বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  সমাজ

  • বিলকিস মামলার কিছু আইনগত দিক

    রঞ্জন রায়
    আলোচনা | সমাজ | ২৯ আগস্ট ২০২২ | ৫০০ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৩ জন)
  • গুজরাতের বিলকিস মামলায় গণধর্ষণ ও হত্যার অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া এবং বীরপুজো করা  নিয়ে সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মূল্যবান প্রবন্ধ লিখেছেন। আমি শুধু আইনের দিকটি নিয়ে কিছু বলতে চাইছি। সে’হিসেবে এই লেখাটি সৈকতের লেখাটির অনুপূরক ভাবা যেতে পারে।

    অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কি সত্যিই আইন মেনে হয়েছে?

    অনেকের ধারণা, যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তি মানে জেল থেকে ১৪ বছর পরে ছাড়া পাওয়া। কিন্তু এটা ভুল। সুপ্রিম কোর্ট বারবার বিভিন্ন রায়ে বলেছে যে যাবজ্জীবন মানে ‘যাবজ্জীবন’, অর্থাৎ অপরাধীর মৃত্যু পর্যন্ত। তবে অন্তত ১৪ বছর কারাবাস পূর্ণ হলে তাদের রেমিশন বা শাস্তির পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ার আবেদন সরকার বিবেচনা করতে পারে।
    কিন্তু যে কেউ ১৪ বছর পেরিয়ে গেলে রেমিশন পেতে পারে কি?

    সুপ্রিম কোর্ট একটি মামলায় রেমিশনের যোগ্যতা বিচারে পাঁচটি লক্ষণ দেখার কথা বলেছে:[1]



    1. অপরাধটি একান্ত ব্যক্তিগত, নাকি সমাজকে প্রভাবিত করতে পারে,
    2. ছাড়া পেলে আবার অপরাধ করার সম্ভাবনা,
    3. অপরাধীর অপরাধ করার ক্ষমতা অবশিষ্ট আছে কিনা,
    4. আর জেলে আটকে রেখে কোনো লাভ হবে কিনা,
    5. পরিবারের আর্থিক অবস্থা।

    রেমিশনের জন্যে কারা বিবেচনার যোগ্য কারা নয়, এ ব্যাপারে বিভিন্ন রাজ্য সরকারের ও কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত গাইডলাইন রয়েছে। সেগুলো সময় সময় বদলেও যায়।

    তিনটি প্রাসঙ্গিক গাইডলাইন

    গুজরাত সরকার ১৯৯২ সালে একটি গাইডলাইন বানায়, তাতে অপরাধের গুরুত্ব, বয়স, জেলে আচার আচরণ ইত্যাদি বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে রেমিশনের আবেদন অগ্রাহ্য করা উচিত – এ নিয়ে কোন কথা বলা নেই।
    সুপ্রিম কোর্ট ওই গাইডলাইন ২০১২ সালে খারিজ করে দেয়। কেন্দ্র সরকার সেই নির্দেশ সব রাজ্য সরকারকে দিয়ে তাদের নতুন করে সামঞ্জস্যপূর্ণ পলিসি বানাতে বলে।
    গুজরাত সরকার সে’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে নতুন গাইড লাইন বানায়। তাতে স্পষ্ট করে বলা হয়, যে তিনটি ক্ষেত্রে রেমিশনের আবেদন বিবেচনা করা হবে না:
    এক, যে অপরাধের তদন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা (সি বি আই) করেছে,
    দুই, ধর্ষণ করে হত্যা, এবং
    তিন, গণধর্ষণ করে হত্যা।

    এ বছর স্বাধীনতার ৭৬ বছর উদযাপন উপলক্ষে ভারত সরকারও তিন বিন্দু নির্দেশিকা জারি করেছে:



    • অপরাধী তার নির্ধারিত শাস্তির অন্তত অর্ধেক সময় জেলে কাটিয়েছে।
    • অপরাধী এমন রোগে আক্রান্ত, যাতে তার শেষের দিন ঘনিয়ে এসেছে।
    • অপরাধী পুরুষ হলে ৬০ বছরের বেশি আর নারী হলে ৫০ বছর।

    এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আগেও স্পষ্ট করেছে যে ‘ডিউ প্রসেস অফ ল’ মেনে নির্ণয় নিতে হবে। অর্থাৎ একটি অ্যাডভাইসরি কমিটি গঠন করে তার রায় নিতে হবে এবং যে আদালত শাস্তি  দিয়েছিল, সেই আদালতের মতামত শুনতে হবে। আর যদি রেমিশনের সিদ্ধান্তটি যুক্তিযুক্ত না মনে হয়, তবে তার জুডিসিয়াল রিভিউ হতেই পারে।

    তাহলে তো প্রথমে মনে হবে অপরাধীরা প্রচলিত নিয়ম এবং পলিসি অনুযায়ী কখনোই ছাড়া পেতে পারে না।

    কিন্তু হল কী করে?

    মুম্বাইয়ের স্পেশাল সিবিআই আদালত অভিযুক্তদের ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৩০২, ৩৭৬(২)(ই)(জি) এবং সহপঠিত ধারা ১৪৯ অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত করে ১ জানুয়ারি, ২০০৮ তারিখে রায় দেয়।
    মে এবং জুলাই ২০১৭ সালে অভিযুক্তদের আপিল, যথাক্রমে মুম্বাই হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে শাস্তি বহাল রাখে।
    রাধেশ্যাম শাহ ১৪ বছরের উপর জেলে রয়েছে যুক্তিতে, ধারা ৪৩২ এবং ৪৩৩ অনুযায়ী রেমিশনের আবেদন পেশ করে। গুজরাত হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে বলে, ‘৪৩২(৭) অনুযায়ী appropriate government’ হল মহারাষ্ট্র রাজ্য, সেখানে যাও’। কিন্তু মুম্বাই হাইকোর্ট আবেদন শুনতে রাজি না হয়ে বলে, ‘মহারাষ্ট্র নয়, গুজরাত সরকার। অপরাধ ওখানেই হয়েছে’।
    তখন রাধেশ্যাম শাহ সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নাড়ে।

    আশ্চর্যের বিষয়, সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিস অজয় রাস্তোগী এবং জাস্টিস বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ গুজরাত হাইকোর্টের রায় খারিজ করে বলে, যে গুজরাত সরকারই হল appropriate government, কারণ অপরাধ তো ওই রাজ্যেই হয়েছে এবং রেমিশনের বিচার গুজরাত রাজ্য সরকার ওদের ওখানে প্রচলিত গাইডলাইন অনুযায়ী দু’মাসের মধ্যে সম্পন্ন করুক।

    গুজরাত  সরকার ওদের ৯ জুলাই ১৯৯২ সালের রেমিশন পলিসির উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিল, কারণ ২০০২ সালে অপরাধ ঘটিত হবার সময় এবং রায় যখন বেরোয়, জানুয়ারি ২০০৮, ওই পলিসিই বলবৎ ছিল। সেই পলিসিতে কী ধরনের অপরাধে ওই পলিসি প্রযুক্ত হবে, কীসে হবে না – সে নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা ছিল না।[2]
    কিন্তু ওই পলিসি সুপ্রিম কোর্ট ২০১২ সালে খারিজ করে দেয়।
    যদিও জানুয়ারি ২০১৪ সালে গুজরাত সরকার যে নতুন গাইডলাইন জারি করে, তাতে এই ছাড়া পাওয়া মুশকিল ছিল। সেটা অনুযায়ী, যে অপরাধের তদন্ত সিবিআই করেছে বা ধর্ষণ বা গণধর্ষণ করে হত্যার দোষীরা এই পলিসিতে ছাড়া পাবে না।[3]

    তাহলে মুখ্য ইস্যু হল দুটো:
    এক, রেমিশন নিয়ে বিচার করার ‘appropriate government’ কে? গুজরাত না মহারাষ্ট্র?
    দুই, রেমিশনের সিদ্ধান্ত কোন গাইডলাইন মেনে হবে? বাতিল করা গুজরাত ১৯৯২-এর পলিসি, নাকি ২০১৪ সালের সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে তৈরি পলিসি?

    উপরের দুটো বিন্দুতে যদি কোনো একটায় পরের বিকল্পটি মেনে নেওয়া হয়, যেমন গুজরাতের বদলে মহারাষ্ট্রের পলিসি অথবা গুজরাতের ১৯৯২-এর বদলে ২০১৪ সালের পলিসি, তাহলেই অপরাধীরা ছাড়া পায় না।

    এই অপরাধীদের ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত কি আইন মেনে হয়েছে?

    এটা প্রসিডিওরাল বা পদ্ধতিগত প্রশ্ন; বুঝতে আমাদের আগে কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।
    এক, ধারা ৪৩২(৭) অনুযায়ী ‘appropriate government’ কে? গুজরাত সরকার নাকি মহারাষ্ট্র?
    দুই, মকুবের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত নেওয়া কি জরুরি ছিল?
    তিন, শাস্তি ঘোষণার আদালতের মতামত নেওয়া কি জরুরি?
    চার, সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়গুলোর সঙ্গে এই রেমিসনের সিদ্ধান্ত কি সংগতিপূর্ণ?

    এক এক করে দেখা যাক।



    • ‘appropriate government’ কে? Cr Pc section 432(7) স্পষ্ট ভাষায় বলছে যে রাজ্যের অধীনে আদালত বিচার করে রায় দিয়েছে সেই রাজ্যের সরকার হল ‘appropriate government’। তবে তো গুজরাত নয়, মহারাষ্ট্র সরকার হল ‘উপযুক্ত’।
      এই যুক্তিতেই গুজরাত হাইকোর্ট অপরাধী রাধেশ্যাম শাহের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। কিন্তু মে ২০২২ সালে অপরাধী রাধেশ্যাম শাহ বনাম গুজরাত রাজ্য আপিলে  সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বলল, ‘না, গুজরাতে অপরাধ হয়েছিল। বিচার সেখানেই হত, বিশেষ পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। অতএব, গুজরাত’।
      সিনিয়র অ্যাডভোকেট রেবেকা জন এবং আরো অনেকে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। সেই বিশেষ পরিস্থিতিই তো আসল বিবেচনার যোগ্য। কারণ, তখন সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চিত ছিলেন, যে গুজরাত সরকার এই কেসে নিরপেক্ষ নয়। সরকারের যে এসআইটি এই কেসের প্রাথমিক তদন্ত করেছিল, মুম্বাই সিবিআই কোর্ট তার কড়া সমালোচনা করেছে।
      উল্লেখযোগ্য, মামলায় জাস্টিস ইউ. ইউ. ললিত, যিনি ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হবেন, বলেছিলেন, “এই ধারা অনুসারে (৪৩২/৭) যদি ‘ক’ রাজ্যে অপরাধটি ঘটিত হয়ে থাকে, কিন্তু ‘খ’ রাজ্যে বিচার হয়ে রায় দেওয়া হয়, তাহলে ‘উপযুক্ত সরকার’ হবে পরের রাজ্যেরটি” (বাংলা অনুবাদ লেখকের)।[4]
      এছাড়া মধ্যপ্রদেশ রাজ্য বনাম রতন সিং (১৯৭৬) এবং হনুমান্ত দাস বনাম বিজয়কুমার (১৯৮২) মামলাতেও সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট অবস্থান ছিল, যে Cr Pc section 432(7) অনুসারে ‘appropriate government’, মানে যেখানে দোষীকে শাস্তির রায় দেওয়া হয়েছে, সেই রাজ্যের সরকার।
    • কেন্দ্রের সম্মতির প্রশ্নটি
      Cr Pc section 435 অনুসারে যে কেসের তদন্ত কোনো কেন্দ্রীয় আইনের অধীনে কোনো     কেন্দ্রীয় সংস্থা করেছে (যেমন বিলকিস প্রকরণে CBI), সেখানে রাজ্য সরকার শাস্তির সময় কম করার কোনো একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। আগে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি নিতে হবে।
      আলোচ্য কেসের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদন দিয়েছে – এমন কোনো খবর আমাদের জানা নেই। আরও খেয়াল করার ব্যাপার, কেন্দ্রীয় সরকার ১৫ অগাস্ট, ২০২২, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ এবং ১৫ অগাস্ট ২০২৩ এ বন্দিদের স্পেশাল সাজা মকুবের জন্য বিশেষ গাইডলাইন জারি করেছে।
      তাতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যে যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তি ভোগ করা এবং ধর্ষণের অপরাধী এই সুবিধের যোগ্য নয়।[5]
    • শাস্তির রায় দেওয়া বিচারকের অভিমত: কতটুকু গুরুত্ব?
      Cr Pc section 432(2) যে রেমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্য সরকারের উচিত যে আদালত শাস্তি দিয়েছে তার মুখ্য বিচারকের অভিমত নেওয়া—রেমিশনের আবেদন গ্রাহ্য করা অথবা খারিজ করা। অবশ্যই বিচারক এ’ব্যাপারে তাঁর যুক্তি স্পষ্ট করে বলবেন।
      সুপ্রিম কোর্ট তার সংগীত বনাম হরিয়ানা রাজ্য মামলায় বলেছে, এই ধারাটি ‘appropriate government দ্বারা রেমিশন নিয়মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচের মত।
      আবার, ভারত সরকার বনাম হরিহরণ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট-এর এক সাংবিধানিক বেঞ্চ এটাও বলেছে, যে 432(2) অনুযায়ী রায়দানকারী বিচারকের অভিমত নেওয়া’ম্যান্ডেটরি’। এটি রাজ্য সরকারকে সঠিক নির্ণয়ে পৌঁছুতে সাহায্য করবে। কারণ, সেই অভিমত অপরাধের প্রকৃতি, অপরাধীর পৃষ্ঠভূমি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিন্দুর উপর আলোকপাত করবে।
      এপ্রিল ২০২২ সালে একটি সাম্প্রতিক রায়ে জাস্টিস চন্দ্রচূড় এবং জাস্টিস অনিরুদ্ধ বোস বলেন – এটা না করলে রাজ্য সরকারের রেমিশন নিয়ে ডিউ ডিলিজেন্স মাত্র নিয়মরক্ষা হয়ে দাঁড়াবে।[6]
      বর্তমান কেসটিতে যেটুকু জানা গেছে, যে মুম্বাই সিবি আই কোর্টের বিচারক (যিনি অভিযুক্তদের বিচার করেছিলেন) এই রেমিশনের বিরুদ্ধে অভিমত দিয়েছিলেন। কিন্তু দশজনের রিভিউ প্যানেলের সমস্ত সদস্য, যাতে ২ জন বিজেপি বিধায়ক এবং অন্য ৩ জন বিজেপি সদস্য রয়েছেন, একবাক্যে সেই অভিমত গ্রহণযোগ্য মনে করেননি।[7]
    • সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়গুলোর সঙ্গে বর্তমান সিদ্ধান্তের সামঞ্জস্য
      সাধারণভাবে বলা হয় যে রাজ্য সরকার তার বিবেক এবং বিচক্ষণতার জোরে যে কোনো রেমিশনের আবেদন গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা রাখে। এতে কোর্ট হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
      কিন্তু সাম্প্রতিককালে রামচন্দর বনাম ছত্তিশগড় রাজ্য মামলায় সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিস চন্দ্রচুড়ের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছে, যে আদালতের ক্ষমতা রয়েছে, যার বলে সে  পরীক্ষা করে দেখতে পারে রাজ্য সরকারের রেমিশন নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিযুক্ত এবং আইনানুগ। তারপর সে চাইলে রাজ্য সরকারকে তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আদেশ দিতে পারে।

    উল্লেখযোগ্য যে ৬০০০ নাগরিক, মানবাধিকার কার্যকর্তা সুপ্রিম কোর্টে [8] সংযুক্ত আবেদন পাঠিয়েছেন এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জাস্টিস রমন্না তাঁর অবসর গ্রহণের শেষ কার্যদিবসে বিলকিস বানো কেসে গুজরাত সরকারের অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি পরীক্ষা করার রিট আবেদন বিবেচনার জন্য স্বীকার করে গুজরাত সরকারকে এবং ১১ জন ছাড়া পাওয়া অপরাধীকে নোটিশ জারি করেছেন।

    যদি গুজরাত সরকারের সিদ্ধান্তটি ভুল প্রতিপন্ন হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় গৃহরাজ্যমন্ত্রী শ্রীযুক্ত টেনির সন্তান আশিস মিশ্রের মতন এই ১১ জনকেও আবার জেলের গরাদের পেছনে দেখা যেতে পারে।




    [1] লক্ষ্মণ নস্কর বনাম ভারত সরকার (২০০০) এবং স্টেট অফ হরিয়ানা বনাম জগদীশ।
    [2] দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ১৮ অগাস্ট, ২০২২।
    [3] সি এন বি সি টিভি ১৮ ডট কম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২।
    [4] ভারত সরকার বনাম ভি শ্রীহরন (২০১৫)।
    [5] লাইভ ল, ২২অগাস্ট, ২০২২।
    [6] রামচন্দর বনাম ছত্তিশগড় রাজ্য, ২২ এপ্রিল, ২০২২।
    [7] স্ক্রল ডট ইন, ১৮ আগস্ট, ২০২২।
    [8] হিন্দুস্তান টাইমস, ১৯ অগাস্ট, ২০২২।

  • আলোচনা | ২৯ আগস্ট ২০২২ | ৫০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দেবাশীষ | 103.219.44.35 | ৩১ আগস্ট ২০২২ ২২:৫০511537
  • লেখাটি তথ্য সমৃদ্ধ।  
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন