এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩১৭৯৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ক্কঃ | 132.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১২:০৫525753
  • হুম। ও বাম্পন্থীদা, এট্টু মাপটাপ করে দেবেন। আমরা মামাটির মানুস, ভাসাটা এট্টু ইয়ে টাইপের, বুয়েচেন তো!
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১২:১২525754
  • ধন্যবাদ!
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৩:১৪525755
  • আমার ডিম্পাউরুটি তত্বঃ

    ১। কারখানা ভেঙে ওটাকে আবার ফলনশীল জমিতে রূপান্তরিত করা।

    আপাততঃ সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সেটা কেউ বলে বিরাট খরচ সাপেক্ষ আর কেউ বলে জমির উর্বরতা ফেরাতে জমি বহুদিন ফেলে রাখতে হবে।

    ২। ওখানে আরেকটা কারখানা গড়া।

    তাহলে বিরোধীরা বলবেঃ "সেই শেষ পর্যন্ত মল খ্সালি, আগে তবে কেন লোক হাসালি"! সেটা রাজনৈতিক দিক থেক কতটা ক্ষতিকারক বা লাভজনক সেটা একমাত্র রাজনীতির লোকেরাই বলতে পারবে। কেননা লোকের কর্ম-সংস্থানের থেকে ক্ষমতায় থাকা যে বেশী জরুরী সেটা কে না জনে।

    ৩। ফেলে রাখা।

    সেটাই আপাততঃ ভবিতব্য। অদূর ভবিষ্যতে সেটা নির্ভর করবে মামলার ফলাফলের ওপরে বা/এবং সরকার কতদিন কাঁচা টাকা আর ২ টাকা কিলোর চালের সাপ্লাই দিতে পারে।

    তবে কেউ কেউ বিশ্বাস করে যে বাঙালী আত্মঘাতী জাতি। সেটা সত্যি হলে কোন তত্বই নির্ভরযোগ্য নয়।
  • maximin | 69.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৫:৩৯525757
  • ওহ লিং আগেই দেওয়া আছে। কালকে পরপর দুটো লম্বা আর্টিকল পড়ে মাথা জ্যাম হয়ে গেসলো (দুটো আর্টিকল: খসড়া ও ইশান 10:20 PM)।
  • ddt | 135.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৭:৫৪525758
  • বামপন্থী বাবু আমার পোস্টের জবাব দিলেন না, কিন্তু পিটিদা মনেহয় আমার উদ্দেশ্যেই লিখেছেন (ভ্রম হলে নিজগুণে...)

    'অনেক তাত্বিকের বক্তব্য যেমন প্রত্যাশিত ছিল সেই ভাবেই শেষ হল।

    তবে "বিরোধীপক্ষ" বলতে তাত্বিকেরা কি বোঝালেন সেটি বুঝলাম না। মমতা যদি বিরোধীপক্ষ হয় তাহলে তার পাতি লক্ষ্য ছিল যেন তেন প্রকারেণ সব কিছুই ভন্ডুল করা। তার উদাহরণ শুধু সিঙ্গুর নয়, বিধানসভা লন্ডভন্ড, নয়াচরে প্রকল্প আটকানো, কাটোয়ার বিদ্যুতকেন্দ্র আটকানো এমনকি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার রাস্তার প্রসারণও বন্ধ করে দেওয়া। টাটা শুধু বামেদের শর্টকাট ছিল না-মমতারও- লালবাড়ি দখলেরও শর্টকাট হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কাজেই তিনোদের আন্দোলন শ্রেফ ডিম্পাউরুটির কেস-এর চাইতে বেশী কিছু খুঁজতে যাওয়া সময় নষ্ট।

    বাকিদের নিয়ে আলোচনাও অর্থহীন। তাদের বেশীর ভাগই "old physiocratic illusion of prosperity grounded only on agriculture" জাতীয় বিকারে ভোগে এবং এদের কাছে "realism looks like a distant dream"। সত্যি বলতে কি এরা মমতার ক্ষমতারোহনের যূপকাষ্ঠে নিজেদের বলি দিয়ে অন্ধকারে বিলীন হয়ে গিয়েছে।'

    অর্থাৎ, বিরোধীপক্ষ যেই হোক, তাদের কথায় পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই। হয় তারা ধান্দাবাজ নয় গাড়ল। বুঝলুম।

    'এবারে যদি একটু বলে যে সরকার ঠিক কি করলে মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক/বিএ/বিএসসি পাশ করা লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থান হবে তাহলে আরো একটু অলোকিত হই।'

    ধান্দাবাজ/গাড়লরা আপনাকে আলোকিত করতে পারবে না স্যার।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৮:৫০525759
  • "হয় তারা ধান্দাবাজ নয় গাড়ল"ঃ এই দুটোর কোন শব্দই আমি ব্যবহার করিনি।

    তবে মমতার সব কিছু ভন্ডুল করার বা নেতির রাজনীতির একটা তালিকা বানালে দেখা যাবে যে গোটা রাজ্যের সব উন্নয়ন বন্ধ করে দেওয়াটাই তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল। তাতে চাষীদের (বা সাধারণ মানুষের) কি উপকার হয়েছে তার তথ্য পরিসংখ্যান বিশেষ উঠে আসেনি। হয়্ত ৫ বছর বাদে আসবে। তবে মমতা কৃষক নেত্রী আর কৃষকের জীবনের মানোন্নয়নের জন্য তিনি "আন্দোলন" করেছিলেন সেটা আমি কোনদিনই বিশ্বাস করিনি এখনও করিনা। তাঁর লক্ষ্য ছিল লালবাড়ি-এবং তিনি বামেদের নিঃসন্দেহে ধরাশায়ী করে সেখানে পৌঁছেছেন।

    বাকিরা মানে মাওবাদী, মাওব্যথী, পুততুন্ডু, সুসি, MKP, বুজি, মেধা, অনুরাধা ইত্যাদিরা মমতার সহযোদ্ধা হয়েছিলেন নানা কারণে। কেউ কেউ রাজনৈতিক আর প্রশাসনিক অপরিপক্কতা দেখানো বাম সরকারের অপসারণ চেয়েছিলেন আর অনেকের মনে অনেক দশকের জমে থাকা তাত্বিক সিপিএম-বিদ্বেষ চালিত করেছিল মমতার সহযোদ্ধা হতে। এদের অনেকের ব্যক্তিগত সততা প্রশ্নাতীত কিন্তু তারা যে মমতার লং-টার্ম প্ল্যানে দাবার বোড়েমাত্র হয়ে যাবে সেই অ্যাসেসমেন্ট করতে পারেনি। সেটা তাদের বর্তমানের কথাবার্তা শুনলেই বোঝা যায়।

    কাজেই মমতার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা আমার মতে সম্পুর্ণ সময় নষ্ট। বাকিরা তো মমতার হাতেই গলাধাক্কা খেয়ে কোথায় উধাও হয়েছে কে জানে। তার জন্যে আর আমার ওপরে উষ্মা দেখানো কেন?

    এবার হারাধনের একটি ছেলে বিমল গুরুং-এর পালা।
  • cm | 127.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৯:২২525760
  • কিন্তু মমতার রাজনীতির সমালোচনা কে চায় সি পি এমের মুন্ডুপাত করা গেলেই হবে।
  • aka | 76.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৯:৩৭525762
  • Name: Ishan

    IP Address : 60.82.180.165 (*) Date:31 Jul 2013 -- 08:23 AM

    জাপানের উদাহরণ সংক্ষেপে এরকমঃ

    জাপানে শিল্পায়ন শুরু হয় ইউরোপের অনেক পরে। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মেইজি জমানার সূচনা হয়। তখন জাপান শিল্পের দিকে দৌড়য়নি। ইউরোপে তখন শিল্পবিপ্লব তুঙ্গে। কিন্তু শিল্পের পিছনে না দৌড়ে মেইজি জমানা শিক্ষাবিস্তারে মন দেয়। পুরোনো মন্দিরকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি "আধুনিক" শিক্ষাব্যবস্থায় রূপান্তরিত করা হয়। শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হয়। এবং শিল্পবিপ্লবের সময়ে ইউরোপের যা সাক্ষরতা এবং শিক্ষার হার ছিল, শিল্পবিপ্লবের আগেই জাপান (উনবিংশ শতাব্দীতে) তার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারত।

    জাপান শিল্পবিপ্লব - কলোনিবিস্তার -- উন্নয়ন -- এই ইউরোপিয়ান চালু ছক অনুসরণ করেনি। বরং উল্টোদিকে হেঁটে আগে মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘ্টিয়েছে, তার উপর দাঁড়িয়ে তার শিল্পের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। এটা অবশ্য ডিডাকশন, কিন্তু যেটা ডিডাকশন নয়, সেটা হল, সিকোয়েন্সটা জাপানে উল্টো ছিল। অর্থাৎ আগে মানবসম্পদের উন্নয়ন, পরে শিল্পায়ন।

    তবে সেও উনবিংশ শতাব্দীর গপ্পো। এখন অনুসরণ করার মতো কিসু না। একবিংশ শতাব্দীতে মাছিমারা কেরানিদের দুঃখ দিয়ে ছক-বাঁধা কোনো মডেল নাই।
  • aka | 76.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৯:৩৮525763
  • ওপরের পোস্টটা আমার।

    বুঝলাম না, খুবই ধোঁয়াটে, ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ঠিক কি করে উন্নয়ন সম্ভব সেটা এস্টাবলিশ না করতে পারলে পুরো তত্ত্বটার কোন মানে নেই।
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ১৯:৫৩525764
  • রন্জনবাবুর প্রশ্নের উত্তর -

    "টাটা বৃহৎ পুঁজি, আবাপ ও বড় কর্পোরেট। মমতা তাহলে কাদের স্বার্থের প্রতিনিধি?"

    আগে আপনাকেই এই প্রশ্নটা করে নিই। আমাকে উত্তর দেবার দরকার নেই, নিজেকে উত্তর দিলেই হবে। মমতাদেবী কারুরি স্বার্থের প্রতিনিধি নয়, একমাত্র নিজের ছাড়া। কিছু কর্পোরেট ও তাদের প্রভুরা হয়্ত ভেবেছিলেন উনি মসনদে বসে তাদের স্বার্থরক্ষা করবেন, কিন্তু কার্য্যক্ষেত্রে দেখা গেল তাও হলোনা। এবার আমার উত্তরের সাথে নিজেরটা মিলিয়ে নিন।

    ডিডিটির প্রশ্নের উত্তর -

    " আপনের গল্পে খালি জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের খেলা দেখছি"

    ভুল বুঝেছেন, হয়্ত আমারি লেখার ভুলে। খেয়াল করে দেখুন, আমি লিখেছি "জমির দলিল না থাকা, সরকারী ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার সম্ভাবনা ইত্যাদি"। ভাগচাষী, ভূমিহীন চাষী, মুটে, এদের সবাইকে ধরে নিয়েই আমি এই দুটো সম্ভাবনার কথা লিখেছিলাম। সরকারের উচিত ছিল এদের সবাকার কথা মাথায় রেখে প্যাকেজ বানানো, পার্টির উচিত ছিল এদের কথা সরকারের কানে পৌছনো, বিরোধীদের উচিত ছিল এদের দাবিদাওয়া নিয়ে সরকারকে চাপে রাখা। নিজনিজ দায়িত্ব কেউই পালন করেনি।

    "পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ পেলেই লোকে নেবে ব্যাপারটা তাও না। বিকল্প কাজ পাওয়ার আনসার্টেনটি আছে, ফিনান্সিয়াল স্কিলের প্রশ্ন আছে। এক সাথে অত বেশি টাকা হাত থেকে দ্রুত বেরিয়ে যায়, বিশেষত অভাবের সংসারে।
    ঘটনা হল, লোককে বোকা ভাবা কাজের কথা না।"

    একমত। নানাধরণের পরামর্শদাতার দরকার ছিল। কিন্তু এটাও ঘটনা, বুদ্ধবাবুর সরকারকে সেই যায়্গায় যাবার সুযোগ দেওয়া হয়নি, তার আগেই সব ভন্ডুল করে দেবার খেলা শুরু হয়ে গেছিল।

    "শেষত, ধরে নিলাম অনেক লোক ফর হোয়াটএভার রিজ়ন (হয়তো মূর্খ) জমি ছাড়তে চাইছে না। তখন কী করা হবে জানতে চাইছিলুম আগের পোস্টে"

    এর উত্তর আগেই দিয়েছি।

    "মানে ওখানে কারখানা হবে এটা কি ফোরগন কনক্লিউশন, বাকি থাকল ক্ষতিপূরণ নিয়ে কচকচি? নাকি কারখানা আদৌ হবে কিনা সে নিয়ে লোকেদের মতামত নেওয়া যেতে পারত? এটা গণতন্ত্রের প্রশ্ন। বাম্পন্থী বন্ধু এরম ভাব করছেন যেন কোচ্চেনটা সেরেফ কম্পেনসেশনের।"

    নিশ্চয়ই, এটা গণতন্ত্রের প্রশ্ন। তবে কিনা একটা রাজ্যের জন্য কারখানার দরকার আছে কিনা, এই ডিবেটে বারবার ঢুকতে হলে তো কিছুটা চাকা আবিষ্কারের থেকে সব্কিছু শুরু করার ব্যাপার হয়ে যায়, তাইনা? ঠিক ঐখানেই কারখানা বানানো কেন হলো সেই প্রশ্ন যদি তোলেন তো উত্তর হলো, ওখানটাই টাটাদের পছন্দ হয়েছিল। রাজ্য সরকার যদি আপত্তি জানাতো তাহলে হয়তো প্রকল্পটিই বাতিল হয়ে যেত। তার চাইতেও প্রাসঙ্গিক, কলকাতার আশেপাশে যেখানেই জমি নেওয়া হতো, সেখানেই মমতাদেবী অন্দোলন শুরু করতেন। ওনার আন্দোলনের লক্ষ ছিল ক্ষমতা দখল, অন্য কিছু নয়।

    পাইদেবীর প্রশ্নের উত্তর -

    "মোটরগাড়ি শিল্প শ্রমনিবিড় শিল্প ছিল ?"

    না। কিন্তু মোটরগাড়ি শিল্পেই যে থেমে যেত, সেটাই বা ধরে নিচ্ছেন কেন?

    "হাজার হাজার বেকার যুবক যুবতীর জন্য ঠিকঠাক ভাবে শিল্প করতে তো কেউ মানা করেনি। আগের কয়েকটা পোস্টেও জিগিয়েছিলাম, উত্তর পাইনি। আবার করি।
    শিল্প করতে হলে ল্যাণ্ড ইউজ ম্যাপ তৈরি করে তারপর এগোনো নয় কেন ?"

    এর সঠিক উত্তর আমারো জানা নেই। ল্যাণ্ড ইউজ ম্যাপ তৈরী করা নিশ্চয়ই উচিত ছিল। হয়তো সরকার ভেবেছিল পরে তৈরী করবে। সঠিক জানিনা।

    "বন্ধ কারখানার জমি, পড়ে থাকা জমিতে ( যেমন হিন্দ মোটর) শিল্প নয় কেন ? ( এই সব জমি ব্যবহারের আইনি জটিলতা থাকলেও সরকার তা আইন করে অ্যামেন্ড করতে পারে, উদাঃ হিন্দ মোটর)"

    করা যেতেই পারতো। কিন্তু এর সাথে সিঙ্গুর প্রকল্পের কী সম্পর্ক বুঝলামনা।

    "শ্রমনিবিড় শিল্প নয় কেন ?
    কৃষিভিত্তিক শিল্প নয় কেন ?
    যে সাড়ে আটশো কোটি টাকা টাটাকে দান করা হচ্ছিল, সেই টাকা দিয়ে সরকারি কোন শিল্পোদ্যোগ নয় কেন"

    এই তিন ধরণের শিল্প কি কি হতে পারত, একটু উদাহরণ দিয়ে বোঝালে ভাল হয়। কিন্তু আবারো, এই তিনটি প্রশ্নের সাথেই সিঙ্গুর প্রকল্পের কী সম্পর্ক বুঝলাম না। এগুলি আগে না করলে কি সিঙ্গুর প্রকল্পে হাত দেওয়া যেতনা? কিম্বা সরকারি উদ্যোগে শিল্প গড়লে জমি অধিগ্রহণ করার দরকার পড়তোনা? নাকি সরকারি উদ্যোগে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে গেলে মমতাদেবী আন্দোলন করতেন না?
  • maximin | 69.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:০৭525765
  • গুরুর অর্থনৈতিক প্রস্তাব দ্বিতীয় ড্রাফট আশা করি সকলেই মন দিয়ে পড়েছেন।
    এক পূর্বশর্ত।
    দক্ষতর প্রশাসন
    অপব্যয় সংকোচ এবং সরকারের আয় বৃদ্ধি
    --------------------------------------------------------------------------------
    সেকশন দুই গুরুত্বপূর্ণ নীতিসমূহ। সরকারকে নানা বিষয়ে নানা নীতি গ্রহণ করতে হবে। সমস্ত বিষয়ে এই স্বল্প পরিসরে মতামত প্রকাশ অসম্ভব। এখানে দেওয়া হল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কয়েকটি নীতি, সম্পর্কে কিছু প্রস্তাব।

    শিল্প ও কর্মসংস্থান
    কৃষি
    স্বাস্থ্য
    শিক্ষা
    -----------------------------------------------------------------
    ফিসিকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার নিয়ে আলাদা সাবসেকশন নেই। কেন নেই?
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:০৮525766
  • আগেই লেখা হয়েছিল। কেউ পড়েননা। যাহোক, লেখাটা আবার দি।

    এ বিষয়ে দুটি রিসার্চ পেপারের উল্লেখ করা যেতে পারে যেখানে ভারত ও প:বঙ্গের পক্ষে উপযোগী শ্রম নিবিড় শিল্পগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    ক। পেপার এক: http://www.icrier.org/pdf/WorkingPaper237.pdf

    রিপোর্ট অনুযায়ী চর্মজাত দ্রব্য, বস্ত্র, জুয়েলারী, স্পোর্টস সামগ্রী তৈরি, বাইসাইকেল তৈরি, এগুলোকে লেবার ইন্টেন্সিভ শিল্প বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, এবং এগুলিতে ভাল এমপ্লয়মেন্ট গ্রোথের ট্রেন্ড ও সম্ভাবনা আছে বলে জানানো হয়েছে। প:বঙ্গে এই শিল্পগুলির বিকাশের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত।

    উক্ত পেপারে তিরুপুর আপারেল পার্কের মডেল অনুসরণ করে সরকারকে আরো পার্ক বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে কাপড়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা (smallgarmentmanufacturer) নিজেদের সমবায় গঠন করেছেন, বড় বড় garmentexporter রা এই সমবায়কে ব্যবসা আউটসোর্স করছে। যেখানে এই রিপোর্টে কোলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দুটি শ্রমনিবিড় শিল্পের ‘হাব’এ এধরণের পার্ক তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, চর্মজ শিল্প ও জুয়েলারী শিল্প।

    এ ব্যাপারে পেপারে বলা হচ্ছে:

    TheApparelParkinTirupurisfullyfunctionalandisassistingmanufacturersexportersinmeetingtheburgeoningdemandforapparels.Weobservedthatlargeexportersareoutsourcingorderstosmallmanufacturerswhooperateoutofthispark.Thelargefirmscanworkcloselywithunitslocatedintheparkintermsofproductspecificationsandquality.Werecommendthatthegovernmentshouldexplorethepossibilityofsettingupsuchparksinthosedistrictsofthestateswhichare‘hubs’oflabourintensiveexportsinleather, textiles, sportsgoods, bicycles, andgemsandjewellerysectorswithprivateinitiative (fromnon-residentIndiansandmultinationalcorporations).Inthecaseofsportsgoods, districtsnearJalandharandMeerutshouldbelookedatforsettingupofsportsgoodsparksand;forgemsandjewellery, districtsnearChennaiandKolkatacouldbelookedatforsettingupgoldjewelleryparks.

    Similarly, districtsborderingLudhianaandleathergoodsproductionhubslikeChennai, Agra, Kanpur, Kolkata, andNCRtoocouldbelookedat.Thiswouldnotonlyprovideemploymenttoworkersneartheirhomestherebydoingawaywithpotentialmigrationforemploymentopportunitiesbutitwouldalsogeneraterevenueatthedistrictlevel.

    খ। পেপার দুই। http://econ-www.mit.edu/files/2490
    এখানে বলা হচ্ছে, চাহিদা অনুয়ায়ী ছোট শিল্প বানানো উচিত, যেমন শস্তায় এসি মেশিন, ইলেক্ট্রনিক চিপ, ঘড়ি, গৃহসরঞ্জাম, খেলনাপাতি (এগুলি সবই শ্রমনিবিড় শিল্প)। স্বল্প শিক্ষা, মূলধন ও দক্ষতা নিয়ে ও প্রফেশানাল ম্যানেজমেন্ট ছাড়াও এই শিল্পগুলিতে উচ্চ উৎপাদনশীলতা আনা সম্ভব, যেটা প:বঙ্গের জন্য আদর্শ।

    এই রিপোর্ট অনুযায়ী, প:বঙ্গে smallscaleindustry স্থাপনের উপর বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘চাইনিজ’ মডেলে এই শিল্প কীভাবে করা যেতে পারে, তাই নিয়ে রিপোর্টের কিছু অংশ কোট করা হল:

    ThereisabigmarketpotentialforWestBengalsmall-scaleunitsinthesupplyofcheaptoys, stereos, watchesandhouseholdimplementstotherestofIndia.ThisiswhatChinasuppliestotherestoftheworld, andhasformedthebasisoftheirphenomenalindustrialsuccessinthepasttwodecades.Onecanaddtothelistofhighpotentialconsumerproductsthefollowingaswell:garments, leather, foodprocessing, sparepartsandmetal-working, industriesallofwhichhavehadalongtraditioninWestBengal.

    TheChinesestrategyisparticularlyattractiveinbeinglabour-intensiveandbroad-based.Underwhatissometimeshalfironicallyreferredtoaspeople’scapitalism, alotofChina’soutputisproducedinrelativelysmallfirmslocatedinsmalltownsandvillages.Thereasonisthattheproductshavebeensochosenthatanentrepreneurwithlimitededucation, littlecapital, semi-skilledworkersandnoprofessionalmanagementcanstillachieveahighlevelofproductivity.OnealsoobservessimilarpatternsemerginginPunjab, thoughwithadifferentproductmix.IndeedWestBengalalsohasalongtraditionofsuccessfulsmall-scaleenterprises.TheengineeringworkshopsofHowrahwereoncefamousalloverIndia, andevennowthesmallgarmentproducersinMetiaburujandelsewhereinsouthBengalhaveasubstantialpresenceingarmentretailstoresalloverIndia.Moreover, WestBengalisnowflushwithsavingswaitingtobeinvested.IthasahigherrateofsmallsavingsnetcollectionpercapitathanricherstateslikeMaharashtra, Gujarat, KarnatakaandAndhraPradesh.Thisisnodoubtinpartaresultofagriculturalprosperityinthestate.Alotofthesesavingsarepresumablyinsmalltownsandruralareas, wherelabourisespeciallycheap.Thediversificationofagriculturalproductionintoavarietyofnon-foodcropsalsoprovidespromiseforthedevelopmentofagroprocessingindustries.
    >
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:০৯525767
  • ইংরাজী ফণ্টগুলো সব ঘেঁটে গেছে। যাগ্গে, গুঞ্জন কলিতা আর, অভিজিত ব্যানার্জী, মৈত্রীশ ঘটক, প্রণব বর্ধনদের দুটো পুরানো পেপারের উল্লেখ আছে। ওখানে দেখে নিতে পারেন।
  • maximin | 69.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:১৭525768
  • পাই আমার প্রশ্নের উত্তর কই?
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:২৩525769
  • সব কিছু তো কভার করা যায়নি। ওটা অসম্পূর্ণ।
  • maximin | 69.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:২৯525770
  • উত্তর স্যাটিসফ্যাকটরি নয়।
  • Ishan | 214.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৩০525771
  • ও ম্যামিদি ওটা জাস্ট "অর্থনৈতিক" প্রস্তাব নয়। এইখান থেকেই তো যত গোলযোগের শুরু। বাকি পরে লিখব। শ্রমনিনিড়তা এবং বিনিয়োগ নিয়ে আমার চাট্টি কথা বলার আছে। বলে নিই আগে।
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৩৪525773
  • পাইদেবী পেপারগুলির জন্য ধন্যবাদ, সময় করে পড়ে দেখবো। চর্মজাত দ্রব্য, বস্ত্র, জুয়েলারী, স্পোর্টস সামগ্রী তৈরি, বাইসাইকেল তৈরি, ইত্যাদি ইত্যাদি যদিও সারা পশ্চিমবঙ্গেই প্রচুর ছড়িয়ে আছে, তবু সরকার এগুলিকে আরো উত্সাহ দিতেই পারে।

    কিন্তু আপনার রিপোর্টের একটি পরামর্শ দেখে একটু শন্কিত হলাম - "কোলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দুটি শ্রমনিবিড় শিল্পের ‘হাব"
    আপনার কি মনে হয় এই হাবের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে গেলে মমতাদেবী অন্দোলন শুরু কর্তেন না? যিনি একটা ইন্ডাস্ট্রিআল প্ল্যান্টের জন্য চিন্হিত জমিকে বলেছিলেন "ওখানে হোটেল হবে, রিসর্ট হবে, ফূর্তি হবে", তিনি কি হাবের জন্য জমি নিতে গেলে পরমানন্দে সরকারকে ছেড়ে দিতেন?

    আরো দেখ্লাম, আপনি তামিলনাড়ু আর চিনের উদাহরণ দিলেন। এই দুই যায়্গাতেই কী শুধুমাত্র এধরণের শ্রমনিবিড় শিল্প আছে, নাকি শ্রমনিবিড় আর ভারী শিল্প দুইই আছে? আর এই দুই জায়্গাতেই কি শ্রমনিবিড় শিল্প আগে হয়েছিল, পরে ভারী শিল্প, নাকি দুরকম শিল্প সমান্তরাল ভাবে গড়ে উঠেছিল? এই প্রসঙ্গেই আপনাকে আমার করা প্রশ্নগুলি আরেকবার করে নিই -

    কিন্তু আবারো, এই তিনটি প্রশ্নের সাথেই সিঙ্গুর প্রকল্পের কী সম্পর্ক বুঝলাম না। এগুলি আগে না করলে কি সিঙ্গুর প্রকল্পে হাত দেওয়া যেতনা? কিম্বা সরকারি উদ্যোগে শিল্প গড়লে জমি অধিগ্রহণ করার দরকার পড়তোনা? নাকি সরকারি উদ্যোগে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে গেলে মমতাদেবী আন্দোলন করতেন না?

    উত্তর পেলে ভালো হয়।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৩৫525774
  • যারা এইসব পেপার লেখে তারা মন্ত্রী হয়না কেন? তাহলে দেশের ও রাজ্যের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। অবিশ্যি অর্থনীতির তত্বে পন্ডিত একজনকেই প্রধানমন্ত্রী হতে দেখলাম-তিনি তো দেশের অর্থনীতিকে ঘেঁটে ঘ করে দিলেন।
  • dd | 132.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৩৭525775
  • যেমতি টাটার ন্যানো প্রজেক্ট ইন সানন্দ একেবারে ফুটিফাটা হয়ে গ্যাছে তেমতি তির্পুরের গার্মেন্ট ফেক্টরীগুলও। বহ বহু বন্ধ হয়ে গেছে। বাকীরা ধুঁকছে।

    পুরোটাই এক্ষপোর্টের ব্যবসা ছিলো। বাংলাদেশ,ছিলংকা ইঃ - এরা আরো সস্তায় দিচ্ছে।প্লাস আমদানী করা দেশগুলো ও গোল্লায় গ্যাছে।
  • Ishan | 202.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৪০525776
  • বিনিয়োগ ছাড়াই উন্নয়ন হবে, এ কথা কোত্থাও কক্ষনো বলিনি। রাস্তা হবেনা, হাসপাতাল হবেনা, ইশকুল হবেনা, ওদিকে উন্নয়ন হবে, সে অতি আকাশকুসুম। বলাবাহ্য়্ল্য বিনিয়োগ মানেই এখানে "শিল্পে বিনিয়োগ" বোঝাচ্ছি না। বলা বাহুল্য।

    পয়েন্টটা আরেকবার বলি। প্রায়োরিটিটা কোথায় হওয়া উচিত সেই নিয়ে কথা। টাকাকড়ি বা রিসোর্স যা আছে, তা মোটামুটি সীমিত। দুম করে বেড়ে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাহলে আপনি কি করবেন? আদ্যিকালের কৃষকরা যেমন আকাশের দিকে তাকিয়ে কবে বৃষ্টি আসবে তার জন্য হা পিত্যেশ করে বসে থাকত, সেরকম বসে থাকবেন? নাকি যা রিসোর্স আছে, সেটার এফেক্টিভ ইউটিলাইজেশনের চেষ্টা করবেন?

    পশ্চিমবঙ্গের বা সামগ্রিকভাবে ভারতবর্ষের ক্ষেত্রেও যদি দেখেন, NREGEAর বরাদ্দ টাকা খরচা হয়না। গ্রামোন্নয়নের বরাদ্দ টাকা খরচা হয়না। আপনার করণীয় টা কি? "টাকা দিলে তার ২৫% খরচা হবে, কাজেই টাকা বাড়ান, নইলে কিছু হবেনা" -- এইসব দাবী করা? নাকি "যেটুকু পাচ্ছি সেটাকে ঠিকঠাক করে ব্যবহার করি" -- এই দিকে নজর দেওয়া?

    এ তো কমন সেন্স। এর পিছনে খুব বেশি তো তত্ত্ব নেই।
  • Ishan | 202.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৪৩525777
  • "যারা এইসব পেপার লেখে তারা মন্ত্রী হয়না কেন?"

    কারণটা মনে হয় জেনেটিক। যারা পেপার ল্যাখে তাদের হাই-পাওয়ার চশমা, দুর্বল শরীর ইত্যাদি হয়। জেনেটিকালি। বাহুবলী না হলে দেশের ভার বওয়া যায়না।
  • b | 135.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৫০525779
  • চিনে কিন্তু অনেকটাই স্পেশাল ইকনমিক জোন এর মধ্যে পড়ে। শুনিচি কয়েদীদের দিয়ে কাজ করিয়ে প্রডাকশন কস্ট কমায়। এই মডেল গ্রাহ্য হত তো?

    তবে একটা কথা বলিঃ শ্রমনিবিড়, ঠিক ছোটো নয়, তবে মাঝারিমাপের শিল্পের হাব কিন্তু হাওড়া ছিলো এক সময়।
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৫০525778
  • এর কোনোকিছু বিচারবিবেচনা না করেই সিঙ্গুর প্রকল্পে যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়া হয়েছে, আপত্তি সেইখানে। আপত্তির স্পেসিফিক জায়গাগুলো অনেকবার লেখা হল তো। ইচ্ছার বিরুদ্ধে বহুফসলী জমি নেওয়া থেকে শুরু করে ভাগচাষী, খেতমজুরদের কথা না ভাবা, নেট কর্মসংস্থান না হওয়া, টাটাকে দান খয়রাত সবই আপত্তিকর।

    শিল্প ক'রে কর্মসংস্থানের সত্যিকারের সদিচ্ছা থাকলে সেটা নিয়ে তো পরিকল্পনা করে এগোতে হয়, সেটা কতটা কী ফিজিবল, সত্যিকারের কতটা কর্মসংস্থান হচ্ছে, লোকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিনা, হলে সেটা কিভাবে মিনিমাইজ করা যায়, নিজস্ব উদ্যোগ নেওয়া যায় কিনা, এসব কিছুই হিসেব ক'রে এগোনো উচিত।
    সেসব কিছু না ক'রে ওয়ান ফাইন মর্নিং, ওঠ চাষী, এখানে শিল্প হবে বল্লে হবা ?
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৫২525780
  • শিল্প, কর্মসংস্থান নিয়ে সত্যিকারের মাথাব্যথা থাকলে কাতারে কাতারে বন্ধ কারখানা নিয়ে বা কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে ঠিক কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, জানতে চাই।
  • Ishan | 202.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২০:৫৬525781
  • তা, অমিত ভাদুড়ির মতো ট্র্যাডিশনাল বামপন্থী ঘরানাকে আমি এই পয়েন্টেই ক্রিটিসাইজ করব। অমিত ভাদুড়ি আসলে নতুন কিছু বলেননি। ডেফিসিট ফাইনান্সিং এবং কর্মসংস্থান তৈরি -- এই লাইনে এর আগেও লেখা হয়েছে। সেই ষাট সাল নাগাদই এরকম একটা ডিবেট হয়েছিল, এরকম একটা প্রজেক্টে কত টাকা লাগতে পারে তার হিসেব নিকেশও করা হয়েছিল (বিশদ লাগলে বলবেন, বাড়ি গিয়ে টুকে দেব)। বামপন্থীরা যখন NREGEA নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপ দিলেন, তখনও এই চিন্তাভাবনাই কাজ করছিল।

    অথচ মজা দেখুন। যে বামপন্থীরা একশ দিনের কাজ নিয়ে চাপ দিলেন, নিজেদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেই তার ইমপ্লিমেন্টেশনে তাঁরা মোটের বেশ অসফল। ডেটা ফেটা আছে, এখন আর খুঁজে বার করতে পারছিনা। দরকারও নেই, কারণ এটা বামপন্থীদের দোষারোপ করার জন্য করছিনা। এইটা দেখানোর জন্য বলছি, যে অমিত ভাদুড়ি ঘরানার কোথাও একটা গোঁজামিল আছে। ডেফিসিট ফাইনান্সিং করলেই, টাকা ঢাললেই যে হুহা কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তা নয়। এই পাত্রে কোথাও একটা ছ্যাঁদা আছে। যেটা তত্ত্বে ধরা পড়ছেনা।

    ফাঁকটা কোথায়? "টাকা ঢাললেই ফল পাইবেন" -- এই যান্ত্রিকতায়। এটাকে অর্থনীতি সর্বস্বতা বলতে পারেন, যান্ত্রিকতা বলতে পারেন, অন্য কোনো নাম দিতে পারেন। কিন্তু যে নামই দিন, ফাঁকটা ওখানেই। "টাঅকার অভাবে সব আটকে যাচ্ছে, যদ্দিন না টাকা পাওয়া যায় কিচ্ছু করা যাবেনা", এটা ওই "টাকা ঢালিলেই ফল পাইব" ধারণা থেকে আসে।

    এইটা হইল সমালোচনা। দু-পয়সা দ্যান। বাকি আবার পরে। একটা অন্য টই খুলে লিখলেই ভালো হত। কিন্তু বইটই হাতের কাছে নাই। কোট-টোট করা যাবেনা, সে এক মুশকিল।
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২১:০০525782
  • 'এক বামপন্থী' বলেছেন নতুন আসছে এই সাইটে, তাই ওঁকে পুরানো কিছু লেখা পড়াতে চাই। লেখাগুলোয় কিছু প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এখানে আবার ক'রে লিখলাম না। তার উত্তর মিলবে ?

    http://www.guruchandali.com/default/2009/05/10/1241908500000.html#.UfkryI1vOLE

    কিছু ফণ্ট ঘেঁটে গেছে। মামু, সিকি, ঠিক করা যায় ?
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২১:০২525784
  • পাইদেবী, আপনার উত্তরগুলো কিন্তু আমার প্রশ্নের উত্তর হলোনা।

    আমি প্রশ্ন করেছিলাম, সরকার যদি নিজের উদ্যোগে শিল্পস্থাপন করতে যেতো, তাহলে কি জমি অধিগ্রহণ না করে শিল্পস্থাপন করা যেত? আপনি পরামর্শ দিলেন কলকাতার আশেপাশে শ্রমনিবিড় শিল্পের ‘হাব বানাতে। এই হাবের জন্য একশ বছর ধরে পরিকল্পনা করলেও কি বহুফসলী জনি নেওয়া এড়ানো যেত? সেই জমি নিতে গেলে কী মমতাদেবী, "মাওবাদী" ও বুদ্ধিজীবীরা আন্দোলনে যেতেন না?
  • pi | 118.*.*.* | ৩১ জুলাই ২০১৩ ২১:০৫525785
  • জুটমিল নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলেছিলেন না ?

    নৈহাটি-গরিফা শিল্পাঞ্চল ঃ প্রদীপের নিচে অন্ধকারের একটি পুরোন কিসসা
    শৌভ চট্টোপাধ্যায়
    -------------------
    ভোটপুজোর বচ্ছরকার, থুড়ি, পাঁচবচ্ছরকার মোচ্ছব এখন শেষের মুখে। হাওয়া আক্ষরিক অর্থেই বেজায় গরম। চ্যানেলে চ্যানেলে বিভিন্ন দলের প্রচার, মুখ ঢেকে যাওয়া বিজ্ঞাপন। আর এই সব প্রচারে,টিভি ও মিডিয়ার তর্কে, কাদা-ছোঁড়াছুড়িটুকু বাদ দিলে, অবধারিতভাবেই উঠে আসছে উন্নয়নের কথা। বারবার। চাষীর উন্নয়ন, শ্রমিকের উন্নয়ন, মেয়েদের উন্নয়ন। বিবাদে-বিতর্কে তো বটেই, এমনকি বিজ্ঞাপনেও কেবল উন্নয়ন। দেয়ালে উন্নয়ন,হোর্ডিংএ উন্নয়ন,এমনকি, নির্বাচনী টিভি বিজ্ঞাপনেও, দেখা যায়, এক শিল্পী, ছবি আঁকতে আঁকতে, আমাদের জানিয়ে দেন যে বামফ্রন্টকে ভোট না দিলে রাজ্যের উন্নয়ন সমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    হতেও পারে হয়তো বা। নাও হতে পারে। সেসব দলীয় চাপান-উতোর এই লেখার বিষয় নয়। শুধু এই উন্নয়ন, অথবা তার বকলমে শিল্পায়নের তুমুল ঢক্কানিনাদের আড়ালে যে ছোটখাটো কয়েকটা ঘটনা বা তথ্য চাপা পড়ে যাচ্ছে, সেটুকু স্মরণ করিয়ে দেবার জন্যই এই ছোট্টো লেখা। এখানে শুধু আলোর নিচের কয়েকটি ছোটো অন্ধকারের বলয়ের কথা বলা হবে। বড় বড় শিল্পের ভারি ভারি কথার আড়ালে হারিয়ে যেতে থাকে যেসব ছোট-ছোট স্থানীয় সমস্যার কথা, শিল্পায়নের গ্র্যন্ড ন্যারেটিভের আড়ালে বেমালুম উবে যেতে থাকে যে খুচরো অস্বস্তিগুলো, সে নিয়ে সামান্য দু-চারটি কথা বলার জন্যই এই লেখা।

    এই কয়েক মাস আগে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে টাটার শহিদোচিত প্রস্থানের পর যখন সারা-রাজ্য "হায় টাটা! হায় ত্রাতা!' এইরকম বিলাপের মধ্যে দিয়ে কেঁদেও কূল পাচ্ছে না, তখন একে একে বন্ধ হয়ে গেছিল বা যেতে বসেছিল নৈহাটি-গরিফার কারখানাগুলি, আমরা জানতেও পারিনি। অবিশ্যি এই বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলি টাটা-র ন্যানো প্রজেক্টের মত অতখানি হাই-প্রোফাইল ছিল না -- নিতান্তই মামুলি কিছু জুটমিল, রঙের, কাগজের কারখানা, বা এইরকম আরো কিছু ছোট-বড় মিল-ফ্যাক্টরি। কিন্তু, এই অঞ্চলের মানুষের রুটি-রুজির সংস্থানের ক্ষেত্রে এদের অবদান ছিল যথেষ্টই। অথচ, তা সত্ত্বেও, শিল্পদরদী রাজ্যে এদের বন্ধ হয়ে যাওয়া আটকানো গেল না।

    জুটমিলগুলির ক্ষেত্রে একটা কথা ধুয়োর মত বারবার ঘুরেফিরে আসে -- পাটশিল্পে না কি লাভ নেই, বাজারে পাটের চাহিদা নিম্নমুখী। আর তাই, কারখানাগুলো চালু রাখা মানে মালিকের সর্বনাশ। কিন্তু, তথ্য অন্য কথা বলে। ২০০৪-০৫ সালে দেশীয় বাজারে চটের চাহিদা ছিল প্রায় ১৩।৭৪ লক্ষ মেট্রিক টন। আর আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা ছিল প্রায় ২।১৭ লক্ষ মেট্রিক টন। তার ওপর, খাদ্যদ্রব্য রাখার জন্য চটের ব্যাগের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার ফলে চটের চাহিদা সাম্প্রতিক কালে অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও, চীন, কোরিয়া বা নেপালের মত দেশ যখন পাটজাত পণ্য সামগ্রীতে বৈচিত্র্য এনে আন্তর্জাতিক বাজার দখল করতে সচেষ্ট, তখন আমাদের দূরদর্শী মিলমালিকরা শুধুমাত্র আ - ট্বীল আর - ট্বীল বস্তা বানিয়েই খুশি (যদিও, সেই আশির দশকেই য।।ড।। বা ঈ।য।ঈ।R।আ -র মত পাট-গবেষণা কেন্দ্রগুলি ডজন খানেক নতুন ধরণের পাটজাত সামগ্রী তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিল)। এর পরেও যদি লাভ না হয়, তাহলে তার দায় শ্রমিকের, মালিক ফাঁকতালে কারখানা বন্ধ করে দিয়ে সেখানে বহুতল বাড়ি বানাবেন, মল বানাবেন -- হাজার হোক, সেটাও তো উন্নয়ন?

    আসলে, সমস্যাটা অন্য জায়গায়। প্রথমত, মালিকের পোষা নামজাদা ট্রেড ইউনিয়নের ততোধিক নামজাদা নেতাদের বদান্যতায়, শ্রম আইনের ছিটেফোঁটাও মানতে হয় না মালিককে, কোনও জুটমিলেই। ফলে, একটি কারখানার এক বছরের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এখন কম শ্রমিক ও কম যন্ত্র দিয়ে মাত্র সাত-আট মাসেই পূরণ করে ফেলা সম্ভব, অবশ্যই শ্রমিককে ভূতের বেগার খাটিয়ে। এর ওপর, পাট ওঠার মরসুমে যদি কৌশলে মাস চারেক কারখানা বন্ধ রাখা যায়, তাহলে "উৎপাদন বন্ধ, তাই চাহিদা নেই', এই অজুহাত দেখিয়ে অনেক কম দামে চাষীর কাছ থেকে পাট কিনে নেওয়া সম্ভব। অর্থাৎ, বছরের বেশ কয়েক মাস কারখানা বন্ধ রাখলে মালিকের দু'তরফেই লাভ। শুধু তাই নয়, যদি ছক কষে কারখানাটিকে ঈR -এর আওতাভুক্ত করা যায়, তাহলে ঈআ আইনের ধারা অনুযায়ী শ্রমিকদের বকেয়া মেটানোর ঝঞ্ঝাটও থাকে না। আর ঠিক এই কারণেই, এই রাজ্যে শ্রমিকদের ও ঈ বকেয়ার পরিমাণ, এই মুহুর্তে, প্রায় ১৫০ কোটি টাকা এবং বকেয়া গ্র্যাচুইটির পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকারও ওপরে। দুর্ভাগ্যবশত, এখানে সরকারেরও হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই, আইনের ধারা মেনে। তা ছাড়া, ফড়ে আর প্রোমোটারদের হাতে চলে গেছে বা যাচ্ছে একের পর এক কারখানা, সরকারি-বেসরকারি যোগসাজশে -- আজ্ঞে না, কারখানা চালানোর উদ্দেশ্যে নয়, কারখানার গাছ, ফার্নিচার, জানলা-দরজা, মায় মেশিন-পত্তর অবধি বেচে দিয়ে নিজের পকেট ভরতি করার জন্যে। আর তারপর, কারখানার জমিতে আবাসন-মল-শপিং কমপ্লেক্স বানালেই বা ঠেকাচ্ছে কে! ঠিক এই সমীকরণ মেনেই বন্ধ হয়ে গেছে নৈহাটি অঞ্চলের গৌরীপুর জুটমিল বা নদীয়া জুটমিলের মত একদা-বিখ্যাত কারখানাগুলো।

    এ তো গেল শুধু জুটমিলের কথা। এছাড়াও এই নৈহাটি অঞ্চলেই বন্ধ হয়ে গেছে আরও বেশ কিছু কারখানা, যাদের মধ্যে রয়েছে জেনসন-নিকলসন, কন্টেনার্স অ্যান্ড ক্লোজার্স, ইন্ডিয়ান পেপার পাল্প এবং গৌরীপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশন। জেনসন-নিকলসন বন্ধ হয়ে যায় ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে। তখন অবিশ্যি কথা ছিল যে মাত্র তিনমাসের মধ্যেই ফের খুলে যাবে কারখানাটি। কিন্তু, কে আর কবে কথা রেখেছে! ২০০৯ সালেও একইভাবে বন্ধ আছে জেনসন-নিকলসন। শ্রমিক অসন্তোষ, ঘেরাও, লক আউট ইত্যাদি কোনোকিছুই হয়নি এখানে, তবুও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে কারখানা বন্ধ। কারখানার একমাত্র শ্রমিক ইউনিয়নের (যা কি না সরকারি বামদলের ছত্রছায়ায় পুষ্ট) নেতারা এখনো আশা দিয়ে যাচ্ছেন "আজ খুলবে, কাল খুলবে' বলে। আর এই প্যাঁচে পড়ে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে মিলের আবাসনে যে তিরিশটি মজুর-পরিবারের ১৫০ জন মানুষ বসবাস করছেন, তাঁদের জীবন।

    ১৯৮৩-তে কোনো এক অজানা কারণে কন্টেনার্স অ্যান্ড ক্লোজার্স ডিনোটিফিকেশনে যায়, আরো পাঁচটা অন্য কোম্পানির সঙ্গে। কিন্তু, বাকি কোম্পানিগুলি সুপ্রিমকোর্টে মামলা দায়ের করে লিক্যুইডেশনের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ পায়; ফলে, শ্রমিকদের নিয়মমাফিক বেতন পেতে অসুবিধা হয়নি। অথচ, সি।সি। কোম্পানির ক্ষেত্রে এই নিয়মের অন্যথা হয়। শ্রমিক ও কর্মচারিদের মাইনে কমতে কমতে শূন্যে এসে ঠেকে। অবশেষে, ১৯৮৫ সালে টিকমানি নামে এক লোহার ব্যবসায়ী প্রায় জলের দরে কারখানার যাবতীয় সম্পত্তি কিনে নেন। কারখানা হাতে চলে আসার পরই সমস্ত বিদেশি যন্ত্রপাতি রাতারাতি বাইরে পাচার হয়ে যায়। কোনো তরফে এর কোনো প্রতিবাদ শোনা যায়নি।

    গৌরীপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশন বা ইন্ডিয়ান পেপার পাল্পের (আই।পি।পি) গল্পও কমবেশি একই রকম। আই।পি।পি-কে ইচ্ছাকৃতাবে চুরি-দুর্নীতির জালে ফাঁসিয়ে রুগ্ন করে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে, মিলের প্রধান পরিচালক, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ট আত্মীয়ের ভূমিকা ছিল বলে শোনা যায়। যখন সামান্য কিছু অর্থ হাতে ধরিয়ে দিয়ে শ্রমিকদের অবসর নিতে বাধ্য করা হয়, তখন ইউনিয়নগুলি নির্বাক দর্শকের ভূমিকা নিয়েছিল। ২০০৩ সালে মিল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সামান্যমূল্যে মিল কিনে নেয় বালাজি গ্রুপ। আই।পি।পি-র শ্রমিকদের মধ্যে থেকে সামান্য কিছু শ্রমিককে বাছাই করে, মাত্র একশো টাকা মজুরি দিয়ে, সেখানে এখন আবার উৎপাদন শুরু করার চেষ্টা চলছে। লাভের গুড় কিন্তু খেয়ে নিয়েছে মালিক -- শ্রমিক কমে গেছে, একলাফে কমে গেছে মজুরিও। আর মিলের মালিকানা চলে গেছে বেসরকারি হাতে।

    এই কারখানাগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শুধু যে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন তা-ই নয়, নৈহাটি-গরিফার সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোটাই আজ ভাঙনের মুখে। বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, হতাশা এবং আত্মহত্যার হার। একদিন যে মানুষটি কারখানার শ্রমিক ছিল, সে আজ ভ্যানরিকশা চালায়, আর তার বৌ বাবুদের বাড়ির ঝি। তাদের সন্তানদের ইশকুল থেকে ছাড়িয়ে এনে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে চায়ের গুমটিতে কিংবা গ্যারাজে।

    চারিদিকে বড় বড় শিল্পের ভারি ভারি কথার আড়ালে হারিয়ে যেতে থাকে এইসব ছোট-ছোট সমস্যার কথা। অথবা, সত্যিই কি এই ঘটনাগুলো এতটাই সামান্য? সরকারি বন অনুযায়ী শিল্পায়নের যে গ্র্যান্ড ন্যারেটিভটি তৈরি করার চেষ্টা চলছে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামকে সামনে রেখে, এই ঘটনাগুলি কি তার মুখে একটা বড়-সড় প্রশ্নচিহ্ন বসিয়ে দেয় না? রাজ্যে শিল্পায়নের পেছনে রাজনৈতিক দলগুলির সদিচ্ছাই বা ঠিক কতটুকু? যেখানে বারবার শিল্পায়ন-হেতু কর্মসংস্থানের কথা উঠে আসে, সেখানে এইসব কাজ-হারানো শ্রমিকদের বিষয়ে নিশ্ছিদ্র নীরবতা নানান সন্দেহের উদ্রেক করবে, এটাই স্বাভাবিক। আজকাল তো, এমন কি, বড় কোনো কারখানার আশেপাশে গজিয়ে ওঠা পান-বিড়ির দোকানকেও কর্মসংস্থান হিসেবে দেখানো হয়। অথচ, রাজ্যের চারদিকে বন্ধ হয়ে যেতে থাকা কারখানাগুলিকে যথাযথভাবে চালু করলে যে আখেরে সত্যিই অনেক মানুষের কাজের যোগান আসবে, সে ব্যাপারে কারোর কোনো হেলদোল নেই। বড়-বড় শিল্পে পুঁজির বিনিয়োগ হয় প্রচুর, কিন্তু অটোমেশনের সুবাদে সেখানে বহুলসংখ্যক শ্রমিকের আদৌ কোনো প্রয়োজন হয় না -- তারা গিয়ে জোটে ছোটখাটো অ্যান্সিলিয়ারি কারখানাগুলোতে, ঠিকে শ্রমিক হিসেবে। তাহলে কি সংগঠিত শ্রমিকদের মেরুদন্ড ভেঙে দিয়ে তাদেরকে অসংগঠিত ঠিকে শ্রমিকে পরিণত করাটাই রাজনৈতিক দলগুলির প্রকৃত উদ্দেশ্য?

    অনেক আগে এক আধ-পাগলা বৃদ্ধ আমাদের সামনে তর্জনি নেড়ে বলেছিলেন -- "ভাবো, ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিশ করো।' আমরা কি সেটুকুও করব না?

    সূত্রঃ
    "বন্ধ কারখানা বিপন্ন শ্রমিক আক্রান্ত নগরজীবন' -- নৈহাটি শিল্পাঞ্চল বাঁচাও মঞ্চ এর প্রতিবেদন।
    "নৈহাটি জুট মজদুরদের ভুখা অবস্থান' -- শীর্ষেন্দু দত্ত, সংবাদমন্থন।

    মে ১০, ২০০৯

    http://www.guruchandali.com/default/2009/05/10/1241908980000.html#.UfksB41vOLE
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন