েছেন এক বিজ্ঞানী। তাঁর চাঞ্চল্যকর মতবাদ নিয়ে ঝড় উঠেছে বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে। তিনি দাবী করেছেন মানুষই এলিয়েন বা ভিনগ্রহের জীব। অথচ বিজ্ঞান বলেছিল, প্রায় ১৮ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় সৃষ্টি হয়েছিল প্রথম মানব প্রজাতি হোমো ইরেকটাস।

    এলিয়েনরা কি আদৌ এরকম দেখতে?
    ডঃ এলিস সিলভার বললেন, মানুষই ভিনগ্রহের জীব
    আমেরিকার প্রখ্যাত ইকোলজিস্ট ডঃ এলিস সিলভার। তিনি তাঁর ‘হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ: এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স’ বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, ‘মানুষ পৃথিবীর জীব নয়’। বহুদিন ধরে গবেষণা করার পর তাঁর সিদ্ধান্ত, অন্য জীবদের মতো মানুষের সৃষ্টি পৃথিবীতে হয়নি।

    কয়েক লক্ষ বছর আগে অন্য গ্রহ থেকে মানুষকে পৃথিবীতে ছেড়ে যাওয়া হয়েছিল। ডঃ সিলভার বলেছেন, মানুষের শরীরে থাকা অনেক ত্রুটি বুঝিয়ে দেয়, পৃথিবী আমাদের নিজের গ্রহ নয়। পৃথিবীর অনান্য উন্নত প্রাণীর সঙ্গে মানুষের শরীরের এত পার্থক্য কেন! এই প্রশ্নটির ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে ডঃ এলিস সিলভারের মতবাদটি।

    ডঃ এলিস সিলভারের সেই চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী বই।
    ডঃ সিলভারের সেই চাঞ্চল্যকর থিয়োরির কিছু ঝলক
    ● ডঃ সিলিভারের মতে, পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া থাকা সব প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশ থেকেই সরাসরি তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে নেয়। উদ্ভিদ তার গায়ে এসে পড়া সূর্যালোক, বাতাসের কার্বন-ডাই-অক্সাইড আর মাটি থেকে জল নিয়ে নিজের খাবার তৈরি করে নেয়। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীরা সরাসরি উদ্ভিদকে খেয়ে, বা অনান্য প্রাণীকে খেয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। কিন্তু মানুষ প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে পাওয়া বা গজিয়ে ওঠা খাবার সরাসরি খেতে অপছন্দ করে কেন!

    ডঃ সিলিভারের মতে, সরাসরি পরিবেশ থেকে নেওয়া খাবার হজম করতে পারে না একমাত্র মানুষই। তাই সে অন্যভাবে তার খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়। মানুষ যদি পৃথিবীরই জীব হতো, তাহলে সে বাকি প্রাণীদের মতোই পরিবেশ থেকে পাওয়া খাবার সরাসরি খেয়ে হজম করতে পারত।

    ● মানুষকে এই গ্রহের সবচেয়ে উন্নত প্রাণী বলে মনে করা হয়। কিন্তু ডঃ সিলভারের মতে মানুষই হল  পৃথিবীর সবচেয়ে খাপছাড়া জীব। মানুষই  হল পৃথিবীর জলবায়ুতে টিকে থাকার পক্ষে সবচেয়ে অনুপযুক্ত জীব। কারণ, পৃথিবীর বাকি সব জীব সারাজীবন খোলা আকাশের নীচে, প্রখর রৌদ্র, তুমুল ঝড় বৃষ্টি সহ্য করে বেঁচে থাকতে পারে। মানুষ কেন পৃথিবীর বাকি সব প্রাণীর মতো বৃষ্টিতে ঘন্টার পর ঘন্টা ভিজতে পারে না! কয়েকঘন্টার বেশি সূর্য্যের প্রখর রৌদ্রে থাকলে একমাত্র মানুষেরই কেন ‘সান স্ট্রোক’ হয়! সূর্য্যের আলোয় বেশিক্ষণ থাকলে আমাদের ত্বকের চামড়া কালো হয়ে যায় কেন! ! কেন সূর্যের আলোয় মানুষেরই চোখ ধাঁধিয়ে যায়! অন্য প্রাণীদের তো তা হয় না। এগুলি কি প্রমাণ করেনা সূর্য রশ্মি মানুষের পক্ষে উপযুক্ত নয় এবং মানুষ থাকত কোনও নরম আলোয় ভরা গ্রহতে।
    ● মানুষের মধ্যেই প্রচুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা ক্রনিক ডিজিজ দেখা দেয় কেন! ডঃ সিলভারের মতে ব্যাক পেন (back ache) হল মানুষের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী রোগ। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ এই রোগে ভোগেন। কারণ মানুষ পৃথিবীর অনান্য প্রাণীর মতো চারপায়ে হাঁটে না। ফলে হাঁটা চলা ও বিভিন্ন কাজে মাধ্যাকর্ষণের সাহায্য পায় না। পৃথিবীর বাকি প্রাণীদের কি ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যাথা হয়! মানুষের এই ‘ব্যাক পেন’ রোগটিই প্রমাণ করে, মানুষের দেহ অন্য কোনও গ্রহে বসবাসের উপযুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছিল। যে গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ ছিল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কমজোরি।

    ● পৃথিবীতে থাকা কিছু দীর্ঘজীবী প্রাণী, যেমন আফ্রিকার হাতি, অ্যালডাবরা ও গ্যালাপাগোস কচ্ছপ, বো-হেড তিমি, গ্রেটার ফ্লেমিঙ্গো, গ্রিন-উইং ম্যাকাওদের চোখেও কি চল্লিশের পর চালসে (হাইপার মেট্রোপিয়া) পড়ে! বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে তাদের শ্রবণক্ষমতা কমে যায়!

    ● পৃথিবীর কোনও মানুষই ১০০% সুস্থ নয় কেন! প্রত্যেকেই এক বা একাধিক রোগে ভোগেন কেন!
    ● মানব শিশুর মাথা বড় হওয়ার জন্য নারীদের স্বাভাবিক উপায়ে প্রসব করতে প্রবল যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। প্রসব করতে গিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মানুষ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনও প্রজাতির লক্ষ লক্ষ স্ত্রী প্রাণী ও শাবক প্রসবকালে মারা গিয়েছে কি? মানব শিশু জন্মের পরেই পৃথিবীর উন্নত প্রাণীগুলির শাবকদের মতো হাঁটতে শেখে না কেন?

    ● মানুষের দেহে কেন ২২৩টি অতিরিক্ত জিন আছে! পৃথিবীর অনান্য প্রাণীদের দেহে অতিরিক্ত জিন নেই কেন!

    ● মানুষের ঘুম নিয়ে গবেষণা করে গবেষকরা বলছেন পৃথিবীতে দিন ২৪ ঘন্টার, কিন্তু আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (body clock) বলছে, আমাদের দিন হওয়া উচিত ছিল ২৫ ঘন্টার। মানবজাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দেহঘড়িতে একটি দিনের জন্য কেন ২৫ ঘন্টা বরাদ্দ করা হয়েছিল!

    বিভিন্ন বিজ্ঞানী ডঃ সিলভারের থিওরিটির বিস্তর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু অনেকে আবার তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা বলেছেন ডঃ সিলভার যে যুক্তিগুলি হাজির করেছেন, সেগুলি কিন্তু একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সত্যিই তো পৃথিবীর অনান্য প্রজাতির জীবের চেয়ে আমরাই কেন আলাদা হলাম। সত্যিই কি আমরা পৃথিবীর প্রাণী! নাকি আমরা ভিনগ্রহের প্রাণী হয়ে পৃথিবীকে শাসন করছি!  রহস্যটির উত্তর লুকিয়ে আছে কালের গর্ভে। একটা প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই গেল,মানুষের সৃষ্টি যদি পৃথিবীতে না হয়ে থাকে বা আমরাই যদি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে থাকি, তাহলে কাদের খুঁজতে নাসা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচা করছে!"
     
    (সংগৃহীত)

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ১৩ জুন ২০২৪ ০০:৪৪533082
  • দানিকেনের মতো কল্পলেখকের উল্লেখে লেখার মান কমেছে ভাই।  
     
    সিলভারের যুক্তিগুলো ভেবে দেখার মতো; কিন্তু তাতে বিবর্তনবাদ যুক্তি-তর্ক-প্রমান ছাড়াই ঢেঁড়া চিহ্নের নিচে পড়ে। 
     
    শুভেচ্ছা
  • kk | 172.58.242.148 | ১৩ জুন ২০২৪ ০০:৫২533084
  • এই লেখাটা তো আগেই একবার বেরিয়েছিলো না? A.R. Barki বা আশীষ ব্যানার্জি, এই দুজনের মধ্যে একজনের নাম দিয়ে? আগে পড়েছি, এই সাইটেই।
  • যোষিতা | ১৩ জুন ২০২৪ ০১:২৩533087
  • ফন দেনিকেন
  • অরিন | 132.181.180.107 | ১৩ জুন ২০২৪ ০৬:০৮533089
  • এই খোলতাই যুক্তি সমূহ পড়ে  মনে হচ্ছে ডাক্তার সিলভার ইত্যাদিদের মধ্যে  অন্তত একজন বহির্জগতের কেউ হবেন ।  
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:d8b1:689d:632d:449b | ১৩ জুন ২০২৪ ০৬:৪৪533090
  • "একটা প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই গেল,মানুষের সৃষ্টি যদি পৃথিবীতে না হয়ে থাকে বা আমরাই যদি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে থাকি, তাহলে কাদের খুঁজতে নাসা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচা করছে!""
     
    ঠিক ঠিক! এর থেকেই প্রমান হয় যে নাসা আর সিআইয়ে একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।  
  • &/ | 107.77.236.33 | ১৩ জুন ২০২৪ ০৭:১৬533091
  • চাঁদের উল্টোপিঠে এলিয়েন গুপ্তচরেরা  আছে   হুঁ  হুঁ  হুঁ হুঁ  বাবা যাবে  কোথায় , ক্যাঁক করে ধরবে  
  • &/ | 107.77.236.33 | ১৩ জুন ২০২৪ ০৭:২১533092
  • এই যে চাঁদ টাইডালি  লকড হয়ে  এরকম  পৃথিবীর  দিকে  এক পিঠ ফিরিয়ে থাকে  , সেসব কায়দা  করল কারা ? বুঝে নিন 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৩ জুন ২০২৪ ০৭:৩৬533095
  • From his bio for the book on Amazon:
     
    "He is fascinated by our human origins, has amassed a wealth of evidence which proves we couldn't possibly have evolved on Earth, and has had the privilege of meeting one extraterrestrial and one alien-human hybrid - neither of which he had expected to meet, and he curses his luck that he didn't have a camera with him."
     
    তার মানে, উনি ইতিমধ্যেই একজন ইটি এবং একজন ইটি-মানুষ সংকরের সঙ্গে দেখা করে ফেলেছেন। এরপরও যারা ওনার কথা বিশ্বাস করবে না তারা ঐ বিশ্বাস করবে না বলে জিদ ধরে আছে বলেই করবে না। 
  • &/ | 107.77.236.33 | ১৩ জুন ২০২৪ ০৭:৪৭533096
  • ইশ ক্যামেরা ছিল না হাতে , এত শত  ঝামেলা  হত না  তবে  । স্মার্টফোনের আগের যুগ ধরে নিলাম।  তবে এলিয়েনদের  ফটো নাকি ওঠে না :) 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৩ জুন ২০২৪ ০৭:৫৮533097
  • আমি গতকালই এই লেখাটি বহুবার ফরোয়ার্ড করা মেসেজ হিসাবে হোয়‍্যাটস্অ্যাপ গ্রুপে পেয়েছি। আর আজ এই লেখক এখানে এটি আজকের তারিখে নিজের নামে পোস্ট করলেন। এমনকি হোয়া বা ফেবুতে লোকজন যে 'সংগৃহিত' বলে উল্লেখ করেন, সেটাও করেন নি! 
  • &/ | 107.77.236.33 | ১৩ জুন ২০২৪ ০৮:৩৬533098
  • এইরকম বেশ  কয়েকজন  আছে , কোনোরকম   রেফারেন্স না দিয়ে  কোনো  তথ্য- ঋণ  স্বীকার  না করে  নিজেদের  নাম দিয়ে  লেখা দিয়ে দেয় . আগে বলাও হয়েছে এই নিয়ে ,  ফল হয় না 
  • অভিষেক বোস | ১৩ জুন ২০২৪ ০৯:৪৯533100
  • এইভাবেই আমি জানতে পেরেছিলাম, শিম্পাঞ্জিরা (প্রায় 99% শতাংশ DNA র মিল) এসেছিল ঠিক পাশের গ্রহ থেকে। দু-পায়ে, চার পায়ে চলতে পারে। রোদ, ঝড়, জল, কাঁচা খাবারে কোনো আপত্তি নেই। Back pain হয় কী না এখনো জানা যায়নি। 
  • | ১৩ জুন ২০২৪ ১১:২১533102
  • এইরকম হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটি মার্কা লেখা হেডিং দেখেই আমি আর পড়ে সময় নষ্ট করি না। এত্ত কমেন্ট দেখে মন্তব্যগুলো পড়লাম।  laugh
     
    প্যালারাম, যদুবাবু, সুদীপ্ত, রূপালীদের এত চেষ্টা মানুষকে বিজ্ঞানমনস্ক করার - পুরোই ফুটোপাত্রে জল ঢালা মনে হয় এইসব দেখলে। ​​​​​​
  • বিপ্লব রহমান | ২৯ জুন ২০২৪ ২১:১৩533899
  • আচ্ছা! গোরু কি আশ্চর্য দেবতা, ভিনগ্রহ থেইকা কেষ্টার বাহন হইয়া আবির্ভাব হইছিলেন না!? 
     
    একমাত্র শুনলাম, এইটাও নাকি  নাসা  এক গুপ্ত নথিতে বলছে! 
     
    কীযেএক্টাবস্থা! cheeky
  • ☠️ | 2401:4900:6400:87cc:3d0b:859c:6c6c:a1cb | ৩০ জুন ২০২৪ ১১:৩৩533924
  • খারাপ লেখা না | জাস্ট একটু গাঁজা গাঁজা গন্ধ | অসুবিধে কিছু নেই | অনেকেই এখানে একটু টেনে লেখেন | ইনি কপি পেস্ট করে ফেলেছেন 
  • :-) | 2a0b:f4c2:3::78 | ৩০ জুন ২০২৪ ১১:৩৫533926
  • হোয়াপ ইউনির কপিপেস্ট মায়ে ধর্ষানো কালুবাচ্চাটার পচন্দ হবেই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন