এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • হারানো গল্পের খোঁজে - (একটি নভেলা)

    Krishna Malik (Pal ) লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ৩১ অক্টোবর ২০২২ | ২৯১ বার পঠিত
  • কই হে দীননাথ! বাড়িতে আছো নাকি?
    কে?
    ও-! অমৃত? হা হা হা – আরে এসো এসো! খুকি-! একটু গাড়ু-গামছা নিয়ে আয়।তোর অমৃতজ্যাঠা এসেছে।
        
        গাড়ু-গামছা এলে হাত-পা ধুয়ে মুছে বেশ আয়েস করে দুয়ারে পাতা মাদুরে বসলেন আমাদের অমৃতবাবু । খুকি তালপাতার পাখা নেড়ে হাওয়া করতে লাগল। বাড়ির ভেতর থেকে ঘোমটা টেনে একটু পরে কাচের গ্লাসে নুন-চিনি-লেবুর সরবত এনে রাখলেন দীননাথের বৌ। অমৃত বললেন, বৌঠান, আছেন কেমন?
     
    আপনি ভালো আছেন তো, ঠাকুরপো?
       
          আমি এই কাল্পনিক দৃশ্যটি ভাবতে ভাবতে পিসির বাড়িতে ঢুকলাম। আমি তো এসেছি হারিয়ে যাওয়া গল্প খুঁজতে। তার ভেতর কেমন পাশ কাটিয়ে  এর ওর ফাঁক গলে এই গল্পটা ঢুকে পড়েছে।তা পড়ুক, ওকে আমার দরকার নেই তেমন, তাই ওকে ফসকান্তি করে সরিয়ে দিলাম। দরকার হলে আবার টেনে আনলেই হবে।
      পিসির বাড়ির বার দরজায় দাঁড়িয়ে গল্পটার আগের অংশটা ঝালিয়ে নিলাম। সেই যে এক মধুসূদনটাইপ মামা আমার সারাজীবনের ভয় ভাঙালেন, তারপর আমি একেবারে বাঁধা গরু ছাড়া পেলাম যেন। একাই ইচ্ছেমতো চলে যাই পিসির বাড়ি। আগে জপাতে হতো, ও বাবা – ও ফুলকাকু – ও অক্ষয়দাদু আমাকে একবার পিসির বাড়ি দিয়ে এসো ইত্যাদি ইত্যাদি। সেখান থেকে তেড়েফুঁড়ে বেরিয়েছি। 

        টিউশনির ছুটি হলে বর্ষাবাদল ছাড়া অন্য সময় কেউ না কেউ একটু এগিয়ে আসত আগে। ইদানীং বুক চিতিয়ে ধীরেসুস্থে বাড়ি ফিরি অমাবস্যার রাতেও। গাছের পাতার ঝরঝর সরসর, কিংবা হাওয়ার ফিসফিস কিছুই আমাকে টলাতে পারে না। সে জায়গায় পিসির বাড়ি যাওয়া আর কী এমন ব্যাপার?
              
      পিসি! বলে ডাকতে ডাকতে ঢুকছি। উঠোন পার হতে হতে দিদি দাদারা বেরিয়ে এসেছে। পিসিমার জায়ের ছেলেমেয়ে দুটিও। তারা মা-মরা সন্তান হলেও পিসিই তাদের মা হয়ে উঠেছে কবেই।ডাকেও ‘মা’ বলেই, বলে না দিলে কেউ তাদের আলাদা করতে পারবে না। আমাকে দেখে সবাই হৈ হৈ করে উঠল। এ একবার জড়িয়ে ধরে, ও একবার জড়িয়ে ধরে। কেবল পিসের ভাইটা সামনে পড়ে গেলেন।পাশ কাটিয়ে চলে গেলাম।
      আমার মুখ কাঁচুমাচু দেখে ঝুমুদিদি হেসে ফেলে বলল, ছাড় তো! কাল প্রচুর গল্প করব, কলেজ যাব না।  
     “লোকটা কেমন যেন আনটেম! কিছুতেই আমার এ বাড়িতে আসাটা পছন্দ করেন বলে মনে হয় না।”
    “তিনি কারোরই আসা পছন্দ করেন না, ওই আনটেমপনার জন্যই।” ছোড়দা আমার গলা জড়িয়ে ধরে বলল।
    “কোনদিন তো কথাও বলেন না একটিও। আমিও এড়িয়ে চলতে চাই এমন টক্সিক লোককে।”

      ওই গোঁজটুকু বাদ দিলে পিসির বাড়িতে দেদার মজা। কদিন যে থাকব তার ঠিক নেই। পড়াশুনা কাকে বলে, ইস্কুল কী জিনিস আমি যেন আমার চোদ্দ  বছরের কিশোরী জীবনে জানিই না, শুনিইনি!  ক’দিন পর অবশ্য ফুলকাকু এসে কান ধরে টানতে টানতে বাড়ি নিয়ে যাবে। আপাতত সেসব অলুক্ষুণে কথা মনেও আনতে চাইছি না।
        
          দাদা দিদিদের সান্ধ্যকালীন পড়াশুনা শেষ হলে হইহই গল্প, লুডো, বড় দাদা দিদিদের রঙ মিলন্তি সব চলবে। বড়দা তো ভীষণ ফান্জিম, সে কলেজে পড়ে। ওই সব খেলার ভেতরই তার মনফাস সব মজারু ভূতের গল্প। আমরা হেসে হেসে রমিন্দাস হয়ে ফাটা পেট হাত চেপে ফোঁড়বান্দিস হতাম।
      খেয়ে দেয়ে সবার শোবার জোগাড় করছে রুমুদিদি। আমি বাথরুম থেকে ফিরে এসে কাউকে দেখতে পেলাম না। পিসি তখন কলপাড়ে বাসনে জল দিয়ে ভিজিয়ে রাখছে। ঝুমুদিদির ন্যাওবার্গিস আমি। তাকে খুঁজতে খুঁজতে রান্নাঘরের দিক থেকে আওয়াজ পেলাম। গিয়ে দেখি তোলা উনুনের নরম আঁচে ফুটে ফুটে ঘন হয়ে ওঠা দুধ কাপে কাপে নিয়ে খাচ্ছে ভাইবোনেরা। দুধের পাত্র খালি। এক কাপ বসানো আছে, সম্ভবত সেটা রুমুদিদির। আমাকে দেখে ঝুমুদিদি বলল, খাবি তুই দুধ? এখন তো গরুতে দুধ কম দিচ্ছে, তাই সবার হয় না। খা না এই দুধ টা!
        আমি হেসে ছাপজাল্লিস করে ক্যানভাসের ফ্যাকাসে মেরে যাওয়া দৃশ্যের জায়গায় রঙ ঢালি। দূর! আমি ইদানীং দুধ একদম নোচাল্লি, খাইই না!
       আমরা এরকম সব রিউমারকস শব্দ ব্যবহার করি কথায় কথায়। আমাদের ভাইবোনেদের নিজস্ব কোড ল্যাঙ্গুয়েজ। তো আধমরা চাঁদকে গালগল্পহুজ্ঝুরে করে পশ্চিমের দিকে রওনা করিয়ে দিয়ে আমরা শুতে গেলাম। চাঁদও কেমন পান্ডুরোগান্তিস হয়ে ফ্যাকাশে দিলসাজিমে হাসিমুখ মুছে চলে গেল।
     
      শুয়ে শুয়েও একপ্রস্থ গল্প করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লাম। সেবারে কী কারণে কে জানে তিন দিনের দিন আমার ভীষণ পড়ার আগ্রহ হলো, আর বাড়ি চলে এলাম ফুলকাকুর গাঁট্টা ফসকিয়ে। আসতে আসতে ফরকেম সুঁইবাধ কেটে গল্পটা কেমন পিছু হটতে লাগল। তবে আমি ঘাড় ধরে বাড়ি নিয়ে এসেছিলাম। ওমা! পরের দিন ঘুম থেকে উঠে দেখি গল্পের ল্যাজামুড়ো হামজিন্দাস বেড়ালটা খেয়ে গেছে, নাকি পেট কাপড়ে লুকিয়ে নিয়ে পগারন্ত হয়েছে তা বুঝতে পারলাম না।

       এর  দু’মাস পর পিসির বাড়ির ইসকেলান্তি ডাক শুনতে পেলুম জিগরিদিলে। গেলুম আবার নিরুপায় ভালোবাসায়। এবার দেখি, আমাকে বারোভাজাসিঁজা দিয়া মুড়ি মাখিয়ে দিল জলখাবারে। আর ভাইবোনেদের গরম ফ্যানাভাত আর আলু ডিম সেদ্ধমাখা। মুখে রঙ ছড়িয়ে দিয়ে মুনজিমদস্তক হাসিতে চোখ ভাসিয়ে গল্প করতে করতে খেয়ে নিলুম মুড়িমাখা।
     
      সেবারও গল্পটাকে বাড়ি ফেরানো হাড়মজগিল্লা ব্যাপার হয়ে গেল। এদিকে ভাইবোনেরা মামার বাড়ির চৌহদ্দিতে এসে মামীদেরও দুই দুই পোখের পাল্লায় এঁটে ফেলল। তবু ওসব ছোটকেলে ব্যাপার বলে জায়গায় জায়গায় মুছমরজি রঙগুলোকে জুড়ে দিলুম সবাই মিলে, রঙমিলন্তি খেলতাম যে আমরা! কিন্তু ফাটলটা বড়ো হবার সঙ্গে সঙ্গে কোন ফাঁকতালে বেড়ে গেল, রঙ ফ্যাকাশে মেরে টের পেলুম না। আর হতচ্ছাড়া গল্পটাও বিবাগী হলো।
     
       পিসি এখন বৃদ্ধা। পিসে ও পিসের ভাই বুড়ো। রুমুদিদি অঙ্গনওয়াদির সুপারভাইজার। ঝুমুদিদি বরের সঙ্গে মুম্বাইতে থাকে, বছরে একবার দুবার ফোনে কথা হলে বেড়াতে যাবার নেমন্তন্ন করে। যাওয়া হয়ে ওঠেনি, ভাবিওনি। ফান্জিম বড়দা জব্বলপুরে। নিমুদাদা প্রফেসর, বাড়ি থেকেই ব্যারাকপুরের কলেজে যায়। ছোড়দা কাঁথিতে পোস্টিং। আর মেজদাদা থাকে আসানসোলে।  তার বৌ ইস্কুল দিদিমণি এখানকার একটা স্কুলের। সে বাড়িতে থাকে। এ বাড়িতে সবাই মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত। পিসির জায়ের ছেলে সুজয় এখনও বিয়েই করেনি।  সুতরাং যে যার গল্প নিয়ে কেটে পড়েছে বুঝতে পারি। বাকিটা কি পড়ে আছে?
      
      কয়েক সেকেন্ডে অতীত দর্শন সেরে আমি দরজা ঠেলে ঢুকে পড়লাম উঠোনে। ভালোবাসার অদৃশ্য লাল কার্পেটের উপর দিয়ে লাজুক লাজুক মুখ করে হেঁটে যাচ্ছি। আমাকে প্রথম দেখল ছোট বৌদি। তিন সেকেন্ড ধাতস্থ হতে সে সময় নিলো। তারপর গলা তুলে তার শাশুড়িমাকে ডাকল, “মা! দেখুন, কে এসেছে!”
     
           আমি যেন শুনলাম বলছে, মাগো! গা পিত্তি জ্বলে যাচ্ছে, এই ভদ্দুপুরে -!  আমি কান এঁটো করে হাসলাম।
      
          দেখলাম, ওরা টেবিলে খাবার সাজাচ্ছে।বললাম, “না বলে দুপুরের খাবারে ভাগ বসাতে চলে এলাম!”
       
           উত্তরে বৌদি যে সুরে বলল,” না বলে এলে কেন?” - বলেই সুর বদলাল, “ফোনটা কীজন্য আছে শুনি? শুধু ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপে করতে বুঝি?” বলে আমার থুতনি নেড়ে দিল – তবু বুঝে গেলাম, গল্পের বাকিটা সম্ভবত নেই এখানেও। কারণ দেখি চাখিমদিলে দুপুরের না-জানিয়ে আসা অন্নব্যঞ্জন জোর ধাক্কান দিলো। কপাল কোঁচকানো মিচকান্দোস হাসির প্রলেপ ফাটিয়ে দুই বৌদির ফিসফিসানি বেরিয়ে আসছিল।

    তারপর টাপুর টুপুর সারা দুপুর আমি রঙ মেলাতে থাকলাম। অনেক বছরের ব্যবধানে চালচিত্রের ফ্রেসকোর পুরোনো রঙের গুণগত মান ও ঔজ্জ্বল্যের সঙ্গে আজকের রঙ তুলনায় আসছে না, হৃদয়ের জঙ লেগে ছানা কেটে যাচ্ছে। একবার নিমুদাদার বৌ চৈতালি ঘূর্ণি তুলে উঠে গেল মাঝারিমানের গল্প ছেড়ে, আমি বাথরুম গেলাম। ফেরার সময় দেখি ছোটবৌদিও রান্নাঘরের ফ্রিজের সামনে। দুজনে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করছে, আর হাসছে। কিছু খাচ্ছে সম্ভবত লুকোনো খাবার, যা অতিথির বরাদ্দে জোটেনি। সেই লুকোচুরি রয়েছে আজও।

          অমৃত আর দীননাথের নাতিনাতনিরা গাড়ুগুলো বেচে দিয়েছে তো, তাই গল্পটা খুঁজতে আবার বেরোতে হবে! আবার কোথায় গিয়ে পড়ি, দেখা যাক।

     
  • ধারাবাহিক | ৩১ অক্টোবর ২০২২ | ২৯১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ৩১ অক্টোবর ২০২২ ১৪:৪১513363
  • গল্পগুলো অন্য বড়ি অন্য জলবাতাসে গিয়ে অন্য অন্য শাখা প্রশাখা মেলে বেড়ে উঠছে তো। আমি তাই গল্পদের খুঁজতে একেবারে অন্য জায়গায় চলে যাই। মিল দেখলে ঝিলমিলিয়ে জিগ্যেস করি হ্যাঁ তুমি কিআমার সেইই গল্প? 
     
  • Krishna Malik (Pal ) | ৩১ অক্টোবর ২০২২ ১৪:৫০513365
  • দ- ভালোবাসা নেবেন, বন্ধু 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন