• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • বোরহান উদ্দিনের পহেলা বৈশাখ

    সুষুপ্ত পাঠক
    বিভাগ : গপ্পো | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ | ৩৭ বার পঠিত
  • পহেলা বৈশাখ এলেই আজকাল একজনের কথা আমার মনে পড়ে। ভদ্রলোক আর আমি পাশাপাশি ডেস্কে বসে কাজ করতাম এক সময়। চাকরি ছেড়ে দেবার পরও তার সঙ্গে আমার প্রায়ই দেখা হতো। এখনো হয় কালেভদ্রে।

    আমাদের কলিগ সবিমল বসু ধর্ম নিয়ে প্যাঁচপ্যাচি ধরনের মানুষ। অফিস ছুটির পর দেখতাম কলা গাছের বাকল নিয়ে যাচ্ছেন। জিজ্ঞেস করলে বলত বাড়িতে কি নাকি পুজা আছে। সকালবেলা কখনো হাঁটতে বের হলেও দেখতাম ফুল কিনছেন। বাড়িতে নিজেই পুজা দেন। ঠাকুর দেবতায় খুব ভক্তি। আমাদের জীবন থেকে বাংলা কেলেন্ডার উঠে গেলেও সুবিমলকে দেখতাম বাংলা মাসের তারিখ পর্যন্ত মনে রাখছেন। উনার সঙ্গে কথা বলে মজা পেতাম কারণ উনি উনার জীবনে এখনো ইংরেজি তারিখের সঙ্গে বাংলা তারিখটি সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছেন। যেমন বৃষ্টি কম হচ্ছে, এ বছর বৃষ্টির দেখা নেই… সুবিমলদা বলে উঠতেন আষাড়ের আজকে ২ তারিখ ১৪ তারিখে রথযাত্রা। এর আগে বৃষ্টি হবে বলে মনে হয় না…। কিংবা পৌষ ২২ চলছে কিন্তু শীতের দেখা নেই ইত্যাদি…।

    এই সুবিমল কিন্তু আমার পাশের ডেস্কে বসতেন না। আসলে এই গল্প সুবিমলকে নিয়ে নয়। আমি শুরুতে যার কথা বললাম, যিনি আমার পাশের ডেস্কে বসতেন তিনি শেখ বোরহান উদ্দিন সাহেব। 

    তখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম লাইম লাইটে আসেনি, ৯৬ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন বোরহান উদ্দিন সুবিমলকে উদ্দেশ্যে করে বললেন, ও বাবু, আপনারা তো আজকা ইন্ডিয়া করবেন- ঠিক কইছি কিনা কন? বোরহান উদ্দিন সাহেবের ঠোটে চোরা শ্লেষ। সুবিমল বোরহান উদ্দিনকে একটু এড়িয়ে চলতেন। আমার সঙ্গেই তার সখ্যতা ছিল। বোরহান উদ্দিনের কথায় কাষ্ঠ হেসে বললেন, না দাদা, খেলা তেমন বুঝি না। দেখাই না। আগ্রহ নাই…।

    বোরহান উদ্দিন আকাশ থেকে পড়লেন এমন ভান করে বললেন, ধুর মিয়া, মিছা কথা কন! আপনারা সব ইন্ডিয়া করেন। সব জানা আছে…।

    সুবিমল বিব্রত ভঙ্গি হাসে। বলে, আমার ফুটবলের নেশা, ব্রাজিল করি…।

    সুবিমল চলে যেতেই আমাকে নিচু গলায় বোরহান উদ্দিন বলল, হালারা করবো ইন্ডিয়া, কিন্তু মুখে স্বীকার করবো না!

    আমি হেসে বললাম, আপনিও তো পাকিস্তান করবেন। উনি ইন্ডিয়া করলে দোষ কি?

    বোরহান উদ্দিন আপত্তি জানিয়ে মাথা নেড়ে বলল, আমাদের পাকিস্তান করা আর তাদের ইন্ডিয়া করা এক না!

    -কি রকম?

    -এই যে দেখো তুমি তো মুসলমান, তুমি তো ইন্ডিয়ার সাপোর্ট করো আমি জানি। কিন্তু তুমি কোন হিন্দুকে পাকিস্তান করতে দেখেছো?

    বোরহান উদ্দিনের কথায় সোজাসুজি উত্তর না দিয়ে বললাম, বাংলাদেশের মানুষ কি করে পাকিস্তানের সমর্থন করে সেটাই আমার বুঝে আসে না…।

    বোরহান উদ্দিন মাঝে মাঝেই আমার এরকম মতামতে রুষ্ট হতেন। সুবিমল বসু যে সব প্রশ্নে কাচুমাচু হয়ে হাত কচলে বিব্রত হয়ে হাসত, আমি তার হয়ে জবাব দিতাম, যুক্তিগুলো থাকত শক্ত, বোরহান উদ্দিন বিরক্ত হতেন আমার উপর। তুমি আগ বাড়াই কথা কও ক্যা? হেরে কইতে দাও…। তিনি চাইতেন আমি উনার সঙ্গে গলা মিলাই। একদিন বলেই ফেলেছিলেন, তুমি মিয়া হিন্দুদের এত পক্ষ নেও ক্যান কও তো?

    একবার সুবিমল বসু অফিস থেকে ছুটি নিলেন ইন্ডিয়া যাবেন বলে। বোরহান উদ্দিন টেবিলে একটা চাপড় মেরে বলল, দেখছ, সারা বছর যা জমাইছে সব এখন রাইখা আসবো!

    -উনি উনার মায়ের চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন।

    -ক্যা, আমাগো দেশে চিকিৎসা নাই? ডাক্তার নাই? আসল কথা চিকিৎসা যখন করামুই তখন দাদাগোই দিয়াই করাই, দাদারাই দুইটা পয়সা পাক- বুঝলা?

    -ব্যাপারটা এরকম নয় বোরহান ভাই। উনাদের অনেক আত্মীয়-স্বজন কোলকাতা থাকেন। তার মায়ের বয়স হয়েছে, সবার সাথে আর দেখা হবে কিনা… তাই আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন, এটাও একটা কারণ। আর সত্যি কথা কি জানেন, আমার মেজো খালু কিছুদিন আগে ইন্ডিয়া গিয়ে চিকিৎসা করিয়ে এসেছেন। এক ফুপা তিনিও ইন্ডিয়া গিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আসছেন। ইন্ডিয়া এম্বাসিতে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন, দেখবেন চিকিৎসার জন্য যত মানুষ এপ্লাই করছেন তাদের ৯৫ ভাগই বাংলাদেশী মুসলিম। তারা নিশ্চয় দাদাদের সেধে পয়সা দিতে চাইবে না?

    -ধুর মিয়া তুমি হইলা হিন্দুগো দালাল!

    বোরহান উদ্দিন কলিগ হলেও দীর্ঘদিন একই অফিসে কাজ করাতে, বয়েসে বড় ভাইয়ের মত হওয়াতে উনার আমাকে নিয়ে এরকম কথা বলার একটা অধিকার জন্মে গিয়েছিল। আমিও এসব শুনে হাসতাম। 

    বোরহান উদ্দিন বৈশাখের জন্য ইলিশ কিনেছেন। যে বছর রমনায় বোমা ফাটল সে বছরের কথা। আমাকে বললেন, দুপুরে বাসায় যাইবা, তোমার দাওয়াত।…

    সুবিমল বসু ডেস্ক থেকে গলা উচিয়ে বলল, ইলিশ কিনছেন নাকি দাদা?

    কথাটা বোরহান উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে। বোরহান উদ্দিন আমাকে চোখ টিপে ইশারা করে বলল দেখো কি বলে, তারপর সুবিমলকে উদ্দেশ্য করে বলল, ও বাবু, বৈশাখে আমাগো দাওয়াত দিলেন না?

    -সুবিমল হে হে করে হাসতে লাগলো। বলল, আমাগো বৈশাখের দিনে তো অফিস খোলা থাকব দাদা!

    -ও আপনাগো তো দাদা আবার বৈশাখ পরদিন! তো দাদা, এইটা কিন্তু ঠিক না, দেশে থাকবেন কিন্তু দেশের নিয়ম মানবেন না- এটা কেমন কথা?

    সুবিমল বিব্রত মুখে হাসে, হে হে হে…

    বোরহান উদ্দিন আমাকে নিচু গলায় বলল, দেখলা তো, বৈশাখটা পর্যন্ত তাদের আলাদা! তোমরা খালি সেুক্যলার সেক্যুালার করো- আর হিন্দুরা যে ইন্ডিয়ার লগে মিল রাইখা বৈশাখ করতাছে সেইটা কিছু কও না ক্যা?

    বোরহান উদ্দিনের উত্তেজনা দেখে আমার হাসি পায়। সেভাবেই বলি, বোরহান ভাই, আমাদের জন্মের বহু বছর আগে সেই ৬৬ সালে পাকিস্তান সরকার তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আলাদা ক্যালেন্ডার বানাইছিল যাতে পূর্ব বাংলার বাঙালীদের সঙ্গে কোলকাতার বাঙালীদের মধ্যে একই পালাপার্বন নিয়ে অনৈক্য থাকে। তাদের ভয় ছিল পাকিস্তান যে ধর্মীয় ঐক্যে গঠন হইছিল সেটা দুই পাড়ের বাঙালীদের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষ কোন ঐক্য গড়ে উঠলে পাকিস্তানের ভিত্তি দুর্বল হয়ে যাবে। আর আপনার তো মনে থাকার কথা ৮৮ সালে, আমরা তখন খুব ছোট, ৬৬ সালের সেই ক্যালেন্ডারটাই প্রচলন শুরু করে।… সুবিমল’দার কোন দোষ তো আমি দেখতে পাচ্ছি না। সারা বছর লোকনাথ ক্যালেন্ডার দেখে যিনি জীবন চালান, তার পক্ষে বৈশাখ কত তারিখে সেটা জেনেও অন্যদিনে পহেলা বৈশাখ কিভাবে পালন করা সম্ভব?

    -ধুর মিয়া, তোমার সমস্যা আছে! বংশে কেউ হিন্দু আছিল নি?

    আমি এবার জোরে জোরে হাসতে লাগলাম। কেন হাসলাম সেটা বোরহান উদ্দিনও জানে। কথাটা বলেই তাই খুব বিব্রত হয়ে পড়ল। এই প্রথম আমার উপর খুব রাগ করে একটাও কথা না বলে চলে গেলো।

    চাকরি ছেড়ে দেবার পর বোরহান উদ্দিনের সঙ্গে আর রোজ দেখা হয় না। তবে মাঝে মাঝে পথে দেখা হয়। হাসতে হাসতে টিপ্পনী কাটেন, এই যে সেক্যুলার বাংলাদেশ! কি খবর কন? আমি আগের মতই হাসি। এই কয় বছরে বোরহান উদ্দিনের পরিবর্তন চোখে পড়ার মত। হজ করছেন। দাড়ি রেখছেন। কপালে নামাজের কড় ফেলার দাগটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শেষবার দেখা হয়েছিল গত বছর বৈশাখের পর রাস্তায়। বোরহান উদ্দিন এক সময় ইলিশ কিনে বাড়িতে বড় করে বৈশাখ করতেন। আমরা অফিস থেকে কয়েকজন গিয়ে তার বাসায় গিয়ে খেয়েও এসেছি। কিন্তু এবার সে প্রসঙ্গ তুলতেই একদম অন্যরকম এক বোরহান সাহেব বেরিয়ে আসলেন। বললেন, এইসব তো আমাদের মুসলমানদের জন্য ঠিক না। এই যে পোলাপান কিসব নিয়া নাচানাচি করে। মেলায় যায়, রাক্ষস-খাক্কসের ছবি নিয়া মিছিল করে… আমাগো মুসলমানদের তো অন্যদের মত হলে চলে না।…

    -এবার ইলিশ কিনেন নাই?

    -আরে না, না, কি বলো তুমি! এসব কোরআন-হাদিসের কোখাও নাই!

    -ও!

    -এই যে মাইয়াদের উপর যে কান্ডটা হইল, কেন হইল? এরকম বেয়াল্লাপনা অনুষ্ঠানে শয়তান সাক্ষাৎ নিজে দাঁড়ায় থাইক্কা বদমাইশি করতে শেখায়-বুঝলা?

    -তার মানে আপনি এখন এই অনুষ্ঠানের মধ্যে নাই?

    -মুসলমানের দুই ঈদ ছাড়া আর কোন উৎসব নাই…।

    -তাহলে সুবিমলদা ভুল কিছু করেনি কি বলেন?

    -কার কথা কও?

    -সেই যে সুবিমল…

    -ও হের কথা, ক্যান সে কি করছে?

    -না উনি যে ইন্ডিয়ার লগে মিল রেখে বৈশাখটা পালন করতেন তার কথা বললাম।

    -হিন্দুরা তো বৈশাখফৈশাখ পালন করবই!

    -এই জন্যই বললাম, বাংলা ক্যালেন্ডারটা সুবিমলদারাই হয়ত বাঁচিয়ে রাখবে! অন্তত হারাম হালাল বলে ত্যাগ করবে না। কি জানি, একদিন হয়ত সুবিমলদাদের বৈশাখটাই খালি বেঁচে থাকবে।

    -কি কও তুমি বুঝতাছি না?

    -পাঁচ বছর আগে আপনি সুবিমলদাকে বলেছিলেন তারা ইচ্ছা করে ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিল করে বৈশাখ পালন করে। আর আপনি পাঁচ বছর পর বৈশাখটাই ত্যাগ করে দিলেন!

    বোরহান উদ্দিন আমার কথা কিছু বুঝল কিনা বুঝা গেলো না। তিনি হঠাৎ ঘড়ি দেখে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বলেন, আজকা আর সময় দিতে পারুম না, যাইগা। আজান দিবো, নামাজ পড়তে যাই…।

    বোরহান উদ্দিন হন হন করে উল্টো পথে হাঁটা দিলো মসজিদের দিকে। বোরহান উদ্দিনের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে আমার মনে হলো, তিনি যেন এগুচ্ছেন না, পিছিয়ে যাচ্ছেন। দ্রুত নিজের কাছ থেকে নিজে সরে যাচ্ছেন…।

     
  • বিভাগ : গপ্পো | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ | ৩৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • Tim | 108.228.61.183 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:০৯80529
  • পড়লাম, যথারীতি রাগ হলো। অবশ্য রাগ পড়ে যাওয়ার আগেই আরেকটা লাশ পড়ে যাবে।
  • aka | 34.96.82.109 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:২৭80530
  • এ তো মনে হল ইন্ডিয়ার গল্প পড়লাম। শুধু ধর্মগুলো উল্টে যাবে।
  • Abhyu | 81.12.144.20 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৪০80531
  • বাংলাদেশের হাতেই ছিল বাংলা ভাষার ভার। সে দেশটা এতো দ্রুত এইভাবে বদলে যেতে পারে ভাবি নি।
  • aranya | 154.160.5.104 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৫৩80532
  • 'এ তো মনে হল ইন্ডিয়ার গল্প পড়লাম। শুধু ধর্মগুলো উল্টে যাবে'
    - ভারতের অব্স্থাও কি এতটাই খারাপ?
  • Abhyu | 81.12.144.20 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৫৬80533
  • সম্ভবতঃ , দেশটার আয়তন বড়ো বলে দমবন্ধ করার মতো অবস্থাটা সবসময় অনুভূত হয় না।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৫৭80534
  • বাংলাদেশে গত দশ/বিশ বছরে আরব ইনফ্লুয়েন্স বাড়সে
  • aka | 34.96.82.109 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৫৮80535
  • একদম রাজাবাজারের মহামেড্ডান রা পাকিস্তানকে সাপোর্ট করে।
  • | 24.97.20.176 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৬:২২80525
  • :-(
  • Robu | 11.39.57.178 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:০৯80526
  • কী বলব। পড়তে খুবই ভালো লাগল। মন ক্গারাপও হল। কিন্তু আপনার অন্য লেখার মত উচ্চমানের সাহিত্য হলনা।
  • অসম্ভব | 132.177.13.75 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:১৫80527
  • অসম্ভব ডিপ্রেসিং। বাংলায় কথা বলা আস্ত একটা দেশ যে এইভাবে ধর্মোন্মাদ একটা কমিউনিটিতে পরিণত হচ্ছে, কিংবা হয় তো হয়েই গেছে ...
  • san | 113.245.14.101 (*) | ২৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:২০80528
  • খুবই ডিপ্রেসিং।
  • d | 144.159.168.72 (*) | ২৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:১২80536
  • হ্যাঁ রাজশাহীতে এক সাধুকে হত্যা করা হয়েছে দেখলাম, কাজেই রাগ পড়ে যাবার আগেই লাশ পড়ছে।

    আর যা অনুমান করা গেছিল যে 'নাস্তিক' শুধু নয় এরপরে আস্তে আস্তে এগোবে যে কোনও বিরুদ্ধমত খুন করার দিকে ---- ঠিক তাইই হচ্ছে।
  • de | 69.185.236.55 (*) | ২৫ এপ্রিল ২০১৬ ১০:০৫80537
  • অথচ অন্যরকমই তো হওয়ার ছিলো মুক্তিযুদ্ধ উত্তর পরিস্থিতিতে -

    রোজ মানুষের মৃত্যুর খবর শুনি ওখানে, কেমন একটা অতি-সহনশীল হয়ে যাচ্ছি। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বিশ্বাসের কারণে এভাবে নির্মম হত্যা কি সভ্য দুনিয়ার কাজ?
  • :-( | 161.141.84.108 (*) | ২৫ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২৭80538
  • আবারও। বাংলাদেশে তিনজন খুন হয়ে গেলেন মাত্র দু'সপ্তাহের মধ্যে। ঃ-(
  • প্রতিভা সরকার | 11.39.37.54 (*) | ২৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:১০80539
  • সুষুপ্ত পাঠকেরা আছেন বলেই বাংলাদেশ এখনো টানে। এবং তাঁদের সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। কিন্তু খোলা চাপাতি যা কেরামতি দেখাচ্ছে তাতে এদের মুক ও বধির না হয়ে উপায় নেই। কিন্তু চক্ষুষ্মান এই ক্ষুদ্রাংশের কাছে জানার ইচ্ছে, এই পিছু হাঁটা আর নিজের কাছ থেকে দূরে সরে যাবার পেছনে কারণ কি কেবল ধর্ম আর আরবী মুদ্রার অনুপ্রবেশ? আর কোন আর্থ সামাজিক আদর্শগত কারণ?

    আহা, লেখাটা পড়ে মন বড় খারাপ হলো !
  • দেবাঞ্জন মহাপাত্র | 160.107.214.39 (*) | ২৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:১৬80540
  • পড়ে বেশ লাগলো। সাথে খারাপও লাগছে।
  • Anunay Chakraborty | 212.79.203.83 (*) | ২৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৪৩80541
  • অনেকটা বনফুল এর দুই খেয়া কাহিনীর মত | খুব ভালো লাগলো
  • reek | 94.246.168.11 (*) | ১৬ নভেম্বর ২০১৬ ১১:০২80542
  • :(
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত