এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি কী হত ?

    একক
    অন্যান্য | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ৩৩৬৯১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | 135.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৫627076
  • ওপিয়ামে আম্মো যাই নি, তবে রেলিজিয়নে মাঝে মাঝে যাই।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:২৮627077
  • কতগুলো পয়েন্ট মাথায় এলো এইবেলা লিখে না রাখলে ভুলে যাবো।
    ব্যাঙ্ক
    বই (নারখোজের)
    ব্যবসা।

    প্রথমে বই। নানানরকম গল্পের বই, রূপকথা, উপন্যাস নিয়ে কথা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হয়ত রিসার্চ পেপার - এগুলোতে বায়াস থাকতে পারে, নাও পারে।
    কিন্তু টেক্‌স্ট্‌ বুক খুব দরকার। অঙ্ক, ফিজিক্স, বায়োলজির বই নয়। ইকোনমিক্সের বই। যাকে বলে নারখোজের বই।
    আগেই লিখলাম কোথাও যে নারখোজ চার বছরের ইউনিভার্সিটি এজুকেশন। বাকি অধিকাংশই কিন্তু পাঁচ, ছয়। কেন? কারাই বা নারখোজ পড়ত?
    সোভিয়েত দেশের ছাত্ররা ও সমাজতান্ত্রিক দেশের ছাত্ররা। এই পাঠক্রমে ক্যাপিটালিস্ট দেশের ছাত্রদের প্রবেশ নিষেধ ছিলো।
    ইস্ট জার্মানী থেকে ছাত্ররা পড়ত, তারপরে লাওস, কম্বোজ, ভিয়েতনাম, কুবা, বুলগারিয়া, ইঃ।
    সমাজতান্ত্রিক ইকোনমিতে প্রাইভেট সেক্টর নাই। যদিও বা থাকে তা ধর্তব্যের মধ্যে নয়। স্টক এক্স্‌চেঞ্জ, শেয়ার মার্কেট, ব্যাঙ্ক, জমা টাকার ওপরে সুদ, বিজনেস, স্মল বিজনেস, প্রাইভেট প্র্যাকটিস্‌, ট্যাক্স, ইনশিওরেন্স, ব্যাঙ্ক লোন, ইঃ এসবই মায়া।
    তেমনি নাই জমির মালিকানা, বা তার ইন্‌হেরিটেন্স্‌, স্থাবর সম্পত্তির কন্‌সেপ্ট। সবই জঙ্গম এবং তার ঊর্দ্ধসীমা খুবই সীমিত। অন্ততঃ সৎপথে থাকতে গেলে। তবে সৎ থাকবার ইন্‌সেন্‌টিভটা কী? সৎ থেকে আমার কী লাভ? শর্ট টার্ম বেনিফিট টা কোথায়? কোনো আর্থিক লাভ তো হচ্ছেই না।
    আবার লং টার্ম বেনিফিটও নাই। মরবার পরে স্বর্গে গিয়ে রিওয়ার্ড পাবার রাস্তাও বন্ধ। ধর্ম, ঈশ্বর, এ সবই খুব গোপন চেপেঢেকে রাখার বস্তু।

    তাই ঐ ব্যবস্থাটা গভীরে বুঝতে হলে ঐ সময়কার ইউনিভার্সিটি টেক্স্‌ট্‌বুক খুঁজে বের করা দরকার। ইংরিজিতে আছে বলে মনে হয় না। ইকোনমিক্সের বই। নারখোজ (Народное хозяйство)।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:৪১627078
  • আরেকটা পয়েন্ট।
    ইকোনমিক্স্‌ পড়ানো হতো কিন্তু কমার্স নামক সাবজেক্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়ানো হতো না। (অবশ্য পশ্চিমের অনেক ক্যাপিটালিস্ট দেশেই কমার্সকে আলাদা করে একটা ডিসিপ্লিন হিসেবে ইউনিভার্সিটির শিক্ষাক্রমে রাখা হয় না)।
    ছোটোখাটো ডেবিট-ক্রেডিট জাতীয় জিনিস অবশ্য শিখত ক্যাশিয়ারের (বুঘাল্টেরিয়া - রাশিয়ানে/ বুখালটুং - জার্মানে) কাজ শিখত যারা।
    পোলিটিক্যাল ইকোনমি একটি বিষয় ছিলো। এটা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। ডাক্তারী থেকে স্পেস সায়েন্স, সর্বত্র।
    সেখানে ক্যাপিটালিস্ট দেশের ইকোনমির সঙ্গে তুলনামূলক স্টাডি ও স্টাডি শেষে জিতে যেতো সোশ্যালিস্ট ইকোনমি।
    পূর্ব জার্মানী থেকে যে সব ছাত্ররা সোভিয়েত ইউনিয়নে নারখোজ পড়তে যাবার সুযোগ পেত তাদের সকলেরই পারিবারিক পোলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড পোক্ত।
    ঐ সময়ের টেক্স্‌ট্‌বুকগুলো হয়ত এব্যাপারে অনেক আলো ফেলতে পারে।
  • hu | 188.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:৫২627079
  • সে, এটা খুব ইন্টারেস্টিং। এই সম্পর্কে আরো লিখুন।
    আরেকটা জিনিস জানতে সাধ যায়। খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাটা কেমন ছিল? ধর্মপালন তো নিষিদ্ধ। কিন্তু খাবারদাবারের মধ্য থেকে ধর্মকে ছেঁটে ফেলা গেছিল কি? শুয়োরের মাংস চলত?
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:৫৬627080
  • ধর্মপালন নিষিদ্ধ ছিলো নাতো! ধর্মপালন নিষিদ্ধ ছিলো কেবল অ্যাল্‌বানিয়াতে (মাদার টেরিজার দেশে)।
    ধর্মপালন ও খাবারদাবার নিয়ে লিখবো।
  • 100* | 125.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:০৩627081
  • ধর্মীয় কারণে সাপ্রেশন - USSR আমলে কেমন ছিলো এই সংক্রান্ত তথ্য কোথায় পাবো? বরং তারপর তো চেচেনদের ওপর যথেচ্ছ আক্রমণ হয়েছিলো - ইয়েলৎসিনের আমলে।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৩৪627082
  • চেচেন-ইঙ্গুশেতিয়ার ঝামেলা তো গর্বাচোভের সময় থেকেই। ১৯৮৯-৯০ থেকেই গ্রোজ্‌নিতে সিভিল ওয়ার শুরু হয়ে গেছে। ইলেৎসেন তখন কোথায়? ৯ই অগস্ট ১৯৯১ এ ক্রেমলিনে বসল গেনাদি ইনায়েভ। গর্বাচোভ নাকি তখন কিড্‌ন্যাপড্‌। আবার কদিন পরে গর্বাচোভের রেস্কিউ, ক্ষমতা হস্তান্তর টু ইয়েলৎসেন। এই ইয়েলৎসেন নিজে কতটা সময় কাজ করত ও কতটা সময় মদের নেশায় আচ্ছন্ন থাকত তার স্ট্যাটিস্‌টিক্স দরকার। কে চালাচ্ছিলো তখন পলিট্‌ব্যুরো? দরকারি প্রশ্ন।
    কিন্তু দাগিস্তানের সমস্যা, চেচেন-ইঙ্গুশেতিয়ার গনহত্যা সবটাই কি সরাসরি ধর্মীয় কারণে হয়েছিলো? না আবার হ্যাঁ ও। ওদিকে ইউগোস্লাভিয়াতে তখন এথিনিক ক্লিনজিং চলছে।
    এটা বুঝতে হলে পিছিয়ে যেতে হবে বিশ্বযুদ্ধের সময়ে যখন ক্রিমিয়া থেকে তাতারদের উৎখাত করা হয়েছিলো। এথিনিক ক্লিন্‌জিং। সবাইকে প্রাণে মেরে নয়, কিন্তু তাদের এথিনিক আইডেন্টিটি নিশ্চিহ্ন করে দেবার প্রচেষ্টা যেটা অনেকাংশেই সফল হয়েছিলো।
    একবার বলব আমরা কমিউনিস্ট- ধর্ম মানি না। ঈশ্বর মানি না, অ্যাথেইস্ট। পরক্ষণেই মুসলমানদের প্রতি অবিশ্বাস, ইহুদীদের প্রতি অবিশ্বাস। সবটা সরলরেখায় চলে না। কিন্তু ক্ষমতা তো সকলের হাতে নয়। মুষ্ঠিমেয় কজনার হাতে। তারা যদি বায়াস্‌ড্‌ হয়, তখন?
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৩৫627083
  • গেনাদি ইনায়েভ নামক লোকটাকে আর ট্রেস করা গেল না। ভ্যানিশ্‌!
  • 100* | 125.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৪৯627084
  • চেচেনদের সাথে ঝামেলা আগেও হয়েছে। চল্লিশের দশকে বিরাট সংখ্যক চেচেনদের লেবার ক্যাম্পে পাঠানো হয় - কারণ চেচেনদের একটা বড় অংশ জার্মানিকে সাহায্য করেছিলো। তবে পুরো যুদ্ধ শুরু হয় (যেটা ফার্স্ট চেচেন ওয়ার বলে দেখাচ্ছে) ৯৪ সালে। যদিও তার আগেই ৯১ সালে ইয়েলৎসিন ট্রুপ পাঠিয়েছিলো। আল্টিমেটলি ৯৬ সালে রাশিয়ান ট্রুপস উইথড্র করা হয়। রাশিয়ার ভিয়েতনাম বলা হয়েছিলো এইটাকে একসময়।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৫১627087
  • যে কথা হচ্ছিলো। বই।
    ইকোনমিক্সের টেক্স্ট্‌ বুক নাহয় খুঁজে পাওয়া যাবে লাইব্রেরীর আর্খাইভ থেকে কিন্তু ধর্মপুস্তক?
    বেদ বাইবেল কোরান ত্রিপিটক গুরুগ্রন্থ্সাহিব জাতীয় বই - যেগুলো অন্যান্য দেশগুলোয় সহজলভ্য, সেই বইগুলো কোথায় পাওয়া যাবে ঐ দেশে?
    বই অনেক জায়গায় পাওয়া যায়। লাইব্রেরীতে, ইন্টারনেটে, বাড়ীতে বইয়ের আলমারিতে, বইয়ের দোকানে, ইঃ।
    সমাজতন্ত্রের যুগে ইন্টারনেট সাধারনের জন্য দুনিয়ার কোনোখানেই অ্যাভেইল্‌এব্‌ল্‌ হয় নি। বাকি রইল অন্য অপশনগুলো।
    এর মধ্যে লাইব্রেরীতে পাওয়া গেলেও পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু কে ধার নেবে সেই বই খাতায় নিজের নাম লিখিয়ে? কার আছে অত সাহস?
    বইয়ের দোকানে সেসব বই নেই। বাড়ীতে ড্রয়িংরুমের শোকেসে ধর্মপুস্তক সাজিয়ে রাখার মত বুকের পাটা কারো নেই। তবে কোথায় পাওয়া যাবে ধর্মগ্রন্থ? ধর্মাচারণে বাধা দেবে না রাষ্ট্র (লিমিটেড ধর্মাচারণ অবশ্যই), কিন্তু বই ছাড়া ধর্মের অনুশাসন মানুষ জানবে কেমন করে? সব শুনে শুনে এক জেনারেশন থেকে অন্য জেনারেশনে?
    বই পাওয়া যেতে পারে গীর্জায়, মসজিদে, ইঃ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই সকল জায়গায় নিয়মিত যাতায়াত করা কি নিরাপদ? কেউ না কেউ তো এই "নিয়মিত" যাতায়াতের প্রতি লক্ষ্য রাখবেই। সেটা স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে।
    তাহলে কি ধর্মপুস্তক উবে যাবে?
  • :-( | 69.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৫১627086
  • প্রশান্ত দনের জন্যে এই ব্লগের লিং কেউ দিল না ?
    http://sovietbooksinbengali.blogspot.in/ রোবু ও তো এই বই অছে সেই বই আছে বলেই গেল, কিসুই দিল না, লিস্ট ও না।
  • ^L^ | 69.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৫৬627088
  • রঞ্জনদার বলা ৭) চেঙ্গিস আইখমাতভের উপন্যাস " বিদায় গুলসারি!" পাবেন ঐ ব্লগেই "পাহাড় ও স্তেপের আখ্যান " নামক বইতে।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৫৭627089
  • আরে বাবা ৯০ সালের সামার থেকে থেকে ইভ্যাকুয়েশন শুরু হয়ে গেছে গ্রোজ্‌নিতে। এমনকি দূরপাল্লার ডোমেস্টিক ফ্লাইট রিফুয়েলিং এর জন্যেও নামাতো না ওখানে। অথচ ১৯৮৯ অবধি ডোমেস্টিক ফ্লাইট গুলো ( ধরা যাক ওদেসা থেকে বিশ্‌কেক যাচ্ছে) গ্রোজ্‌নি থেকে তেল ভরত।
    ৯১ থেকে ফরেনারদের ওখানে ঢোকা বন্ধ হয়ে গেল। বুলেটপ্রুফ পোশাক পরা রাশিয়ান গার্ড সর্বত্র। চেচেনদের হাতে তখন খোলা কালাশ্‌নিকভ্‌। এটা নিয়ে একটু পরে লিখি।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:২৫627090
  • ধর্মপুস্তক ও পর্ণোগ্রাফি এই দুটোই সেভাবে দেখতে গেলে নিষিদ্ধ আইটেম।
    কিন্তু নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি কৌতুহল বেড়ে যায় যদি তা দুর্লভ হয়। শুধু তাই ই নয় ধর্মের প্রতি আকর্ষণ আরো বেশি করে বাড়ে। ধর্মাচারণ নিষিদ্ধ নয়। ধর্মীয় কিছু কিছু আচার (যেমন মুসলমান ও য়িহুদীদের ক্ষেত্রে খৎনা) নিখরচায় হাসপাতালে (হ্যাঁ এটাও ফ্রি) পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে ছুরিকাঁচির সাহায্যেই হচ্ছে। রেজিস্ট্রি করবার সাথে সাথে মৌলভীর সাহায্যে ধর্মীয় বিয়েও হোক (চার্চ ম্যারেজ আবার খুবই খুবই কম, প্রায় জিরো)। বিস্‌মিল্লার নাম করে হালাল করে নাও ভেড়া মুরগী। ফার্মের স্লটার করা গরু শুয়োর ভেড়া মুর্গী বিক্রি হোক সরকারি গাস্ত্রানম-এ (গ্যাস্ট্রোনমি শব্দটার সঙ্গে বেজায় মিল)। ফলে পাক্কা মুসলমান হলে গরু খাওয়া চলবে না। কিন্তু পবিত্র কোরান কোথায় পাওয়া যাবে?
  • hu | 12.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৪২627091
  • গীর্জা-মসজিদে রেগুলার সার্ভিস হত? কিছুদিন আগে একটা রাশিয়ান চার্চে গেলাম যেটা USSR আমলে মিউজিয়াম হিসেবে ব্যবহার হত। এখন আবার চার্চ সার্ভিস শুরু হয়েছে।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৪৪627092
  • না হোতো না। সবই অর্থোডক্স চার্চ। মসজিদের ব্যাপারে ও মাদ্রাসার ব্যাপারে পরে বলছি। এখন বাই।
  • রোবু | 213.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:০৯627093
  • হেব্বি লাগছে।
    ও সংগঠকদাদা, ডোডো ততই এর লিং অজ্জিদ্দা দিল তো!

    আর বাংলা বই তো সব-ই তোমার আছে, এর বাইরে তো আমার কিছু নেই। ইংরিজি চাইলে বরং কিছু দিতে পারি, স্টোরিজ ফ্রম দা ডেপথস, ব্লাইন্ড মিউজিসিয়ানস, প্রোজ আর পোয়েট্রি-র কালেকশন।
  • cm | 127.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:১৬627094
  • ভাট থেকে
    name: sosen mail: country:

    IP Address : 24.139.199.11 (*) Date:11 Feb 2014 -- 06:09 PM

    কোথায় যেন ফ্রিডম অফ স্পিচের টই ছিল? এই ন্যান, এটা চিপকে রাখেন।

    http://www.ndtv.com/article/india/penguin-to-destroy-copies-of-wendy-d
    oniger-s-book-the-hindus-481966?pfrom=home-lateststories
  • Ranjan Roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:১৯627095
  • রোবু,
    "প্রশান্ত ডন" তো অরুণ সোমের ডাইরেক্টলি রুশী থেকে অনুবাদ। ভদ্রলোক ৪০ বছর রাশিয়ায় ছিলেন। ওখানে রুশ সাহিত্যের ইতিহাস, আইখমাতভের লেখাগুলো, সর্বকর্মা ও পেন্সিল ইত্যাদি পুরো সিরিজ মায়াকভস্কির কবিতা --- আরো অনেক কিছু অনুবাদ করেছিলেন। কিন্তু পেরেস্তৈকার চোটে রুবলের দাম কাগজএর সমান হয়ে গেলে কোলকাতায় ফিরে আসেন, রুশী স্ত্রী সহ। এখানে বাংলা আকাদেমি থেকে বেরিয়েছে
    দস্তয়েভস্কির 'অপরাধ ও শাস্তি", তলস্তয়ের "যুদ্ধ ও শান্তি" চার খন্ডে, আর এখন নবারুণবাবুর পত্রিকায় নিয়মিত অনুবাদ করছেন স্তালিনের সময় নিষিদ্ধ উপন্যাসটি-- বুলগাকভের লেখা " মাস্টার এন্ড মার্গারিটা"।

    ওঁর কাছে গ্লাসনস্তের সময়ের রুশী পত্রিকার কাটিং, নিজের নোটস ও ডকুমেন্ট আছে। আমি চেষ্টা করেছিলাম যদি ওনার "রাশিয়ার জর্নল" কোলকাতা থেকে বের করা যায়। এর মধ্যে এডিট হয়ে ছবিগুলো ডিজিটালাইজ করে রেডি। কিন্তু কোন প্রকাশক পাচ্ছিনে।
    ওনার স্ত্রী নাতালিয়া বলেন---- অরুণ রুশীদের চেয়েও বেশি সোভিয় এত ভক্ত। লেনিনের স্ট্যাচু টেনে নামানোর সময় হাউ হাউ করে কেঁদেছে।

    একটা ইন্টারেস্টিং ডকুমেন্টঃ
    সোভিয়েত রুশের জাতীয় সংগীত তিনবার বদলেছে। সুর একই, সুরকার ৯০ বছর অব্দি বেঁচেছিলেন।
    লেনিনের সময় ছিল শুধু ইন্টারন্যাশনাল। স্তালিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় 'পিতৃভূমির জন্যে' সংগীত রচনা করান। পরে ইয়েলৎসিনের সময় একই সুরে
  • রোবু | 213.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:২৬627098
  • প্রশান্ত দন তো অরুণ সোম এর।
    আমি বলছিলাম ধীরে বহে দন এর কথা। ইটা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক অনুবাদ করেন। ইংরেজি থেকে। যেটা হলো কোয়াইট ফ্লোজ দা ডন।

    সংগঠকদা চাইলে ইটা দিতে পারি তো :-)
  • wiki | 131.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৫৮627099
  • http://en.wikipedia.org/wiki/Gennady_Yanayev
    in 1994 he was pardoned by the State Duma. He spent the rest of his life working in the Russian tourism administration until his death on 24 September 2010.
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:০২627100
  • একটা জিনিস বোঝা যাচ্ছিলো যে সব মানুষ একইরকম ভাবনা চিন্তা করে না। ধর্মের গোঁড়ামি যেমন অনেক মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, গোঁড়ামির কারণে সব ধর্মেই অল্প বিস্তর মানুষ অত্যাচারিত হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে এক ধর্মের গোঁড়ামি থেকে পালাবার জন্য অন্য ধর্ম গ্রহণ করেছে, ঠিক তেমনি কিছু মানুষ ধর্মকেই অস্বীকার করেছে। তাই বলে জোর করে ঘাড় ধরে যেমন কাউকে ধার্মিক করে তোলা যায় না তেমনি নিয়ম করে, ভয় দেখিয়ে, অধার্মিক বা অ্যাথেইস্ট বানানোও যায় না। লোভ দেখিয়েও না। হয়ত সাময়িকভাবে কাজে দেয়, কখনো লোভ, কখনো ভয় -যার যেটায় দুর্বলতা, কিন্তু স্থায়ীভাবে একটা গোটা দেশের মানুষকে একই চিন্তাধারায় চালানো যায় না। লোকে ঠিক ফাঁক ফোঁকর খুঁজে নিয়ে লুকিয়ে ভগবানকে (ধর্মের মাধ্যমে) সঙ্গে রাখতে চাইছিলো।
    ১৯১৭র দ্বিতীয় বিপ্লবে জয়ের পর থেকে তুমুলভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিরোধী আন্দোলন চলে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্মৃতিস্তম্ভের রূপে টিঁকে থাকে তাদের অপূর্ব সব শিল্প স্থাপত্য ভাষ্কর্যের কারণে। অসাধারণ সব ভাষ্কর্য, মোজাইক। খ্রীষ্টান মুসলমান দুই দিকেই - কেউ কম যায় না।
    বিপ্লবের পরপরই ধর্মাচারণ ভালো চোখে দেখা হতো না। ক্রমশঃ দেশের সমস্ত স্তরে সকলকে সমাজতান্ত্রিক আদর্শে শিক্ষিত করে তোলার কাজ চলছিলো। সেই বস্তুতান্ত্রিকতার সঙ্গে ধর্মাচারণ ম্যাচ্‌ করে না। যত বেশি শিক্ষিত যত বেশি প্রোগ্রেসিভ, তত সে অ্যাথেইস্ট - এইরকম স্টিরিওটাইপ হয়ে গেছিলো। বরং যারা কম লেখাপড়া শিখেছে, কায়িক শ্রম বেশি করে, পার্টির মেম্বারশিপ নেই, উচ্চাশা কম, এমন লোকেরা ধর্মের দিকে ঝুঁকত বেশি। তাদের অ্যাটিটিউড্‌ অনেকটা "যার কেউ নেই তার ভগবান আছেন" গোছের। কিংবা "সব কিছুর হিসেব নিকেশ ঐ ওপর থেকে চুকিয়ে দেবেন ভগবান"।
    এরা অসহায়। ৭০ এর দশক অবধি ইয়ং জেনারেশনের মধ্যে অ্যাথেইস্ট হওয়াটাই ফ্যাশন ছিলো। ৮০র দশক থেকে প্যাটার্ণটা বদলাতে শুরু করে।
    অথচ রাশিয়ান ভাষায় বাইবেল যদি বা জোগাড় করা যেতে পারে, রাশিয়ানে কোরাণ কোথায় পাবে এরা? অথচ বিপ্লবের আগে ১৯১৭ অবধি স্থানীয় ভাষায় কোরাণ নিশ্চয় ছিলো। সেসব যদি সব ধ্বংস হয়ে গিয়ে না ও থাকে সেগুলো রিপ্রিন্ট হয় নি। যদি ক্বচিৎ কোনো বাড়ি থেকে এক কপি বেরিয়েও পড়ে কেও তা পড়তে পারবে না।
    তার কারণ কিন্তু এই নয় যে এরা এদের মাতৃভাষা জানে ন না, বা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানে কিন্তু হরফ চেনে না। সমস্ত হরফ বদলে সমগ্র দেশব্যাপী সিরিলিক অ্যাল্‌ফাবেট চালু করা হয়ে গেছে। তিন চার বা আরো বেশি জেনারেশন তাদের মূল আদি হরফ শেখেনি।
    তাদের ভাষাও অনেকভাবে পাল্টানো হয়েছে রাষ্ট্রের প্রচেষ্টায়। অনেক শব্দ লোপ পেয়ে গিয়েছে। অনেক এক্স্‌প্রেশন কলোকেশন লোপ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।
    ফলতঃ ভরসা বিদেশ থেকে কোরাণ আমদানি করা। প্রায় সব সময়ই সেটা আরবী তে।
    আরবী ভাষা পড়বার লোক নেই তবু ঐ সবুজ মলাটের বাঁধানো বইটি, যেটা লুকিয়ে স্মাগল করে অনাবশ্যক বেশি দাম দিয়ে কিনে রাখা হয়েছে, তাকে লুকিয়ে রাখা হতো। এটা অনেকটা মনের মণিকোঠায় খুব প্রিয় কিছুকে আগলে রাখার মতো। সকলেই যে এমনটা করেছে তা নয়, তবু অনেকেই করেছে। ঐ গোপনে কাপড়ে মুড়ে লুকিয়ে রাখা একটা বই, যেটার একটা অক্ষরও পড়তে পারবার মতো ভাষাজ্ঞান নেই, সেটা কিছু মানুষকে কোনো এক ধরণের নির্ভরতা দিত নিশ্চয়ই। নইলে অত খরচ করে কিনে রাখবে কেন?
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২২627101
  • ধর্ম আফিং হতে পারে, ধর্ম দুর্বলের আশ্রয়, এইসব পাখিপড়া করে শেখালেও মানুষ বোঝে না। অনেকেই ঐ আশ্রয় খুঁজছিলো। লং টার্ম বেনিফিটও খুঁজে থাকতে পারে। অবিচার এরা দীর্ঘকাল ধরে দেখেছে।

    যেমন তাতার জাতি। তার অস্তিত্ব প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছিলো। মূল বাসভূমি থেকে তাড়ানো হয়। তাড়িয়ে এদের বিভিন্ন রিপাবলিকে পাঠানো হয়। তাড়াবার সময়ে প্রচুর মারা যায় গুলি খেয়ে বা অত্যাচারে। তাদের বাচ্চাদের দিয়ে দেওয়া হয় সম্পূর্ণ অপরিচিত পরিবারে। এরা নিজেদের আইডেন্টিটি সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলে। অল্পবয়সীরা হয়্ত বাধ্য হয় অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করতে, অন্য জাতির কাউকে। প্রচুর কায়িক পরিশ্রমের কাজ দেওয়া হতো এদের। ক্রমাগত বোঝানো হতো এদের অপরাধ - এরা বিশ্বাসঘাতক জাত। দ্বিতীয়বিশ্বযুদ্ধের সময়ে এরা নাকি শত্রুপক্ষকে সমর্থন করেছিলো বলে কানাঘুঁষো শোনা গেছে।
    তাই গোটা জাতটাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। তারপরে তিন জেনারেশন কেটে গেছে। ক্রিমিয়ায় তাতারেরা এখনো ফিরতে পারে নি। তাদের পরিত্যক্ত বাসস্থান দখল হয়ে গেছে।
    অদ্ভুতভাবে লক্ষ্য করা যায়, যে যে জাতের ওপর এইধরণের অত্যাচার চলেছে বা যারা রেবেল হয়েছে, অধিকাংশই মুসলমান।
    এই তাতারেরা বিভিন্ন জাতের সঙ্গে ক্রমশঃ মিশে যায়।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:১৬627102
  • সে-র লেখা থেকে অনেক কিছু জানতে পাচ্ছি।
  • lcm | 118.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:২৯627103
  • সে একটা ইম্পর্ট্যান্ট জায়গা ধরেছে - ধর্ম।

    The total number of Christian victims of Soviet state atheist policies, has been estimated to range between 12-20 millions.
    ...
    Between 1927 and 1940, the number of Orthodox churches in the Russian Republic fell from 29,584 to fewer than 500.

    সে, লিখতে থাকুন প্লিজ।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৩৮627105
  • সকলে যারা পড়ছেন - থ্যাঙ্কু।

    কয়েকঘন্টা পরে লিখব এখন বাই।
  • সে | 203.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৩৮627104
  • রঞ্জনদা,
    কাশা মানে কালোরুটি নয়।
    কাশা সাধারনতঃ পায়েস (চিনি ছাড়া), দুধভাত বলতে পারেন। ওপরে একটুকরো মাখন দিয়ে খায়।
    আবার " কাশা" - অর্থ সব কিছু ঘেঁটে গিয়ে খিচুড়ি হয়ে যাওয়া। ব্যাঙ্গার্থে।

    কালোরুটি কিন্তু ডেলিকেসি।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৫২627106
  • একটা প্রশ্ন ছিল। প্রাইভেট প্রপার্টি উঠিয়ে দিলেও দুটো সিস্টেমের মধ্যে তফাত কোথায়? সেই তো সার্প্লাস ভ্যালু এবং এক্সপ্লয়টেশন অফ লেবার। সেই সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদও যুক্ত হয়েছিল। ট্রেড এম্বারগো দিয়ে। যে সময়ে জিএটিটি মালটিল্যাটারালিজমের কথা বলছে, সেসময়ে সোভিয়েট দেশ তাদের স্যটেলাইট দেশগুলোকে বাইল্যাটারাল চুক্তিতে আবদ্ধ করে রেখেছিল সম্পূর্ণ নিজের টার্মসে। সোভিয়েট রাশিয়ার গ্রোথ রেট ভালো হচ্ছিল, মিলিটারিতে প্রচুর রিসোর্স অ্যালকেটেড হচ্ছিল। সাধারণ মানুষ কিছু বেনিফিট পাচ্ছিল, যেমন শিক্ষা, কারিগরী শিক্ষা, খেলাধুলার সুযোগ, ফ্রিতে বাসে ও রেলে চড়া। এগুলোকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল বেনিফিট বলা যায়।

    হোমলেস ছিল না। বেকারভাতাও লাগেনি। To each according to his need -- এই বাক্যের এই কি অর্থ?
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৫৯627107
  • একটা কথা ভুললে চলবে না। সোভিয়েট রাশিয়ার কাজ কর্মে সবচেয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে কমিউনিস্টরাই। অন্যান্য দেশের কমিউনিস্ট পার্টিরা তাদের সদস্যদের ধরে রাখতে পারেনি। স্বয়ং সার্ত্র হাঙ্গেরি আক্রমণকে condemn করেছিলেন।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২২:০৪627109
  • টাইপো -- অ্যালোকেটেড।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন