• টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রেসিডেন্সি নিয়ে - আবাপ বনাম এইসময়

    দেব
    অন্যান্য | ০৯ আগস্ট ২০১৩ | ২৭৭৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | 233.231.253.69 | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:০৬620287
  • অনির্বাণ আলোচনায় যোগ দিয়ে ফেলুন।
  • bip | 78.33.140.55 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:০৬620288
  • ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞান ছাড়া মডেলটা কী করে আসবে, ইকুয়েশন না থাকলে তার সলিউশন কে মডেল করবে? ফিট করানোর ডেটাই বা কে দেবে?
    বরং, রিয়েল টাইম সিমুলেশনের জন্য একটা লড়াই চলছে এখন, যাতে ফিজিক্স-বেসড মডেলকে হায়ার কম্পিউটেশনাল স্পিডে রিয়েল টাইমের কাছে নিয়ে আসা যায়। ১০ বছর আগে যে প্রবলেম সল্ভ করতে ১ মাস লাগত, আজ তো তা দশমিক সেকেণ্ডে হয়ে যাচ্ছে।

    >>
    ফিজিক্সটাকি মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছে? ইকুয়েশন গুলো এল কোথা থেকে? সেই ডেটা থেকেই তঁ এল? সুতরাং ট্রেনিং ডেটার মধ্যেই পুরো সিস্টেমের স্ট্রাকচার পোরা সম্ভব-সেখানে মডেলটা তঁ যাস্ট একটা স্ট্রাকচারের রিপ্রেজেন্টেশন ।

    একটা সিস্টেমের ট্রেনিং ডাটা যদি ভাল থাকে, তাহলে আধুনিক মেশিন লার্নিং কাজে লাগিয়ে তার ভেতরের স্ট্রাকচার মেশিন নিজেই বার করতে পারবে। ইকুয়েশন বাস্তবতার একটা পারামেট্রিক রিয়ালেইজেশন । তার বেশি কিছু না । সেই রিয়ালাইজেশনটা প্যারামেট্রিক ওয়ার্লেডে করতে ইঞ্জিনিয়ারিং বা ফিজিক্সের জ্ঞান দরকার হয়-কিন্ত যখন ট্রেনিং ডেটাটাই হচ্ছে আমার মডেল-সেই সিস্টেমের ইকুয়েশন বা পারামেট্রিক মডেল জেনে আমি কি করব? ট্রেনিং ডেটা দিয়েই আমি রিয়ালিটিটা ক্যাপচার করতে পারব। কিন্ত হ্যা, তার জন্য আমার ট্রেনিং ডাটাতে সব ডিস্ট্রিবিউশন থাকতে হবে।

    ডেটা থেকে স্ট্রাকচার বার করা সম্ভব-অনেকগুলো স্ট্রাকচারারল সম্পর্ক-সেই সম্পর্কের মধ্যে কাজেরটা নিইয়ে বাকিটা ফেলে দিলেই হল।
  • rivu | 140.203.154.17 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ০২:৩২620289
  • "আমার কাছে দুটো সফটোয়ার আছে এই মুহুর্তে, যারা মডেলিং এর ধারনাটাই বদলে দিচ্ছে -মডেলিংটাই অটোমেশন করে দিচ্ছে"

    সফটোয়ার দুটোর নাম বলা যাবে? জাস্ট জানতে চাইছি, একাডেমিক ইন্টারেস্ট থেকে।
  • bip | 78.33.140.55 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ০৪:১৪620290
  • Rivu
    Public forum ye lekha jabe na..NDA issue ache because both of them are under development. But selected customer beta we distribute.

    You can write to me in [email protected]
    I will send a beta copy.
  • তাতিন | 127.197.71.18 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৫৩620291
  • ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া ডেটা কালেক্ট করবে কে? সেটাকে ফিল্টারই বা করবে কে? আর সবসময়ে ডেটা পাওয়া যাবেই বা কী করে? সুনামির মডেল বানাতে তাহ্লে সুনামি হওয়া অবধি অপেক্ষা করতে হবে।
  • তাতিন | 127.197.71.18 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ০৯:০১620292
  • "তুই যেটা বলছিস, সেটা হল আবার টিপিক্যালি ইন্ডাস্ট্রি এবং কম্পিটিশন ড্রিভেন রিসার্চের সমস্যা। ঃ-) সেও মোটেই আইডিয়াল কিছু নয়। ঃ-) একদিকে পেপার ড্রিভেন, অন্যদিকে বাজার ড্রিভেন। সৎ রিসার্চাররা যে কোনদিকে যাবে! ঃ-)"

    পিনাকীদা,
    কোনও দিকেই যাবে না, নিজের ইন্টেলেকচুয়াল কোয়েস্টের জন্যেই রিসার্চ করবে, সেটা পেপার বা বাজারের কাজে লাগছে কিনা সেটা পরের লেভেলের প্রশ্নে আসবে।
    সেই জন্যই সরকারি ফান্ডিঙ্গের দরকার।
  • T | 24.139.128.15 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৪৩620293
  • ডেটা থেকে স্ট্রাকচার এবং সেইসঙ্গে ফিউচার আউটকাম প্রেডিক্ট করতে গেলে লার্ণিং ক্লাস কে লিমিটেড হতে হয়। ফিজিক্স রিলেশনস ফাংশন ক্লাসের ক্যাপাসিটির একটা আন্দাজ দেয়। চয়েস লিমিটেড না হ'লে মুশকিল। অসংখ্য জুতোর দোকান ঘোরার অপশন থাকলে শেষ অবধি জুতোটা কেনাই হবে না।
  • lcm | 118.91.116.131 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১০:২২620294
  • আরে ওরকম হয় নাকি। বেসিক সায়েন্স তো বেসিক, ওটা বাদ দিয়ে কি করে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং তো সায়েন্সের বাইরে না। বরং, বলতে পারো থিওরেটিক্যাল বনাম অ্যাপ্লায়েড ফিল্ড - এ নিয়ে অনেকে তক্কো করে থাকেন। যদিও সে তক্কোও ...
  • সুকি | 168.161.176.6 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৪620295
  • আচ্ছা, পি এইচ ডি করা এতো কঠিন হল কবে থেকে? আপনারা যা সব কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, তাতে করে তো বিশাল পোটেনশিয়াল ওয়ালা ছেলে পুলে ছাড়া এগুনোই যাবে না!

    আমাদের মতো সাধারণ মানের ছেলে পুলেরা কি তা হলে রিসার্চ/পি এইচ ডি করবে না নাকি! কথা হল রিসার্চ করনেওয়ালা বেশীর ভাগ পাবলিকই আমার মত পাতি - যুগান্তকারী কিছু করবার মত এলেম বালা বেশী নেই মার্কেটে। আর পাতি পি এইচ ডি না হলে, পাতি কলেজে ছেলে পুলে পড়ানোর জন্য লোক পাবেন কোথায়?

    তার থেকে তো এই ভাল যে ইউনি তে গেলাম, প্রফেসর বলে দিল এই তোমার টপিক, ছয় মাসের মাথায় এই কটা টেষ্ট রেজাল্ট লাগবে ক্লাইয়েন্ট এর সাথে মিটিঙ এর জন্য। মাঝে মাঝে পাবলিকেশন আর কনফারেন্স। ৪ বছর শেষে একটা ডিগ্রী বাগিয়ে ফিরে এলাম কিংবা থেকে গেলাম পোষ্ট-ডক হিসাবে। সিম্পল ব্যাপার - এর মধ্যে প্রফুল্ল রায় বা আর্সেনিক আসে কি করে? তবে মরিনহো আস্তেই পারে - পি এইচ ডি সময় ফুটবল সাথে না থাকলে আর রইল কি?
  • তাতিন | 132.252.251.244 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১৪:১৯620297
  • পিএইচডি তো অন্তহীন ঘষতে ঘষতে নেমে যায়।
    বোধহয় কথা হচ্ছিল রিসার্চ নিয়ে।
  • pinaki | 148.227.189.9 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১৫:০৪620298
  • টেকনলজি রিসার্চটা শুধুই কোয়েস্টের জন্য নয় - সেটাই বলতে চাইছিলাম। আমার নিজের মত অবশ্য।
  • ম্যাক্সিমিন | 69.93.211.154 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৫০620299
  • আমাদের বিষয়ে বহুদিন অবধি যেটা ছিল, দেশে বসে পিএইচডি করলে পড়ানোর যোগ্যতা তৈরি হত না। দেশে পড়াতে হলেও পিএইচডি বিদেশে গিয়ে করতে হত।
  • ম্যাক্সিমিন | 69.93.211.154 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৫৮620300
  • হিউম্যানিটীজের অন্য বিষয়ের সঙ্গে ইকনমিকসের অমিলের জায়গা সম্ভবত এইটেই।
  • cm | 127.216.43.117 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ১৮:০৯620301
  • আমার মনে হয় প্রধান অমিল হল অঙ্কের ব্যবহার। তার কারণ অর্থনীতিতে যা বলার তা প্রিসাইজ বলার প্রয়োজনীয়তা বাড়ার সাথে সাথেই ওতে অঙ্ক অপরিহার্য্য হয়ে ওঠে।
  • বিপ | 78.33.140.55 | ১৬ আগস্ট ২০১৩ ২৩:২৫620302
  • ডেটা থেকে স্ট্রাকচার এবং সেইসঙ্গে ফিউচার আউটকাম প্রেডিক্ট করতে গেলে লার্ণিং ক্লাস কে লিমিটেড হতে হয়। ফিজিক্স রিলেশনস ফাংশন ক্লাসের ক্যাপাসিটির একটা আন্দাজ দেয়। চয়েস লিমিটেড না হ'লে মুশকিল। অসংখ্য জুতোর দোকান ঘোরার অপশন থাকলে শেষ অবধি জুতোটা কেনাই হবে না।

    >>
    যেত যখন প্যারামেট্রিক ফিটিং করছ, সেই ,লিমিটেশনটা থেকেই যাচ্ছে। আর প্যারেমেট্রিক ফিটিং হলেই সব ভাল রেজাল্ট হবে তাও না ...কারন সেই এক ব্যাপার, যে ডাটা ফিটিং হয়েছে তা লিমিটেড। যার জন্য মেডিক্যাল সায়েন্সের ফিল্ডে সব থেকে বেশি ফ্রড সায়েন্স হয়। সুতরাং সেই এক লিমিটেশ ন প্যারামেট্রিক মডেলেও থাকে।
  • baba | 96.145.94.191 | ১৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৫৬620303
  • অর্থনীতি নিয়ে যখন কথা উঠলই তখন বলি সারা ভারতে দিল্লি আইএসআই ছাড়া আর কথাও একসাথে অনেকে গবেষনাই করেনা। কলকাতা আইএসআই, দিল্লি স্কুল, জেএনইউ, গাইপ সব জায়গা তেই দু এক জন খুড়িয়ে খুড়িয়ে কাজ করে। প্রেসি তে বিদেশ থেকে লোকজন আমদানি করলেও কদ্দুর কি হবে সন্দেহ আছে
  • anirban | 34.5.197.153 | ২৭ আগস্ট ২০১৩ ২২:০৩620305
  • ইন্টারেস্টিংলি, ওপরের লিংকের বিষয়গুলো হল psychiatry and genetics।
  • π | ০৪ এপ্রিল ২০১৪ ১৪:১১620308
  • এটা অনেক আগে এই টইতে লিখেছিলাম, আগে ভাটেও একবার লিখেছিলাম।

    Name: pi

    IP Address : 82.83.90.116 (*) Date:01 Aug 2012 -- 11:55 PM

    এনিয়ে ভাটে অনেক'দিন আগে প্রশ্ন করেছিলাম, মনে হয়। শিক্ষক আর গবেষক এদুটো ফ্যাকাল্টিকে ওভারল্যাপ করতে হবেই কেন ? বহু ভাল গবেষক কিন্তু ভাল শিক্ষক হতে পারেন না, সেদিকে প্রায়োরিটি দিতে চান না বা দিলেও পারবেন না বা দুটোই। আবার শিক্ষকদের গবেষণার বেলাতেও সেটা সত্য। এরকম বেশ কিছু লোকজনকে কাছ থেকে দেখেই বলছি। আবার কেউ কেউ হয়তো দুটৈ ভাল করবেন, বা করতে চাইবেন, চাইলেও পারবেন। সেটার সংখ্যা কম।
    বোরিং লাগা না লাগা , এই ব্যাপারটা তো ঐ ভালোলাগা থেকেও আসে অনেকটা। তাই ওটাকেও আমি আপেক্ষিক টার্ম ই বলবো।
    আমার তো মনে হয়, এরকম প্রভিশন চালু করা উচিত, যেখানে আগে থেকে প্রেফারেন্স দেবার সুযোগ থাকবে, কে কোনটা চান। সেরকম দেখে, মিলিয়ে মিশিয়ে একটা ডিপার্ট্মেন্ট তৈরি হওয়া উচিত।

    Name: pi

    IP Address : 118.22.232.92 (*) Date:10 Aug 2013 -- 07:49 PM

    'গবেষণা আর পড়ানো দুটো আলাদা কাজ তার স্কিলসেট আলাদা। ' চান্দুবাবুর এই কথাটা আমারো কিছুটা মনে হয়। ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। এর মানে এও বলতে চাইছিনা, যে পড়ানোর সময় ফিল্ডের গবেষণার কোন প্রতিফলন থাকবে না, অবশ্যই থাকুক, কিন্তু তাঁর জন্য যিনি পড়াচ্ছেন, তাঁকেই উচ্চ মানের গবেষণাকারী হতেই হবে বা সেরকম কাউকে পড়াতেই হবে, নট নেসেসারি। এনিওয়ে, ব্যক্তিগত মত।
    --------
    আজ সুজাত ভদ্রের উত্তরসম্পাদকীয়তে দেখলাম, সেই কথাই বলেছেন উনি। ওঁর এই বক্তব্যের সাথে পুরো একমত।

    'পড়ানো ও গবেষণা শিক্ষক -শিক্ষিকাদের দু’টি মূল কাজ৷ দু’টিই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ৷ দু’টি কাজই তাঁরা কেমন করছেন বা দু’টি কাজই যাতে তাঁরা ভালো ভাবে করতে পারেন বা তাঁদের করার ইচ্ছে হয় , সেটা দেখা সরকারের ভীষণ ভাবে প্রয়োজন৷ মহামান্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গবেষণাপত্র প্রকাশ করার উপর এমন জোর দিয়েছেন যে , আমি আপনি পাশের বাড়ির প্রেসে জার্নাল বার করে তাতে রম্য রচনা লিখে কাঁড়ি কাঁড়ি নম্বর পেয়ে পদোন্নতি করছি --- অথচ যে শিক্ষক নিরন্তর পরিশ্রম করে অসাধারণ পড়াচ্ছেন তার কোনও মূল্য তিনি পান না৷ আবার যাঁরা সত্যি ভালো গবেষণা করেন তাঁরা যদি বলেন যে , ‘দয়া করে আমাকে দুটো ক্লাস কম দেবেন ’ তা হলে সামাজিক বৈষম্যের দোহাই বেচে যে অদক্ষ এবং অযোগ্য কর্তাব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয় দাপিয়ে বেড়ান --- তাঁরা রে রে করে ওঠেন৷ আমার নিজের জীবনেই এটা হয়েছে৷ অর্থাত্ ভালো শিক্ষক এবং ভালো গবেষক কে তার তুল্যমূল্য বিচার হওয়া প্রয়োজন৷ শুধুই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নীতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা অনুচিত৷ কারণ এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ নতুন করে ভাবতে পারে৷ গাইডলাইন বা নীতি -নির্দেশিকা মোটামুটি মেনে চললেও --- মেধার যথার্থ মূল্য আমাদের দিতেই হবে৷ অসাধারণ পড়াতে পারেন যাঁরা তাঁদের আলাদা করে চিহ্নিত করে বিশেষ সম্মানের এবং পদোন্নতির ব্যবস্থা করা এবং খুব ভালো গবেষকদের সম্মান জানানো উচিত , মাইনে না -ই বা বাড়াতে পারলেন সরকার৷ ভালো অধ্যাপক -অধ্যাপিকা যাঁরা , তাঁরা নাই বা হলেন নামজাদা গবেষক , অসাধারণ শিক্ষক তো হতেই পারেন৷ তিনি বা তাঁরা আছেন বলে ভবিষ্যত প্রজন্ম দক্ষতা অর্জন করেন৷

    ভালো পড়ানো বা গবেষণার মূল্যায়ন একেবারে গাণিতিক ও রাশিভিত্তিক হওয়া উচিত৷ তাই ছাত্র -ছাত্রীদের দ্বারা শিক্ষক -শিক্ষিকার পড়ানোর গুণমান বিচার একেবারে অপরিহার্য৷ সারা পৃথিবীতে যখন এটা সব নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয় মেনে নিয়েছে --- এখানেও এটা হওয়া উচিত৷ শুরুও হয়েছে এই প্রক্রিয়া --- কিন্ত্ত এই প্রক্রিয়ায় কে কোন বিভাগে সবচেয়ে ভালো পড়ান সেটা জানতে হবে৷ পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করে শুধু নম্বর জোগাড় করে পূর্ণ অধ্যাপক পদে যাওয়া বন্ধ করতে হবে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অধ্যাপকের পদ পাওয়াটা যেন ১০০ দিনের কাজ পাওয়ার মতো অধিকারের ব্যাপার না হয়৷ অনেক সময় একগাদা বাজে গবেষণাপত্র ছাপিয়ে অত্যন্ত মধ্যমেধার অধ্যাপক , এক জন অসাধারণ শিক্ষক যিনি খুব ভালো পড়ান --- অথচ তেমন গবেষণা করে উঠতে পারেননি , তাকে খোঁটা দিতে পারেন --- এটা অন্যায়৷ কেউ কেউ আছেন যাঁরা যেমন ভালো শিক্ষক তেমন ভালো গবেষক৷ কিন্ত্ত ভালো শিক্ষক -শিক্ষিকাদের সম্মান আমাদের করতে হবেই --- কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এঁরাই অসাধারণ শিক্ষক --- এটা সবার জানা প্রয়োজন৷ অন্য দিকে গবেষণাপত্র আরও অনেক কঠোর ভাবে যাচাই করা প্রয়োজন --- খুব ভালো শিক্ষক এবং খুব ভালো গবেষক দু’দলই অন্যদের চেয়ে আলাদা --- এই পার্থক্য বা আলাদা হওয়ার ব্যাপারটাকে সরকারি স্তরে সম্মান জানানো বিশেষ ভাবে প্রয়োজন৷ তাঁদের উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন৷'

    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=10510&boxid=18639640
  • এমেম | 69.93.193.235 | ০৪ এপ্রিল ২০১৪ ২০:১২620310
  • সুজাত ভদ্র?
  • π | ০৪ এপ্রিল ২০১৪ ২০:৩৯620311
  • সরি, সুগত মারজিত।
  • PT | 213.110.246.230 | ০৫ এপ্রিল ২০১৪ ০৮:০৭620312
  • "এক জন অসাধারণ শিক্ষক যিনি খুব ভালো পড়ান --- অথচ তেমন গবেষণা করে উঠতে পারেননি........"

    এই কথাগুলোর মধ্যে একটা অসম্পুর্ণতা আছে। গবেষণার একমাত্র উদ্দেশ্য শুধু (উচ্চমানের) গবষণাপত্র প্রকাশ করাই নয়। গবেষণা এবং তার সঙ্গে সংযুক্ত পড়াশুনো থেকে শিক্ষক (মধ্যমানের হলেও) একটি বিষয়ের আধুনিকতম তথ্যের সঙ্গে নিজেকে পরিচিত রাখেন। আর elective subject-এর মাধ্যমে সেই latest আর evolving টপিকের সঙ্গে ছাত্রকে পরিচিত করিয়ে দেন। বলতে বাধা নেই অনেক "অসাধারণ' শিক্ষক গবেষণা না করার কারণে মূলতঃ text-বইয়ের মধ্যেই আবদ্ধ থাকেন। এক একটা নতুন আবিষ্কার নতুন বইয়ের অংশীভূত হতে প্রায় ২০ বছর লেগে যায়।
  • b | 135.20.82.164 | ০৫ এপ্রিল ২০১৪ ০৯:৫৫620313
  • আমার বসের (যোগরূঢ়ার্থে) কাছ থেকে এটাও থাকঃ

    "I don't believe I can really do without teaching. The reason is, I have to have something so that when I don't have any ideas and I'm not getting anywhere I can say to myself, "At least I'm living; at least I'm doing something; I am making some contribution" -- it's just psychological.

    When I was at Princeton in the 1940s I could see what happened to those great minds at the Institute for Advanced Study, who had been specially selected for their tremendous brains and were now given this opportunity to sit in this lovely house by the woods there, with no classes to teach, with no obligations whatsoever. These poor bastards could now sit and think clearly all by themselves, OK? So they don't get any ideas for a while: They have every opportunity to do something, and they are not getting any ideas. I believe that in a situation like this a kind of guilt or depression worms inside of you, and you begin to worry about not getting any ideas. And nothing happens. Still no ideas come.

    Nothing happens because there's not enough real activity and challenge: You're not in contact with the experimental guys. You don't have to think how to answer questions from the students. Nothing!

    In any thinking process there are moments when everything is going good and you've got wonderful ideas. Teaching is an interruption, and so it's the greatest pain in the neck in the world. And then there are the longer period of time when not much is coming to you. You're not getting any ideas, and if you're doing nothing at all, it drives you nuts! You can't even say "I'm teaching my class."

    If you're teaching a class, you can think about the elementary things that you know very well. These things are kind of fun and delightful. It doesn't do any harm to think them over again. Is there a better way to present them? The elementary things are easy to think about; if you can't think of a new thought, no harm done; what you thought about it before is good enough for the class. If you do think of something new, you're rather pleased that you have a new way of looking at it.

    The questions of the students are often the source of new research. They often ask profound questions that I've thought about at times and then given up on, so to speak, for a while. It wouldn't do me any harm to think about them again and see if I can go any further now. The students may not be able to see the thing I want to answer, or the subtleties I want to think about, but they remind me of a problem by asking questions in the neighborhood of that problem. It's not so easy to remind yourself of these things.

    So I find that teaching and the students keep life going, and I would never accept any position in which somebody has invented a happy situation for me where I don't have to teach. Never."
  • aranya | 78.38.243.218 | ০৫ এপ্রিল ২০১৪ ১০:০৪620314
  • b-র বসের লেখাটা ভাল লাগল
  • এমেম | 127.194.251.82 | ২২ মে ২০১৪ ১৭:৫৫620315
  • টইটা তুলি
    কলা ও বিজ্ঞানের মোট ১৯টি বিভাগ মিলিয়ে ফি বছর ডিগ্রি পান শ ’পাঁচেক পড়ুয়া৷ তার মধ্যে ৩০০ থেকে ৩২৫ জন পড়ুয়ার হাতে চাকরি তুলে দেওয়ার নজির রাজ্যের অন্য জেনারেল ডিগ্রির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও নেই বলে দাবি করছেন অনেকে৷ কারণ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চলতি শিক্ষাবর্ষে ৭৫ -৮০ শতাংশ , বেসু (বর্তমানে আইআইইএসটি ) ৭০ -৭৫ শতাংশ এমনকি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজাবাজার ক্যাম্পাসেও প্রায় ৫০ শতাংশ পড়ুয়ার হাতে ইতিমধ্যে চাকরি তুলে দিতে পেরেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান৷ কিন্ত্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইঞ্জিনিয়ারিং বা অন্যান্য টেকনিক্যাল কোর্সের পড়ুয়ারাই চাকরি পেয়েছেন৷ যাদবপুর বা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বা কলা বিভাগের প্লেসমেন্টের হাল মোটেই তেমন সন্তোষজনক নয়৷
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=11511&boxid=15265421
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন