ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • তুমি যে জীবনটা নিয়ে মোটেও খুশি নও,সেই জীবন টা অনেকের কাছে স্বপ্ন। 

    Surajit Das লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩১ মে ২০২২ | ৪৩৮ বার পঠিত
  • আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে এটা বিরাজমান,কারো কম,কারো বেশি।আমার মধ্যেও অল্পবিস্তর আছে।এটা দোষ না গুন সেটা আমি বলতে পারবো না।
    সেটা হল,আমরা কেউ আমাদের বর্তমান অবস্থায় সন্তুষ্ট নয়।আর একটু বেশি হলে,ক্ষতি কি!! 
    এমন একটা মনোভাব।
    আমার একটা মোটরবাইক আছে কিন্তু সুমনের টা ভালো। Gps লোকেসন দেখায়।ফোনে ফোন আসলে,বাইকের মিটারে শো করে।
    আমার হয়তো মাথার উপর পাকা ছাদ আছে।চার চারটে বেড রুম,ডাইনিং কিচেন,টয়লেট এক কথায় আধুনিকতার সব নিদর্শনই মোটামুটি আছে।কিন্তু না বাড়িতে একটা AC না থাকলে হয় না,তার উপর যা গরম পরছে।
    মাত্র 1000 টাকার শাড়ি পরে দুর্গা পুজোয় ঘুরতে যাবো!!!  ইস! দোকানে দেখলাম,4800 টাকার ওই গ্রিন কালারের জামদানি টা,যদি নিতে পারতাম!! 
    আমি কি একটা 10'000 টাকা দামের পাতি মোবাইল ব্যবহার করছি? মানছি ফোন টা আমার লক্ষী,এখনো পর্যন্ত কোনো পবলেম হয় নি।তবু যদি একটা iphone নিতে পারতাম!!! শুনেছি ওতে নাকি কাঁচের মতো ছবি।
    এক কথায়,ভালো করে খোঁজ  নিয়ে দেখবেন কেউ কারো অবস্থায় খুশি নয়। অবশ্যই উন্নতি করার চেষ্টা করা উচিৎ কিন্তু নিজের অবস্থায় খুশি থেকে।

                     আমি ভাবছি হয়তো ঘরে একটা AC হলে তবেই বাড়িটা বাড়ি বলে মনে হত।কিন্তু যখন ট্রেনে করে কোলকাতা যাই।ট্রেন টা শিয়ালদহ স্টেশনে ঢোকার আগে দেখি রেল লাইনের দু ধারে ত্রিপল টাঙিয়ে গাদা গাদা মানুষ গুলো বসবাস করছে।ছোট্ট একটা ঝুপরি তার মধ্যে 7 জন 8 জন মানুষ।কোথায় হয়তো তার থেকেও বেশি।ওদের ঝুপরির মধ্যে AC তো দূরের কথা লাইট ফ্যান টাও নেই।বৃষ্টি হলে ত্রিপলের ফাক দিয়ে জল পরে।রাতে বৃষ্টি হলে সারা রাত না ঘুমিয়ে বসে থাকতে হয় কখন বৃষ্টি থামবে তার পর ঘুমতে যাবে। ও বাড়ির  বাচ্চা গুলোর পরনে নেই ঠিকঠাক জামাকাপড়।আর থাকলেও সেটা ছেড়া ফাটা,নোংরা মাটি খুঁড়ে আনা বলে মনে হবে।
    আমাদের প্রত্যেকের নিজের অবস্থায় খুঁশি থাকা উচিত।এখন হয়তো মনে হচ্ছে জীবন টা নরক হয়ে গেছে।ভগবান আমার সাথেই কেন এমন টা হয়? কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখবেন আপনি অনেক ভালো আছেন।আপনার থেকে অনেক বেশি কষ্টে মানুষ বেঁচে আছে।
    আমি শুধু ভাবি ওই মেয়ে গুলোর কথা,যারা কাউকে ভালোবেসে,বিশ্বাস করে,সেই ভালোবাসার মানুষ বেইমানি করে  কিমবা অন্য কিছু ভাবে মুম্বাইয়ের কোনো যৌনপল্লিতে বিক্রি হয়ে গেছে।দিনের মধ্যে একের পর এক খদ্দের আসছে।টাকার বিনিময়ে তাদের যৌন ক্ষুদা চরিতার্থ করছে।মেয়েটা সেখানে শুধুমাত্র একটা ভগ্য বস্তু।মেয়েটার নেই কোনো স্বাধীনতা,নেই কোনো আওয়াজ শোনার কেউ।শুধু আছে চোখের জল।চোখের জল সম্বল করেই ভগবানের উদ্দেশ্যে তার একটাই কাতর মিনতি "ভগবান,কবে আমি এই নরক জীবন থেকে বেড়াতে পারবো? হয় আমায় মেরে ফেলো নয় আমাকে মুক্তি দেও"। সত্যি বলছি ঈশ্বরের কৃপায় আপনি অনেক ভালো আছেন।
                 ব্যক্তি,আমি সারাদিনে অনেক মটিভেশনাল ভিডিও দেখি।এই ভিডিও গুলো আমার কাছে সব এক একটা জীবনদায়ী ঔষধ।বাংলা,হিন্দি ইংরেজি মিলিয়ে YouTube এ তাও কুড়ি টা চ্যানেল সাবসক্রাইভ করা আছে।তার পর তো ফেসবুক আছেই।আর ভগবানের কৃপায় আমি ভালো আছি।

                   তাই  বাস্তব জীবন নিয়ে একটা গল্প বলি।আশাকরি ভালো লাগবে।অফিস টাইম সুমন রয়াল এনফিল্ড চালিয়ে ছুটছে অফিসের  উদ্দেশ্য।সুমনের পিছের সিটে সুমনের বন্ধু রুদ্র।রুদ্রও একই অফিসে চাকরি করে।সুমন ঝড়ের গতিতে ছুটছে,দেরি হয়ে গেছে।সুমনের নতুন বাইক,দাম পরেছে 3 লাখ 70 হাজার টাকা।
    সুমন ঝড়ের গতিতে ছুটছে।কিন্তু এই যা রেল গেট টা পরে গেলো।ট্রেন আসছে।অগত্যা সুমন রুদ্র কে থামতে হল।সব গাড়ি, বাইক এসে দাড়ালো সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর জ্যাম হয়ে গেলো।গরম সঙ্গে প্রচন্ড রোদ,ট্রেন টাও আসতে দেরি করছে।সুমন রুদ্র দুজনেই দর দর করে ঘামছে।ওই ভিরের মধ্যেই একটা ঝা চকচকে লাল রঙের car U টার্ন নিলো। রুদ্র সুমন কে বললো,ওই দেখ গাড়িতে অভি।
    সুমন উত্তরে বলল,হ্যা অভিই তো।ও কতো ভালো আছে রে।AC car।গরমেও কষ্ট নেই।আর আমার এই বাইকে এসে জ্যামে আটকে আছি,কি গরম! এই বাইক না থেকে আমার ও যদি একটা car থাকতো!! কি ভালোই না হোতো।পিছন থেকে রুদ্র বললো,কি বলছিস! তোর বাইক কম কোথায় ? শহরে তোর কাছে ছাড়া কারো কাছে নেই এই মডেল টা। 
             এর মধ্যেই এক অল্প বয়স্ক ছেলে অনেক করসত করে ভির কাটিয়ে বাইক নিয়ে সুমনের পাশে এসে দাড়ালো।সুমন খেয়াল করলো অচেনা ছেলেটা সুমন কে যেনো কি বলছে।একে তো ভির,তার পর হেলমেটের জন্য সুমন কিছুই শুনতে পারছে না।তাই সুমন মাথা থেকে হেলমেড টা খুললো।
    অচেনা ছেলেটার উদ্দেশ্য বললে -বলো কিছু বলছিলে?
    -হ্যা দাদা,আমি অনেক্ষণ থেকে ডাকছি তোমার পিছন থেকে ।আমার তো 110 cc এর বাইক তাই তোমাকে ধরতে পারছিলাম না।ভাগ্যিস রেল গেট টা পরলো তাই তোমার সঙ্গে কথা বলতে পারছি।বলছি, দাদা এটা বুলেটের নতুন মডেল টা না? কি দেখতে!! ঝড়ের মতো ছুটছে।ইস আমার যদি এমন একটা গাড়ি থাকতো,তাহলে প্রতিদিন অফিসে আর লেট হতো না।
          বলতে বলতে ট্রেন চলে আসলো,গেট খুলে গেলো।সুমন আর রুদ্র হ হ করে বেড়িয়ে গেলো।সুমন রুদ্রকে বললো না রে আমার বাইক টা ও এতোটা খারাপ না।
              অচেনা ছেলেটা সামনে কিছু টা গিয়ে  বাস স্টপেজের কাছাকাছি একটা গাছ তলায় দাড়ালো।বাইক থেকে নেমেই নিজেই নিজের গাড়িতে লাথি মারতে থাকলো আর নিজের মনে বাইক টা কে গালিগালাজ করতে থাকলো। অফিস যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই পথেই আসছিলো এক ব্যক্তি।একটু হন্তদন্ত করেই আসছে,বাস ধরতে হবে।গাড়িতে লাথ মারতে দেখে ব্যক্তি টি ছেলেটির উদ্দেশ্যে বললো,কি হয়েছে ? আপনার বাইকটা খারাপ হয়ে গেছে বুঝি?
    - আরে না এই বাইকে আমি বিরক্ত হয়ে গেলাম।স্পিড নেই আস্তে চলে,একটা খাটারা হয়ে গেছে।
    -ব্যক্তি টি উত্তরে বললো,আপনার তো তাও নিজের একটা বাইক আছে।নিজের স্বাধীন।আমাকে সেই বাস ধরতে হবে।মিস হলেই সব শেষ।আপনার মতো আমার যদি একটা বাইক থাকতো কি ভালোই না হতো।এই যা আমার বাস চলে এলো।
    ব্যক্তি টা ছুটছে,এই বাস দারাও।ওই ব্যক্তি টা যখন বাস স্টপেজের ওখানে পৌছালো ততক্ষণে বাস চলে গেছে।
    ব্যক্তি টি একা একাই চেচাতে লাগলো,এবার আমি কি করবো?আবার 30 মিনিট পর বাস।
    পাশ দিয়ে একজন মানুষ সাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলো।ব্যক্তির চিৎকার শুনে সাইকেল থেকে নেমে জিজ্ঞেস করলেন।কি হয়েছে আপনি চিৎকার করছেন কেনো?
    -আর বলেন না।অফিস যাবো কিন্তু বাস টা আমার মিস হয়ে গেলো।আবার আধা ঘন্টা পর বাস।
    সাইকেলের মানুষ টা একটু করুন সুরেই বললো 
    -আপনি তো বাসে যাবেন।ভাড়া দেবেন বসে বসে পৌছে যাবেন।একটু দেরি হবে হয় তো।
    আর আমার অফিস থেকে বাড়ি প্রতিদিন 30 km সাইকেল চালাতে হয়।কোন সকালে বেড়াতে হয়।অত টাকাও নেই যে প্রতিদিন বাসে যাবো।আপনার মতো যদি বাসে যেতে পারতাম জীবন টা সুন্দর হয়ে যেতো।
          এই বলে সাইকেলের লোকটা আবার সাইকেল চালাতে লাগলো।ঘামে চপ চপে,বিরক্ত একটা মুখ নিয়ে  কিছুটা গিয়ে একটা গাছ তলায় গিয়ে দাড়ালো।সাইকেল টা দার করিয়ে নিজে নিজেই একা একা সাইকেলটা কে গালাগাল করতে লাগলো।পাশ দিয়ে হুইল চেয়ারের মতো সাইকেল গাড়ি নিয়ে আসছিলো এক ব্যক্তি।
    গালাগালাজ শুনে হুইল চেয়ারের লোক টি গাড়ি থামিয়ে কৌতহল নিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
    - কি হলো তোমার সাইকেল টা কি খারাপ হয়ে গেছে? খুব রেগে আছো মনে হচ্ছে।গালাগাল করছো।কি হয়েছে?
    -আর বলেন না,সেই সাইকেল চালিয়ে আসছি সকাল থেকে।এখনো আরো অনেক টা পথ যেতে হবে।আর ভালো লাগে না।সবাই কতো ভালো আছে।
    হুইল চেয়ারের মানুষটি একা একাই বলতে থাকলো,
    -তুমি তো তাও নিজের পায়ে সাইকেল চালাতে পারছো।এর জন্য ভগবানের কাছে তুমি কৃতজ্ঞ হও।
    -ও, আপনার জন্য আমার কষ্ট হয়।এর জন্য খারাপ লাগে না? 
    -কোনো ব্যাপার না।
    আগে খারাপ  লাগলো,এখন লাগে না।ভগবান আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।পা নেই তো কি হয়েছে,আমার দুটো হাত তো রয়েছে।
    - আপনার এতো কিছুর পরেও,এতো সহজ ভাবে থাকেন কি ভাবে?কষ্ট হয় না?
    -আমি দেখেছি কতো মানুষ আমার থেকেও কত বেশি কষ্টে আছে।আমি কতো ভালো আছি।ঈশ্বর আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।ঈশ্বরের অশেষ কৃপা। 
    আমাদের যা আছে তাতেই খুশি থাকা দরকার।তুমি  যে জীবন টা যাপন করছো,যেটা নিয়ে তুমি মোটেই খুশি না।কিন্তু জানো কি এই জীবন টাই অনেকের কাছে স্বপ্ন।তাই হতাশ হয়ো না,বরং ভগবানের কাছে কৃতজ্ঞ থাকো।ঈশ্বর কে প্রনাম করো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | 1.39.135.71 | ৩১ মে ২০২২ ২০:০০508322
  • " You will never see your successful friend sharing a motivational video " - Anon 
  • | ৩১ মে ২০২২ ২১:২৪508328
  • ভগবান কত ভালো
    অপরের চোখ অন্ধ করেও আমাকে দিলেন আলো
     
  • avi | 2409:4061:2bbb:eee9:ba23:c957:9fcb:d9dd | ৩১ মে ২০২২ ২১:৩০508329
  • ঈশ্বর পরম দয়ালু,
    তাঁহার কৃপায় দাড়ি গজায়
    শীতকালে খাই শাঁকালু।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন