এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৬158548
  • একটা "লোক বাড়লে তো বাজার ও বাড়বে " থিওরি সবায়কেগেলাবার চেষ্টা করছেন একদল লোক কিন্তু মুশকিল হচ্ছে ওই উপপাদ্য টা ক্লোস্ড সিস্টেম এ খাটে। লোক বাড়ার ও একটা থ্রেশহোল্ড আছে তো রে বাপ। সেটা আমরা ছাড়িয়ে গেছি। বা বলা ভালো লোক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেভাবে চাহিদা কে চ্যনেলাইস করলে বাজার ও বাড়ে, পার ক্যাপিটা বাড়ে সেই ইকুইলিব্রিয়াম টা ভেঙ্গে ঙ্গ হয়ে গ্যাসে :/
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৬158549
  • আরেকটা জিনিস আপনেরা জানেন না। কেনো না আপনেরা এখনো ছেলে মানুষ। এবং বেশীর ভাগই কম্পিউটারোয়ালা।

    প্রাইভেট কোং, স্পেশালি নন আইটিতে গুলিতে পঞ্চাশ বছোর বয়সে পৌঁছালেই প্রচুর প্রচুর ছাঁটাই হয়। নির্বিচারে নয়। কিন্তু স্বচ্ছন্দে ২৫-৩০%। অল্পো বয়সে যখোন সংসারের দায় থাকে না বা অল্পো থাকে তখন ব্যাপারটা ততো জটিল নয়। বাধ্যতামুলক রিটায়র্মেন্টের পাচ সাত দশ বছোর আগে হলে বেশ জটিল সিচুয়েশন হয়। আমার সমসাময়িক কতোজনকে যে দেখলাম এমতি পরিস্থিতিতে।
  • r | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩৭158545
  • জনসংখ্যা, বস জনসংখ্যা। জনসংখ্যার অত্যধিক চাপে দেশ ধুকছে, এগুলো তারই এফেক্ট
  • Ekak | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩২158544
  • কোন্ত্র্যক্চুঅল জব এর ভালো-খারাপ দু-দিক ই আছে। এই কিছুক্ষণ আগে আউত্সর্সিং টিম এর সঙ্গে মিটিং সেরে এলুম। ওরা প্রাইমারি যে টিম তা পাঠিয়েছিল সেখানে কিছু ঝাড়াই-বাছাই হলো। যারা টেকনিক্যালি মোর সাউন্ড এন্ড উইলিং টু লার্ন তাদের রাখা হলো। কিছু ছেলে-মেয়ে সত্যি ভালো কাজ শিখেছে। এরা বেশিদিন কন্ত্রায়্ক্ত এ পরেও থাকবেনা। অন্য চাকরি খুঁজে নেবে। এইভাবেই তো এগোয়। বুদ্ধি দিয়েহক বা ভয়ঙ্কর খেটে বা দুটোই, যেকোনভাবে হোক নিজেকে আলাদা প্রমান করতে না পারলে ওই কন্ত্র্যক্ত হিসেবেই কাটবে।
    আসল কথা চারপাশে প্রতিযোগিতা ভয়ঙ্কর। আমরা কোনো রকেট সায়েন্স বা জটিল কিছু নিয়ে কাজ করিনা যে দেশে হাতে-গোনা লোক এসব করবে। প্রচুর ভালো ভালো কাজ জানা ছেলে-মেয়ে আছে। তাদের মধ্যেও একটা খুব ছোট অংশ উপরে ওঠে। ভিসি বা ভিপি হয়েরিতায়ার করে। বাকিয়ামরা তার নীচের তলায়। আমাদের পরেও একটা বিশাল জনসমুদ্র। প্রতিযোগিতা টা এরকম মারাত্মক হলে প্রচুর মানুষ এবিউস্দ হবে এটাও স্বাভাবিক। একটা এপারেন্ত্লি লাভ-ক্ষতির হিসেব করে চলছি সবাই। "সিস্টেম" পাল্টে এর থেকে আলাদা কিছু হত বলে মনে হয়না।
  • j | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:২৯158543
  • সে যা বলছেন অনুরূপ একটি ঘটনার সুত্র ধরেই বলছি - প্রথমেই কোর্টে গেলে কোচ্চেন করবে লেবার কমিশনারের দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছিল কিনা, যদিও তাতে অভিযোগের গুরুত্ব কিছু কমবে না কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে
  • sch | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:২৫158542
  • চেকে টাকা দিচ্ছে মানে সেটার একটা কন্ট্রাক্ট এগ্রিমেন্ট আছে। সহজ উপায় সেই কন্ত্রাক্টে পেমেন্ট রিলেটেড দিস্পিঊতের কথা কি বলা আছে সেই অনুযায়ী হবে। সাধারণতঃ বলা থাকে কি ভাবে ডিস্পিউট রেজলিউশান হবে
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:২১158541
  • পাওনা টাকা না দিলে আইনী ব্যবস্থা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

    শয়ে শয়ে এরকম কোং আছে, ছোটো থেকে বড়ো। বেশীর ভাগই দিশি ও মালিকের। সেখানে কোং ভালো না চল্লেই মায়না বাকী রাখে। মামলা করতে পারেন। দ্দরজা খোলা থাকে বেড়িয়ে যেতে পারেন। যা খুসী। টাকা পাবেন না। তাও লোকে আপিসে যায়,যদ্দিন আর কিছু না জোটে।

    কিংফিসার অ্যারলাইন্সে কারুরে চেনেন না?
  • T | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৭158539
  • এক গাদা ফাইভস্টার মজুত করেছি। উলস্‌
  • সে | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৬158538
  • আমার প্রশ্নটা একটু জরুরী কারণ আমার খুব পরিচিত একজনকে তার এমপ্লয়ার (কন্ট্র্যাক্ট) টাকা দিচ্ছে না, যখন দেয় খুবই অল্প এবং পোস্ট ডেটেড চেক, এই ভাবে পাওনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৩158537
  • বিনা অনুপানে আমি কবিতা লিখি নি কখনো। আর সে সব ঘটতে সেই উইকএন্ড, রেতের ব্যালায়, ইফ অ্যাট অল।
  • সে | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:১২158536
  • কন্‌ট্র্যাক্ট্‌এ যারা কাজ করে তাদের যদি মালিক পয়সা না দেয় বা বাকি ফেলে রাখে সে ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি কোলকাতায়?
  • sch | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:১০158535
  • ডিডি দা অনেক দিন কবিতা লেখেন না - কবিতা দিন আজ একটা - আব্দার রইলো
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৯158534
  • খুড়োর কল প্রসংগে জানাই।

    এটা সুধু নীচের মহলেই নয়, মাঝারি আর ডিপাটমেন্টের হেডেও চলে। আকচার। সেক্ষেত্রে আউটসোর্স এম্প্লয়ী নয়, বলা হয় কনসালটেন্ট। এক এক বছোরের কন্ট্রাক্ট। কখনো ছয়মাসের। ঐ পসিসনে আগের পুরো সময়ের এম্পয়ীর আদ্ধেক খরচায়, নো পি এফ,নো মেডিকেল,নো বোনাস, নট কিচ্ছু করে চালানো হয় ফ্যা ফ্যা করা ভামেদের দিয়ে। প্রচুর,প্রচুর হয়।

    আমি নিজেই এই ভাবে প্রায় এক দশক কাটিয়ে দিলেম এক কোং থেকে অন্য কোং'এ। দিশি ও এম এন সিতে।
  • সে | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৮158533
  • "মানুষে এন ডাইমেনশনাল। ফেসবুক বা আড্ডাস্থলে ভালো/মন্দ কি বললো আর সারা জীবনে কি প্র্যাকটিস করলো দুটো আলাদা ব্যাপার।" - খাঁটি কথা।
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৪158532
  • বিধিসম্মত সতর্কীকরন ঃ

    দেখুন, আজ আমার কোনো কাজ নেই ও একজন সহকর্মী ছুটি নেওয়ায় শেয়ার করা কম্পিউটারটির পুরো দখল আমার হাতে।

    সুতরাং কেউ কিছু মতামত দিলেই আমিও দেবো। অফুরন্তো পোস্টিং করবো। সে সব চিন্তা করে কোনো নতুন বিষয়ের অবতারনা করবেন।
  • siki | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৫৯158531
  • একদম ঠিক। এন ডাইমেনশনাল।
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৫৭158530
  • না বোধয়। এই মৌলবাদী,বামপন্থী,উদার,ধর্মভীরু ইঃ সাইনবোর্ড দিয়ে ঝাঁকরে একটা মানুষকে মার্কা করা যায় না।

    অনেক দেখলাম। আপনেরাও দেখছেন। সারাজীবন উদার মানুষটি নিজের মে' অন্য ধর্মে বিয়ে করলে একেবারে ক্ষেপে যান। কথায় একেবারে চাঁচাছোলা উগ্র চাড্ডীপার্টী 'র বেস্ট ফ্রেন্ড মুসলিম (তারা ঐ আরেসএস বন্ধুটির পাগলামোকে সপরিবারে সন্নেহে দ্যাখেন), আমার নিয়মনিষ্ঠ বন্ধু তার বাবার শ্রাদ্ধে তার বউকে অধিকার না দেওয়ায় অনুষ্ঠান থেকে উঠে আসে ইঃ। অনেক অ্যানেকডোট, সবাই দেখেছেন।

    মানুষে এন ডাইমেনশনাল। ফেসবুক বা আড্ডাস্থলে ভালো/মন্দ কি বললো আর সারা জীবনে কি প্র্যাকটিস করলো দুটো আলাদা ব্যাপার।
  • khuror kol | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৫৬158529
  • মানুষ, আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে চাকুরীজীবী মধ্যবিত্ত মানুষ এতদিন কি দেখে এসেছেন ? তার কর্মস্থলের কার্যপ্রণালী, তার সহকর্মী, তার প্রতিদিনের শ্রমদান ও বাক্যবিনিময়ের মধ্য দিয়ে একটি দিনের পূর্ণতা। তার কর্মস্থলটিকে নিজের করে নেওয়া ছিল মানুষের শ্রমসংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য। এর ফলে সংস্থাটি তার কর্মীর বেতন দিত, তার ও তার পরিবারের মানুষের দেখভালের দায়িত্ব নিত। এভাবে আপাত স্বচ্ছ একটা ব্যবস্থায় কর্মসংস্কৃতি চলছিল। । তখনও মালিকের শোষণ ছিলই। ছিল প্রাপ্য বেতন না দেওয়ার অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে আন্দোলন ও ছিল। এখনও আছে সারা বিশ্ব জুড়ে। । কিন্তু যে কথাটা বলতে উপরক্ত ভূমিকার অবতারনা সেটি হল বহুজাতিক পুঁজির বাণিজ্যের প্রসারে আমরা কতটা লাভবান হলাম হচ্ছেন। তার ছোট্ট কতগুলো বাস্তব চিত্রের দৃশ্যায়ন। ।

    বর্তমানে বহুজাতিক সংস্থাগুলি আমার দেশে পুঁজির বিনিয়োগ করছে তার নিজের মুনাফার স্বার্থে এসব কথা আমরা জানি। তাতে বহু কর্মরত মানুষ প্রতিদিন চরম শ্রমচুরির শিকার হচ্ছেন তাও জানি। কাজের সময়, পারদর্শিতা, দায়িত্ব, বড় অঙ্কের বেতন এগুলো সমানুপাতিক ক্রিয়াশীল এ ম্যানেজমেন্ট থেকে পরপর ক্রমানুসারে নিম্নমুখী বেতনভুক এক বাক্যে আউরে যায়। অন্তত আওরাতে হয়। কারোর কৌশল তো কারোর বাধ্যতা। এ পর্যন্ত তাও মানা যায়। কিন্তু একটু দেখে নেওয়া যাক সংস্থার কোন পদে কারা কিভাবে নিযুক্ত
    একেবারে উপরের সারির লোকেরা বহাল তবিয়তেই আছেন। । মাসের শেষে ছয় অঙ্কের সংখ্যা হামেশাই তাদের পকেটস্থ হয়। এভাবে ক্রমশ নিচের দিকে নামলে তার অঙ্কসমূহ কমতে থাকে ও প্রায় চার অঙ্কের সংখ্যায় এসে দাঁড়ায়। এবং এরাই সংখ্যায় আনেক।। এরাও সরকারি বা বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং বা ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর। । এবং এরা কেউ এই বহুজাতিক সংস্থাগুলির বেতনভুক কর্মী নন। এরা নিযুক্ত হন ছোট ছোট বিভিন্ন জায়গায় ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা কোম্পানি বা দালাল এজেন্সি এর মারফত, কন্ট্রাকচুয়ালই। যেগুলির বেশিরভাগেরই কোন একজন ব্যক্তি চালান ও আনেক সময়ই এগুলোর কোন বৈধতা থাকে না। তারা কাজ করেন উক্ত বহুজাতিকের, কিন্তু বেতন পান ড্যাশ প্রাইভেট লিমিটেড এর নামে। এরা অফ রোল এমপ্লই নামে পরিচিত। এদের বেতন কাঠামো ও অদ্ভুত। বেসিক নুন্যতম। পাঁচ হাজার বা তার কম। ডি এ আটশো টাকা। এক্সট্রা আলাউন্স বাকিটা। এদের মুল আয় এর নাম সিটিসি। যার পুরো নাম কস্ট টু কোম্পানি। তার মধ্যেই তাদের পি এফ এর টাকা ধরা থাকে দুই তরফেই। এর ফলে হাতে পাওয়া টাকায় তার মুল বেতন থেকে কোম্পানির দেওয়া পি এফ ও এমপ্লই এর কন্ট্রিবিউটিং পি এফ দুটোই কেটে নেওয়া হয়। । এদের বেতন বাড়ে না। এনারা সংস্থার কর্মীদের প্রাপ্য সমস্ত রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। । কর্মবিরতি বা ছুটি বলে এদের কিছু থাকে না। বর্তমানে এরাই কোম্পানিগুলিতে সংখ্যায় সর্বাধিক। ।

    এখন নিয়ন্ত্রক ম্যানেজমেন্ট দাবি করে দক্ষতা ও কোম্পানি এর প্রয়জনে এদের অন রোল এমপ্লই করা হবে। ভারই মজা। দরজা দিয়ে গলতে পারে একজনই। সেখানে ভিড় করেছে হাজার মানুষ। কোথাও বা দরজাও নেই। তাও ভাগ্য কে সম্বল করে আঙ্গুলে আংটি হাতে সুতো পেঁচিয়ে লক্ষ্য লক্ষ্য লকের সে কি উদ্দিপনা। আর বাস্তব হল কোন নির্দিষ্ট সময় ( বিশেষত পাঁচ বছর সময়কাল ) পরে সমূলে ছাঁটাই। এদের মধ্যে কয়েকজন যারা বসেদের চোখে একটু প্রিয় হন তাদের পাঁচ বছর এর আগেই, চার বছরের শেষের মাথায় রেসিগনেসান দিতে বলা হয় ও আবার নতুন করে পরের বছর থেকে নতুন করে যোগ দেওয়ানো হয়। যাতে তার শ্রমাধিকার না জন্মায়। তাহলে প্রশ্ন জাগে কোন অপ্রয়োজন ও অদক্ষতা বিচার করে এদের দিয়ে কাজ করান হয় ? কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ঘুরপাক খেয়ে আবার স্তিমিত হয়ে যায়। কেউ যে কিচ্ছু বলে না। কোন আওয়াজ ওঠে না।। । এক্সপ্লয়টেশন এর মাত্রা কি চূড়ান্ত নয় ? মানুষের শ্রমকে নিয়ে ছেলেখেলা ছাড়া এ আর কি ? নুন্যতম মানবিক জায়গাগুলোকে যখন বর্জন করেছে এই বহুজাতিক হাঙরেরা তখন করনীয় কি ?
  • | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৩৬158527
  • কিন্তু চাদ্দিকে বড্ড মৌলবাদী লোকজন বেড়ে যাচ্ছে। আবার কিছুদিন সব কাটিয়ে দিয়ে অফ নিতে হবে।
  • Norwegian Ridgeback | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৩৬158528
  • না না, আমি একককে জিগালাম। ওই যে বল্ল পিডিএফ প্রিন্টার লোড হয়, তাই...
  • | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৩৪158526
  • আরে পিডিএফে প্রিন্ট নয়, পিডিএহ ফাইলকে প্রিন্ট নেওয়া।

    কে জানে কেন কি হচ্ছিল। ঠিক হয়ে গেছে আপাতত।
  • Norwegian Ridgeback | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:৩০158525
  • কেন? Adobe রীডার ইনস্টল করলে পিডিএফ প্রিন্টার ইনস্টল হয় না তো, মানে দেখিনি। সে তো আলাদা করে pdf995 গোছের জিনিস ইনস্টল করতে হত। মানে জানলায়।

    আমার উবুন্টুতে আলাদা - সোজা পিডিএফে প্রিন্ট করা যায় বেশিরভাগ অ্যাপ্লি থেকে। লোটাস নোটস কোনো কারণে সেটা পারে না বলে cups pdf ইনস্টল করে রেখেছি আলাদা করে।
  • pi | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:২৯158523
  • সিকি, মেইল দেখো।
  • | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:২৯158524
  • হ্যাঁ হ্যাঁ অন্য ডকু দিব্য প্রিন্ট হচ্ছিল।

    একক ঠিক কয়েছে। অ্যাক্রোব্যাট রিডার আপডেট করার পর কোনো কারণে প্রিন্টার চিনতে পারছিল না। তো প্রিন্টার ডিফল্ট একবার সরিয়ে আবার ডিফল্ট করে দিলাম, গাঁ গাঁ করে গিয়ে প্রিন্ট হয়ে গেল।
  • dd | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:২৬158521
  • কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রীর অভিজ্ঞতা আমার আছে। খোদ হাইদ্রাবাদ শহরেই অন সাইট ক্রাশার। প্রচন্ড ধুলো। ধুলয় প্রায় অন্ধ্কার আর তার সাথে একটানা প্রচন্ড শব্দ। এবং কাজটা হয় খুব বিপদজনক ভাবে। এর সাথে যোগ করুন এপ্রিল মে মাসের গরম। ধারে কছেও যাওয়া যায় না। অথচ লোকে ও খানেই কাজ করে।

    হাওড়ার কাছে ছোটো ছোটো ঢালাই লোহার করখানা ছিলো -সেখানেও দেখা। অসহ্য গনগনে গরমে লোকে কাজ করে। অজ্ঞান হয়ে যায়। আবার চোখে মুখে জল ঢেলে ফের কাজে লাগে।

    জানি না বিদেশে কি পদ্ধতিতে কাজ হয়। ওখানে নিশ্চয়ই এসব এলাউড নয়।
  • Ekak | ১২ আগস্ট ২০১৩ ১১:২৬158522

  • প্রতিতাপিদিয়েফ রীডার লোড হওয়ার সময় একটা পিডিএফ প্রিন্টার লোড হয়। ফান্সনাল অবজেক্ট হিসেবে। ঐটা চেক করুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত