এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নতুন সরকারের শিক্ষা শিল্প স্বাস্থ্যনীতি ইয়াদি (২)

    aka
    অন্যান্য | ২৫ মে ২০১১ | ২৫৪৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ০০:০৪473944
  • রাজ্য ডেট ট্র্যাপে পড়ে যাচ্ছে বলে অর্থ কমিশন না কে একটা যেন এই কদিন আগে রাজ্যকে কড়কানি দিল না?
  • pis | 72.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ০০:১১473945
  • সব ই তো বুঝলাম, জ্ঞানের হ্যানোত্যানো,
    ২৮ আর ৪১ এর হিসেব পেলাম না ক্যানো ? :((
  • 9 | 14.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ০০:১৭473946
  • এই লোনগুলো তো প্রোজেক্ট ফাইনান্স লোন। এই লোন আপনি দেবেন কি দেবেন না নির্ভর করে স্রেফ সেই প্রোজেক্টের ক্যাশফ্লো প্রোজেকশন এবং ফাইনান্সিয়াল ভায়াবিলিটির উপর। স্পেশাল পার্পাস ভেহিকলের সাহায্যে সাধারণত: এই ফাইনান্সিংগুলো হয়। এর সঙ্গে গ্রহীতার সার্বিক অর্থনৈতিক সামর্থ্যের কোনো সম্পর্ক নেই।
  • dri | 117.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ০০:৪৩473947
  • কিন্তু রাস্তা বানানোর মত ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রোজেক্টে এক্ষুনি ক্যাশ ফ্লো হবে কিকরে?

    (সাইটটা কী একটু গড়বড় কচ্ছে?)
  • til | 136.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ০৬:৪৮473948
  • খসড়া:

    আমার মনে হয় শর্ট, মিডিয়াম ও লঙ টার্মে প্রস্তাবগুলো ভাগ করা প্রয়োজন।
    রোগী যখন মুমূর্ষু তখন যোগাভ্যাস বা হোমিওপ্যাথি ইস্তেমাল করে কি লাভ! নীতি পদ্ধতি, বড় বড় ইকোয়েশন সবই বিদ্বজ্জনেরা ভাল বুঝবেন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের যা হাল তাতে শর্ট টার্মে কিছু করা আশু প্রয়োজন।
    ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতি নির্ধারণের প্রয়োজন অস্বীকার করিনে, কিন্তু যেটা এক্ষুনি প্রওজন তা হল গাড়ী, বাস, অটো, পথচারী সকলকে রুল মানতে বাধ্য করা। তাতে যদি একটি প্রাণও বাঁচে, সেটাই অনেক, অনেক; সেই প্রাণটি আমার, আপনার বা আমাদের আত্মীয়স্বজনের যদি হয় তাহলে?
    --
    গু-চর কর্তাব্যক্তিদের প্রতি,
    আপনাদের সংকলিত প্রস্তাবের একটি executive summary ও মন্ত্রী মহোদয়কে দেবার কথাটা ভাববেন।
  • G | 72.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ২১:১০473949
  • ৯-র বক্তব্যটা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে।
    পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক অবস্থা যা তাতে আয় ও ব্যয়ের হিসেবের প্রয়োজন নেই? আয়-ব্যয়ের হিসেব ব্যপারটাই নিওলিবারাল? তাই অন্যায়? নাকি এক্ষপার্ট না হলে হিসেব করার রাইট নেই? যদি একথা বলেন যে কোন খাতে আয় আর কোন খাতে ব্যয় সেই হিসেবটা ঠিকঠাক হচ্ছে না, তাহলে অমিত ভাদুড়ি বা কাফিলা না নামিয়ে প্লিজ ল্যালা ভাষায় বলুন না x করা উচিত, y খাতে খরচ কমানোর চেষ্টা করা অর্থহীন বা even বিপজ্জনক।
    ঐ পড়াশুনা করে আসার উপদেশটা একটু অশ্লীল শোনায়। আপনি যদি জানেন, উত্তরটা বোঝানোর দায় আপনার।
  • Sibu | 68.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ২১:২০473950
  • ঠিক, পড়াশুনা করে আসতে বল্লে আমারও খুব রাগ হয়। মমতাদিরও তাই হয়, সারা প্যালিনেরও তাই হয়। উই আর ইন গুড কম্প্যানি।
  • G | 72.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ২২:৪২473951
  • একটু বিশদ করে বলি।
    ১। Expert-দের, বিশেষ করে অর্থনীতিবিদদের একটা basic প্রব্লেম আছে। সেটা নিজেদের discipline-লব্ধ জ্ঞান মানুষকে বুঝিয়ে বলার দায়।
    গত দুতিন দশক ধরে অর্থনীতির মূলধারায় (বিশেষত: microeconomics'e) যা কাজ হয়েছে, তা মূলত: মার্কেটের ক্রিটিক - মার্কেট কেন, কোথায় কাজ করে না। কিন্তু অর্থনীতির বাইরে, even অন্যান্য academic field-এও সেকথা কজন জানেন? এটা কিন্তু অর্থনীতিবিদদেরই দায়। তাঁরাই profession-এর বাইরে (এবং অবশ্যই ল্যালা ভাষায়) সেকথা বুঝিয়ে বলেননি। বরং বলেছেন "পড়াশুনা করে আসুন'। এই দম্ভ কিন্তু counterproductive, সমস্ত দিক দিয়ে।

    ২। দ্বিতীয়, এই "পড়াশুনা করে আসুন' আলোচনার পরিসরকে সংকুচিত করে। এমনিতেই গুরুর টইয়ের আঁতেল বদনাম আছে, অনেকে বক্তব্য জানাতে ভয় পান, সংকোচ বোধ করেন - "বাংলা ভালো লিখতে পারেন না" মনে করে। আমার বিশ্বাস, আপনারা অনেকেই এমন লোককে চেনেন। এর উপরে যদি "পড়াশুনা করে আসুন' এই জাতীয় শাসানি শুনতে হয়, তাহলে participatory character আরো কমে যায়। আরো পাঁচটা অভিমত আসতে পারতো, আর এল না।
  • G | 72.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ২২:৫৩473952
  • আর ব্যক্তিগত জায়গা থেকে বলছি: পড়েছি। আনেক অর্থনীতি চটকে এইটুকু বলছি, পশ্চিমবংগের অবস্থা খারাপ এইটুকু বোঝার জন্যে পি-এইচ-ডি লাগে না। আর এক্ষেত্রে accounting equation-গুলোর প্রাসংগিকতা খুব পরিস্কার করে বুঝলাম না।
  • 9 | 14.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ২৩:০৯473954
  • অনেকদিন হয়ে গেল এই সব চত্বরে। আমি কিছু বলি বা না বলি, পরিসর যা থাকার তাই থাকবে। এই সব চত্বরে বিভিন্ন আলোচনা সমালোচনা উত্তর প্রত্যুত্তর স্রেফ বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে না, আলোচক সমালোচকের উপরও নির্ভর করে। এই দীর্ঘ সময়ের পরে এখন এগুলো একেবারেই বাতুল মনে হয়। অবশ্যই পড়াশুনা করা উচিত। পুরোনোপন্থী লোক, ল্যালাপন্থী নই। দ্রি-র মতো যারা পড়াশুনো করেন তারা বুঝেছেন কি বলতে চেয়েছিলাম। পুরোনোপন্থী লোক বলেই যে বিষয়ে কিছুই কোনোদিন পড়ি নি, সেই ব্যাপারে কথা বলি না। লোকশিক্ষের কোনো দায় বা এই চত্বরের পার্টিসিপেটরি চরিত্ররক্ষার দায়ও আমার নেই। যদি কিছু লেখার ফলে পরিচালকদের মনে হয় সেই চরিত্র লঙ্ঘিত হচ্ছে, তারা সেই লেখা উড়িয়ে দেবেন না হয়। অশ্লীলতা এবং ঔদ্ধত্য নিয়ে থাকাটাই আমার আপাতত: একান্ত পছন্দের। যাদের পছন্দ হবে না তো হবে না। আমার বা অন্যদের- কার কি যায় আসে?
  • Ishan | 117.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০০:০৫473955
  • আপনি লিখেছেন। লেখার সমালোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে পরিচালন বা লেখা উড়িয়ে দেওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?

    কথার চাপান-উতোরের মধ্যে অপ্রাসঙ্গিকভাবে পরিচালনার প্রসঙ্গ টেনে না আনলেই খুশি হব। ব্যক্তিগতভাবে।
  • 9 | 14.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০০:১২473956
  • জিবাবু অভিযোগ করেছেন যে এইজাতীয় লেখার ফলে এই সাইটের পার্টিসিপেটরি চরিত্র লঙ্ঘিত হচ্ছে। যেহেতু চরিত্ররক্ষার দায়িত্ব পরিচালকদের উপর বর্তায়, অতএব এই অভিযোগের ভিত্তিতে তারা কোনো পোস্ট রাখতে পারেন বা উড়িয়ে দিতে পারেন। এটা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা অনুযোগ কোনোটাই নয়।
  • G | 72.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০০:১৭473957
  • ৯ - শুনুন।
    শুরুই করলেন এই forum-এ seniority claim করে।
    কিমশ্চরয!!
    ঔদ্ধত্য আপনার শেখনেই শেষ হয় ন - তাপ্পর বল্লেন ওমুকের মত পড়াশুন ন করলে আপ্নার কথা বোঝা জাবে ন। ওমুকের মত বলে্‌ত কি? উনি জা জা বাই পড়েছেন নাকি ওনর মত বিস্তার বা গভীরত? সে যাই হোক, এক বিশেষ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ আপনার কথা না বোঝে, সে দায় কার?

    ঔদ্ধত্যের এক্ত মানে থকতো, যদি এই ধরণের কোনো excuse আপনাকে না নিতে হোতো। Otherwise এসব শূন্য আস্ফালনে পর্জবসিত হয়।
  • dri | 117.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০০:৩০473959
  • আমি অর্থনীতি নিয়ে খুব বেশী পড়াশোনা করিনি। সত্যি কথা বলাই ভালো। একটু আধটু ড্যাবলিং যাকে বলে।

    কিন্তু আমি মনে হয় ৯ এর কথা কিছুটা ধরতে পেরেছি। উনি ওনার কথা বললেই ভালো হত। কিন্তু সেটা মনে হয় আপাতত হচ্ছে না। বড্ড বেশী শার্প ওয়ার্ডস এক্সচেঞ্জ হয়ে গেছে।

    আয় বৃদ্ধি এবং ব্যয় হ্রাসের কথা যে নিওলিবারেল ইকনমিস্টরা বেশী করে বলেন সেকথা সত্যি। আমি অমিত ভাদুড়ি পড়িনি। কিন্তু বাঁ দিকের ইকনমিস্টরা এই ব্যাপারটা তত পছন্দ করেন না এটা জানি। তার একটা র‌্যাশানাল আছে।

    সেটা হল এই। আপনি যখন খুব বেশী ব্যায় হ্রাসের কথা বলেন সেটা জনবিরোধী নীতিতে ট্রান্সলেটেড হয়। একজন টিপিক্যাল নিওলিবারাল ইকনমিস্ট কী বলবেন? লোন নিওনা। কিন্তু একদম লোন না নিলে হয়ত দরকারী ডেভালাপমেন্ট প্রোজেক্ট আটকে যাবে। বলবেন সরকারী কাজ কমাও, তাহলে সরকারের মাইনে দেওয়ার বার্ডেন কমবে। বলবেন সরকারী এনটাইটেলমেন্ট কমাও, সরকারের খরচ কমবে। সোশাল সিকুরিটি কমাও, পেনশান আর্ধেক করে দাও ... অ্যান্ড সো অন।

    কথা হল উল্টো দিকেরও এক্সট্রীম হয়।

    এক এক সময়ে এক এক রকম হাওয়া আসে। যখন সোশালিস্ট হাওয়া আসে, তখন লোন নেওয়া, গম্মেন্ট চাকরী ক্রিয়েশান, সোশাল সেক্টারে স্পেন্ডিং এগুলো বাড়ে। সোজা কথা আয়ের তুলনায় ব্যয় একটু বেশীই বাড়ে। কিন্তু বাড়তে বাড়তে যদি আনসাস্টেনেব্‌ল জায়গায় চলে যায়, তখন আবার উল্টো দিকের কথা ওঠে। একটা কথা আপনাকে মানতেই হবে, সে আপনি সোশালিস্ট হোন বা নিওলিবারেল। আয় ব্যয় একটা এরিথমেটিক দিয়ে বাঁধা। সেটা আপনি লঙ্ঘন করতে পারবেন না। যদি না ডিফল্ট করার সখ থাকে।

    ফাইনালি ঐ হল কথা। যদি এঅমন হয় যে আপনার যা আয় তার মাত্র ৫০% ব্যয় করছেন, অথচ আপনার রাজ্যে প্রচুর গরীব আছে, মে বি আপনি জথেষ্ট জনদরদী নন। আপনার আরেকটু খরচ করার কথা ভাবা উচিত। এমত অবস্থায় একটু সোশালিজ্‌ম ভালো। কিন্তু যদি দেখা যায়, আপনার ব্যয় আয়ের ৮৫% ক্রস করে গেছে, ইউ আর বিয়িং টু রিস্কি। এইসময় মে বি একটু নিওলিবারালিজ্‌ম ভালো, একটু বেল্ট টাইটেনিং।

    লাস্ট কয়েক বছরে ক্লিয়ারলি পশ্চিমবঙ্গে ফিস্কাল রেস্পন্সিবিলিটি একটু কম হয়েছে।
  • 9 | 14.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০০:৩০473958
  • বস্তুত: এখানে একজন না বুঝলেও কিছু যেত আসত না। যাদের বুঝালে পয়সা পাওয়া যায় তারা ঠিকই বুঝছে। শূন্য আস্ফালন, ঔদ্ধত্য, অশ্লীলতা- আর কি? সিনিয়রিটি, এক্সকিউজ, মার্কিউজ, উইলি ওয়াঙ্কা, লবডঙ্কা, কিমিতিবাদ বা পাতিয়ালা হাউজ- তাতে আমারই বা কি, আর আপনারই বা কি? ;-)
  • ranjan roy | 122.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০২:১২473960
  • আমার মনে হচ্চে কিছু শার্প ওয়ার্ড এক্সচেঞ্জ সঙ্কেÄও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে প্রচারমূলক স্ট্যান্ডের বাইরে একটু অবজেক্টিভ করার চেষ্টা হয়েছে এবং তা খানিকটা সফলও হয়েছে।
    কিন্তু ৯ এর প্রোজেক্ট ফাইনান্সের ব্যাপারে বক্তব্যটিকে সামান্য অসহমত হয়ে দু'পয়সা জুড়তে চাইচি।
    ওনার বক্তব্য-- কোন প্রোজেক্ট ফাইনান্স হওয়া নির্ভর করে সেই প্রোজেক্টটির ক্যাশ-ফ্লো প্রোজেকশন এবং ফিনান্সিয়াল ভায়াবিলিটির ওপরে। এই দুটো প্যারামিটারের ভ্যালুয়েশন করে ঋণদাতা সন্তুষ্ট হলে তবেই সেই প্রোজেক্টকে ফাইনান্স করবে।
    -হক কথা।
    কিন্তু পরের লাইনটা?
    --- এর সঙ্গে ঋণগ্রহীতার সার্বিক অর্থনৈতিক সামর্থ্যের কোন সম্পর্ক নেই।
    তাই কি? একটু কেমন কেমন লাগছে।
    ভুল বুঝবেন না। আমি খালি জানি ব্যাংকগুলো কেমন করে কোন প্রোজেক্ট ফাইন্যান্স করে।
    সেখানে কোন প্রোজেক্টকে লোন দিতে হলে অবশ্যই প্রোজেক্টটির ইন্টারন্যাল স্ট্রেংথ বুঝতে তার প্রোজেক্টেড ক্যাশ -ফ্লো, অর্থাৎ তাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যাশ ইনজেক্ট করা হলে সেই ক্যাশ কি কি বিনিয়োগ এবং খরচের খাতের মধ্যে প্রবাহিত হয়ে বছরের শেষে হাতে কত পেনসিল থাকবে তার হিসেব দেখা হবে, এবং প্রোজেক্টটির আর্থিক লাভপ্রদতার ডিগ্রি বুঝতে বিভিন্ন রেশিও বাজিয়ে দেখা হবে। ইন্টারন্যাল রেট অফ রিটার্ন,,রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট সব দেখা হবে।
    কিন্তু প্রোজেক্টটি সন্তোষজনক হলেও ফাইনাল স্টেজে ঋণগ্রহীতার ক্যাপাসিটি দে্‌সখা হবে না? তার ঋণ শোধ দেয়ার ক্ষমতার পরিমাপ দেখা হবে না?
    ব্যালান্স শীট,ডেট-ইকুইটি রেশিও, নেট-প্রেজেন্ট ওয়ার্থ ইত্যাদির মাধ্যমে এটা দেখা হবে না যে যদি ওই প্রোজেক্টেড ফ্যাক্টরগুলোয় গন্ডগোল হয়েযায়, যদি কোন মার্কেট ফোর্স বা অভাবিত প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে সব ফোরকাস্ট ভুল হয় তাহলে গ্রহীতার ঋণ ফেরৎ দেয়ার ক্ষমতা আছে কি না? তার ট্র্যাক রেকর্ড, ইকনমিক লেনদেনের অভ্যেস কেমন ইত্যাদি?
    কারণ ফিউচার যে অনিশ্চিত!
    যদি বলেন প্রোজেক্ট ফাইনান্সের এই ব্যাংকিংয়ের মাইক্রো উদাহরণ সরকারী বাজেটের ম্যাক্রো লেভেলে একস্ট্রাপোলেট করা যায় না, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। যোগ্য লোকেরা বলুন, আমি শুনতে রাজি।
  • Sibu | 173.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০৪:০৯473961
  • একটা ডাটা পয়েন্ট।


    http://www.nytimes.com/2010/06/29/business/global/29austerity.html

    “When our public finance situation blew wide open, the dominant consideration was ensuring that there was international investor confidence in Ireland so we could continue to borrow,” said Alan Barrett, chief economist at the Economic and Social Research Institute of Ireland. “A lot of the argument was, ‘Let’s get this over with quickly.’ ”

    Rather than being rewarded for its actions, though, Ireland is being penalized. Its downturn has certainly been sharper than if the government had spent more to keep people working. Lacking stimulus money, the Irish economy shrank 7.1 percent last year and remains in recession.
  • h | 116.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ০৭:৩৪473962
  • দ্রি, বেল্ট টাইটনিং হলে তো অসুবিধে নেই, সুদু কোথাকার বেল্ট সেটা একটু সরকারের আর তাদের গৌরি সেন দের চরিত্র আর প্রায়োরিটির উপরে নির্ভর করে এই যা, এইটা তর্ক নিরপেক্ষে হগলেই বোঝেন, মিডিয়া ডার্লিং রেজ্জাক মোল্লা কে ও এই বাজারে কেউ ই-গভর্নেন্স বোঝানোর দায়িঙ্কÄ নেবে কিনা হালকা সন্দেহ আছে:-)

    ক্রুগম্যান এর পপুলার বইটা (কনশাইন্স অফ আ লিবেরাল?) তে এই ধারণা কে সোর্স করা হয়েছে ১৯২৩ নাগাদ এন ওয়াই টি তে বেরোনো একটা প্রবন্ধে আর তার আগে থেকে চলা গভমেন্ট বনাম 'দ্য বিজনেস' এর বিতর্কের। সে তো আর নতুন কিসু কথা না।

    পশ্চিমবঙ্গে বাজে খরচ বলতে মেনলি আবাপ গোষ্ঠীর লেখা পত্রে এবং ডাউন স্ট্রীম যেটা দীর্ঘ দিনের অভিযোগ সেটা হল কর্মচারী দের মাইনে। একটা দিক হল প্রায় কেন্দ্রীয় হারে মাইনে, দ্বিতীয়ত: অনেক ধরণের কর্মীদের দায়িঙ্কÄ গ্রহণ। এইবার অভিযোগ সুদু এতে সীমাবদ্ধ থাকলে ভালো হত, 'ছোটো আছো ছোটো থাকো শস্তা সাবান মাখো' ইত্যাদি তো শুদু নয়, সঙ্গে বলা হয় আরো অনেক কিছু, যার 'বহুমাত্রিক' মানে। প্রধান হল কেন্দ্রীয় সংস্থায় চাগরি করলেই লোকের কর্মসংস্কৃতি সুদু না কর্মক্ষমতা বেড়ে যায় কারণ চারিদিকে সুদু উৎকর্স:-)

    যেটা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হত, সেটা সংক্ষেপে এইরকম:

    . পঞ্চায়েত/পুরসভা/ প্রাইভেট কলেজ/ সেচ দপ্তর / সরকারি ফার্ম / অন্যান্য বেশ কিছু সংস্থা ইত্যাদি র মাইনে সরকার দেয়। বিশেষত: স্থানীয় সায়ঙ্কÄ শাসনের সংগে জড়িত কর্মীদের মাইনে এটা দেশে আনপ্রিসিডেন্টেদ ছিল একটা সময় পর্যন্ত।
    . মাইনের হার, কেন্দ্রীয় সরকার একবার করে ডিয়ারনেস allowance ঘোষণা করেন আর রাজ্য সরকার তার কাছাকাছি ঘোষণা করেন। ইত্যাদি।

    আরেকটা একটু আনরিলেটেড বিষয় আছে যেটা এই খেপে কেউ আলোচনা করেন নি, সেটা হল small savings সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় নীতির সমস্যাটার কথা। আশাকরি কেউ করবেন।

    এইবারে নীতি ও ঢক্কানিনাদ। আপাতত যেখানে বেল্ট টাইটেন নতুন সরকার করেনি সেটা হল মহাকরণ সাজানো আর প্রচুর সৌন্দ্রযায়ন এর প্রোজেক্ট এর হঠাত তড়ি ঘড়ি ঘোষণা, এটা আমরা বিরোধীরা একটু মিসপ্লেসড বেল্ট বলবো, বিশেষজ্ঞরা, কাগজেরা এবং কাগজের কনজিউমার ম্যাংগো পাবলিক রা অন্যমত পোষণ করবেন। ফাইন। লক্ষ্য করেছেন নিশচোয়ি তৃ মূ র ম্যানিফেস্টো তে সরকারী ফার্মের চাক্রি কে অনিশ্চিত করা হয়েছে, বলা হয়েছে, '... স্থায়ীকরণ করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হয়েছে।' এবং এও বলা হয়েছে স্থানীয় মজুরির ভিত্তি তে এবার থেকে সকারি ফার্মে কাজ হবে। বলা হয়েছে বীজ গবেষণার ক্ষেত্রের কাজের প্রসংগে। মজা হল বীজ গবেষণা মূলত করে বিশ্ববিদ্যালয় আর ইনি্‌স্‌টটিউট গুলো, তার বাজেটের কথা কোথাও নেই। একটা ইংগিত পাওয়া যায়, বীজে কি হবে, আপনারা সমঝদার :-)

    যেটা উল্লেখ করছি, জাস্ট ফর দ্য রেকর্ডস, যদিও একটা বেসিকালি বন্ধুদের ফোরামের আবার রেকর্ড দিয়া কার কি কাম, দুইটা জিনিস।
    কদিন হল একটা প্রচার চলছে, প্রণববাবু সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। এই অ্যালোকেশনের প্রশ্নের সর্বতো সাহায্য টা যে মূলত: রাজনৈতিক, ইন ফ্যাক্ট এই ঘোর লিবেরেল বাজারেও, প্ল্যানিং কমিশন এবং অর্থ দপতরের হাতে কিছুটা ক্ষমতা রেখে দেওয়ার একটা মাজার দিক সেইটা খেয়াল কেউ করেন না। প্ল্যানিং কমিশনের সর্বে সর্বা মন্টেক, হ্যান্ডসাম ও অকে্‌স্‌ফার্ড, প্ল্যান্ড ইকোনোমি তেই বিশ্বাস করেন কিনা সন্দেহ;-) কেন্দ্রীয় সাহায্য মূলত পোলিটিকাল, সুদু তাই না, আরো সমস্যা হল এটা কতটা সাহায্য কতটা আরো ঋণ সেটা আলোচনা ঠিক হচ্ছে না, হবেও না। আনরিলায়েবল গণশক্তি ছাড়া।

    ইত্যাদি।
  • G | 72.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১০:২৯473963
  • দ্রি, ধন্যবাদ, পরিষ্কার করে বলেছেন।

    এটা যেকোনো থিয়োরীই বলবে, যে,আয়বৃদ্ধি ও ব্যয়সঙ্কোচ ভাল জিনিস, যতক্ষণ সেটা মানুষের ঘাড়ে কোপ না মেরে হচ্ছে। আয়-ব্যয়ের কথা বল্লেই নিওলিবারেল, এই ব্র্যাণ্ডিংটা ঠিক নয়।

    খসড়া প্রসঙ্গে :
    -------------------

    আয়বৃদ্ধি :

    খসড়ায় আয়বৃদ্ধির কথা যা বলা হয়েছে,সেটা নতুন সোর্স থেকে, অর্থাৎ ইনফরয়াল সেক্টর ট্যাপ করে এবং যে টাকাটা অলরেডি পার্টি বা অন্য কারুর সেলামি হিসেবে যেত।
    দ্বিতীয় আয়বৃদ্ধির উপায় হল হল প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্সিং যেটাকে কোনোমতেই নিওলিবারেল বলা চলেনা।

    ব্যয়সঙ্কোচ :

    ব্যয়সঙ্কোচের কথা বলা হয়েছে, আমলাতান্ত্রিক পুনরাবৃত্তি কমানোর মাধ্যমে। সেই উদ্বৃত্ত কর্মীবাহিনীকে নতুন প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলিতে বহাল করার কথা বলা হয়েছে।
    এর মধ্যে নিও লিবারেল ভূত দেখলে কিছু করার নেই।

    মানুষের ঘাড়ে কোপ না মেরে আয়বৃদ্ধি ও ব্যয়সঙ্কোচের অন্যান্য অভিনব সাজেশন এলে তো ভাল হয়। আসুক।

    ইনফরম্যাল সেক্টরের সমস্যা :

    খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী যখনি সরকার ইনফরম্যাল সেক্টরের থেকে ট্যাক্স তুলছে, তখনি সেক্টরের সেই অংশ ফরম্যাল সেক্টরে রূপান্তরিত হচ্ছে। কারণ, বাই ডেফিনিশন সরকারের খাতায় নাম উঠছে। এর সাথে আসে, মিনিমাম ওয়েজ ও যেটুকু যা প্রোটেকশন ফর্ম্যাল সেক্টরে আছে। এটা একটা বিশাল প্রকল্প। কিন্তু এর উদ্দেশ্য মানুষকে অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দেওয়া। এটা নিয়ে পরে বিশদে আলোচনা করা যেতে পারে। অন্যান্য কনস্ট্রাকটিভ সাজেশন ও আসুক।
  • h | 203.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১০:৪০473965
  • পৃথিবীর যে কোন চ্যাট সাইটে, ব্লগে, জেনেরাল একটা ফিচার হল, লোকে ইনসাল কইরা আনন্দা পাইতাছে। এ কিছু করার নেই।

    বিশেষজ্ঞের বক্তব্য বনাম আমজনতার দাবী, এই টাও একটা স্ট্যান্ডার্ড বিশেষজ্ঞ বিতর্ক ;-) এই নিয়া তো বহুদিন হল চলতাছে। থিয়োডোর আদোর্নো অনওয়ার্‌ড্‌স। ম্যাস কমিউনিকেশন/ প্রোপাগান্ডা যবে থেকে আছে তবে থেকে এই বিতর্ক আছে। টু বি হনেস্ট আরো অনেক দিন আগে থেকে আছে। তবে রিফর্মেশন কে (উদা হিসেবে) ম্যাংগো পাবলিকের ধর্ম অন্দোলন বোলে ধরা, চৈতন্য কে মঠ ভিত্তিক কাল্ট গুলোর এবং সামাজিক হায়ারার্কির বিরুদ্ধে জনপ্রিয় ভক্তি অবস্থান বলে ধরা, আর আজকের মাস মিডিয়ার যুগে বিশেষজ্ঞা বনাম ম্যাংগো দাবী টা একটু অন্য মাত্রার। কারণ 'সাধারণ মানুষ' কি চাইছেন তার একটা পলিটিক্স আছে, এবং যেহেতু disconnect is widspread and almost complete সেহেতু ম্যাংগো দাবীর একটা ক্ষতি সাধন হয়েছে। সবাই কলকাতায় পরিষ্কার হাসপাতাল চাইছে এটা যেমন ঠিক, তেমনি সকলেই নজরদারী টা শুধু সরকারি জায়্‌গায় চাইছে, বেসরকারি জায়্‌গায় চাইছে তা নাও হতে পারে, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীরা যুগে যুগে পিয়ারলেস এ না গিয়ে পি জি তে গেছেন, এবং আবাপ র বিক্রি বাটা ক্রমাগত বাড়লে, bless him, বলতে নেই, এই সাধারণঙ্কÄ উত্ত্রোর্ত্তোর বৃধি্‌হ পাওয়ার সম্ভাবনা।
    ৭/৭ বোম্বিং এর পরে লন্ডনে, ব্রাজিলিয়ান ইলেকট্রিচিয়ানটির হত্যার সময়ে, আই উইটনেস রা বলতে আরম্ভ করেন, তারা পাষ্ট দেখেছেন, একটা মধ্যপ্রাচ্যীয় ছেলে, তার পিঠে ভারী ব্যাগ, তার থেকে তার ঝুলে আছে, এবং সে দৌড়ছে, তার পিছনে পুলিশ দৌড়ছে, তদন্তে বেরোয় নিরস্ত্র অবস্থায়, ব্যাগ হীন অবস্থায় যাকে মাথায় সাত বার গুলি করা হয় সে মধ্যপ্রাচ্যীয় ব্যাগ বোম্বার না, নিরস্ত্র ব্রাজিলিয়ান টেররিস্ট, বাড়ি গিয়ে সন্দেহ জনক মেটেরিয়াল পাওয়া যায়, কিচু পর্ণ ডিভিডি। ইত্যাদি। তো চাহিদা, সাধারণের দাবী, এমনকি স্বচক্ষে দেখলুম এই সব তৈরি হয়েই থাকে। খারাপ দুনিয়ার দুটি ভাগ, একটু সিপিএম, আর একটু জালিম ;-)

    তো ফাউন্ডার এডিটর ঈশান (সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়) এর এই নিয়ে পূর্বে প্রকাশিত একটা দার্শনিক অবস্থান আছে। তো আছে। তাতে বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, কোন কোন ক্ষেত্রে প্রোথিতযশা বিশেষজ্ঞ দের লেখা ছাপা বন্ধ হয় নি বা ভবিষ্যতে ছাপা হবে না এরকম কোন প্রমিস কিসু নেই। সম্ভাবনাও নেই। ভালো লেখা পেলে যে কোনো পত্রিকার মতই ছাপা হবে আশা করা যায়, ইন্টারেস্ট এবং টাইমিং ম্যাচ করার একটা ব্যাপার থাকে, সেটা সব পত্রিকা র ই থাকে। কারো বা কারো বাবার ই কিসু বলার নেই।

    খসড়া - এ এর একটা disappointing দিক হলো, এই চালু মতামতের, যে টা কিনা রাজনৈতিক সচেতন বিশেষজ্ঞদের ই তৈরি, একটা reflection দেখা গেছে কিছু ক্ষেত্রে, অতএব সেই সমালোচনা এসেছে। আসলে তো আর কিছু বদলাছে না রে বাবা। এটুকু বলতে পারি, আমি কাউকে কোন খসড়া দি ই নি, কখ্‌কনো। আর নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরে তার এজেন্ডা সেট করার জন্য একটা হাওয়া উথেছে সাজেশন দেওয়ার, সব কাগোজেই বেরোছে, নতুন তো কিসু না। মমতা যে সব গরীব মানুষের ভোটে জিতেছেন, তাদের কথা শুনলেই হবে, আমার কেস হলো, আমার মাইনে যেহেতু একটু বেশি এবং নিয়মিত, আমার চাহিদা দেকার অনেক লোক আছে, আর এজেন্ড সেটিং এর পরিশ্রম করার দরকার নেই। আমারটা অমিত দা দেখছেন ;-) আর আমার কাজের লোককে দেকছে সুদু 'শান্তি ও শ্রিঙ্খলা'। বাকি রইলো কেউ যদি কিসু লেখা পাঠায় তাতে আমার বাবার কি, না কিসু না, ওনার পেনসন যারা দেকেছিলেন তাঁরাই নিয়ে নেবার ছক করেছেন, কারণ হুজুর মাই বাপ:-)
  • bitoshok | 81.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১০:৫৮473966
  • h গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন। বীজ নিয়ে গবেষণা। আশা করি এটাও সেই নিউক ডিলের মত গুলিয়ে দেওয়ার ব্যাপার নয়।

    http://bit.ly/kSCgEH

    সমঝদার লোকেরা বুঝে নেবেন।
  • h | 203.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১১:২২473967
  • *বেসরকারি জায়্‌গায় চাইছেন 'না', এরকম নয় ইত্যাদি
  • Ishan | 122.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১১:৩৪473968
  • অত:পর আমরা এসে পড়েছি সকল বিতর্কের জননী বিতর্কে। পার্টিসিপেটরি ডেমোক্রেসিতে অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা বনাম কর্তৃপক্ষের ভূমিকা। এই প্রসঙ্গে বিষয়টা খুবই জরুরি, কারণ, এই বিতর্কের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় প্রস্তাবিত নজরদারিটি বহিরাগত (external) নাকি অন্তর্গত (internal)। নজরদারির প্রান্তিকতার বাইরে(outside the margin) যে ভূমি (space) সেখানেও নজরদারির প্রকরণটি ঠিক কি নির্ণয় করা প্রয়োজন। সর্বোপরি একটি পশ্চিমী প্রকরণ হিসেবে পার্টিসিপেটারি ডেমোক্রেসি তথা নজরদারিকে নিয়ে তার সম্মতি পুনরুৎপাদন (consent generation) এর প্রক্রিয়াটিকেও নজরে আনা দরকার।

    অত:পর এই অ্যাজেন্ডাগুলিকে সামনে রেখে আমাদের আশু কর্তব্য হল পড়াশুনো। সে কারণে প্রাথমিক ভাবে প্রয়োজন একটি বিব্লিওগ্রাফি নির্মান। সিলেবাসে মূলত: থাকবে গোটা ক্ষমতার তত্ব:
    ১। ম্যাকিয়াভেলি।
    ২। হবস।
    ৩। লুকস।
    ৪। ফুকো।
    ৫। মার্কস।
    ৬। জিজেক।
    ৭। এডওয়ার্ড সাইদ।

    তাছাড়া যেহেতু কলোনিয়াল ভূমিটিও এখানে বিবেচ্য অতএব পাঠ্যতালিকায় সাইদ ছাড়াও, স্পিভাক, হোমি ভাবা, এবং অল্প করে অজিত চৌধুরি আসবেন। মূল বিতর্কটি ছাড়া এখানে পার্শ্ববিতর্ক হিসেব যা আসা উচিত:
    ১। জিজেকের ডিসকোর্স কি ক্ষমতার কন্ঠস্বর?
    ২। ফুকোর বিস্মৃতিগুলি।
    ৩। সাবল্টার্ন স্টাডিজ কি আজ ক্ষমতার ডিসকোর্সে প্রান্তিক?

    বিবলিওগ্রাফিটি সতর্কতার সঙ্গে বানানো প্রয়োজন। সব বইই পড়া ভালো, কারণ যেকোনো চয়ন (inclusion and exclision) ই সাবজেক্টিভ।

    পড়াশুনো শেষ হলে একমাত্র তারপরই আমরা পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা-স্বাস্থ্য ইত্যাদি ফালতু প্রসঙ্গে ঢুকতে পারি। কারণ তাত্বিক বিচারে হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা আছে কিনা, বা পুলিশ থানায় ক্যলাচ্ছে কিনা, এই বিষয়গুলি এই আলোচনায় একান্তই প্রান্তিক। ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপ:। এখানে লোককে লোককে পড়াধুনো করে আসার উপদেশ হইল শিরোধার্য, এবং তাতে আপত্তি জানানো হল ইনসাল। কারণ, মাস্টার ডান্ডা উঁচিয়ে আছেন -- মুকে মুকে কথা কি? চোপ, এখন পড়াশুনো চলছে।
  • h | 203.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১১:৫০473969
  • একটা দিক অনুল্লেখিত রয়ে গেছে। টৃ-র ম্যানিফেস্টো তে বলা হয়েছে 'সরকারি কর্মচারি দের সুরক্ষা দেখা হবে' বা এরকম একটা কিছু। আর সরকারি ফার্ম প্রশ্নে যেকথা আগেই বলেছি সেটা আছে। এই বারে ট্র্যাডিশনাল নিন্দে মন্দ হলে বলা যায়, এই তো দ্বিচারিতা ইত্যাদি। দ্বিচারিতা যেন সুদু একটা আর একা তৃণমূলের।
    অনেক বেশি চাপ হল, বীজের গবেষণা সম্পর্কে 'হিতে বিপরীত' এর উল্লেখ। সিড রিসার্চের যারা বিন্দুমাত্র খবর রাখেন, তারা যানেন, দুই পদ্ধতি বীজ রিসার্চ ওভার-অল হয়। একটা হল ল্যাব ভিত্তিক এবং পরে তার ট্রায়াল, আরেকটা হল ফিল্ড ভিত্তিক পরে তার অ্যাডাপটেশন। এখন ট্র্যাডিশনালি বলা হত, পরিবেশবাদী পার্সপেক্টিভ থেকে, যে 'সাসটেনবল' হল দ্বিতীয়টি। এটা খাদ্যশস্য র ক্ষেত্রে কিছুটা সত্যি হলেও, এটা মেনে নিতেই হবে, এতো সোর্স থেকে এত ধরণের ভ্যারাইটির মিউটান্ট আমাদের খাদ্য উৎপাদনের ইকোলোজি তে ঢুকে গেছে, বিশেষত তড়ি গড়ি প্রোডাকশন বৃদ্ধি যেখানে খুব জনপরিয়, তাই কোথাকার কোন বীজ কোথায় কখন কি ভাবে, bottoms up মার্কেটে চোলে আসছে যে সব ক্ষেত্রে সাসটেনেবিলিটি র শর্ত সমূহ, লোকালাইজ্‌ড শর্ত সমূহ বিশেষত: কতটা মানা যাচ্ছে সেটা বলা কঠিন। এবং সে কারণেই বীজ গবেষণায় কর্মী হ্রাস এর পরিকল্পনা এবং অন্যান্য বীজ গবেষণার বাজেটের অনুল্লেখ আমার অমিনাস লেগেছে। আমরা জানি কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর দল কয়েকটি বীজ বিক্রি সংস্থার, জেনেটিক্স কোম্পানীর সরাসরি লবিস্ট হিসেবে কাজ করবার জন্য নিজেদের একটি বাণিজ্যিক সংস্থ গঠন করেছেন। এবং এছাড়াও তৃ র ম্যানিফেস্টো তে 'অধিক ফলনশীল' ক্যাশ ক্রপ এ জোর দেওয়া হয়েছে। দুয়ে দুয়ে চার না হোক, অন্তত সাড়ে তিনে আটকাক, এটুকুই চাইছি, মার্কেট খারাপ ;-)
  • h | 203.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১২:১৩473970
  • *পাওয়ারের চাগরি আছে না গেছে? যদি গিয়ে থাকে 'তৎকালীন' কৃষি মন্ত্রী হবে। কিন্তু এনসিপি বাণিজ্যিক সংস্থাটি 'তৎ' না যথেষ্ট আপৎকালীন এবং বর্তমান।
  • 9 | 122.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১৩:০৬473971
  • রঞ্জনদা, ঠিক। বলা উচিত ছিল লোনগুলো সাধারণত: নন-রিকোর্স এবং শোধ হয় মূলত: প্রোজেক্ট অ্যাসেট এবং প্রোজেক্ট ক্যাশফ্লো থেকে।

    কিন্তু এইসব আলোচনায় আর মন নেই। স্নেহাতুর হয়ে ছলোছলো দৃষ্টিপাত করি চারদিকে। আমার বালিকা কন্যার প্রতিচ্ছবি দেখি আজ জগতের মাঝে। সেও বেশি পড়াশুনো করতে বললে রেগে যায়। :-P
  • 9 | 122.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১৩:২১473972
  • রঞ্জনদা, কিছু মনে কইরেন না। একটু ABMM মুডে আছি। ;-)
  • Ishan | 122.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১৩:২৭473973
  • আমার ছেলে গতকাল না পরশু কম্পুতে কি একটা লিখতে লিখতে গম্ভীর ভাবে বলল: যদি বাড়ির কম্পিউটারের সব স্পেস ফুরিয়ে যায় তালে লিখব কিকরে?

    আমি বললাম তাহলে হার্ড ড্রাইভ লাগাবো।

    সেটাও ফুরিয়ে গেলে?

    আরেকটা কম্পিউটার কিনব।

    সব যদি ফুরিয়ে যায়?

    আমি জানিনা।

    বাড়িতে ক্লাউড করতে পারো।

    সেটা কি?

    তুমি ক্লাউড কম্পিউটিং জানোনা?

    আমি বল্লম না:। এবং পুত্রের জ্ঞানে মুগ্‌ধ হলাম। কিন্তু তা বলে বাড়ির বাজেটের পরিকল্পনায় ক্লাউড কম্পিউটিং ঢোকালাম? :)

    পু: তা বলে ক্লাউড কি ইয়ার্কির জিনিস? মোট্টেও না। খুব সিরিয়াস এবং অনুধাবনযোগ্য জিনিস। কিন্তু সে হইল অন্য কনটেক্সট।

    এই আর কি।
  • h | 203.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১৪:১৭473974
  • ABMM?
  • 6 | 194.*.*.* | ৩০ মে ২০১১ ১৪:৩৩473976
  • ABMM = আ ব্যাল মুঝে মার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন