এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গরাদ

    দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ অক্টোবর ২০২২ | ২৮৩ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • এক

    বড় বসকে ছেলেটা খুবই ভোগাচ্ছে কদিন ধরে। বড় বস অর্থে, প্রত্যয়ের পরিচয় সে এই অফিসের একজন ডেলিভারি ম্যানেজার, যার দায়িত্বে অনেক ছোট ছোট দলে সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন কাজ করে । যাদের মধ্যে একজন এই ছেলেটা, শান্তনু । অর্থাৎ বুঝিয়ে বললে প্রত্যয় শান্তনুর ম্যানেজারের ম্যানেজার।

    যখন মিটিংরুমে সবাই গম্ভীর মুখে প্রত্যয়ের কথা শোনে, শান্তনু এককোণে চেয়ারে বসে ঝিমোয়। সবসময় তার মধ্যে একটা ঘুম ঘুম ভাব, একেবারেই সিরিয়াস না। মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হলেই অফিস ডুব দেয়। পরদিন ধরলে বলে, "বৃষ্টি পড়ছিল তো, তাই আসতে ইচ্ছে করেনি। বাড়িতে বসে বৃষ্টি দেখলাম, তেলেভাজা আর চা খেলাম।"

    ক্যান্টিনে শান্তনু তার টিমেরই অনিন্দিতার সঙ্গে কফির কাপ সামনে নিয়ে ঘন্টা কাটিয়ে দেয়। দূর থেকে আসা যাওয়ার মাঝে প্রত্যয়ের চোখে সবই পড়েছে। ঘণ্টা হিসেবে কাজের টাকা দেয় মক্কেল, সেই ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে কফি খাবার অছিলায়। অবশ্য তিনি খবর নিয়েছেন, এরা দুজনেই সময়মতন কাজ শেষ করে জমা দেয়, কাজেই কিছু বলেননি।

    বেশ কিছুদিন আগে একবার নির্জন অফিস দেখে ভুল করে অনিন্দিতার হাত ধরে টেনে ফেলেছিলেন তিনি। চেঁচিয়ে না উঠলেও তার তাকানো দেখে প্রত্যয় বুঝেছিলেন কাজটা ঠিক হয়নি, নিজেই সঙ্গে সঙ্গে হাত ছেড়ে ভুল সামলে নিয়েছিলেন। তারপর থেকে অনিন্দিতা তার সাথে সামনা সামনি কথা বলে না, তিনিও এড়িয়ে চলেন।

    তো সেই শান্তনু এবার দুদিন ধরে গায়েব, ফোন কলে, মেসেজে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। না জানিয়ে এরকম লম্বা ডুব মারলেই ফোন বন্ধ রাখা অবশ্য তার পুরনো অভ্যেস যা নাকি এর আগেও আরেকবার ঘটেছে । শান্তনুর টিমের বাকিরা এ ব্যাপারে কিছু জানে না, তাদেরকে বুধবার সন্ধেবেলাতেও সে কিছু বলেনি অফিস থেকে বেরনোর সময়।

    কাকতালীয় ভাবে এই খোঁজখবর নেবার সময়, প্রত্যয়কে শান্তনু এবং অনিন্দিতার ম্যানেজার জানালেন অনিন্দিতা আগে থেকে এই কদিন ছুটিতে বেড়াতে যাবার অনুমতি নিয়ে রেখেছিল।

    প্রত্যয় নিজের মোবাইলে এক ফাঁকে দেখলেনও অনিন্দিতা মেসেজিং অ্যাপের স্ট্যাটাস আপডেটে সেই ঘুরতে যাবার ছবি দিচ্ছে। যদিও সেসব ছবি দেখে মনে হয় অন্য কেউ সযত্নে তুলে দিচ্ছে, অর্থাৎ সে একা ঘুরতে যায়নি।

    কিন্তু শান্তনু গেল কোথায়? দুদিনের বেশি কেউ কিছু না জানিয়ে ছুটিতে থাকলে তা অফিসের মানবসম্পদ দফতরকে জানাতে হয়। অফিসে সবাইকে একটা আপৎকালীন ফোন নম্বর, ঠিকানা দিয়ে রাখতে হয়, যাতে এরকম নিরুদ্দেশ কেউ হয়ে গেলে অথবা কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে অফিস কিছু খোঁজ নিতে পারে।

    এখন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার না করা প্রায় গর্হিত অপরাধ। কে কোথায় কার সাথে ঘুরতে যাচ্ছে, কখন অনলাইন আছে, কি খাচ্ছে, এ সব সেখান থেকে জানতে বেশিরভাগ সময় কিছুই পরিশ্রম লাগে না। মানুষ স্বেচ্ছাতেই এই সমস্ত অসংখ্য অদৃশ্য গরাদের খেলা মেনে নিয়েছে। আর ফোন বন্ধ রাখা আরও বড় অপরাধ। খুব আতান্তরে না পড়লে বা চার্জ শেষ না হয়ে গেলে এখন কেউ ফোন বন্ধ রাখে না চট করে। কিন্তু শান্তনু এসব নিয়মের বাইরে তাই তাকে ট্র্যাক করা সমস্যা খুব । প্রত্যয়ের হঠাৎ মনে হল, অনিন্দিতা নিশ্চয় শান্তনুকে সঙ্গে নিয়েই ঘুরতে গেছে।

    যাই হোক সোমবার দেখা যাবে, সেদিনও শান্তনু না এলে জানাতে হবে মানবসম্পদ দফতরকে, প্রত্যয় ভেবে রাখলেন।

    দুই

    আশার কথা, সোমবার দুজনেই অফিসে ফিরেছে। তিনি শান্তনু্র কিউবিকলে গিয়ে তাকে ডাকলেন, "আমার সঙ্গে মিটিং রুমে এসো, দরকার আছে"।

    সেখানে বসলেন দুজনে, মাঝখানে একটা লম্বা কনফারেন্স টেবিল, প্রত্যয় জিজ্ঞেস করলেন "সমস্যাটা কি? কোনো কল, মেসেজ নেই, কোথায় ছিলে?" শান্তনু মাথা নিচু করে বসে আছে - "ফোনটা খারাপ হয়ে গেছিল" - বলে হাই তুলতে শুরু করল।

    অন্যকে হাই তুলতে দেখলে নিজেরও হাই উঠতে শুরু করে। সেটা চেপে, শান্তনুর চোখে চোখ রেখে প্রত্যয় বললেন - "ওসব ফোন খারাপ টারাপ নয়। তোমার পারিবারিক গাড়ি ভাড়া দেবার ব্যাবসা আছে। এবারে তুমি শেষ মুহূর্তে একটা ফ্যামিলিকে নিয়ে পাহাড়ে ঘুরতে যাবার বরাত পেয়েছিলে। চার দিন তিন রাতের ট্রিপ। বাকি আর সব ক্যাব প্রি বুক ছিল বলে দায়িত্বটা তুমি নিজেই নিলে। দিনের বেলা টানা গাড়ি চালাচ্ছিলে বলে ফোন বন্ধ রেখেছিলে। আর এমনিতে বৃষ্টির দিনে ভাড়া অনেক বেশি ওঠে বলে তুমি অফিস ডুব মেরে গাড়ি চালাও, ওসব চা তেলেভাজার গল্প ভুল, ঠিক বলছি?"

    শান্তনুর হাই তোলা মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গেছে, হেঁচকি তুলতে শুরু করল। প্রত্যয় বললেন "তুমি জল খেয়ে কিউবিকলে ফেরত যেতে পারো। ছুটির দিনে তুমি কি করছ সেসব আমি দেখতে যাবো না কিন্তু ধরা পড়ে যাওয়াতে মনে হচ্ছে, নিশ্চয়ই তুমি আর কোন কাজের দিনে আগে থেকে খবর না দিয়ে এভাবে ছুটি নেবে না।"

    সেদিন আবার বিকেলের সময় দেখলেন ওরা দুজন বসে আছে। চারপাশের হুঁশ নেই।

    প্রত্যয় মুখটা ফিরিয়ে নিলেন। কাল সন্ধেবেলায় মেয়েকে ছুটির দিনে অঙ্ক করানোর ফাঁকে মোবাইলে হিন্দোলের স্ট্যাটাস আপডেটে ছবিটা হঠাৎ চোখে না পড়লে তিনি কিছুই জানতেন না।

    হিন্দোল তার আগের একটা প্রজেক্টের টিমে কাজ করত, সে অন্য চাকরি পেয়ে এই অফিস ছেড়ে দিয়েছিল দু তিন বছর আগে, কিন্তু ফোনে তার নাম্বার থেকে গেছে।

    ছবিটা দেখে তিনি নিজেই অনিন্দিতাকে মেসেজ করেছিলেন - "হিন্দোলের সাথে তোমার ঘুরতে যাবার ছবি দেখলাম, ওর সাথেই বিয়ে ঠিক হল বুঝি?"

    মেসেজের পাশে অল্প কিছুক্ষণেই পড়ে ফেলবার নীল জন্মদাগ ভেসে উঠেছিল, কিন্তু উত্তর আসে আজ সকালে, কিছুটা যেন অনিচ্ছায় - "হ্যাঁ"

    "বাঃ, কংগ্র্যাটস । তোমার অফিসে প্রোমোশন আর আপকামিং বিয়ে দুটোর জন্যই।"
    "প্রোমোশন? প্রসেস হয়ে গেছে?"
    "হ্যাঁ, আমি আজকেই অফিস গিয়ে সিস্টেমে ফাইনাল অ্যাপ্রুভাল দিয়ে দেব । তবে তোমার টিমের শান্তনু যে মাঝে মাঝে অফিস আসে না, ওর ব্যাপারে কয়েকটা প্রশ্নের তুমি একটু উত্তর দিতে পারবে?”

    অনিন্দিতার প্রোমোশনের প্যানেল ইন্টারভিউ ছিল শেষ বুধবার, সেটা দিয়ে অনিন্দিতা বিয়ের আগের হনিমুনে গেছিল হিন্দোলের সাথে। অনিন্দিতা সাবধানী মেয়ে, নিজে হিন্দোলের সাথে কোনও ছবি দেয়নি । কিন্তু হিন্দোলের স্ট্যাটাস আপডেটের ছবি যে প্রত্যয় দেখতে পাবেন সেটা অনিন্দিতা ভাবতেও পারেনি। শান্তনু এই বিয়ের ব্যাপারে কিছু জানে না। মাঝে মাঝে শান্তনু ডুব মারলে অনিন্দিতা নিশ্চয়ই শান্তনুর সেইসব দিনের কাজগুলো করে দেয় যাতে ও কাজের সময়সীমা মিস না করে। তার বদলে শান্তনু ওকে অফিসের সময়ে সঙ্গ দেয়। 

    অফিস ফ্লোরে তার নিজস্ব কেবিনের কাঁচের দেওয়ালের মধ্যে দিয়ে প্রত্যয় দূরে দেখতে পেলেন, ওদের কফি খাওয়া শেষ হয়ে এসেছে, এবার উঠে কাপ ধুয়ে নিজেদের ডেস্কে ফিরে যাবে।

    শান্তনু সামাজিক মাধ্যমের বা অফিসের নিয়মনীতির গরাদগুলো মন থেকে মানতে চায়নি, কিন্তু অদৃশ্য গরাদ তো আরও অনেক রকমের হয়। 

    প্রত্যয় একবার ভাবলেন, এই গল্পটা শান্তনুকে ডেকে এখনই বিশদে বলে দেবেন। টস করা যেতে পারে, টেল পড়লে আর শান্তনুকে ডাকবেন না। ওয়ালেট থেকে একটা এক টাকার মুদ্রা বার করে প্রত্যয় টস করলেন...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 174.251.167.139 | ০১ অক্টোবর ২০২২ ০৪:৪২512451
  • বা:, ছোটো গল্পের সূত্র মেনে একদম ঠিকঠাক জায়গায় শেষ হয়েছে। 
  • | ০১ অক্টোবর ২০২২ ০৯:২০512452
  • এই মাইক্রো ম্যানেজ করার প্রবণতা কি বাঙালি আর উত্তরভারতীয়দের মধ্যে খুব বেশী? কলকাতা ছাড়ার পর দিল্লিতে দেখেছিলাম কিন্তু ​​​​​​​পুণে ​​​​​​​আসার ​​​​​​​পর ​​​​​​​আর ​​​​​​​তেমন ​​​​​​​চোখে ​​​​​​​পড়ে ​​​​​​​নি। ​​​​​​​
     
    আজকাল তো আবার মুনলাইটিং নিয়ে খুব কথাবার্তা চলছে -- তা শান্তনু তাইই করছে আর কি।
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ০১ অক্টোবর ২০২২ ১৪:৩৩512458
  • ধন্যবাদ :|:
     
    @ মাইক্রো ম্যানেজ করার দুর্নাম ইন জেনারেল বহু ভারতীয়র মধ্যেই কম বেশি আছে , পার্থক্যটা হচ্ছে বাকিরা শুধু নিজের স্বজাতির সাবর্ডিনেটকে মাইক্রো ম্যানেজ করতে বেশি আগ্রহী। একজন মালয়ালী একজন মারাঠীকে মাইক্রো ম্যানেজ করতে বিশেষ আগ্রহী নয়। শুধু বাঙালি আর উত্তরভারতীয়রা সবাইকেই মাইক্রো ম্যানেজ করতে চায়। laugh
    মুনলাইটিং নিয়ে একমত , যদিও এটা প্রি কোভিড যুগের গল্প বলে শান্তনু অল্পদিনে ধরা পড়ে গেল। 
  • যোষিতা | ০১ অক্টোবর ২০২২ ১৫:৩৮512459
  • এর চেয়েও হারামি বস আমার ছিল। বাঙালি, নর্থ ইন্ডিয়ান। আরেকটা ছিল আরও খচ্চর, সেটা তামিল।
  • যোষিতা | ০২ অক্টোবর ২০২২ ০২:২৫512473
  • ঘরে বাইরে
  • dc | 2401:4900:232e:d73d:d120:5da0:fef6:db3d | ০২ অক্টোবর ২০২২ ০৯:৩৪512476
  • মাইক্রোম্যানেজ করার প্রবনতা, আমার মনে হয়, পার্সোনাল ইনসিকিউরিটির থেকে আসে। তবে গল্পে যেভাবে বলা হয়েছে, এটা ঠিক মাইক্রোম্যানেজমেন্ট মনে হলো না। অন্য একটা জিনিষ মনে হলো, কাজের জায়গায় নানা রকম হ্যারাসমেন্ট কতোটা পার্ভেসিভ, সেটা লেখক ভালো তুলে ধরেছেন। বিশাখা গাইডলাইন, বা তার পরের Sexual Harassment of Women at Workplace (Prevention, Prohibition and Redressal) Act  সমস্ত অফিস বা কাজের জায়গায় বাধ্যতামূলক করা ভীষন জরুরি। 
  • dc | 2401:4900:232e:d73d:d120:5da0:fef6:db3d | ০২ অক্টোবর ২০২২ ০৯:৪৫512477
  • আরও একটা ব্যপার ভালো লাগলো, সোশ্যাল মিডিয়ার সর্বগ্রাসী রিচ লেখক ভালো তুলে ধরেছেন। মানে আপনি নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন প্রোফাইল রাখবেন না ঠিক করেছেন, কিন্তু তাতেও রেহাই নেই। কারুর না কারুর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ঠিক ধরা পড়ে যাবেন। 
  • Nirmalya Nag | ০৩ অক্টোবর ২০২২ ০৯:২২512497
  • ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বড় গোলমেলে জিনিস। গল্পটা ভাল লাগল। শেষটা এপিক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন