• খেরোর খাতা

  • গ্রিগরি কোজিনসেভ ও কিং-লিয়ার

    Subhadeep Ghosh লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪০৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৪ জন)
  •         গতকাল জাঁ লুক গদারের 'কিং-লিয়ার'-এর কথা বলেছিলাম। এই মর্মে আরেকটি 'কিং-লিয়ার'এর কথা মনে পড়ে গেল! না বললে অন্যায় কিছু হবে না কিন্তু না বলে থাকতেও পারছি না।
     
            এই শতাব্দীর প্রথম দশকের মাঝামাঝিই হবে। উৎসব - 'কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব' ('কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব' পরে নাম হয়েছে মা-মাটি-মানুষের আমলে, তখনও কাস্তে-হাতুড়ি-তাঁরার যুগ)।  বামুনকে যেমন পৈতে দিয়ে চেনা যায়, সিনে-আতেলদের তেমনি চেনা যেত সরকার প্রদত্ত ডেলিগেট কার্ড নামক মাদুলি দিয়ে! সে এক মহা ঝক্কির ব্যাপার। তিনদিন যেতে হত। প্রথমদিন, জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে যাতে অবধারিতভাবে থাকতে হবে আপনার সঙ্গে শৈল্পিক চলচ্চিত্রের সম্পর্ক কিরূপ তার উল্লেখ, না থাকলে, আপনি যে শিল্প-সংবেদনশীল একজন মানুষ তার অন্তত একটা প্রমাণ দিতেই হবে! রেজাল্ট টাঙ্গানো হত 'কলকাতা ইনফরমেশন সেন্টার' নামক বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে। দ্বিতীয় দিন, ওই রেজাল্ট দেখতে যাওয়া, পাস করা ছাত্রের দলে নাম থাকলে ওই দিনই টাকা দিয়ে ফর্ম ভরা! তৃতীয় দিনটিকে উপনয়নের দিনও বলতে পারেন অথবা সার্টিফিকেট পাওয়ার দিনও বলতে পারেন। উৎসব প্রাঙ্গণে ডেলিগেট কার্ড নামক সেই সার্টিফিকেট বা মাদুলি পরিহিত আতেলদের জন্য প্রেক্ষাগৃহগুলিতে রাখা থাকত নির্দিষ্ট সংখ্যক সিট।  আমরা বন্ধুবান্ধবরা যতদূর মনে পড়ে পরপর তিন বছর তিনবারের চেষ্টায় পরীক্ষা পাস করতে পেরেছিলাম! 
     
            সিনেমা তিথি - ১১ই নভেম্বর থেকে ১৭ই নভেম্বরের মধ্যে, স্থান - শিশির মঞ্চ, প্রদর্শন সময় - সকাল ১১টা(সম্ভবত), তীর্থ যাত্রী – শঙ্কর ঘোষ (আমার বাবা) , সংবরণ সরকার , দেবীশ্রি রাহা (পাপু) । 
     
            'কিং-লিয়ার' তো নয়ই, শেক্সপিয়ারের কিছুই তখনও পড়া ছিল না। এরিস্টটল প্রকল্পিত ট্র্যাজেডি বা গ্রীক ট্র্যাজেডি  সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দূরের কথা , কোনো ধারণাই তখনও ছিল না। সাধারণ ট্র্যাজিক বা বিয়োগান্তক ছবি দেখা বা লেখা হয়ত পড়া ছিল, কিন্তু এই 'কিং-লিয়ার' দেখে প্রথম অনুভব করি যে এ একেবারে অন্য জাতের ব্যাপার। বলতে গেলে এই 'কিং-লিয়ার' দেখেই শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজিডি সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি হয়, শেক্সপিয়ার পড়তে উদ্বুদ্ধ হই এবং সর্বোপরি গ্রীক অলংকারশাস্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি হয়। এরিস্টটলকে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বলেছিলেন 'উরূপাখণ্ডের অলংকারশাস্ত্রগুরু' (উরূপা-ইউরোপ)।  এরিস্টটল প্রদত্ত ট্র্যাজিডির বিশ্ব-বিখ্যাত সংজ্ঞাটি হল - 'ট্র্যাজিডি একটি ক্রিয়ার অনুকরণ; ক্রিয়াটি গম্ভীর, সম্পূর্ণ; তার একটি বিশেষ আয়তন আছে; তার প্রতিটি অঙ্গ স্বতন্ত্রভাবে ভাষার সৌন্দর্যে মনোরম; ক্রিয়াটির প্রকাশরীতি বর্ণনাত্মম নয়, নাটকীয়; আর এই ক্রিয়া ভীতি ও করুণার উদ্রেকের মধ্যে দিয়ে অনুরূপ অনুভূতিগুলির পরিশুদ্ধি ঘটায়।' বোঝাই যাচ্ছে লিখিত বা অভিনীত নাটক সম্পর্কে কথা গুলি বলা হয়েছে। শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজিডিগুলির শরীর এই ‘ভাব’ মণ্ডিত, এই ‘রস’-এ সিঞ্চিত। এর রূপ-রস-গাম্ভীর্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে প্রকরণগত দিক থেকে চলচ্চিত্র নামক সম্পূর্ণ অন্য ধারার একটি শিল্প মাধ্যমের ভাষায় একে প্রকাশ করা কতটা কঠিন কাজ ভেবে দেখুন!
     
            ১৯৭১ সালে নির্মিত রাশিয়ার ছবি 'কিং-লিয়ার' সেই কাজটিই করেছিল চূড়ান্ত সার্থক ভাবে! পরিচালকের নাম গ্রিগরি কোজিনসেভ (১৯০৫-১৯৭৩)। দুটি ভাগে বিভক্ত ছবিটি।  ‘কিং-লিয়ার’ রুশ ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন রাশিয়ার প্রখ্যাত সাহিত্যিক বরিস পাস্তেরনাক (১৮৯০-১৯৬০)। কোজিনসেভ সেখান থেকে ছবিটি করেন, পিরিয়ড ড্রামা । গ্রীক ট্রাজিডিতে ট্র্যাজিডির নায়কচরিত্রের 'হামারতিয়া'-র কথা আছে। নায়কচরিত্রের ভাগ্য বিপর্যয় ট্র্যাজিডির অবশ্যম্ভাবী পরিণাম। নায়ক হবেন সৎ, কিন্তু সম্পূর্ণ দোষমুক্ত নন। এরিস্টটল নায়কের ভাগ্যবিপর্যয়ের কারণের নাম দিয়েছিলেন ‘হামারতিয়া’ বা ত্রুটি । লিয়ারের ‘হামারতিয়া’ কি? এই নিয়ে আজও নানা মুনির নানা মত আছে। এখানেই শেক্সপিয়ারের মত মহাশিল্পীরা কালকে অতিক্রম করে যান । কিং-লিয়ারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাশিয়ার প্রখ্যাত অভিনেতা জুরি জার্ভেট (১৯১৯-১৯৯৫)। জুরি জার্ভেটকে মূল চরিত্রে নির্বাচন করে ছবির পরিচালক বিশেষ বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছিলেন। এই নির্বাচনই অর্ধেক কাজ করে দেয়। জুরি জার্ভেটের মুখের মধ্যে এমন একটা প্যাথোস আছে যা লিয়ারের চরিত্রের সঙ্গে অভাবনীয় ভাবে মানিয়ে যায়। সঠিক কাস্টিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা একবার ইন্দির ঠাকরুণের চরিত্রে চুনিবালা দেবী ছাড়া অন্য কাউকে কিংবা জটায়ুর চরিত্রে সন্তোষ দত্ত ছাড়া অন্য কাউকে কল্পনা করার চেষ্টা করলেই বুঝতে পারবেন। এই জুরি জার্ভেট এক বছর পরে ১৯৭২ সালে রাশিয়ার আরেক প্রখ্যাত পরিচালক আন্দ্রেই তারকভস্কির (১৯৩২-১৯৮৬) অসামান্য আধিভৌতিক কল্পবিজ্ঞান চলচ্চিত্র 'সোলারিস'-এ অভিনয় করেছিলেন।  'সোলারিস'-এর মূল চরিত্রে যিনি অভিনয় করেন সেই ডোনাতাস বানিওনিস (১৯২৪-২০১৪) আবার 'কিং-লিয়ার'–এ লিয়ারের বড় জামাই 'আলবানি'-র চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ।  ‘অনুভূতিগুলির পরিশুদ্ধির’ কথা এরিস্টটল বর্ণিত ট্র্যাজিডির সংজ্ঞায় আছে , যেটা উপরে বলা হয়েছে , তাতে ‘পরিশুদ্ধি’ প্রতিশব্দটির মূল শব্দ হল ‘কাথারসিস্’ । এই গ্রীক শব্দটির অর্থ পরিশুদ্ধি , মোক্ষণ , পবিত্রীকরণ । এটি নৈতিক বা ধর্মীয় অর্থ । শব্দটির অন্য অর্থটি চিকিৎসাশাস্ত্রগত – দেহের পরিশোধন । এরিস্টটল চিকিৎসকের পুত্র ছিলেন ।  লুকাস এরিস্টটলের তত্ত্বকে ধিক্কার দিয়ে বলেছিলেন ‘নাট্যশালা হাসপাতাল নয়’ ।
                                  
            এরিস্টটলের ‘কাথারসিস্’ নিয়ে বক্তব্য ছিল – করুণা ও ভীতির আবেগ মানুষের মধ্যে আছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অস্বস্তিকরভাবেই আছে । সেজন্য ট্র্যাজেডির উত্তেজনা মানুষের পক্ষে প্রয়োজনীয় ও ভাল । পুঞ্জীভূত আবেগের মোক্ষণ হলে চিত্ত স্বস্তি পায় , লঘু হয় । সেইজন্য এই স্বস্তিলাভের মধ্যে আছে এক হিতকারী আনন্দ ।
             
            আবেগকে যে স্তরে ও যে গাম্ভীর্যে পৌঁছে দেওয়ার ইঙ্গিত এরিস্টটল করেছেন, বোঝা যায় ‘লার্জার দেন লাইফ’ চরিত্র ছাড়া সেটা একপ্রকার অসম্ভব । শেক্সপিয়ারের যুগে এরকম চরিত্র ভাবতে গেলে রাজাদের ছাড়া ভাবা সম্ভব ছিল না । তাই তাঁর ট্র্যাজিক চরিত্ররা প্রায় সবাই রাজা-রাজড়া বা সম্ভ্রান্তবংশীয়! কিন্তু শুধু তাই নয়, এরিস্টটলের সূত্র ধরেই বোঝা যায়, ঐ স্তরে ও ঐ গাম্ভীর্যের আবেগের মোক্ষণের জন্য রাজারই ত্রুটিজনিত পতন প্রদর্শন প্রয়োজন, প্রজার নয় । না হলে আমার আপনার কি করে মনে হবে এত ক্ষমতার এত শৌর্য-বীর্যের রাজারই যদি এ-দশা হয় তাহলে আমরাতো কোন ছাড়! কিংবা আরেকভাবে দেখলে, নাট্যকারের মুনশিয়ানায় রাজার সাথে আমাদের ঘটবে চরম একাত্মতা, নাটকের রাজার সাথে আমরাও যেন শিকার হব অমোঘ নিয়তির, রাজার পতনের সাথে অনেকটা যেন বীর্যপাতের তীব্রতায় হৃদয় মথিত করে ঘটবে আমাদের মননগত মোক্ষণ, চোখ থেকে নিঃসৃত অশ্রু যেন মনে হবে নাভি থেকে উঠে এলো! আজকে যারা শেক্সপিয়ারের অভিযোজন করছেন তাঁরা এগুলি মাথায় রাখেন কি? মাছুরে কিংবা গ্যাং-লর্ড নিয়ে ভালো সিনেমা হতেই পারে । তাকে শেক্সপিয়ারের অভিযোজনও বলা যেতে পারে । কিন্তু তাকে কোনো ভাবে শেক্সপিয়ারিও ট্র্যাজিডি বলা যাবে কি না , ভাবা প্রয়োজন! শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজিডির নান্দনিক অভিঘাতের ফলে দর্শকের মধ্যে যে মোক্ষণ বা কাথারসিস্ ঘটে যার কথা এইমাত্র বলা হল, তা ব্যক্তিগত ভাবে নাটকগুলি পাঠ করার অনেক আগে টের পেয়েছিলাম এই গ্রিগরি কোজিনসেভের ‘কিং-লিয়ার’ দেখার সময় । শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছবির পরতে পরতে লেগে আছে ট্র্যাজিডির গম্ভীর ধ্বনি । ভাঙ্গা দেওয়ালের ফাঁক দিয়ে দূরে সমুদ্রের প্রেক্ষাপটে দড়িতে অনন্তের মধ্যে ঝুলতে থাকা কর্ডেলিয়ার মৃতদেহ ও তার সঙ্গে লিয়ারের ভুবনভেদী আর্তনাদ আজও বর্শার ফলার মত বুকে বিঁধে আছে ।  অনন্ত শূন্যতার এরকম দৃশ্য-ব্যঞ্জনা সিনেমার ইতিহাসে আর তৈরি হয়েছে কি?! সাদা-কালো মনোক্রোম ছাড়া এ ছবি স্রেফ ভাবা যায় না । এ ছবির সঙ্গীত করেছিলেন স্বনামধন্য দিমিত্রি শোস্তাকোভিচ (১৯০৬-১৯৭৫) । ভাবুন এসব সেই যুগের ব্যাপার যখন সিনেমায় সঙ্গীত পরিচালনা করছেন জীবন্ত শোস্তাকোভিচ! যুগপৎ অভিভূত ও স্তম্ভিত আমরা এ ছবি দেখার পর সেদিনের উৎসবে আর কিছু দেখতে চাইনি। কিছু চিত্রকলা থাকে কিছু সঙ্গীত যা দেখা বা শোনা জীবনের একটা অভিজ্ঞতা হয়ে থেকে যায় । কোজিনসেভের ‘কিং-লিয়ার’ দেখা আমাদের কাছে তাই ছিল , একটা অভিজ্ঞতা। ও কোনোদিন ভুলব না । সার্ভান্তেসের ‘ডন কিহতে’(১৯৫৭)-এরও চলচ্চিত্রায়ন করেছিলেন কোজিনসেভ, কিন্তু সে ছবি দেখার সৌভাগ্য আজও হয়নি। ‘কিং লিয়ার’ দেখার দুদিন পড়ে আমরা দেখেছিলাম গ্রিগরি কোজিনসেভ পরিচালিত আরেক বিস্ময় , উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ‘হ্যামলেট’ (১৯৬৪)! গ্রিগরি কোজিনসেভ দুটি শেক্সপিয়ার করেই অমর হয়ে গেছেন । ‘হ্যামলেট’-এর অভিজ্ঞতা নিয়ে আরেকদিন আলোচনা হবে ।
     
    # ছবিটি দেখার লিংকঃ 
     

     

  • আরও পড়ুন
    মালিক - Chayan Samaddar
  • বিভাগ : অন্যান্য | ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪০৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৪ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সংবরণ সরকার | 2409:4060:103:bf21::2495:f8a5 | ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ০১:০৯501789
  • লেখাটির জন্য ধন্যবাদ শুভ। কোঝিন্তসেভের 'কিং লিয়র' ও 'হ্যামলেট' দুটি বেঞ্চমার্ক। পর্দায় যাঁরা সেক্সপিয়ার বানিয়েছেন কেউই এই বেঞ্চমার্কে পৌঁছেছেন বলে মনে হয় না। অরসন ওয়েলসের 'ম্যকবেথ' ও 'ওথেলো'-ও এই অভিঘাত দিতে পেরেছে বলে ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়নি।
  • Subhadeep Ghosh | ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ০১:৪৮501792
  • সম্পূর্ণ সহমত সংবরণ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন