এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩২০১৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৯:৪৪523787
  • অশোক মিত্র ঠিক লিখেছেন। নজরুল ইসলাম ও ঠিক লিখেছেন। রাজনৈতিক ইচ্ছে থাকলে উপলব্ধ আই পি সি'র প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গ, জালিয়াতি এগুলোর বিরুদ্ধে যে ধারা গুলো আছে সেগুলো দিয়েই এদের আটকানো শুরু করা যেত। অন্ততঃ অশোক মিত্রের লাইনে এদের ব্যবসা বন্ধ তো করা যেত। সরকার থেকে বিজ্ঞাপন দিয়ে জনগণকে এইসব ভেকধরা চিটফান্ডে পয়সা রাখবেন না।
    "এত বেশি সুদ কেউ দিতে পারে না" এই বলে জনতাকে সতর্ক করা যেত। সেটা পরবর্তী বাম সরকার না করে ঢিলে দিলেন কেন? সেই আইন না হলে এদের ওপর অ্যাকশন নেয়া যাবে না বলে কেন্দ্রের ওপর দায় চাপিয়ে বসে রইলেন কেন?
    কেন গণশক্তির পাতায় সারদার বিজ্ঞাপন এপ্রিল ২০১৩ অব্দি ছাপাতে লাগলেন? তখনো কি মমতার মত ওনারা সারদার চরিত্র বুঝতে পারেন নি? এদিকে চিটফান্ডের ব্যাপারে বামেরা সরব হয়েছেন ওদিকে বিজ্ঞাপনও নিচ্ছেন?
    আর বিষ্ণুপুরের ভিলেন আদৌ পূর্ব বিধায়ক আনন্দ বিশ্বাস নন। তারা হল দুই সিটু ইউনিয়ন লিডার যাদের দাপটে পাব্লিক ভীত ছিল। আজ তারা তিনোর ক্যাডার। এ নিয়ে আনন্দবাবুই পার্টির স্তরে কম্প্লেন করে কলকে পান নি। বিরক্ত হয়ে বসে গেলেন। আজ উনি সে নিয়ে কথা বলছেন বলে পার্টি বলছে ওনাকে টিকিট দেয়া হয় নি। পরে বের করে দেয়া হয়েছে। বাজে কথা। ওনাকে কবে শো-কজ করা হল আর কবে বের করা হল চেক করলেই সত্যিটা ধরা পড়বে।

    আর রাণাঘাটের বিধায়ক দেবেন বিশ্বাস, আই পি এস ? যিনি আড়াই বচর ধরে সারদার সিকিউরিটি কনসালট্যান্ট হিসেবে মাসে লক্ষ টাকা নিতেন? যাঁর আসল কাজ ছিল প্রচলিত আই পি সির ধারায় সারদার ওপর যাতে অ্যাকশন না হয় সেগুলো ম্যানেজ করা? তাঁর ব্যাপারে সিপিএম কবে অ্যাকশন নিলো? পিটি জানাবেন কি? আর বুদ্ধবাবু কার সঙ্গে স্টেজে চেনা যাচ্ছে না, বুঝলাম। কমরেড সুভাষ চক্রবর্তি যে সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে হাত ধরে কথা বলছেন সেটা চেনা যাচ্ছে? গণশক্তিতে সারদার বিজ্ঞাপন পড়া যাচ্ছে? আর ত্রিপুরার যে মহিলা মন্ত্রীর ভাই সারদার এজেন্ট, এবং সেই মন্ত্রী নিজে সারদার হয়ে প্রচার করেছেন সেটা ভুলে যাচ্ছেন কেন?

    ডিঃ আবার বলছি এর মানে এই নয় যে বর্তমান সরকারের সময় ওপর থেকে নীচের স্তরে অব্দি শাসক দলের নেতা, নেত্রী, বুদ্ধিজীবিরা যেভাবে চিটফান্ডের ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন তার সঙ্গে বাম সরকারের তুলনা চলে।
    জল আগে থেকেই ঘোলা হচ্ছিল, এরা মহানন্দে মাছ ধরছে। এবার রাজীবের বোফর্স কান্ডের মতন এই সারদা কান্ড এদের শেষ করবে-- এ নিয়ে সন্দেহ নেই।
    মুখ্যমন্ত্রীর "ছবি" যখন সুদীপ্ত সেন প্রায় দু'কোটি টাকায় কিনলেন তখনই কফিন তৈরির কাঠকাটা শুরু হয়ে গেছল।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২০:০২523788
  • বোধহয় ্ছ'মাস আগে শিবুর একটি প্রশ্নের উত্তরে সম্ভবতঃ এই পাতাতেই লিখেছিলাম " সরকারে যেই আসে আসুক, এরা যাক"।
    কে আসবে? সিপিএম? গাঁয়ের সংগঠন ভেঙে গেছে। সমাবেশ গুলো কোলকাতা কেন্দ্রিক।,
    দিল্লিতে, কেরালায় কারাত, ইয়েচুরিরাও খেয়োখেয়িতে ব্যস্ত।
    ইদানীং ইয়েচুরির সিপিএম পলিটব্যুরোতে কারা লাঠি ঘোরাচ্ছেন নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কমেন্ট " সাহেব-বিবি-গোলাম" দেখুন। (কারাত-বৃন্দা-শিবশংকর পিল্লাই?)। বিজয়ন/ ভি এস লড়াই দেখুন।
    কংগ্রেস? সংগঠন কোথায়? দিল্লির ঠেকা লাগানো আর মুর্শিদাবাদ-মালদহ ছাড়া কোথায়? তবু ওরা এখন সর্বত্র মিছিল করছে, বিশেষ করে গাঁয়ে, মফঃস্বলে।
    তবে কি কংগ্রেস- সিপিএম জোট? প্রত্যক্ষ না হোক, অপ্রত্যক্ষ ভাবে?
    জানি না। আমি কিছু জানিনা। কিন্তু মাটিতে কান পেতে আছি। বিশ্বকাপ ফুটবলের অক্টোপাসের মত।ঃ))))))
    আমার ভরসা সেই সব অনামা জনগণের প্রতি, সেইসব নামহীন, মুখহীন মানুষগুলোর প্রতি। যারা গাঁয়ে গঞ্জে বিশ্বাস করে প্রতাড়িত হয়েছে।যারা "ওয়ান-টু কো ফোর, অউর ফোর-টু-কো ওয়ান" করার ক্ষমতা রাখে।
    অনেক হয়েছে, এদের ঔদ্ধত্য সহ্য হচ্ছে না।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২০:০৮523789
  • অনেকে বলতেই পারেন এরা এখনো সিপিএম এর নন্দীগ্রাম-নেতাইয়ের মত বা কথিত রাইটার্স দখলের জুজু দেখিয়ে ১১ জনকে গুলি করে মারার মত কিছু করেনি।
    আমার কথা হল ওরকম কিছু হওয়া অব্দি অপেক্ষা করা কেন? যা রং-ঢং দেখা যাচ্ছে অপেক্ষা করলে তখন ওর চেয়ে বেশি কিছু হয়ে যেতে পারে। তাই এখন থেকেই-- যেই আসুক, এরা যাক।
    ফিরে আসা সিপিএম কেমন হবে? আগের চেয়ে উদ্ধত? আগের চেয়ে নম্র? জানিনা। জ্যোতিষ নই। যখন হবে, তখন দেখা যাবে। কিন্তু এরা যাক।
  • কৃশানু | 126.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২০:৪৯523790
  • অনেকে বলতেই পারেন এরা এখনো সিপিএম এর নন্দীগ্রাম-নেতাইয়ের মত বা কথিত রাইটার্স দখলের জুজু দেখিয়ে ১১ জনকে গুলি করে মারার মত কিছু করেনি। - রঞ্জনদা - একথা কদিন আগে অবধি আমিই বলেছি। ছিপিয়েম এর ছাপোর্টার হয়েও বলেছি।আর বলিনা। সারদা কান্ড প্রচুর লোককে ভাতে মারলো। সংখ্যাটা কম হবে না।
  • PM | 233.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:০৯523791
  • আপনার ১ ও ৩ নম্বর নিয়ে আমার বক্তব্য-
    ১) আপনি বলছেন "টানা ৩২ বছর একটা পার্টির ক্ষমতায় থাক উচিত নয় বলেই মনে করি। " এবার আমায় বিকল্পটা বলুন। পবয়ের ক্ষেত্রে বামেরা ক্ষমতায় না থাকলে কে/কারা থাকবে? মানুষকে তো ভোট দিতে হবে। কাকে দেবে? আপনাকে ২০১১তে কেউ জিজ্ঞাসা করলো - কাকে ভোট দেবো? কি বলবেন তাকে?

    আমি ডেফিনিটলি বলতাম অন্তত তৃনমুলকে দেবেন না। সেক্ষেত্রে কংগ্রেসকে ভোট দিতে বলতাম। এও বলতাম যদি কংগ্রেসকে যদি যথেষ্ঠ তৈরী না মনে হয় তো আরো ৫ বছর অপেক্ষা করুন। তাকে তপ্ত চাটু আর উনুন-এর পার্থক্যটা নিজের সাধ্যমত বুঝিয়ে দিতাম---ওটাকেই যে হঠকারীতা বলে তাও বোঝাতাম।
    ফাইনালি বলতাম যদি তৃনমুলকে আনতেই হয় তাহলে অন্তত বিরোধী দের বিরোধীতা করার জায়গাটা রাখুন। প্রথমবারের জন্য কোনোমতেই ল্যন্ড্স্লাইড জয় নয়।

    (সত্যি-ই এত কথা বলতাম কিনা জানি না, হয়্তো চোর পালিয়েছে বলেই এত বুদ্ধি বেড়েছে ঃ)

    ৩) "সেটাই তো কথা। বিষ্ণুপুরে গরীব মানুষদের ভয় দেখিয়ে জমি প্রায় কেড়েই নেওয়া হচ্ছিলো। তারা কোন অভিযোগ জানায় নি কাউকে এটা বিশ্বাস্যোগ্য নয়। তখন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন? পার্টি প্রশাসন কিছুই জানতো না?? আর যাদি তাই হয়, যে তারা কিছুই জানতো না, তবে বুঝে দেখুন পার্টি ও প্রশাসন কোথায় গিয়ে পোঁছেছিলো, যে এতোগুলো গরীব মানুষের উপর জুলুম - নজরেই এলো না।"

    আসে নি তো দেখাই যাচ্ছে। সেই জন্যই তো বল্লাম যে ৩২ বচ্ছর অকাদিক্রমে কারোর ক্ষমতায় থাকা উচিত-ই নয়।
    কিন্তু উল্টো ডিকটাও একবার ভাবুন। ২০১১ সালে ভোটে পার্টি তাকে প্রার্থী করে নি, বহিস্কার-ও করে। তখনো কিন্তু মিডিয়ার চাপে ছিলো না ঐ বিষ্ণুপুর নিয়ে। তার মানে পার্টির ইন্টার্নাল কন্ট্রল মেকানিসম কাজ করছিলো না একেবারে তা বলা যায় না।
    এর সমকক্ষ উদাহরন আপনি অন্য পার্টি থেকে একবার দেখান যেখানে কোনো FIR ছাড়া, কোনো মিডিয়ার চাপ ছাড়া কোনো পার্টি দলের কোনো সিটিং MLA /MP র বিরুধে ব্যবস্থা নিয়েছে। পঃবঃ থেকে দেখাতে হবে না, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দেখালেই চলবে।

    কিন্তু আমি-ই বা শুধু প্রশ্নের জবাব দেবো কেনো? ঃ) --- আপনি-ই এবার বলুন যে কিসের ভিত্তিতে আপনি তৃনমুলকে যোগ্যতর দল বলে মনে করেছিলেন সেদিন? কোন রজনৈতিক বোধ কাজ করছিলো সেই সময়। কেনো একবরো মনে হয় নি, তৃনমুল যেভাবে টাকা ছড়াচ্ছে/ওড়াচ্ছে ভোট-এ তার উৎস কোথায়?
  • PM | 233.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:১২523792
  • ত্রিপুরা নিয়ে আমার জ্ঞান গম্যি খুব কম। পড়শোনাও কম। আপনার কথার উত্তর দিতে যে পরিশ্রম করতে হবে তা আপাতত করার উৎসাহ পাচ্ছি না। প;বঃ এর সমস্যাই যথেষ্ঠ মাথা ঘামাবার জন্য
  • | 24.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:১৪523793
  • আপিলা চাপিলা একটাই বই।
    তিন কুড়ি দশ চারটে খন্ড, পরে একটা অখন্ডও বোধহয় বেরিয়েছে।
  • কৃশানু | 126.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:৩০523794
  • পি এম দা - তিননং পয়েন্টে ভুল হচ্ছে। রঞ্জন দা আগেই লিখেছেন। এটাই ঠিক খবর।

    আর বিষ্ণুপুরের ভিলেন আদৌ পূর্ব বিধায়ক আনন্দ বিশ্বাস নন। তারা হল দুই সিটু ইউনিয়ন লিডার যাদের দাপটে পাব্লিক ভীত ছিল। আজ তারা তিনোর ক্যাডার। এ নিয়ে আনন্দবাবুই পার্টির স্তরে কম্প্লেন করে কলকে পান নি। বিরক্ত হয়ে বসে গেলেন। আজ উনি সে নিয়ে কথা বলছেন বলে পার্টি বলছে ওনাকে টিকিট দেয়া হয় নি। পরে বের করে দেয়া হয়েছে। বাজে কথা। ওনাকে কবে শো-কজ করা হল আর কবে বের করা হল চেক করলেই সত্যিটা ধরা পড়বে।
  • কৃশানু | 126.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:৩৫523796
  • ও বাই দা ওয়ে, প: কা: থাকার দায়ে -
    আগের পোস্ট টা রঞ্জনদার পোস্ট থেকে কপি করা। যেটুকু সত্য আমি জানি তা হলো -
    "আর বিষ্ণুপুরের ভিলেন আদৌ পূর্ব বিধায়ক আনন্দ বিশ্বাস নন। তারা হল দুই সিটু ইউনিয়ন লিডার যাদের দাপটে পাব্লিক ভীত ছিল। আজ তারা তিনোর ক্যাডার।"
    বাকিটার সত্যি মিথ্যে জানি না - তবে বিশ্বাস যোগ্য তো বটেই -
    "এ নিয়ে আনন্দবাবুই পার্টির স্তরে কম্প্লেন করে কলকে পান নি। বিরক্ত হয়ে বসে গেলেন। আজ উনি সে নিয়ে কথা বলছেন বলে পার্টি বলছে ওনাকে টিকিট দেয়া হয় নি। পরে বের করে দেয়া হয়েছে। বাজে কথা। ওনাকে কবে শো-কজ করা হল আর কবে বের করা হল চেক করলেই সত্যিটা ধরা পড়বে।"
  • PM | 233.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:৪২523797
  • কিন্তু আমি পরিস্কার টিভিতে দেখেছি কৃশানু--ঐ বাম বিধায়ক সারদার অনুষ্ঠানে গিয়ে ওদের সম্পর্কে বহু ভালো ভালো কথা বলছেন। সম্ভবত ২০১০ সালের অনুষ্ঠানে। যা বলেছেন তা মোটামুটি মদন মিত্রের বক্তব্যের সমতুল্য। সুমন ঐ কাটিং দেখিয়ে বাসুদেবকে প্রশ্ন করলো " এই তো আপনাদের বিধায়ক-ও জড়িত, যখন উনি এই বক্তব্য রেখেছিলেন তখন উনি সিটিং MLA। আপনারা দায় অস্বীকার করতে পারেন না "। বাসুদেব তার উত্তরে বলল যে " ঐ বিধায়কের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পেয়েই আমরা ওকে প্রার্থী করি নি, পরে বহিস্কার করি"। ঐ অনুষ্ঠানে কেউ এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন নি।
  • কৃশানু | 126.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:৪৪523798
  • পিএম দা - আমি যা বললাম এই সময় কাগজের রিপোর্ট এর ভিত্তিতে।

    কাজেই সত্যি মিথ্যে জানিনে জানিনে জানিনে।
  • প্পন | 190.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:৫২523799
  • ইন্ডিভিজুয়াল ভোটার হিসেবে কী করে বুঝব আমার ভোটটা কাকে দিলে তৃণমূল টায়ে টায়ে (অন্যের সাহায্য নিয়ে) সরকার গড়তে পারত?

    এরকম হয় নাকি? না এইরকম জনগণকে বোঝানো যায়? : o

    তবে ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি যে খারাপই হয়, সেটা একমত।

    কেরালা মডেলে পাঁচ বছর পর পর সরকার উল্টোলে ওসব আপনা থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। কমিটেড ভোটার কমবে, ফ্লোটিং ভোটার বাড়বে ইঃ।
  • PM | 233.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ২২:৫৮523800
  • রন্জনদার "" সরকারে যেই আসে আসুক, এরা যাক"। এই বক্তব্যের বিরোধীতা করলাম। যদি মনে না হয় যে বিকল্প সরকার অন্তত এর থেকে বেশী সুশাসন/সুরক্ষা/উন্নয়ন দিতে পারবে -তাহলে সেই পরিবর্তন অর্থহীন। তা বর্তমান তৃনমুল সরকারের পরিবর্তন হলেও। দাবীটিও চুড়ান্ত অরাজনৈতিক।

    প্রত্যেককেই নিজের ক্রুশ নিজেই বইতে হয়। পশ্চিমবংগ বাসীদেরো করতে হবে অন্তত আরো ৩ বছর। এর মধ্যে তারা যদি চিনে নিতে পারে সেই সব মহান মানুষদের যারা দায়িত্ব নিয়ে তাদের এই অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছে তাহলে তাদের-ই মঙ্গল।

    আশা করবো এই ৩ বছরে যথার্থ বিকল্প গড়ে উঠবে
  • | 190.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০০:২১523801
  • ওকে। থ্যাঙ্কু দ।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০০:২৮523802
  • পিএম,
    আপনার শেষ লাইনটা আমার বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে। চাইলেই কালকে ইলেক্শন হবে না। আর শুধু "আশায় বাঁচে চাষা" গোছের অ্যাবস্ট্রাক্ট আশা নিয়ে কোন বিকল্প হয় না। এই আশাটাই অরাজনৈতিক। বিশুদ্ধ বিকল্প বলে কিছু হয় না। অন্ততঃ রাজনীতিতে। নইলে জরুরী অবস্থার সময় বাম ও অতি দক্ষিণ বিজেপি সোভিয়েট সমর্থক ইন্দিরার বিরুদ্ধে হাত মেলাত না। তারপর বিজেপিকে তাড়াতে চরণ সিং নামক কুলাক স্বার্থের সঙ্গে জোট বাঁধত না। আবার বিজেপির বিরুদ্ধে ইউপিএ জোটকে সমর্থন দিত না। ফের ইউপিএ থেকে সমর্থন তুলত না।
    ভাল মন্দ জাতীয় বিশেষণগুলো রাজনীতির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ও সময়ের ওপর নির্ভরশীল।
    তিন বছর পর এদের থেকে উন্নত বিকল্প তৈরি করতে হলে এখন থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পা ফেলতে হবে। এটাই রাজনৈতিক ভিশন। আর সতর্ক থাকতে হবে আগের ভুলগুলো রিপিট না হয়।
    আমার চোখে পড়েছে সূর্যকান্ত মিশ্র যিনি সমস্ত হামলার পরে আক্রান্ত সাথীদের জায়গায় পৌঁছে পাল্টা জমায়েত করছেন। বক্তব্য রাখছেন সংয্ত ভাষায় কিন্তু টু দ্য পয়েন্ট, ব্যক্তিগত আক্রমণ কম করে রাজনৈতিক বক্তব্য রাখছেন, সরকারের নীতি নিয়ে সমালোচনা করছেন।
    গৌতম দেব একেবারেই নয়। গিমিক বেশি। অভিষেক নিয়ে প্রেস কনফারেন্স দেখলাম। পুরোটাই।
    পোর্টালে সব বড় বড় কথা সবাই লেখে। অভিষেক বন্দ্যো ও লিখেছেন। আগে ২০০৯ এ ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। সে যাই হোক। ২০১২ তে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অরুণাভ ঘোষ যেমন বলেছেন-- প্রসপেক্টাসে বেশির ভাগ কথা হ্যান করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা গোছের।
    এখনো করেনি, তাই সেবি বা আর বি আই বা ইরডার নিয়ন্ত্রণে আসা নিয়ে কথা বলার সময় হয় নি। ইরেগুলারিটি বটেই। কিন্তু প্রথম দিন যা বলেছিলেন " ৩০০ কোটি টাকার চিটফান্ড চালাচ্ছে" সেটা নিয়ে কোন তথ্য দিতে পারেন নি। তাই আজ মানহানির ক্রিমিনাল কেস খেয়েছেন।
    ইলেকশানের আগে রসিদ কাটা নিয়ে প্রমাণ দেবেন বলে না দিতে পারায় কেসটা এখনো চলছে।

    পিটি,
    কমঃ বুদ্ধ'র যার সঙ্গে ছবি দেখা যাচ্ছে তিনি 'আইকোর" বলে চিটফান্ডের মালিক।
    উনি ক্ষিতি গোস্বামীর প্রতিবেশি। তাই ক্ষিতি ও সুশান্ত ঘোষের চেম্বারে ও মুখ্যমন্ত্রীর পাশে তাঁর উপস্থিতির ছবি। আইকোর ও সেবির কালোখাতায় ওঠা সংস্থা।
    অবশ্যি এতে কিছুই প্রমাণ হয় না। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর তো সারদার প্রোগ্রামে যাওয়ার ছবি আছে। তাতে কিছুই প্রমাণ হয় না।
    তবে ত্রিপুরার মহিলা মন্ত্রীটির বোধহয় চাকরি যাবে, ওর ভাই যে সারদার এজেন্ট আর উনি সারদার হয়ে মদন মিত্রের স্টাইলে প্রচার করেছিলেন।
    আর রানাঘাটের এম এল এ দেবেন বিশ্বাস, আই পি এস এর ছবিতো সারদার সঙ্গেই। তাতেই কি বা আসে যায়!
  • SC | 160.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০১:৫৮523803
  • এইগুলো unfair। সিপিএম তৃনমূল বলে নয়, কিন্তু লোকে জানবে কি করে যে এরা অবৈধ ব্যবসায় জড়িত?
    বুদ্ধবাবু, মানিক সরকার, এরা কি গোয়েন্দা নাকি?
    কু ঘো তো সি ই ও ছিল, তার দায়িত্ব আছে। কিন্তু কে কোন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, এটা কোনো যুক্তি ই হতে পারে না।
  • pinaki | 56.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০২:৪১523804
  • ধুর, দুনিয়ার লোক জানে আর মন্ত্রীরা জানবে না? আর মন্ত্রীরা কি যে যেখান থেকে খুশি এসে বল্লেই সেখানে চলে যায়? নিজের দলের মধ্যে হাই লেভেলে রেকো না থাকলে? আমি আমার পাড়ায় রক্তদান শিবির করে মমতাকে ডাকলে আসবে? নাকি বুদ্ধকে ডাকলে আসবে?
  • SC | 160.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০২:৫৪523805
  • দুনিয়ার লোক তো আজকে জানে। তারা কি আগে জানত?
    ওরা তো আইনতই ব্যবসা করছিল।
  • pinaki | 56.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০৪:২৫523807
  • যারা একটু খোঁজখবর রাখে তারাই জানত। রাজনীতির সাথে যুক্তরা তো জানতই। আমি নিজেই তো দেশের বাইরে বসে থেকেই এবং রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত না থেকেই সেই কবে থেকে জানি যে সারদা চিট ফান্ড চালাচ্ছে আর যে রেটে এজেন্ট কমিশন আর ইন্টারেস্ট দেবে বলছে সেটা শুনলেই বোঝা যায় যে ওটা জালিয়াতি। তার জন্য আইন জানার দরকার হয় নি। আমি সারদার চিট ফান্ডের ব্যাপারে জানি বিধানসভা নির্বাচনেরও বেশ কিছুটা আগে থেকে। খুব সম্ভবতঃ ২০০৯ নাগাদ। তার আগে সারদার জমি রিলেটেড ঘাপলার কথা কিছু কিছু জানতাম। নেতা মন্ত্রীরা যদি বলে যে জানতাম না, বা আগে বুঝিনি এদের কিসের ব্যাবসা - সেটা এক্কেবারেই মিথ্যে কথা।
  • pinaki | 56.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০৪:৩৮523808
  • আর আইনতঃ না ধরতে পারলেও সরকার যদি দায়িত্ব নিয়ে নেগেটিভ ক্যাম্পেন করত তাহলেই এদের এই বাড় বাড়ন্ত হত না। সিম্পলি এটুকুই অংক কষে দেখানো যেত যে এই পরিমাণ ইন্টারেস্ট কোনো ব্যাবসা থেকে দেওয়া সম্ভব নয় জালিয়াতি না করলে। সরকার একটা ব্যাপারকে ভাঁওতাবাজি বলে প্রচার করছে আর অন্যদিকে দলে দলে লোক গিয়ে সেটায় নাম লেখাচ্ছে - এরকম হতই না। খুব মার্জিনাল একটা অংশ হয়তো করত। সেটা না করে উল্টে সরকার কনফিডেন্স জুগিয়েছে (এই সরকারের আমলে)। আর বাম আমলে তাঁরা কিছুটা অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র হয়ে বসেছিলেন। ওদিকে নিচুতলায় গণেশ দে রা লুটে খাচ্ছিলেন। এই গণেশ দে হল অসীম দাশগুপ্তর পিএ। এখন যদি অসীমবাবু বলেন যে গণেশের সাথে সারদার ইনভলভমেন্টের ব্যাপারে আমি কিছুই জানতাম না, সেটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য?
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০৭:১৬523809
  • পিএম।
    আমার জবাব্টা প্পন দিয়ে দিয়েছে Date:03 May 2013 -- 10:52 PM এর পোস্টে।
    আপনি কংকে ভোট দিতে বলতেন। কং তো তৃণ জোটে ছিলো। তাহলে ঘুরিয়ে তৃণই হলো। যে কেন্দ্রে কং নেই সেখানে কি ভোট বয়কট?
    দেখুন, আমি আপনি চাইলেই পছন্দ মতো জোট তৈরী হবে না।
    আমি তো বহুবার লিখেছি অন্য বামেরা বামফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে এসইউসি ও নকশালদের নিয়ে জোট করলে, সে জোট ক্ষমতায় না এলেও ঠিকঠাক বিরোধী হিসাবে কাজ করবে, যেটা পবতে বাম আমলে ছিলো না। তৃণ আমলেও নেই। তা, আমি চাইলেই হবে? চুপি চুপি বলি, এ নিয়ে ক্ষিতি গোস্বামীর সাথে কিছু মানুষ আলোচনাও করেছিলেন। হয় নি, কিছুই হয় নি।
    আমরা তো চেয়েছিলাম ভোটদানে বিরত থাকলাম - ব্যালটে বা ইভিএমএ এরকম একটা খোপ বা বোতাম। যে অধিকারটা
    আমাদের সেবা করার জন্য যারা বিধানসভায়/লোকসভায় নির্বাচিত হয় তারা পায়, আমরা পাবোনা কেন? পাই নি। আপনার মতে আদর্শ পরিস্থিতি - বামেরা ক্ষমতায় থেকেই গেলো, কিন্তু বিরোধীরা সংখ্যায় বাড়লো। আমি অবশ্য মনে করি তাতে বামেদের আরও সব্বোনাশ হতো।
    কিন্তু এরকম ল্যান্ড্স্লাইড হলো কেন? শুধুই বুজী আর মিডিয়া?
  • SC | 34.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ০৮:০১523810
  • সারদা ছাড়া বাকিরাও এরকম সুদ দেয়?
    রোজ ভ্যালি, আইকোর, যারা এখনো ব্যাবসা করছেন?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১১:৩৫523811
  • SC,
    মাইরি! আপনি কোন দুনিয়ায় আছেন?
    আপনার প্রশ্নের সোজা সাপটা উত্তর হল --হ্যাঁ।
    বঙ্গে অন্ততঃ ২০০র মত বড়-মেজ-সেজ কোম্পানি আছে যারা হাসপাতাল, কলেজ, এগ্রিকালচারাল ফার্মিং, বীমা, আজ সেগুন গাছ পুঁতলে দশ বছর পরে এত লক্ষ টাকা পাবেন বা একহাজার টাকার আলুর বন্ড কিনলে---( এবারের বই মেলায় ওদের আলু নিয়ে বিরাট হোর্ডিং ও গ্রাহকদের ঋণপত্র বিক্রির জন্যে বিশাল স্টলের রমরমা উল্লেখনীয়। এগুলো সব বে-আইনী।
    মুখ্যমন্ত্রী নিজে পুলিশমন্ত্রী, গোয়েন্দা বিভাগ ওনার অধীন। হোম সেক্রেটারি আছেন, উনি জানতেন না?
    আর কোন মন্ত্রী, বাম বা ডান, নিজস্ব দলীয় রেকমেন্ডেশন ছাড়া কোন পাবলিক ফাংশানে যান না। এ ব্যাপারে যাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আছে তারাই একবাক্যে সায় দেবেন।
    এই রোজমেরি ইত্যাদি সংস্থাগুলি কেউ নিজেদের চিটফান্ড হিসেবে রেজিস্ট্রেশন না করিয়ে প্রাইভেট লিমিটেড কোং বানিয়ে একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে উপরে দেখানো উদ্দেশ্য দেখিয়ে ( হ্যাঁ, মাইক্রো ফাইনান্স ও বটে!) কিছু জমি-বাড়ি বানিয়ে সেগুলোকে অ্যাসেট দেখিয়ে পাব্লিকের থেকে নিয়ম বহির্ভূত ডিপোজিট নেয়। নেয় দুভাবে।
    এক, চড়া সুদে রেকারিং ডিপোজিট বা ফিকস্ড ডিপোজিট হিসেবে।
    দুই, চড়া সুদে ডিবেঞ্চার বা ঋণপত্র জারি করে।
    দুটোই বে-আইনী। কারণ, এভাবে পাবলিক থেকে ডিপোজিট নিতে গেলে ওদের রিজার্ভ ব্যাংকের থেকে নন-ব্যাংকিং ফিনাসিয়াল কোম্পানি হিসেবে লাইসেন্স নিতে হবে(NBFC). আর রিজার্ভ ব্যাংকের অডিটের আওতায় থাকতে হবে।
    এইবার দেখুন, কি করে সরকার ওদের ওপর স্টেপ নেবে?
    -আইপিএল এর অধিকাংশ টিমের (কেকেআর সমেত) জার্সিতে প্রয়াগ/রোজমেরি এদের লোগো। ইস্টবেঙ্গল-মোহন-মহমেডান- প্রয়াগ ইউনাইটেড-কালীঘাট সবার বাজেটের বড় অংশ এদের দয়ায়।
    --- বাম সরকারের শেষ ফিল্ম উৎসবে সারদার দান ছিল।
    গত বিত্তমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্তের পি এ খড়দার সিপিএম নেতা গণেশ দে সারদার পে-রোলে ছিলেন। অসীম বলছেন-- তাতে কি, ওর কোন ফাইল ওল্টানোর অধিকার ছিল না।
    ( এইডা শুইন্যা ঘুরায় হাসবো।! পি এ ফাইল দেখে না? রাখে কিভাবে? চৌখ্যে ঠুলি বাইন্ধা? আর সারদা খামোখা গণেশ দে রে এত পয়সা দিয়া পুষছিল?)
    পার্টি থেকে এখন বের করেছে, যখন সব কিছু প্রমাণ হয়ে গেছে, পুলিশের কাছে সব তথ্য এসেছে তখন। এখন তো ও ডিসপোজেবল। ঠিক যেমন বিজেপি বের করে দেয়।
    কিন্তু পার্টির সংবিধান মেনে ওকে শো-কজ করার কথা, আত্মপক্ষে কিছু বলার সুযোগই দেয়া হল না। আইনে বলে যত বড় অপরাধই হোক না কেন, ওর পক্ষ না শুনে সাজা দেয়া ক্যানন অফ ন্যাচারাল জাস্টিসের বিরোধী।

    গৌতম দেবের দাদা প্রদীপ দেবকে ডাবের জল না কি যেন বোতলজাত করে বিক্রি করতে রাজ্য সরকার কয়েকবছর আগে নামমাত্র মূল্যে জমি দিয়েছিল। উনি ব্যাংক থেকে কয়েক লক্ষ টাকাও তুলেছিলেন। কিন্তু সেই কারখানা আজও শুরু হয় নি। প্রদীপ বাবু বলছেন যে এর সঙ্গে গৌতম দেবের কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু মূল ঘটনাটা অস্বীকার করছেন না।
    আর গৌতম দেব মন্ত্রী না থাকলে উনি শস্তা দরে জমি পেতেন? ব্যাংক লোন নিয়ে সেই জমিতে ফ্যাক্টরি না বানিয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারতেন?
    SC,
    এই রোজমেরি-আইকোর-প্রয়াগ সুদ্দু মোট ৭৩টি সংস্থাকে SEBI ব্ল্যাকলিস্ট করে ব্যবসা বন্ধ করতে বলেছে, একবছর আগে থেকে।

    আর গৌতম দেবের যে পিএ কে সারদার পে-রোল এ আছেন বলে পুলিশ জেরা করছে তিনি পিআরও ছিলেন, পি এ নন--- এমনটা গৌতম দেব দাবি করেছেন। আর এও বলেছেন যে ওঁকে নাকি গৌতম অমর্ত্য সেনের রেকমেন্ডেশনে চাকরি দিয়েছিলেন। অমর্ত্য সেন খবরটি অস্বীকার করেছেন।
  • paTal | 24.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১১:৩৮523812
  • রোজভ্যালি। রোজমেরি আমার প্রিয় উপকরণ, বললে হবা? ঃ)
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১২:০০523813
  • @সিদ্ধার্থ,
    অশোক মিত্র ও সঞ্চয়িতা নিয়ে কল্লোলের অবস্থান মনে হয় সঠিক।

    আজকের আবাপ'তে প্রথম পাতায় মূল খবর হল হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করতে গিয়ে রাজ্য সরকার যে এফিডেভিট পেশ করেছে তা থেকেই স্পষ্ট মমতা-সরকার অনেক আগে থেকেই সারদা ইত্যাদির কাজকর্ম সম্বন্ধে জানত। ক্ষমতায় এসেই মে'১১ থেকেই নাকি সরকার এসম্বন্ধে স্টেপ নেয়া শুরু করে! তাহলে ১৫ এপ্রিলের আগে মমতা কিছুই জানতেন না-- এই স্টেটমেন্ট উনি নিজেই খন্ডন করছেন!!!!

    আর ভেতরের পাতায় দেখুন সঞ্চয়িতা নিয়ে অশোক মিত্রের অ্যাক্টিভিজম নিয়ে সন্দীপন চক্রবর্তির রিপোর্ট। সেখানে অন্ততঃ দু'জন সিপিএম এর প্রাক্তন রাজ্য কমিটির সদস্যের বক্তব্য কারো কথা না শুনে সঞ্চয়িতার বিরুদ্ধে স্টেপ নেয়াতেই ওনাকে পরবর্তী নির্বাচনে হারতে হল। কিন্তু ওনার বোল্ড স্টেপের ফলে দশ বছর এই জাতীয় সংস্থাগুলো বঙ্গে মাথা তুলতে পারেনি। উনি ১৩৫ টি সংস্থার অফিস বন্ধ করিয়ে কাগজে ছেপে ওদের লালাবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, কোন নতুন আইন বানাতে হয় নি( নজরুল ইসলাম যেমন বলেছেন)।
    ---- কল্লোল ও তো তাই বলেছে!
    এ নিয়ে প্রতিবেদক অশোক মিত্রের কমেন্ট চেয়েছিল। কিন্তু অশীতিপর অসুস্থ নেতা এসে 'সরি' বলে কোন কমেন্ট করতে অস্বীকার করেছেন, বিতর্ক এড়িয়ে গেছেন। কিন্তু এগুলো অপপ্রচার, মিথ্যে তাও বলেন নি।
    এবার অসীম দাশগুপ্তের বক্তব্য দেখুন। ---নির্দিষ্ট অভিযোগ না পেলে কিছু করা সম্ভব নয়। যেখানে পাওয়া গেছে যেমন সঞ্চয়িনী/ ওভারল্যান্ড ইত্যাদি তিনটি সংস্থার বিরুদ্ধে স্টেপ নেয়া হয়েছে।
    ঠিক কথা।
    অথচ, অশোক মিত্র কোন পাব্লিক কম্প্লেনের তোয়াক্কা না করে অস্বাভাবিক সুদের লোভ দেখিয়ে বে-আইনী ভাবে টাকা তোলা হচ্ছে এই মর্মে পুলিশের একজন ইনস্পেক্টরের থেকে কম্প্লেন নিয়ে অ্যাক্শন শুরু করলেন।
    তাই আজ অসীমবাবুর পিএ কে সারদার পে-রোলে দেখা যাচ্ছে। তড়িঘড়ি বহিষ্কার করতে গিয়ে পার্টি বলছে পার্টিকে না জানাইয়া সারদার পে-রোলে থাকার অপরাধে--?
    হে ভগবান ! এটা কি অফিসিয়ালি অনুমতি নিয়ে করার কথা?
    সিপিএম এর মহিলা নেত্রী শ্যামলী গুপ্ত স্বীকার করেছেন যে এই অবাস্তব সুদের প্রলোভনের বিরুদ্ধে পার্টি বা সরকার কোন সংগঠিত প্রচার করতে পারেনি। কিছু না করে শুধু এইটুকু করলেও অনেক মানুষ সর্বস্বান্ত হওয়ার থেকে বাঁচতে পারত।
    আমেন!
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১২:১০523814
  • একটা মজার কথা!
    আজ সিপিএম কে সম্মান বাঁচাতে আশ্রয় নিতে হচ্ছে সেই অশোক মিত্রের এবং তাঁর আবাপ'তে প্রকাশিত প্রবন্ধের।
    অথচ, নন্দীগ্রামের ঘটনার পর যখন অশোক মিত্র আবাপ'র পাতায় " তুমি আর নেই সেই তুমি" প্রবন্ধ লিখে সিপিএম কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন যে যে হারে সিপিএম ও বাম সরকার জনগণের পার্টি থেকে সরে গিয়ে ঠিকেদারদের স্বার্থরক্ষার পার্টিতে পরিণত হয়েছে -এখনো সতর্ক না হলে সেই দুর্দিন আসতে পারে যখন জনগণ তিতিবিরক্ত হয়ে ভাবতে পারে যে খুশি আসুক, চায় মমতা আসুক, কিন্তু বামেরা যাক।
    তাই হল।
    এই সতর্কবাণীর প্রসংগ বারবার তুললে এই মায়াপাতায় পিটি একাধিকবার লিখেছিলেন-- অশোক মিত্র শেষ কবে মিছিলে হেঁটেছেন? উনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেক দিন দূরে। ওনার কথাকে গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই।
    আজ অশোক মিত্র ও আবাপ'র খবর ভরসা, নতুন চক্ষুশূল "এই সময়"।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১২:১৪523815
  • SC,
    আমি আমার " মাইরি! আপনি কোন দুনিয়ায় থাকেন?" বাক্যটি বলার জন্যে লজ্জিত, মাপ চাইছি। ঝোঁকের মাথায় বেরিয়ে গেছে। সরি! উচিত হয় নি।
  • SC | 34.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১২:৩৭523816
  • আররে না না, আমি ওতে কিছু মনে করিনি।
    আমি অনেকদিনই বাঙ্গলার বাইরে, সত্যিই জানিনা, তাই জিগ্গেস করলাম।
    অবাক হচ্ছি দেখে যে ব্যবসা বন্ধ করতে বলার পরেও আইনত এখনো এরা দিব্যি ব্যবসা করে যাচ্ছে।
    এমনকি সারদা হওয়ার পরেও।
  • গান্ধী | 69.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১২:৪১523818
  • বাড়ি ফিরলাম। কয়েকজন বন্ধুর সাথে কথা হল, যারা রোজভ্যালীতে টাকা রেখেছিল। কোলকাতার আসেপাশে রোজভ্যালীই বেশি চলে। ওরা কেউ মাসে ২০০০, কেউ দৈনিক ১০০-২০০ এমন টাকা রেখেছিল। এখন টাকা ফেরৎ চাইতে গেলে এজেন্ট বলছে সুদ তো দুরের কথা, দেওয়া টাকার ২০% কেটে ফেরৎ দেবে

    রোজভ্যালী যদি লাটে ওঠে (মনে তো হচ্ছে উঠবেই), সারদার থেকে অনেক বড় ঝামেলা হবে
  • cb | 99.*.*.* | ০৪ মে ২০১৩ ১৩:০৪523819
  • রোজভ্যালী যদি সত্যি ই ওঠে, তাহলে এসব এজেন্ট দের কি হবে ভাবতে পারছ গান্ধী?

    ফ্র্যাংকলি বলছি ছিঁড়ে ফেলে দেবে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন