এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিনফট | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫৩156360
  • আমি তো বলেইছি, ছবি আঁকা সম্ভব, এমনকি কিভাবে একটা স্টিল লাইফ তুলতে চান, কোত্থেকে আলো এসে পড়বে, কী কী রঙ থাকবে সব ঠিক করে দিয়ে কম্পোজ করে কাউকে দিয়ে ছবিও তুলে দিতে পারবেন।
  • সিনফট | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫০156359
  • ক্যামেরা তাক করে ফ্রেমে ছবি আনা কিছুমাত্র অসম্ভব না। কারণ তাক করলে ছবি আসবেই।

    >> এবার যে ছবিটা আমি দেখছি, পথচলতি মানুষ, রাস্তা, জেব্রা ক্রসিং, এর অনেকটাই আমার মাথার মধ্যে, আমার অনুভূতি দিয়ে তৈরী।
    এর মানে কী? অনুভূতি ফ্রেমবন্দি করবে? অথচ সেটা করতে যে প্রকরণ গুলো অবশ্য প্রয়োজনীয় যেমন কম্পোজিশন, লাইট, কালার এগুলো আমি কিছুই দেখতে পাচ্ছিনা। এটা অ্যাক্সিডেন্ট নয়?

    >> এক-ই ভাবে, দৃশ্যটি সরিয়ে নিলেও বাকি সব কিছু দিয়ে একটি কম্পোজিশন মস্তিষ্কে তৈরী হয়, সেটি ছবির-ই মত।

    সেই কম্পোজিশন নিশ্চয় ক্যমেরায় ওঠেনা? তাহলে ক্যামেরায় যে কম্পোজিশন ওঠে সেটা শুধুই দৃশ্যমান, তাই তো? তাহলে ওনার মস্তিষ্কের কম্পো উনি আমাদের দেখাতে পারলেননা, তাই তো?
    তাহলে, প্রশ্ন ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে উনি কী দেখাতে চাইছেন? অন্ধের নিজস্ব অনুভূতির জগত যখন ক্যামেরা তুলতে পারেনা তখন সে ছবির আলাদা কোন গুরত্বও নেই। বরং লেখায় সে জগৎ ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।
  • Ishan | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪৬156357
  • দাঁড়াও কি পড়েছিলাম দেখি খুঁজে পাই কিনা।
  • | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪৬156358
  • ব্লাইন্ডনেস ইজ এ নিউ ফিলিং,নিউ এক্সপিরিয়েন্স, এ নিউ স্টেট অফ বিয়িং -- বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়।
    সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যাবার পরেও সৃষ্টি থেমে যায় নি।
  • sosen | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৪১156356
  • জন্মান্ধ মানুষ "ড্রিমস" বললে সঙ্গত হয়। স্বপ্নের সঙ্গে দেখা ব্যাপারটা এসোসিয়েট করা প্রাইমারি একটা ধারণা। কিন্তু স্বপ্ন সব কিছু দিয়ে গঠিত, সব স্মৃতির নাড়াচাড়া। তাতে থাকে গন্ধ, স্পর্শ, শ্রুতি ইত্যাদি। এর পরেও, এই সেন্সগুলি দিয়ে একটা ইমেজ-ও তৈরী হয়, যেটা তাঁর/তাঁদের নিজস্ব পারসেপশন মডেলকে ম্যাচ করে। সেটা দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের ইমেজারির সাথে এক নয়। কিন্তু সেটা ইমেজ। যদি তাঁদের আঁকতে বল, তাঁরা সেটা এঁকে দেন। যেটা প্রমাণ করে স্পেসিয়াল পারসেপশন গন্ধ/শব্দ/স্পর্শ দিয়ে তৈরী হতে পারে, নৈলে আঁকতে পারতেন না।
  • Ishan | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৫156355
  • উফ। "স্বপ্নে ছবি দেখেন না" হবে।
  • achintyarup | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৪156353
  • ফিল্মের ওই মেয়েটির ক্যামেরার সঙ্গে কোনও একটা যন্ত্রও ছিল না? যেটা জিনিসপত্রের রং বলে বলে দিচ্ছিল?
  • Ishan | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩৪156354
  • জন্মান্ধ মানুষ কিরকম স্বপ্ন দেখেন? কোথায় যেন পড়লাম, দেখেন না। খুব কম বয়সে অন্ধ হওয়া মানুষও দেখেন।

    ঠিক শিওর না। তবে মনে হচ্ছে পড়েছিলাম।
  • pi | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:৩১156352
  • স্পর্শটাই বাদ দিলে ? অন্ধ মানুষের পারসেপশনের তো ওটা একটা বড় মাধ্যম।
  • sosen | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:২৭156351
  • একটু অনধিকার প্রবেশ করছি।
    একটু খুঁজলেই বেশ কিছু মেটেরিয়াল পাওয়া যাবে। আমরা যা দেখি সেটা ফিজিক্যাল স্টিমুলেসনকে মস্তিষ্ক যে ভাবে প্রজেক্ট করে তা-ই। অর্থাত, সহজ কথায় লাল বলে যে রং আমি দেখছি সেটা দৃশ্যানুভবের পরিবর্তনে সবুজ হতে পারে। এবার যে ছবিটা আমি দেখছি, পথচলতি মানুষ, রাস্তা, জেব্রা ক্রসিং, এর অনেকটাই আমার মাথার মধ্যে, আমার অনুভূতি দিয়ে তৈরী। তাতে রয়েছে দৃশ্য, বর্ণ, গন্ধ, শ্রুতি। এক-ই ভাবে, দৃশ্যটি সরিয়ে নিলেও বাকি সব কিছু দিয়ে একটি কম্পোজিশন মস্তিষ্কে তৈরী হয়, সেটি ছবির-ই মত। দৃষ্টিহীন মানুষ তাই স্বপ্ন দেখেন। জন্মান্ধ মানুষ-ও। তাই ক্যামেরা তাক করে ফ্রেমে ছবি আনা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব নয়। মুশকিল এই যে ছবিটা তাঁদের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়, অনুভব করাও সম্ভব নয়। আর আমরা যেভাবে বিচার করছি, প্রতিটি সেন্স দিয়ে, সেভাবে এই ছবির বিচার হবেনা। কিন্তু তাই বলে চোখ বুজে, শব্দ শুনে, গন্ধ শুঁকে ফ্রেম তৈরী করতে পারাটা এক্সিডেন্ট নয় বলেই মনে হয়।
  • সিনফট | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৫156350
  • এবার মনে হচ্ছে ট্যান যাবে। জন্মান্ধ না পরে অন্ধ?
  • | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৩156349

  • স্ত্রীর পত্র। ঋতুপর্ণ ঘোষ।
  • a x | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:১০156348
  • জানিনা, এটা ইন্টেরেস্টিং, যিনি দেখতে পান না, তার স্পেশিয়াল পার্সেপশন মাথায় কীভাবে রেকর্ড হয়, ইমেজ তৈরি হয় কিনা।
  • সিনফট | ০৬ আগস্ট ২০১৩ ০১:০৭156347
  • ১। আপত্তি টা পার্টস বদলের সাথে মানসিকতার বদলকে কনকারেন্ট দেখানোয়।

    ২। অক্ষদা ও আকা,
    অন্য ইন্দ্রিয় তীক্ষ্ণ করে ছবি হবে কী করে? ছবি কম্পোজ করে কাউকে বুঝিয়ে দিতে পারে। সে সেই কম্পোজিশন এক্সিকিউট করতে পারে। এমনকি ক্যানভাস কে অনুভব করে আঁকতেও পারে। কিন্তু ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতে গেলে তাকে তো সামনের দৃশ্যমানকে একটা অদৃশ্য ফ্রেমবন্দি করে ভাবতে হবে রে বাবা। আমার এনাদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা আছে, কিন্তু যেটা হয় সেটা অ্যাক্সিডেন্ট। আর ফিল্মে গল্পটা ছিল আমি চোখের আলোর বাইরে যা দেখাচ্ছিলাম তা অপরূপ ইদিকে ভীড় ফ্লাইওভারে ব্যস্ত কোলাহল দেখে হিমালয়ে পলায়ন করলাম, এনার দৃষ্টিহীন স্ট্রীট ফটোগ্রাফির মূল্য আপনেরাই বিচার করবেন।
    এবার আকা, যখন আমরা ভাবি একটা রবীন্দ্রগান বা সিমফনির কথা তখন সুরটা মাথার মধ্যে বাজাতে কী গলা দিয়ে সুরটা তইরী করতে হয়? নাকি আওয়াজহীন সুরের প্যাটার্নটাও সেই শোনা সুরটার কপিই তো? তাই বধির হয়ে বিটোফেন সুর সৃষ্টি করতে পেরেছেন, কিন্তু বধির হয়ে অর্কেস্ট্রা পরিচালনা করতে গিয়ে বা নিজে পিয়ানোয় বাজাতে গিয়েও ঠিক পারেননি। কারন সেই সুরটি মাথার মধ্যে তইরী করলেও মূর্ত দেখেননি। ছবি আঁকাও সম্ভব একইকারনে, মাথার মধ্যে আঁকা যায় বলে, ক্যানভাসের তলে ছুঁয়ে ডানদিক, বামদিক, কতটা উপরে, কতটা নিচে বোঝা যায়। এবার ভাবো স্ট্রীট ফটোগ্রাফি বা যেকোনো তাৎক্ষনিক মুহুর্তের ছবি যেটা তখনই মাথার মধ্যে ফ্রেম করতে হবে দৃশ্যমানকে দেখে এটা চোখ বুজে কিভাবে সম্ভব?
  • I | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৫২156346
  • ওকে। মেল দেখো।
  • byaang | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৪৮156345
  • তোমকে জিমেলে পঠিয়েছি একটা মেল।
  • I | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৪৭156344
  • মেল অ্যাড্রেস?
  • byaang | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৪৫156343
  • ডাক্তার, সিরিয়াস দরকার। একবারটি আমাকে মেইল করবে এক্ষুনি?
  • I | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:৩৯156342
  • নর্দার্ন লাইটস দেখছিলাম ভিডিও। মরার আগে একবার দেখে যেতে হবে। কিন্তু ডিসেম্বর- জানুয়ারি মাসে যেতে বলছে। নরওয়ের আর্কটিক বেল্টে। দেখার পরে আর কি বেঁচে থাকবো?

    কমরেড পিনাকি চাইলে দেখতে পারেন।
  • kk | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:১৭156341
  • অক্ষদা, থ্যাংকিউ :)
  • সে | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:১৬156340
  • হ্যাঁ। এজন্যে কোম্পানী কিছু বিশেষ সরকারী ছাড় (কর) পাচ্ছে।
    শুনতে একটু অদ্ভুত লেগেছিলো প্রথমে। ঠিক বুঝতে পারিনি যে কম্পিউটার স্ক্রীনের লেখা এঁরা পড়বেন কেমন করে। কিন্তু প্রযুক্তিতে সে ব্যবস্থা আছে (টাইপ করলে শব্দ দিয়ে সেটা ইন্টারপ্রেট করা হয়) এবং এঁদের কীবোর্ড ভিন্ন (অথবা কয়েকজন সাধারণ কীবোর্ড ব্যবহার করেন)। সব সফ্টওয়ারে এই ব্যবস্থা থাকে না কিন্তু এঁরা যে সফটওয়ারে কাজ করেন তাতে এই বিশেষ ব্যবস্থা আছে।

    একটু অন্য পথে গিয়ে বলছি আরেকটা জায়গায় দেখেছি ডাউন্স সিন্ড্রোমে আক্রান্তরা একটা প্ল্যান্টের একটি বিশেষ বিভাগে কাজ করছেন। গোটা পঞ্চাশ এমন মানুষ নির্ভূলভাবে প্রোডাকশানে কাজ করছেন (একটি ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতে) দুনিয়ায় প্রথম বা দ্বিতীয় এই কোম্পানীটি তাদের প্রোডাক্টের বাজারে।
  • কৃশানু | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২৩:০৫156339
  • সে, এটা শুনে খুব ভালো লাগল।
  • সে | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪৯156338
  • আমাদের কোম্পানীতে কয়েকজন অন্ধ ডেভালাপার আছেন। চমৎকার কোড লেখেন কম্পিউটারে। ভুলভ্রান্তির হার অন্যান্যদের মতো। মাইনেও অন্যান্যদের মতো পান।
  • aka | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:২৩156336
  • ব্ল্যাংকি থ্যাংকু, না আগে দেখি নি। ইনফ্যাক্ট ভাবিই নি কোনদিন।
  • aka | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫২156334
  • সত্যি এমন লোকজন আছে যাঁরা চোখে দেখতে পান না অথচ ছবি তোলেন বা আঁকেন। কানে শোনেন না অথচ মিউজিক তৈরি করলেন বিঠোফেন, তাও প্রথম জীবনে শুনতেন। খুবই অবাক করা বিষয়। এনাদের ছবি দেখতে আমি আগ্রহী।
  • শ্রাবণী | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫০156333
  • kc, বিশাল থ্যাঙ্কস! আমি তো শুধু শিবেয় বিয়ের গান ভেবেছিলাম, এতো শিবায়ন, তাও বিভিন্ন লোকের লেখা বিভিন্ন এপিসোড। এমনকী রামেশ্বর ভট্টাচার্যের লেখা চেনা কিছু অংশ দেখে খুব আহ্লাদ হচ্ছে!
    নো কমপ্লেন, দের আয়ে দুরস্ত আয়ে।:)
  • কৃশানু | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:২০156332
  • উফ, শিপ অব থেসাস এর রিভ্যু নিয়ে সিফোদাকে অক্ষরে অক্ষরে ক। কিন্তু এত ভালো ভারতীয় সিনেমা তো সহজে দেখিনা। তাই ভালো লাগাটা একটু বেশীই।
  • potke | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:১৯156330
  • পিপি, মেসেজ দেখুন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত