• খেরোর খাতা

  •  রমানাথ রায় সম্পর্কে দু-একটি কথা যা আমি জানি (৩) 

    ভাষা ভাষা লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ মে ২০২১ | ৩০৪ বার পঠিত


  • ডলি আর আমার প্রেম মহাকাব্যিক। সেই সময়টায় ডলি আর আমাকে যখন তখন যত্রতত্র যেভাবে দেখা যাচ্ছিল, তাতে এ ঘটনা ঘটারই কথা! ওরকম একে অপরের দিকে নিষ্পলক, তা-ও যেখানে সেখানে। ঠিক ভাবে বলতে গেলে কোথায় নয়? নন্দন চত্ত্বরে, সিটি সেন্টারে, শুধু অরিজিনালেই নয়, এমনকী টু-তেও। সেন্ট্রাল পার্ক, রবীন্দ্র সরোবর লেক, বাসেতে-ট্যাক্সিতে, অনীকভাষায় বললে মল-মূত্র সর্বত্র! কোথায় নয়? ওই নিষ্পলক! অপলকও! এদিক ওদিক টেনেটুনে দেখলে কি আর অন্য কিছুও নয়? নিশ্চয় আছে আরও কিছু, তবে তা আপাতত সেন্সারাচ্ছন্নই থাক।

    ডলির দাদাকে আমি চিনিই বেশ কয়েকবার কানঘেঁষে বেঁচে যেতে যেতে। ডলির অবশ্য নিজস্ব একটা স্কোরবোর্ড আছে আর স্বাভাবিক নিয়মেই স্কোরার বলতে সবেধন নীলমণি ও নিজেই। তো স্ট্যাটিস্টিশিয়ান ডলির কাছ থেকেই জানা, একবার নয়, দু’বার নয় মোট এগারোবার! ওই যাকে বলে বাল বাল বাঁচ গ্যায়া। তবে বিপদ যাকে বলে সমূহ, উপস্থিত হতে পারে যে কোনও সময়েই। তবে প্রধান সমস্যা হল, কার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করছি জানতে না পারলে নিজেকে লুকোবোই বা কী করে! বা বলা ভাল লুকোবোই বা কার কাছ থেকে? তো সেই যুক্তিতেই একবার নজরুল মঞ্চ আর লেক ফ্রেন্ডস মধ্যবর্তী জনপদে ধরা পড়তে পড়তে কোনোমতো নিজেদের বাঁচিয়ে নেওয়ার পর, ডলির আপত্তি সত্ত্বেও, ডলির দেখিয়ে দেওয়া জামা আর টাকের পিছনে ধাওয়া করে গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের সামনে দাঁড়িয়ে দাদার সিগারেট ধরানোর বিরতির সুযোগে মুখদর্শন করে তারপর নজরুল মঞ্চের সামনে সেই তখন থেকে ঠায় অপেক্ষারত ডলির সান্নিধ্যে ফিরে আসি। মুখদর্শন! তবে একতরফা। যদি দু’দিক থেকে হয়েও থাকে, তবু একদিক তখনও অপ্রস্তুত।

    তা উভয়ত হতে বেশি সময় নিল না। হয়েই গেল একদিন। নিশ্চয়ই তাকে কোনোভাবেই শুভদৃষ্টি বলা চলে না। স্থানঃ সাউথ সিটি মল। ‘কালার প্লাস’-এর সামনে বিবর্ণ হয়ে যেতে দেখলাম ডলিকে। বর্ণহীন ডলির দৃষ্টি অনুসরণ করে পৌঁছে গেলাম ডলির দাদার অগ্নিগর্ভ রোষানলে। যদিও মোটে একবারের দেখা, তবু পরিস্থিতির গুরুত্বে চিনে নিতে কোনও অসুবিধেই হল না। বোধগম্য প্রথমদর্শনে বিস্ময়াভূত ভুরু দু’টোয় বিক্ষিপ্ততা কিছু ছিল, তবে কয়েক মুহূর্তের পর্যবেক্ষণেই যে ব্যাপারটা দাদার আয়ত্ত্বে চলে এল, তাতেই বোঝা যায়, ততদিনে গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেছে ক্রমে আর উনি যে নিজেই খোদ মৈত্র মহাশয়, তাতে তো কোনও ভুল নেই!

    ডলির দাদা শ্রী তমাল মৈত্রকে দেখার পর নিজের অজান্তেই কখন যে আমার হাত দু’টো করজোড়ে কচলাতে আরম্ভ করেছে টেরই পাইনি। যদিও এহেন পরিস্থিতি ডলি আর আমার জোড় সঞ্জাত, তবু ডলি সেই মুহূর্তে ঠিক কী করছিল তা আজও আমার অজানা। এমনকি ডলিরও!

    দাদা — আঙুল, হাত না চোখের ইশারা, নাকি একই সাথে তিনটেতেই, ঠিক কীভাবে ডেকেছিল তা আজ আর আমাদের মনে নেই বললে একেবারে ভুল বলা হবে কারণ সেদিনও আমরা ঠিক বুঝতে পারিনি, তবে একই সাথে যেন কদম কদম বঢ়ায়ে যা, এগিয়ে গিয়েছিলাম আমার চেয়ে মাত্র বছর খানেক আগে জন্ম নেওয়া এক দোর্দণ্ডপ্রতাপ ক্ষমতার দিকে। হাত কচলানো কিঞ্চিৎ বেড়ে গিয়েই থাকবে কিংবা চোখের কোলে জমে ওঠা কাকুতি-মিনতিতে ভরা আর্তি।

    মলশোভিত রক্ষাকবচ যা আপাত অদৃশ্য হলেও, নিশ্চত আছেই ধরে নিয়ে আমরা নিশ্চিন্ত ছিলাম, তা ভেদ করেই গর্জে উঠল দাদার গলা — “ ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী’-হল আমাদের ধর্ম, আমাদের এখানকার চল, সেখানে এমনি এমনিই দিয়ে দেব আমার সমগ্র ভগিনী! তা কখনও হয়?” হয়তো, এ কখনও হয় রে পাপিষ্ঠ-ও বলে থাকতে পারে! কিংবা তারপর হাঃ-হাঃ-হাঃ অট্টহাসি! মনে নেই আর কিচ্ছুই। শুধু মনে আছে তারপরের সেই অমোঘ ঘোষণা — আমি তোমায় দ্বন্দ্ব যুদ্ধে আহ্বাণ করছি! না ঠিকই, করতেছি নয়, করছি।

    এত লোকের মাঝে যখন কেটে কেটে কথাগুলো বলতে পারছে, তখন করে ফেলতে আর কতক্ষণ! আর এ যে অর্জুনের সুভদ্রাকে বিয়ে করার আগে ক্ষত্রিয় ধর্ম রক্ষার্থে বলরামের সাথে কোনও মক্ ফাইট নয়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর দাদার ওই কলোসাল ফিগারের পাশে নিজেকে নিতান্তই অকিঞ্চিৎকর, বামন লাগতে শুরু করে দিয়েছে সেই কখন থেকেই। পেটের কাছটায় অহেতুক গুরগুর, বামনত্ব থেকে বমন সবই ঘোরাফেরা করছে এই পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি শরীরটায়। তবু এবার আমাকে পৌরুষের কিছু নিদর্শন রাখতেই হবে। বাকি পৃথিবীর কাছে যা-ই হই, অন্তত ডলির কাছে তো আমি একটা পুরুষ! দ্য ম্যান!

    আমি বলি — দাদা, এ কিন্তু ভীষণ সিরিয়াস ব্যাপার! আপনার বোনকে বিয়ে করা কি অত সহজ ব্যাপার যে স্রেফ দু’জনের মধ্যে লড়াই হল আর ফয়সালা হয়ে গেল! আমার মতে শুধু একটা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ কখনই যথেষ্ট নয়। এর জন্য দরকার একটা গোটা যুদ্ধের।

    গোড়ায় মানতে চায় না, ধীরে ধীরে দাদা আমার যুক্তগুলো মানতে থাকে এবং এক সময় সগর্জনে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

    এর পর আমরা ব্যস্ত হয়ে পড়ি। আমরা বলতে কিন্তু ডলি আর আমি নই, যদিও ডলির সাথে আমার সম্পর্ক নিয়েই এত কিছু, কিন্তু তখন ডলির সাথে আমার প্রায় দেখাই হয় না, এখন নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হবে না যে আমরা বলতে আমি আর কোনও একদিন হলেও হতে পারে আমার সম্বন্ধী। আমরা এর ওর কাছে দৌড়তে থাকি। কখনও হয়তো আগে পৌঁছনোর দৌলতে নিদ্রারত ডনের মাথার কাছে বসার সুযোগ পেয়ে যান দাদা, অগত্যা আমায় বসে পড়তে হয় ‘তাঁর’ পায়ের কাছটায়! আবার কখনও তার উল্টো! কোনও ভাই বা দাদা, মাফিয়া বা মস্তানের ডেরায় পৌঁছনোর আগুপিছুতে অনেক হিসেব বদলে যেতে থাকে। আর আমরা বিভিন্ন গ্যাং বা দলপতিকে সুপারি দিতে থাকি। তবে ততক্ষণে আমাদের সব হিসেব চটকে বেহিসেব হয়ে গেছে। মাথা না পা, কোন দিকে বসাটা লাভজনক, এক এক ডনের ক্ষেত্রে এক এক রকম নিয়ম হওয়ায় সব গুলিয়ে যেতে থাকে। শেষের দিকে তো কত দেরিতে পৌঁছনো যায়, তার লড়াই হচ্ছিল, যাতে ততক্ষণে হুজুরের ঘুম ভেঙে যায়।

    এইভাবে একদিন দু’টো দল ঠিকই দাঁড়িয়ে যায়। তুমি যদি আমাদের দলের না হও তবে নিশ্চয়ই ওদের! দু’টো দল তৈরি না হয়ে উপায়ই বা কী?

    আমাদের দলটা নকি সলিড। সবাই তাই বলছে। নেতৃত্বে কমল। কমল সিং। সতেরোটা মার্ডার কেসের আসামী। এখন জামিনে বাইরে আছে। তো টিম — কমল, আফতাব, লাকি, ভিশাল, ডেভিড, আনিসুর, অমল, বিমল, কমল (কানা)। এবং ইন্দ্রজিৎ থাকলে হয়তো আরও ভালো হত, তবে বললে বিশ্বাস হবে কিনা জানি না, ইন্দ্রজিৎ না হলেও মেঘনাদ কিন্তু ছিল আমাদের দলে।

    ওদের দলটাও তো তা বলে একেবারে ফেলনা নয়! রীতিমতো সলিডই। প্রত্যেকে তাই বলছে। লিডারশিপে দুর্ধর্ষ ইকবাল। একটা ব্যাপারে আমাদের কমলকে মেরে বেরিয়ে গেছে — সব মিলিয়ে বত্রিশটা খুনের চার্জ ইকবালের বিরুদ্ধে। কোথায় সতেরো আর কোথায় বত্রিশ! তবে ওই — বেল-এ বাইরে আছে। তবে এখানে আরও একটা ‘তবে’ আছে — শিগ্গিরই নাকি জেলে ঢুকছে ইকবাল। এক্কেবারে পাক্কা খবর! অবশ্য ইকবালকে বাদ দিলেই বা কী? বাকিরা প্রত্যেকেই তো সাংঘাতিক। প্রদীপ, চুন্নু, কাক্কর, ইলিয়াস, থাপা, গুরুং, রবার্ট, স্যামুয়েল, গ্যাব্রিয়েল, গণেশ, ইদ্রিশ। কাকে ছেড়ে কার কথা বলি!

    তবে স্থান, মানে সহজ ভাষায়, ভেনু কিন্তু সেই চিরন্তন — কুরুক্ষেত্র। এখানে নো কম্প্রোমাইজ। কে আমি? কে ডলি? আর কে-ই বা ডলির দাদা। একটা বিরাট দীর্ঘায়িত ধ্যা ব়্যা ব়্যা ব়্যা ব়্যা ব়্যা — ধ্যা ব়্যা ব়্যা ব়্যা—ধ্যাব়্যা— রেকারিং ডেসিমালে — কুরুক্ষেত্র!

    যুদ্ধ শুরু করে দেওয়াটা আমার কাজ ছিল। শুধু কাজ ছিল বললে অবশ্য ভুলই বলা হয়, নিজেকে বাঁচানোর এর চেয়ে ভালো কোনও রাস্তা আমার জানাও ছিল না। যুদ্ধ তো যুদ্ধের নিজস্ব নিয়মে চলতে থাকে। একসময় আমি ভুলেও যাই যে একটা যুদ্ধ চলছে আর সেটা আমারই কারণে। ডলি আর আমি প্রেম করতে থাকি। একে অপরকে আরও ভালো বাসতে থাকি। দাদা আর বাধা দেয় না। তা বলে সম্মতিও দেয় না।

    শুধু মাঝে মাঝে কমল যখন টাকা চাইতে আসে, তখন মনে হয় বটে একটা যুদ্ধ চলছে। আমি টাকা দিই। যখন হারতে থাকি, চারদিক থেকে খারাপ খবর আসতে থাকে, তখন মনটা খচ্ খচ্ করে। মনে হয় অনেকগুলো টাকা ফালতু বেরিয়ে গেল। আবার যখন জিততে থাকি, তখন মনে হয়, ভাগ্যিস শুধু টাকার কথা ভেবে আত্মসম্মানটা জলাঞ্জলি দিইনি।

    ওদিকে ইকবালও কখনও কখনও টাকা নিতে আসে। দাদা দিয়ে দেয়। দাদারও বোধহয় ওই সময়গুলো ছাড়া যুদ্ধের কথা মনেই পড়ে না। দাদা এরই মাঝে দু-দু’বার বিদেশ ঘুরে এসেছে। একবার তো এমন ফেঁসে গিয়েছিল যে মাস তিনেক আসতেই পারেনি। লিচটেনস্টেইন না কোথায় থেকে যেতে হয়েছিল। তখন তো দাদার নির্দেশে ইকবালকে আমিই পেমেন্ট দিয়েছি।

    এমনকি এর মধ্যে দাদা আর আমি বারে বসে ইওরোপ-আমেরিকায় যুদ্ধ অর্থনীতির প্রভাব এবং তজ্জনিত এশিয়া মহাদেশে অভাব, এ নিয়ে বিস্তর আলোচনাও করেছি। মিথ্যে বলব না, দাদা সিঙ্গল মল্টই খাইয়েছিল। স্কচ — অন দ্য রক্স! গাড়ি করে এগিয়েও দিয়েছিল। অনেকটাই। তবে পুরোটা কখনই নয়!

    তবু যুদ্ধ চলতে থাকে। মাঝে মাঝে এদিক সেদিক মৃত্যুর খবর আসে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়! আমরা কমল-ইকবালকে সুপারি দিয়েছি। আমরা রাজা। কমল-ইকবালরা টাকা নিয়েছে। ওরা উলুখাগড়া। ওরাও ঠিক ততটা উলুখাগড়া নয়! হাজার হলেও ওরা তো লিডার। ওরা ডন। ওরা আবার টাকা দিয়ে অন্য লোক পুষেছে। তারা আসল উলুখাগড়া। তারা নিজের জীবন বাঁচাতে দলে নাম লেখাচ্ছে। আবার অকাতরে প্রাণও দিচ্ছে। সব মিলিয়ে কেমন গুলিয়ে যায় — নিজেদের জীবন বাঁচাতে নিজেদেরই প্রাণ দিচ্ছে!

    একদিন যুদ্ধ থেমে যায়। কমল আসে। পিছু পিছু ইকবালও। ওদের কাছেই জানতে পারি, কমলরা জিতেছে। আরে! তার মানে তো আমিই জিতেছি। দাদাও আমার জয় মেনে নেয়।

    কমল চুক্তির বাইরে কিছু টাকা চায়। ঠিক বখশিশ নয়, আবার বটেও। আমি খুশি মনে দিয়ে দিই। কারণ কমল, খুশি হয়ে যা দেবেন-ই বলেছিল। স্বভাবতই ইকবাল কিছু চাইতে পারে না। মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। আমি ইকবালকেও টাকা দিই। ইকবাল কিছুতেই নিতে চায় না। আমি বোঝাই — দেখো ইকবাল, যেমন কমল জিতেছে বলেই তো আমি জিতেছি, ঠিক তেমনই তুমি হেরেছ বলেও তো আমি জিতেছি। কমলকে যদি আমি পুরস্কৃত করতে পারি, তবে একই কারণে তোমায় কেন পারব না? ইকবাল, এই জটিল মনস্তত্ত্ব কী বোঝে ঠিক বোঝা যায় না তবে টাকাটা নেয়।

    ওরা যখন ক্রমশ অপসৃয়মান, ধীরে ধীরে ওদের ওই নেই হয়ে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে মনে হয়, কোনোদিন যদি এই যুদ্ধের কথা কোনও ঐতিহাসিক লিপিবদ্ধ করেনও, ওই কমল আর ইকবালের কথা সেখানে হয়তো থাকবে না! বিজয়ী বীরের পরমগাথা হিসেবে তো আমারই কথা, আমারই জয়গান গাওয়া হবে।

    এই সব কথা থাক। এর পর তো একটা কাজই বাকি থাকে। যার জন্য আঠেরো মাস ব্যাপী এই মহাযুদ্ধ।

    ডলির আর আমার, আমার আর ডলির মহা ধুমধামের সাথে বিয়ে হয়ে যায়। সেই এলাহী ব্যবস্থাপনার কথা আজও বিভিন্ন পাড়ার রকে-ঠেকে আলোচিত হয়।

    (ক্রমশঃ)
  • বিভাগ : অন্যান্য | ২৬ মে ২০২১ | ৩০৪ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন