এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

    ঈশান লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ১০০৫৩ বার পঠিত
  • গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে, সে জন্য আগাম মার্জনা।
    প্রথমে গুরু কিভাবে বই ছাপে, এবং কেন ছাপে, সে নিয়ে দুই লাইন। প্রথম থেকেই আমাদের বই করার উদ্দেশ্যটা ছিল, সস্তা এবং পুষ্টিকর, যে কারণে চটি বই নামক ধারণাটির জন্ম। চটি নামটা একদম ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়েছিল। চটি মানে স্রেফ সরু না, ‘চটি’ বলতেই বাঙালির অবচেতনে একটা বটতলার অনুষঙ্গ চলে আসে। ছাপা ও বাঁধাই সহ সেই অনুষঙ্গটা খুঁচিয়ে তোলার জন্যই বইয়ের নাম চটি। সচেতনভাবেই। বস্তুত মলয় রায়চৌধুরির একটা বইয়ের ভূমিকায় এরকম লেখাও হয়েছিল, ‘লেখক চেয়েছিলেন একটি বটতলার বই, আমরা ছেপেছি চটি’। বলাবাহুল্য উদ্ধৃতিটা হুবহু না, এখন আর খুঁজে বার করে দেখতে ইচ্ছে করছেনা, কিন্তু বিষয়টা এটাই। পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।
    তা, এই স্টেটমেন্টটা আমরা রেখেছি। তাতে নানারকম সমস্যা হয়েছে। অন্তত একটি বড়ো পুস্তক চেন, আমদের বই রাখেননি। কারণ, একটা বইয়ের দাম যদি মিনিমাম তিনশো (বা চারশো ব পাঁচশো) টাকা না হয়, তাহলে তাঁদের প্রফিট মার্জিন বিশেষ থাকেনা। লার্জ স্কেলে অল্প প্রফিটে জিনিসপত্র বেচলে কেন শেষপর্যন্ত বেশি প্রফিট হবেনা, এই যুক্তিজাল তাঁদের মাথায় নেই। তো, এটা জেনেই খেলতে নামা হয়েছিল। কিছু বিকল্প আউটলেট ভাবা হয়েছে এবং হচ্ছে। তার মধ্যে বইমেলাটা সবাই জানেন, কিন্তু আরও বেশ কিছু আউটলেট, তালিকায় জমা হচ্ছে। সেসব যথাসময়ে ও স্থানে প্রকাশ্য।
    তা, এই সমস্যাটা আমাদের জানা ছিল। কিন্তু খুব সাম্প্রতিককালে আরও কিছু সমস্যা দেখা গেল, যেগুলো আগে থেকে ভাবা যায়নি। সমস্যাটার ফোকাল পয়েন্ট একটাই। যে, গুরুর জনপ্রিয়তাকে অনেকেই তাঁদের নিজেদের মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। এর গোটা দুই তিন উদাহরণ আছে। শেষ থেকে শুরু করা যাক। আমাদের বইপত্রের জনপ্রিয়তা, যেকোনো কারণেই হোক, ভালো। কারণ বলতে লেখক আছেন, লেখার মান আছে, আমাদের প্রচার আছে, এবং অবশ্যই পাঠকের বিশ্বাস আছে, যে আমরা যা করি বেছেই করি। বই গছিয়ে দেবার জন্য করিনা। ফলে অনেকেই এসে বাঞ্চে বই নিয়ে যান। এবং বইপত্র শেষ হয়ে যায়, পাবলিসিটিও হয়। তা, সাম্প্রতিককালে দেখা গেল, এক লেখকের এরকম কিছু বই আমাদের বিপণনে জনপ্রিয় হবার পর, একটি তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলল, যে, তারা তাঁর রচনাবলী ছাপবে। সে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু সঙ্গে সাবক্লজ এই, যে, তাঁর আর কোনো লেখা, এমনকি যেগুলো আমরা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে ফেলেছি, সেগুলোও আমরা আর ছাপতে পারবনা। ফলে, বস্তুত জিনিসটা দাঁড়াবে এই, যে, বিপণনটি আমরা করলাম, কিন্তু এরপরে আগ্রহী পাঠককে পাঁচগুণ দাম দিয়ে সেই বই কিনতে হবে অন্য প্রকাশনা থেকে। পাঠকসংখ্যা নিশ্চয়ই বিপণনের কারণে কিছু বাড়বে। কিন্তু আমরা যে উদ্দেশ্যে বইটি ছাপছিলাম, উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। এটা আমরা আটকাতে পারিনি, কারণ আমরা কোনো লেখকের কোনোরকম স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হোক, এই চুক্তি করিনা। কিন্তু বই প্রিন্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে ন্যূনতম শর্তাবলী আরোপ করার কথাই ভাবা হচ্ছে।
    দ্বিতীয় ঘটনাটি (কালানুক্রমিকভাবে সেটা অবশ্য আরও আগে ঘটেছে) আরও বিস্ময়কর। আমাদের কাছে একটি পত্রিকা ‘অন্য যৌনতা’র একটি লেখা ছাপবে বলে অনুমতি চেয়েছিল, আমরা বলেছিলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে ছাপতে পারেন। কার্যত দেখা গেল এক গাদা লেখা ছেপে বসে আছেন, এবং কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার নেই। এটা ছিল একটা পত্রিকা, এবং তারপর, আরও বিস্ময়কর, যে, একজন নামী প্রকাশক, সেটাকে বই বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা অনুমতি চাননি, আমাদের জানানও নি। হয়তো ইনফর্মেশন ছিলনা, তাও হতে পারে, জানা নেই। তা, আমরা জানার পর আপত্তি জানিয়ে এসেছি। বইটা ছাপা হয়েছে বলেও শুনিনি। হয়তো অসদুদ্যেশ্য কিছু ছিলনা, শুধুই যোগাযোগের অভাব ছিল। সেটা আমাদের জানা নেই। কিন্তু আমাদের দিক থেকে ঘটনাটা হল, যে, আমরা একটি উদ্যোগ নেব, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করব, কম দামে পাঠকের হাতে তুলে দেব, আর সেটাকে বিনা আয়াসে মলাটে বেঁধে কেউ তিনগুণ দামে বিক্রি করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি ছাড়া, এতে করে ‘সস্তায় চটি বই’ কনসেপ্টটি চূড়ান্ত ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমরা হচ্ছি।
    এইগুলো আমার দিক থেকে মনে হছে, অন্য কিছু না, শর্টকাটের প্রসেস। ‘বইয়ের বিক্রি হয়না’, অভিযোগটা যে জায়গা থেকে আসে। বইয়ের দাম প্রচুর বাড়িয়ে চট করে লাভ করে নেবার ধারণাটা যে জায়গা থেকে আসে। এবং অন্য উদ্যোগের ফল থেকে ঝট করে লাভ করে নেবার ইচ্ছেটা(কখনও অনৈতিকভাবেই) যেখান থেকে আসে। প্রচুর পাবলিকেশন হলে সমস্যা নেই। যত বই ছাপা হয়, তত ভালো। কিন্তু ছাপার এবং স্বল্পমেয়াদি লাভ করার বাসনায় পাঠকসংখ্যা কমিয়ে বাংলা বইয়ের অন্তর্জলী যাত্রার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কেউ বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছনোর কষ্টসাধ্য কাজটা করছেননা। গুরু এত বছর ধরে যে নেট ওয়ার্কটার পিছনে সময় দিয়ে যাচ্ছে। উল্টোদিকে তৈরি নেটওয়ার্কটা ব্যবহার করে পুশ সেল টেল করে ঝটিতি কর্ম সমাধা করছেন। যেটুকু পাঠকবেস তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে, অত্ঃপর কামড়াকামড়ি হবে। এর বাইরে যে বিরাট আন এক্সপ্লোরড এলাকা পড়ে আছে, সেদিকে কোনো নজরই নেই কারো।
    আমরা এই শর্টকাটের পদ্ধতিটা কখনও নিইনি। এই বারো বছর ধরে আমরা লড়ে গেছি। শূন্য থেকে শুরু করে। আজ পর্যন্ত অন্য জায়গা থেকে যেকটি লেখা আমরা নিয়েছি, প্রতিটি, অনুমতিসাপেক্ষে। এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার সমেত। একটিও ব্যতিক্রম নেই। জয়া মিত্রের একটি অনুবাদ লেখা আমরা প্রকাশ করেছিলাম। আমেরিকান প্রকাশকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে (আসলে ডলারে কিনতে হয়েছিল), দেরি হওয়ায় জয়াদিকে দুঃখ দিয়ে আমরা বই প্রকাশ গোটা একবছর পিছিয়ে দিই। ফলে আমাদের দিক থেকে এই শর্টকাটটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। লেখার অনুমতি নেওয়া, সৌজন্য স্বীকার, নেটে হোক বা বইয়ে, আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদুটো উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব ঘটেছে। সেটা কাম্য না। আমরা নিজেরা এগুলো মেনে চলি, অন্যরাও মেনে চলবেন, প্রত্যাশা করি। যেকোনো জায়গায়, এর অন্যথা হলে, আমরা যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেব।
    তো, এইগুলো হল বাহ্যিক সমস্যা। আভ্যন্তরীন কিছু গপ্পোও আছে। কিছু সমস্যা, কিন্তু পরিকল্পনা। মূলত যেগুলোর জন্য এই লম্বা এবং বোরিং লেখার অবতারণা। প্রথমে সমস্যাটা বলি। সেটা গুরুর মডেল সংক্রান্ত। মডেল বলতে চটি বই, ইত্যাদি, যেটা আগেই ব্যাখ্যা করলাম। আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
    সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।
    দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপারেও সাহায্য চাইব। সেটি আর্থিক নয়। একটা গুরুচন্ডালি লেখক-পাঠক সমবায় তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। তেমন কিছু না, একটি মেলিং লিস্ট। সেখানে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা বইগুলি নিয়ে নানা প্রোমোশানে একটু সাহায্য করবেন। টুকটাক আর কি। এটাও বেশ জরুরি কাজ, কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম নেই। কেউ আগ্রহী থাকলে জানাবেন।
    আমার/আমাদের দিক থেকে মডেল এটাই। চটি পাঠকের কাছে পৌঁছনোর একটা পন্থা। পাঠকসংখ্যা বাড়ানো, পাঠকের কাছে বই নিয়ে যাওয়া, এই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। চটি একটা উপায়। চটি ছাপব, দরকার হলে অন্য পন্থাও নেব। কিন্তু পাঠকের বেস বাড়ানোর অবস্থান থেকে এই মুহূর্তে সরছিনা। বিষয়টায় আগ্রহী হলে জানান। অন্য কোনো মতামত থাকলেও অবশ্যই জানান। সেই জন্যই এই লেখা জনারণ্যে প্রকাশ করা। কীভাবে কী করা হয়, ভাবা হয়, ভাবা হচ্ছে, এই নিয়ে নানা স্পেকুলেশন, প্রচার, অপপ্রচার নানাদিকে হচ্ছে। আমাদের দিক থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হল। কোনো প্রশ্ন করার থাকলে এখানেই করে ফেলুন। অন্য কোনো স্পেকুলেশনে কান দেবেননা। নানা জায়গায় নানা কথাবার্তা হয়, সেসব আমাদের কানেও আসে। কিন্তু ওতে গুরুত্ব দেবেননা। আমরাও দিইনা। যাকে বলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মাপ করে দিই। :-)

    পুঃ যাঁরা যোগাযোগ করতে আগ্রহী, [email protected] এ একটা মেইল ঠুকে রাখতে পারেন। এখানে জানালে বা মেসেজ করলেও হবে।

    পুঃ পুঃ ভবিষ্যতে গুরুর একটি নোটিসবোর্ড ব্লগ হবে। এখনও নেই, লেখাটাতেও প্রচুর 'আমি', আমি ' আছে, ঠিক নৈর্ব্যক্তিক নোটিস না। তাই ব্যক্তিগত ব্লগেই থাক। কিন্তু আহ্বানটা গুরুর দিক থেকেই।
  • ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ১০০৫৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৪৮53458
  • পিনাকীদা , এসদা র প্রথম অম্গ্শ, একেবারেই তাই। আর রন্জনদাই আগে ফোনে আম্মদের বলেছেন এগুলো একদম ভাল হয়নি। না করলে পারত। এও বলেছেন , বই বেরোবে ঠিক হয়ে। আঅছে।কী আর করা। আর সেদিন বললেন তো, নিজের বই বেরোচ্ছে বলে ডিফেন্ড করছেন।
  • সিকি | 233.176.139.74 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৫১53459
  • লসাগুদা,

    বাংলালাইভ ভেঙে গুরু তৈরি হয় নি। গুরু নিজের মতই জন্ম নিয়েছিল। গুরুতে এই ডেকোরাম আজ অবধি মানা হয়, যে বা-লার নামে কোনও নিন্দেমন্দ গুরুর ফোরামে করা হবে না। বা-লার অপারেশনাল মডেল গুরুর থেকে টোটালি আলাদা। কখনো গুরু বালাকে স্ল্যান্ডারিং করে নি, ব্যাকডেটে রেগিস্ট্রেশন করিয়ে "আমরা তো বাংলালাইভের সিস্টার কনসার্ন" বলে জায়গা পাবার চেষ্টা করে নি।

    পিনাকী, সুমেরু খুব জেনেবুঝেই লাইন ক্রস করেছে। যতদিনে গুরু জেনেছে সব কিছু, ততদিনে আলোচনার পরিসরটা আর ছিল না। এসব একদিনে হয় নি, সব ব্যাকস্ট্যাবিংয়ের গল্প এখানে বলাও হয় নি।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৫৩53460
  • গুরু কে ভালোবাসি তার হালকা মেজাজের জন্য। যেখানে খিল্লি করা যায়। ডিসক্লেমার দিতে হয় না। গুরু র জন্ম হয়েছিল বাংলালাইভ মজলিশে কতৃপক্ষের হুকুমদারী প্রতিবাদে। খুব ক্লোজলি না দেখলেও লুজলি কাপলড তো ছিলাম। অবশ্য এখনও অনেক বেশী ক্লোজ অরিজিনাল মজলিশীদের সঙ্গে। যারা এখনও শুধুই আড্ডা দেয়।
    যাকগে বইমেলা তে প্রচুর দিন কাটালাম। মজলিশীদের সাথে দেখা তো হলই। অনেক কিছুই দেখলাম জানলাম।
    বাজেই লাগছে। তবে ঐ জর্জ বুশের মত 'হয় তুই ওদের দলে না হয় আমাদের' এই টোনটা একদম ভালো লাগছে না। আর গুরু তে লিখতে(!) গেলে যদি এক হাজার টা ডিসক্লেমার দিতে হয় বা কেন তুই ওদের পোস্টে লাইক করিস, কেন তোর ওদের স্টলে ছবি তুলতে দেখা গেছে এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় তাহলে সত্ত্যি মুস্কিল।
    বই ভালোবাসি। নিখাদ পাঠক হিসেবে। লেখক হিসেবে কোনও অ্যাম্বিশন নেই। এবার বইমেলায় গোটা ১৪ বই কিনেছি, তার দুটো ৯ঋকালের, দুটো গুরুর, পাঁচ টা সৃষ্টিসুখের আর দুটো অভিযানের। ৯ঋ র কনটেন্টে ঢুকছি না, তবে কোয়ালিটি অফ পাবলিকেশন আন্তর্জাতিক মানের। চরম শত্রুও স্বীকার করবে।

    রইল বাকি আইন আদালতের কথা। খুব বোর লেগেছে শুনে। কথায় কথায় এরকম আইন আদালত হলে তো মুস্কিল। একেই দেশে হাজার কেস পেন্ডিং। সত্যিকারের যাদের বিচার প্রয়োজন তারা বিচার পাচ্ছে না আদালত কম থাকার জন্য। এখন এই ইগোর লড়াই এ আর একটা পেন্ডিং মামলা বাড়ানোর বোধ হয় সত্যি দরকার নেই।

    গুরু তে আবার খিল্লি ফিরে আসুক। একা ডিসি আর কতটুকু টানবেন?

    তাতিন দা,
    চালিয়ে যাও। তুমুল হচ্ছে।

    পাই দি,
    ছবি টা ফেবুতে লাগালে না তো!
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৫৬53461
  • এত বেদনাহত বা হতাশ হবার মতন এমন কিছু হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। আকসার এমন হচ্ছে।
    কল্লোলদার সঙ্গে এই ব্যাপারে একদম একমত। গুরুচন্ডালি সাইটের নাম অন্য কিছু হলে কিস্যু এসে যেত না, লেখক/পাঠক - যে আসার, যে লেখার সে ঠিকই লিখত। এইসব লোগো ফোগো, লিকার ফিকার সব ফালতু ফ্যাচাং - যদ্দিন লোকের ভালো লাগবে লোকে ঠিকই আসবে। ব্যাকা লি, সোজা লি, নো লি, ব্রুস লি - যাই হোক।
    আর যদি সত্যিই এমন হয় হয় যে - লি দেখে আর প্যাঁচা দেখে লোকে এখানে ভিড় করে, তাহলে ঠিকই হয়েছে, লি চুরি গেছে। গেছে তো গেছে বাঁচা গেছে।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৫৮53462
  • সিকি,
    সে তো তোমার কথা, বাংলালাইভ যদি বলে - আমাদের প্লাটফর্ম থেকে লোক নিয়ে গুরু করেছে। তো বলে বলবে, তো কি হয়েছে কি - এসব নিয়ে এত এক্কেবারে হাঙ্গামার আছে টা কি ।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৭:৫৯53463
  • লসাগু দা,
    একদম সহমত।
    আমার সহজ লজিক হলঃ বড় বই বড়, ভালো বই ভালো। আর বড় বই ভালো হলে বড় ভালো।
  • সিকি | 233.176.139.74 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০১53464
  • লসাগুদা, বলতে পারবে না। বালার অনেক লোকই গুরুতে আসে, এটা সত্যি, কিন্তু বালা কোনোদিন এটা বলতে পারবে না যে গুরু ওদের 'লোক ভাঙিয়ে' নিয়ে গেছে।

    তুমি আপেল আর কমলালেবুর তুলনা কেন টানছো, বুঝছি না। দুটো কেসের মধ্যে কোনো মিল নেই।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৩53465
  • আপেল আর কমলালেবু দুটোই খুব ভালো ফল। ঃ)
    আমরা তো এর সাথে আঙুর, আম, জাম, কাঁঠাল সব চাই। যত বেশী হয় তত ভালো।
  • সিকি | 233.176.139.74 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৫53466
  • রিত,

    সমস্তই ভালো ফল। আপত্তিটা যে সে জায়গায় নয়, সেটা কি এখনও বোঝা যাচ্ছে না?
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৭53468
  • সিকি দা,
    সব বোঝা যাচ্ছে। আর এ ব্যাপারে আমি তাতিন দার দলে। মাল নিয়ে বসে জমিয়ে বাওয়াল হোক।
    মারপিট ও চলতে পারে।

    কিন্তু ঐ আইন আদালত, হুমকি এসব একদম পোষাচ্ছে না।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৭53467
  • আহা, লিরিকাল বা কলিকাল ও তাই বলবে - ভাঙানো আবার কিসের - যার ইচ্ছে হয়েছে সে গেছে। সিম্প্‌ল্‌। কার বাড়ির দোতালায় বসে যাবার কথা হয়েছে, না, সিনেমা হলের সামনে কথা হয়েছে - কি আসে যায়।

    এত গোল কিসের আমার মাথায় ঢুকছে না। টাকা পয়্সা নিয়ে তো আর পালিয়ে যায় নি কেউ।

    আর একটু নামডাক হলে, বড়ো হলে - এমন হয়।

    তোমাদের তো গব্বো হওয়া উচিত যে লোকে কপি করে।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৮53469
  • কার একটা পোস্টে দেখলাম, আগে ৯ এর সিগনিফিক্যান্স হল যে, গুরুর শেষ = ৯ঋ র শুরু।

    ধ্যের, অন্যভাবে ভাবুন না একটু।

    যে ৯ঋ র মুড়ো = গুরু র লেজ।
  • a | 113.238.192.152 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:০৮53470
  • সিকি
    কাউকে অস্বীকার করার আছিলায় তাকেই বেশী করে স্বীকার করি আমরা। যাকগে, এটা সত্যি কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই সকলের যোগাযোগ 'এক'-রকম হয়না। তাই যারা প্রান্তিক তারা অনেক সময় ভাবে- আরে ধুর থাম না বাবা কিন্তু যারা অনেক বেশী করে যুক্ত তাদের আঘাত ও ক্ষত অনেক বেশী। তাই...
    তবুও বলি। অযথা শক্তিক্ষয় করবেন না। পাহাড় আর বাইক নিয়ে লিখুন দেখি...
  • d | 144.159.168.72 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:১১53471
  • নাঃ এত অপপ্রচার মেনে নেওয়া যায় না। আপেল অতীব বাজে ফল। অসম্ভব অখাদ্য, যে কোনও ফর্মে। কৃষিবিপ্লবের অভিশাপ ঐটি। (নো স্মাইলি)
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:১২53472
  • যাব্বাবা আপেলও অভিশাপ?
    আমি তো জানতাম পাখি ই শুধু অভিশাপ। ও dc দা, কি বলে দেখো।
  • ছোটোলোক | 198.155.168.109 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:১৮53473
  • আপেলইতো সমস্ত সমস্যার মূল এই দুনিয়ায়। গলায় আটকে গেছল আদমের।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:১৯53474
  • এটা বেশ চমৎকার কিন্তু। খিল্লীই শেষ কথা। তাই আমি চোরেরও যতটা, গৃহস্থেরও ততটাই। :-) অথচ এই কথাগুলোর আড়ালে যেটা ঢাকা পড়ে যায় সেটা হল, ন্যূনতম নৈতিকতা বজায় রেখে চললে পরে কিন্তু এই পক্ষ নেওয়ার মত আগলি জায়গায় ব্যাপারগুলো যায় না। যে আনএথিকাল কাজ করছে, তার ছবিতে লাইক দিলে বা তার সাথে আদারওয়াইজ সুসম্পর্ক বজায় রাখার মানে যদি এই হয় যে আনএথিকাল কাজটার প্রতিও চোখ বন্ধ করে থাকতে হবে, কখনই কিছু বলা যাবে না, কারন বললে খিল্লী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সেরকম অবস্থান নিয়ে চললে আজ নাহোক কাল এধরণের অপ্রীতিকর সিচুয়েশনে তো পড়তে হবেই। কারণ যার সাথে সেই আনএথিকাল কাজটা হচ্ছে - সে তো চাইবেই পক্ষ বেছে নেওয়া হোক। তাই না?

    অথচ ঘটনা হল, এটা একেবারে ভুল ধারণা, যে সুসম্পর্ক মানে কারুর করা ভুল বা অন্যায়ের প্রতি চোখ বুঁজে থাকা। বরং যথা সময়ে এই ঠিক ভুল সংক্রান্ত ফীডব্যাকগুলো মানুষকে অনেক ভুলভাল কাজ করা থেকে বিরত রাখে।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২১53475
  • বাই দ্য ওয়ে, আমি কিন্তু যখন গুরুচন্ডালির খবর পাই, এমনই পেয়েছিলাম যে বাংলালাইভ-এর মজলিশ-এর থেকে একটা গ্রুপ বানিয়েছে এটা।

    অ্যাকাউন্ট করতে হবে পোস্ট করতে হলে, সঙ্গে সঙ্গে পোস্ট হয় না, রোববার পোস্ট করলে মডারেটর বুধবারে অ্যাপ্রুভ করে পাবলিশ করবেন - এইসব বিচ্ছিরি হাঙ্গামার জন্য মজলিশে আমি তেমন একটা যেতাম না।

    তো, গুরুচন্ডালি-তে দেখলাম সৈকত খাসা সফ্টওয়্যার লিখেছে, আর একদম খুল্লমখুল্লা আনমডারেটেড আবহাওয়া। আর, নানারকমের সব লেখাপত্তর। এর নাম যদি গুরুচন্ডালি না হয়ে, বামাচরণ হত তাও আমি আসতাম। নাম বা লিকার বা প্যাঁচা দেখে আসি নি।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২২53476
  • হোক বাওয়াল। জমিয়ে বসি। তাতিন দা রেফারী।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২৬53477
  • লসাগু দা,
    একদম। আনমডারেটেড আবহাওয়া আর কোনও মালিকপক্ষ নেই। গুরুর টই একটা এনিগমা তৈরী করেছে।

    ওহো। আর একটা কথা। এই বইমেলার মরশুমের আগে যে কটা তুমুল পোস্ট দেখেছি সেগুলো দারুন লেগেছে। ঐ মার্টিন লুথার-কমিউনিষ্ট ম্যানিফেস্টো-গোদার এর ট্রিলজি আর ঐ গোড়া৯ বিষয়ক ছবি। একদম মাখন ছিল পুরোটাই। এর রকম হোক আরো আরো বেশী করে।
  • সিকি | 57.30.11.156 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২৭53478
  • লসাগুদা,

    তা হলে একটু ভেঙে বোঝানো যাক।

    কার বাড়ির ছাদে বা কোন বাসের সীটে বসে কে পাবলিকেশন খুলল, তাই দিয়ে গুরু কেন, কারুরই কিছু এসে যায় না। আকছার খুলছে পাবলিকেশন। গুরুও একদিন ওভাবেই খুলেছিল।

    কিন্তু, বইমেলার আগে স্টলের জন্য কথা বলতে গিয়ে যখন শোনা যায়, "আপনারা আবার কেন এলেন, এই তো কদিন আগেই কারা যেন এসেছিল, বলে গেল আমরা আর গুরুচন্ডালি একই, ঠিকানাটাও তো এটাই লেখা ছিল, বলল সিস্টার কনসার্ন, আমি তো ওদের সব বলে দিলাম। আপনারা আবার কেন এলেন?"

    তখন ম্যাটার করে যায় লসাগুদা।

    কাবলিদার বাড়ির ঠিকানা শুধু ইউজ করা হয় নি, ওখানে পড়ে থাকা গুরুর যাবতীয় জিনিস অ্যাক্সেস করে অনেক কিছুই করা হয়েছে, দিনের পর দিন, কেউ কিচ্ছু জানত না।

    তখন ম্যাটার করে যায়।
  • ছোটোলোক | 198.155.168.109 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২৮53479
  • একদম। এবং বাংলালাইভে যেভাবে টাইপ করতে হতো ফোনেটিকালি, হুবহু সেইভাবেই টাইপ করা যেত গুরুতে। প্রচুর লোকের অভ্যাস হয়ে গেছল ওভাবে বাংলা টাইপ করা। কী রিং সফ্টওয়ার নাম ছিল বাংলালাইভেরটার। কিন্তু মডারেটেড ছিল এবং সঙ্গে সঙ্গে পোস্ট হত না। যাবতীয় লোকজন তো প্রথমে বাংলালাইভ থেকেই আসে। চেনাজানা তো বাংলালাইভের পাতাতেই হয়েছিল সকলের সঙ্গে। প্রথমে মতামত, পরে তৈরী হয়েছিল মজলিশ।
  • pi | 74.134.66.54 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:২৯53480
  • ঋত, একটা আইনি নোটিস দেওয়া হয়েছে। কোর্ট , মামলা কিছু করা হয়নি।
    আর আমি লিখব না ভেবেছিলাম, কিন্তু তোর যে পুরোপুরি কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট আছে, তুই চাইলে বা না চাইলেও, সে নিয়ে বোধহয় আর কথা না বাড়ানোই ভাল।

    কোনগুলো কেন অসুবিধের মনে হয়েছে, লসাগুদা ও অন্যরা, স্পষ্ট করেই লিখেছি।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩০53482
  • অ, তাই বলো। এবার কেসটা ক্লিয়ার হল।

    তো তাহলে, পিনাকি তো ঠিকই বলেছে, তখনই তো তোমরা চেপে ধরবে কে এসেছিল কারা এসেছিল স্টল নিতে গুরুর হয়ে, তাদেরকে চেপে ধরো।

    আর কাবলিদাকেও চেপে ধরো - যে ব্যাপারটা কি হচ্ছে।
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩০53481
  • ওহো। আর একটা ইনকম্প্লিট ইনফো দেখলাম মনে হল। লামা দার বাওয়ালের প্রচারক হলেন ওয়ান অ্যান্ড অনলি তাতিন স্যর। ঃ))
  • Rit | 213.110.242.20 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩১53483
  • কিরকম কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট?
    ক্লিয়ার হোক।
  • সিকি | 57.30.11.156 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩৪53485
  • লসাগুদা, সব রকম চেষ্টাই করা হয়েছিল। সব এফর্ট খোলা পাতায় লিখতে চাইছি না।
  • lcm | 83.162.22.190 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩৭53486
  • কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট তো পরে - পাই আর সিকির লেখা পরে মনে হচ্ছে মেইন অভিযোগ হল - আইডেন্টিটি থেফ্‌ট্‌ টাইপের ব্যাপার, এক সংস্থার ভুয়ো পরিচয় দিয়ে টাকা তুললে যেমন অভিযোগ হয়।
    কিন্তু টাকা পয়সা সংক্রান্ত কি কিছু ছিল? নাকি - ইউজিং দ্য নেম।
  • Lama | 37.63.149.51 (*) | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৮:৩৮53562
  • পড়ছি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন