বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক

  • আমার ধর্ম অধর্মবোধ—মুক্ত কর প্রাণ ৩

    রুখসানা কাজল
    ধারাবাহিক | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৭০৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৪ জন)
  • তিন

    নব্বই সালের পর বিশ্ব রাজনীতিতে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সে পরিবর্তনের আঘাত এত দ্রুতগতি সম্পন্ন ছিল যে বিশ্বের তাবড় বড় অনেক রাষ্ট্র ঝাপটে পড়েছে। অর্থনীতি মুচড়ে গেছে। রাষ্ট্রের সীমানা আর জনগণের নাগরিকত্ব বদলের সঙ্গে সঙ্গে দেশহারা হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। পুঁজিবাদ নিপাত যাক বলে লাল ঝাণ্ডার পাণ্ডারা আর ফান্ডা দেখাতে পারছে না। বিপ্লব হিমঘরে। নেতাদের চরিত্র পালটে সম্পূর্ণ বিপরীতে এসে ঠেকেছে। সমাজতন্ত্র ভাগাড়ে আর ধর্মনিরপেক্ষতার মরণ হয়েছে। গণতন্ত্র সেজে উঠেছে ভোগবাদী আভিজাত্যে। এর সঙ্গে ধম্মো ধম্মো বোল উঠেছে আকাশ বাতাস মাটিতে, নদীতে। আজকাল দেখি অনেকেই স্ত্রী সহবাস, স্বামী সহবাসের দোআ মুখস্থ করার পাশাপাশি হাগতে যাওয়ার দোআও মুখস্থ করে ফেলছে। মন্দিরা শঙ্খ বাজিয়ে তিন বেলা সাড়ম্বরে পূজা করছে। পাঁচ বেলা পড়ে নামাজ পড়ে কপাল ঘষে ঈমানী ছাপ বসাচ্ছে। তবে ধর্ম যত জোরে শোরে দেশে দেশে, জাতিতে জাতিতে, ঘরে ঘরে, ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে দাঁত শূলাচ্ছে তারচে বেশী জোরে নৈতিকতা পালিয়ে গেছে। মানুষ বেশি বেশি মুসলমান হয়েছে। বেশি বেশি হিন্দু হয়ে গেছে।

    অধিকাংশ রাষ্ট্রের ক্ষমতা চলে গেছে কতিপয় ব্যক্তির হাতে। জনগণ এখন ওয়ান টাইম ইউজের মত পণ্য। ইউজ শেষে ছিবড়ানো চুকলা। জনগণের চাইতে সরকার যখন বড় হয়ে যায় তখন রাষ্ট্রের প্রজাতান্ত্রিক মুখে কতিপয় দ্বারা চালিত সরকারের ইচ্ছে অনিচ্ছে সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। রডের বদলে বাঁশ ঢুকে পড়ে উন্নয়নের গুহ্যদ্বারে। জনগণ রক্তাক্ত হয়। সরকার শলা দেয়, জোড়াতালির বিভিন্ন ‘প্রজেক্ট ডায়াপার’ পরাতে।

    বিশ্ব রাজনীতির এই পরিবর্তনের দমকে বাংলাদেশের মত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের আগাপাশতলা দলে গেছে নির্মমভাবে। নিকটতম প্রতিবেশী বৃহৎ ভারতের শাসন ক্ষমতায় ধর্মের জয়ধ্বজা উড়িয়ে এসেছে সনাতনপন্থী ধর্মপুত্ররা। সংখ্যালঘু মুসলমান এবং দলিতদের আর্তনাদ কাঁটাতার পেরিয়েও শোনা যাচ্ছে। কোনো কো্নো রাজ্যে, ফেসবুকে তীব্র ঘৃণা নিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে, ভাগ কাটার দল, পাকিস্তান ভাগ যা, বাংলাদেশে চলে যা। ঘর, প্রাণ, উৎসব, প্রার্থনালয়ের পবিত্র মসজিদ গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। ভবন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মারছে মুসলিমদের। গুম হয়ে যাচ্ছে মুসলিম প্রতিবাদী ছাত্ররা। পবিত্র মন্দিরে ধর্ষিত হচ্ছে মুসলিম কিশোরী । শিল্প সাহিত্য চলচ্চিত্রেও উগরে উঠছে মুসলিম বিদ্বেষ। মুসলিম শ্রমিককে আগুনে পুড়িয়ে সোল্লাসে ভিডিও করছে কাকা-ভাইপো।

    তবে থেমে থাকেনি ভারতের প্রগতিশীল মানুষ। জাতি ধর্ম বর্ণ মিলেমিশে সরোষে প্রতিবাদ তুলেছে। কিন্তু খুন হয়ে যাচ্ছে প্রতিবাদীরা নতুবা জেল, জুলুমের ফাঁদে আটকে দিচ্ছে প্রতিবাদীদের। বাংলাদেশ কি করছে? সাম্প্রদায়িক পশুরা সাতচল্লিশের সেই লুটেরা ধারা বজায় রেখেছে। সংখ্যালঘুর ধন, প্রাণ, ঘর, প্রার্থনালয় জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। ধর্ষণ করছে। গালি দিচ্ছে, যা শালা মালাউন, ইন্ডিয়া চলে যা।

    অর্থাৎ সাম্প্রদায়িকতার পূজারীরা সহজভাবে বলে দিচ্ছে, হিন্দুর জন্য হিন্দু রাষ্ট্র চাই, মুসলিমদের জন্যে মুসলিম রাষ্ট্র চাই।

    ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি, সাম্প্রদায়িকতার পিতা এক, মাতা দু'জন। এক মায়ের সন্তান হিন্দু, অন্য মায়ের সন্তান মুসলিম। পিতৃরক্তের আশীর্বাদ আর আদর্শে দু মায়ের সন্তানেরাই ঘৃণা, হিংসা, অশান্তি, বৈরিতা, হত্যা আর সন্দেহ বিদ্বেষে পরিপূর্ণ। সাম্প্রদায়িক দুটি শক্তিরই কাজকর্ম এক এবং অভিন্ন।
    কিন্তু এত সহজে কি সরল অঙ্কের উত্তর মেলে ?

    বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলতে পারি, বর্তমান বাংলাদেশের জনগণ কলার মান্দাসের মত দুলে যাচ্ছে আকূলপ্লাবিত ধর্মীয় জোয়ারে। কোন বিরোধী দল নেই। বিরোধী নেতা শূন্য রাজনীতির মোলায়েম চর্চা চলছে। যদিও অর্থনীতির চরম স্ফুরণ ঘটেছে। উন্নয়নে জোয়ার এসেছে। ওদিকে ব্যাংক লুটে যাচ্ছে। টাকা চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। সরকারী আমলা এবং ব্যবসায়ীরা মুদ্রার এপিঠ এবং ওপিঠ। আশ্চর্য হলেও সত্যি দেশের অভ্যন্তরে এক শ্রেণীর বাংলাদেশী ছেলেমেয়েরা বেড়ে উঠছে যারা বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করছে, ভাত পাচ্ছে না। সো হোয়াট! ফুড পাণ্ডা থেকে খাবার অর্ডার দিলেও তো হয়।

    মধ্যবিত্ত শ্রেণী ক্রমশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য লাগামহীন। বাজার মন্ত্রী এসি ঘরে থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণ পর্যবেক্ষণ করেন। এদিকে সাধারণ ঘরের ছেলেমেয়েরা পাগলের মত কাজ খুঁজছে। দুটো পয়সার জন্যে চলে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশে। কেউ কেউ ডুবে মরছে, বরফে মরছে, হারিয়ে যাচ্ছে, জেলে পচছে, উধাও হয়ে যাচ্ছে, নারী শ্রমিকরা ধর্ষিত হচ্ছে, পুড়ে মরছে, গৃহকর্তা আরব পুরুষের অবৈধ সন্তানের মা হচ্ছে, গরম পানিতে সেদ্ধ হচ্ছে, মরেও যাচ্ছে। কি অদ্ভুত দেশ মুসলিম আরব-জাহান। যে ধর্ষিতা হচ্ছে, তাকেই চরিত্রহীনতার দোষ দিয়ে জেলে পুরছে, বেহেশতি দণ্ডের ধর্ষক অর্থদণ্ড দিয়ে দিব্য থাকছে।

    বাংলাদেশে এখন শঙ্কা বাজছে, দেশটি শ্রীলঙ্কার পথে চলছে না ত দেশ! দেউলিয়া হতে আর কত দিন বাকী আছে হে বীর বাঙ্গালী! এরকম অবস্থায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, লুটপাট, জ্বালাও পোড়াও ঘটে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য কি? বাংলাদেশকে কার্যত মুসলিম রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলা? কেমন মুসলিম রাষ্ট্র? আফগানিস্তান মডেলের? হয়ত তাই। তাই ত নরসিংদীতে বয়স্ক এক নারী একজন তরুণী মেয়ের পোশাক নিয়ে কটূক্তি করে পুরুষদের সঙ্গী করে অই তরুণী এবং তার বন্ধুদের উপর হামলা করেছে। অতি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নারী শিক্ষক স্লিভলেস পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করায় একজন দর্শনার্থী তরুণী এবং তার ফটোগ্রাফার বন্ধুকে যাচ্ছেতাই ভাবে হেনস্থা করেছে। আমার অনেক রাজনৈতিক বন্ধু, যারা বিভিন্ন ডান বাম মধ্য বা অদৃশ্য দল ভুক্ত বা সমর্থক তারা প্রায়ই একটি কথা বলে, ছোঃ দুই দিনের বৈরাগী, ভাতরে কচ্ছিস্‌ অন্ন। শালারা চায়ি দ্যাখ ভারতের লাগান(মত) বিশাল রাষ্ট্রে যদি মোদীভাই ক্ষমতায় আসতি পারে তো বাংলাদেশের মোল্লারা কি দোষ করিছে! আর শুনিছিস তো? এই নে এবার ভালো করি পড়ি দ্যাখ, ২০২৩ সালে ‘হিন্দু রাষ্ট্র হচ্ছে ভারত’ এমন ঘোষণা দিয়েছে বারাণসীর শঙ্করাচার্য পরিষদ নামে একটি সংগঠন। (আনন্দবাজার অনলাইন পত্রিকা, ১৬ আগষ্ট) তালু আফগানিস্তানের সঙ্গেও ‘চিনি চিনি মধু মধু’ সম্পর্ক গজিয়ে উঠছে ভারতের। এতে কিন্তু মোল্লারা মহাখুশী।

    ওদের কথা শুনে মাঝে মাঝে খচ্চাৎ করে মগজে ছুরি মারে একটি ব্যাপার। খচমচ করে ওঠে চৌদ্দ ইন্দ্রিয়, প্রতিবেশী বৃহৎ রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসীন সৎ বড়ভাই সুযোগ পেলেই কি তার ক্ষুদ্র সৎ ভাইটিকে উস্কে দিচ্ছে, ম্যায়নে কর দিখায়া। তু নে ক্যা কিয়া ছোটু?



    (ক্রমশঃ)

  • ধারাবাহিক | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৭০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Kishore Ghosal | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:১৪511882
  • "মানুষ বেশি বেশি মুসলমান হয়েছে। বেশি বেশি হিন্দু হয়ে গেছে"।
    বড্ডো বেশি মাথামোটা ধান্দাবাজ  এবং নীচ হয়ে গেছে। 
    অধরা ধোঁয়ার মত ধম্মের আগুনে নিরীহ জনগণের ঘরদোর পুড়িয়ে সেই ধোঁয়ার আড়ালে লুঠপাট চলছে চলবে,দেশে দেশে কালে কালে।    
  • santosh banerjee | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৩:১০511883
  • আমার মনে হয় এখন , এই মূহুর্তে ভারতের প্রত্যেক টি হিন্দু মুসলমান বিরোধী আর প্রত্যেক টি মুসলমান হিন্দু বিরোধী ( exception  নিশ্চয়ই আছে , কিন্তু যৎসামান্য )।এটা করে দেয়া হয়েছে অনেক ‌‌‌কাল আগেই। যারা হিন্দু বাদী ধোঁয়া তুলছে তারা শুধু নয়, মারা সেকুলারিজমের গান গেয়ে শোনাচ্ছেন এতদিন তারাও দায়ী। রন্ধ্রে রন্ধ্রে বুকে গেছে এই পাপ। মারা সত্যিই এর থেকে মানুষ কে মুক্তি দিতে পারতেন বা পারেন, তাঁরা বিপ্লব করে ক্লান্ত !! তাদের দায়িত্ব ছিল না কি এই বিষাক্ত সাপের বিষদাঁত। ভেঙে দেয়ার? আমি বাম পন্থী বন্ধু দের উদ্যেশে বলছি। এখনও বিশ্বাস করি একমাত্র ঐ বাম আদর্শ ( বাম ফ্রন্ট বা আই অথবা এম বা এম এল দের জন্য বলছি না) পারে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ দেখাতে। 
  • Kishore Ghosal | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০০:৪৪511884
  • ধর্ম ( নাকি অধর্ম) নিয়ে আমার এই "ধর্মাধর্ম"  নামের ধারাবাহিক লেখাটিতে ধর্মভাবনার সূচনা এবং তার পরিণতি নিয়ে কিছু ভাবনার কথা লিখেছি। পড়ে মন্তব্য করলে ভালো লাগবে, এই তার লিংক -  
     
  • | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:১৬511885
  • আচ্ছা এইটা ধারাবাহিক তো লিঙ্ক করা নেই কেন? আর  ১ পড়েছিলাম,  এটা ৩ দেখছি। ২ কোথায়? @গুরুরোবট
  • রোহিণী ধর্মপাল | 2402:3a80:1cd3:cfdb:478:5634:1232:5476 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১:০৯511891
  • অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লেখা। কোথায় চলেছি, নিজেরাই বুঝছি না! 
  • Sumantune | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৩:৪২511895
  • শক্তিশালী লেখা।
     
  • সীমা ঘোষ | 2405:201:a807:4813:7569:8a97:ad15:19b3 | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১০:০৭511911
  • ভালো লেখা। হিন্দুরা হিন্দু হচ্ছে বেশি করে মুসলমান বেশি মুসলমান হচ্ছে। দু বছর আগে হাওড়া বর্ধমান কর্ড লাইনে এক আত্মীয়ের বাড়ি যাচ্ছি , দেখলাম অনেক স্টেশনে বোরখা ঢাকা নারী টুপি ও পায়ের গোড়ালির থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পায়জামা পরা পুরুষ যাত্রী  নামছে কিংবা উঠছে । ছেলেমেয়েদের ম্যাট্রিক পরীক্ষার পর যে মায়েরা "কাশ্মীর ফাইলস" দেখার প্রোগ্রাম করে , তাদের " অপরাজিত" দেখার কথা বললে, জিজ্ঞেস করে ," টিকিটের দাম কত ?" তারপর যথারীতি। মুসলিম ছেলেটির  মোবাইল কেড়ে নিয়ে হিন্দু  বান্ধবীর ছবি রাখার অপরাধে যথেচ্ছ পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয় , হিন্দু প্রগতিশীলরা এ সংবাদ পড়েছে কিনা বোঝাই গেল না , মুসলিমরা ভয়ে দরজায় ছিটকিনি দিতে ব্যস্ত । তখন এদের আবেগ আন্দোলিত হয় না। পাশাপাশি
     দুই রাষ্ট্র দুই দেশের মানুষকে হিন্দু আর মুসলিম ছাড়া কিছুই শেখাতে চাইছে না 
  • সঞ্জীব দেবলস্কর | 2405:201:a803:81c1:447b:71ad:bab4:623 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৬:৫২511957
  • জব্বর লিখেছেন রুখসানা।  ভারতবর্ষ হিন্দুরাষ্ট্র হওয়ার পথে বেশ এগিয়ে গেছে ।  এখনই হিন্দু তালিবানের দাপটে চলা যাচ্ছে না।  ত্রিপুরা ওদের পদানত, এত সহজে ছাড়ছে  না। আর মমতা যে ভাবে চলছে বাংলার অবশিষ্ট মুক্তমনারাই ফিদাইন গোষ্ঠীকে গতিতে বসাবে।  এরকম চলতে থাকলে বাংলাদেশের আক্ষরিক অর্থেই ইসলামিক তালিবান রাষ্ট্র হতে বাধা কোথায়? 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:a8ef:829d:b485:25b6 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১:২০512117
  • 'ঘর, প্রাণ, উৎসব, প্রার্থনালয়ের পবিত্র মসজিদ গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। ভবন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মারছে মুসলিমদের'
    - মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া আর ভবন জ্বালিয়ে মুসলিমদের পুড়িয়ে মারা , ভারতে সঙ্ঘটিত এই অপরাধগুলি সম্বন্ধে কিছু তথ্য পাওয়া যাবে? 
     
  • aranya | 2601:84:4600:5410:a8ef:829d:b485:25b6 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১:৪৯512119
  • থ্যাংকস, হুতো। দুটো প্রতিবেদনে দ্রুত চোখ বোলালাম, এই ঘটনাগুলো জানি।  'mosque' দিয়ে সার্চ করে কিছু পেলাম না। 
    পরে ভাল করে পড়ব 
     
    ১। মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া খুবই মারাত্মক ঘটনা, এমনকী বর্তমান হিন্দু মৌলবাদী রেজিমেও। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে, তার ডকুমেন্টেশন দরকার । ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙা টা একটা ল্যান্ড মার্ক ইনসিডেন্ট। ৩০ বছর আগের ঘটনা। রুখসানার লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছিল, ২০১৪ পরবর্তী ভারতের কথা বলছেন 
     
    ২।  ভবন জ্বালিয়ে মুসলিমদের পুড়িয়ে মারা  - এ ধরণের ঘটনা দাঙ্গার সময় ঘটে। অনতি অতীতে ২০০০ সালের দিল্লী দাঙ্গায় এমন কিছু ঘটে থাকতে পারে। 
    বিফলিঞ্চিং -এর খবর তো মিডিয়ায় আসে। বাড়ি জ্বালিয়ে মুসলিমদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে - এমন খবর দেখেছি বলে মনে পড়ছে না, মিস করে থাকতে পারি। 
    এক্ষেত্রেও ডকুমেন্টেশন পেলে ভাল হয়
  • r2h | 192.139.20.199 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১:৫৯512121
  • হ্যাঁ, সংখ্যায় অনেক সেরকম শুনিনি, তাই বললাম বাক্যটা একট এক্সট্রিম।
    কিন্তু বাবরি একটা ট্রেন্ড, আর ভাঙা অনেক আগে হলেও, আইনী সীলমোহর পেল কদিন আগে।
  • Amit | 121.200.237.26 | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৩৭512130
  • বাড়ি জ্বালিয়ে মুসলিম দের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে এই তালিকায় পব তে অনুব্রতর টিভি ফেটে ছোট ঘটনা গুলো ও কি ইনক্লুডেড ? নাকি নয় ? 
  • দীপ | 42.110.147.129 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:০৮512180
  • মাননীয়া লেখিকা,
                               আপনি যথার্থ‌ই বলেছেন সাম্প্রদায়িকতা এই উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা, কোনো দেশ‌ই এর থেকে মুক্ত নয়।
                         বিজেপি- আর এস এসের   হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি অবশ্য‌ই ভারতের সমস্যা, কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ইসলামিক মৌলবাদ সমগ্র বিশ্বের সমস্যা; আর পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ এই মৌলবাদের অন্যতম আঁতুড়ঘর। বিজেপি-আর এস এসের অনেক আগে থেকেই এরা মৌলবাদী শক্তিকে সহায়তা করা চলেছে। সুতরাং সর্বাগ্রে ইসলামী মৌলবাদকে কড়া হাতে দমন করতে হবে, ঠিক যেমন তুরস্কের কামাল পাশা করেছিলেন।
  • দীপ | 42.110.147.129 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:৩৮512181
  • ১৯২৬ সালে তদানীন্তন পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়। ত্রৈলোক্য চক্রবর্তী, বিনয় বসু (অলিন্দ যুদ্ধের নায়ক) প্রমুখ বিপ্লবীরা সেসময় এই মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। 
    অর্থাৎ এই অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক ইতিহাস অনেক প্রাচীন; বিজেপি আর এস এস দিয়ে তার ব্যাখ্যা করা যায়না!
  • Ranjan Roy | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৩৭512192
  • অরণ্য 
    মার্চ 16, 2020 তারিখের scroll.in এ  দিল্লী দাঙ্গার অঞ্জলি মোদীর রিপোর্ট দেখুন. ।
    10 Sq km এলাকার মধ্যে 14 টি  মসজিদ ও दरगाह ভেঙে অথবা জ্বালিয়ে দেওয়া! কোন হিন্দু মন্দির আক্রান্ত হয় নি। 
    একটি মসজিদের মিনারে উঠে পতাকা বেঁধে দেওয়ার ফটো তখন দিল্লির কাগজে বেরিয়েছে  
    কয়েকটি নামকরা মসজিদের লোকেশন দেওয়া আছে। 
    গুজরাতের দাঙ্গার पर Ahmedabad শহরে একটি নামকরা মসজিদ সরকারি আদেশে ভেঙে রাতারাতি রাস্তা বানানো হয়েছে। 
    এটাও documented। 
  • Mridha | 2601:642:4c0f:3f66:e4a4:e15b:3472:6e6b | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:০০512370
  • ভারতীয় রাজনীতিতে ধর্ম .......

    আজ ভারতীয় রাজনীতি এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষনে দাঁড়িয়ে। এইখান থেকে সেটা কোন দিকে অগ্রসর হবে তা তো সময়ই বলবে। কিন্তু তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ আজকের মত দিকবিদিক শূন্য আগে কখনো হয় নি. স্বাধীনতার পর থেকেই ভারতের শিক্ষিত মানসিকতা এক সরল সেকুলার মানসিকতা অবলম্বন করেই চলেছে , তার মধ্যেই দেশের দিশা খুঁজে পেয়েছে আর নিজেরও ইন্টেলেক্চুয়াল স্যাটিসফেকশন খুঁজেছে।  সেইখান থেকেই যে কোন সংকীর্ণ আদর্শ কে আঘাত হেনেছে। এই মানসিকতার একটা অবস্থান হল , আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ঈশ্বর মানি বা নাই মানি যে যেই ঈশ্বর ই মানুক আমি সবাইকে সমান চোখেই  দেখবো। এই অবস্থান যে কোন ধর্মের শিক্ষিত মানুষকেই একটা আদর্শগত কমফোর্ট জোন দিয়েছে। আর রাজনীতির public face টা এটাই রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির ব্যবহারিক দিক কোন দিনই এইটা ছিল না , সেই সত্য টাকে অস্বীকার করেই এত দিন রাজনীতি হয়ে এসেছে ভারতে। অতি বাম ,অতি ডান এর মত এই সিউডো সেকুলারশিম ও আঁকড়ে থাকার জিনিস নয়।  আমার আশা আমার দেশ এর বাইরে গিয়েও ধ্রুবতারা হীন হবে না.......

    বিশ্বে খুব কম প্রচলিত ভাবধারাই  আছে যে নিজের বিশ্বাসে অটল থেকে বলতে পারে যে আমার বিশ্বাস যেমন ঠিক সব জীব জগতের সবার  বিশ্বাসও ঠিক , না বাজারের প্রচারিত  atheist বা সেকুলার মতবাদও নয় ,সব ধর্মের অসারতা প্রচার করতে করতে আমরা নিজের অজান্তে ধৰ্ম না মানার ও একটা ধৰ্ম আর তার থেকে প্রসূত আরেকটা দল বানিয়ে ফেলি।
     
     
    সর্ব ধৰ্ম সম্বনয় এর প্রচার তখনি  গ্রহণ যোগ্য যখন তার উদারতার যুক্তি সব ধর্মই সমানেই  শেষ হয়ে যায় না, এটা   মুখে বলা খুবই সোজা যে  আমার উদার মানসিকতায় সব ধর্মই সমান দেখি । বা মুখে বলছি সব ধর্মই সমান এদিকে মনে বিশ্বাস ধৰ্ম মানেই বুজরুকি , এদিকে সময় সুযোগে নিজের ধর্মের কুৎসা গাওয়া। উদারতার যুক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে যখন আমার ধর্মের কাছে আমি ঠিক থেকেও, যে যেভাবে যা বিশ্বাস করে তাকে বেঠিক হতে হয় না , সব জীবজগৎ তার বিশ্বাস আর মতের  মধ্যে  সামঞ্জস্যতা  এবং সবাইকে  সমান দেখার রাস্তা পাই আর  আমার বিশ্বাস তাতে অন্তরায় হয় না পরন্তু  তাতে আমাদের উৎসাহিত করে Attheir worst they should Enable it And At their best they should Inspire it

    সব ধর্মই সমান বলার তৎপরতার সঙ্গে একটা বিচার করার দৃষ্টিভঙ্গি অন্ধ করে রাখার প্রবণতা থেকে যায় সেটা ঠিক  বাঞ্ছনীয়  বা  শুভ  নয়। তার একটা কারণ অপরের ধর্মবিশ্বাসের সাথে সহমত না হতে পারাকে সেই ব্যক্তির বিপক্ষে যাওয়া বলে ভাবতে শেখার এক অগ ভীর মানসিকতা কাজ করে ।  আমার একটা ধর্মবিশ্বাস আছে  এবং তোমার ধর্মবিশ্বাস এর অনেক কিছুই আমার বিচারে ঠিক মনে হয় না কিন্তু তাও আমি তোমাকে ব্যক্তি শত্রূ তো মনে করিইনা বরং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি প্রয়োজনে দুজনে একসাথে অনেক সৃষ্টিশীল কাজ করা সম্ভব, তাতে আমাদের দুজনেরই শুধু পার্থিব নয় আত্বিক উন্নতিও ( যাকে সহজ ভাষায় বললে আর্থিক এবং পারমার্থিক )  হতে পারে । এই রকম একটা অবস্থান যে সম্ভব তা আমাদের তথাকথিত সেকুলার ভাবধারার ধারণার বাইরে। আর এখানেই ভারতীয় অধ্যাত্বিকতার সর্বধর্ম সমন্নয়ের  শক্তি , সেটা শুধু এটাকে  সম্ভব বলে না তার আঁধারে আবহমান ধারায় , এটাই মানব জগতে একই স্থান , কাল পাত্রে দুই ধর্মমতের  স্বাভাবিক সহ অবস্থান, অন্যথা সংঘাত অবশ্যাম্ভাবী।  এবং  সমস্ত সঙ্গবদ্ধ ধর্মই হচ্ছে  কালের প্রবাহে  এক সময়িক সমষ্টিগত ভাবধারা , তা কোন বিপরীত শক্তির বিরুদ্ধের  কারণেও  হাতে পারে বা অন্য্ কোন কারণেও হতে পারে কিন্তু আবহমান প্রবাহ হতে পারে না। এবং  আধ্যাতিক চর্চার কিছু সিদ্ধান্ত এই আপাত বিরোধ সম্পন্ন ভাবনাকে এক সূত্রে বাঁধতে পারে। 

    এখানেই ভারতীয় অধ্যাত্বিকতার উৎকর্ষতা , where highest value has been given in seeking or self realization not practicing or adopting or preaching or converting.....যেটা অন্য ধর্মের মানুষকে টেনে  নিজের ভাবনার ( ধর্ম বা পন্থা ) দল বৃদ্ধি করতে উৎসাহিত করে না ……..বা  আমার রাস্তা আমার জন্য ঠিক তোমার রাস্তা তোমার জন্য বলে বিতর্ক থামিয়ে দেয়  না..…...পরন্তু যুক্তি দিয়ে বোঝাতে পারে তুমি তোমার বিশ্বাস বা অবিশ্বাস আর প্রকৃতি নিয়ে চলে যেই লক্ষে পৌঁছবে...আমারও  পথের অন্তিম লক্ষ্য  সেই একই।  যদি তোমার পথের ও সত্যিকারের লক্ষ্য তাকে বোঝা বা জানা অন্যথায় নিজেকে জানা ই হয়..অন্য কিছু নয়……...আমাদের পথের শেষ ও অভিন্ন। "তু না জানে আস পাস হ্যাঁয় খুদা " আর "আছো অনিল আনলে চির নভ নীল এ ভাষায় ভিন্নতা আছে ভাবে নেই। সেই আধারেই বিবেকানন্দ বলতে পেরেছিলেন মানুষ সত্য থেকে সত্য তর্ তে যায় , অসত্য থেকে সত্যে নয় ।

    আর এটা শুধু রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ তেই শেষ নয় এই ভাবধারার আলকাজ্জিত  অগুন্তি  নামের মধ্যে গুরু নানক আছেন : কোই বোলে রাম কোই খুদায়ই … সান্টা ( google এটাই করে দিলো :)  কবীর   আছেন…..আছেন সাই বাবা ….ঘরের কাছেই আছেন  লালন ফকির ……….
     
    এই সর্ব ধৰ্ম সম্বনয় একান্ত ভারতীয় একে না জেনে বুঝে গুরুত্ব না দিয়ে  সমস্ত সর্ব  ধৰ্ম এক করার   প্রচেষ্টা হয়   অন্তস্বার  শূন্য  শিশুসুলভ অপরিণাম দর্শী  নয়তো কোন উদ্দেশ্য প্রণীত আন্দোলন 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন