• অরণ্যের দিনরাত্রি এবং কিছু অনুপ্রবেশকারী

    দিলীপ ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা : বিবিধ | ০৫ মার্চ ২০১৮ | ১৩৫ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • শিমুল - পলাশ- জঙ্গল - সরল আদিবাসী - (বঙ্কিম-অগ্রজ) সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় - বিভূতিভূষণ - কালকূট - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়- "অরণ্যের দিনরাত্রি" - সৌমিত্র - শর্মিলা- কাবেরী দত্ত- রবি ঘোষ- পাহাড়ী সান্যাল - বুদ্ধদেব গুহ - ন্যাশনাল পার্কে বন্যপ্রাণির উঁকিঝুঁকি = আমাদের মধ্যচিত্ত বাঙ্গালী মানসে পালামৌ।

    পালামৌর বেতলাবাসী মৌলবী মিয়া চাষবাষ করেন, চাষের কাজ না থাকলে গাইড, বেতলা ন্যাশনাল পার্কের জঙ্গলে এবং বাইরে। ভালো দস্তানগো। গাড়ীর পেছনের সিটে বসে ভুভুজেলা-ভোলানো গল্প ছাড়েন অ্যাডাল্ট মোড়কে, নব রসের সবকটার সঠিক ককটেল বানিয়ে।

    "ওয়সে তো মৈ মৌলবী নহি হুঁ। ক্যা করে, এয়সা নাম দে দিয়া মা-বাপ নে।"

    'তাথা' উষ্ণ জলের কুণ্ডে ছেঁকা দেওয়া গরম জলে হাত ছুঁইয়ে, ডাউন স্ট্রীমে পালামৌয়ের কর্মব্যস্ত রামী রজকিনী দের বিরক্তি উৎপাদন না করে, ব্যাক করার সময়ে, মৌলবি সাহেব বললেন, "মণ্ডল ড্যাম দেখিয়েগা সাহেব।"

    - ড্যাম! জরুর দেখেঙ্গে। কব বনি ইয়ে?

    - বনি কাঁহা স্যার, বন রহা হ্যায়, ইন্দিরাজী কা টাইম সে! কাম বন্ধ হ্যায় আভি! লেকিন জগহ বহুত সুন্দর হ্যায়।

    - ইন্দিরাজী কে টাইম কে মতলব কম সে কম পঁয়তিশ সাল?

    - উস সে ভি যাদা হোগা স্যার! লেকিন শুনা হ্যায় ফির সুরু হোনে ওয়ালা হ্যায়। উঁচাই ছোটা করকে।

    - ছোটা কিঁউ?

    - কুচ গাঁও বচ জায়গা স্যার।

    - লেকিন ফির ভি বহুত আদমী কো ঘর ছোড়না পড়েগা।

    - সো তো পড়েগা স্যার, লেকিন ইঁহা ভি কুছ হোনা চাহিয়ে।

    ড্যামের পথে ছোট্ট একটা বাজার। বন্দুক কাঁধে ক্লান্ত সি আর পি রা দাঁড়িয়ে। অল্প স্টক, ভাঙ্গা চেয়ার, কাঠের উনুন, কোনো দোকানেই বড় কনস্ট্রাকশন সাইটের উপচে পড়া "সারপ্লাস ভ্যালু"-র কোনো লক্ষণই নেই।

    মস্ত সব থাম্বা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অর্ধনির্মিত ড্যাম। অনেক নীচে বয়ে যাচ্ছে কোয়েল নদী।

    বেজায় পিকচারাস্ক চারপাশ। দাঁড়িয়ে শোভা দেখতে দেখতেই হঠাৎ মৌলবি সাহেবের চিৎকার "ভাগো, ভঁওড়া"। ঝাঁক বেঁধে উড়ে আসছে মৌমাছির দল।

    ছবি তোলা হয়ে গেছে কিছু ইতিমধ্যে। কিন্তু বাকি ইতিহাস?

    ১৯৭২ সালে শুরু হয়ে ১৯৯২-এ বিহারের বন বিভাগ আদেশে বন্ধ হয় কাজ, এবং তখন থেকেই বন্ধ আছে এই বাঁধের কাজ, এরকমই জানাচ্ছেন ভারত সরকারের এপ্রিল ২০১৭র প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিজ্ঞপ্তি। বাঁধের প্রস্তাবিত উচ্চতা ৬৭.৮৬ মি আর দৈর্ঘ ৩৪৩.৩৩ মিটার। জল ধারণ করবে ১১৬০ কিউবিক মিটার। আর এখান থেকে ৯৬ কিমি দূরে মহম্মদগঞ্জে তৈরি হবে ৮১৯ মি দীর্ঘ ব্যারাজ। মহম্মদগঞ্জে ব্যারাজ থেকে বাম ও দক্ষিণ দিক থেকে দুপাশে দুটি খাল বয়ে নিয়ে যাবে সেচের জল।

    ভারত সরকার গত বছর নতুন করে অনুমোদন দিলেন এই নর্থ কোয়েল প্রজেক্ট-এর। প্রাথমিক প্রস্তাবিত উচ্চতা এবং জলাধারের আকার খানিকটা কমিয়ে। কাজ শেষ হলে সেচের ব্যবস্থা হবে ঝাড়খণ্ডের পালামৌ আর গারওয়া জেলা, বিহার-এর গয়া আর আওরঙ্গাবাদ জেলার ১২২৫২১ হেক্টেয়ার জমিতে। এই অর্ধসমাপ্ত প্রকল্পটি থেকে অবশ্য এক্ষণে সেচ হচ্ছে ৭১৭২০ হেক্টেয়ার জমিতে। অর্থাৎ বাঁধ সম্পুর্ণ হলে আরো ৩৯ ৮০০ হেক্টেয়ার সেচের আওতায় আসবে।

    থেকে থেকেই বন্ধ হয়ে গেছে কেন কাজ? এর উত্তর অন্তর্জালে রাখা কোনো সরকারী দলিলে খুঁজে পাইনি। কিছু ব্যাখ্যা আছে Coordination for Democratic Rights (CDRO) - এর Living in the shadow of Terror নামক ২০১৩ সালের একটি রিপোর্টে। তাঁরা জানাচ্ছেন, "আশীর দশকে এই প্রজেক্টে জমির ক্ষতিপূরণের অঙ্কটি নির্ধারিত হয়েছিল ১৯১৬-১৭ র একটি জরিপের ভিত্তিতে। ইতিমধ্যে যে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে তা হিসাবের অন্তর্ভুক্ত হয়নি। অর্থাৎ অনেক কম মানুষ ক্ষতিপূরণের হকদার হতে পেরেছেন। ১৯৭৪ এ একর প্রতি ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ধার্য হয়েছিল ১৪০০০ টাকা। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত কেবল নির্ধারিত জনসংখ্যার অর্ধেক ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন। স্থানান্তরিত মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হয়েছিল রামদার-মির্দায়, ভাণ্ডারিয়ার জেলা সদর থেকে ৪ কিমি দূরে।

    যে ৩২ টি গ্রামকে ভাসিয়ে দেবে এই প্রকল্প তার অন্যতম "সানিয়া", ১৮৫৭ এর সিপাহী বিদ্রোহের সমকালে, ব্রিটিশ সরকারের জমির অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়েঝাড়খণ্ডের দুই শহীদ নীলাম্বর আর পিতাম্বরের গ্রাম। এই ৩২ টির সঙ্গে আরো ১৩ টিও ভেসে যাবে বলে CDRO প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।

    ধুমায়িত অসন্তোষ বারবারই ব্যাহত করেছে এই প্রকল্প।

    গ্রামবাসীদের প্রতিবাদে বহুবার বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রজেক্টের এক ইঞ্জিনিয়ার, বৈজনাথ মিশ্র, ১৯৯৭ এর আগষ্ট মাসে ঠিক করলেন প্রতিবাদীদের উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে।

    বাঁধের কাজের জন্য তৈরি অস্থায়ী স্লুইসগেট গুলো খুলে দিলেন এক রাতে। ৩২টা গ্রাম ভেসে গেল রাতারাতি, ১১০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হল। তাদের গবাদি পশু ও ঘরবাড়ি ভেসে গেল। ডুবে গেছিলেন ২১ জন মানুষ।

    ১৬ই আগষ্ট নিহত হলেন বৈজনাথ মিশ্র, তথাকথিত মাওবাদীদের হাতে। তখন থেকেই একদম স্তব্ধ কাজ এই প্রকল্পে।

    আয়তনে কমিয়ে আনা প্রকল্পেও কাটা পড়বে বেতলা জাতীয় পার্কের কোর এরিয়ার ৩.৪৪ লক্ষ গাছ। ভেসে যাবে বহু একর বনভূমি আর গ্রাম।

    থমকে থাকা থাম্বা গুলোর এটাই গল্প।

    হোটেলে ফিরে দেখি আমাদের ঘরটি তছনছ করেছে কেউ।আমার যাবতীয় ওষুধ, অমিতের খোলা ব্যাগ থেকে যাবতীয় জামাকাপড়, দামী সিগারেটের প্যাকেট ছিঁড়ে যাবতীয় সিগারেট, ছড়িয়ে রয়েছে ঘরে ও ঘরের বাইরে।

    সবকিছু কুড়িয়ে জড়ো করে স্টক টেকিং করতে গিয়ে দেখলাম, থার্মোমিটারের পারা, দুরকম আই ড্রপ, রক্তচাপ কমানোর ওষুধ, অ্যাসপিরিন ও স্ট্যাটিন, খানকয়েক ফিল্টার যুক্ত সিগারেট, চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছে অনুপ্রবেশকারী।

    পরে বোঝা গেলো ঘরের জানলার স্লাইডিং পাল্লার লকটা অকেজো। বাঁদর ঢুকেছিলো ঘরে! বাঁচবে না সম্ভবত এত কিছু খেয়ে।

    প্রশ্ন হলো, আসলে অনুপ্রবেশকারী কারা? অরণ্যচারী বাঁদর আর আমাদের বাঁধের ওপর তাড়া করা মৌমাছির ঝাঁক? নাকি আমরা? "অরণ্যের দিনরাত্রি"-র নির্মাতা এই চত্বরটিকে পর্যটনের ম্যাপে তুলে উপকার করলেন, নাকি............?





  • বিভাগ : আলোচনা | ০৫ মার্চ ২০১৮ | ১৩৫ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 83.160.123.238 (*) | ০৫ মার্চ ২০১৮ ০৫:৪০84983
  • ৩২টা গ্রাম ভাসবে, ৩.৪৪ লক্ষ গাছ কাটা পড়বে। বিনিময়ে আরও ৪০ লক্ষ হেক্টর মত জমিতে আসবে সেচে র জল।

    কীভাবে ঠিক হবে, কোনটা কাম্য ?
  • প্রতিভা | 125.96.158.189 (*) | ০৫ মার্চ ২০১৮ ০৫:৫২84984
  • অই থাম্বাগুলো থমকেই থাকুক। চিরদিনের জন্য। পাঞ্চেত ড্যাম তৈরির সময় কত যে গ্রাম তলিয়ে গিয়েছিল। অধুনা নর্মদা ড্যাম অব্দি তো একই ইতিহাস। কাজের কাজ কিছু হয়না। মানুষকে সর্বস্বান্ত করা, জীব বৈচিত্রের অবলুপ্তি, পরিবেশ প্রকৃতির মারাত্মক ক্ষতি করা ছাড়া বড় বাঁধ আর কোন কাজে লাগে তেমনভাবে ?
    লেখাটার সাহিত্যগুণও প্রশংসনীয়।
  • অম্লান বিষ্ণু | 57.15.159.60 (*) | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০২:৫৩84985
  • অসাধারণ লেখা। লেখকের আরো অনেক লেখা পড়েছি। প্রতিটির মতো এই লেখাটিও হৃদয় ছুঁয়ে গেল। সত্যিই প্রকৃতির এমন অনির্বচনীয় সৌন্দর্যের নিয়মিত মৃত্যু ঘটে চলেছে আমাদের মতো সভ্যতার ধ্বজাবাহক'দের হাতে! আসলে আমরা কি চাই তা এখনো ঠিক করে উঠতে পারিনি। এ সভ্যতার শেষই বা কোথায়? একাধারে রাষ্ট্র নামক রোবট দ্বারা নিষ্পেষিত হতে হতে আর এক দল সভ্যতাজীবি'দের কলের পুতুল হয়ে দিনগত পাপক্ষয় নামক ক্ষয়ীভবনে প্রতিদিন অংশ নিয়ে চলেছি! আর একরাশ দুষণ উৎপাদনের গর্বিত চিত্তে উৎফুল্ল হয়ে ভাবছি, 'আহা! এ জীবন কী মহান!' সত্যিই তো কে অনুপ্রবেশকারী।।।?
    দিলীপ বাবু, আপনি যথার্থ প্রশ্ন তুলেছেন। আজ আর ক'জন ভাবা প্রাকটিস করেন জানিনা; তবে আপনি ভাবনার রসদ জুগিয়েছেন। ভাবতে সাহায্য করেছেন। আপনার প্রতি তাই অশেষ কৃতজ্ঞতা রইলো।।।
  • aranya | 83.160.123.238 (*) | ০৬ মার্চ ২০১৮ ০২:৫৯84986
  • প্রতিভা, ঠিকই বলেছেন।

    বড় বাঁধ সম্পর্কে যেটুকু জানি, লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত