এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • যাদবপুরে যুদ্ধজয় ও তার তাৎপর্যগুলি

    সৌভিক
    অন্যান্য | ১৩ জানুয়ারি ২০১৫ | ৩১৮২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • robu | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ ২২:৩৬666967
  • ওটারই ব্রান্চ মনে লিচ্ছে। বেসান্তনগরের পুজোয় বড় স্টল দিত।
  • শ্রী সদা | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:১১666968
  • http://articles.economictimes.indiatimes.com/2014-12-18/news/57196403_1_data-analytics-market-gvk-biosciences-mu-sigma

    এই লিংটাও থাকুক। এই স্টার্ট-আপ গুলো যারা করছে তারা হয়তো জীবনে আন্দোলন ই ঃ ইত্যাদি করেনি, কিন্তু লাখবেলাখি চাগ্রীর নিশ্চয়তা ছেড়ে বেরিয়েছে, জব ক্রিয়েট করেছে এবং ব্যাগড়াবাবুদের চরম শত্রু বৃহৎ এমেন্সিদের কালঘাম ছুটিয়ে ছেড়ে দিচ্চে। কুডোস টু দেম। এই ২০১৪ সালের গ্লোবালাইজড ইকোনমিতে ৭০ দশকের আন্দোলনের মডেল অন্ততঃ ফলো করছেনা ঃ)
  • কল্লোল | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৮666970
  • ২০১৪ সালে ৭০দশকের আন্দোলনের মডেলে চাট্টি মাওবাদী হয়, তার বেশী কিছু নয়।
    কিন্তু এখন আন্দোলনের ধরন পাল্টেছে। আজ যেমন স্টার্ট আপ বা ওপেন সোর্স একটা দিক, তেমনই পুঁজির বিরুদ্ধে অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট বা WTO বিরুদ্ধে RAINBOW প্রতিবাদও আছে, যা ৭০ দশকের প্রতিবাদী চরিত্র থেকে অনেক অনেক আলাদা। যাদবপুরের হোক কলরব বা সারা ভারত জুড়ে হোক চুম্বন, প্রতিবাদকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। স্বাধীন ছাত্র আন্দোলন বিক্ষিপ্তভাবে কোথাও কোথাও হয়েছে, কিন্তু এই মাত্রায় নয়। আর এই আন্দোলনগুলোতে ইন্টারনেটের ভূমিকা ভীষন তাৎপর্যপূর্ণ।
    এটা যেমন একটা দারুণ ব্যাপার, অন্যদিকে এটাই একটা প্রতিবাদের অসাম্য তৈরী করছে। বিশ্বপূঁজির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দরিদ্রতম মানুষের স্বধীন যোগদান অনুপস্থিত, কারন তাদের কাছে ইন্টারনেট নেই। তাদের প্রতিবাদ একেবারে নেই এমন নয় কিন্তু সেগুলো বড়বেশী অন্যদের উপর নির্ভরশীল। পস্কো, নর্মদা বা কুডানকুলাম শেষ পর্যন্ত ভদ্রলোক (পড়ুন ইন্টারনেট অভ্যস্ত) নির্ভর হয়ে আছে।
    সেখানে আজকের এসময়ের সাক্ষাতকারটি ভালো লাগলো। উপরের পোস্টে লিংক আছে। সকলের জন্য শিক্ষা চাই। চাই সরকারী উদ্যোগে।
    আর হ্যাঁ। বিপ্লব নিয়ে আমার খুব মাথাব্যাথা নেই। মার্কসীয় সমাজতান্ত্রিক মডেল পুঁজিবাদের বাদুর সংষ্করণ। ওদিয়ে পুঁজিবাদ ঠেকানো যায় নি, যাবেও না।
    হয়তো একদিন পরিবেশ, মানবাধিকার, ওপেন সোর্স, স্টার্ট আপ এসব মিলেমিশে পুঁজি ও বাজারের বাইরে অর্থনীতিকে স্থাপন করার দিকে যাবে। এটা আমার একটা কৌতুহলোদ্দীপক স্বপ্ন। কিভাবে কি বৃত্তান্ত কিছুই জানি না। স্বপ্ন দেখি এই আর কি।
  • s | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:২৩666971
  • পিনাকির কথা চোখে জল এনে দিল। যেন চোখের সামনে কলেজ ইলেক্শনের আগে ফার্স্ট ইয়ারের ছেলেদের সামনে চেয়ারের উপর উঠে ভাষণরত তরুন ছাত্রনেতাকে দেখতে পেলাম। জিয়া নস্টালে মেখে গেলাম।ঃ)

    ইতিমধ্যেঃ
    বাবা s তো পুরো নন্দীগ্রাম নিয়ে পিটির ভূমিকা কপি করছেন। লড়ে যান।

    কবি তো শুরুই করেছেন এই বলে, "প্রাথমিকভাবে মনে হয় বিশ্বজুড়ে এই মুহূর্তে প্রিক্যারিয়েতদের আন্দোলনের যে জোয়ার চলছে, যাদবপুরের ছাত্র আন্দোলন তাতে এক বলিষ্ঠ সংযোজন। "
    তো তার কিছু দলিল তো রাখতেই হবে।

    আর s বোধহয় শংকুবাবুর ঘেরাও আর যাদবপুরের ঘেরাও কোনোটাই দেখেন নি। সেইজন্যে অমন মনে হচ্ছে। ওরম হয়। অভিজ্ঞতা হলে লোকে আপনিই কিছু প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যায়। জনে জনে জিজ্ঞেস করতে হয় না।

    মাইরি এই অভিজ্ঞতা শত্রুরও যেন না হয়। প্রশ্নের উত্তর না পেলেও বেঁচেবর্তে তো থাকব।
    শংকুবাবুর ঘেরাওটাও একটু বুঝিয়ে দিন।
    কি করেন? দরজা বন্ধ করে ভিসিকে চেয়ারে বেঁধে পাখির পালক দিয়ে ভিসির বিচিতে হাল্কা সুড়সুড়ি দেন?

    আপনি বরং একটা চটি লিখে ফ্যালেন, "ভিসির আবশ্যিক ফিসিক্যাল ট্রেনিং', আর গুরু থেকে যদি টুক করে ছাপিয়ে বইমেলায় নামিয়ে দেওয়া যায়, আপনার গরম জিলিপির মত বিক্রি হবে।
  • b | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:৩৮666972
  • এরিক মাসকিনের ইন্টারভিউটার ইংরাজী অনুবাদ পাওয়া যাবে?
  • PT | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:৫৫666973
  • এই পিঠে-পুলির সকালে আবার পিটিকে নিয়ে টানাটানি কেন?
  • !! | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:২৯666974
  • নিজেরা বিদেশে দূরে বসে থেকে আজকের ছাত্রদের আন্দোলন কোন পথে যাওয়া উচিত এই মরশুমী বিপ্লবীদের দেখে ভাল লাগল। তারা আবার জ্বালাময়ী লেখাও লেখে কেন এই ঘেরাও ভাল!!
  • lcm | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:০১666975
  • কেন দূর থেকে লিখলে কি ক্ষতি।
    দূর থেকে আমি লিখলাম আমার ঘেরাও পছন্দ না। আবার কেউ লিখল সাবাস ঘেরাও।
    আমাদের কথা শুনে তো কিছু হচ্ছে না, এতো ভাট - ভাটে প্রবলেম কি?
  • pinaki | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:৫১666977
  • !! ভাই, আহারে, খুব জ্বলছে?

    জ্বলুক। :-P
  • pinaki | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:১৭666978
  • আরে dc,

    ট্রেনে করে নুঙ্গমবক্কম (Nungambakkam) স্টেশনে চলে যান। চেন্নাই সেন্ট্রালের দিকে মুখ করে যেদিকটা বাঁদিক হয়, ফ্লাইওভার দিয়ে সেদিক থেকে নুঙ্গমবক্কম স্টেশন থেকে বেরিয়ে আসুন। এদিকটা হল চুলাইমেডু। দুমিনিট হাঁটলেই পাবেন চুলাইমেডু হাই রোড। চুলাইমেডু হাই রোডে উঠে বাঁদিকে এগোন। কয়েক পা গেলেই পাবেন চিত্রা এভেনিউ নামের একটা বড় হাউজিং কমপ্লেক্স। ঐ কমপ্লেক্সের গা বেয়ে সারি সারি দোকানের একটা হল কলকাতা মিঠাই ভবন। (অধিকাংশ সময় একজন মহিলা বসেন। ওনাকে সবাই বৌদি বলে ডাকে। ঐ দোকানে আপনি বাংলা বলা লোক পাবেনই)। ওখানে মিষ্টি পাবেন। সন্ধ্যেবেলা গেলে পাবেন ফুচকা, চাট, সিঙ্গাড়া। কচুরির ব্যাপারটা আমি ঠিক গ্যারান্টী দিতে পারছি না।

    ডিরেকশন বুঝতে অসুবিধে হলে স্টেশন থেকেই কাউকে জিজ্ঞেস করুন চুলাইমেডু হাইরোড কোনদিকে। তারপরের সেখানে পৌঁছে জিজ্ঞেস করুন চিত্রা এপার্টমেন্ট কোথায়? এদুটো ল্যান্ডমার্ক মোটামুটি সবাই চেনে। আর স্টেশনের এক্কেবারে গায়েই।

    আর ফুচকা মিষ্টি এসব খেয়ে গুরুতে এসে ঢেকুরটা তুলতে ভুলবেন না যেন। ওটা গুরুর ট্র্যাডিশন। ঃ-)
  • Arpan | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:২৫666979
  • শ্রীসেন্নাইতে বাঙালি খাবারদাবারের খুবই দুরবস্থা দেখছি। সবেধন নীলমণি একটিই দোকান, ঈশ্বার না করুন, সেটি লালবাতি জ্বাললে দিকে দিকে কান্নাকাটি পড়ে যাবে।
  • pinaki | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:৩৩666980
  • সদাকে,

    তুই যে ইকনমিক পলিসির পক্ষে দাঁড়াচ্ছিস, তার সাথে অরুণ জেটলির পলিসির কোনো ফান্ডামেন্টাল তফাৎ আছে কি? যদি না থাকে তাহলে এখানে অনর্থক রেটোরিকের লড়াই করে কোনো লাভ নেই। ট্রিকল ডাউন এফেক্ট নিয়ে এখানে বিতর্ক করা আর চাকা আবিষ্কার আমার কাছে প্রায় সমার্থক। বিতর্ক না করেও একটা ব্যাপার স্বীকৃতি দেওয়া উচিৎ বলে মনে হয় যে ঐ তত্ত্বের বিপরীতে অনেক মত আছে। ওটা সর্বজনগ্রাহ্য প্রতিষ্ঠিত কোনো তত্ত্ব নয়। মানে সূর্য পূর্বদিকে ওঠে টাইপের ধ্রুব সত্য নয়। আল্ট্রা রাইটদের দিক থেকে তর্ক করার সময় অনেক সময়েই সেটা ভুলে যাওয়া হয়। এমনভাবে তারা তর্কটা করে যেন এগুলো সব প্রতিষ্ঠা হয়ে গেছে। আর বিতর্কের কিছু নেই।

    আর ঐতিহ্যের কথা আর কীই বা বলব। 'বিপ্লব মারানো' বা ঘেরাও কালচার যদি বাঙালীর কুঐতিহ্য হয়, তাহলে পণপ্রথা আর সোনা জমানো অবশ্যই গোটা সাউথ ইন্ডিয়ার সু ঐতিহ্য, কণ্যাভ্রূণ হত্যা রাজস্থানের সুঐতিহ্য, কাস্ট সিস্টেম গোবলয়ের সুঐতিহ্য, কারণ এগুলো সেসব জায়গায় অর্থনৈতিক উন্নতির পথে বাধা হয় নি - ইত্যাদি, ইত্যাদি।
  • !! | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:৪৪666982
  • কারণ নিজেদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করে সারাক্ষণ যে দেশ আর তার নীতি কে গালি দেয় এই বিপ্লবীরা সুযোগ পেলেই তারা ঐ দেশে গিয়ে বসে অন্যদের উপদেশ দেয় - bunch of hypocrites
  • শ্রী সদা | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:৪৫666983
  • পিনাকীদা, জেটলি বা কেটলি যারই তত্ব হোক, তাতে যদি মানুষের আর্থিক উন্নতি হয় (যার কিছুটা চোখে দেখেছি, রেটোরিক যাকে বলে) সেটাকে অ্যাকসেপ্ট করতে আমার অপত্তি নেই। কবে বামপন্থীদের থিওরি অনুযায়ী আইডিয়াল আর্থিক নীতি আসবে তার জন্যে অপেক্ষা করে রাজ্যটাকে জিজিতে পাঠাতে আপত্তি আছে। লেটস এগ্রি টু ডিসেগ্রি।
  • lcm | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:২০666984
  • প্রবলেম আন্দোলনের সংখ্যা নিয়ে নয়। প্রবলেম হল ফেইল্‌ড বা ডিফোকাস্‌ড আন্দোলনের সংখ্যা নিয়ে। সেই নকশাল মুভমেন্ট থেকে শুরু করে আজ অবধি - পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলন হয়েছে অনেক। কিন্তু সফল বা অ্যাট লিস্ট কাজের কাজ কিছু হয়েছে এমন আন্দোলন কম।

    আন্দোলনের ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে।

    যাদবপুরের ছাত্রদের অনশন আন্দোলন-কে এক দিয়ে অন্তত সফল বলতে হবে- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন ঘোষিত লাইন পাল্টে ছাত্রদের মধ্যে এসে সিদ্ধান্ত ঘোষনা করতে। কিন্তু যদি গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যায়, তাহলে মশার উপদ্রবে কিছু মাছি মেরে দিলাম - এর মতন হল।
  • pinaki | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৩:৫৫666985
  • হ্যাঁ, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু এব্যাপারে অকারণে একা বামপন্থীদের গালি দেওয়াটা ঠিক নয়। রাইট উইং এর মধ্যেও এর উল্টোদিকের বক্তব্য আছে। অনেক দেশ অন্যরকম আর্থিক নীতি নিয়ে বেশ ভালোভাবে টিঁকে আছে। সারা ভারতবর্ষের আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকার জন্য বামপন্থীরা কেন দায়ী হবে, যেখানে তারা কখনো সারা ভারতের নীতিনির্ধারণের সুযোগই পায় নি? একটা ব্যঙ্গালোর দেখিয়ে তো আর এইটা বলা যায় না যে সারা ভারত দারুণ ভালো আছে। কিছু জায়গায় পুঁজি কেন্দ্রীভূত হয়েছে, নানা ঐতিহাসিক কারণে। প্রদীপের নীচে বাকি সব জায়গায় তো অন্ধকার। কলকাতা নাহয় বিপ্লব মারানোর জন্য কিছুই করে উঠতে পারল না, জয়পুর পেরেছে? লুধিয়ানা পেরেছে? ইন্দোর পেরেছে? এরকম বহু অবাম রাজ্যের মূল মূল শহরের নাম দেখিয়ে একই প্রশ্ন করা যায়। নিজের অভিজ্ঞতাকে বাদ দিয়ে অবশ্যই তর্ক হয় না, কিন্তু তার সাথে এটাও ঠিক যে শুধু নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েও তর্ক হয় না। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল একটা ব্যাপারে যেখানে বহু মানুষের বহু রকমের মতামত আছে সেখানে কোনো একটা এক্স্ট্রীম বক্তব্য প্রচন্ড শ্লেষ আর অ্যাসার্শানের সাথে একতরফা রেখে চললে। ধরা যাক এই যে শেষ বক্তব্যটা 'কবে বামপন্থীদের থিওরি অনুযায়ী আইডিয়াল আর্থিক নীতি আসবে তার জন্যে অপেক্ষা করে রাজ্যটাকে জিজিতে পাঠাতে আপত্তি আছে।' - অর্থাৎ জিজিতে পাঠানোতে আপত্তির জায়গাটা পার্সোনাল। কিন্তু বামপন্থীদের পছন্দের আর্থিক নীতির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়েই রাজ্যটা জিজিতে চলে গেল - এই এজাম্পশনটা যেন এবসলিউট। সর্বজনস্বীকৃত। অর্থাৎ তর্কটা অ্যাজ ইফ হচ্ছে জিজিতে পাঠানো উচিৎ কি উচিৎ নয় সেই নিয়ে। তার মানে আমি যদি 'এগ্রী টু ডিসেগ্রী' তে সায় দিই, তার অর্থ হল তুই জিজিতে পাঠাতে চাস না আর আমি চাই - এই হল গিয়ে তোর আর আমার মতপার্থক্য। আর সেটা অমি মেনে নিচ্ছি। কিন্তু তার আগের এজাম্পশনটা নিয়ে যেন কোনো তর্কই চলতে পারে না। আমাদের মতপার্থক্য তো সেটা নয়। আমাদের মতপার্থক্য স্পেসিফিক্যালি সেজ না করার জন্যই পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন আটকে আছে কিনা, নানারকম (বামপন্থী) আন্দোলনের কারণেই আমাদের রাজ্য জিজিতে যাচ্ছে কিনা - সেগুলো নিয়ে। আর সেব্যাপারে অবশ্যই লেটস এগ্রি টু ডিসেগ্রি।
  • pinaki | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:০১666986
  • !! ভাই, এরকম খোলা মনে জ্বলুনির কারণ লেখার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু,

    জ্বলতে থাকুক। :-P
  • একক | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:১৪666988
  • পিনাকি
    সারা ভারতে কোনো দক্ষিনপন্থী দল নেই। সবকটাই সোশালিস্ট, নানান ফ্লেভারের। তারা কমিউনিস্ট কিনা বড় কথা না। তারা সকলেই সেন্ট্রাল প্ল্যানিং এ বিশ্বাসী। ক্ষমতায় এসে একগুচ্ছ "স্কীম" নিয়ে আসে। chaddi গুলো আরও বড় সোশালিস্ট কাপল্ড উইথ ক্রনি ক্যাপিটালিস্ট ট্রেন্ড। আমরা এমন অপগন্ড দেশে বাস করি যেখানে বিলীয়নেয়ার বিস্নেস্ম্যান ও নিজেকে ক্যাপিটালিস্ট বলে পরিচয় দেয়না। এখানে সশালিস্ম মারানই ফ্যশন। কাজেই অন্য রাজ্যে বামপন্থী আছে কী নেই সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা এই সেন্ট্রাল প্ল্যানিং এর থেইস্ট মডেল টা ছেড়ে বেরোনো।
  • PM | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২৩666989
  • ভাই সেন্ট্রাল প্ল্যানিং আর চাপ আছে বলে তবু কিছু আছে না হলে আমাদের রাজনীতিকদের হাতে থাকলে গোটা রাজ্য জুড়ে পোড়ামাটি পড়ে থাকতো ঃ)

    আগে আমার আপানার মতুই ধারনা ছিলো ডিসেন্ট্রালাইসেসনের ব্যাপারে। ইদানিং মত পাল্টাতে বাধ্য হয়েছি পরিস্থিতির চাপে ঃ(
  • sm | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৪৬666990
  • বামেরাও ৩৪ বছর রাজত্ব কালে, কেন্দ্র কে দুষত। এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে কেন্দ্রের ভজন পূজন করছে!
  • Shibir | ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ ১৬:২৫666991
  • একক সোশালিসম মানে আপনি কি বলতে চাইছেন ? আমি যতদুর জানি জিরো প্রাইভেট ওনারশিপ। আর সেন্ট্রাল প্লানিং নিয়ে এত কান্নাকাটি কেন ? সেতো কবে মরে ভূত হয়ে গেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন