• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • জনসন্ত্রাসের রাজধানী

    সুমন মান্না
    বিভাগ : টুকরো খবর | ৩০ মার্চ ২০১৯ | ৪০৯ বার পঠিত
  • আজকাল সকালে অফিসে ঢুকি, একটা কফি নিয়ে ঘরে আসি, তা শেষ হতে না হতেই সিস্টেমে লগ-ইন হয়ে যায়। তারপর থেকে প্রায় যন্ত্রের মতো কাজকর্ম চলতে থাকে। চারটে পেন্ডিং কাজ থাকে, যা শেষ করব ভাবি, নতুন পাঁচটা কাজ চলে আসে “আর্জেন্ট” তকমায়। তার মধ্যে ফোন বাজে, লোকে তাগাদা দেয়, স্কাইপে তে ভেসে আসে কেউ কাজের মাঝখানে, তার কাজের তদবির নিয়ে। মাঝে মধ্যে বাইরের হাওয়া খেতে নামি, ওইটুকু সময়ে একটু “গুরু” খোলা, ফেসবুক করা।

    এর মধ্যেই পেট্রল পাম্পগুলিতে পেট্রল ডিজেলের দাম আর প্রধাণমন্ত্রীর মুখ সমানুপাতে বাড়তে দেখি। বিশ্বকর্মা পুজো, সরস্বতী পুজো, গণেশ পুজো আরও সব নানা ধর্মীয় বিসর্জনের সময়ে বড় বড় ট্রাকে ডিজি ও ডিজের যুগপৎ তান্ডবে জ্যামে ফেঁসে থাকা জানলা মোড়া গাড়ির মেঝে কাঁপে। যাদের তান্ডব যত বেশি তাদের ট্রাকে তত বড় ভারতের পতাকা। এও সমানুপাতিক।

    খুব একটা কথাবার্তা হয় না অফিসের বাকি লোকজনের সঙ্গে। ২০১৪ র আগে তাও হ'ত। পিজে -টিজে বলতামও, মাঝে মধ্যে প্যান্ট্রিতে দাঁড়িয়ে চা বা কফি নিয়ে গল্পগাছাও চলত। তা বন্ধ একদিনে হয় নি। এক একটা দলের কাছে গিয়ে দাঁড়ালে দেখেছি তাদের কথা থেমে গেছে, এক এক করে সরে পড়ছে। এটা বোঝা যায়। মানুষের কাছে এলে, কাছাকাছি মানুষ থাকলে কোনও শব্দ উচ্চারণ না করেও তাকে বোঝান যায়, সে অপাঙ়্ক্তেয়।

    সব নষ্টের মূল ওই ফেসবুক। কলকাতাতেও অফিস করেছি (অবশ্য সে গত শতাব্দীর ঘটনা), সেখানে চুটিয়ে আড্ডা হ'ত অফিসের নিচে চায়ের দোকানে। সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল একে অপরের সিগারেট জ্বালিয়ে এন্তার বাজে বকত। ঝগড়াও। কিন্তু “ওই লোকটা আলাদা” এমন ভাবে দাগিয়ে দিতে দেখিনি। তা যা বলছিলাম, ফেসবুকে দুর্গাঠাকুরকে হাবিবের পার্লারে যেতে দেখে অযাচিত ভাবে কেউ কেউ এসে জ্ঞান দিতে গিয়ে যুক্তির উপদ্রব দেখে পালিয়ে বাঁচেন। ব্যাপারটা বিরক্তির মাত্রা ছাড়য়েছিল বলে সেই দু-একজন কে সামনা সামনি হয়ে গেলে নড করা বন্ধ করেছিলাম। তাদের সঙ্গে এর বেশি সম্পর্ক ছিলও না।

    এদের হিসেবে খুব একটা জটিলতা নেই। একে মাছ-মাংস খায়, তার ওপর সিগারেটও ফোঁকে। তার ওপরে দুর্গা-ঠাকুরকে মুসলমানের দোকানে পাঠাল — নেহাৎ কলিযুগ নয়ত কবে বজ্রাঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়! ছিঃ!

    পুলাওয়ামা ঘটনার পর “দেশপ্রেম” আচমকা বেড়ে গেল সবার। তারিখটা আবার প্রেমের দিবসেরও। যাতে এইবার কেন জানি না “ভগৎ সিং এর ফাঁসি” ঠিক হয়ে ওঠেনি। তা, এই ঘটনার পর দেশের প্রধাণমন্ত্রী তো ভাষণে ফাটিয়ে দিতে থাকলেন। এক সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পর বাইরে থেকে আওয়াজ পেয়ে বারান্দায় এসে দেখি মিছিল চলছে জনা পঞ্চাশ লোক, মোমবাতির বদলে হাতে মোবাইলের ফ্লাশলাইট। স্লোগান শুনলাম একবার “ভারতমাতা কি জ্যায়” পিছু পাঁচবার করে “পাকিস্তান মুর্দাবাদ”। বলা বাহুল্য পড়শী দেশের উল্লেখের সময়ে তাদের “জোশ” যেন ফেটে ফেটে বেরোচ্ছিল। পরে শুনি এই মিছিল ছোট ছোট করে সারা দেশে বেরিয়েছে, কলকাতাতেও। যেন রাস্তার ধারে পাকিস্তান বসে বিড়ি বাঁধছে বলে খবর, এরা খুঁজে বেড়াচ্ছে।

    দেখেছি এই ইন্ধন সত্ত্বেও দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করা যায় নি। তাই বোধ হয় পাইন মারতে প্লেন ছোটান হয় পুলাওয়ামা ঘটনার তেরো দিনের মাথায়। সেদিন তো দেশপ্রেমের হদ্দমুদ্দ। অফিসের প্যান্ট্রি তে, লাঞ্চের পর অফিসের বাইরে ছোট ছোট জটলায় মানুষ উদ্ভাসিত। একজন তো সেদিনের হীরো। তার নিজের এক বন্ধু গিয়েছিল সে বিমান হানায়। বোম মেরে ভোরবেলা ঘরে ফিরেই এই ছেলেটিকে ফোন করেছে। এই ছেলেটা তাকে তখন কী খিস্তি মারল তা অবধি পুরোটা উচ্চারণ করল। তখন সেই পাইলট বন্ধু বলে - টিভি খোল। তবে সে দেখল কী ঘটনা। তারপর সে বিমানহানার নিখুঁত বিবরণ, যেন সে পাশেই বসে, একটা পর একটা জঙ্গী দের বাড়ি গুঁড়িয়ে যাচ্ছে, জঙ্গীরা তাদের ঠিকুজি কুষ্ঠী লিখে বুকে সেঁটে পরলোকে যাচ্ছে, সে একেবারে বিরাট কেলো। হোয়াটস্যাপে কী সব ভিডিও আসছে এক একটা মিসাইল তো লোকের পিছু পিছু ধাওয়া করে দৌড় করিয়ে মারছে!

    একদম! এর একচুল বাড়িয়ে বলা নয়।

    যে দিন উইং কমান্ডার অভিনন্দন বিমান হানা প্রতিহত করতে গিয়ে পাকিস্তানে ধরা পড়েন, সেদিন অফিসে যাই নি। অন্য কাজ ছিল। হোয়াটস্যাপে কিছুটা জেনেছিলাম ভারতীয় পাইলটের “নিখোঁজ” হওয়ার খবর। তার পরে তাকে মারধর বা রক্তাক্ত অভিনন্দন এর নানা ভিডিও র একটা দেখেছি কি দেখিনি ফোনের চার্জ শেষ। বাড়ি ফিরে দেখি “ডন” এর পোস্ট করা একটি ভিডিও যাতে অভিনন্দন চা খাচ্ছেন, তাকে করা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন দৃঢ়তার সঙ্গে। যা তথ্য দিতে পারবেন না সেটাও পরিষ্কার বলছেন। ভালো লাগল, দেশের পাইলট সুস্থ আছেন জেনে। “ডন” পাকিস্তানের নামকরা সংবাদমাধ্যম। তা, সেই ভিডিও শেয়ার করি।

    অবব্যহিত পরেই অফিসের এক প্রাক্তন (দশ বছর আগে এক বছরের জন্য একসঙ্গে একই ডিপার্টমেন্টে একই প্রোজেক্ট এ কাজ করেছিলাম) সহকর্মী স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে জানালেন “আর্মির জওয়ানদের নিয়ে এমন ভিডিও শেয়ার করা ঠিক নয়”। — “ কেন” প্রশ্ন করায় জবাব আসে “এটা ফেকও তো হতে পারে।” তাকে বলি “ডন” কোনও ভুঁইফোঁড় ফেসবুক পেজ নয়, দ্বিতীয়তঃ এই ভিডিওতে আমাদের উইং কমান্ডার কে খুব দৃঢ় ও আত্মপ্রত্যয়ী দেখাচ্ছে, আর সবচেয়ে বড় কথা দুই পড়শী দেশের সেনাবাহিনীর লোক একসঙ্গে চা খেতে খেতে কথা বলছে - এতে তো মানব সভ্যতা ও ইতিহাসের কোনও খারাপ দিক দেখায় না। দুই দেশ পরস্পরের শত্রু হ'লে তো এই ভিডিও শেয়ার করা উচিৎ আরও বেশি করে।

    সে বোঝে না। তাকে একটু উপদেশ দিই, বলি, তোমার যদি এই ভিডিও নিয়ে আপত্তি থাকে বা এটা ফেক মনে হয় তাহলে বরং তুমি “ডন” এর সম্পাদক মণ্ডলীর কাছে আপত্তি জানাতে পার বা অনুযোগ করতে পার। তারা এই ভিডিও পাবলিক করেছে। আমার কাছে এইটা “হিউম্যান ভ্যালুর” এর একটা দৃষ্টান্ত মনে হয়েছে। আমি শেয়ার করেছি।

    সে খুশি হয় না। বুঝি। বুঝি গত দশ বছরে একবারও সাড়াশব্দ না করা ফেসবুক “বন্ধু” কীসের তাড়নায় এসে আমার ফেসবুক পোস্টের নিচে লিখতেই থাকে, লিখতেই থাকে।

    পরের দিন ইমরান খান ঘোষণা করেন উইং কমান্ডার কে নিঃশর্তে ছেড়ে দেওয়া হবে। খবরটা পেয়ে খুব খুশি হই। একজন প্রাক্তন ক্রিকেটার এখনও ক্রিকেটটাকে “জেন্টলম্যানস গেম” হিসেবে রাখতে চাইছেন মনে হল। মনে পড়ল পুলাওয়ামা কাণ্ডের পর ইমরান খানের প্রতিক্তিয়ার কথা যাতে স্পষ্ট বলেছেন “বুঝি, ভারতে নির্বাচন আসছে…”।

    পরের দিন ছাড়া পাবেন অভিনন্দন। অফিসে নিউজ চ্যানেলগুলো খোলে না। কাজের ফাঁকে বাইরের হাওয়া খেতে গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ দেখি, ফেসবুকে দেখি যদি ছাড়া পাওয়ার খবর আসে। সন্ধে হয়ে যায়। বাড়ি ফিরে টিভি চালাই। সব টিভি চ্যানেল একযোগে পাকিস্তানের তুলোধনা করে, কোথাও দেখান হয় না, বলা হয় না যে পাকিস্তানেও লোকজন অভিনন্দনের মুক্তি চেয়ে পথে নেমেছেন। বড় বড় তাবড় রাজনীতিক, বিরাট সব সমর বিশারদ কেউ একবারও বলেন না কীভাবে পাকিস্তানের মতো এক কট্টর দেশের প্রধাণমন্ত্রী হয়ে তাদের মিলিটারিকে বুঝিয়ে এত দ্রুত ভারতের উইং কমান্ডার অভিনন্দনের মুক্তি ঘোষণা করতে পারেন! বিশেষত যে দেশের গত বেশ কয়েকজন প্রধাণমন্ত্রী গদি থাকে নামার পরেই সোজা জেলখানা চলে যান বা রহস্যজনক ভাবে মারা পড়েন।

    এক সময়ে অভিনন্দন ছাড়া পান। ওয়াঘা বর্ডারে তাকে নিতে আসা দুই ভারতীয় সেনার একজন তার পাকিস্তানী কাউন্টারপার্টকে একটা আলগা স্যালুট ছুড়ে দেন। ভাল লাগে সেটা দেখতে, তবু সেটার উল্লেখ কাউকে করতে দেখি না।

    কিন্তু আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচি। “মেনি থ্যাঙ্কস ইমরান খান” লিখে পোস্ট করি ফেসবুকের দেওয়ালে। অমনি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক শুরু হয়ে যায়। অফিসের একজন বলেন - “এটা কি নিজের পরাজয় স্বীকার করার জন্য?” তাকে বোঝাতে চাই বা বোঝাতে যাই যুদ্ধ-পরিস্থিতি না থাকা সত্ত্বেও যে এত তাড়াতাড়ি উইং কমাণ্ডার কে ছেড়ে দেওয়া হল তাতে ইমরান খান এর বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা দেখতে পাই, সেসব না বলে একটা থ্যাঙ্কস জানাতে দোষ কীসের - যখন আমাদের উইং কমান্ডার মোটামুটি সুস্থ ও সসম্মানে ফিরে এসেছেন। জবাব আসে — পাকিস্তান যে কত ভারতীয় মেরেছে! বলি - সেইজন্যই তো আরও বেশি থ্যাঙ্কস দেওয়া উচিৎ।

    ফিরে আসেন আগের বার চা -খাওয়ার ভিডিও তে কমেন্ট করা প্রাক্তন সহকর্মী, গত দশ বছরে দ্বিতীয়বার ঠিক তিনদিনের মাথায়।

    তিনি আরব এমারেটসে থাকেন কাজের সূত্রে, তার উল্লেখ করে জানান — “এতে ইমরান খানের কোনও কৃতিত্বই নেই, পাকিস্তানের ওপর আমেরিকা সমেত প্রতিটি আরব দেশের সাংঘাতিক চাপ ছিল, যা এখানকার খবরের কাগজগুলিতে সরাসরি না লিখলেও ‘'বিট্যুইন দ্য লাইন” জানিয়েছে। শুধু ভারতের মিডিয়াই নাকি ইমরান কে মাথায় তুলে নাচছে। তুমি দেখ, যে মুসলিম দেশগুলো পাকিস্তানের বন্ধু ছিল, তারা আজ ভারতের বন্ধু। পৃথিবীর একটা দেশও বলে নি ভারত কিছু ভুল করেছে বলে। ভারতের আগ্রাসনের নিন্দা কেউই করে নি, তারা শুধু ভারত পাকিস্তান - এই দুই দেশকেই সংযত হতে বলেছে। এই পরিস্থিতিতে যা খুবই স্বাভাবিক উপদেশ। ভারতের এটা সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক জয়। একজন ভারতবাসী হিসেবে এটা আমাদের বোঝা উচিৎ ও স্বীকার করা উচিৎ।”

    বলা যেত অনেক কিছুই। যেমন, কীভাবে খবরের কাগজের রিপোর্টে ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়। জিজ্ঞেস করা যেত - কোন ভারতীয় মিডিয়া ইমরান খানের প্রশংসা করেছে - আমি তো খুঁজে পাই নি। তবু, তাঁকে সবিনয়ে জানাই যে আমাদের মিডিয়াপ্রসূত হাজার সাফাই সত্ত্বেও আমি যখন দেখি পাকিস্তান দিনের শেষে আমার আমার দেশের একজন উইং কমান্ডার সসম্মানে বাড়ি ফিরে এসেছেন, আমি খুশি হয় ও আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। আর আমার কাছে আমার নিজের দেশকে ভালোবাসার অর্থ কিন্তু অন্য দেশকে ঘৃণা করা নয়। তুমি যেভাবে তোমার সাফাই তে সন্তুষ্ট আছ, আমার কাছে আমার যুক্তিটাই যথেষ্ট তাকে থ্যাঙ্কস জানানর জন্য।৷

     আরও একজন, একটু বিনয়ী, দেখা সাক্ষাৎ হ'লে দাদা বলে। বলল - “দয়া করে থ্যাঙ্কস দেবেন না দাদা”। তাকে বলি খেলার শেষেও দুই পক্ষ একে অপরের সঙ্গে হাত মেলায় আর এ ক্ষেত্রে ওনার সিদ্ধান্তে আমাদের উইং কমান্ডার সসম্মানে ফিরে আসেন দেশে অবিশ্বস্য দ্রুততায়। এই ধন্যবাদ তার প্রাপ্য।

     ঘটনাচক্রে এও দেখি যিনি আগে বলেছিলেন “নিজের পরাজয় স্বীকার করার জন্য কি এই ধন্যবাদজ্ঞাপন?” আর যিনি এটা ভারতের অন্যতম সেরা “কূটনৈতিক সাফল্য” হিসেবে দেখেন তারা নিজেরা সহমত হ'ন যে আর যাই হোক “মেনি থ্যাঙ্কস ইমরান খান” লেখাটা নাকি আমার ঠিক হয় নি। এমনকি ওই লেখাটির উল্লেখ করে জানান, দেখ, কেমন পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে জলের মতো যে ভারতের কত বড় জয় হল এতে। সারা বিশ্ব অবাক। একে একে অন্যান্য বিদেশি খবরের কাগজের লিঙ্ক তুলে দিই। কিছু অন্য বন্ধুরা খুঁজে দেন। তবে এরা আর কথা বলেন না।

    আর একজন (ইনি আবার বঙ্গসন্তান) প্রশ্ন তোলেন এই থ্যাঙ্কস কি অনেক ভারতীয় কে মারার জন্য? তাঁকে জিজ্ঞেস করি কাকে কবে মারলেন ইমরান খান? সে বলে - কেন আজকেও তো ডিফেন্স এর লোক মারা গেছে। এও জুড়ে দেয় ও তারা আবার ডিফেন্সের লোক, সাধারণ ভারতীয় তো নয়! তার সঙ্গে কথা চালাতে ভাল লাগে না। বলি তা আমাকে তো বলে লাভ নেই, বরং ৫৬” কে বলো, যদি কিছু করেন।

    অফিসে ফের আসি যাই। বাইরে হাওয়া খেতে বেরোনর সময়ে আরও একজন সামনাসামনি হয়ে “ক্যা চল রহা হ্যায়” বলে কথা থামিয়ে দেন না। একটু জিজ্ঞাসু চোখে প্রশ্ন রাখেন - আপনি নাকি আজকাল খুব ঝগড়া করছেন ফেসবুকে?

    বলি, ইমরান খান কে একটা ধন্যবাদ দেওয়া যাবে না - এটা কোন দেশী নিয়ম? সে শুরু করে, আপনি বুঝছেন না দাদা, জানেন….

    থামিয়ে দি। বলি একটা ধন্যবাদের এত সাফাই দরকার পড়ে না। আপনার যুক্তি আপনার কাছে রাখুন।

    টিভির নিউজ চ্যানেল দেখি না, সেদিন অভিনন্দন ফিরবে বলে চালিয়ে রেখেছিলাম। আমি এই মুহূর্তে এই দেশ কে বিশ্বের অন্যতম জন-সন্ত্রাসী দেশ বলতে দ্বিধাবোধ করি না। অফিস যাই, কাজ করি, বাইরে হাওয়া খেতে যাই মাঝে মাঝে, দরজা বন্ধ করে লাঞ্চ করার সময়ে স্ত্রী কে ফোন করি।

    প্রধাণমন্ত্রী যখন বলেন “দেশ বদলে গিয়েছে” - আমি জানি এই কথাটাই তাঁর বলা একমাত্র সত্যি কথা। কুড়ি বছর ভিনরাজ্যে বসবাস করার পরে এখন, গত কয়েক বছরে আমি বুঝি, কীভাবে ঘেন্নার দৃষ্টি আমাকে ছুঁয়ে যায়, আচমকা এক একটা দলের সামনে পৌঁছে গেলে প্যান্ট্রিতে কফি নেওয়ার সময়ে, তাদের কথা বার্তার তাল কেটে যায়। বিভেদ কীভাবে মানুষকে আলাদা ঘেটোয় আটকে রাখে দেখেছি। এই দেশ আমার অচেনা, টিভি ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগপৎ হানায় একটা বিরাট অংশ এখন একটা মব। শুধু বিপক্ষকে ঘৃণার ভিত্তিতে তৈরি হওয়া তাদের বন্ধুত্ব এই রাজধানী সন্নিহিত অংশের এক বড় অংশকে কট্টর সন্ত্রাসী করে তুলেছে। তাদের নিজের কোনও আলাদা ভাবনা -চিন্তা নেই, যা টিভিতে দেখছে তাই বিশ্বাস করছে। যেন এক মারাত্মক নেশায় বুঁদ।


    এইভাবেই দেখি, ক'দিন চলে, কীভাবে চলে। অপেক্ষায় আছি।

  • বিভাগ : টুকরো খবর | ৩০ মার্চ ২০১৯ | ৪০৯ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2 | 3
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৪০79200
  • রন্জনদা আপনি রভীশ কুমার দেখেন নিস্চই।
  • রঞ্জন রায় | 238912.69.5667.86 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২৫79197
  • পাই,
    হিন্দিতে মেইনস্ট্রিম নিউজ চ্যানেল ' স্বরাজ এক্সপ্রেস' দেখ। বিশেষ করে কৃষি নিয়ে সন্ধ্যে ৬টায় উত্তর ভারতের ফিল্ড রিপোর্ট এবং রাত আটটা ও নটায় রোজগার, স্টার্ট আপ মুদ্রা নিয়ে সরকারি ডেটার ব্যবচ্ছেদ ও ইকনমিস্ট এবং বিজেপি মুখপাত্রদের এনে তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা। কোন চিৎকার চেঁচামেচি নয়। বড় জার্নালিস্ট ভারতভূষণ , যিনি কলকাতার রণবীর সমাদ্দারের 'ক্যালকাটা রিসার্চ গ্রুপ'এর সঙ্গেও যুক্ত, এঁর রোজ রাত্রে বড় ইন্টারভিউয়ের সেশন। যেমন প্রাক্তন উপ রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি ও ডিএমকের কানিমোঝি ম্যাডাম।
  • রঞ্জন রায় | 238912.69.5667.86 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২৯79198
  • আর দিল্লির আকাশ ব্যানার্জির 'দেশভক্ত' চ্যানেল ইউটিউবে দেখুন। স্যটায়ারের সঙ্গে পার্টির ম্যানিফেস্টো ও ফেইল্ড প্রমিস নিয়ে কাঁটাছেড়া। ইনি আগে ্টাইমস নাঊ এ অ্যাংকর ছিলেন। দশমাস আগে চাকরি ছেড়ে বাড়ী বেচে এটি শুরু করএছেন। এস্টাব্লিশমেন্টকে কড়া প্রশ্ন করছেন ওদেরই ডেটা নিয়ে ।
  • আমাদের | 238912.73.563423.51 (*) | ০৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:১১79201
  • সবারই কমবেশী এক অব্স্থা। অফিসে আত্মীয়-পরিজন মহলে, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি গ্রুপে, সর্ব্ত্র আমরা পরিত্যাজ্য, দেশদ্রোহী, সেকুলার ইত্যাদি। কিন্তু আমি দাঁতে দাঁত চেপে লড়ে যাচ্ছি, বিনা যুদ্ধে না ছাড়িব সূচগ্র্য মেদিনী।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ০৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৪৫79202
  • কিন্তু একটা বা একাধিক সেকুলার, সায়েন্টিফিক, লজিকাল পার্টি তো দরকার! যারা নির্বাচিত হয়ে এসে দেশব্যাপী সরকারী চাকরির শূন্যপদগুলো ভরাবেন, সরকারী স্কুলগুলো রিভাইভ করবেন, প্রাইভেট স্কুলগুলোকে কড়া ইনস্পেক্শনের আওতায় এনে হয় ব্যবসা করতে দেবেন (সব বিধি মানলে) নাহয় করতে দেবেন না। দেশব্যাপী কৃষকদের নানারকম সরকারী সাহায্য দেবেন, কাজ কীরকম হচ্ছে সেগুলো দেখাশোনার ব্যবস্থা করবেন। রিভার ক্লিনিং প্রোজেক্ট তৈরী করে সারাদেশের নদী পরিষ্কার করাবেন(প্রচুর লোকের চাকরিও হবে সাময়িকভাবে এই প্রোজেক্টে)। বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফান্ডিং বাড়াবেন যাতে নানাধরণের গবেষণা(তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক) ভালো হয়।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৪৮79234
  • পিটি-র দেওয়া জিনি ইন্ডেক্স-এর লিংক থেকে দেখা যাচ্ছে ১৯৫০-এর দশক থেকে ধরলে, মোটামুটি ৩০-৪০ রেঞ্জে ছিল। কমে আসছিল, একটা ট্রেন্ড ছিল, কিন্তু শেষের দিকে আবার উঠে এসেছে।
    অ্যাক্চুয়ালি, ১৯৯০ এর রিফর্মের পর থেকে অসাম্য মোটামুটিএক হারে বেড়ে গেছে, মানে ট্রেন্ড-টা ধরলে।
    যাইহোক যেটা প্রাথমিক প্রতিপাদ্য ছিল, যে দাদু-নাতি-হাতি দের সময় বাজে, আর অন্যদের সময় ভাল - তেমন কিস্যু বোঝা যাচ্ছে না।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৫৭79235
  • রঞ্জনদা,
    মার্কেট ইকনমি-তে প্রচুর কাজ তৈরি এবং আপেক্ষিক দারিদ্র-র সম্পর্ক ঠিক সরলরৈখিক নয়, বেশির ভাগ সময়ই নয়। ধরুন, দেশ জুড়ে প্রচুর কাজ তৈরি হল, কিন্তু সেগুলি সব নমিন্যাল পে, খুব কম মাইনের কাজ। তাহলে দেখা যাবে সবার কাজ আছে, বেকারত্ব কমে গেছে, কিন্তু আপেক্ষিক দারিদ্র্য কমে নি।
    জিনি ইন্ডেক্সে চিন-এর কার্ভটা খেয়াল করুন। বিগত কয়েক দশকে, প্রচুর চাকরি, কিন্তু অসাম্যও তালে তালে বৃদ্ধি।
    ইউএসএ-তেও এটা একটা প্রবলেম, আনএম্‌প্লয়মেন্ট লো, কিন্তু আপেক্ষিক মাইনে বাড়ে নি, এখন একটা চেষ্টা চলছে মিনিমাম ওয়েজ বাড়ানোর, কিন্তু হচ্ছে না তেমন।
  • sm | 2345.110.234512.194 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০২:১৪79236
  • তাহলে এলসিএম স্বীকার করলেন অসাম্য 90 এর দশক থেকে বেড়ে গেছে।গুড। কিন্তু,গত এই তিন দশকে সবচেয়ে বেশি রুল করেছে কে?ওই দাদু,ঠাকুমা,ফ্যামিলি। সুতরাং তাঁদের ওপর দায়টা বেশি বর্তায় বই কি!
    দুই, অসাম্য বাড়লে,দারিদ্র দূরীকরণ আপেক্ষিক ভাবে হয় না,এটা মানছেন কি?
    আপনার দেওয়া ইউ এস এর তথ্যের উদাহরণ দিয়ে বলি।
    আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,ইউ এস এর পর ক্যাপিটা ইনকাম 50000 হাজার ডলার মতন।তাহলে তিন জনের ফ্যামিলিতে গড় আয় 1 লক্ষ ডলার মতন।
    কিন্তু মজা দেখুন,ইউ এস এর প্রভার্টি লাইন আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী 21 হাজার ডলার!এতো আকাশ পাতাল তফাৎ কেন?অর্থাৎ অসাম্য প্রবল,সেই দেশে।
    আজ, ইউ এস জিডিপি দ্বিগুণ হলে, পার ক্যাপিটা 1 লাখ ডলার হয়ে যাবে।
    কিন্তু প্রভার্টি লাইন হয়তো 30 হাজার ডলার পার ফ্যামিলি দাঁড়াবে। এটাকে আক্ষরিক অর্থে দারিদ্র দূরীকরণ বলে না।বলে দারিদ্র তুলনামূলক ভাবে বাড়ছে।
    এই টুকুই।এটা বোঝা শিশি বোতল কিছু নয়।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০২:৪৯79204
  • একমাত্র সিপিএম ক্ষমতায় এলে এই অধরা কাজ গুলো ধীরে ধীরে সমাপ্ত হয়ে যাবে।মার্ক্সবাদ সাক্ষী।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০২:৫৮79205
  • এইসব অ্যাজেন্ডাগুলো তো সবরকম মানুষের জন্যই। এসবের মধ্যে তো কৃষক শ্রমিক মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী পরিবেশপন্থী গবেষক ডাক্তার উকিল ছাত্র শিক্ষক ইত্যাদি প্রভৃতি সবরকম মানুষেরই স্বার্থ আছে।
  • lcm | 673412.152.9000123.180 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৩:৪৪79237
  • এসএম,
    ঠিক বলেছেন, আপনি জলের মতন বুঝিয়ে দেবার পর সব ক্লিয়ার। আপনি যা যা বলেছেন সব বুঝতে পেরেছি। আসলে এরকম পোস্ট প্রায়ই দেখি, যে গান্ধী/নেহেরু/দাদু/নাতি/হাতি এরা ভারতের সব্বোনাশ করেছে, এদের জন্যেই দেশে আজ এত গরিব, এদের জায়গায় চেতন ভগৎ বা চেতন চৌহান এর মতন কেউ প্রধানমন্ত্রী হলে আজ দেশে “কোনো” গরিব লোক থাকত না, কিন্তু মোটা মাথা তো, তবে আপনি সুন্দর প্রাঞ্জল ভাবে বুঝিয়ে দিলেন, এখন সব বুঝতে পারছি ।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৩:৪৬79206
  • মোদিভক্ত বাঁদরগুলো তো বলেই দিয়েছে যে দেশে চাকরী অনেক আছে, পয়সার কোনো অভাবই নেই। শুধু মন্দির একটা কম আছে। আগে ওটা চাই।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৪:০২79207
  • স্বার্থ জিনিসটা বড়ই বিচিত্র।আপনি যা ঠিক মনে করছেন,আমি নাও ঠিক মনে করতে পারি।
    যেমন ধরুন,আপনি হলেন গিয়ে দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নতির জন্য সমর্পিত প্রাণ। দেশে জব তৈয়ারী হবে।
    আমি উলটো বুঝলি রাম। আমি জানি,বড় বড় শিল্পপতি দের ঋণ দেওয়ার অর্থ তাঁরা ব্যাংকের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা মেরে দেবে।
    আপনি ভাবেন দেশে প্রচুর সরকারি চাকরি হোক ও তাঁদের বেতন বৃদ্ধি হোক।
    আমি ভাবি এই পাহাড় প্রমান অসাম্যের দেশে,এসবে বিশেষ লাভ নাই।
    একজন সরকারি স্কুলের শিক্ষক 60 হাজার বেতন পেলে,প্রাইভেটে পায় 20 হাজার।
    সরকারি ড্রাইভার 40 হাজার বেতন,ছুটি ও পেনশন পেলেও,বেসরকারি ড্রাইভার এর অর্ধেক ও পায় না।
    আপনি চান কৃষকরা বেশি বেশি ঋণ পাক।
    আমি ভাবি প্রান্তিক কৃষকরা এর থেকে বেশি লাভবান হয় না।গুড় টা ধনী কৃষকরাই বেশি খায়।
    দেশের সংবাদ পত্রের পাতা ভরে থাকে কিভাবে জেট এয়ার ওয়েজ বাঁচানো যায়,জিও কেমন করে সাকসেস পেলো ইত্যাদি।
    এই যে বামেরা পব তে এতো বছর ক্ষমতায় ছিলো, বিরাট উন্নতি কিছু হয়েছিলো?
    রাহুল বাবা ডোবায় পড়ে গিয়ে বলছেন,72 হাজার টাকা করে বছরে হত দরিদ্র দের দেবেন।ওনার বুড়ো ঠা কুর্দা, ঠাকুমা বা বাবার আমলে গরীব দের কোন উন্নতি হয়েছে?
    লরেন বাবু পনোর লক্ষ দেবেন বলেছিলেন।পনেরো টাকা গরীব জনতা পেয়েছে?
    এখনো এদেশের কিছু জনতা বিয়েবাড়িতে ডাস্টবিনএ ফেলে দেওয়া উচ্ছিষ্ট ভক্ষণ করে।
    এসব পলিটিক্যাল জুমলা প্রচুর দেখলাম জীবনে।
  • sm | 2345.110.234512.194 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৪:১২79238
  • ধুস।আপনাকে কি করে বোঝাবো?আপনি এ ব্যাপারে প্রাজ্ঞ ব্যক্তি।
    আমি খালি বুঝতে চাইছিলাম অসাম্য বাড়া সত্বেও,কিভাবে দারিদ্র দূরীকরণ হয়?
    আর দাদু, ঠাকুমার রাজত্বে দরিদ্র লোকজন কি এমন পেয়েছে যে, রাহুল বাবার 72 হাজারের প্রতিশ্রুতি কে বিশ্বাস করবে?
    আলোচনা ভালোই হচ্ছিল।আপনি খুব ভালো তথ্য ও চার্ট দিচ্ছিলেন। পিটি ও খুব ভালো একটি তথ্য দিলেন।
    আলোচনা চলুক।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:০৯79208
  • "ওনার বুড়ো ঠা কুর্দা, ঠাকুমা বা বাবার আমলে গরীব দের কোন উন্নতি হয়েছে?"

    স্ট্যাটিস্টিক্যালি হয়েছে। মানে ১৯৫০ সালে ভারতের গরীবের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা যা ছিল তার থেকে অবস্থার উন্নতি হয়েছে (ইনফ্লেশন অ্যাডজাস্টেড)।


    https://voxeu.org/article/revisiting-poverty-reduction-india-60-years-data
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:১৪79209
  • এখানে আর একটা চার্ট আছে, জিডিপি বেড়েছে, প্রভার্টি ইন্ডেক্স কমছে, লক্ষ্যনীয় যে আর্বান প্রভার্টি কীভাবে বাড়ছে -
  • PT | 340123.110.234523.6 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:২৫79239
  • মানুষ তো ২০১৪-তে ১৫ লক্ষের ঢপ দিব্যি খেয়েছিল। ৭২ হাজার তো সেক্ষেত্রে নস্যি!!

    এদিকে ২ টাকা কিলোর ভিক্ষান্নে আর ভাঙ্গা সাইকেলের খয়রাতিতে রাজ্যের সরকার ঝুলে আছে। এই ব্যাপারটাকে আবার বোধহয় কেউ কেউ ওয়েলফেয়ার স্টেট ভেবে নিও কমিউনিজম ইত্যাদি গপ্প ফাঁদছেন।

    তবে ১৯৯১-এর মুক্ত বাজারের দৌলতে অসাম্য বেড়েছে। আর দিদিভাই ও মোদিভাই মিলে সেই অসাম্যের পালে হাওয়া দিয়ে অসাম্যের পাহাড় তৈরি করে চলেছেন। এই ভোটে তাই এই দেশকে "বামমুক্ত" করার লক্ষ্যে নাগপুরের ইচ্ছাফুল/পচ্চিম্বঙ্গে তিনোমুল হয়ে আরো প্রস্ফুটিত হবে।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:২৬79210
  • Lcm, আপনার কাছে দু একটি প্রশ্ন। স্বাধীনতার প্রায় 70 বছর পার হয়ে গেল।ভারত পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ।প্রচুর শিক্ষিত, মননশীল লোকের বাস। 2 কোটির ওপর যেন আর আই।যাঁদের অনেকেই প্রতিষ্ঠিত।জিডিপি বেড়েছে বেশ কয়েক গুণ।আপনি স্টযাটিস্টিক্স এর লোক।
    ভালো করে তথ্য দিয়ে লিখুন।
    এক, এখনো এতো ধনী দরিদ্র অসাম্য কেন?
    দুই, এখনো কেন বহু মানুষ ও কৃষক অনাহারে মারা যায়?
    তিন, কি সেই দেশ, যার ব্যাংকিং সিস্টেম কে ঝাঁঝরা করে দিয়ে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা মেরে দিয়ে শিল্পপতিরা অম্লান বদনে ঘুরে বেড়ায়?
    চার,প্রত্যেক দেশ বাসীর জন্য ভোটার কার্ড আর আঁধার কার্ড আছে। কিন্তু মিনিমাম শিক্ষা,স্বাস্থ্য,পেনশন এর ব্যবস্থা নেই।
    মনে রাখবেন,এই 70 বছরের মধ্যে 50 অধিক বছর রুল করেছে,বুড়ো ঠাকুরদা, ঠাকুমা,বাবা, বকলমে বাড়ীর বৌমা।
    জওহরলাল নেহরু,ইন্দিরা গান্ধীর আমল থেকে ঢপ শুনে আসছি,দুর্নীতিবাজ দের লয়াম্পস্টে বাঁধো, গরিবি হটাও ইত্যাদি।
    তো কেন এই অসীম যোগ্যতাসম্পন্ন, নাতি কে বিশ্বাস করবো?
    যদি মনে করেন কংগ্রেস আমলে প্রভুত উন্নতি হয়েছে,সেটাও বিস্তারিত লিখুন,নিজের অজ্ঞানতা স্বীকার করে নেবো।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৩৬79240
  • একটা ভীষণ ঠেলা দেওয়া দরকার। উল্টো ঠেলা।
  • / | 457812.254.892312.64 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৩৭79211
  • ঠাকুমার বাবা তো ঠিক ঠাকুদ্দা না, অন্য কিছু নামে ডাকে মনে হয়।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৪২79212
  • আপনার তো প্রশ্ন ছিল গরীবের "কোনো" উন্নতি হয়েছে কিনা, সেই প্রসঙ্গেই তো লিখলাম। "প্রভূত" উন্নতি নিয়ে তো আপনি আগে প্রশ্ন করেন নি।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৫০79213
  • সেই জন্যই বুড়ো ঠাকুরদা লিখলাম।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:০১79214
  • অত্যধিক জনসংখ্যা একটা সমস্যা বটে।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:০২79241
  • রন্জনদা তো লিখলেন যে ছত্তিশগড়ে নতুন সরকার কৃষিঋন মুকুবের কাজ শুরু করে দিয়েছে।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:১০79216
  • ভারতের জিডিপি বৃহৎ, কিন্তু পার ক্যাপিটা জিডিপি-তে ষষ্ঠ নয়, এখন (২০১৭ সালের হিসেব) পার ক্যাপিটা কোন দেশের কেমন, এটা থেকে কিছুটা বোঝা যাবে --

    India $1983
    Pakistan $1541
    Bangladesh - $1602
    Sri Lanka - $4073
    ...
    China - $8643
    USA - $59792
    Germany - $44769
    UK - $39800

    যে অনুপাতে জিডিপি বা পার-ক্যাপিটা বেড়েছে ১৯৫০ সাল থেকে, সেই অনুপাতে প্রভার্টি কমেছে কিনা, সেটার জন্য ঐ ওপরে দ্বিতীয় চার্টটা দিয়েছি। ওটা দেখলে কিছুটা আন্দাজ পাওয়া যাবে।

    অসাম্য - বেড়েছে না কমেছে? এটার তথ্য, মানে সেই ১৯৫০ সাল থেকে - দেখি নি, কেউ পেলে জানাবেন, জানতে আগ্রহী।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:১৪79217
  • ধনতন্ত্রের প্রকোপ যত বাড়বে, অসাম্য ততই বাড়বে। সেইজন্য বড়লোকদের গুছিয়ে ট্যাক্সাতে হয়। স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলোতে হাই ট্যাক্স রেট রাখে বলে ধনতান্ত্রিক দেশ হয়েও অসাম্য সেভাবে বেশি নয়। আম্রিগাতে ট্যাক্স রেট কম, তাই অসাম্য প্রচুর।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:১৬79218
  • আমি যেটুকু জানি,হাঙ্গার ইনডেক্স এ ভারত পৃথিবীর 97 তম দেশ।
    ভারতে প্রভার্টি লাইন স্থির হয়েছে শহরে 33 টাকা ও গ্রামে 27 টাকা রোজগার পার ডে।
    এই হিসাবেও 28.5শতাংশ লোক প্রভার্টি রেখার নীচে।
    আরও অনেক ইনডেক্স দেওয়াই যায়।
    আর আপনার দেওয়া আর্টিকেল টিও ভারতে,প্রভার্টি রিডাকশন খারাপ বলেই বিবেচনা করেছেন।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:১৮79219
  • সেই জন্যই তো বলছি, রাহুল ও তার ঠাকুরদার আমল থেকে গরীব দের উন্নতি হয় নি। ঢপ অনেক শুনেছি।এটা এক কথায় বললাম।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২০79220
  • ধনী-দরিদ্র অসাম্য সারা পৃথিবীতে আছে, বহু বহু যুগ ধরে আছে।
    থিওরেটিক্যালি কম্যুনিজ্‌ম্‌/সোস্যালিজ্‌ম্‌ এই অসাম্য দুরীকরণের কথা বলে, যদিও এখনও অবধি এই থিওরির যে ধরনের ইম্‌প্লিমেন্টেশন দেখা গেছে তাতে এমনটি সফল হয়েছে সে কথা বলা যায় না, কিন্তু গত শতাব্দীতে কিছু প্রচেষ্টা হয়েছিল ।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২২79221
  • অফ কোর্স উন্নতি হয়েছে। "প্রভূত" উন্নতি হয়েছে বলা যাবে না, কিন্তু ১৯৫০-এর থেকে উন্নতি হয়েছে।
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২২79222
  • Lcm, আপনার হিসাবেই ভারতের পার ক্যাপিটা জিডিপি 1983 ডলার।ইন্টারন্যশনাল প্রভার্টি এর মাপকাঠি যদ্দুর জানি 500 ডলার মতনপার ইয়ার।অর্থাৎ দৈনিক প্রায় 100 টাকা মতন।
    অথচ ভারতের প্রভার্টি লাইন ঠিক হয়েছে দৈনিক 33 ও 27 টাকা। কি মজার না?
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৩০79223
  • পার ক্যাপিটা জিডিপি-র সঙ্গে প্রভার্টি লাইনের তেমন সম্পর্ক নেই।

    যেমন ধরুন, ইউএসএ-তে প্রভার্টি লাইন, ২০১৮-র হিসেব অনুযায়ী ---

    "পরিবারের সদস্য" - "বার্ষিক আয় দারিদ্র মাত্রা"
    ১ - ১২১৪০
    ২ - ১৬৪৬০
    ৩ - ২০৭৮০
    ৪ - ২৫১০০

    অর্থাৎ, তিনজনের পরিবারের বার্ষিক আয় যদি ২০৭৮০ ডলারের কম হয়, তাহলে ফেডারেল নিয়ম অনুযায়ী সেটি দরিদ্র পরিবার। ইউএস-এর পার ক্যাপিটা ইনকাম ৫৯০০০ ডলার, তার মানে তিনজনের পরিবারের যদি দু-জনও অ্যাডাল্ট হন, পার ক্যাপিটা ফ্যামিলি হল ৫৯০০০ x ২ = ১১৮০০০ ডলার।

    ভারতের আয়ের দারিদ্র সীমা কত জানি না, মানে সরকারি হিসাব অনুযায়ী কত।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৩৮79242
  • বিরোধীরা তো বলবেন তাতে প্রান্তিক কৃষকদের লাভ হয় না, ধনী জোতদারের লাভ।
  • sm | 342323.176.67.41 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৪২79225
  • lcm,এই লিংক টা পড়ে ফেলুন।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৪৮79226
  • পেয়েছি,

    The income limit for households for qualifying as a beneficiary under the BPL (below poverty line) list has been pegged at about Rs. 27,000 per annum. If a person earns less than this amount, he can get a Below Poverty Line Certificate issued to avail the different subsidies offered by the government using this service.

    https://digitalindia.gov.in/content/below-poverty-line-certificate
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৫০79227
  • এসএম-এর লিংক পড়লাম, কোথাও কোনো তথ্য নেই, ১৯৫০ - ১৯৬০ - ১৯৭০ ... ২০১০ - ২০২০ --- এরকম সাল ধরে কোনো তথ্য দেখলাম না। আর, দাদু-নাতি-বৌমা-পিসি-হাতি-ঘোড়া -- কার জন্য কি হয়েছে ঐ লিংকে কিস্যু লেখে নি।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:০৭79228
  • এসএম,
    দেখুন আপনি পেশায় উকিল না ইঞ্জিনিয়ার, বা, আমি রাশিবিজ্ঞান না রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়েছি -- এসব অপ্রাসঙ্গিক। আমি গুগল সার্চ করে একটা চার্ট-এর লিংক দিলাম - এর জন্য তো এর কোনো কিছুরই দরকার নেই। সুতরাং, এসব বাদ দিয়ে গপ্পো-তক্কো-হাবিজাবির ঘোড়া ছুটুক ঃ-)
  • PT | 340123.110.234523.8 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:০৯79229
  • এটা থেকে কার আমলে কি হয়েছে সেটার খানিকটা আন্দাজ পাওয়া যাবেঃ
  • sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:১০79230
  • দূর,অতো রাগ করেন কেন?আপনি রাশি বিজ্ঞানের লোক হলে,আলোচনা জমে ভালো। কারণ তথ্য দিতে পারবেন।
    যাই হোক। আপনার আগের পোস্ট কটির মর্মার্থ পুরো বুঝতে পারলাম না।
    আমি আপনাকে একটি লিংক দিয়েছিলাম ,বর্তমান ভারতের প্রভার্টি চিত্রটি কতটা ভয়াবহ সেটা দেখাতে।অর্থাৎ 33 টাকা দৈনিক আয় হলেও 30 শতাংশ লোক তার নিচে বসবাস করে।এই চিত্র টি নিশ্চয় 50 বছর রুল করা দাদু,ঠাকুমা ফ্যামিলির সুনাম নির্দেশ করে না।
    দুই, একটি উদাহরণ দিচ্ছি। ধরা যাক একটি ফ্যামিলির 4 জন মেম্বার।আর্নিং মেম্বার বা কর্তার আয় মাসে 10 হাজার টাকা।অর্থাৎ পার হেড খরচা করার ক্ষমতা আড়াই হাজার টাকা মতন।ঠিক আছে।
    এবার কর্তার আয় হঠাৎ দ্বিগুণ হলো, মনে বিশ হাজার পার মানথ।
    কিন্তু কর্তা সম্প্রতি জুয়া খেলে খরচা করেন 8 হাজার টাকা।তাহলে পরিবারের মেম্বার পিছু খরচ করার ক্ষমতা দাঁড়ালো কতো?মাসে 3 হাজার। মনে 500 টাকা পার মানথ বেশী। দারিদ্র দূরীকরণ হলো কিছুটা। কিন্তু আদতে জুয়া না খেললে, প্রতি মেম্বার 5 হাজার টাকা প্রতি মাসে খরচা করতে পারতো।সুতরাং আমার মতে দারিদ্র দূরীকরণ হলো না।আপনি ভিন্ন মত পোষণ করতেই পারেন।
    আর একটু জটিল করি।ধরাযাক কর্তা মাসে আরো 8 হাজার টাকা ধার করে,রেস খেলেন।তাহলে পরিবারের কি রকম অবস্থা
  • রঞ্জন রায় | 232312.161.230123.168 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ১১:২৪79232
  • এই আলোচনার দুটো দিক।
    এক, অসাম্য। গত কয়েক বছরে খুব বেড়েছে। অক্সফ্যামের সার্ভে দেখুন। দেশের সম্পদের সিঙ্ঘভাগ ক্রমশঃ উপরের ৩% থেকে শুরু করে গত বছর টপ ১% এর লোকের মুঠোয়।
    দুই, গরীবি রেখার নিচের লোকজনঃ
    নিঃসন্দেহে কমেছে।
    আগের চেয়ে (৬০-৭০ এর দশক) পেশার য় সুযোগের বৈচিত্র্য বেড়েছে। এতে মার্কেট ইকনমির কিছু ভূমিকা রয়েছে মানতেই হবে।
    আর আমাদের বামপন্থী মাইন্ডসেটে একটা ডগমাটিক ব্যাপার আছে।
    আম্মাদের অবচেতনে পাবলিক সেকটর মানেই যেন সমাজতন্ত্রের দিকে একটু এগিয়ে। আসলে ক্যাপিটালিস্ট সিস্টেমে প্রাইভেট কি পাবলিক-- সবই ক্যাপিটালিজম।
    বিপ্লব কবে হবে, আদৌ হবে কি না জানি না। কিন্তু আমার জীবনকালে যদি এই দেশ একটা সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্টেট হয়ে যায়, অর্থাৎ সবার জন্যে খাদ্য সুরক্ষা, শিক্ষা, হেলথ কেয়ার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা রাষ্ট্রএর দায়িত্বে হয়, তাহলে হাসিমুখে চিতেয় উঠবো; নইলে গোমড়া মুখে গাইবো-- আমার জনম গেল বৃথা কাজে, আমি কাটানু দিন ঘরের মাঝে।
  • Sm | 2345.110.124512.165 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ১২:০০79233
  • অসাম্য বাড়া আর দারিদ্র কমা দুটো একসাথে রান করে না। এটা বুঝতে বড় ইকোনোমিস্ট হবার দরকার নেই তো।
    ভারতের গত 70 বছর জিডিপি বেড়েছে। মানুষের গড় আয় তো বাড়বেই।কিন্তু সমানুপাতে না বাড়লে,তাকেই বলে অসাম্য বাড়া ।এই কয়েন এর আর একটা দিক হলো ,দরিদ্রের অবস্থার উন্নতি না হওয়া।অর্থাৎ দরিদ্র মানুষরা তাঁদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
    কল্পিত অবস্থার কথা ভাবুন।ইন্ডিয়ার জিডিপি নেক্সট এক দশক নেগেটিভ হলে, দরিদ্র লোকেদের অবস্থার কি হবে?
    এনিওয়েজ অসাম্য বেড়েছে,এটা স্বীকৃত।
    এবার এই লিংকটি পড়ুন।শেষ পার্টটা খুব ইম্পরট্যান্ট।
    https://m.huffpost.com/us/entry/5429858
  • amit | 340123.0.34.2 (*) | ০৮ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৪৫79203
  • এই এজেন্ডা গুলো কিছুটা আপ ছাড়া আর কারোর আছে বলে তো মনে হয়না। কিন্তু পুরো দেশে ওদের প্রেসেন্স বড়োই কম। ওভারঅল এখন পাবলিক এর প্রায়োরিটি আর এগুলো আছে কি না সন্দেহ হয়, চ্যানেল চ্যানেল এ যেভাবে জোতিষচর্চা আর পূজা আচ্চা চলছে , তাতে পাবলিক এর বিজ্ঞান গবেষণায় আর উৎসাহ আছে কিনা সন্দেহ হয়। একটা অদ্ভুত ভিসিয়াস ডার্ক লুপ এ পরে গেছে সব।
  • Shibir | 340112.227.89900.39 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৪৩79246
  • অসাম্য আর দারিদ্র নিয়ে আলোচনা দেখে একটা কথা মনে পরে গেল । বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পভার্টি ইনডেক্স তৈরী হয় হেড কাউন্ট রেশিওর উপর বেস করে কিন্তু এই হেড কাউন্ট রেশিও তা খুব ভুলভাল একটা ইনডেক্স । ইটা ঠিকঠাক দারিদ্র কে ট্র্যাক করতে পারেনা । অমর্ত্য সেন এর একটা পভার্টি ইনডেক্স আছে সেন'স ইনডেক্স বলে । এটাতে উনি হেড কাউন্ট এর সাথে গিনি ইনডেক্স কে এক করে একটা ইনডেক্স তৈরী করেন এর ফলে যার ইনকাম ২৮ টাকা ছিল সেতো গরিব ছিলই কিন্তু যদি সেটা কমে ২৫ টাকা হয় তবে যে দারিদ্র বেড়ে যায় সেটাও ট্র্যাক করা যায় ।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:১২79243
  • তাহলে কি দাঁড়াল, চার্ট বলছে অসাম্য ১৯৫০-১৯৯০ --- চল্লিশ বছর ধরে কমের দিকে যাচ্ছিল --- তার মানে নেহেরু-ইন্দিরা-রাজীব --- তাই তো?
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:২৮79244
  • এবারে, অসাম্য সূচক (জিনি ইন্ডেক্স) এবং দারিদ্র রেখা। নেপালের জিনি ইন্ডেক্স ভারতের থেকে কম, অর্থাৎ নেপালে ভারতের থেকে অসাম্য কম। কিন্তু নেপাল গরীব দেশ (আফগানিস্তান, নেপাল, তাজিকিস্তান - সংখ্যার হিসেবে এশিয়ার সব থেকে গরীব দেশ)।

    আর, অসাম্য দুরীকরণই হল সাম্যবাদ - এসএম আসলে একজন সাম্যবাদী - যিনি বার বার প্রশ্ন করেন যে সম্পদের সমবন্টন কেন হয় না, সুতরাং, ইনি সাম্যবাদী/কম্যুনিস্ট না হয়েই যান না।

    জয় সাম্যবাদের জয়। এসএম-এর জয়।
  • sm | 2345.110.014512.236 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২০79245
  • আরে গরীব দেশ, বড়লোক দেশ বলে একটা ব্যাপার আছে তো। বাংলাদেশ,ভুটান,চাদ এদের ইনেকুয়ালিটি ইনডেক্স 30 থেকে 40 এর মধ্যে ঘোরাফেরা করে। ব্রাজিল এর 50 এর ওপর। তা বলে, হত দরিদ্রের সংখ্যায় শতকরা হিসাবে,ব্রাজিল এদের ছাপিয়ে যাবে নাকি?
    দেশ স্বাধীন হবার পর,প্রচুর নতুন কলকারখানা হয়, বৈদেশিক সাহায্য আসে,রাজতন্ত্রের ধীরে ধীরে বিলোপ হয়,ইনেকুয়ালিটি কমে আসে।আবার ওই দাদু ঠাকুমা দের আমল থেকেই পরবর্তী কালে বাড়তে থাকে।
    আর আমি কম্যুনিস্ট,পিটি ক্যাপিটালিস্ট এমন প্রতিপাদ্য সঠিক নয়,বলে মনে করি।
    একটা নীরব প্রতিবাদ জানালাম মাত্র।
  • sm | 2345.110.673412.172 (*) | ১০ এপ্রিল ২০১৯ ০৩:৩৩79247
  • আচ্ছা,এই যে দারিদ্র ও অসাম্য নিয়ে এতো কথা হচ্ছে,এটার কি কোন স্থির মাপকাঠি সম্ভব?
    ধরুন ভারতে পার ডে,পার হেড 33 টাকা।অথবা চার জনের ফ্যামিলি ধরলে বিপিএল সীমাএরাউন্ড 2500 টাকা পার মানথ পার ফ্যামিলি।অর্থাৎ ঘুরেফিরে সেই 30 টাকা পার হেড পার দিন। ভারী আশ্চর্য্য!যেখানে পার ক্যাপিটা জিডিপি বছরে দেড় লাখ টাকা মতন।
    কতখানি অসাম্য হলে,এসব চলতে পারে!
    দেশের কতিপয় ধনী ব্যক্তির হাতে সিংহভাগ মালিকানা।
    বুড়ো ঠাকুরদার আমল থেকে ধীরে ধীরে টাটা,বিড়লা, এঁদের উত্থান।এর পর ক্রমে ক্রমে সেই স্থান দখল করেছে আদানি,আম্বানি,মালিয়া,মোদি এনারা।
    অথচ,বলতে হবে নেহরু ও গান্ধী পরিবার দারিদ্র দূরীকরণে ভয়ানক পারঙ্গম।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2 | 3
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত