এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • একটি কাল্পনিক ভাষাদিবসের গল্প

    নিরমাল্লো লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২৮৫ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • ধরা যাক, আজ থেকে বেশ কিছুদিন পেরিয়ে গেছে। পৃথিবীতে আজ আর কেউ ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলে না। একটি অলটারেটেড ইংরাজির কথ্য ভাষাই সকলের মুখে। স্থান ও লোকভেদে তার ডায়ালেক্ট ও উচ্চারণের পার্থক্য হয় ঠিকই, কিন্তু মূলগতভাবে সবাই একই ভাষায় কথা বলে। না এতে করে আমাদের সমাজের মারাত্মক সংস্কার হয়েছে তা নয়, তবে যোগাযোগের বেশ উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে যোগাযোগের ফলে বৈদেশিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের অশেষ উন্নতি হয়েছে। কিছু অবনতি যে হয়নি তা নয়, তবে লোকের সাথে কথা বলতে এখন আর দোভাষীর দরকার হয় না।

    গ্রামে গঞ্জের হালও পালটে গেছে, এখন চাষা, দিনমজুর, এবং স্যুট পরা মাল্টিন্যাশেনাল সিইও সকলেই ফটফট করে ইংরেজি বলে। গ্রামে গিয়ে-  শ্যাবি ক্লামজি ব্যাকওয়ার্ড পিপল, বলে ফাট মারলে, দুঘা পড়তেই পারে। আবার গ্রাম থেকে শহরে এসে, ব্লাডি ফ্লাইওভারস এন্ড ডিঞ্জি ক্রাউড বললেও গ্রামীনদের কেউ আড়চোখ দেখবে না!

    আবার এর খারাপ দিকও আছে, ভাষার মধ্যেকার বৈচিত্র্য খানিক হারিয়েছে। কি খুড়ো আজ দুপুরে কি খেলে? - উত্তরে কেউ বলবে না, আর বলো কেন ভাইপো, তোমার খুড়িমার জ্বর, তাই গতকালের বাসী পান্তা, আলুসেদ্দ-নুন-লঙ্কা দ্যে চটকে এক সানকি মেরে এলাম। তার বদলে হয়ত বলবে, চিলড রাইস উইথ বয়েল্ড পোটাটো এন্ড গ্রিন চিলিস! বয়স্কলোকেরা বলেন, তাতে ঐ মাটিতে থেবড়ে বসে সানকি থেকে হাউ হাউ করে খাবার ব্যাপারটা ঠিক বোঝা যায় না। মনে হয় যেন কন্টিনেন্টাল রেঁস্তোরায় বসে সায়েবী কেউ খানা খাচ্ছে। ভাষাবৈজ্ঞানিকরা অবশ্য এসব কথা মানেন না। তাদের বক্তব্য ইনার জোকস সর্বদাই ডেমোগ্রাফি মেনে চলে। সুতারাং লোকাল জোক বাইরের লোকের কাছে যতই অদ্ভুত মনে হোক না কেন, নিজেদের মধ্যে তার অর্থ অবিকৃতই থাকে।

    রাষ্ট্রীয় ভাষা-পরিষদ ভবনের ব্যলকনিতে আমাদের আখ্যায়িকার মূল প্রোটাগনিস্ট প্রফেসর নাটজব ঘোরাঘুরি করছিলেন। একটু আগেই, প্রতি বছরের মত এবারও, বৈদেশিক মন্ত্রক থেকে অভিনন্দনবার্তা এসেছিল। স্বয়ং বিদেশ মন্ত্রী প্রফেসরকে ধন্যবাদ জানান, তার সাফল্যের বিশ বছর পূর্তির। সে সব দিনের কথাই মনে পড়ছিল প্রফেসরের। প্রফেসর নাটজব, ঠিক প্রফেসর নন, কোনোদিন তিনি কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে পড়ান নি। যদিও বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি তাকে সাম্মানিক সদস্যপদ দান করেছে, এবং তিনি মাঝে মাঝে সেমিনারে বক্তৃতা দিয়ে থাকেন। কিন্তু বেতনের বিনিময়ে শিক্ষাদান তিনি কখনো করেন নি।

    ছোটবেলা থেকেই তার বিভিন্ন ভাষা শেখার প্রতি একটা চরম আগ্রহ ছিল। খুব সহজেই অন্যান্য ভাষা আয়ত্ত্ব করতে পারতেন তিনি। তখনো তার নাম প্রফেসর নাটজব হয় নি, বরং নন্দী বলেই তাকে ডাকত বন্ধুরা। নন্দীবাবু যখন কলেজে কম্প্যারেটিভ লিটারেচার নিয়ে পড়ছিলেন, এক সেমিনারে তার আলাপ হয় তদানীন্তন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর, শ্রী বিদ্যাবাগীশ মশাইয়ের। বিদ্যাবাগীশের সেমিনারের বক্তব্য ছিল যে ভাষার একাত্মকরণ ও তার সুবিধা ও অসুবিধা। যার মূল বিরুদ্ধ যুক্তি ছিল ভাষা হারিয়ে গেলে তার ঐতিহ্য ও ইতিহাস লুপ্ত হয়। বিদ্যাবাগীশ মশাই যুক্তিসহকারে বুঝিয়ে দেন, বর্তমান ইনফর্মেশান টেকনোলজির যুগে কিছুই হারিয়ে যেতে পারে না যদি চর্চা রাখা যায়। কোনো লেখাই আজ আর পাতায় পাতায় লিপিবদ্ধ নয়, বরং তারায় তারায় (ইয়ে, সার্ভারে সার্ভারে!) গ্রথিত। আগ্রহী ব্যক্তি অবশ্যই তার চর্চা করতে পারবেন, তাই নিয়ে লেখালিখিও যথেষ্ট সমাদৃত। কিন্তু যারা তাতে আগ্রহী নয়, তাদের জোর করে সে ভাষা গিলিয়ে কি লভ্য! নির্বাপিত দীপে তৈলদানে কি উপকার হয়! ইত্যাদি!

    সেদিন বহুবিধ হট্টোগোলের মধ্য সেমিনার থেকে বেরুবার সময়, সেই নন্দী, বিদ্যাবাগীশের ধুতির খুঁট ধরে ফেলেছিলেন, বিদ্যাবাগীশের মরণকালে ধুতি হতে বিচ্ছিন্ন হবার আগে অব্ধি সে খুঁট তিনি ছাড়েন নি। সেইদিন থেকে অদ্যাবধি তিনি সাধনা করে এসেছেন কিভাবে ভাষাকে একাত্ম করা যায়। বহু জার্নালে বহু পত্রিকায় ও দেশি এবং বিদেশি বিভিন্ন সমাবেশে বা সেমিনারে তার ওজস্বী বক্তৃতায় ক্রমশ লোকে আগ্রহী হয়ে পড়ে এই মতাদর্শে। শেষমেষ, দীর্ঘ কয়েকবছরের বিক্ষুব্ধ ও হিংসাপূর্ণ, রক্তক্ষয়ী ও এক প্রবল চ্যালেঞ্জ দমন করে সারা পৃথিবীতে একই ভাষা চালু হয়।

    কোন ভাষায় সকলে কথা বলবে সে নিয়েও এক মহা বিতর্কের সূত্রপাত হয়। নন্দী তার ক্ষুরধার যুক্তিতে দেখিয়ে দেন, যে ইংরেজী ভাষাই সবচেয়ে ছড়িয়ে আছে দেশে বিদেশে। ফলে এক ভাষায় কথা বলতে গেলে ইংরেজীর বিকল্প নেই। তাছাড়া ইংরেজী অপেক্ষাকৃত সহজ ভাষা। ফোনেটিকালি একে আয়ত্ত্ব করা সহজ। কিছু ভাষাবিদ আপত্তি করেছিলেন এই বলে যে এই ভাষা খুব সায়েন্টিফিক নয়, সে তুলনায় জার্মান অনেক ভালো। কিন্তু নন্দী যুক্তি দেন যে, কথ্য ভাষা কখনো সায়েন্টিফিক হয় না, হওয়া উচিৎ নয়। সেই কারণেই খটমট সংস্কৃত থেকে পালি আসে, হায়ারোগ্লিফের যায়গায় লিখিত কিউনিফর্ম আসে। লোকের মুখে শব্দ পালটে যায়। তাই যে শব্দ বহুল প্রচলিত তাই ব্যবহার করা উচিৎ। কারন বহুব্যবহারের ফলে তার বিভিন্ন ফর্ম অলরেডি লোকের মনে গেঁথে গেছে।

    কিছু চাইনিস লোক এও বলেন যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা হল মান্দারিন। তবে কেন তাকেই এই মর্যাদা দেওয়া হবে না। নন্দী তাদের বোঝান যে, মান্দারিন বেশি ব্যবহৃত হয় বেশি চাইনিস পপুলেশানের জন্যে, যারা ও ভাষায় কথা বলে না, তাদের ওসব আয়ত্ত্ব করতে ঢের বেশি সময় লাগবে। তা ছাড়া ঐ অত অক্ষর শেখা খুবই কষ্টকর বাকি ডেমোগ্রাফির লোকেদের জন্যে। এই একই কারণে হিন্দি ও তামিলও বাদ যায়, তাদের লিখিত লিপিতে যুক্তাক্ষর থাকার জন্যে। শেষ মেষ সভাস্থ কিছু ভাষাবিদ নন্দীকে নাটজব বলে গালি দিয়ে সভা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। সেই দিনের পরে এক প্রবল ঝগড়া ছড়িয়ে পড়ে দুনিয়া জুড়ে। নন্দী তার পেটনেমখানিও সেদিনই পেয়ে যান। সকল বিরোধীরা তাকে নাটজব বলে ডাকতে শুরু করে।

    প্রফেসর আজ তার অফিসে বসে বসে সে সব দিনের কথা ভাবছিলেন। প্রবল বিরোধিতা তাকে দমাতে পারে নি। তিনি বাকি ভাষা সরিয়ে সারা পৃথিবীতে একভাষা চালু করার জন্যে একাগ্র। আসল বাধা এল অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত যায়গা থেকে, যখন তার মেয়ে, কণিকা তাকে বাধা দেয়। তার মতে এর ফলে সব চালু ভাষা উঠে যাবে, সাহিত্য চর্চা উঠে যাবে, নতুন ভাষা জানবার যে থ্রিল সেটাও চলে যাবে। প্রফেসর মেয়েকে বোঝাবার চেষ্টা করেছিলেন, যে এটা নতুন করে চাকা আবিস্কার করার মত হবে। যে ভাষা অজানা নয় তাকে নতুন করে জানার মধ্যে কি উন্নয়ন লুকিয়ে থাকতে পারে। তা ছাড়া তিনি মোটেই চাইছেন না যে সব ভাষাকে তুলে দেয়া হবে। বরং সে ভাষা চর্চা করার জন্যে আলাদা ইন্সটিটিউট হোক তাই তিনি চান। তারা একাডেমিক ডিসকাশান করুক তাও তিনি চান, শুধু তার দাবী হল যে কাজের ভাষা এক হোক, কমিউনিকেশান বাড়ুক। মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করে, তবে কি তিনি বাকি সব ভাষাকে অকাজের ভাষা বলে দাগিয়ে দিতে চান। প্রফেসর উত্তেজিত হয়ে মেয়েকে দু কথা শুনিয়ে দেন। মেয়েটি, এক নূতন উপায়ের কথা তাকে বোঝাতে চাইছিল, কিন্তু প্রফেসর জানিয়ে দেন, অহেতুক বাগাড়ম্বর তার ভালো লাগে না। তিনি বুঝিয়ে দেন, তার ছাতের তলে থাকতে হলে, আবেগ ছেড়ে যুক্তিকে আশ্রয় করতে হবে। মেয়ে তদ্দণ্ডেই গৃহত্যাগ করে। এ নিয়ে নাটজবের চ্যালারা মেয়েটিকে কম হেনস্থা করে নি। কিন্তু মেয়েটি তীব্র আঘাত পায় তারই দলের লোকেরা যখন তাকে, প্রফেসরের গুপ্ত অস্ত্র বলে চিহ্নিত করে। এমনকি তাকে তার নাম নিয়ে "কানিং-লিঙ্গুইস্ট" বলে সেক্সুয়াল ইনুয়েন্ডোমূলক কথা বলতেও ছাড়ে নি তারা। অতঃপর মেয়েটি যেন পৃথিবী থেকে হাওয়া হয়ে যায়। আজ অবধি তাকে আর কোথাও পাবলিকলি দেখা যায় নি।

    একটি দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে প্রফেসর উঠে পড়েন নিজের চেয়ার থেকে। সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, বাইরের হাওয়ায় প্রফেসরের সাদা চুল গুলো এলোমেলো করে দিচ্ছে, ঠিক যেমনটি তার মেয়ে দিত এককালে, বাড়ি ফেরার পরে। আজও তার জন্যে একটা ফাঁকা বাড়ি অপেক্ষা করছে, যেখানে এক স্বয়ংসক্রিয় যন্ত্র তার একমাত্র সঙ্গী। কাঁধের ব্যাগটা হাতে নিয়েছেন এমন সময় তার সেক্রেটারি হাফাঁতে হাফাঁতে তার দরজা খুলে ভিতরে এল। অল্পবয়সী ছেলেটিকে তিনি কিছুদিন আগেই নিয়োগ করেছেন। এখনো কাজ কর্মে, আদব কায়দায় তেমন পোক্ত হয়ে পারে নি বেচারী। এই অফিসে ছোটাছুটি করা সখৎ বেয়াদবি বলে মানা হয়।

    ছেলেটি হাঁফাতে হাঁফাতে কিছু বলার চেষ্টা করছিল, কিন্তু কথাগুলোয় এলোমেলো পজ হয়ে অদ্ভুত কিছু শব্দ ছাড়া কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। প্রফেসর তার জলের বোতলখানি আর একটি গ্লাস ছেলেটির দিকে এগিয়ে দেন। সেটি রিফিউজ করে ছেলেটি টেবিল থেকে টিভির রিমোটটা নিয়ে টিভিটা চালিয়ে দেয়। টিভিতে তখন ব্রেকিং নিউজ দেখাচ্ছিল, ঘোষিকা বলছিলেন - আজ ভাষা দিবসে গুগুল এক চমকপ্রদ যন্ত্র লঞ্চ করেছে। এই যন্ত্রটি সাধারণ ওয়্যারলেস হেডফোনের মত কানে পরতে হয়। এর মধ্যে আছে একটি মাইক্রোফোন ও রেকর্ডার, যা সামনের ব্যক্তির ভাষা রেকর্ড করে রিয়েল টাইমে অনুবাদ করে শোনাবে, শ্রোতার নিজস্ব ভাষায়। বর্তমানে ২০০০ ভাষা সংবলিত এই সেটটি অত্যন্ত কম দামে বিক্রি হচ্ছে যেকোন রিটেল স্টোরে, ভাষা দিবসে গুগুলের এই শ্রদ্ধার্ঘ্য। গুগুল এরকম চেষ্টা বহু বছর ধরে করে চলেছে, এবং অত্যুতকৃষ্ট সুপার কম্পিউটার থাকা সত্ত্বেও যারা এত বছরেও কিছু করে উঠতে পারে নি তারা আজ আবার কি করে ফেলবে ভেবে, প্রফেসর মুচকি হেসে টিভিটা বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ একটা হেডলাইন ভেসে ওঠায় তিনি চিত্রার্পিতের মত দাঁড়িয়ে গেলেন। ঘোষিকা তখন বলে যাচ্ছিল, এই যন্ত্রটি সম্ভব হয়েছে একটি নতুন এলগোরিদম এর ফলে, যার নাম - কানিং লিঙ্গুইস্টিক্স.....

    নিরমাল্লো
    ২২-০২-২০১৮
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২৮৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    চিড় - Sarthak Das
    আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2401:4900:3600:1ad2:74b2:8a76:d4:98c9 | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১০:৫১528663
  • আমার মনে হয় আর বছর দশ পনেরো বা তারও আগে, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলো এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় ট্রান্সলেট করতে শিখে যাবে। আর সবার কানে একটা করে ইয়ারফোন থাকবে, সেগুলো পরষ্পর পেয়ার করা যাবে। ধরুন আমি একজন জার্মান, একজন ফ্রেঞ্চ তাঁর ডিভাইস আমার সাথে পেরার করেছেন আর আমরা জার্মান-ফ্রেঞ্চ-জার্মান বেছে নিয়েছি। তখন আমি জার্মান ভাষায় কথা বললে আমার ডিভাইসটা সেটা রিয়েল টাইমে ট্রান্সলেট করলে কাছাকাছি পেয়ার্ড ডিভাসগুলোতে ট্রান্সমিট করে দেবে, যিনি পেয়ার করেছেন তিনি ফ্রেঞ্চ ট্রান্সলেশান শুনতে পাবেন। আর উল্টোটা। ব্যাবেল ফিস! :-)
  • Arindam Basu | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:০৯528664
  • ভাষা ট্রানসলেশন অনেকটা এখনি সম্ভব,  লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল এবং ট্রানসফরমার মডেলের সৌজন্যে। তবে সব ভাষার জন্য কতটা কাজ করবে, জানি না। 
     
  • dc | 2401:4900:3600:1ad2:74b2:8a76:d4:98c9 | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:১৩528665
  • আমার মনে হয় আস্তে আস্তে আরও বেশী ভাষায় ট্রেনিং দেওয়া হবে। অন্তত প্রথম পঞ্চাশটা পপুলার ভাষায় তো নিশ্চয়ই। 
  • Arindam Basu | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:৩৪528667
  • লেখাটা চমৎকার হয়েছে। শেষের টুইস্ট টা দারুণ ভাল লাগল। 
  • নিরমাল্লো | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৯:১৯528675
  • @dc/ অরিন্দম বসু -
     সত্যিই, আমারও তাই মনে হয়। অসম্ভব কিছু না বলেই আমার ধারণা। রিয়েল টাইম ট্রান্সলেশানটা প্রসেসিং স্পিডের উপরে নির্ভর করবে। বাকিটার জন্যে সত্যি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল আছে। এটা বেশ কিছুদিন আগে লিখেছিলাম, তখন এত কিছু জানতাম না। তবে গুগুল ট্রান্সলেশান দেখে মনে হত ল্যাটিন অরিজিনের ভাষা যখন মোটামুটি ভালোভাবে ট্রান্সলেট করা যায় তখন বাকিটা এক্সপেক্ট করাই যায়। শুধু সময়ের অপেক্ষা।
     
    @অরিন্দম বসু আর @রমিত চট্টোপাধ্যায় - অনেক ধন্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন