এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

    ঈশান লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ১০০৫৯ বার পঠিত
  • গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে, সে জন্য আগাম মার্জনা।
    প্রথমে গুরু কিভাবে বই ছাপে, এবং কেন ছাপে, সে নিয়ে দুই লাইন। প্রথম থেকেই আমাদের বই করার উদ্দেশ্যটা ছিল, সস্তা এবং পুষ্টিকর, যে কারণে চটি বই নামক ধারণাটির জন্ম। চটি নামটা একদম ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়েছিল। চটি মানে স্রেফ সরু না, ‘চটি’ বলতেই বাঙালির অবচেতনে একটা বটতলার অনুষঙ্গ চলে আসে। ছাপা ও বাঁধাই সহ সেই অনুষঙ্গটা খুঁচিয়ে তোলার জন্যই বইয়ের নাম চটি। সচেতনভাবেই। বস্তুত মলয় রায়চৌধুরির একটা বইয়ের ভূমিকায় এরকম লেখাও হয়েছিল, ‘লেখক চেয়েছিলেন একটি বটতলার বই, আমরা ছেপেছি চটি’। বলাবাহুল্য উদ্ধৃতিটা হুবহু না, এখন আর খুঁজে বার করে দেখতে ইচ্ছে করছেনা, কিন্তু বিষয়টা এটাই। পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।
    তা, এই স্টেটমেন্টটা আমরা রেখেছি। তাতে নানারকম সমস্যা হয়েছে। অন্তত একটি বড়ো পুস্তক চেন, আমদের বই রাখেননি। কারণ, একটা বইয়ের দাম যদি মিনিমাম তিনশো (বা চারশো ব পাঁচশো) টাকা না হয়, তাহলে তাঁদের প্রফিট মার্জিন বিশেষ থাকেনা। লার্জ স্কেলে অল্প প্রফিটে জিনিসপত্র বেচলে কেন শেষপর্যন্ত বেশি প্রফিট হবেনা, এই যুক্তিজাল তাঁদের মাথায় নেই। তো, এটা জেনেই খেলতে নামা হয়েছিল। কিছু বিকল্প আউটলেট ভাবা হয়েছে এবং হচ্ছে। তার মধ্যে বইমেলাটা সবাই জানেন, কিন্তু আরও বেশ কিছু আউটলেট, তালিকায় জমা হচ্ছে। সেসব যথাসময়ে ও স্থানে প্রকাশ্য।
    তা, এই সমস্যাটা আমাদের জানা ছিল। কিন্তু খুব সাম্প্রতিককালে আরও কিছু সমস্যা দেখা গেল, যেগুলো আগে থেকে ভাবা যায়নি। সমস্যাটার ফোকাল পয়েন্ট একটাই। যে, গুরুর জনপ্রিয়তাকে অনেকেই তাঁদের নিজেদের মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। এর গোটা দুই তিন উদাহরণ আছে। শেষ থেকে শুরু করা যাক। আমাদের বইপত্রের জনপ্রিয়তা, যেকোনো কারণেই হোক, ভালো। কারণ বলতে লেখক আছেন, লেখার মান আছে, আমাদের প্রচার আছে, এবং অবশ্যই পাঠকের বিশ্বাস আছে, যে আমরা যা করি বেছেই করি। বই গছিয়ে দেবার জন্য করিনা। ফলে অনেকেই এসে বাঞ্চে বই নিয়ে যান। এবং বইপত্র শেষ হয়ে যায়, পাবলিসিটিও হয়। তা, সাম্প্রতিককালে দেখা গেল, এক লেখকের এরকম কিছু বই আমাদের বিপণনে জনপ্রিয় হবার পর, একটি তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলল, যে, তারা তাঁর রচনাবলী ছাপবে। সে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু সঙ্গে সাবক্লজ এই, যে, তাঁর আর কোনো লেখা, এমনকি যেগুলো আমরা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে ফেলেছি, সেগুলোও আমরা আর ছাপতে পারবনা। ফলে, বস্তুত জিনিসটা দাঁড়াবে এই, যে, বিপণনটি আমরা করলাম, কিন্তু এরপরে আগ্রহী পাঠককে পাঁচগুণ দাম দিয়ে সেই বই কিনতে হবে অন্য প্রকাশনা থেকে। পাঠকসংখ্যা নিশ্চয়ই বিপণনের কারণে কিছু বাড়বে। কিন্তু আমরা যে উদ্দেশ্যে বইটি ছাপছিলাম, উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। এটা আমরা আটকাতে পারিনি, কারণ আমরা কোনো লেখকের কোনোরকম স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হোক, এই চুক্তি করিনা। কিন্তু বই প্রিন্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে ন্যূনতম শর্তাবলী আরোপ করার কথাই ভাবা হচ্ছে।
    দ্বিতীয় ঘটনাটি (কালানুক্রমিকভাবে সেটা অবশ্য আরও আগে ঘটেছে) আরও বিস্ময়কর। আমাদের কাছে একটি পত্রিকা ‘অন্য যৌনতা’র একটি লেখা ছাপবে বলে অনুমতি চেয়েছিল, আমরা বলেছিলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে ছাপতে পারেন। কার্যত দেখা গেল এক গাদা লেখা ছেপে বসে আছেন, এবং কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার নেই। এটা ছিল একটা পত্রিকা, এবং তারপর, আরও বিস্ময়কর, যে, একজন নামী প্রকাশক, সেটাকে বই বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা অনুমতি চাননি, আমাদের জানানও নি। হয়তো ইনফর্মেশন ছিলনা, তাও হতে পারে, জানা নেই। তা, আমরা জানার পর আপত্তি জানিয়ে এসেছি। বইটা ছাপা হয়েছে বলেও শুনিনি। হয়তো অসদুদ্যেশ্য কিছু ছিলনা, শুধুই যোগাযোগের অভাব ছিল। সেটা আমাদের জানা নেই। কিন্তু আমাদের দিক থেকে ঘটনাটা হল, যে, আমরা একটি উদ্যোগ নেব, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করব, কম দামে পাঠকের হাতে তুলে দেব, আর সেটাকে বিনা আয়াসে মলাটে বেঁধে কেউ তিনগুণ দামে বিক্রি করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি ছাড়া, এতে করে ‘সস্তায় চটি বই’ কনসেপ্টটি চূড়ান্ত ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমরা হচ্ছি।
    এইগুলো আমার দিক থেকে মনে হছে, অন্য কিছু না, শর্টকাটের প্রসেস। ‘বইয়ের বিক্রি হয়না’, অভিযোগটা যে জায়গা থেকে আসে। বইয়ের দাম প্রচুর বাড়িয়ে চট করে লাভ করে নেবার ধারণাটা যে জায়গা থেকে আসে। এবং অন্য উদ্যোগের ফল থেকে ঝট করে লাভ করে নেবার ইচ্ছেটা(কখনও অনৈতিকভাবেই) যেখান থেকে আসে। প্রচুর পাবলিকেশন হলে সমস্যা নেই। যত বই ছাপা হয়, তত ভালো। কিন্তু ছাপার এবং স্বল্পমেয়াদি লাভ করার বাসনায় পাঠকসংখ্যা কমিয়ে বাংলা বইয়ের অন্তর্জলী যাত্রার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কেউ বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছনোর কষ্টসাধ্য কাজটা করছেননা। গুরু এত বছর ধরে যে নেট ওয়ার্কটার পিছনে সময় দিয়ে যাচ্ছে। উল্টোদিকে তৈরি নেটওয়ার্কটা ব্যবহার করে পুশ সেল টেল করে ঝটিতি কর্ম সমাধা করছেন। যেটুকু পাঠকবেস তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে, অত্ঃপর কামড়াকামড়ি হবে। এর বাইরে যে বিরাট আন এক্সপ্লোরড এলাকা পড়ে আছে, সেদিকে কোনো নজরই নেই কারো।
    আমরা এই শর্টকাটের পদ্ধতিটা কখনও নিইনি। এই বারো বছর ধরে আমরা লড়ে গেছি। শূন্য থেকে শুরু করে। আজ পর্যন্ত অন্য জায়গা থেকে যেকটি লেখা আমরা নিয়েছি, প্রতিটি, অনুমতিসাপেক্ষে। এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার সমেত। একটিও ব্যতিক্রম নেই। জয়া মিত্রের একটি অনুবাদ লেখা আমরা প্রকাশ করেছিলাম। আমেরিকান প্রকাশকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে (আসলে ডলারে কিনতে হয়েছিল), দেরি হওয়ায় জয়াদিকে দুঃখ দিয়ে আমরা বই প্রকাশ গোটা একবছর পিছিয়ে দিই। ফলে আমাদের দিক থেকে এই শর্টকাটটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। লেখার অনুমতি নেওয়া, সৌজন্য স্বীকার, নেটে হোক বা বইয়ে, আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদুটো উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব ঘটেছে। সেটা কাম্য না। আমরা নিজেরা এগুলো মেনে চলি, অন্যরাও মেনে চলবেন, প্রত্যাশা করি। যেকোনো জায়গায়, এর অন্যথা হলে, আমরা যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেব।
    তো, এইগুলো হল বাহ্যিক সমস্যা। আভ্যন্তরীন কিছু গপ্পোও আছে। কিছু সমস্যা, কিন্তু পরিকল্পনা। মূলত যেগুলোর জন্য এই লম্বা এবং বোরিং লেখার অবতারণা। প্রথমে সমস্যাটা বলি। সেটা গুরুর মডেল সংক্রান্ত। মডেল বলতে চটি বই, ইত্যাদি, যেটা আগেই ব্যাখ্যা করলাম। আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
    সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।
    দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপারেও সাহায্য চাইব। সেটি আর্থিক নয়। একটা গুরুচন্ডালি লেখক-পাঠক সমবায় তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। তেমন কিছু না, একটি মেলিং লিস্ট। সেখানে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা বইগুলি নিয়ে নানা প্রোমোশানে একটু সাহায্য করবেন। টুকটাক আর কি। এটাও বেশ জরুরি কাজ, কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম নেই। কেউ আগ্রহী থাকলে জানাবেন।
    আমার/আমাদের দিক থেকে মডেল এটাই। চটি পাঠকের কাছে পৌঁছনোর একটা পন্থা। পাঠকসংখ্যা বাড়ানো, পাঠকের কাছে বই নিয়ে যাওয়া, এই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। চটি একটা উপায়। চটি ছাপব, দরকার হলে অন্য পন্থাও নেব। কিন্তু পাঠকের বেস বাড়ানোর অবস্থান থেকে এই মুহূর্তে সরছিনা। বিষয়টায় আগ্রহী হলে জানান। অন্য কোনো মতামত থাকলেও অবশ্যই জানান। সেই জন্যই এই লেখা জনারণ্যে প্রকাশ করা। কীভাবে কী করা হয়, ভাবা হয়, ভাবা হচ্ছে, এই নিয়ে নানা স্পেকুলেশন, প্রচার, অপপ্রচার নানাদিকে হচ্ছে। আমাদের দিক থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হল। কোনো প্রশ্ন করার থাকলে এখানেই করে ফেলুন। অন্য কোনো স্পেকুলেশনে কান দেবেননা। নানা জায়গায় নানা কথাবার্তা হয়, সেসব আমাদের কানেও আসে। কিন্তু ওতে গুরুত্ব দেবেননা। আমরাও দিইনা। যাকে বলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মাপ করে দিই। :-)

    পুঃ যাঁরা যোগাযোগ করতে আগ্রহী, [email protected] এ একটা মেইল ঠুকে রাখতে পারেন। এখানে জানালে বা মেসেজ করলেও হবে।

    পুঃ পুঃ ভবিষ্যতে গুরুর একটি নোটিসবোর্ড ব্লগ হবে। এখনও নেই, লেখাটাতেও প্রচুর 'আমি', আমি ' আছে, ঠিক নৈর্ব্যক্তিক নোটিস না। তাই ব্যক্তিগত ব্লগেই থাক। কিন্তু আহ্বানটা গুরুর দিক থেকেই।
  • ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ১০০৫৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | 165.69.191.255 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৬:৪২53641
  • টিমদাকে দেখে আমিও খুব খুশী হ'লাম। ব্যক্তিগত ভাবে আমি টিম ও হুতোদার যুগলবন্দী মিস করি ভীষণ। রাগারাগি ও ভুলবোঝাবুঝি গুলো মিটে গেলে খুবই ভালো হয়। পীড় মেটাবেন আশা করি।
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৬:৫৫53642
  • যাক, প্রকাশনা পুশ সেল-এর গল্প ছেড়ে থ্রেড ব্যাক ইন ৯ঋ-গুরু বাওয়াল :D
    কিন্তু টিম্ভাই কপিস কোশ্চেন--
    ১) কম্পিটিশন বা কনফ্লিক্টের ব্যাপার কি সত্যিই নেই? একই লেখকগোষ্ঠী এবং পাঠকগোষ্ঠী থাকলে প্রতিযোগিতা তো আসবেই। ১০০ টাকায় দুটো লিরি কিনবো না ৮টা গুরু কিনবো সে তো পাঠককেও ভাবতে হবে। যে যাই বলুক, বাংলা বাজারে.২০০-৩০০ বই বিক্রি হওয়াকেই লোকে টার্গেট ধরে কিন্তু। তদুপরি লেখক ভাঙানো, গুরুতে কমিট করা বই লিরির জন্যে চাওয়া ইত্যাদি গল্প ইনবক্সে ভাসছে। আর সুমেরুদা সামরানদি সেগুলো কাউন্টারও করছে না।
    ২) একভাবে কম্পিটিশন বলেই তো চটি পড়তে/পরতে বারণ করে অ্যাড মারা কিম্বা ৯ দিয়ে নামরাখতে চেয়ে ৯ঋকাল শুরু করা। গুরুর সঙ্গে কম্পিটিশন করা ছাড়া ঐ প্রকাশোনীর নাম ৯ঋকাল রাখার আর কোনও অর্থ কেউ দিতে পারবে?
    ৩) গুরু সঙ্গে যাদের বাওয়াল, তাদের ৯ঋ-তে অ্যাকমডেট করা তো একদম কলেজে প্রস্তুতি-পিডিএসেফ লেভেলের কনফ্লিক্টে হত।
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:১০53643
  • উপরের পোস্টে ১০০ টাকার জায়গায় ১০০০ টাকা হবে।
  • Lama | 213.132.214.85 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:১৭53644
  • ওয়েবস্টারের ডিকশনারি সবচাইতে ভাল। এত্তখানি মোটা আর লাল চামড়া দিয়ে বাঁধানো
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 213.99.211.18 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:২৭53645
  • আমি যেহেতু গুরুচন্ডালির কোন কাম করি না, তাই গায়ে পড়ে আর জ্ঞান দিলাম না। অবিশ্যি আগে দিয়ে দেখেচি তাতে কোন সুবিধে হয় নি, উল্টে একেকজন একেক সময় বাজে ডিফেনসিভ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া আমি যে কাজের কথা বলিচি এরকম কোন গ্র্যান্টি দিতে পারছি ও না, কি বলেছি কখন মনেও নেই বাল। আমি কোনো লি ফি দেখে এই সাইটে আসি নাই ও না, ইন্টারনেট রাইটিং এর 'ইনস্ট্যান্ট গ্র্যাটিফিকেশন' এর বদ-অভ্যেস, আর কিছু ইন্টারেস্টিং লেখা পত্র, এই মোটামুটি কারণ।
    গুরুচন্ডালি অর্গানাইজেশন কি ভাবে চলে আমার জানা নেই, এই বনের মোষ সৈকত কেন চালায় সেই বলতে পারবে। আমি নিশ্চিত এটা আমার প্রতিষ্ঠিত সংস্থা/সংগঠন হলে আমি এত ইনফর্মালিটি , ওভারল্যাপিং ডেলিগেশন, এবং ভলান্টারিজম এর ভিত্তিতে চালাতাম না, কিন্তু দিস ইস নট মাই মানি অর স্পেস, আমি ইউজার মাত্র। এবং সর্বোপরি আমার প্রাচীন কালে দেওয়া একটাও মহান সাজেশন গ্রহণ না করে গুরুচন্ডালি র এব'ম বাংলা মুদ্রন সংস্কৃতির এক পয়হাও ক্ষতি হয় নি ঃ-))) কনটেন্ট এর দিক থেকে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য ফ্রিকোয়েন্সি তে মোটামুটি উচ্চমান উপহার দিয়েছে। এটা আরো ভালো হলে ভালো। ভালো মাল বেরোলে কিনে পড়া হবে।

    বলতেই পারতাঅম এই সব অ্যাবসেন্টি ল্যান্ড লর্ডিজম চলে না, সৈকত ইপসিতা কেউ এখানে থাকে না এই মাল চলবে কি করে, তার পর দেখা গেল ১০ বছর চলে গেল। ভাবলাম বলবো ইপসিতার অ্যাকটিভিজম আর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের চোটে লিটেরারি কালচার এর ক্ষতি হচ্ছে, তার পর দেখলাম আমার কুলদা আর কামদুনীর প্রতিবাদ দুই ভালো লাগে। তবে ইপসিতা এই ছাত্র সংগঠনের ন্যায় বাজে লয়ালটি আশা করা টা ছাড়লে পারে, কারণ দুনিয়া এরকম না। আর জেনুইনলি এমপাওয়ার্ড ডেলিগেশন করলেও পারে, কিন্তু আমাকে যেন না করে ভেবে এ বিষয়ে কথা বাড়ালাম না, আমি কারো উপকার করবো না ঠিক করেছি, এতে বাজে বই বেরোলে গাল দেওয়া যায় না, অযত্ন হলে বলতে নজ্জা করে, কিন্তু সেটা করলে পড়ার অবজেকটিভিটি নষ্ট হবে। যেহেতু বাঙলা সাহিত্যের আমার এবং আমার বাংলা সাহিত্যের উপকারের কোন প্রয়োজন নেই, তাই সাজেশন আর দিচ্ছি না ;-))

    গুরুচন্ডালি কি ভাবে চলবে সে ব্যাপারে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। আর লিরিকাল সম্পর্কে কোন বক্তব্য নাই। চল্লে ভালো। অ্যাম্বুশ মার্কেটিং থামালে ভালো, নইলে তৎঅসত্ত্বেও ভালো বই গুরুচন্ডালি বের করতে পারবে।

    লোক চিনতে ভুল একটা হয়েছে। মাইরি বাঙালি রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকের বাড়িতে বাঙালি র‌্যাডিকাল প্রকাশনী এটা রসিকতা ছিল, বদরসিকতায় পরিণত হল এই আর কিঃ-)))))) ব্যক্তি মানুষ সম্পর্কে বক্তব্য নেই, কেউ ট্রাম্প সাপোরটার হলেও নেই, তবে, ইউনিটি অফ পারপস, যেটা ভলান্টারিজম এর মূল শর্ত সেটা কতটা ছিল আমার জানা নেই। তবে লোক চিনতে আমি নিজে এত ভুল জীবনে করেছি, কোন খারাপ ব্যাবহার পেলেও আর আজকাল বিট্রেয়াল ইত্যাদি মনে হয় না।

    লিরিকাল এর সুমেরু সামরান নিজেদের ক্রিয়েটিভিটি র বিকাশ ঘটাক। এই অ্যাম্বুশ মার্কেটিং দিয়ে শুরু না করলেই পারত, তাতে তাদের নিজেদের পছন্দের কাজ করতে অসুবিধে হত বলে মনে হয় না। ইনটারনেট আমাদের অনেক কিসু দিয়েছে তবে এই একটা সেলিব্রিটি কালচার হয়েছে যাতে আমার যা লাইক পড়েছে হয়তো জীবনান্দের পান নি, ওয়ালেস স্টিভেন্স পাননি, অমিয়ভূষণ কএটা ভাবলে লজ্জা হয়, আত্মহত্য করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু ঘটনা হল, মানুষের নিজেকে পৈটিকাল স্পেসে মিনিংঅফুলি এক্সপ্রেস করার জায়গা এত কম যে মানুষের একস্প্রেসনের সমস্ত জায়গায় কালচার, সেই জন্যেই এটা কনটেস্টেড স্পেস। তাও তো কত লোক লেখাপড়া জানে না সুযোগ পায় না কথা বলার তাই আমার বাজে বোকা বোকা লেখা হয়তো এখনো লোকে পড়ছে, শিক্ষার গণতন্ত্রীকরণ প্রকৃত হলে, আমরা অনেকেই কবে উড়ে যেতাম। এখন এই আত্মজীবনীর যে ঢল নেমেছে এটা অবশ্য শিক্ষার কিছুটা গণতন্ত্রীকরণের একটা ইন্ডিকেটর, এই সব বড় বড় কথায় কনসেন্ট্রেট করতে বলছি না, কিন্তু অবজেকটিভ হতে সাহায্য করতে পারে বলে বললাম।

    অনেকেই দেখেছি, রক স্টার থেকে, পাড়ার কাকুর দোকান, সকলেই দেখি ব্র্যান্ড লয়ালটি পসন্দ করেন, আমি ও যেমন রতন দার দোকান ছাড়া চা খাই না, কিন্তু বই পত্রের ক্ষেত্রে এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাবলিশিং যখন বিশেষত সেল্ফ পাবলিকেশন চলছে খুল্লম খুল্লা, শাড়ির বুটিক , আলুর বন্ড ও মহৎ সাহিত্য প্রায় এক ই পদ্ধতি তে বিক্রি হচ্ছে, এবং সেটা শুধু আনএথিকাল নাও হতে পারে, কারণ অন্য ইনডাস্ট্রির মতই প্রচন্ড ক্যাজুয়ালাইজেশন বাড়ছে মিডিয়া এবং পাবলিশিং এ, অতএব আমি ভালো ভালো কিসু বই বেরোলে সেটা আগের চেয়েও বড় একসেপশন এটা মেনে নিয়েই হাগু হিসি সেক্স চাকরি হেঁ হেঁ ইত্যাদির মতই অভ্যেস বসে বই পড়ার নিত্য কর্ম চালাচ্ছি।

    আগে একবার বলেছিলাম তাদের বই গুলোর বিষয় গুলোতে খুব আগ্রহ পাইনি, যদিও একজন লেখিকার র জীবনের সাংঘাতিক ব্যক্তিগত স্ট্রাগল নিয়ে শ্রদ্ধা আছে। তবে আলাউদ্দিন সম্পর্কে বইটা হয়তো কিনবো ভবিষ্যতে। এ বছরে বাংলা বইয়ের কোটা শেষ।

    আর কোন লেখক / লেখিকা / ভলান্টিয়ার কি পক্ষ নেবেন, সেটা তাঁদের ব্যাপার। যা পোসাবে করবেন, কারোর কাছেই এথিক্স এর আশা আর করি না, কারণ এথিক্স নেই। মানুষ ভালো বেশে অনেক কিসু করে , কিন্তু ভালো বাসার দাবী র চোটে জেনেরালি পৃথিবীতে আমি ক্লান্ত ঃ-))))))))

    লিগাল ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কিসু জানি না বলতে পারবো না, তবে অসংখ্য লোকের অযাচিত জ্ঞান ছাড়াই এন্ড অফ দ্য দু দল অ্যাডাল্ট লোক তাদের মামলা (যদি হয়) সামলে নিতে পারবে। আউট অফ দ্য কোর্ট সেটলমেন্ট হলেও ভালো। যাই হোক ফরমালি হলেই ভালো, তবে রিজোলিউশনের কোন ধরণের ইচ্ছা এখনো দেখা যাচ্ছে না। তাতিন বলে যিনি লিখছেন তার বক্তব্য বা বক্তব্যের পদ্ধতি সৈকত এনডোর্স না করলে ভালো। করলেও কিসু বলার নেই, মে বি দিস ইস দ্য গেম পিপল এনজয়।

    সারা জীবন প্রচুর ছাগলামি, অপ্রয়োজনীয় আকচা আকচি প্রচুর দেখেছি, কিছু কিছু সময়ে জড়িয়েও পড়েছি, অতএব নতুন কিসু আশা করি না, এ বিভিন্ন ফর্মে চলবে। তার মধ্যে নিয়মিত ইন্ডিয়ান মিরর পত্রিকার মত, ভালো বই বেরোলে ভালো। আশা করি ডিস্ট্রিবিউশন ও রেগুলারাইজ্ড হবে, এবং সেটা যেন গোষ্ঠী আনুগত্যের উপর থেকে তার নির্ভরতা কাটাতে পারে। কারণ নাহলে কেসটা বাজে থেকে বাজে তর হবে।
    এবং সবচেয়ে ঝাড় হল তাতে অবাক হওয়ার মত ও কিসু অবশিষ্ট থাকবে না।
  • h | 213.99.211.18 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:২৯53646
  • বাই দ্য কেউ ক বা লাইক না দিলেই ভালো, আমার গোষ্ঠী বা আনুগত্য কোনোটার ই দরকার নাই, তর্ক থাকলে বলবেন, ঐটা ভাল্লাগে ;-)
  • Lama | 213.132.214.87 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৩৩53647
  • বানতলা এলে একটা আওয়াজ দিও, চা খাবো
  • ট্যারান টুলা | 37.63.136.109 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৩৪53648
  • অনেকদিন পর একটা ভিন্টেজ বোদাগু লেখা :-p
  • b | 135.20.82.164 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৩৭53649
  • হনুবাবু একটু ভাটে উঁকি মারবেন।
  • ছেনো | 37.63.190.57 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৪৭53673
  • তাতিনবাবু নিজের অ্যানার্কিপনা চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর দেখছি .. কিন্তু ওতে ওই অ্যামবুশ মার্কেটিং এরই সুবিধা হবে না কি ?
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৯53650
  • এমনি সবই ঠিকই আছে, খালি একটা ব্যাপারে আমি একটু একমত হতে পারছি না অনেকের সাথে, সেটা হল ৯ এর ব্যবহার। লীগালি কি করা যাবে সেটা আমার কাছে কোনো ব্যাপারই নয়, আমি ৯ দেখে এসেছিলাম কিনা সেটাও জরুরী নয়। কিন্তু এই লিরিকাল এর গোটা প্রসেসটায় একেবারে দিন দুপুরে ডাকাতি যেটা হয়েছে, যা মানে কোনোকিছু ইনসাইডার ইনফো ছাড়াই বুঝতে পারা যায় - সেটা হল এই ৯ এর ব্যবহার। এবং আমি খুবই (মানে প্রায় ১০০%) কনফিডেন্ট যে এটা যদি সুমেরুদা না হয়ে অন্য কোনো এক্স ওয়াই জেড হত, যাকে আমরা চিনি না, এবং দেখা যেত যে সে বেমালুম ৯ ঝেঁপে দিয়েছে, সিমিলার ক্যাচলাইন দিয়েছে, ইত্যাদি, সেক্ষেত্রে মামলা করা নিয়ে বা তাদেরকে একটু সবক শেখানো নিয়ে আমার মনে হয় না এখানে কোনো দ্বিমত তৈরী হত বলে। মানে সেক্ষেত্রে এই '৯ টা কোনো ব্যাপারই না' - এরকম মনে হত কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। প্র্যাকটিকালি কি করা উচিৎ, কতটা করা উচিৎ, এগুলোতেই আটকে থাকবো, নাকি এগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগোবো, সেগুলো তো অবশ্যই আলোচনায় আসবে। কিন্তু দিনে দুপুরে করা এই ডাকাতিটা যেন সেই চক্করে লঘু না হয়ে যায়। ব্যক্তিগতভাবে আমার মতে সুমেরুদাদের সাথে যদি কোনোরকম ইনফর্মাল বোঝাপড়ায় আসতে হয় (যদি অদৌ কোনো সম্ভবনা থেকে থাকে, আমি জানি না), আমি হলে অন্ততঃ ওরা ৯ কে ছেড়ে দিয়ে নিজেদের গুডউইল শো করুক - এই পয়েন্টে স্টিক করতাম। এটা একেবারেই গুরুর আইডেন্টিটির প্রশ্ন আমার কাছে। গুরুর পরিচালকদের ব্যবহার বা চলার পদ্ধতির কারণে যেসব দূরত্ব ইত্যাদি তৈরী হয়েছে - সেগুলো এই ডাকাতির কোনো এক্সকিউজ যেন না হয়ে যায়। সেই ইস্যুগুলো আলাদাভাবে সলভ করতে হবে, এইটা আলাদাভাবে। দুটোকে যেন গুলিয়ে ফেলা না হয়। এটুকুই বলার।
  • | 30.139.67.50 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:১২53651
  • ৯ এর কি কপিরাইট আছে গুরুর কাছে। না থাকলে মামলা করে কি সুবিধা হবে?
  • pi | 83.16.48.135 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২৩53674
  • একক তো নিজের নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত কোন দাবি রাখেনি। ঋতর আর কোন কথা নিয়ে বলারও নেই কিছু।

    আর শ্চ, তাতিন এই কথাগুলো কি সিরিয়াসলি বলে যে সিরিয়াসলি নিয়ে রিআক্ট করব ? নইলে আপনি বলেন বলে রিআক্ট করি, অন্যে সেই কথা বললে নয়, এমন কিছু নয়।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩৪53652
  • না, মামলা করে সুবিধে নাও হতে পারে। জানি না। কিন্তু ইনফর্মাল লেভেলে এই চাপটা তৈরী করাই যায়, করা উচিৎও। এটা একেবারেই আমার মত। যাঁদের সাথে সুমেরুদাদের সুসম্পর্ক আছে, অথচ যাঁরা বুঝতে পারছেন এখানে একটা লাইন পেরোনো হয়েছে, তাঁরা বলুন ওদের পারসোনাল লেভেলে, যে তোমরা যদি একটা অন্য ধরণের বই, অন্য ধরণের আইডেন্টিটি গড়ে তুলতে চাও, তাহলে কেন ৯ এর পিছনে পড়ে আছো? এটা ছেড়ে দিলে বরং একটা বার্তা যায় যে তোমরাও এই এপিসোডটাকে পেছনে ফেলে এগোতে চাইছো। আমার তো মনে হয় এই কথাগুলো বলা উচিৎ। কাজ কী হবে না হবে - সেটা পরের কথা। কিন্তু বলা উচিৎ।
  • তাতিন | 213.110.242.7 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৪৩53653
  • আমি আগে বলছিলাম, তৃণমূল বা নেতাজিনগরকে ইনভল্ভ করতে। মামলা ফামলা দিয়ে কিছু হবেনা। বিভিন্ন মেলাটেলায় স্ট্রেট দলবেঁধে গিয়ে লিরিকালের স্টল থেকে লি টা ছিঁড়ে নিয়ে এলেই হবে। গগিকঃ একটু ভালো করে রিকোয়েস্ট করলে ওই করে দিত কজটা।
  • তাতিন | 213.110.242.7 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৪৩53654
  • *গগিকে*
  • * | 113.238.192.152 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৪৭53655
  • অনেক মত এলে অনেক কিছু জানা যায়। তা ভাল। একটা বিষয় বলি, অনেকটাই একই ঘটনা।
    কৃত্তিবাস বনাম নতুন কৃত্তিবাস। সুনীলের মৃত্যুর পর প্রতিভাস থেকে বেরোয় "নতুন কৃত্তিবাস"। কৃত্তিবাস বড় করে লেখা, আর ক্ষুদে অক্ষরে লেখা "নতুন"(প্রায় চোখে না পড়ার মতন)। প্রচারে বিভ্রান্ত হয় মানুষ।
    উকিলের চিঠি যায় প্রতিভাসের কাছে। প্রতিভাসও উত্তর দেয়...
    এবং এখনও দুটি পত্রিকায় বেরোচ্ছে। কর্তা-ব্যাক্তিরা পারস্পরিক গাল-মন্দ করে। ফেসবুকে। আবার ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি লোক থাকে। সেটাই স্বাভাবিক। দল-ভাঙাভাঙি, প্রলোভন ইত্যাদির কথা শোনা যায়। তিল থেকে তাল হয়।

    শুরুতে অনেক বেশী হতো এখন ধীরে ধীরে কমে আসছে, তবে আছে।

    আইনি পদক্ষেপে, বিরাট কিছু প্রাপ্তি হয়েছে বলে জানা নেই। ভবিষ্যতে হবে কীনা কে জানে!

    এ দেশে বড় বড় ঘ্যাপলার বিচারের ফল বেরোতে বেরোতে কত্তদিন লাগে, সেখানে এইসব কেস ফয়সলা হতে হতে দেখা যাবে আরও কত ঋ-৯ জন্ম নেবে।

    গুচ পাবলিকেশানের আসল কাজটি হ'ল- শস্তায় পুষ্টিকর জিনিস বাজারে আনা।
    মাস ও ক্লাস দুইই ছিল, আছে এবং থাকবে(যদিনা অলৌকিক কিছু হয়)

    পাবলিক গ্যাঁটের কড়ি খরচা করে বই কেনে, তারা ধুর নয়। জনগণে আস্থা রাখুন।
  • Lama | 213.132.214.88 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:০৫53656
  • বারংবার আশিস করি দেবদূত গেলা চলি স্বর্গ অভিমুখে

    এ রাজ্যেতে নাহি রবে হিংসা অত্যাচার। নাহি রবে দারিদ্র্য যাতনা ইত্যাদি

    যাও সবে নিজনিজ কাজে
  • h | 213.99.211.133 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৯53657
  • ক - লি টা গুরুর আইডেন্টিটি না। আইডেন্টিটি কিসু কম পড়ে নাই। পিনাকির বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে প্রাবন্ধিক সৈকতের থেকে মার্কেটিং এর সৈকত বেশি বড়। পরে হতে পারে এখনো না, হলে খুশি হব না তা না, আগে হোক। অল্প সময়ে অনেক গ্রহণযোগ্যতা ঐতিহাসিক ভাবে ঘটেছে ইনটারনেটের আমলে এবং মিডিয়া এক্সপ্লোশন এর পরে। কিন্তু পোবোন্দো গুলো ঐ গেঁড়ে মাথা থেকেই বেরিয়েছে ঃ-)))))))

    খ - মানুষ ও পাঠক যদি নেকু পুসু সরল গোলগাল বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত হয় মাইরি, তাহলে কিসু করার নেই, মানুষের বোঝা উচিত কে অরিজিনাল একটা চিহ্ন ব্যবহার করেছে আর কে সেটা পরে ব্যাবহার করছে। আর সেটা জানুক বা না জানুক কি বই পড়বে বা সাজাবে বা উপহার দেবে তার সঙ্গে তার সম্পর্ক মাত্র আছে বলে মনে হয় না। এটা পিনাকির মনে হচ্ছে, কম ইউজারবেস এর একটা ভয় পাচ্ছে বলে। সৈকত - ইপসিতা চাইলে ট্রাম্প কে বাংলা শেখাতে পারবে, কাবলি দা কে যখন পেরেছিল ;-) জোকস অ্যাপার্ট ইফ দেয় ওয়ান্ট দে ক্যান গিভ বিগ অরগানাইজেশনস আ রান ফর দেয়ার মানি। অ্যান্ড দিস স্মল থিং শুড নট বি আ প্রবলেম।

    আমি শিয়োর ওরা কি চায় ওরা সেটা জানে, ইউজার যেমন জানে কি ইউজ করবে। নানা ধরণের ইমপ্রিন্ট সব বড় পাবলিশিং এর থাকে, গুরু র এখন ই আছে। এটা আগেও বলেছি। সব বই তো চটি না, পেপার ব্যাক অন্যান্য তো আছে। নানা বিষয়ের নানা গাম্ভীর্য্যের বা মজার বা ক্রোধের নানা বই বের করবে। মানুষের কাছে পৌছতে পারলে মানুষ ঠিক ই কিনবে। কমিউনিটি (তাও আবার ঢপের কমিউনিটি) নির্ভরতা কমাটাই মংগল। এই লেখক পাঠক ভেস্টেড ইন্টারেস্ট এর গোল গোল চক্রবত গতি আর ভাল্লাগে না। ইন্দো র বই যদি ভালো অনুবাদক এর হাতে পড়ে, সারা পৃথিবী তে হই হই পড়ে যাবে। আর না পড়লে পৃথিবী গাধা চাপের কোন কারণ নেই।

    গ - আর তাতিনের ভুল ভাল বক্তব্যের সঙ্গে সরকারি ভাবে গুরুচন্ডালি নিজেদের ডিসটান্সিং করলে ভালো। না করলে ক্ষতি নেই, আই সিনিসিজম মাপ মত বাড়িয়ে নোবো ;-)

    ঘ - কোন লেখক কোথায় লিখবেন তার ব্যাপার। ফরমাল কনট্রাক্ট না থাকলে বিশেষতঃ। বহু ফ্লোর ক্রসিং হয়েছে ও হবে। বুঝতে হবে এটা একটা ইনডাস্ট্রি, এতে লোকে সুইচ করবে, পাঁচশো জায়গায় লোকে লিখ্কবে। কারণ দেয়ার ইজ অ রাইট টু এক্সপ্রেস। তার নানা মোটিভেশন নানা সময়ে থাকবে। তবে আমি চাই গুরুচন্ডালি বাংলা শুধু না অনেক রকমের ভারতীয় ভাষায় পাবলিশিং এর এমন একটা জায়গায় পৌছক, সেটা জে জায়গাই হোক, তাদের নিজেরা যে ধরণের লেখা বের করতে চায়, ডিসট্রিবিউট করতে চায়, যে ধরণের অন্যান্য কাজ করতে চায় সেটার তারা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ হয়ে উঠুক, এবং সে জার্নি তে ভুল ভাল লোক সঙ্গে থাকা সত্ত্বেও সেই জার্নি টা থাক। না পারার কারণ নেই যোগ্যতা আছে।
  • h | 213.99.211.133 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩১53658
  • এই যে এল জি বি টি লোকেদের বই বের করছে , এটা তো খুব ভালো ব্যাপার।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৪53659
  • শুধুই ৯ টা ডেফিনিটলি আইডেন্টিটি নয়। কিন্তু ওটাও আইডেন্টিটির একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট। এবার কতটা কী সেই নিয়ে পার্সেপশনে তফাৎ থাকতে পারে, কিন্তু একেবারে ফেলে দেওয়ার জিনিস, থাকলেই বা কী, না থাকলেই বা কী - এরকম অন্ততঃ আমার মনে হয় না। তবে আগেই বলেছি, প্র্যাকটিকালি কতদূর যাওয়া হবে ৯ নিয়ে, সেটা অবশ্যই ভাবার। কিন্তু কেউ একটা এটা করল, আর আমি সন্তসুলভ নিস্পৃহতায় কিছু ঘটেছে বলেই মনে করলাম না - এটাও একটু এক্সট্রীম প্রতিক্রিয়া বলেই মনে হয়। ব্যক্তিগত মত। গা জ্বলল, কিন্তু হজম করে নিলাম, অন্য আরও পাঁচটা বিষয় মাথায় রেখে, একক যেমন বলেছে - সেটাও একটা অবস্থান হতে পারে। কিন্তু গা-টাও জ্বলল না, এ মাইরি একেবারে সাধুবাবা লেভেলের হয়ে যেতে হবে। :-)
  • h | 213.99.211.132 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:০৭53660
  • দেখুন ভাই, অরগানাইজেশন চালাতে গেলে তাকে ডিফেন্ড করতে হয় বুঝি, কিন্তু আমি ডিফেন্সিভ ফোর্ট লাইফে অনেক দেখেছি। খুব আগ্রহ পাই না। হয়তো সেটাই সাফল্যের চাবিকাঠি, কিন্তু দারুন শক্ত কন্ট্রাক্ট ড্রাফ্ট করতে পারলেই তো শুধু ভালো লেখা বেরোবে না? আশা করি ফর্মাল স্ট্রাকচার যখন হবে তখন এসব করার ভালো উকিল পুষতে পারবে। কিন্তু ভালো উকিলের মাইনেটা ভালো লেখা দিয়েই হবে। এটা কিছুটা চিকেন অ্যান্ড এগ, কোন দিকে কতটা মন দেবেন ওঁরাই ঠিক করবেন।
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১০53661
  • কেসটা কবীর সুমনের মতন হয়ে যাচ্ছে না? ভদ্রলোক দুদশক ধরে বলে আসছেন ওনাকে কবীর সুমন বলতে আর সিপিএম ওনাকে সুমন চট্টোপাধ্যায় বলেই ছাড়বে! গুরুচণ্ডা৯ কর্তৃপক্ষ মনে করছে ৯-টা তার পঋচিতির অঙ্গাঙ্গি ব্যাপার আর লোকজন বলছে ৯ বাদ দিয়ে দেখ, সুমনের গান সুমনের গানই থাকবে!
    ** ৯ টাকে স্পেশাল কিছু না ভাবলে গদ্য-প্রকাশনীর নাম লিরিকাল হয় না। কখনো দেখেছ হাইভোল্টেজের জার্নালের নাম ফর্মাল মেথডস অ্যান্ড অটোমেটা হয়?
  • h | 213.99.211.132 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১২53662
  • অবস্য হতে পারে আপনি এই গুরুর নিজের অরগানাইজেশনের সঙ্গে যুক্ত "ওঁরার" মধ্যে পড়ছেন, তাহলে আপনি কখন এঁদের কি সাজেশন দেবেন সে ব্যাপারে আমার বলার অধিকার নাই। নিজের মনে করে এটুকু বলতে পারি, নিউ ইয়র্ক টাইম্স বা আনন্দ কারুর ই উকিল দের নাম জানি না ;-)))))))))))))))))))
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১৫53663
  • আমাকে বলা হলে আমি সাজেশন দিয়ে রেখেছি, তোমার ঝাঁট যে জ্বালিয়েছে যেখানে যখন যতটুকু সুযোগ পাও তার চেয়ারে পেনসিল পুঁতে রাখো, ব্যাস্‌।
  • h | 213.99.211.132 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:১৮53664
  • এইটা অবশ্য মজার একটা লজিক দিয়েছেন তাতিন, সত্যি ই মজারঃ-))))))))))) তো তারা হয় মামলা অথবা আপনার প্রস্তাবিত পদ্ধতি অনুযায়ী এগোনঃ-)))), বাট অ্যাজ ফার অ্যাজ আই আন্ডারস্ট্যান্ড দিজ পিপল, এরা লেখায় আর অর্গ রি-স্ট্রাকচারে মন দেবেন। আপনার সিকিউরিটি কনসালটান্ট হিসেবে প্রসপেক্ট এখনো আমার মতে কম ঃ-))))))))))))))))))))))))
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২৫53675
  • তাতিনকে,

    ১) প্রতিযোগিতা নিয়ে তো কিছু বলার নেই। একই বাজারে তো নানাবিধ বিরিয়ানি চেইন আছে, পাবলিশিং এর বাজারেও তা থাকবেই। বরং পুশ সেলিং অনেক বড়ো সমস্যা। ভেবে দ্যাখ, স্রেফ চেনাশুনোর জন্য যদি ক্রেতার বাজেটের বেশিটাই ট্র্যাশে ব্যয় হয় তাহলে কি ভালো হবে? আখেরে ভালো বই কেনা বেশি হলে লং রানে ভালো বই করতে চাওয়া লোকেদের লাভ। সেদিক থেকে গুরু ও লিরিকাল পরষ্পরের শত্রু হওয়ার কথা ছিলো না।
    ২) হতেই পারে। এই বিষয়ে লিরিকাল ব্যাখ্যা দিলে খুশি হবো।
    ৩) দল ভাঙানো? আমার তো বাপু এই ব্যাপারটা বেশ মজার লাগছে। একটা নতুন প্রতিষ্ঠান সব সময়ই চাইবে লোকবল বাড়ুক। তারা অনেককেই অ্যাপ্রোচ করবে, যেহেতু যত বেশি লোক হয় ততই ভলান্টিয়ার/পাঠক বাড়ে। এর মধ্যে গুরুর লোকেদের যাদের অ্যাপ্রোচ করা হয়েছে তারা তো অনেকেই বন্ধু মানুষ। বন্ধুদের বন্ধুরা তো বলতেই পারে। যারা সেখানে শ্রম/সময় দিতে রাজি তারা যাবে, স্বেচ্ছায় যাবে। এর পুরো দায়িত্ব লিরিকালের না। লি দেখিয়ে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে গেছে, সিস্টার কনসার্ন ভেবে ভুল করে চলে গেছি, এইগুলো হাস্যকর অজুহাত।শুনে মনে হয় ডে কেয়ারের গল্প।
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:৪৮53676
  • আমার পোস্টের ৩ নম্বর পয়েন্টের শেষ লাইনটা ভলান্টিয়ারদের উদ্দেশ্যে না, বইমেলায় লিরিকাল্র্র স্টলে যাওয়া নিয়ে এইসব পাই লিখেছে, সেই প্রেক্ষিতে।
    যাই হোক, বক্তব্য হলো যে যার নিজের দায়িত্বেই করছে যা করছে।
  • Ekak | 53.224.129.42 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:৫৪53677
  • কন্সিউমেবল গুডস এর মডেল নন কন্সিউমেবল এ চলেনা । পুশ সেল কন্সিউমেবল এ হয় । বাড়িতে পরার ঘরোয়া শাড়ি - রুমাল -ফতুয়া - পাপোষ -ধূপকাঠি -আচার এগুলো হলো পুশ সেলের স্বর্গ । বই যদি ডিরেক্টরি জাতীয় কিছু হয় তাহলেও কন্সিউমেবল । কিন্তু সাহিত্য -প্রবন্ধ এসব নন -কসিউমেবল । এগুলো কেও পুশ সেল করে মার্কেট ধরতে পারেনি , তাই পুল স্ট্রাটেজি নিয়ে চলে । একশো পিস ছাপিয়ে ষাট পিস পুশ সেল , ওই করে কোনদিন প্রকাশনা ব্যবসা দাঁড়াবেনা । মাঝখান থেকে এপাথি তৈরী হবে । লেখক-পাঠক সম্পর্ক খারাপ হবে ।

    পুশ সেল এর মার্কেটিং কে ফেল মাড়ানোর উপায় হলো , দাম পরে দিচ্ছি বলে বইটা নিয়ে কাটিয়ে দেওয়া । যেভাবে একসময় রমরম করে বেড়ে ওঠা বাঙালি বৌদিদের শাড়ি পুশসেল ব্যবসা লাটে উঠেছে । দাম কম হলে খুচরো নেই বলো , বেশি হলে ধারে চাও । আস্তে আস্তে ধার জমবে । তারপর , বই এর প্রকাশক তো আর শাড়ির মহাজন নয় , দুটো এডিশন ও টানতে পারবেনা , চাটি বাটি গুটিয়ে যাবে ।
  • একক | 53.224.129.42 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:০২53665
  • তাতিন , মনে হয় কেও অস্বীকার করছেনা যে ঐরকম নাম ও বেছে বেছে গুরুকে ঠেস দিয়ে মার্কেটিং উদ্দেশ্যমূলক । প্রশ্ন হলো এর পেছনে কতটা প্রডাকটিভিটি অপব্যয় বা এনগেজ করা হবে । আমি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে আরও বড় করে তুলে অন্যকে ছোট করায় বিশ্বাসী । ইন্টারনেট ফোরামের শেমিং পলিটিক্স এ বিশ্বাসী না ।

    আর , তুই যে গায়কের নাম করে উদাহরণ দিলি তাঁর দিকে তাকালেই বুঝতে পারবি , উনি লোকের ভুল শোধরাতে যা খরচ করেছেন নিজেকে , ওনারই কনটেম্প ও পৃথিবীজুড়ে তুমুল বিখ্যাত ইউসুফ ইসলাম তথা ক্যাট স্টিভেন্স তা করেন নি । তাতে ক্যাট স্টিভেন্স এর খ্যাতি বা লাইফটাইম এচিভমেন্ট কেও আটকাতে পারেনি । একটু বাঙালি চিম্প মাইন্ড এর বাইরে ভাবা দরকার । চলো সবাই মিলে দল বেঁধে ওদের পোদে লাগি এটা চিম্প মাইন্ড লজিক , চূড়ান্ত কাউন্টারপ্রডাকটিভ। অন্যদিকে নিজেদের রিস্ট্রাকচার এন্ড ইন্ট্রোসপেকট করা তুলনামূলক ভাবে সহজ , একদম ট্যানজিবল লাভ-ক্ষতির জায়গা থেকেই বলছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন