• হরিদাস পাল  লঘুগুরু

  • চাকা

    প্যালারাম লেখকের গ্রাহক হোন
    লঘুগুরু | ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৫১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মহাকাল সবে দু’পাত্তর চড়িয়ে, কোয়ান্টাম কাব্যে মনোনিবেশ করে, মনের এককোণে – কথা আর সুরের মধ্যে কাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যায় – সেই নিয়ে ভাবতে বসেছিলেন, এমন সময়ে অনুপমের নতুন গানে “আমার সব ঠাকুরেই ভক্তি” পংক্তিটা শুনে বিষম-টিষম খেয়ে এক্কেবারে একাকার অবস্থা। সামলে উঠে গানটা মন দিয়ে শোনার আগেই খেয়াল পড়ল – এই অসময়ের অন্যমনস্কতায় তিনটে গ্যালাক্সি ধ্বসে গেছে। হাতজোড় করে আন্তর্নক্ষত্রপুঞ্জে ক্ষমা-টমা চেয়ে মহাকাল যখন গলদঘর্ম, মহাকালের পোষা বেড়ালটা বত্রিশ-পাটি দাঁত বের করে “মোদি-সিনড্রোম” বলে খ্যাক্‌ খ্যাক্‌ করে হাসতে হাসতে পাশের ঘরে চলে গেল। মহাকাল ওকে বিশেষ গুরুত্ব দিলেন না। যে অবসর সময়ে দাঁতগুলো রেখে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়, আর যার ঘণ্টায় ঘণ্টায় রুমাল হয়ে যেতে ইচ্ছে করে, তাকে আমল দিতে মহাকালের বয়েই গেছে! হাতের গ্লাসটার দিকে সন্দিগ্ধ চোখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে, ওটাকে টেবিলে রেখে, সদ্য শেষ করা বইয়ের “Death is lighter than a feather, duty is heavier than a mountain.” ডায়লগটা আউড়ে বেশ খানিক আত্মশ্লাঘা বোধ করে, আবার কাব্যে মন দিলেন। 
    মহাকালের এই সাময়িক বিচ্যুতির সুযোগে লিপযিগ গ্যালাক্সির ষষ্ঠ গ্রহের এক বনে একটা হাওয়া পাক দিয়ে উঠল। ঝোড়ো নয়, হালকা হাওয়া। এই হাওয়া কিন্তু গল্পের শুরু নয়, শেষও নয়। কিন্তু একে একরকমের শুরু বলাই যেতে পারে। হাওয়া পাক দিল ঘন বনের পাশ দিয়ে, উপলখণ্ডের উপর দিয়ে, খেত খামার ছাড়িয়ে – এক ছোট্ট বাড়ির উঠোনে। এই পরিবারের জীবনে এর থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিন বোধহয় আর কখনো আসেনি...
     
     ----- এই পর্যন্ত লিখে, নারায়ণ পেনের পিছন দিকটা মুখে দিয়ে ভাবতে বসল – ওর প্রথম লিখতে বসা কল্পবিজ্ঞানের গল্পের শুরুটা একটু বেশিই হালকা হয়ে গেছে কিনা। টোকা গপ্পের ট্রোপ একটু বেশিই স্বচ্ছ হয়ে গেছে কিনা – তাই নিয়েও সামান্য দ্বিধা দেখা দিল নারায়ণের মনে। বড় কাগজে যত্ন করে ফেঁদে বসা গল্পটা কিভাবে খেলিয়ে তোলা যায়, ঝুলে যাওয়ার সম্ভাবনা যথাসাধ্য কমিয়ে – এ নিয়ে প্রবল চিন্তায় যখন নারায়ণ মগ্ন, তখনই, পাশের ঘর থেকে অ্যালার্ম ঘড়ির মত নারায়ণের ছ’মাসের বাচ্চাটা বেজে উঠল। সর্বাঙ্গে পাক দিয়ে ওঠা খুনখারাপির ইচ্ছে আর তীব্র অশ্লীল (বিস্ময়কর-রকম উদ্ভাবনী-শক্তির পরিচায়কও বটে) সব বাক্যবন্ধ মনের গোপনে ব্যবহার করে, মুখে ধৈর্যের-অ্যাডভার্টাইজমেন্ট-হতে-পারে-এমন হাসি ঝুলিয়ে, ছেলেটাকে কাঁধে নিয়ে, শরীর সামান্য দুলিয়ে দুলিয়ে বাচ্চার পিঠ চাপড়ে, সাম্প্রতিক আইটেম সং-এর খোকা সংস্করণটা গুনগুনিয়ে তাকে ঘুম পাড়িয়ে, ঘর্মাক্ত কলেবরে নারায়ণ যখন আবার এসে লেখার টেবিলে বসল, ততক্ষণে ওর মাথায় প্লটের ‘প’ও আর নেই। পাশের খাটে নিদ্রিতা স্ত্রী-র কলেবরের দিকে আড়চোখে দেখে মেজাজ এমন খিঁচড়ে গেল, প্রতিজ্ঞা করে খাওয়া পঞ্চম সিগারেটের পরের ষষ্ঠটি গোপন স্টক থেকে বের করে নারায়ণ বারান্দায় গিয়ে ধরাল...
     
    ----- এই পর্যন্ত লিখেই গাঙ্গুলির মনে হল – নেহাত লিখতেই হবে এই ভেবে, আর জুনিয়রের থেকে মণিভূষণ ভট্টাচার্যের কবিতাটা নিয়ে পড়েছে বলেই, এই কায়দায় কোনো গদ্যরীতি আমদানি করতে হবে – তার তো কোনো মানেই নেই! কেন যে পাতাখানেক নষ্ট করল – এই চিন্তায় গাঙ্গুলি খানিক ভাবুক হয়ে পড়ল। হস্টেলের ঘরের জানালা দিয়ে যে মাঠটা দেখা যায়, সেখান দিয়ে হেঁটে যাওয়া কুকুরের ডাকটাও কেমন যেন ‘ওঃ! কি আমার লেখক রে!’ গোছের বিদ্রূপাত্মক শোনাল। জগতের ক্রমবর্ধমান রোশনাইয়ে অবশিষ্ট রহস্যগুলো কেন যে মুছে যাচ্ছে, সব চলে গেলে কি নিয়েই বা লিখব – ধরনের আলগা ফেনাবাসী-ক্রাইসিস-আক্রান্ত হয়ে আদর্শ অসফল বুদ্ধিজীবির মতো গাঙ্গুলি স্বগতোক্তি করল, “কোনো ঢ্যামনা প্রতিভার দাম দিতে জানে না!” এরপর, আরও পাঁচটা অসমাপ্ত কাজের মতই, লেখাটা ফেলে রেখে আয়নায় অন্যমনস্ক-আত্ম-প্রতিবিম্ব পর্যবেক্ষণ করতে করতে সে চুলে হাত বোলাচ্ছে, এমন সময় দরজায় ঠকঠক আওয়াজ। কেত নিয়ে ‘কাম ইন!’ বলেই নিজের ভুল বুঝতে পারল গাঙ্গুলি। ছিটকিনি-লাগানো দরজা খুলে কাম-ইন করতে হলে আগন্তুককে হয় ভূত, নয় ডাকাত হতে হয়। লজ্জায় একটু তাড়াতাড়িই দরজার ছিটকিনি খুলে দিল গাঙ্গুলি। আগন্তুক নিজেকে হস্টেলের কেয়ারটেকার বলে পরিচয় দিলেন আর পর্যাপ্ত ভদ্রতার সঙ্গে বলে দিলেন যে আগামী এক মাসের মধ্যে সে যেন পাততাড়ি গুটিয়ে কোথাও বিদেয় হয়। পিত্তি-গেলে-যাওয়া-মাছের-পেটি-চিবোনোর-মত মুখ করে দরজা লাগিয়ে গাঙ্গুলি যখন খাটে এসে বসল, তখন কোথায় সংগ্রামী লেখকের যুদ্ধ, কোথায় পেটরোগা দর্শন – দৃশ্যতই চাপ খেয়ে চুল হয়ে যাওয়া গাঙ্গুলি খাতা-পেন গুটিয়ে ল্যাপটপের ডালা খুলল। পরের পোস্ট-ডক অ্যাপ্লিকেশন করা আর কোড লেখা ছাড়া এ জীবনে আর কিছু হবে বলে তো মনে হয় না...
     
    ----- এই পর্যন্ত পড়ে প্যালারাম একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে হেলান দিয়ে বসল তার ছাল-ওঠা-গদিচেয়ারে। পুরনো লেখা পড়তে বসার এ-ই হল গোলমাল। মন ভাল – মন খারাপের নাগরদোলা চলে। কি অদ্ভুত সাদা-কালো দিনকাল ছিল সব! আত্মমগ্ন অস্তিত্বের ভাল-মন্দ সবই ছিল নিজেকে নিয়ে। ‘আর্চি’ কমিক্সে ভেরোনিকা একবার নাক উঁচু করে ক্লাসে বলেছিল না, ‘কোপার্নিকাস, গ্যালিলিও যদিও অনেক চেষ্টা করেছেন – পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে – প্রমাণ করার, কিন্তু এখানে উপস্থিত সকলেই জানেন – পৃথিবীটা আসলে আমার চারদিকে ঘোরে।’ 
    পঁচিশ থেকে তিরিশের মধ্যে লেখা নিজের পুরনো গল্প পড়তে বসাই ভুল হয়েছে আসলে। সাহিত্যগুণের অভাবে যেমন চোখ টাটায়, ঠিক ততটাই সময় নষ্ট হয় নস্টালজিয়ায়। ‘Wallow in self-pity’-র বাংলা কি হবে ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্ক প্যালারাম কফির জল গরম করতে বসাচ্ছিল। খেয়ালই ছিল না, কখন যেন সেই বিতিকিচ্ছিরি পুরোনো গানটা গুনগুন করতে শুরু করেছিল সে, ‘আমার সব ঠাকুরেই ভক্তি’...
     
    ----- আধঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার, একই গানের একই লাইন শুনে, একই ভাবে বিষম খেয়ে, মহাকালের মেজাজ যা হল – তাতে অন্তত আন্তর্নক্ষত্রপুঞ্জ কোনো সালিশি করা যায় না। কোয়ান্টাম কাব্যি মাথায় উঠেছে, এখন কি নিয়ে বেশি চিন্তিত হওয়া উচিত – ভুঁইফোড় আঁতেলের লঘু জীবনদর্শন, নাকি পাশের ঘর থেকে পোড়ারমুখো বেড়ালটার বিটকেল গলায় “বাবুল, তেরা নৈহাটি লোকাল ছুটো হি যায়” গাওয়া – এ সব ফালতু কথা ভাবতে ভাবতে, মহাকাল সময়ের চাকায় বার পাঁচেক দম দিয়ে, চাইনিজ অর্ডার করে, একটা বিড়ি ধরিয়ে, মহাপদ্মে হেলান দিলেন। নামেই মহাপদ্ম, কয়েক বিলিয়ন বছরের ঘাম লেগে তৈরি হওয়া তেল-চটচটে গন্ধটায় নাক সইয়ে নিতে নিতে ওঁর আর খেয়াল ছিল না কখন গুনগুন শুরু করেছিলেন, “আমি সেদ্ধভাতে আছি ভাই, রক্তপাতে নেই”। 
    অলক্ষিতে এই গুঞ্জনের ফলে সৃষ্টি হওয়া মহানাদের রেজোন্যান্সে খানচারেক নেবুলা যে মিলিয়ে গেল, সেটা আর ভদ্রলোকের চোখে পড়েনি। যুগযুগান্ত-ব্যাপী এই ভীষণ একঘেয়ে কাজটায় এমন ভুল হতেই পারে। লাভের মধ্যে, ওই রেসোন্যান্স ক্ষয় পেতে পেতে যখন লিপযিগ গ্যালাক্সির ষষ্ঠ গ্রহের বনের পাশে পৌঁছল, তখন সেখানে ঝড় উঠেছে...
     
    ----- এই পর্যন্ত লিখেই, ...
     
    *********************************************************************
    আজ দীর্ঘ অপেক্ষার পর দু'টি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা ঘটেছে - কৃষিবিল ফেরত নেওয়ার ঘোষণা হয়েছে আর 'Wheel of Time' আমাজন প্রাইমে ৩টে এপিসোড রিলিজ করেছে। মনের আনন্দ ধরে রাখতে না পেরে তাই পুরোনো একটা লেখা (একান্তই ব্যক্তিগত ব্লগে রাখা) মেজেঘষে তুলে দিতে ইচ্ছে হল...
     

     

  • বিভাগ : লঘুগুরু | ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৫১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 106.198.37.200 | ১৯ নভেম্বর ২০২১ ২৩:০৩501324
  • আরে হুইল অফ টাইম রিলিজ করেছে নাকি? কবে থেকে অপেক্ষা করছি দেখবো বলে! যাই তাহলে। 
     
    ধন্যবাদ! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন