এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kiki | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৫৫158430
  • ইয়ে, সিঁফোকে বলে যাই, সেদিন ই রেতের বেলা নেট ঠিক হয়ে গেলো। আমিও তাই বিএসেনেলকে আর তাড়ালুম্না। :D

    অ! কিহিম, শ্রী, বোঝো!

    আর উল্টো চন্ডাল পরে আবার যখন নাক ঝড়বে, তখন ই নাহয় কয়ে দিও।ঃ)

    আর কিছু বাকি রইলো?

    ও, আমাকে কি আদেও কারোর মনে আছে?(এক গামলা সেন্টু মাখিয়ে জিগালাম)

    ও! অক্ষকে, আমি মুরগী আর পাঁঠা, দুই দিয়েই চাঁপ বানালাম, সত্যি দারুন রেসিপি। থেঙ্কু। আর স্যানকেও থেঙ্কু।
  • achintyarup | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৪৬158429
  • আজকে ভারি ইন্টারেস্টিং একটা জিনিস দেখলুম। আমার ৭৫ বছর বয়সী বাবাকে চেষ্টা করেও কম্পিউটারের ধারে কাছে নিয়ে যেতে পারিনি কখনও। কিছুদিন হল বাবার হাতে একট ট্যাব ধরিয়ে দিয়েছি। সেটা কী ভাবে কাজ করে দেখিয়ে দেওয়ার সময় হয়ে ওঠেনি। বাবা নিজেই যন্তরটার সঙ্গে আসা লিটারেচার টর্চ জ্বেলে ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়ে পড়ছিল। আজ দেখি কোন এক সাইট থেকে ই বুক ডাউনলোড করে পড়ছে। আমার হোল ইন দ্য ওয়ল প্রোজেক্ট-টার কথা মনে পড়ে গেল
  • achintyarup | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৮158428
  • ঠিক। ব্ল্যাঙ্কি মনে করিয়ে দিল। দুষ্টুর রামায়ণে রাগে অন্ধ হয়ে রাজা ভাবে মনে মনে/ পিটি ঊষা হয়ে দৌড়ে চলে যাবে বনে।

    কিম্বা
    রাক্ষসী তাড়কার সে কী গর্জন/ ঠিক যেন বাংলার লর্ড কার্জন

    কিম্বা

    রেগনের মতো রাগে গর গর/ রাবণ গরুড়ে বলে মর, মর।
  • kd | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৫158427
  • "আমি তো আদৌ মনে করিনা মাইনে র পার্থক্য খুব বেশি কিসু হওয়া উচিত। যেটা কে অ্যাপটিচিউড বলে মনে হয়, সেটা যে কিছুটা সুজোগের প্রতিফলন, সেটাই বলছিলামঃ-))"

    সব কেসে না হ'লেও কোন কোন ক্ষেত্রে তো হয় ৷ এই ধরো, রেসকোর্সে জকি হিসেবে তোমার থেকে ঈশানের মাইনে তো বেশ বেশীই হবে ৷ :)
    (অবিস্যি তোমায় ওই কাজে নিলে ঘুরারাই সমস্বরে "না না" করে উঠতে পারে)

    ডি: ঈশান বা হনু, কাউকে ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হিসেবে আমি দেখিনি ৷ এ'ব্যাপারে ওদের অ্যাপটিচিউড সংক্রান্ত কোন ধারণাই আমার নেই ৷
  • Blank | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৫:০৭158426
  • দুষ্টুর রামায়্ন আর রাম রাবনের ছড়া আলাদা। দুষ্টুর রামায়নে ছিল এমনি লাইন 'সীতা পরে প্যান্টুলুন/ মুখে পান হাতে দোক্তা চুন'
    'রামের মাথায় থোকা থোকা, চড়ে বেড়ায় উকুন পোকা'।

    কিন্তু রাম রাবনের ছড়া আলাদা। রামায়ন ছোটদের জন্য ছড়া ভার্সানে লেখা - বেশ মজার।
  • achintyarup | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৫:০২158425
  • সে কথা নিষ্ঠুর শোনালেও প্রায় সর্বদা সত্যি। কিন্তু ক্রিয়েটিভ মহিলাদের ক্ষেত্রে কী হয় দিদি?
  • i | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৪:১৭158424
  • মেয়েরা অনুরূপ নিষ্ঠুর উদাসীন ইত্যাদি হয়ে ক্রিয়েটিভ কাজ করলে ব্যাপারটা আর কাব্যময় থাকে না। বেশির ভাগক্ষেত্রেই মেয়েরা নিজের উদাসীনতাকে গলা টিপে মারে। স চ কা র উদাসীন কবিটি পুরুষ। নারী হলে এই সিনেমা হত না।
  • h | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৪:১১158423
  • অনাসৃষ্টির কাজ ও একই ভাবে ব্যাহত হতে পারে। আমি তো সংসার না থাকলে দাউদ বা নিদেন পক্ষে হুব্বা শ্যামল হতাম ;-)
  • achintyarup | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৪:০৮158422
  • শমিত, রাম-রাবণের ছড়াগুলোকে নিয়ে এবং তার সঙ্গে মনে হয় আরও কিছু জুড়ে পরবর্তীকালে একটা বই করেছিলেন পূর্ণেন্দুবাবু। তার নাম দুষ্টুর রামায়ণ। সে এক অপূর্ব বই। তার হার্ড কপি আমার কাছে আছে, কিন্তু টুকে দিতে গেলে তো কপিরাইটে ধরবে। দুষ্টুর মহাভারত বলেও পরে একটা বই লিখেছিলেন, সেটাও যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং
  • achintyarup | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৪:০২158421
  • সত্যিই তো, মনের ভেতরের একটা জায়গায় একটু নির্মম, স্বার্থপর আর উদাসীন না হলে কি ক্রিয়েটিভ কাজ করা যায়? সংসারের সবকিছুর সঙ্গে সর্বদা জড়িয়ে পড়লে সৃষ্টির কাজ ব্যাহত হয় না?
  • h | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩৫158420
  • সে হয় না। ইন্দো কম লিখবে এটা আমাদের মেনে নিতে হবে। পাঠক হিসেবে এটা আমি মেনে নিয়েছি। তাছাড়া প্রগল্ভ ও না। সেটা কম অসুবিধে না।
  • kumu | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫৮158419
  • পেশা পেশার মত থাক কিন্তু নিজস্ব রাত্রের গহন সঙ্গীত যেন না থামে।
  • Samit | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩৪158418
  • কেউ কি জানেন পূর্নেন্দু পত্রীর 'রাম রাব্ণের ছড়া' র soft copy কোথায় পাওয়া যাবে ? হদিশ থাকলে mail করুনঃ [email protected]
  • a x | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১১:৫০158417
  • হ্যাঁ পেয়েছি। পড়া হয়ে গেছে।
  • I | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১১:৪৩158416
  • হয়তো ঠিক পেশাতেই ভুলভাবে আছি।
  • I | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১১:৪১158415
  • এডিটোরিয়াল বিভাগে। অপ এড।
  • a x | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১১:২০158414
  • আশিস পাঠকের লেখাটা কোন বিভাগে?
  • Lama | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১১:১৯158413
  • ডাক্তার, তুমি ভুল পেশাতে আছ।
  • I | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১০:৫৩158412
  • লেখাটা বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার একটু ব্যক্তিগত কারণে। লেখার শেষদিকে রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত করা হয়েছে ঃ যাকে তোমরা ভালোবাসা বল সে রকম করে আমি কাউকে কোনোদিন ভালোবাসিনি। বন্ধুবান্ধব,সংসার, স্ত্রী-পুত্র কোনো কিছুই কোনো দিন আমি তেমন করে আঁকড়ে ধরিনি।ভিতরে এক জায়গায় আমি নির্মম- তাই আজ যে জায়গায় এসেছি সেখানে আসা আমার সম্ভব হয়েছে। তা যদি না হত, যদি জড়িয়ে পড়তুম তা হলে আমার সব নষ্ট হয়ে যেতো।

    আর লেখার শুরুতে বেলা বলছেনঃ তোমার একলা মনে হয় না, কেননা তুমি ঢের বড় বড় বিষয় ভাবতে, আলোচনা করতে, সেগুলোকে নিয়ে একরকম বেশ কাটাও। আমরা সামান্য মানুষ, আমাদের একটু গল্পগুজব মানুষজন নিয়ে থাকতে এক এক সময় একটু একটু ইচ্ছে করে। আর যদি তুমি এখানে এসে নড়তে না চাও তবে তুমি যে যে মহৎ বিষয় নিয়ে থাকো তাই সব আমাদের একটু একটু দাও।

    কিরকম বার্গম্যানীয় লাগে না? বার্গমানের চরিত্রদের মত আত্মময়, কখনো কখনো স্বার্থপর, হৃদয়ে কঠিন,তিতকুটে ও সিনিক্যাল,এক তেতো ঈশ্বরের বিড়ম্বিত সন্তান। না, এতদূর যাওয়াটা ঠিক নয়। কিন্তু প্রেমে- আনন্দে - উপনিষদে চেনা যে রবীন্দ্রনাথকে আমরা দেখতে পছন্দ করি, স্বস্তি পাই, তার থেকে কত দূর! স্ত্রী'র অন্তিম অসুখের ব্যাপারে উদাসীন, কী রোগ তাও জানার আগ্রহ নেই। শিলাইদহ থেকে ইন্দিরা দেবীকে একের পর এক চিঠি লিখে যাচ্ছেন, অথচ ভাই ছুটিকে দু -এক ছত্র লিখবার বেলায় কৃপণ। নিখিলেশের মত হাত ধরে তিনি তাঁর বিমলাকে বাইরে নিয়ে এলেন না। ওকাম্পোকে ছুঁয়ে দেখলেন ও উদাসীন ফেলে গেলেন। যেকথা সন্দীপন একদা লিখেছিলেন তাঁর অননুকরণীয় স্টাইলে, স্বর্গে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দের একটি কাল্পনিক সাক্ষাৎকারে। যেন একজন ক্লাউন রাজসভয় এসে ভাঁড়ামো করতে করতে তাক বুঝে মোক্ষম সময়ে একটি কথার ছুড়ি আমূল বিঁধিয়ে দেয় রাজবক্ষে।

    সেদিন ফেরার সময় অশোকতরুর গান শুনতে শুনতে আবছা করে কিছুটা এইরকম মনে হওয়া। আঁধার রাতে একলা পাগল। সে এই অন্ধকারের মানে বোঝে না। আমি যে তোর আলোর ছেলে, আমার সামনে আঁধার দিলি মেলে।

    নিজেকেও আজকাল এত সিনিক্যাল লাগে। নারী- পুরুষের প্রেম কী জিনিষ,তার আদৌ কোনো অস্তিত্ব আছে কিনা, এইসব প্রশ্ন জাগে। জনতাকে মনে হয় বোধহীন অন্ধ বস্তুপিণ্ড। না, সব সময়ে না। তবে, প্রায়শই।

    তাই বলছিলাম, ব্যক্তিগত। যে কথা জার্নালে লেখার কথা, আপনাদের সামনে এসে কবুল করে গেলাম।
  • I | ১১ আগস্ট ২০১৩ ১০:০৯158411
  • আজকের আনন্দবাজারে আশিস পাঠকের একটা ভালো লেখা বেরিয়েছে রবীন্দ্রনাথ ও ঋতুপর্ণের রবীন্দ্রনাথ নিয়ে। অনেকেই পড়েছেন নিশ্চই।
  • শ্রাবণী | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৩৪158410
  • এতে এত অভিনন্দনের কী আছে (বিনয় নয় সত্যি বলছি)!

    লামার সমস্যাটা আমরাও ফেস করেছি বিস্তর, এই এক্সপ আর ডিগ্রি, টেকনিশিয়ান সুপারভাইজর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়র! ইন ফ্যাক্ট সেদিনে একটা জায়গায় প্রফেশন্যাল সেট ব্যাক লিখতে গিয়ে এরকমই একটা কাহিনী মনে পড়ল, লিখলাম.........আমার সুপারভাইজর বনাম আমি, কিরকম জীবন দুর্বিসহ করে দিয়েছিল......অনেক বছরের লোক, কিছু কাজ শুধু সেই জানত করত, সে না থাকলে সেসব কাজ পেন্ডিং রাখা হত বা এমারজেন্সী হলে তাকে ছুটি থেকে ডাবল ছুটি কবুল করে ডেকে পাঠানো হত...........আমি তখন জুনিয়র ইঞ্জিনীয়র, অনেক কাজ তখনো তেমন হাতে কলমে জানিনা, বসেরা পুরনো লোকটিকে খুশী রাখাই বেটার অপশন বলে মনে করেছিল।
    লোকটির সমস্যা হয়েছিল, একে অত জুনিয়র তার রিপোর্টিং অফিসার, তায় মেয়ে!
    শেষমেশ লেট আওয়ারস হেকে ভেন্ডর ম্যানুয়াল ভালো করে পড়ে নিজে চেষ্টা করে নিজে হাতে কাজগুলো শিখে ওর মোনোপলি ভাঙলাম, অবশ্য ওর আন্ডারে আমার গ্রুপের কিছু টেকনিশিয়ান লোকটির ওপর নারাজ ছিল, তারা হাতে কলমে কাজগুলোতে আমাকে সাহায্য করেছিল। তাও সেসবের আগে প্রচুর দলবাজী, স্যাবোতাজ এসবের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, বসের উটকো ঝামেলায় বিরক্তিও সইতে হয়েছে।
    লোকটি নিজের অ্যাপ্রেজালের সময় আমাকে এসে বলত, ফর্ম বার করুন, এই সব লিখুন:)! কথায় কথায় বলত ঐ, দুপাতা পড়ে এসে আমাদের ওপরে বসে আছে!

    আমাদের এখানে আজকাল ওপরে যারা তারাও বেশীরভাগ আমাদের মত ট্রেনী ইঃ থেকে শুরু করেছে, তাই এখন মোটামুটি প্রোমোশন ইত্যাদির ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা ডিগ্রির কোনো তুলনা নেই, ডিগ্রি প্রেফারেন্স পাবে, কারণ সবাই বলে তারা ওপরে ইয়াং লীডার চায়! তবু শুরুতে ওই অসহযোগীতা, বাঁকা কথা সবই শুনতে হয় এখনো!
    তবে সরকারীতে প্রোমোশন কিছুটা টাইম বাউন্ড, তাই পরীক্ষা ইত্যাদি দিয়ে একবার ইঃ গ্রেডে ঢুকে পড়লে মাইনের ফারাক বেশী হয়না বরং এক গ্রেডের লোকেদের বছর হিসেবে এদের মাইনে বেশীই হয়!
    এই প্রসঙ্গে আমার কলেজের এক সিনিয়র দাদা আমাদের বাংলার প্রজেক্টে ছিল।সেখানে তো এইসব সমস্যা পুরো মহামারীর মত! ও, আমার ওই সুপারভাইজর প্রবাসী হলেও বাঙালী ছিল!
    তা সেই দাদাকে তার গ্রুপের সুপরভাইজর বলেছিল, এই যে আমরা ফিল্ডে দাঁড়িয়ে আসল কাজটা করি, গরমে ছাইয়ে, কত কষ্ট সয়ে, অথচ আপনারা ঠান্ডা ঘরে বসে থাকেন (পুরোই অতিশয়োক্তি, ঠান্ডা ঘরে কে আর থাকে খুব বড় অফসর না হলে)।
    তখন সেই দাদা তকে বলেছিল, রূপকদা, সেই যখন আমরা কষ্ট করে পড়াশুনা করতাম আর আপনি খেলে বেড়াতেন, আমরা জানালা দিয়ে দেখতাম, কত মজা আপনাদের, সেই দিনগুলোর কথাও মনে করুন(এটাও ঠিক হলনা, তবু রূপকদা চুপ করে গেছিল):)
  • aka | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:১৪158407
  • *জিনে
  • aka | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:১৪158408
  • পরিবেশে ঊনিশ বিশ হয়। কিন্তু ঊনিশ আর তেত্রিশে পার্থক্য শুধু ইনে হয়।
  • aka | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:১০158406
  • হানু যা কয়। আমি নাক সুযোগ পেলে রিলেটিভিটি বা কলেরার টিকা বের করতাম। ওসব স্বপ্ন। সবাই সমান নয়।
  • pi | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:০৪158405
  • হ্যাঁ, তোমার পয়েন্টটা বুঝেছি ও সহমত। অ্যাপ্টিচিউড ও আসলেতে তো অনেকটাই সা নি ঃ)
  • h | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:০১158404
  • ঃ-)) আমি তো আদৌ মনে করিনা মাইনে র পার্থক্য খুব বেশি কিসু হওয়া উচিত। যেটা কে অ্যাপটিচিউড বলে মনে হয়, সেটা যে কিছুটা সুজোগের প্রতিফলন, সেটাই বলছিলামঃ-))
  • pi | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৫৮158403
  • অ্যাপটিচিউড অনুযায়ীও মাইনের কতটা তফাত হওয়া জাস্টিফায়েড মনে হয় ?
  • h | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৫৩158402
  • একই পোস্টের বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন মাইনে ব্যাপারটা, অফিস জব এ যত বেশি, অন্যত্র তত নয়। এই আমার ধারণা। লামা/শ্রী সদা র পোস্ট গুলো পড়েও সেই রকম মনে হচ্ছে।

    তবে আমার এক দুটো রিজয়েন্ডার ছিল। প্রথমতঃ টেকনিশিয়ান রা খেটে পড়াশুনো করে না তা নাও হতে পারে। দ্বিতীয়তঃ প্রাইভেট ইঞ্জিনীয়ারিং কালেজ আসার পরে দেখা যাচ্ছে, ইঞ্জীনীয়ারিং পড়তে অ্যাপটিচিউড ছাড়াও পয়সা টা লাগে। তো সেই সৌভাগ্য অ্যাপ্টিচিউড নিরপেক্ষে সকলের না ই থাকতে পারে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত