এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

    ঈশান লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ১০০৫৫ বার পঠিত
  • গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে, সে জন্য আগাম মার্জনা।
    প্রথমে গুরু কিভাবে বই ছাপে, এবং কেন ছাপে, সে নিয়ে দুই লাইন। প্রথম থেকেই আমাদের বই করার উদ্দেশ্যটা ছিল, সস্তা এবং পুষ্টিকর, যে কারণে চটি বই নামক ধারণাটির জন্ম। চটি নামটা একদম ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়েছিল। চটি মানে স্রেফ সরু না, ‘চটি’ বলতেই বাঙালির অবচেতনে একটা বটতলার অনুষঙ্গ চলে আসে। ছাপা ও বাঁধাই সহ সেই অনুষঙ্গটা খুঁচিয়ে তোলার জন্যই বইয়ের নাম চটি। সচেতনভাবেই। বস্তুত মলয় রায়চৌধুরির একটা বইয়ের ভূমিকায় এরকম লেখাও হয়েছিল, ‘লেখক চেয়েছিলেন একটি বটতলার বই, আমরা ছেপেছি চটি’। বলাবাহুল্য উদ্ধৃতিটা হুবহু না, এখন আর খুঁজে বার করে দেখতে ইচ্ছে করছেনা, কিন্তু বিষয়টা এটাই। পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।
    তা, এই স্টেটমেন্টটা আমরা রেখেছি। তাতে নানারকম সমস্যা হয়েছে। অন্তত একটি বড়ো পুস্তক চেন, আমদের বই রাখেননি। কারণ, একটা বইয়ের দাম যদি মিনিমাম তিনশো (বা চারশো ব পাঁচশো) টাকা না হয়, তাহলে তাঁদের প্রফিট মার্জিন বিশেষ থাকেনা। লার্জ স্কেলে অল্প প্রফিটে জিনিসপত্র বেচলে কেন শেষপর্যন্ত বেশি প্রফিট হবেনা, এই যুক্তিজাল তাঁদের মাথায় নেই। তো, এটা জেনেই খেলতে নামা হয়েছিল। কিছু বিকল্প আউটলেট ভাবা হয়েছে এবং হচ্ছে। তার মধ্যে বইমেলাটা সবাই জানেন, কিন্তু আরও বেশ কিছু আউটলেট, তালিকায় জমা হচ্ছে। সেসব যথাসময়ে ও স্থানে প্রকাশ্য।
    তা, এই সমস্যাটা আমাদের জানা ছিল। কিন্তু খুব সাম্প্রতিককালে আরও কিছু সমস্যা দেখা গেল, যেগুলো আগে থেকে ভাবা যায়নি। সমস্যাটার ফোকাল পয়েন্ট একটাই। যে, গুরুর জনপ্রিয়তাকে অনেকেই তাঁদের নিজেদের মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। এর গোটা দুই তিন উদাহরণ আছে। শেষ থেকে শুরু করা যাক। আমাদের বইপত্রের জনপ্রিয়তা, যেকোনো কারণেই হোক, ভালো। কারণ বলতে লেখক আছেন, লেখার মান আছে, আমাদের প্রচার আছে, এবং অবশ্যই পাঠকের বিশ্বাস আছে, যে আমরা যা করি বেছেই করি। বই গছিয়ে দেবার জন্য করিনা। ফলে অনেকেই এসে বাঞ্চে বই নিয়ে যান। এবং বইপত্র শেষ হয়ে যায়, পাবলিসিটিও হয়। তা, সাম্প্রতিককালে দেখা গেল, এক লেখকের এরকম কিছু বই আমাদের বিপণনে জনপ্রিয় হবার পর, একটি তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলল, যে, তারা তাঁর রচনাবলী ছাপবে। সে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু সঙ্গে সাবক্লজ এই, যে, তাঁর আর কোনো লেখা, এমনকি যেগুলো আমরা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে ফেলেছি, সেগুলোও আমরা আর ছাপতে পারবনা। ফলে, বস্তুত জিনিসটা দাঁড়াবে এই, যে, বিপণনটি আমরা করলাম, কিন্তু এরপরে আগ্রহী পাঠককে পাঁচগুণ দাম দিয়ে সেই বই কিনতে হবে অন্য প্রকাশনা থেকে। পাঠকসংখ্যা নিশ্চয়ই বিপণনের কারণে কিছু বাড়বে। কিন্তু আমরা যে উদ্দেশ্যে বইটি ছাপছিলাম, উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। এটা আমরা আটকাতে পারিনি, কারণ আমরা কোনো লেখকের কোনোরকম স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হোক, এই চুক্তি করিনা। কিন্তু বই প্রিন্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে ন্যূনতম শর্তাবলী আরোপ করার কথাই ভাবা হচ্ছে।
    দ্বিতীয় ঘটনাটি (কালানুক্রমিকভাবে সেটা অবশ্য আরও আগে ঘটেছে) আরও বিস্ময়কর। আমাদের কাছে একটি পত্রিকা ‘অন্য যৌনতা’র একটি লেখা ছাপবে বলে অনুমতি চেয়েছিল, আমরা বলেছিলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে ছাপতে পারেন। কার্যত দেখা গেল এক গাদা লেখা ছেপে বসে আছেন, এবং কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার নেই। এটা ছিল একটা পত্রিকা, এবং তারপর, আরও বিস্ময়কর, যে, একজন নামী প্রকাশক, সেটাকে বই বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা অনুমতি চাননি, আমাদের জানানও নি। হয়তো ইনফর্মেশন ছিলনা, তাও হতে পারে, জানা নেই। তা, আমরা জানার পর আপত্তি জানিয়ে এসেছি। বইটা ছাপা হয়েছে বলেও শুনিনি। হয়তো অসদুদ্যেশ্য কিছু ছিলনা, শুধুই যোগাযোগের অভাব ছিল। সেটা আমাদের জানা নেই। কিন্তু আমাদের দিক থেকে ঘটনাটা হল, যে, আমরা একটি উদ্যোগ নেব, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করব, কম দামে পাঠকের হাতে তুলে দেব, আর সেটাকে বিনা আয়াসে মলাটে বেঁধে কেউ তিনগুণ দামে বিক্রি করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি ছাড়া, এতে করে ‘সস্তায় চটি বই’ কনসেপ্টটি চূড়ান্ত ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমরা হচ্ছি।
    এইগুলো আমার দিক থেকে মনে হছে, অন্য কিছু না, শর্টকাটের প্রসেস। ‘বইয়ের বিক্রি হয়না’, অভিযোগটা যে জায়গা থেকে আসে। বইয়ের দাম প্রচুর বাড়িয়ে চট করে লাভ করে নেবার ধারণাটা যে জায়গা থেকে আসে। এবং অন্য উদ্যোগের ফল থেকে ঝট করে লাভ করে নেবার ইচ্ছেটা(কখনও অনৈতিকভাবেই) যেখান থেকে আসে। প্রচুর পাবলিকেশন হলে সমস্যা নেই। যত বই ছাপা হয়, তত ভালো। কিন্তু ছাপার এবং স্বল্পমেয়াদি লাভ করার বাসনায় পাঠকসংখ্যা কমিয়ে বাংলা বইয়ের অন্তর্জলী যাত্রার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কেউ বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছনোর কষ্টসাধ্য কাজটা করছেননা। গুরু এত বছর ধরে যে নেট ওয়ার্কটার পিছনে সময় দিয়ে যাচ্ছে। উল্টোদিকে তৈরি নেটওয়ার্কটা ব্যবহার করে পুশ সেল টেল করে ঝটিতি কর্ম সমাধা করছেন। যেটুকু পাঠকবেস তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে, অত্ঃপর কামড়াকামড়ি হবে। এর বাইরে যে বিরাট আন এক্সপ্লোরড এলাকা পড়ে আছে, সেদিকে কোনো নজরই নেই কারো।
    আমরা এই শর্টকাটের পদ্ধতিটা কখনও নিইনি। এই বারো বছর ধরে আমরা লড়ে গেছি। শূন্য থেকে শুরু করে। আজ পর্যন্ত অন্য জায়গা থেকে যেকটি লেখা আমরা নিয়েছি, প্রতিটি, অনুমতিসাপেক্ষে। এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার সমেত। একটিও ব্যতিক্রম নেই। জয়া মিত্রের একটি অনুবাদ লেখা আমরা প্রকাশ করেছিলাম। আমেরিকান প্রকাশকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে (আসলে ডলারে কিনতে হয়েছিল), দেরি হওয়ায় জয়াদিকে দুঃখ দিয়ে আমরা বই প্রকাশ গোটা একবছর পিছিয়ে দিই। ফলে আমাদের দিক থেকে এই শর্টকাটটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। লেখার অনুমতি নেওয়া, সৌজন্য স্বীকার, নেটে হোক বা বইয়ে, আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদুটো উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব ঘটেছে। সেটা কাম্য না। আমরা নিজেরা এগুলো মেনে চলি, অন্যরাও মেনে চলবেন, প্রত্যাশা করি। যেকোনো জায়গায়, এর অন্যথা হলে, আমরা যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেব।
    তো, এইগুলো হল বাহ্যিক সমস্যা। আভ্যন্তরীন কিছু গপ্পোও আছে। কিছু সমস্যা, কিন্তু পরিকল্পনা। মূলত যেগুলোর জন্য এই লম্বা এবং বোরিং লেখার অবতারণা। প্রথমে সমস্যাটা বলি। সেটা গুরুর মডেল সংক্রান্ত। মডেল বলতে চটি বই, ইত্যাদি, যেটা আগেই ব্যাখ্যা করলাম। আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
    সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।
    দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপারেও সাহায্য চাইব। সেটি আর্থিক নয়। একটা গুরুচন্ডালি লেখক-পাঠক সমবায় তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। তেমন কিছু না, একটি মেলিং লিস্ট। সেখানে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা বইগুলি নিয়ে নানা প্রোমোশানে একটু সাহায্য করবেন। টুকটাক আর কি। এটাও বেশ জরুরি কাজ, কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম নেই। কেউ আগ্রহী থাকলে জানাবেন।
    আমার/আমাদের দিক থেকে মডেল এটাই। চটি পাঠকের কাছে পৌঁছনোর একটা পন্থা। পাঠকসংখ্যা বাড়ানো, পাঠকের কাছে বই নিয়ে যাওয়া, এই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। চটি একটা উপায়। চটি ছাপব, দরকার হলে অন্য পন্থাও নেব। কিন্তু পাঠকের বেস বাড়ানোর অবস্থান থেকে এই মুহূর্তে সরছিনা। বিষয়টায় আগ্রহী হলে জানান। অন্য কোনো মতামত থাকলেও অবশ্যই জানান। সেই জন্যই এই লেখা জনারণ্যে প্রকাশ করা। কীভাবে কী করা হয়, ভাবা হয়, ভাবা হচ্ছে, এই নিয়ে নানা স্পেকুলেশন, প্রচার, অপপ্রচার নানাদিকে হচ্ছে। আমাদের দিক থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হল। কোনো প্রশ্ন করার থাকলে এখানেই করে ফেলুন। অন্য কোনো স্পেকুলেশনে কান দেবেননা। নানা জায়গায় নানা কথাবার্তা হয়, সেসব আমাদের কানেও আসে। কিন্তু ওতে গুরুত্ব দেবেননা। আমরাও দিইনা। যাকে বলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মাপ করে দিই। :-)

    পুঃ যাঁরা যোগাযোগ করতে আগ্রহী, [email protected] এ একটা মেইল ঠুকে রাখতে পারেন। এখানে জানালে বা মেসেজ করলেও হবে।

    পুঃ পুঃ ভবিষ্যতে গুরুর একটি নোটিসবোর্ড ব্লগ হবে। এখনও নেই, লেখাটাতেও প্রচুর 'আমি', আমি ' আছে, ঠিক নৈর্ব্যক্তিক নোটিস না। তাই ব্যক্তিগত ব্লগেই থাক। কিন্তু আহ্বানটা গুরুর দিক থেকেই।
  • ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ১০০৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:১৯53518
  • গুরুর ইনসাইডার ছিলি বলিনিতো। ওদের ইনসাইডার অবশ্যই। তুই ঐ প্রকাশনার শুরুর থেকে আছিস, আকটিভলি। বইমেলাতেও থেকেছিস। সেটা অবশ্যই তোর চয়েজ। সেই নিয়ে কিছু বলার নেই। খালি তোর বক্তব্য, একেবারে দু জায়গার আউটসাইডার হিসেবে দিচ্ছিস, এটা ঠিক নয়। এটাই বলা। তাই গুরুকে নিয়ে বক্তব্য তোর দিক থেকে যা আসবে, সেটা ঐ প্রকাশনার ইনসাইডার হিসেবেই ধরব। এবং যা যা হয়েছে, সেগুলো জেনে থেকে থাকলে সেগুলোকেও সমর্থন করিস বলেই ধরব। এই ধরা নিয়ে আপত্তি করতে পারিস না, এটুকুই।
  • . | 133.242.242.16 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:১৯53517
  • ছোটোলোকের এই থ্রেটটা ভাল লাগল না। অন্যের সঙ্গে গেছি বলে এখানে এসে, হুঁ হুঁ বাবা পোল খুলে দেব মার্কা উক্তি এগুলি।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২০53519
  • দাদা পিনাকি,
    এটাই ভুল বলছি। আমার স্ত্রীর কাজের দায় আমাকে নিতে হচ্ছে এটা দেখে অবাক হলাম।

    আমি গুরুর লোক কোনও যুগেই ছিলাম না, সে তো আগের একটা পোস্টেই পরিষ্কার লিখেছি।

    আবার বলে দি, আমি অরিজিনাল মজলিশের লোক।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২২53521
  • আমিও লসাগুদার সাথে একমত। আর এই নিয়ে না হ্যাজানোই ভালো।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২২53520
  • সে তোমার ধরা না ধরার উপর আমার কোনও হাত নেই। যা খুশী ধরতে পারো।
    তবে এই পোস্ট টা আর কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট এর কনসেপ্ট পুরো আলাদা।
  • de | 24.139.119.174 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৩53524
  • এই ইনকাম ট্যাক্সের ব্যাপারটা নিয়ে গুরু ক্লিয়ার থাকুক, কিছুই বলা যায় না আজকাল, কোথা থেকে কোন প্রবলেম শুরু হয়ে যাবে! তবে সিকি যেখানে আছে, সেখানে ইনকাম ট্যাক্স নিয়ে প্রবলেম হবে এটা মনে হয় না!
  • pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৩53523
  • ঋত, তুই নিজেও প্রথম থেকেই ছিলি ঃ)
  • ছোটোলোক | 198.155.168.109 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৩53522
  • বাকি টপিক পরে হবে।
    আগে কোম্পানীর বৈধতা এবং ইনকামট্যাক্সের ব্যাপারটা ক্লিয়ার হোক। এথিকসটা প্রথম থেকেই হোক। বে আইনি ভাবে কোম্পানি তৈরী করে, কর ফাঁকি দেওয়া, তথ্য গোপন করা, অনাবাসী ভারতীয় হওয়া সত্ত্বেও সে তথ্য গোপন রেখে এমন একধরণের কোম্পানী খোলা যেটা কেবলমাত্র ভারতে বসবাসকারী ভারতীয় ছাড়া আর কারো পক্ষে খোলা সম্ভব নয়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তথ্য গোপন করা এবং সজ্ঞানে ভুল তথ্য দেওয়া, প্যান কার্ডের ডিটেল, মালিকের ভুয়ো ঠিকানা, সমস্ত এক এক করে উঠে আসবে।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৪53525
  • আবার ভুল করছো। ঃ)
    এটা তোমার ভুল ইনফরমেশন। ঃ)
  • pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৫53528
  • কেউ কেউ নিজের নিকের প্রতি সুবিচার করছেন।
  • ছোটোলোক | 198.155.168.109 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৫53529
  • কোনো থ্রেট দিইনি। বোল্ড অ্যান্ড আন্ডারলাইন্ড। যেটা ঘটনা সেটা বললাম। বেআইনিভাবে কোম্পানি চললে, সেটা বলা যাবে না? বললেই থ্রেট হয়ে গেল!
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৫53527
  • যাই হোক। অনেক হল। অ্যাডিওস। ঃ)
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৫53526
  • ছোটোলোকের বক্তব্যটা কী? গুরু ইনকাম ট্যাক্স দেয় নি, তাই আমরা টুক৯বাজি করেছি?
  • ছোটোলোক | 198.155.168.109 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩১53530
  • ইনকামট্যাক্স তো দেয়ই নি। কোনো ট্যাক্স রিটার্ণ ও নেই। প্লাস মালিক যিনি, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গেইনফুলি এম্পল্য়েড অনাবাসী। তিনি অন্য ধরণের কোম্পানী খুলতে পারতেন সব তথ্য জানিয়ে। কিন্তু তা করেন নি। তথ্য গোপন এবং বিকৃত করা হয়েছে। এক দু দিন নয়, টানা দশ বছর। কোম্পানী তৈরী হয়েছে তথ্য গোপন ও তথ্য বিকৃতির ওপর বেস করে।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩৪53531
  • সেইজন্য টুক৯বাজি করা হয়েছে? তাই তো?
  • ছোটোলোক | 198.155.168.109 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩৭53534
  • ওসব টপিক পরে হবে।
    আগে কোম্পানী ল, ইনকাম ট্যাক্স, তথ্য বিকৃতি, দুদেশের সরকারই ব্যাপারটা সম্পর্কে যথেষ্ট অবহিত কিনা, এগুলো বেশি দরকারি।
  • কুকুরমেকুর | 52.110.159.226 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩৭53533
  • কী ভালো পুকুরঘাট এইটা। এখানকার মহিলারা বেলাউজ ছাড়া শাড়ি পরে ? আর পুরুষরা ভুড়ির নিচে লুংগি? ওহ এঁয়ারা তো আবার মার্কিনি হাগুখোর!

    এই যে ভাই তাতিন আমি আপনাকে বিশ্বসেরা চুতস্পা উপাধি দিলুম। আপনার কিছুই হল না। আমার নিজের অম্লান আনন্দ হল আরকি।

    আর এই যে ভাই রঞ্জন রায়, ক্ল্যারিফিকেশনের জন্য মাইনে পান? কে দেয় আপনাকে? মানে মাইনে? গুরু না ৯ঋ? আনওফিশিয়াল লিগাল অ্যাডভাইসার বলে এথিক্স টেথিক্স পেছনে গুঁজে কাছা খুলে নেমে পড়লেন? একটা প্রতিষ্ঠিত পাব্লিকেশানের ব্যক্তিগত কথা বালবিচিদের পাব্লিক ফোরামে গলগল করে বলে ফেলার আগে ওদের অনুমতি নিয়েছিলেন? নাকি সে জ্ঞানও লোপ পেয়েচে? কিসের এত ভয় মশাই? বেশ করেছেন ৯ঋকাল থেকে বই করেছেন। ততধিক বেশ করেছেন ওদের সদপরামর্শ দিয়েছেন। আপনার আন্ডারওয়্যারের রঙ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুল্লে মেলার মাঠে প্যান্ট খুলে দেখাবেন???
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩৭53532
  • গুরুর মালিকের অনৈতিক কাজে ক্ষুব্ধ হইয়া আমরা টুক৯বাজিতে রত হইলাম।

    এটা দারুণ ইউনিক স্টেটমেন্ট কিন্তু। আচ্ছা, এটা কি টুক৯ঋকালের অফিশিয়াল স্টেটমেন্ট বলে ধরব?
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৩৯53535
  • ঋত্বিকের আছে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট আর আমা আছে সিমপ্ল ইন্টারেস্ট। এই ৯ঋকাল গুরু বাওয়ালটা পড়ে পৈশাচিক আনন্দ হয় মাঝে মাঝে। লোকজন ডেকে এনে পড়াই। আর হ্যাঁ, দলবেঁধে যে কোনও কাজ করলে এ নোংরামি করতেই হয় এই হাইপোথিসিসটা সত্যি প্রমাণ হওয়ায় একটা স্যাটিস্ফেকশন আসে।

    আমি পার্সোনালি ৯ঋকাল-উদ্যোক্তাদের কাছে কৃতজ্ঞ এই হারামিপনাটা উপহার দেওয়ার জন্যে। তোমাদের জন্য পৃথিবীর মতন একটা বোরিং গ্রহ ইন্টারেস্টিং হয়ে ওঠে।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪০53536
  • তাতিন দা। ঃ))
  • pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪৮53537
  • ঋত, আমি যা জানি, তা আরো কেউ কেউ জানে। তাদের থেকেই জেনেছি। তাই আর কথা বাড়ালাম না ঃ)

    আর অন্য সব ব্যাপার নিয়ে সৈকতদাই লিখবে।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৫53538
  • "ওসব টপিক পরে হবে।"

    আজ্ঞে কে ঠিক করবে সেটা? টুক৯বাজেরা?
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৫53539
  • ট্যাক্স রিটার্নের গল্প টা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    তবে বাওয়াল টা চলতে থাকুক। বেশ উপভোগ্য লাগছে।
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৫৮53540
  • যাই হোক, এই কেসএ আরেকটা ব্যাপার হয়েছে। বেশ কলেজ বাওয়াল টাইপের সেটা।
    গুরু থেকে বিভিন্ন সময়ে অনেকে বেরিয়ে গ্যাছে, রাগ টাগ করে।ফেসবুক গুরু থেকেও এরকম হয়েছে, তারা আবার ক্যালকম জয়েন করে ও তাদের আমরা গু-রিফিউজি বলি। এরকম সব মানুষ দেখি দলবেঁধে ৯ঋকাল হয়ে গ্যাছে।
    মানে ধরুন ইনবক্সে কি ওয়ালে সৈকতদার নামে গুচ্ছ খিস্তি করছে আর ৯ঋকালের প্রোমো পাশাপাশি শেয়ার করছে। এমন কী পরস্পর ব্লক্ত লোকজন ব্লক তুলে ৯ঋকাল করছে। একতা অ্যান্টি-গুরু রামধনু ফর্ম করেছে। যেমন রিসেন্ট ফেজ-এ নানে ও তাদের ভাইজোনড প্রেমিকদের দেখছি হেভি ৯ঋকাল্প্রীতি। একজন এক্গুস-রু অ্যাডমিন তো বলেই দিলেন তাঁর লেখালিখির স্পেস আর গুরুতে নেই, ফলে ৯ঋকাল।
  • তাতিন | 213.110.242.23 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:০৩53541
  • *এক্স গুরু অ্যাডমিন*
  • Hatachani | 69.94.29.227 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২১53542
  • গুরু ইনকাম ট্যাক্ষ না দিয়ে বিজনেস করছে বলে ৯ঋকাল 'গুরুর' ৯ ঝেড়ে দিয়েছে। পড়ে কি অনাবিল আনন্দ হল।
  • pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২৫53543
  • নাকি গুরু ক্লাব মাহিন্দ্রার টাকা নেয়নি, সেই নিয়ে রাগ ? কে জানে।
    ঐ আরেক হ্যালু কেস। কীসের যে কার কী ইন্টারেস্ট ছিল !
  • মজলিশী | 190.179.142.27 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:২৯53544
  • লসাগু কে ক -
    "তো, গুরুচন্ডালি-তে দেখলাম সৈকত খাসা সফ্টওয়্যার লিখেছে, আর একদম খুল্লমখুল্লা আনমডারেটেড আবহাওয়া। আর, নানারকমের সব লেখাপত্তর। এর নাম যদি গুরুচন্ডালি না হয়ে, বামাচরণ হত তাও আমি আসতাম। নাম বা লিকার বা প্যাঁচা দেখে আসি নি।" যাইহোক লিরিকাল গুরুতে পূর্বপ্রকাশিত ঋণস্বীকার করলে ভালো করতো,ব্যাপারটা অনৈতিক হয়েছে ।
    কিন্তু ৯ কার বর্ণ কবে থেকে গুরুর একচ্ছত্র সম্পত্তি হলো ? !
  • de | 24.139.119.172 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:৩৩53545
  • ঋ তে উ কার দেওয়া যায়? তাহলে ঋ টা ঝেড়ে উ-কার দিয়ে গুরুতে লাগিয়ে দেওয়া যেতো ঃ)। লিরিক্যালকে অ্যাকনলেজ করেই করা যেতো!
  • cb | 208.240.130.75 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:৪৭53563
  • বন্দুকটি যেখান থেকে বই বেরিয়েছে সেদিকে তাক করবেন না সে তো বোঝাই যাচ্ছে :)

    সুতরাং বাকি রইল .....

    নিচের অংশটি ছোটোলোকের জন্য নয় - ( ওনার লেখার আমি খুবই ভক্ত )

    ওভারঅল গোটা ব্যাপারটার মধ্যে একটা মগনলাল মেঘরাজ মার্কা স্থূল শঠতা লুকিয়ে আছে। তাই এথিকাল ব্যাপারটা নিয়ে কেউ একটা দাবিও করতে পারল না। আসলে ছোটবেলায় ঝানু চোর চানু যে জাতির কাছে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় হিসেবে গড়ে ওঠে আর টিনকালে মুনমুন সেনের পানু দেখা দিয়ে মিথ্যে কথা বলে ফেক অ্যাচিভমেন্টে ক্রিয়েট করে - এরকম করবেই

    কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট নিয়ে কিছু বলব না কারন গোটা ব্যাপারটা জানি না। একটা গল্প বলি। আমার বাবা রিটায়ার করে একটা লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান। এখন আমাকে যদি কেউ বলে ভাই তোমাদের ওদিকে একটা ভাল লাইব্রেরির নাম বল তো যাদের ব্যবস্থা বেশ ভাল - কি মনে হয় ? কি নাম বলব? বা কেউ যদি ঐ লাইব্রেরি সম্বন্ধে কিছু দাবীদাওয়া করে কি রিয়্যাক্শন হবে - ওবভিয়াসলি ডিফেন্সিভ হব আমার তরফ থেকে। আমি লাইব্রেরিতে বছরে ২ দিন ৩০ মিনিটের জন্য হয়্ত ঢুকি। কিন্তু আমার স্টেক আছে কারণ আমার বাবা সেখানে দেখাশোনা করেন। আর আমি আমার বাবাকে খুব পছন্দ করি।

    এটাই মানুষ, কেউ বলে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট, কেউ বলে নেপোটিসম। কিন্তু এটাই মানুষ।

    তাহলে তফাৎটা যেটা দাঁড়াল সেটা হল যে একটা অবজেকটিভ আলোচনায় আমি এই লাইব্রেরি নিয়ে কথা বলব না কারন লোকে যদি চেপে ধরে তাহলে বেসিকালি আমার কিছু বলার থাকবে না। তোর বাবা ওখানে আছেন বলে তুই এই বলছিস - শুনতে চিপ লাগলেও কথাটা চট করে ফেলে দেওয়া যায় না
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন