বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  কাব্য

  • যতো পশ্চিমে যাই - হেসে ওঠে খুব বয়োঃসন্ধির বালক

    সুকান্ত ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    কাব্য | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২৭৯ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • আন্দালীব কত বড় কবি সেই হিসেব কোনদিন করতে বসি নি – কারণ তার থেকেও বড় অজুহাত আমার কাছে ছিল তার কবিতার নিয়মিত পাঠক হবার। ভাবতাম মাঝে মাঝেই – আহা, এমন যদি লিখতে পারতাম!

    সেই ছিল আমার কাছে আমাদের সেই সময়ের কবিতার ‘কমলকুমার’ যেন। তুলনাটা হয়ত ক্লীশে হয়ে গেল, কিন্তু এমন সাযুজ্যের তুলনা আর মাথায় আসছে না এই মুহুর্তে।  বলতে দ্বিধা নেই যে এমন সময়ও গেছে যে আন্দালীবের কোন কবিতা প্রথমবার পড়ছি, কেবল কবিতা পড়ার ঘোরেই – সে এক প্রবল আকর্ষণ, কত অজানা শব্দের ঝঙকার, কত চেনা শব্দের অচেনা প্রয়োগ – বিমুগ্ধ করে রাখত আমাকে। সেই যে বলে না – কবিতার মানে যে থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই, শুধু কবিতার জন্যই কবিতাকে কাছে টেনে নেওয়া যায়। আন্দালীবের অনেক কবিতার প্রথম পাঠ ছিল আমার কাছে তেমন। পরে আবার এবং তার পরে আবার পড়ে কবিতার ভিতর ঢোকার চেষ্টা করেছি – কিন্তু প্রায় কোন ক্ষেত্রেই প্রথমবারের মুদ্ধতার রেশ কেটে যায় নি।  বরং বারে বারে পড়ার পর - সমুখের অলঙ্কার, শব্দের ধ্বনি মাধুর্যের ছাড়িয়ে কবিতা মিশে যাচ্ছে আমাদের সত্ত্বায়। 

    “আবাহনী মাঠে সন্ধ্যাতারা কী অদ্ভুত জ্বলজ্বলে! যেন
    রূপোর রেকাবী সব ভরে উঠছে নিরঙ্কুশ অন্ধকারে।
    এ’ শহরে নিয়নের গল্প, বিজ্ঞাপনী ছল - এইসব
    ক্লান্তিকর হয়ে উঠছে পুনর্বার। আর আবাহনী মাঠে
    সন্ধ্যাতারা এক টুকরো কাঠকয়লার আয়ু নিয়ে দীপ্র,
    খুব সুনির্দিষ্ট জ্বলছে”।


    [আবাহনী মাঠে সন্ধ্যাতারা]

    প্রথম লাইনেই এই কবিতা নিয়ে গিয়েছিল এক নষ্টালজিক ঘোরে – মনে চলে এল আবাহনী ক্রীড়াচক্রের কথা। আমাদের কলকাতা ময়দানে ফুটবল খেলতে আসা সেখানকার খেলোয়াড়।  দুই বাংলার মাঠ যেন জুড়ে যাচ্ছে। আমি নিজে কলকাতার ছেলে নই, তাই তেমন জানি না আমাদের কলকাতা ময়দানে এমন জ্বল জ্বল করে সন্ধ্যাতারা ওঠে কিনা – কিন্তু ভেবে নিতে ইচ্ছে করে না ওঠার তো কোন কারণই নেই।  যদি নিজের গ্রামের সাথে তুলনা করি, তাহলে নিশ্চিত সন্ধ্যাতারা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না – সে আমরা দেখতাম নিয়মিতই।  আমিও দেখেছি এবং লিখেছিও সন্ধ্যাবেলা নিয়ে – কিন্তু আমাদের লেখার থেকে আন্দালীবের লেখা আলাদা হয়ে যায় নিয়নের গল্পে – আর যেখানে ঢাকা শহরের এক ছেলে দেখে সন্ধ্যাতারা জ্বলছে কাঠকয়লার আয়ু নিয়ে।  মৃদু, অথচ দৃঢ় – কিন্তু আর খানিক বাদেই নিভে যাবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে সেই জ্বলতে থাকা।

    গ্রামের গল্প এল বলে উল্লেখ করতে ইচ্ছে হল আন্দালীবের আরেক কবিতার নীচের পঙতি মালাও

    “এই ধরো বিকল টেলিফোন
    সম্পর্কহীন রেলগাড়ি
    মৃদুলয়ে চলে যায় এসে
    আমাদের শ্বেতবর্ণ দালানের গ্রাম
    ধসে পড়ে
    তার পাশে আলোকতরঙ্গ
    সনাতন চাঁদ
    এইসব
    এইসব
    মায়াডোর মূলত
    মহিষের শিং থেকে পুনর্বার
    জেগে ওঠে তৃতীয় নগর”


    [মায়াডোর]

    এখানে প্রথমেই আমাকে ঘোরের মধ্যে ফেলে শ্বেতবর্ণ দালানের উল্লেখ।  এখানে কি শ্বেত অর্থে কি শুধুই সাদা রঙের দালান বা চুনকাম করা দেওয়ালগুলি – নাকি এর মধ্যে ঢুকে আছে আরো গভীরতর কোন ব্যাপার!  শ্বেত বর্ণ দালানের গ্রাম ধসে পড়ে – সে যেন এক ভাঙনের গল্প। বিকল টেলিফোন, সম্পর্কহীন রেলগাড়ি – এই সবের মধ্যেই ফুটে ওঠে এক ক্ষয়ে যাওয়ার গল্প, যা আমাদের অনেকেরই প্রতক্ষ্য করা।  এ ভাঙন শুধু স্থাবর সম্পত্তি দালান নয় – সম্পর্কের টানাপোড়েন যেন।  শুধু ধ্রুবক থেকে যায় চাঁদ – সেই সনাতন চাঁদ আবার হয়ত কোনদিন তৃতীয় নগরের গড়ে ওঠা দেখবে, তবে তাকে দেখার আর হয়ত কেউ থাকবে না শহুরে ব্যস্ততার, বড় বড় ফ্ল্যাটবাড়ির ছায়ার বাঁকে।

    বালক বেলার কথা উঠে আসে – প্রতি বারের মত আরো এক শব্দবন্ধে বিদ্ধ হই অকাতর “বিষণ্ণ জ্যামিতির বন”।

    “যতো পশ্চিমে যাই - হেসে ওঠে খুব বয়োঃসন্ধির
    বালক ! এই মনোগ্যামি সাইকেলখানা দুলে ওঠে,
    এক নিরর্থ পেন্ডুলামের মতো । বিষণ্ন জ্যামিতির বনে
    এই দুর্মর দাহকাল অলক্ষ্যে শুয়ে থাকে । আমাদের
    ছায়াপ্রস্তুতির ভেতর পাওয়া যেতে থাকে চাপচাপ
    স্বর্ণরেনু ও ইশারা । গোধূলির দিক থেকে একটানা
    কাকাতুয়া-চিৎকার ভেসে আসে”।


    [যতো পশ্চিমে যাই]

    এর ব্যাখ্যা করে উঠতে পারি না – আরো অনেকের মত আমারও সাইকেল ছিল, কিন্তু তার সাথে কোনদিন ফিস ফিস কথা হয় নি – জানা হয় নি বহুগামিতার উদাহরণ তার চারপাশে ছড়িয়ে থাকলেও, শুধুই সেই বয়োঃসন্ধির বালকের সাথে জড়িয়ে গিয়ে বিষণ্ণতা এসেছিল কি তার জীবনে, শুধুই কি যান্ত্রিক ছিল আমাদের একসাথে হেসে ওঠা? পাতা ঝরা, আঁকাবাঁকা লাইনের মত ছড়িয়ে থাকা সরু পথ জুড়ে যখন সেই বালক ফিরত কখনো বিষণ্ণ স্কুল শেষে – ক্লান্ত দেহ কখনো মেলে দিন পাতা ঝড়া গাছের তলে। সময় বয়ে যেত যেট টিক টিক –এক সময় গাছের পাতার ফাঁকে পড়ন্ত বিকেলের আলো ফুরিয়ে যেত – গোধূলির আগমণ জানান দেয় একরাশ চেনা গৃহপালিত পশুর এবং পাখির চিৎকার – তখনো কি সেই বিষণ্ণ বালক কান পেতে শোনার চেষ্টা করে অচেনা, অদেখা কাকাতুয়া চিৎকার? সেই শ্বেতবর্ণের দালানে ঝোলানো ছিল নাকি পোষা খাঁচায় বন্য কেউ?    

    “আমার একটাও পাখি নেই। ফলে স্বভাবতই
    আমার কোন চিঠি আসে না। তবু টিফিন সময়ে
    বালিকা বিষয়ক নানা বিভ্রমের কথা ভাবি।
    আহা প্রস্ফুটন! ডুঁকরে ওঠা ডাকবাক্সগুলোর শোক
    আমাকে ভীষণ দখল করতে আসে। আমার নিজস্ব
    ঘন্টাধ্বনির ভেতরে যেন হারিয়ে গেছে সেইসব
    প্রার্থিত পাখিদের ঠোঁট, ফলন্ত ডাকবাক্স আর
    আপাতঅসীম সমস্ত পথ। স্থবির ক্লাসরুমে বসে আমি
    আজো ভুলে যাওয়া ঘাসফুলের প্রাথমিক রংটা ভাবি"।


    [কাকলী স্কুলের মেয়েরা]

    সেই বালক এখন ফিরে দেখছে তার কোনই পাখি ছিল না – বারান্দায় কাকাতুয়াও নয়।  বা তার ছিল না কোন পাখি বন্ধু –স্কুলে যাবার পথে বা ফেরার সময় যার সাথে গুনগুন করে নেওয়া যেত।  সেই সব পাখি চিঠি দিত অন্য বন্ধুদের – এ বিষাদ বালকের তো সঙ্গী শুধু ভাবনা।  বয়ঃসন্ধির ভাবনা থেকে টিফিন বেলায় জেগে ওঠে বিভ্রম – তার বাগানের ডাকবাস্ক, স্কুল ফিরত জঙ্গলে গাছের তলায় জ্যামিতি পথ পিছনে ফেলে রেখে এসে কোটরের ডাকবাক্স – তাকে আরো নিঃসঙ্গ করে তোলে যেন।  চিঠি চায়, ঘন্টাধ্বনি উপেক্ষা করে ডাকবাস্কের পাশে বসে থাকা পাখির ঠোঁটে হাত বুলিয়ে নিতে চায় সেই সন্ধি সময়ের বালক।  ঘাসফুল তো বড় চেনা – অনেক সময়টা জুড়ে সেই রঙ রেটিনায় আসর পেতেছে – আর আজ সেই ঘাসফুলের রঙের সাথে মিল পেয়ে যায় বালক অন্য কোন রঙের – চেয়ে থাকে রঙের কৃত্রিমতা নিয়ে বিভ্রমে জড়িয়ে যায় সে।

    তারপর একদিন শামুক গুটিয়ে গেল...
    চুলের ফিতের মত পথটুকু কিছুতেই
    শেষ হল না আর -
    ফলে তোমাকে দেখানো হল না সমুদ্র,
    বালিয়াড়ি, দিকচিহ্নের প্রপঞ্চ ।
    তোমাকে দেখানো হল না আর
    নবম মেঘের ওপরে কতোটা
    ঢলায়মান রাত্রি ! এই লুম্পেন কুয়াশা
    চিরে ফিরে যাওয়া আসলে কতোটা অসম্ভব...


    [সমুদ্র সংকেত]

    তারপর একদিন সে বালক গুটিয়ে গেল – তার গাছের কোটরে, বিষণ্ণ জ্যামিতির বনের ডাকবাক্সে কেউ চিঠি দিল না।  ফলে গোধূলিকালে সে ঘরে ফিরতে লাগল একই জায়গা থেকে – কারো চুলের ফিতের মত শেষ পথটুকু এগিয়ে দেখার উৎসাহ তার আর রইল না – দেখানো হল না নিঃসঙ্গ দূর করতে পারত যে সেই পাখীকে বালিয়াড়ি আর বিস্তৃত সমুদ্র। ইচ্ছে ছিল গোধূলি পেরিয়ে বসে থাকার – ইচ্ছে ছিল সেই পাখীকে ঢলায়মান রাত্রি চেনাবার – কিন্তু সেই সব ভাবনাই রয়ে গেল কুয়াশার আড়ালে।  বালক বড় হতে লাগলো – তার স্বপ্নের কথা বলার পাখি অধরাই থেকে গেল -   

    কাউকে বলিনি স্বপ্নের কথা। ধেয়ে আসা হার্পুনের কথা।
    তবু সকলেই জানে তরঙ্গবিলাপ। জানে এ মোহন মৃত্যুবাণ
    রচনা করেছে কারা। আজ মারী ও রাহুগ্রস্ত জাহাজের চিৎকারে
    ভরে আছে বন্দর, সমুদ্রপারের রূপকথা। আজ পিঙ্গল আকাশ
    থেকে নেমে আসা আলোয় পণ্ড হল কত হাঙরের ভোজসভা!
    এই নিয়ে কৌতুকে মেতে আছে দুখী মারমেইড আর নিরানন্দ
    সমুদ্রচিলেরা।


    [কাকনিদ্রা]
     
    আর বলা হল না হার্পুনের কথা।  অনেক পরে সে আবার সমুদ্র দেখছে – তবে সমুদ্রের ধারে এখন আর সেই স্বপ্নিল বালক, বিষণ্ণ বালক বালিয়াড়ির রোমান্টিকতা খুঁজছে না – এবং সে শুনছে সমুদ্রের ধারের বন্দরের রাহুগ্রস্ত জাহাজের চিৎকার।  সেই বালকের পাখির জায়গা নিয়ে নেয় মারমেইড – তারাও কি পাখির মত দুখী? বালক ভেবে পায় না, তার না ছুঁতে পারা পাখিরা দুখী ছিল কিনা।  কিন্তু এখানে সে দ্যাখে রাহুগ্রস্ত জাহাজ থেকে একের পর পর এক হাঙর নেমে এসে মারমেড-দের ভিতর দুখী করে তোলে। আর আপাত হাসি হেসে সেই মারমেড-রা হাঙারের সাথে খেলতে খেলতে সমুদ্রতীরের অর্থ বদলে দেয় একসময়ের সেই বালকের – পাখির স্মৃতি শুকিয়ে আসে ধীরে ধীরে – এমন সময়েই আকাশে দেখা যায় সমুদ্রচিল – বালকটি বোঝে এবার সময় হয়ে এসেছে অন্য পাখি খোঁজার –

    একলাফে কিছুদিন আগের সেই বালক নাবিকদের মত বাস্তব হয়ে ওঠে -
     
    [ক্রমশঃ]
     
  • কাব্য | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২৭৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • &/ | 151.141.85.8 | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৫৭511865
  • ভালো লাগল লেখাটা। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন