এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নতুন সরকারের শিক্ষা শিল্প স্বাস্থ্যনীতি ইয়াদি (২)

    aka
    অন্যান্য | ২৫ মে ২০১১ | ২৫৪৬০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:০০474533
  • না। পারলেন না। যেটা বলছেন সেটা এনকোডিং না স্ট্যান্ডার্ড সেটাই বোঝাতে পারলেন না। সেটা কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেটাও বোঝাতে পারলেন না।

    এ ধরণের হাওয়ায় ভাসানো তথ্য হাতে নিয়ে কোনো কনফার্মেটারি স্টেটমেন্ট না দেওয়াই ভালো।
  • a | 208.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:০৫474535
  • এনকোডিং না স্ট্যন্ডার্ড বলতে কি বোঝালেন, বুঝলাম না। আমি যদ্দুর বুঝি, এনাআইসি কিছু এনকোডিং স্কীম বানিয়েছে, যেগুলো গভ: প্রোজেক্টগুলো স্টান্ডার্ড হিসেবে ইউজ করে।

    টেকনিকাল প্রশ্ন করলে, উত্তর দিতে অক্ষম, কারণ, জানি না।

    এটা আদৌ হাওয়ায় ভাসানো তথ্য নয়, জানি না আপনি সরকারী আইটি প্রোজেক্ট সম্পর্কে কতটা জানেন, তবে সহজেই ভ্যলিডেট করে নিতে পারেন চেনা পরিচিত কেউ থাকলে
  • pi | 128.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:০৮474537
  • এতবার বোঝানোর পর ও না বুঝলে, শুধু সময় ই না, বোঝানোর সাধ্য ও আমার নাই :(
    মাপ করবেন।
  • a | 208.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:০৮474536
  • আর কনফারমেটরি স্টেটমেন্ট টাও একটু বাংলায় বুঝিয়ে দিলে ভালো হয় :)
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:১২474538
  • প্রয়োজন হলে ভ্যালিডেট করব। যদি সরকার আমায় প্রোজেক্টটা দেয়। :) তার আগে এনকোডিং এর সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামানো মানে হল নার্সারি ইশকুলে পড়ার সময় হানিমুনের প্ল্যান বানানো।
  • pi | 128.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:১৩474539
  • না:, একটা শেষ চেষ্টা করি।

    প্রস্তাবে লিখিত ইন্টারনেট সংক্রান্ত পয়েন সংখ্যার শতাংশ, রাজ্যের ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রাপ্ত মানুষের সংখ্যার শতাংশের সাথে সমান নহে।
  • a | 208.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:১৪474540
  • টিভি,রেডিও, জনতার দরবার: এর বাইরে আর কিস্যু বলেননি, সুতরাং আপনি জিনিসটা নিজে বুঝে লিখেছেন কি না সেই প্রশ্ন এবার মনে জাগছে।

    যাই হোক, আমার সত্যি মনে হল এই খসড়া, যেটা আপনি লিখেছেন, সেটা অতীব ক্লিশে কিছু ভাবনায় ভর্তি।
  • a | 208.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:১৯474541
  • এনকোডিং নিয়ে যে কথাটা বলেছি শুরুতে, ততে ধরেই নিয়েছি সরকারী প্রোজেক্টটা চলছে, আপনি খেয়াল করেননি বোধহয়।

    "সরকারী কাজের অনেকানেক হ্যাপা...."
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৭ মে ২০১১ ২৩:২২473921
  • যাগ্গে কালকের পয়েনে ফিরে আসি। কালকের মোদ্দা কথাটা ছিল, যে, সরকার হিসেবে আপনি ডান হোন বা বাম, নীতি-টিতি নিয়ে নানাপ্রকার রাজা-উজির মারার আগে আপনাকে সিস্টেমকে এফিশিয়েন্ট করতেই হবে। এবং সেজন্য নানাপ্রকার নজরদারি নিয়ে আসতে হবে গোটা সিস্টেমে।

    এবার এর পরে অনেকগুলো প্রশ্ন পরপর আসে। এবং এসেওছে। প্রথম প্রশ্ন হল, গোটা সিস্টেমটাই যদি জগদ্দল পাথর হয়ে গিয়ে থাকে তো নজরদারিটা করবে কে? দ্বিতীয় হল, যদি গোটা সিস্টেমের উপর নজরদারি করতে হয় সেতো আরও একটা বিপুল কাজ। তার খচ্চা কে দেবে? তিন, নজরদাররা হঠাৎ সাধু পুরুষ হয়ে যাবে এর গ্যারান্টি কি? গোটা সিস্টেমই যদি করাপ্ট হয়, এরাও হবে। তাহলে আর নজরদারি করে লাভ কি হল?

    এক এক করে প্রশ্নগুলো অ্যাড্রেস করা যাক।

    প্রথম কথা হলো, সব ব্যাটাই তো চোর, নজরদারিটা করবে কে? এ কথা ঠিক যে, সব ব্যাটাই জালি হলে নজরদারি করার লোক পাওয়া মুশকিল। কোনো একটা জিনিস নিয়ে এগোতে হলে সমাজের অন্তত একটা অংশকে "আলাদা' হতে হবে। কাউকে একটা সুস্থিত একজন নজরদারের ভূমিকা পালন করতে হবে। নইলে কোনোকিছুই বদলাবেনা। তা, এখানে, এই প্রস্তাবের মানে হল এই, যে, সরকারের সর্বোচ্চস্তর এই ভূমিকাটা পালন করবে সেটা ধরে নিয়েই প্রস্তাবটা দেওয়া হচ্ছে। বস্তুত: সরকারের কাছে দাবী এটাই, যে, আপনি এই ভূমিকাটা পালন করুন। এই দাবীটুকু আছে বলেই প্রস্তাব-টস্তাব দেওয়া। যাঁরা এই প্রাথমিক ভিত্তিভূমিটুকু অস্বীকার করছেন/করবেন তাঁদের বাকিটাও অর্থহীন লাগবে। ন:সন্দেহে। তাঁদের দিক থেকে এই আলোচনায় ঢোকারও কোনো জাস্টিফিকেশন নেই।

    দ্বিতীয় কথা হল খচ্চা।

    ধুর ঘুম পেয়ে গেছে। আবার কাল লিখব।
  • Suvajit | 59.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ০০:৩৩473922
  • সিস্টেম এফিসিয়েন্ট করতে হলে নজরদারী বাড়াতে হবে এটা এক্টা রাস্তা হতে পারে কিন্তু একমাত্র রাস্তা বোধহয় নয়। সিস্টেমের কিছু প্রসেসও পরিবর্তন করা যেতে পারে।
    যেমন পঞ্চায়েত। বিভিন্ন খাতে টাকা বিডিওর মাধ্যমে পঞ্চায়েত প্রধান/কমিটি তাদের অ্যালট হচ্ছে। খরচ করছে সেই প্রধান/কমিটি যে/যারা কিনা একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য/কর্মী। এই প্রসেসকে পরিবর্তন করে বিডিওর হাত দিয়ে সব টাকা খরচ করা হোক। পঞ্চায়েতের কমিটি শুধু ঠিক করে বিডিওকে জানাক কোন কোন খাতে তারা কত টাকা খরচ করতে চায়। এতে পঞ্চায়েত কোরাপ্ট হলে বিডিও ফিল্টারের কাজ করবে, বিডিও কোরাপ্ট হলে মানুষের অভিযোগ রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে সরকারের কাছে পৌঁছাবে। দু পক্ষই কোরাপ্ট হলে, সরকারের নিজস্ব কিছু নজরদারীর ফলে সে খবর অজানা থাকবে না এবং সরকার দরকারী ব্যবস্থা নিতে পারবে।
    প:ব:-য়ে কোরাপশান বোধহয় প্রায়োরিটি ওয়ান সমস্যা নয় যে সেটার জন্য এরকম ঢালাও নজরদারী ব্যবস্থা ইমিডিয়েটলি প্রয়োজন।
  • 9 | 14.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ০০:৫৯473923
  • দ্রি, ঠিকই। আমার হিসেবেও তাই দাঁড়াচ্ছিল- আঠাশটা রাজ্যের মধ্যে আঠেরো নম্বর, আর সতেরোটা স্টেটের হিসেবে সতেরোই দাঁড়ায়। স্বাস্থ্যকর নয় আগেই বলেছি, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থায় এটা আনসাস্টেনেবল অবস্থায় পৌঁছবে না। একটু বিশদে বলতাম, কিন্তু এখানে বড় বেশি কটুকাটব্য।
  • Update | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১০:২০473924
  • Name:tilMail:Country:

    IPAddress:136.153.2.6Date:28May2011 -- 07:08AM

    খসড়ার জন্য আরও একটি সাজেশন:

    রাজভবন কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে অনেকটা জায়গা জুড়ে পড়ে আছে, সময় সময় তাতে টি এন সিঙের মত লাটসাহেব গরুও নাকি পুষেছেন।
    আমার বক্তব্য, এটি একটি ঐতিহাসিক ভবন, পরাধীনতা, স্বাধীনতার অনেক অনেক ঘটনার সাক্ষী। এটিকে একটি মিউজিয়ামে পরিণত করা হোক; বাকে খোলা জায়গাটায় নতুন একটা কফি হাউজ ইত্যাদি। জনগণ আলোচনা করুন এ নিয়ে, কি কি হতে পারে। আর কিছু না হোক, একটা ভাল হিসিখানা ও হতে পারে এক ধারে। জানি রে রে করে সকলে তেড়ে আসবে এই প্রস্তাবে। মুশকিল তো সেখানে, কালচার, কালচার। ছেলে হয়ে আমি না হয় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে পড়তে পারি, ভাবুন তো সরকারে, বে সরকারী কত কত অফিস ঐ ডালহাউসীতে।
    লাট সাহেব কোথায় থাকবেন, ধরণা বা demonstration কোথায় হবে? কেন, জ্যোতি বসু নগরে লাটসাহেব অনায়াসে থাকতে পারবেন, সেই সুবাদে সেখানকার উন্নতি ও হবে।
    আর ইচ্ছে করলে গরু, ভ্যঁয়েস, হাঁস মুরগীও পালতে পারবেন।
    সিরিয়াসলি বলছি, একটা টাউন স্কোয়ার টাইপের কিছু আমাদের নেই, সেই হিসেবে এটি একটি আদর্শ লোকেশন।
    তাছাড়া, এও ভাবি আমার মত পাতি জনগণ ঐ ইতিহাস মন্ডিত ভবনে কোনদিনও কি আছে দেখতে পারবে না।

    --------------------------------------------------------------------

    Name:bbMail:Country:

    IPAddress:223.223.139.118Date:28May2011 -- 08:59AM

    e-governance একটি গাল ভরা শব্দ। অয়নের প্রাক্তন দোকান আর মূলত: কিছু Big-4 এবং এখন IT কোম্পানী গুলি কাজের জন্য এই শব্দগুলি বাজারে খাওয়াচ্ছে।
    এর জন্য প্রথম প্রয়োজন
    ১) Vision এবং Policy নীতি নির্ধারণ
    ২) processre-engineering
    ৩) ChangeManagement এবং
    ৪) Automation

    এইগুলি ঠিকঠাক না হলে এর সুফল সাধারণ মানুষের কাজে পৌঁছায় না। আমি নিজে অন্ধ্র RTA তে এই কাজে করেছি এবং এখন গ্রাহক হিসাবে তার সুফল পাচ্ছি। কিন্তু ১ এবং ৩ ঠিক ভাবে না হওয়ার ফলে সমগ্র ব্যাপারটি ঘেঁটে গেছে।
    তাই আমি সবচেয়ে জোর দেব ChangeManagement এর ওপর।
  • pi | 72.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৫:৩৭473925
  • ৯ বাবু, আপনি পড়াশুনা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
    উপদেশ শিরোধ্‌হ্‌র্‌য করে করতে গেলাম, কিন্তু তারপর সে ক্ষী: ক্ষেলো !

    শুরুতে লিখেছিলেন, প:বংগের অবস্থা তেমন মুমুর্ষু নয়, কারণ স্থান হল ২৮ টি রাজ্যের মধ্যে ১৮।
    এরপর লিং টিং দিয়ে দ্রি দেখালেন হ্যাঁ, স্থান ১৭ তে, কিন্তু ১৭ টি রাজ্যের মধ্যে।
    দেখে টেখে আপনি বল্লেন, হ্যাঁ, আপনার ও এক ই হিসেব, স্থানটা ১৭ ই, ২৮ টা রাজ্যের মধ্যে, আর দ্রি বলেছেন ১৭ টা স্টেটের মধ্যে। অতএব দুটো হিসেব এক ই আছে।

    ১৭ টা স্টেট = ২৮ টা রাজ্যের ইক্যুয়েশন টা কিছুতে সলভ করতে না পেরে আপনার পরামর্শ অনুযায়ী একটু পড়াশুনো শুরু করলুম।

    গেলুম আপনাদের লিং কে। (http://rbidocs.rbi.org.in/rdocs/Publications/PDFs/STF28032011.pdf )

    তো গিয়ে কী পেলুম ?

    প্রথমেই পষ্ট বলা আছে যে, রাজ্যগুলিকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে, ১৭ টি নন-স্পেশাল রাজ্য, ১১ টি স্পেশাল রাজ্য।

    এবার অন্য লেখাপত্তরে ঢুঁ মেরে যা বুঝলুম, এই স্পেশাল রাজ্য কেবল তারাই হতে পারে যারা জিও-ইকনমিক দিক দিয়ে ঘোষিত ভাবে পশ্চাদপর।
    তারা কেন্দ্রীয় সরকার থেকে টাকা পায় সম্পূর্ণ অন্যভাবে। নন-স্পেশাল রাজ্যের জন্য যেটা বেশিটাই লোন (৭০%), ওদের বেলা সেটি মাত্র ১০%, বাকি ৯০% গ্রান্ট।

    তাইলে, তাইলে ... এদের একসাথে তুলনা কীকরে করা হয় ?
    না:, হয় না তো !
    খুব স্পষ্ট করেই রাজ্যগুলির সব বিষয়ের বাজেট ইন্ডিকেটর দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ দুটি আলাদা ক্যাটেগরিতে।
    সমস্ত প্যারামিটারের নিরিখেই এই দুই ক্যাটেগরির জন্য দুটি আলাদা আলাদা টেবিল।
    একটার সাথে অন্যটা মেলানোর কোন জায়গা নেই।
    কারণ, দুটোর মধ্যে তুলনা করার কোন উপায় ই নেই।
    সেজন্য ই দ্রি র সব হিসেবে ১৭ টা স্টেটের কথা এসেছে।
    আর সেখানেই আপনার এই মোট ২৮ টা রাজ্যের মধ্যে হিসেব ধরাটা শুরুতেই তো ভুল !
    ২৮ টা রাজ্যকে একসাথে হিসেবে আনাই যেখানে সম্ভব নয়, সেখানে ২৮ টা রাজ্যের মধ্যে কততম স্থান এটা তো কোন অর্থ ই বহন করেনা !
    বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ছাড়া।

    এবারে দ্রি দেখিয়েছেন যে এই নন-স্পেশাল ক্যাটেগরির ১৭ টা রাজ্যের মধ্যে বেশিরভাগ প্যারামিটারেই প:বঙ্গের স্থান ১৭ তম। একেবারেই তাই।
    আপনি সেসব দেখে টেখেও বল্লেন, হ্যাঁ, ঠিক ই, ১৭ তম, কিন্তু ২৮ টার মধ্যে।

    ২৮ টা ধরাতে ভুল তো আছেই, তাও যদি ২৮ টাকে ই ধরা হয়, জাস্ট ধরবো বলেই ( ধরাটা, আবারো বলছি, ভুল), তাও কি ২৮ টার মধ্যে ১৭ ?

    দ্রি যে ইন্ডিকেটরগুলির কথা বলেছেন, সেগুলি দিয়ে এক এক করে দেখা যাক।

    ডেফিসিট ইন্ডিকেটর : ( ৫১ পাতা)
    ফিকাল ডেফিসিট
    প:বঙ্গ: গিডিপি র ৬।৭% ১৭ টা নন-স্পেশালে সবশেষে। দ্রি যা বলেছেন।
    বাকি ১১ টা নন-স্পেষলেও আরো ৫ টার থেকে পিছিয়ে। তালে কত যেন হল ? :)

    রেভিন্যু ডেফিসিট :
    প:বঙ্গ গিডিপির ৫।৬% ১৭ ১৭ টা নন-স্পেশালে সবশেষে। দ্রি যা বলেছেন।
    কিন্তু আপনার হিসাব মত বাকি গুলোকে নিলে ১১ টার মধ্যে ১০ টাই প:বঙ্গের চেয়ে এগিয়ে ! মানে, ২৮ এর মধ্যে ২৭ !
    এদিকে আপ্নার হিসেবে ২৮ এ এর, অধ্যে ১৭ নাকি ঠিক আছে :)

    স্টেটের ইনকাম :
    রেভিন্যু রিসিট : ( ৫৪ পাতা)
    :আং ৯।৬ % ১৭এর মধ্যে ১৭। দ্রি যেমনটি বলেছেন।
    আর আপনার ২৮ টির মধ্যে ? ২৮ !!

    ইণ্‌তারেস্ট পেমেন্ট আর জিডিপির রেশিওতে ১৭ মধ্যে সবার শেষে তো বটেই, বাকি ১১ টা তে আরো তিনটের পিছনে।

    ৫৭ পাতায় গেলে শক খাবো, বলেছিলেন দ্রি।
    খেলাম ও।
    ইন্টারেস্ট পেমেন্ট আর কমিটড এক্সপেন্ডিচার অ্যাজ আ পার্সেন্টেজ অব রেভিনিউ রিসিট সব মিলিয়ে ১০০% র বেশি।
    সেই ১৭ এর মধ্যে ১৭।
    আর ২৮ এর মধ্যে ?
    যেতে হল ৫৯ পাতায়।
    বাকি কেউ ই তো ১০০% র বেশি না !
    মানে, ২৮ টার মধ্যে ২৮ তম !

    আগেও বলেছি, এই ২৮ টার মধ্যে তুলনার মানেই নেই।
    কিন্তু তারপর ও ২৮ এর মধ্যে ১৮ তম --এটার তো আরো মানে নেই !
    এই সংখ্যাটা কোদ্দিয়ে এল ?
    দেনা ও আয়ের অনুপাত ৪১% (২০০৮-০৯ এর হিসেবে), যা কিনা ২৮ টা রাজ্যের মধ্যে ১৮ তম, এই দুট সংখয় ই বা কোথে্‌থকে এল ? RBI এর সাইটের কোন ডাটা থেকে ?

    ওহ, এই ৪১% পেলাম বটে। ৬৯ পাতায়। কিন্তু সেটা তো দেনা- gsdp রেতিও ! ২০১১-১২ র হিসেবে ৪০।৮% (২০০। ১৭ টা রাজ্যের মধ্যে ১৫/১৬ ( রাজস্থান প্রায় এক ৪০।৯%)।
    স্পেশাল ক্যাটেগরির রাজ্যরা আবারো আলাদাভাবে বিবেচ্য। তাও ধরা হলে, প:বঙ্গের চেয়ে কম আছে তিনটি রাজ্যের।

    ওদিকে আয়( রেভিন্যু রিসিট)-gsdp তো ছিল ৯।৮ %, ওন ট্যাক্স ৪।১, ওন নন-ট্যাক্স ০।৭ ! ( ২০১০-১১,৫৪ পাতা) ( ঐ আপনার ২৮ টা রাজ্য নিলে যেটা হয় ২৮ তম)

    তালে আপনার দেনা আর আয়ের অনুপাত ৪১ % হয় কোদ্দিয়ে ??!!

    এও শুধু না, লিখেছেন, বিহারের দেনা ও আয়ের অনুপাত ৩৮%, কিন্তু বিহারের আয় ও
    অল্প।
    দেখা যাচ্ছে, বিহার দেনা-gsdp। ৩৮%। প:বঙ্গের চেয়ে কম।
    আর আয় ও তো প:বঙ্গের চেয়ে বেশি !!!

    ইয়ে, অন্যকে পড়াশুনা করতে বলার আগে ...
  • pi | 72.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৫:৫২473926
  • হ্যাঁ, সেদিন এইসব হিসেব পত্তর দেবার পর দ্রি বলেছিলেন,

    'তো ওপরের হিসেবটা দেখে সেই সত্যটাই আবার করে ক্লিয়ার হয়, যেটা এইসব না করেও কমন সেন্স থেকেই ক্লিয়ার হয়েছিল।

    আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচ।'

    এদিকে খসড়ায় এই দুটি শব্দ দেখেই আপনি বলেছিলেন,
    'এইভাবে দেখলে পশ্চিমবঙ্গের আয় ব্যয়ের হিসেবটা খুব একটা স্বাস্থ্যকর নয়, কিন্তু মুমূর্ষুও নয়। তাই খসড়া প্রস্তাবে আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের ব্যাপারটা পড়ে অদ্ভুতই লাগল। বস্তুত:, আয়বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনকে অ্যাজেন্ডায় নিয়ে আসেন নব্বইএর পরের "ওয়াশিংটন কন্সেন্সাস" অর্থনীতি, যাকে বামপন্থীরা "নিওলিবারেল" অর্থনীতি বলেন।'

    লিখেছিলেন, 'প্রস্তাবগুলো মনে হল কোনো চর্চা ছাড়াই ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ থেকে করা। যেহেতু বিষয়টি অভিনিবেশের দাবী রাখে, একটু পড়াশুনো করে নিলে ভালো।'

    তা, আপনার 'এইভাবে দেখা' নিয়ে 'একটু পড়াশুনো' করে তো সেই আয় বৃদ্ধি আর ব্যয় সংকোচনেই আসতে হল ! :)
  • aka | 24.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৬:১৩473927
  • ব্যায় সংকোচ কথাটা ঠিক নয়। নন-ভ্যালু অ্যাডেড ব্যায় সংকোচ যেমন মহাকরণে ১.৬ কোটি টাকা, বড় মন্ত্রীসভা, কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রোজেক্টে টাকা ঢালা। এমন প্রোজেক্টে টাকা ঢালা যেখান থেকে টাকা মাল্টিপ্লায়েড হয়ে ফিরে আসবে।
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৭:০০473928
  • কমরেড আকা কনফিউজড হয়েছেন। এই জন্যই আমি পই পই করে শুরু থেকে বলে আসছি খসড়াতে "অর্থনীতিক নীতি' নিয়ে কিছু বলা হয়নি। ব্যয় সংকোচ মানে প্রকৃত অর্থে "বাজে খচ্চা কমান'। এবং এখানে "বাজে খচ্চা' মানে সেগুলো, যেগুলোর সঙ্গে "নীতি'গতভাবে হক্কলেই একমত। যথা চুরি কমান।

    এবার বাজে খচ্চা কমিয়ে টাকা কোন খাতে ঢালবেন, ভত্তুকি দেবেন, না ইনফ্রাস্ট্রাকচারে ঢালবেন, সেটা অর্থনৈতিক নীতিতে আসতেই পারে। যদি সেরকম আদপেই কিছু বানানো হয়। কিন্তু সেরকম কোনো "নীতি' অ্যাজ সাচ এই খসড়ায় নেই।

    সকলকে: আমি পই পই করে প্রথম থেকে বলছি, জিনিসটা একটু মন দিয়ে পড়ুন। পড়ে ক্রিটিসাইজ করুন। এরকম নয়, যে, সব জিনিস ওখনে কভার করা হয়ে গেছে। এও নয়, যে, সবকিছু ঠিক আছে। অ্যাডিশন/অল্টারেশন/সংশোধন সবই করা হবে, সেজন্যই এইটা পাবলিক করা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, সমালোচনাগুলি, সেই মানের হচ্ছে না। কোনো একটি প্রি-কনসিভড নোশন থেকে শুরু না করে একটু গ্রহণযোগ্য মতামত দিন। কাইন্ডলি।
  • aka | 24.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৭:২৪473929
  • খসড়ার সমালোচনা নয়, "কি করিতে হইবে" সেইটা বলছি। আমার যা মনে হয়। খসড়া খসড়ার জায়গায় আছে, সেটাকে সমালোচনা করার কোন উদ্দেশ্যই আমার নেই। তবে কথার পিঠে কথা আসে। ইত্যাদি। বাকিটা নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ফিরে। বাব্বাই।
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৭:২৯473930
  • আকাকে সমালোচনা বিষয়ে কিছু বলি নাই। ওটা জেনারাল স্টেটমেন্ট। অবশ্যই আকা ইনক্লুডেড নয়।
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৭:৪৭473932
  • যেগুলো বলছি সেগুলো হল, ধরুন, অর্থনীতি নিয়ে এই ধোঁয়াশা ঢাকা কনফিউশনটা তৈরির কোনো মানে ছিলন। অনেক খোঁড়াখুঁড়ি করে যেটা মিলল তা হল এই:

    এক। বঙ্গ সরকারের আয়ের ৩৩% এর বেশি টাকা যায় স্রেফ সুদ দিতে। এটা, আপুনেরা হিসেব করে দেখুন, আমি স্রেফ শুনে শুনে লিখছি, সতেরোটা রাজ্যের মধ্যে সতেরোতম। এবং আটাশটা রাজ্য ধরলে বোধহয় আটাশতম (আঠারো নম্বর নয়, যেমন ৯ বলেছেন)।

    দুই। সর্বমোট ঋণের পরিমান সরকারের বার্ষিক রোজগারের চারগুণেরও বেশি। হিসেব করে দেখুন, কত নম্বরে আসে। ( ৯ বলেছিলেন রাজ্যের দেনা-আয় এর অনুপাত ৪১%। সেটা অ্যাকচুয়ালি দেনা-GSDP অনুপাত। দেনা/রোজগার হিসেব করলে সংখ্যাটা ৪০০%+)।

    তিন। এক্সপেন্ডিচারের যা হাল, তা খচ্চা একই রেটে চালিয়ে গেলে আরও ধার করতে হবে। একেই তো ইংরিজিতে ডেট ট্র্যাপ বলে, নাকি?

    তথ্যের ভুল থাকলে সংশোধন করে দেবেন, ঐ গুষ্টির পিন্ডির টেবিল আমি খুলেও দেখিনি। আমার কছে কমন সেন্স হল এই, যে, এমনিই বাজে খচ্চা কমান, আয়ের সংস্থান করুন। এই সোজা জিনিসটাকে বলার জন্য এত কঠিন করে ঘুরিয়ে নাক দেখানো হবে বুঝি নাই।

    এই ঘুরিয়ে নাক দেখানো, অন্যকে পড়াশুনো করতে পরামর্শ দেওয়া কি কারণে, জানতে ইচ্ছে করে। প:ব: এর অবস্থা মোটেও ততটা খারাপ নয়, দেখানো? নাকি বাকিরা সব ভুলভাল, এটা প্রমান করা? সোজা ভাষায় সোজা করে ভুল ধরিয়ে দিন, পরামর্শ দিন, এই টইটা সেই উদ্দেশ্যেই আছে। অন্তত আমার দিক থেকে।
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ১৭:৫৫473933
  • বা ধরুন বিবি লিখেছেন চারটে পয়েন:


    1) Vision and Policy
    2) process re - engineering
    3) Change Management
    4) Automation


    পড়ে দেখুন, প্রত্যেকটা পয়েন্টই মোটামুটি কভার করা আছে খসড়ায়। কমবেশি থাকতে পারে। এটায় জোর ওটার চেয়ে বেশি দেবার প্রয়োজন থাকতে পারে। কোনো পয়েন্ট বাদ দেবার প্রয়োজন থাকতে পারে। কোনো পয়েন্ট যোগ করবার দরকার হতে পারে। কিন্তু যা আছে, সেগুলোকে তো আছে বলতে হবে। একবার খোলা মনে সাদা চোখে পড়তে হবে। নইলে আলোচনাটা হবে কোদ্দিয়ে?

    আর আলোচনাটা তো দরকার, কারণ, কে কবে মুখ্যমন্ত্রী সেটা তো গুরুত্বপূর্ণ নয়। দল পাল্টাবে, সরকার পাল্টাবে। এই বস্তুটি বানিয়ে অন্য দলের মুখ্যমন্ত্রীকেও দেব বা দেবার চেষ্টা করব, যখন তারা ক্ষমতায় আসবে।
  • 9 | 14.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২২:০৪473934
  • শেষ পোস্টে দু চারটি কথা বলার ছিল:

    ১) পড়াশুনো করার কথাটা দ্বিতীয় পোস্টে বলেছি, অসংগঠিত অর্থনীতির প্রসঙ্গে। এখনও সেই মতামত বদলাবার মতো উত্তর পাই নি।

    ২) এবার দেনা ইত্যাদি। জাতীয় আয়কে ইংরিজিতে বলা হয় জিডিপি। রাজ্যের আয়কে ইংরিজিতে বলা হয় গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট। আশা করি দেনা ও আয়ের সম্পর্কটা বোঝানো গেল। রেভিনিউ রিসিট এবং আয় এক নয়। রেভিনিউ রিসিট সরকারের মোট আয়ের একটি অংশ। আবার রাজ্যের মোট আয়ের একটি অংশ হল সরকারী আয়। দ্রি-র বক্তব্য রেভিনিউ ডেট সার্ভিসিং ক্যাপাসিটির বেটার ইন্ডিকেটর। তবে সাধারণত: যে কোনো দেশ/রাজ্যের ডেফিসিট বা সারপ্লাসের তুলনা জাতীয়/রাজ্যের আয়ের অনুপাতেই করা হয়। কারন প্রত্যেক রাজ্য বা দেশের অর্থনীতির আয়তন আলাদা। এই রিপোর্টেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাই করা হয়েছে। রেভিনিউ রিসিট ও কমিটেড এক্সপেন্ডিচারের অনুপাত অন্যতম ইন্ডিকেটর হিসেবে ব্যবহার করা হতেই পারে। রেভিনিউ রিসিটের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা খারাপ এবং সেটা কিভাবে ভালো করা যায় সেটা অন্য একটা আলোচনায় বলেছিও বোধ হয়। রেভিনিউ এক্সপেন্ডিচারের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ রাজ্যই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের মূল ভার সুদ, মাইনে এবং পেনশন- যার কোনোটাই বাজে খরচা নয়। অতএব আয় বৃদ্ধি এবং ব্যয় সংকোচন ঘাটতি হ্রাস করার কোনো আবশ্যিক পূর্বশর্ত নয়। ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রশনে পশ্চিমবঙ্গ দুর্বলতম, যা কাটিয়ে ওঠা দরকার। গত বছর পশ্চিমবঙ্গে এফ আর বি এম আইন পাশ করার ফলে ফাইনান্স কমিশনের নিয়মানুসারে পশ্চিমবঙ্গ একসাথে একটা বড়ো কেন্দ্রীয় অনুদান পাওয়ার অধিকারী। এর সঙ্গে ফিস্কাল ডেফিসিট ও রেভিনিউ ডেফিসিটের টার্গেট মিট করতে পারলে আরও অনুদান আসবে। যদিও এই আইন নিয়ে বড়ো বিতর্ক আছে। রেফারেন্স অমিত ভাদুড়ির "মর্যাদার সাথে উন্নয়ন"।
  • dri | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২২:২৯473935
  • যখন বলা হচ্ছে GSDP হল রাজ্যের আয়, এটা রাজ্যের সব মানুষের আয়ের যোগফল (বা এই কোয়ান্টিটির একটা ক্লোজ ইন্ডিকেটার) বোঝানো হচ্ছে তো?

    আসলে রাজ্যের আয় কথাটায় হয়ত একটু নুয়ান্স আছে। রাজ্যের সব মানুষের আয়ের যোগফল। আবার রাজ্য সরকারের ঘরে কত টাকা জমা পড়ল। এ দুটো তো আলাদা।

    দ্বিতীয়টাই তো একটা রাজ্যের ডেট সার্ভিসিং ক্যাপাসিটি নির্ধারণ করে। নয় কি?

    এবং রেভিনিউ রিসিট তো দ্বিতীয়টার বেটার ইন্ডিকেটার। ঠিক বললাম?

    ঐজন্যই ইকনমিস্টকে ইনভলভ করা। কনসেপ্টে ভুল থাকলে পয়েন্ট আউট করবেন।

    যদি রেভিনিউ রিসিট জিডিপির একটা কনস্ট্যান্ট ফ্র্যাকশান হত সব রাজ্যের ক্ষেত্রে (বা অন্তত একটা কম্প্যারেব্‌ল ফ্র্যাকশান হত বিভিন্ন রাজ্যের ক্ষেত্রে) তাহলে মনে হয় দেনা ইজ টু জিডিপি দিয়েই কাজ চলে যেত, অ্যাট লিস্ট কম্প্যারিজ্‌নের ক্ষেত্রে। সেটা না হওয়ায় ঐ রেশিও দিয়ে কিন্তু সঠিক চিত্রটা টের পাওয়া যায় না।
  • h | 116.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২২:৩৯473937
  • 9, কয়েকটা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একটা আপত্তি ফাইনান্স কমিশনে জানানো হয়েছিল,কোথাও একটা বেরিয়েছিল বা টিভি তে শুনেছিলাম, যে সার্ভিস ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন করে রাজ্য, কিন্তু গোটাটার উপরেই কেন্দ্রের দাবী। সার্ভিস সেকটরের গুরুঙ্কÄ বাড়ার এই সময়ে, এইটাতে রাজ্য র ক্ষতি হচ্ছে। এই দাবীর সত্যতা কতটা?
  • 9 | 14.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২৩:০৪473938
  • দেনা এবং ঘাটতি শব্দ দুটো একসঙ্গে ব্যবহার করায় একটু সমস্যা হচ্ছে। দুই লক্ষ কোটি টাকার যে সংখ্যাটা বলা হয় সেটা ঐতিহাসিকভাবে জমিয়ে রাখা মোট দেনা। ডেফিসিট কিন্তু বার্ষিক একটা সংখ্যা। যদি দেনাকে D, সুদের হার r, সরকারী ব্যয় G এবং সরকারী আয় T হয়, তাহলে এক বছরের দেনা হল:

    D_t=(1+r)D_(t-1)+G_t-T_t

    রেভিনিউ রিসিট এই T_t-এর একটি অংশ। আমরা যে দেনার কথা বলছি সেটা কিন্তু এই অজস্র D_t-র যোগফল। সেটা অবশ্যই যে কোনো এক বছরের রেভিনিউ রিসিটের সঙ্গে তুলনীয় নয়। অমিত ভাদুড়িরা বলবেন যে এই সমীকরণও সম্পূর্ণ নয়। হওয়া উচিত:

    D_t=(1+r)D_(t-1)+G_t-T_t(Y_t)

    অর্থাৎ ভবিষ্যতে যদি মূলধনী খাতে খরচের জন্য আয়বৃদ্ধি হয়, তবে রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে, অতএব দেনা কমবে। অনেকে বলেন যে আয়বৃদ্ধি হলে সরকারী খরচও কমে, কারণ সরকারের উপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমে। অতএব রাজস্ব ঘাটতিও কমে। তবে রেভিনিউ রিসিট যত বাড়বে মোট দেনার ভার ততই কমবে। রেভিনিউ রিসিটের থেকে সুদ ও খরচের ভার বেশি হয়ে যাওয়া ভালো কথা নয়। এদিকটা আমাদের খুবই দুর্বল। কিন্তু তার ফলে কোনো সরকার "দেউলিয়া' হয়ে যায় না।
  • Ishan | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২৩:১৩473939
  • ১। অসংগঠিত অর্থনীতি সেক্টর সমালোচনা বলতে পেয়েছি তিনটি হাইপার লিংক। এবং পড়াশুনো করার উপদেশ। সব মিলিয়ে কনটেন্ট বলতে গোল্লা। এইরূপ অশ্বডিম্বের কিকরে উত্তর দিতে হয় আমার ঠিক জানা নেই। :)

    ২। আবার অন্যের আর্গুমেন্ট না পড়ে নিজের মতো করে চাট্টি কমেন্ট করার প্রবণতা। খসড়ায় কোনোভাবেই কোথাও কোনো অর্থনৈতিক নীতির দিশা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়নি। আয় বৃদ্ধি এবং এবং ব্যয় সংকোচনকে কোত্থাও "ঘাটতি হ্রাস করার পূর্বশর্ত' বলাই হয়নি। সেরকম কোনো দাবী অ্যাবসলিউটলি নেই। কাজেই এই আর্গুমেন্টটা এখানে জাস্ট অর্থহীন।

    এ সব নিয়ে গম্ভীর আলোচনা চলতেই পারে। তবে কিনা, যে কোনো কনটেক্সটে যে কোনো কথা বলে দিলে ইন জেনারাল সেটাকে গোরু রচনা বলে। এবং গোরু রচনায় কে না জানে এই পৃথিবীতে কেবল আমারই অধিকার। :)
  • dri | 117.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২৩:৩০473940
  • ৯ এর লাস্ট প্যারাটা ইন্টারেস্টিং। এই প্রসঙ্গটা আমি তুলব ভেবেছিলাম।

    এই আর্গুমেন্টটা ঠিক। প্রোভাইডেড আমরা একটা বুমিং কার্ভে আছি। এখানে এক্সপেক্টেশানটা হচ্ছে এবারের যা জিডিপি পরের বার তা বাড়বে। ফলে পরের বার রেভিনিউ রিসিটও বাড়বে। ফলে এ বছর সুদ ও খরচের যা চাপ পরের বছর তা থাকবে না।

    এই একই ফিলসফিতে চলে দেখেছি অনেক আম্রিকান। সে হয়ত মাসে প্রচুর রোজগার করে। হয়ত 200K। কিন্তু প্রচন্ড ল্যাভিশ লাইফ লীড করে। প্রচুর লোন নিয়ে রেখেছে। মাসিক খরচও খুব বেশী। সব মিলিয়ে দেখা যায় তার মাসের শেষে কিছুই জমে না। পুরো ইনকাম তার লাইফস্টাইল মেন্টেন করতেই বেরিয়ে যায়। তার কথাও এই সেম। দ্যাখো আজ আমি এত লোন নিয়েছি ঠিকই। কিন্তু কাল আমার মাইনে বাড়বে সো আই উইল বি ফাইন।

    প্রবলেমটা হয় যদি হঠাৎ রিসেশান এসে যায়। যদি হঠাৎ করে তার ইনকাম কমে যায় (দেশের ক্ষেত্রে) বা চাকরী যায় (ইন্ডিভিজুয়ালের ক্ষেত্রে)। যে আকন্ঠ ঋণে ডুবে ছিল সে কিন্তু সামলাতে পারবে না। কিন্তু যার সেভিংস ছিল সে হয়ত একটু বেটার সাঁতার কাটতে পারবে। আমেরিকা এবং ইউরোপে এখন রিসেশান চলায় এই জিনিষটাই হচ্ছে।

    তবে এক্ষুনি, এই মুহুর্তে পশ্চিমবঙ্গে হয়ত রিসেশান যাকে বলে তা হবে না। কিন্তু তবুও আকন্ঠ ঋণে ডুবে থাকার হ্যাবিট ভালো নয়। এটাই আম্রিকানদের এখন ডোবাচ্ছে। এখন হয়ত হচ্ছে না। কিন্তু হলে সামলাতে পারবে না। ও ডেট ফেট কুছ প্রবলেম নেহি, এটা একটা মন্ত্র হয়ে গেলে মুশকিল।

    এবং কোনদিন রিসেশান আসবেনা এটা ভাবার কোন কারণ নেই। হানুদা সেদিন কারেক্তলি পয়েন্ট আউট করেছিলেন, ৮০ র দশকে কৃষিতে যে বুম এসেছিল, সেটা কিন্তু আজ আর নেই। হাল্কা রিসেশান বা স্ট্যাগনেশান এশে গেছে।
  • 9 | 14.*.*.* | ২৮ মে ২০১১ ২৩:৪১473941
  • আমেরিকার ব্যক্তিগত ঋণের সমস্যার একটা মূল কারণ হল এই ঋণের প্রায় সিংহভাগ যায় কনজামশনের খাতে, অর্থাৎ ক্লাসিক ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ কেস। এইটা দীর্ঘকাল ধরে সাস্টেন করা মুশকিল। দেশের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার হবে যদি ধারের পয়সায় কোনো মূলধন তৈরি না হয়। অবশ্যই যে কোনো রাজ্যেরই ধারের ব্যাপারটা সাবধানে দেখা উচিত। কারণ দেউলিয়া না হলেও উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ ঝাড় খাবে।
  • dri | 117.*.*.* | ২৯ মে ২০১১ ০০:০২473943
  • এই মুহুর্তে পশ্চিমবঙ্গের নতুন লোন নেওয়ার সামর্থ নেই বলেই মনে হয়। কিন্তু লেন্ডাররা মোর দ্যান উইলিং! এশিয়ান ডেভালাপমেন্ট ব্যাঙ্ক লাফ দিয়ে এসেছে লোন দেওয়ার জন্য। http://articles.economictimes.indiatimes.com/2011-05-27/news/29590131_1_adb-asian-development-bank-road-projects

    আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই ইন্টারন্যাশানাল লেন্ডাররা চায় যে দেশগুলো, রাজ্যগুলো সামর্থ্যের বাইরে ঋণ নিক। নিয়ে যখন পারবে না ওদের রিসোর্সগুলো একে একে হাতিয়ে নেব।

    গ্রীসে তো সব ইউটিলিটি (ইলেক্ট্রিসিটি, ওয়াটার) এখন ইন্টারন্যাশানাল কোম্পানীর হাতে চলে গেছে। তারা এখন চাইছে গ্রীস তাদের সোনা বেচে দিক, এমনকি ঐতিহ্যময় দ্বীপগুলোও বেচে দিক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন