• খেরোর খাতা

  • লকডাউনে পড়া বইঃ গান্ধী গবেষণা

    Atanu Kumar লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১৯২ বার পঠিত
  • ৪/৫ (১ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতার পথে রওনা দেওয়া প্রায় সমস্ত জাতিই তার পিতৃত্ব অর্পণ করে থাকে তার স্বাধীনতা সংগ্রামের কেন্দ্রীয় ভূমিকায় থাকা কোন এক ব্যক্তির ওপর৷ জাতির জনক কোন ব্যক্তি হতে পারেন কি না তা নিয়ে বিতর্ক আছে, থাকবে৷ কিন্তু ভারতবর্ষ বোধহয় একমাত্র দেশ, যার "জাতির জনক" কে স্বাধীন দেশে কুৎসিততম ভাষায় আক্রমণ করা এমনকি তাঁর হত্যাকারীকে মহিমান্বিত করা অপরাধ বলে গণ্য হয় না৷ পান্নালাল দাশগুপ্তর "গান্ধী গবেষণা" বইটা পড়তে পড়তে মনে হল এটার জন্য গান্ধীজি নিজেই দায়ী৷ নিজেকে তো তিনি কোন অবিসংবাদী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাননি৷ তিনি নিজেই ঠিক, বাকি সবাই ভুল এমন ধারণা তিনি কখনও পোষণ করেননি৷ বরং সারাটা জীবন ব্যাপৃত থেকেছেন সত্যানুসন্ধানের কাজে৷ তিনি যে সত্যকে খুঁজে পাচ্ছেন, তা যে খণ্ডিত সত্য, আপেক্ষিক সত্য এব্যাপারেও তিনি সচেতন৷ তাঁর মৃত্যুর পর যেন "গান্ধীবাদ" নামক কোন সঙ্কীর্ণ মতবাদ তৈরী করার চেষ্টা করা না হয় সে বিষয়েও তিনি অনুগামীদের সতর্ক করে দিয়েছেন৷ কাজেই বলা যায় গান্ধীজি এমন দেশ দেখতে চাননি, যেখানে তাঁকে গালিগালাজ করলে শাস্তি পেতে হবে৷ আর তাঁর যে হত্যাকারী সে তো অনেক আগেই তাঁকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল আর গান্ধী তাকেও তখন ক্ষমা করে দেন৷ 

    পান্নালাল দাশগুপ্ত যৌবনে সশস্ত্র বিপ্লবের পথে স্বাধীনতা অর্জনে প্রয়াসী ছিলেন৷ স্বাধীনতার পরেও তাঁকে কারাবরণ করতে হয়৷ আলোচ্য গন্থটির পাণ্ডুলিপি তিনি লিখেছিলেন ১৯৫৪-৫৫ সালে জেলে বসে৷ তিরিশ বছর পর সেটি বই আকারে প্রকাশিত হয়৷ ইতিমধ্যে দেশ ও বিশ্বের পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে, লেখকের ভাবনাচিন্তাও বদলেছে৷ কিন্তু তিনি মূল পাণ্ডুলিপিকে অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চিন্তাভাবনাকে ফুটনোটের মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন৷ "গান্ধী গবেষণা" নামটির দুটি তাৎপর্য আছেঃ গান্ধীজির নিজের সত্যানুসন্ধানের গবেষণা এবং গান্ধীজিকে নিয়ে অন্যদের গবেষণা৷ একজন কমিউনিস্ট বিপ্লবী হিসেবে তিনি মার্কসবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে গান্ধীজির মূল্যায়ন করেছেন৷ তাঁর উদ্দেশ্য বামপন্থীদের কাছে গান্ধীজি কে নতুনভাবে দেখানো এবং তথাকথিত গান্ধীবাদীদের কাছে ঐতিহাসিক গান্ধীকে তুলে ধরা৷ আগ্রহী পাঠক বইটা থেকে যথেষ্ট ভাবনার খোরাক পাবেন বলে আমার বিশ্বাস৷ আমি কয়েকটা দিক সংক্ষেপে উল্লেখ করছি, যেগুলো আমার কাছে তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়েছে

    প্রথমতঃ গান্ধীজির সঙ্গে "অহিংসা" কে অনেক সময়েই অবিচ্ছেদ্য ভাবে জুড়ে দেওয়া হয়৷ কিন্তু বাস্তবে তাঁর কাছে "সত্যে"র স্থান ছিল অনেক ওপরে৷ তিনি একাধিকবার বলেছেন, সত্যের সন্ধান করতে গিয়েই তিনি অহিংসা কে পেয়েছেন এবং প্রয়োজনে সত্যের খাতিরে অহিংসা কে ত্যাগ করতেও প্রস্তুত৷ লেখক দেখিয়েছেন বেশ কয়েকটা ক্ষেত্রে তিনি বলপ্রয়োগের ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন৷ অহিংসা কোন ভীরুর ধর্ম ণয় এবং অহিংসা হিংসা কে এড়িয়ে চলে না বা হিংসা কে অস্বীকার করে না৷ বরং হিংসার মুখোমুখি দাঁড়ানোটাই অহিংস সত্যাগ্রহর বৈশিষ্ট্য৷ দ্বিতীয়তঃ ডগমা বা গোঁড়ামিকে গান্ধীজি সারাজীবন পরিহার করে চলতে চেয়েছেন৷ যে মতবাদই হোক, তাকে বিনা প্রশ্নে মেনে নেওয়া চলবে না৷ সেকারণে তাঁর মত ও বিশ্বাসের পরিবর্তন হয়েছে৷ আগে তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মহত্বের ওপর আস্থাশীল ছিলেন, উপনিবেশগুলোর ওপর শোষণ নেহাতই বিচ্যূতি বলে মনে করতেন এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মধ্যে থেকেই ভারত নিজের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করতে পারবে বলে বিশ্বাস করতেন৷ সেই বিশ্বাস ক্রমে মুছে যায়৷ চৌরিচৌরার ঘটনা নিয়ে তিনি অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন, কিন্তু ৪২ এ হিংসার সম্ভাবনা কে মাথায় রেখেই ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ডাক দেন৷ পরম ধার্মিক, নিষ্ঠাবান হিন্দু হিসেবে তাঁর বিশ্বাস ছিলঃ God is Truth. পরে তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে Truth is God. হিন্দু সমাজের বর্ণপ্রথা নিয়ে তাঁর যে মোহ ছিল তা থেকেও তিনি ভবিষ্যতে সরে আসেন৷ তৃতীয়তঃ মার্কসবাদীরা গান্ধীজি কে বুর্জোয়া নেতা হিসেবে ব্যাখ্যা করতেন, কেউ কেউ আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে তাঁকে "সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট" অভিধা দিতেন৷ লেখক গান্ধীজির শ্রেণীচরিত্র বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, গান্ধীজি আদৌ ধনিক শ্রেণীর প্রতিনিধি ছিলেন না, বরং গরীব, খেটে খাওয়া মানুষ বিশেষ করে কৃষকশ্রেণীর সঙ্গেই তাঁকে সবচেয়ে বেশী আইডেন্টিফাই করা যায়৷ আর তিনি যে শুধু সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাই নয়, তিনি পুঁজিবাদেরও বিরোধী ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র চীন বিপ্লবের মতই নয়া গণতান্ত্রিক চরিত্রের৷ পঞ্চাশের দশকে জেলের অভ্যন্তরে বসে লেখকের ধারণা হয়েছিল ভারত নেহরুর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক পথে এগিয়ে চলবে৷ পরে তাঁর ভুল সংশোধন করেছেন৷ চতুর্থতঃ ১৫ টি অধ্যায়ের মধ্যে সর্ববৃহৎ অধ্যায়টি হল "গঠনমূলক কাজ"৷ যুদ্ধের জন্য বা সশত্র বিপ্লবের জন্য যেমন ট্রেনিং এর দরকার, তেমনি অহিংস সত্যাগ্রহের জন্যও প্রস্তুতির প্রয়োজন৷ সেটাই হল গঠনমূলক কাজ৷ কুটিরশিল্প, চরকা, বয়স্ক শিক্ষা, গোরক্ষা, হিন্দু মুসলমান ঐক্য, হরিজন সেবা ইত্যাদি নানাবিধ গঠনমূলক কাজ নিয়ে এবং অর্থনীতির, নৈতিকতা, শ্রমের মাধ্যমে শিক্ষা ইত্যাদি নিয়ে এই অধ্যায়ে লেখক আলোচনা করেছেন৷ এই প্রসঙ্গে একটা কথা মনে হয়৷ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রায় একই সময় গঠিত হয়৷ কমিউনিস্ট পার্টি রাজনৈতিক লড়াইয়ের পাশাপাশি নানাবিধ গণসংগঠনের মাধ্যমে গঠনমূলক কাজ করার চেষ্টা করেছে ঠিকই কিন্তু গণসংগঠনগুলোর ওপর পার্টির নিয়ন্ত্রণ ছিল সর্বাধিক৷ পার্টিই নিয়ন্ত্রণ করেছে শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনকে, উল্টোটা হয়নি৷ অন্যদিকে আরএসএস নিজেরা সক্রিয় রাজনীতিতে না জড়িয়ে গঠনমূলক (নেতিবাচক অর্থে) কাজে মনোনিবেশ করেছে৷ তার রাজনৈতিক শাখাগুলো কিন্তু নিয়ন্ত্রিত হয়েছে সঙ্ঘের দ্বারা৷ আজ একশো বছর পর ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখে আমরা বুঝতে পারি গান্ধীজির গঠনমূলক কাজের তাৎপর্য৷

    গান্ধী গবেষণা,

    পান্নালাল দাশগুপ্ত,

    নবপত্র প্রকাশন৷ দাম ২৫০ টাকা৷

  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১৯২ বার পঠিত
  • ৪/৫ (১ জন)
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০২:৫৭97438
  • পিনাকী এবং @পাই 

    বই বিষয়ক।

  • তাতিন | 203.110.242.24 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৭:০১97453
  • এইটা আমার গান্ধীপাঠের প্রথম বই ছিল

  • এলেবেলে | 202.142.71.9 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২:১৫97463
  • যিনি বইটি রিভিউ করেছেন, তিনি কি প্রশ্নোত্তর পর্বে আগ্রহী? এবং 'পছন্দসই' প্রশ্ন না পেলে প্রশ্নকর্তার 'চোঁয়া ঢেঁকুরের গন্ধ' পাওয়ার অছিলায় এড়িয়ে যাবেন? যদি উত্তরের ক্রম হ্যাঁ এবং না হয়, তবে নিজের কিছু ধোঁয়াশা কাটানোর জন্য সামান্য কয়েকটা বিষয় জিজ্ঞাসা করার ছিল ।

  • অতনু কুমার | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৪:২২97470
  • @এলেবেলে, আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ৷ দ্বিতীয় প্রশ্নটির অর্থ অনুধাবন করতে ব্যর্থ হলুম৷ তবে আমি পছন্দসই প্রশ্নের চাইতে "অপছন্দসই" প্রশ্নই বেশী পছন্দ করি, কারণ তাতে শেখার সুযোগ বেশী থাকে৷ প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে অবশ্যি "জানি না" ই বলি, সেটা এড়িয়ে যাওয়া কি না বলতে পারব না৷ 

  • Ranjan Roy | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৫৫97478
  • এলেবেলে,'

               অতনুকুমার তাঁর বিবেক এবং বুদ্ধি অনুযায়ী একটি বইয়ের সমীক্ষা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে কারও মত মিলবে, কারও মিলবে না। আপনি ওঁর সঙ্গে কিছু পয়েন্টে  বিচার বিনিময়/ বিতর্ক/বিমর্শ ইত্যাদিতে আগ্রহী। উনি রাজি কিনা সেটা একলাইনে প্রশ্ন করলেই পারতেন। দ্বিতীয় লাইনটি শুধু অনাবশ্যকই নয় , বরং পূর্বাগ্রহের সংকেতবাহী।  এর ফলে একটা ইন্টারেস্টিং আলোচনা/বিতর্কের সম্ভাবনা অংকুরে বিনষ্ট হয় ।

               বিরোধীমতের প্রতি সম্মান সুস্থ আলোচনার পরিবেশ তৈরির প্রাথমিক শর্ত।

  • অতনু কুমার | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৬:৩৯97483
  • আসলে কি জানেন রঞ্জনবাবু, মানুষের ধৈর্য এখন বড়ই কমে গেছে৷ 

  • Guruchandali | 136.228.209.53 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২০:২৬97506
  • যাঁরা খেরোর খাতায় নতুন লেখালিখি করছেন, গুরুচণ্ডা৯-র টেকনিকাল ফীচারগুলো তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা করার জন্য আগামী শনিবার ভারতীয় সময় রাত ৮-১০টা আমরা একটা ওয়েবিনার করছি গুগল মীট-এ। ইচ্ছে আছে আগামী কয়েক সপ্তাহ জুড়ে প্রতি শনিবার ঐ নির্দিষ্ট সময়ে ওয়েবিনার করার। আপনাদের কী কী অসুবিধে হচ্ছে লিখতে বা একটা সামাজিক মাধ্যম হিসেবে গুরুচণ্ডালির পূর্ণ স্দ্ব্যবহার করতে, সেটাও আমরা নোট করব, যাতে এটাকে আরও উন্নত করা যায়, প্রযুক্তিগতভাবে। সম্ভব হলে থাকবেন। শনিবার রাত আটটায় নিচের লিংকে ক্লিক করেই মীটিং এ জয়েন করা যাবে। 

     https://meet.google.com/ydz-ekww-see

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন