এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩২০২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • নেতাই | 131.*.*.* | ০২ মে ২০১৩ ১৭:১৯523754
  • মদোনবাবুকে সরিয়ে দিলে বেটার তো হয়ই।
    মদোন তো দুর অস্ত, নিধিরাম কুনাল ঘোষ কেও তো বের করার ইচ্ছে নেই দিদির।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০২ মে ২০১৩ ১৭:৪৯523755
  • PM
    এক, অবশ্যই আমার কাছে বাম বা তিনোর থেকে আলাদা আলাদা এক্স্পেক্টেশন, আলাদা আলাদা মাপদন্ড। তিনোদের থেকে বিশেষ আশা রাখিনা। গৌতম গম্ভীর লাগাতার আউট অফ ফর্ম হলে তার জায়গায় একটা ম্যাচে দুশখাতে কে নামানো হলে দ্বিতীয় জনের থেকে কি সমান এক্সপেক্টেশন থাকে?
    দুই,
    অবশ্যই পাস মার্ক আলাদা। একজন মাতাল যে নিয়মিত মাতলামি করে সে হয়তো একদিন মদ খেয়েও মাতলামি করেনি আর যে কোনদিন মদ খায় না সে যদি হটাৎ কোন পার্টিতে মদ গিলে বেসামাল হয়ে পড়ে-- কোন কেসটা বেশি শকিং?
    (মদ খাওয়াটার নেগেটিভ কনোটেশন না থাকতে পারে, কিন্তু মাতলামো টা নিশ্চয়ই নেগেটিভ!ঃ)))
    অথবা, যে ছেলেটা সারাবছর খেলে বেড়ায়, পড়ার বইয়ের সঙ্গে যার ভাসুর-ভাদ্রবৌ সম্পর্ক সে যদি সেকন্ড ডিভিশনে পাশ করে আর যার থে লেটার মার্ক্স আশা করা হচ্চে সে যদি মাত্র ফার্স্ট ডিভিশন পায়?
    গালটা কে খাবে, প্রথম না দ্বিতীয়?
    আশা করি আমার অবস্থান বোঝাতে পেরেছি।

    তিন,
    এই সারদা কান্ডে আমার চোখে অবশ্যই সিপিএম-তিনো সমান নয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন কিছু সমান রোগের লক্ষণ ফুটে ওঠা সত্ত্বেও।
    যেমন,
    সিপিএম এর বুদ্ধবাবু একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি সাহারার সুব্রত রায়ের ছেলের বিয়েতে পাঠানো প্লেনে যেতে অস্বীকার করেছিলেন। অশোক মিত্র সঞ্চয়িতার ব্যাপারে কড়া স্টেপ নিয়েছিলেন। অসীম দাশগুপ্ত মশায়ও কিছু নিয়েছিলেন, কিন্তু যথেষ্ট নয়।
    সিপিএম এর কোন বড় নেতা বা মন্ত্রী ( কমঃ সুভাষ চক্রবর্তীকে নিয়ে সন্দেহ আছে) সারদার টাকার খেলায় যুক্ত ন'ন বলেই মনে করি।
    অথচ বর্তমান শাসকদলের নেতাদের ( কিছু এম পি ও মন্ত্রী) সংলিপ্ততা এখন ওদের পুলিশেরই তদন্তের বিষয়।
    তবে ২০০৮ থেকে ২০১১ অব্দি ওদের বাড়-বাড়ন্ত( সুদীপ্ত সেনের আয়কর বিভাগকে দেয়া আইনি আয়ের হিসেব)র পেছনে দেবেন বিশ্বাস আদি পুলিশ থেকে সিপিএম বিধায়ক হওয়া লোকজন বা গ্রাসরুট লেভেলের নেতা-কর্মীদের সক্রিয়তা স্পষ্ট।
    চার,গণশক্তি বাজারী কাগজ নয়। পার্টির কাগজ( পিটির কল্লোলকে লেখা পোস্ট দ্রষ্টব্য)।
    তাই গণশক্তিতে পয়সার জন্য অন্য বাজারী কাগজগুলোর মত সারদা বা রোজমেরিতে টাকা রাখার বিজ্ঞাপন আমার মতে খুব বাজে ব্যাপার।
    পাঁচ,
    হিন্দি বলয়ে যেমন কংগ্রেস আর বিজেপি। বঙ্গে তেমনি তিনো আর সিপিএম।
    কংগ্রেস হল মাস পার্টি, যে যখন পারে মেম্বার হয়। করাপশানের চুড়ান্ত।
    বিজেপি হল সিপিএম এর মত ক্যাডার-বেসড পার্টি।
    জনজীবনে নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রাধান্য দেয়। বাজপেয়ীজির মদের প্রতি আসক্তি ওদের ক্যাডারদের কাছ থেকেও লুকিয়ে রাখা হয়।
    ওরা প্রচার করে যে ইতিহাস ওদের পক্ষে।
    তাই ক্ষমতায় আসার পরে ওদের নেতাদের মধ্যে কিছু কিছু করাপশনের কেস হলে ওরা চেপে রাখে। কিন্তু যেই প্রকাশ্যে আসে তখন ঘোষণা করে যে পার্টি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছি।
    তেমনি সিপিএম ও ইতিহাস ওদের পক্ষে বলে প্রচার করে। জনজীবনে নৈতিকতা বা সাদা পোষাককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
    সরকারে ঢোকার পর কিছু নেতাদের ধুতির রং বদলায়।
    (বুদ্ধ ভটচাজের বাম রাজত্বে "দুঃসময়" নাটক লেখা ও পদত্যাগ করা, সুভাষের ঠিকেদারদের পদ্মশ্রী দেয়ার রেকমেন্ডেশন, দুবচর আগে কেরালায় গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত ও প্রসিকিউশনের জন্যে মুখ্যমন্ত্রী ভি এস এর জোরাজুরি মনে করুন।)
    কিন্তু কারও ক্ষেত্রে একেবারে প্রমাণিত হয়ে গেলে বিজেপির মত বলে পার্টি থেকে বের করে দিয়েছি। আরে, সব কিছু কোর্টে প্রমাণিত হয়ে গেলে বের না করে কি করবে! আগে কি ঘুমোচ্ছিলে?
    ( দমদমে পুকুর বোজানো নিয়ে সিপিএম নেতার হত্যাকান্ডে ওখানের প্রভাবশালী নেতা দুলালের ধরা পরার পর পার্টি থেকে বের করে দেয়া মনে করুন।
    দুটো পার্টিই করাপশনের ক্ষেত্রে শেষ সময়ে বের করে। কিন্তু নেতৃত্বের সঙ্গে মতভেদ হলে তড়িঘড়ি বের করে।
    ( সোমনাথ চ্যাটর্জি ও প্রসেনজিত বসুর কেস দেখুন। জে এন ইউ এর এস এফ আই ইউনিট পার্টি ইউনিট নয়। ওদের সংবিধান অনুযায়ী ওরা সিপিএম এর পার্টি ডিকটাট মানতে বাধ্য নয়। ওদের মতভেদ ছিল কমঃ কারাতের সঙ্গে। ছাত্র আন্দোলনের কোন ইস্যু নিয়ে নয়, পার্টি ইস্যু নিয়ে। কিন্তু ঋতব্রত কলমের এক খোঁচায় গোটা জে এন ইউ ইউনিটকে ভেঙে দিলেন।)
  • PM | 233.*.*.* | ০২ মে ২০১৩ ২৩:০২523756
  • রন্জনদা বুঝলাম।

    কল্লোলদা,

    ১) "আমাদের মতো কয়েক হাজার বা লাখখানেকই (তক্কের খাতিরে ধরছি) গুরু ও অগুরু প্রচুর পরিবর্তন চাইইই বলে চেঁচিয়েছে। তাতেই মানুষ দলে দলে সিপিএমএর বিরুদ্ধে ভোট দিলো - একটু বাড়াবাড়ি রকমের সরলমতি ভাবনা। সাধারণ মানুষ যে ক্ষুব্ধ ছিলেন সিপিএমের উপর সেটা মানতে অসুবিধা কোথায়?" - সিপিয়েমের বিরুদ্ধে ভোট নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই। টানা ৩২ বছর একটা পার্টির ক্ষমতায় থাক উচিত নয় বলেই মনে করি। কিন্তু "সিপিয়েম যাক- যে খুশি আসুক" এই অবস্থান রাজ্নৈতিক ভাবে বলখিল্যতা আর অপরিনামদর্শিতা বলে মনে করি। ঠিক যে কারনে নকসাল আন্দোলনকেও বালখিল্যতা বলে মনে করি। দুটি ক্ষেত্রেই ফলাফল চোখের সামনে। রাজনৈতিক বিকল্প তৈরীর জন্য যে ধারাবাহিক সৎ প্রচেষ্টার প্রয়োজন তা বাঙালী বুদ্ধিজীবী/সৌখিন রাজনীতি চর্চাকারীদের সেদিনও ছিলো না আর আজও নেই। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের কথা যারা সেদিনের হঠকারীতা থেকে ঠেকে শিখেছিলেন তাদেরো সেই শিক্ষা পুনর্বার হঠকারী অবস্থান থেকে দুরে রাখতে পারে নি।

    ২)" বাম আমলে সঞ্চয়িতা, সঞ্চয়নী ইঃ বহু মানুষকে সর্বস্বান্ত করেছে। সেটাও কি কারুর বা কারুর কারুর ইচ্ছাপূরণে?" চিট ফান্ড আইনী ব্যবসা। সেটা আইন মেনে হচ্ছিল কিনা সেটা দেখার জন্য এজেন্সি আছে। কেন্দ্র এবং রাজ্যে দু জায়্গাতেই। যদি তা সত্তেও সমস্যা হয় তো সেটা নজর্দারীর সমস্যা তো বটেই। কিন্তু এবার অভিযোগটা সেটা নয়। গুলিয়ে দেবেন না। এবার অভিযোগ হলো সরকারী মন্ত্রীরা সরাসরী যুক্ত। ক্ষমতাসীন পার্টি তার পার্টি ফান্ড ভরিয়েছে, "সততার প্রতীক" বিঞ্জাপনী ঝড় বইয়েছে দিন আনি দিন খাই মানুষের রোজগারের টাকায়।

    এখন আপনি যদি হাওয়ায় এটা ভাসাতে চান যে সিপিয়েমের নেতারা সন্চয়িতার সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জরিত-তাহলে আপনাকে তার জন্য আপাতগ্রাহ্য প্রমান ( কোর্টের প্রমান না হলেও চলবে) হাজির করতে হবে। নাহলে সেই বক্তব্য গৌতম দেবের নানা অভিযোগের থেকে এক পয়্সা বেশী গুরুত্ব পাবার যোগ্য থাকে না।

    ৩) বাম আমলে সারদা ইঃরা জম্মো নিয়েছে ফলেছে-ফুলেছে। এই আমলে এসে ভসকা-ফুসকুলিয়ে গেছে। দায় কি বামেদেরও নেই? সেই যে সারদা সিটির নস্কর-তস্করেরা??

    আমি যা পড়লাম এ কদিনে তাতে দেখলাম যে সরদা চিট ফান্ড শুরু হয়েছিলো ২০০৭-এ যখন থেকে বাম সরকারের প্রশাসনিক রাশ আলগা হয়। কিন্তু যদি বামের কেউ জরিত থাকেই, তারা শাস্তি পাক--নির্দিধায়। এখনো পর্য্যন্ত বিষ্ণুপুরের এক বিধয়কের নামে অভিযোগ এসেছে- যে সরাসরি সারদার সাথে যুক্ত ছিলো। টিভির আলোচনায় শুনলাম ২০১১ তে পার্টি তাকে ভোট-এ দাঁড় করায় নি আর পরে বহিস্কার-ও করেছে।
  • aranya | 154.*.*.* | ০২ মে ২০১৩ ২৩:৪৮523757
  • পিএম-কে ক দিতেই হচ্ছে, গত্যন্তর নাই।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০০:১২523758
  • এত কথায় কি বা কাজ। এই তো সুযোগ বুদ্ধ-গৌতম-অসীম কে জেলে পাঠিয়ে সিপিএমের পঞ্চত্বপ্রাপ্তি ঘটানোর। সেটা সিবিআই-কে দিয়ে করিয়ে দিলেই তো হয়।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০১:৫৭523759
  • ১) আপনি বলছেন "টানা ৩২ বছর একটা পার্টির ক্ষমতায় থাক উচিত নয় বলেই মনে করি। " এবার আমায় বিকল্পটা বলুন। পবয়ের ক্ষেত্রে বামেরা ক্ষমতায় না থাকলে কে/কারা থাকবে? মানুষকে তো ভোট দিতে হবে। কাকে দেবে? আপনাকে ২০১১তে কেউ জিজ্ঞাসা করলো - কাকে ভোট দেবো? কি বলবেন তাকে?
    ২) আপনি লিখেছিলেন অ-বা-বে-না-ঝ-প-যা - এই সামান্য ইচ্ছাপূরণ করতে গিয়ে কতো মানুষ সর্বস্বান্ত হলো। মানুষ তো সে আমলেও সর্বস্বান্ত হয়েছিলো, তার দায় কি যারা সেবার বামেদের ভোট দিয়েছিলো তাদের?
    বামেরা টাকা নিক বা না নিক - সরকারে থাকায় দায় তো তাদেরই।
    ৩) সেটাই তো কথা। বিষ্ণুপুরে গরীব মানুষদের ভয় দেখিয়ে জমি প্রায় কেড়েই নেওয়া হচ্ছিলো। তারা কোন অভিযোগ জানায় নি কাউকে এটা বিশ্বাস্যোগ্য নয়। তখন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন? পার্টি প্রশাসন কিছুই জানতো না?? আর যাদি তাই হয়, যে তারা কিছুই জানতো না, তবে বুঝে দেখুন পার্টি ও প্রশাসন কোথায় গিয়ে পোঁছেছিলো, যে এতোগুলো গরীব মানুষের উপর জুলুম - নজরেই এলো না।

    এরপর বলবেন ৩২ বছর টানা ক্ষমতায় থাকা উচিৎ নয়। তো, পবয়ের বাস্তবের জমিতে দাঁড়িয়ে বিকল্প কি ছিলো জানাবেন।
  • প্পন | 190.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০২:১০523760
  • পিএমের পোস্ট থেকে মনে হচ্ছে পিএম এবং কারো কারো উইশফুল থিংকিং ছিল বুদ্ধিজীবীরা সিপিয়েমের বিরোধিতা না করলে তৃণমূল ক্ষমতায় থেকে যেত। ঃ)

    ডিঃ এ মনে হওয়া একেবারেই ব্যক্তিগত
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০২:১১523761
  • ভালো কথা, ত্রিপুরায় সারদা নিয়ে কি বক্তব্য?
  • প্পন | 190.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০২:১৬523763
  • কেডি সিং নিয়ে বক্তব্য টিভিতে দেখলাম। সত্যিমিথ্যে জানিনে, কারণ একবারই ব্রেকিং নিউজ হিসেবে দেখাল।

    মহঃ সেলিম নাকি বলেছেন, কেডি সিং নাকি ২০০৪ সালে ভালো লোক ছিলেন। ২০০৭-এর পরে মমতার সংস্পর্শে এসে খারাপ হতে শুরু করেন।

    এই সব বক্তব্য যদি পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতা রাখেন তাহলে তাদের নিয়ে বেশি আশা না করাই ভালো।
  • Arin | 212.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০৫:৩৭523764
  • এই কথা গুলো পড়া আছে নিশ্চয়ই?
    "যারা গরিব সাধারণ মানুষকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঠকিয়ে নিজেদের বিত্তবান করেছে এবং করছে, তাদের কোনও ক্ষমা নেই। তারা যে-ভেক ধরেই থাকুক না কেন, তাদের প্রতি নির্মম হওয়াই সামাজিক কর্তব্য ও দায়িত্ব। এই বিরাট পাপ-ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত প্রধান আসামি তার কয়েক জন শাগরেদের সঙ্গে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। নিজের অপরাধ যথাসম্ভব লঘু করার তাগিদে সে হয়তো তার পাপচক্রের সঙ্গে প্রধানত আর যারা-যারা যুক্ত, তাদের নাম উল্লেখ করতে তত্‌পর হবে; এই তালিকায় রাজ্যের শাসক দলের বেশ কয়েক জন চাঁইয়ের নাম না থাকাটাই হবে আশ্চর্যের ব্যাপার। মূল অপরাধীটিকে তাই রাজ্য পুলিশের জিম্মায় রাখা আদৌ উচিত নয়। যত দিন সে রাজ্য পুলিশের আওতায় আটকা থাকবে, তাকে স্তব্ধ করবার জন্য নানা রকম ছলচাতুরির আশ্রয় নেওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি, এমনকী প্রতিটি মুহূর্তে তার জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে অবিলম্বে আবেদন পেশ করা উচিত, যাতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত তার নিরাপত্তার দায়িত্ব সুনিশ্চিত করতে বিকল্প ব্যবস্থার নির্দেশ অনুগ্রহ করে অতি দ্রুত ঘোষণা করেন। প্রধান প্রধান অপরাধীদের মধ্যে কেউই যাতে আইনকে ফাঁকি না দিতে পারে, তার জন্যই এই বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন।"
    অশোক মিত্র লিখেছেন, আজকে আনন্দবাজারে দেখলাম,
    http://www.readability.com/articles/t1tdnpjq
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০৫:৪৭523765
  • আর একটা কথা।
    নকসাল আন্দোলন একটি বালখিল্যসুলভ বাম বিচ্যুতি। এটা নিয়ে আমি একমত ১৯৭২/৭৩ সাল থেকেই। কিন্তু - "রাজনৈতিক বিকল্প তৈরীর জন্য যে ধারাবাহিক সৎ প্রচেষ্টার প্রয়োজন তা বাঙালী বুদ্ধিজীবী/সৌখিন রাজনীতি চর্চাকারীদের সেদিনও ছিলো না আর আজও নেই। " এই বাক্যটির প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নকশালরা (সে যে ধারারই হোক) ৬৭-৭০এ সৌখিন রাজনীতি চর্চা করেনি। নিজেদের পড়াশোনা, কেরিয়ার জলাঞ্জলি দিয়ে রাজনীতিতে নেমেছিলো। তাদের অনেকেই রাষ্ট্রের হাতে প্রাণ দিয়েছেন। জীবনের সবচেয়ে ভালো সময়টা কারাগারে কাটিয়েছেন। তারা বোকা, অপরিপক্ক, অদূরদর্শী, অতি রোমান্টিক, বালখিল্য ইঃ অনেক কিছুই হতে পারেন কিন্তু অসৎ বা সৌখিন ছিলেন না। প্রাণ বাজী রেখে রাজনীতিত করেছেন। আজকে জ্ঞান চর্চার জগতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, গৌতম ভদ্র, শুভেন্দু দাশগুপ্ত, দীপাঞ্জন রায়্চৌধুরী, দীপেশ চক্রবর্তি, রণবীর সমাদ্দার কোথায় বিরাজ করেন দেখে নেবেন। এদের সমকক্ষ অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন, বা জেলে থাকার দরুন, বয়স হয়ে যাওয়ার দরুন, আড়ালেই থেকে গেছেন।
    এই একই কথা একমাত্র সিপিআই ছাড়া অন্য সকল বাম দলের কর্মী সম্পর্কেও প্রযোজ্য।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০৫:৫১523766
  • এই একই কথা একমাত্র সিপিআই ছাড়া *সেই সময়কার* অন্য সকল বাম দলের কর্মী সম্পর্কেও প্রযোজ্য।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ০৯:২৩523767
  • সিপিএম-কে গাল দিলে যে অশোক মিত্রর কথাকে ধ্রুবসত্য বলে মেনে নেয় কেউ কেউ তাদের জন্য এই বক্তব্য নিশ্চয় বিশ্ময়করঃ

    ".... সরকার তৎপর হয়ে ওঠে। বেশ কয়েক সপ্তাহ কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে.... সরকারি টেলিভিশনে সেই সতর্কবাণী দিনের পর দিন প্রচারিত হয়।"

    "এই জোচ্চুরি আর চলতে দেওয়া যায় না, এরকম সিদ্ধান্তে আসার পর ফ্রন্ট সরকার ব্যবস্থাগ্রহণে উদ্যোগী হল।"

    "তখন যদি রাজ্য সরকার এমন কড়া ব্যবস্থা না নিত......"

    এ-হে-হে এসব কি লিখছেন অশোক বাবু। জ্যোতি বাবু পারেননি, স্নেহাংশু আচার্য ইন্টুমিন্টু করেছিলেন, আর সবাই সব কৃতিত্ব ব্যক্তি অশোক মিত্রকে দেওয়ার জন্য অতি তৎপর-আর আপনি তৎকালীন রাজ্য সরকারের পক্ষ নিয়ে এইসব কথা ছাপাচ্ছেন!!?? আপনি তাহলে একেবারেই ভদ্রলোক নন-পাঁড় কমুনিস্ট।
  • সিদ্ধার্থ | 23.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১১:২৮523768
  • কল্লোল দা, অশোক মিত্রকে সঞ্চয়িতার জন্য সরে যেতে হয়েছিল এই বক্তব্য থেকে সরে আসলে না কি আসলে না?

    আমি কিন্তু লিখলাম, তথ্যসূত্র দিয়েই-

    ১-১৯৮২ তে সঞ্চয়িতার পর অশোক বাবু হেরে যান। জ্যোতি বসুর জোরাজুরিতে আবার জিতে ফিরে আসেন।

    ২- পদত্যাগ করেন ১৯৮৭ তে, যখন সঞ্চয়িতা সীনে নেই।

    ৩- যে মতান্তরের কারণে পদত্যাগ, তা খুব বড় নয়, নাহলে অশোক মিত্র আবার পার্টির হয়ে রাজ্যসভায় যেতেন না।

    এর বিপরীতে তুমি যুক্তি দিলে, অশোক বাবু যেহেতু কমি, তাই দায়বদ্ধতা থেকে সব সত্যি বলেন নি।

    প্রথম কথা, সত্যি মিথ্যের কথার থেকেও তো ফ্যাক্ট অন্য কথা বলছে। ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত অশোকবাবুর কাজ করা বা রাজ্যসভা তো মিথ্যে নয়!

    দ্বিতীয় কথা, কি করে জানলে অশোক মিত্র সত্যি বলেন নি? কোনো প্রমাণ আছে কি? আমি তো তথ্যসুত্র দিয়ে যুক্তি দিয়ে সাজালাম। তার বিপরীতে তুমি হাওয়ায় কথা ভাসালে। এবার কিন্তু এটা ছেলেমানুষী হয়ে যাচ্ছে!
  • abhirUp | 69.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১১:৩১523769
  • লিখতে হবে বলে লিখবই। জোশ নিয়ে হুঁশ ছেড়ে লিখবই। hu`nsh-এর h যাক শ্মশানে, বিস্ময় বিশ্ময় হলো, পরে বিষময় হবে। সর্ব স্বান্তরাও সর্ব ভাবে হবে শান্ত।
  • cb | 99.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১২:৩৮523772
  • দাউদ ইব্রাহিম?
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১২:৪৪523774
  • তাহলে মমতার দেখানোর সাহস হতনা বোধহয়!

    abhirUp
    বিশ্ময় দেখে এখনও আমার বিস্ময় কাটেনি! ধন্যবাদ।
  • | 190.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৩:০২523775
  • ইয়ে ভদ্রলোক রা "পাঁড় কম্যুনিস্ট" হন না বুঝি? বা উল্টো টা?
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৪:০৬523776
  • সেই রকমটাই তো আলোচিত হল আগে!!
  • | 126.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৪:৪১523777
  • কী জানি। এখানে এসে কত নতুন নতুন জিনিস শিখছি।
  • কৃশানু | 177.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৫:১৯523778
  • বোতিন্দা - পুরনো আবাপ তো যোগাড় করা কঠিন।
    তা তুমি যখন মায় রেড বুক পর্যন্ত পড়েই ফেলছে, তখন 'আপিলা চাপিলা'-টা পড়ে নিও।
  • PM | 233.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৫:২৬523780
  • কল্লোলদা, যে ছেলেদের কথা লিখেছেন তারা অসৎ নয়। তাদের নেতৃত্ব অসৎ ছিলো যারা ঐ চমৎকার ছেলেগুলোকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে বিপথে নিয়ে গেছিলো। আর "বিকল্প"? হঠকারীতা বিকল্প তৈরী করতে পারে না।

    অশোক মিত্রের লেখা ছাড়া আজ আঃবাঃ তে তার নীচেই আর একটা লেখা আছে-
    http://www.anandabazar.com/3raj2.html

    "ওই মামলায় উপেনবাবুর এক সহকারীর কথায়, “আমরা ওভারল্যান্ডের মালিক, তাঁর স্ত্রী-সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছিলাম। কত জনকে সাজা দিতে পেরেছিলাম সেটা বড় কথা নয়। আমরা আমাদের বাহিনীর সাহায্যে গোটা প্রতারণা চক্রটাকে প্রকাশ্যে এনেছিলাম। ১ হাজার ৫৪৬ বিঘে জমি ক্রোক করেছিলাম।”
    ওভারল্যান্ড-কাণ্ডের তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, এক বিধবার গচ্ছিত টাকা একটি অর্থলগ্নি সংস্থা ফেরত দিচ্ছে না বলে ভবানী ভবনে অভিযোগ আসে। বেশ কিছু মানুষ সোনারপুরে ওই সংস্থার অফিসে ভাঙচুর চালায়। তৎকালীন ডিআইজি (সিআইডি) দুই অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তাঁরা ওই মহিলার সঙ্গে কথা বলেন। কাগজপত্র দেখে স্থানীয় থানায় ডায়েরি করে ঘটনার তদন্তভার নিজের হাতে নিয়ে নেয় সিআইডি। ওই অর্থলগ্নি সংস্থাটি যে প্রতারণা করছে, তদন্তে তা বুঝতে পারেন গোয়েন্দারা। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়। গ্রেফতার করা হয় ওভারল্যান্ড-সহ বেশ কিছু অর্থলগ্নি সংস্থার মালিককে। ওভারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে উদ্ধার হয় টাকা, সম্পত্তি। উদ্ধার হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ এবং কত মানুষ টাকা ফেরত পেয়েছেন, সে বিষয়ে অবশ্য তদন্তকারীরা কিছু জানাতে পারেননি। এক অফিসার বলেন, “হাইকোর্ট রিসিভার বসিয়েছে। পুরো বিষয়টি রিসিভারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।”

    "ওভারল্যান্ডের ক্ষেত্রে তা করেছিল রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশ সিআইডি। অথচ সেবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরেও রাজ্য সরকারের কোনও সংস্থাই সারদা-র বিরুদ্ধে এফআইআর করেনি। তারা অপেক্ষা করেছে একটি বৈদ্যুতিন মাধ্যমের বেতন না পাওয়া কর্মীদের দায়ের করা প্রতারণার অভিযোগের জন্য। এ ক্ষেত্রে অন্যের দায়ের করা অভিযোগের উপরেই রাজ্য সরকারকে নির্ভর করতে হচ্ছে। ওভারল্যান্ড-কাণ্ডের তদন্তকারীরা জানান, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল সিআইডি। সেই ধারায় (নকল কাগজ বানিয়ে প্রতারণার অভিযোগ) দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। অথচ রাজ্য সরকার সারদা-কাণ্ডে এই আইনি অস্ত্রটাই প্রয়োগ করেনি বলে তাঁদের মত। প্রসঙ্গত, ওভারল্যান্ড-কাণ্ডের তদন্তকারী দলের প্রধান তৎকালীন ডিআইজি (সিআইডি) উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস এখন রাজ্যের মন্ত্রী।"

    ওপোরের কথা যদি সত্যি হয় তো দেখা যাচ্ছে যে বিগত সরকার যথেষ্ঠ প্রো-অ্যাক্টিভ-ই ছিলো। যা কল্লোলদার ২ নং বক্তব্য-কে সমর্থন করছে না।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৫:২৬523779
  • সিদ্ধার্থ।
    এখনো বলছি, অশোক মিত্র সব কথা লেখেন নি। সেটা ওনার দায়বদ্ধতা। অশোক মিত্র আর অর্থমন্ত্রী হননি। রাজ্যসভায় থাকা আর অর্থমন্ত্রী হওয়ার মধ্যে প্রচুর ফারাক।
    প্রমাণ নেই।

    পিএম।
    আমার Date:03 May 2013 -- 01:57 AM
    পোস্টগুলোর জবাব পেলাম না।
  • সিদ্ধার্থ | 23.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৫:৩৪523781
  • আরে ধুর বাবা অশোক মিত্র তো রিজাইন করেছেন ১৯৮৭ সালে। তখন সঞ্চয়িতা কোথায়? কি জ্বালা :(
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৫:৪৯523782
  • আপনার সুবিধার্থে আবার পয়েঙ্গুলো দিলাম।

    ১) আপনি বলছেন "টানা ৩২ বছর একটা পার্টির ক্ষমতায় থাক উচিত নয় বলেই মনে করি। " এবার আমায় বিকল্পটা বলুন। পবয়ের ক্ষেত্রে বামেরা ক্ষমতায় না থাকলে কে/কারা থাকবে? মানুষকে তো ভোট দিতে হবে। কাকে দেবে? আপনাকে ২০১১তে কেউ জিজ্ঞাসা করলো - কাকে ভোট দেবো? কি বলবেন তাকে?
    ২) আপনি লিখেছিলেন অ-বা-বে-না-ঝ-প-যা - এই সামান্য ইচ্ছাপূরণ করতে গিয়ে কতো মানুষ সর্বস্বান্ত হলো। মানুষ তো সে আমলেও সর্বস্বান্ত হয়েছিলো, তার দায় কি যারা সেবার বামেদের ভোট দিয়েছিলো তাদের?
    বামেরা টাকা নিক বা না নিক - সরকারে থাকায় দায় তো তাদেরই।
    ৩) সেটাই তো কথা। বিষ্ণুপুরে গরীব মানুষদের ভয় দেখিয়ে জমি প্রায় কেড়েই নেওয়া হচ্ছিলো। তারা কোন অভিযোগ জানায় নি কাউকে এটা বিশ্বাস্যোগ্য নয়। তখন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন? পার্টি প্রশাসন কিছুই জানতো না?? আর যাদি তাই হয়, যে তারা কিছুই জানতো না, তবে বুঝে দেখুন পার্টি ও প্রশাসন কোথায় গিয়ে পোঁছেছিলো, যে এতোগুলো গরীব মানুষের উপর জুলুম - নজরেই এলো না।

    এরপর বলবেন ৩২ বছর টানা ক্ষমতায় থাকা উচিৎ নয়। তো, পবয়ের বাস্তবের জমিতে দাঁড়িয়ে বিকল্প কি ছিলো জানাবেন।

    ২) নং পয়েনে বলা হলো এই যে এতোগুলো মানুষ সর্বস্বান্ত হলো তার দায় কি ভোটারদের? আপনি বল্লেন সরকার যথেষ্ট প্রোঅ্যাক্টিভ ছিলো। তাতে তো সর্বস্বান্ত হওয়া আটকানো গেলো না। তাতে ভোটারদের দায় কোথায়?
    নেই। যারা সেদিন বাম সরকারকে ভোট দিয়েছিলো তাদের কোন দায় নেই। তেমনি যারা এবার বামেদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাদেরও দায় নেই। সরকারের দায় - অবশ্যই আছে।

    আপনি বলছেন -
    নকশাল নেতারা মিথ্যাবাদী ও সৌখিন বুদ্ধিজীবি ছিলেন। তারা মানুষকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। ভুল স্বপ্ন - এনিয়ে দ্বিমত নেই। মিথ্যা নয়। তারা নিজেরাও সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখতেন। তাই নেতৃত্বের সব কজন হয় পুলিশের হাতে শহীদ হয়েছেন, অথবা দীর্ঘ দীর্ঘদিন করান্তরালে ছিলেন। ইন্দিরার পতন না হলে জীবনেও ছাড়া পেতেন না। এঁরা শখের শৌখিন মিথ্যাবাদী বুদ্ধিজীবি?
    নাহ। আপনার কোথাও ভুল জানা আছে।
    স্বাধীনতার পর কোনও একটা আন্দোলনের গোটা নেতৃত্ব ও তার সাথে কর্মীদের এক বিশাল অংশের এই দশা - আর কোন আন্দোলন দেখেছে?
    ১, ৩ ও ত্রিপুরা নিয়ে শুনবো বলে আশা করছি।
  • | 126.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৭:২৪523783
  • কৃশানু, এবারে কলকাতায় গিয়ে দেজে ওটার খোঁজ করেছিলাম।কিন্তু সব খন্ড ছিল না।তাই নেওয়া হল না। আপিলা চাপিলা আর কথা অনেক শুনেছি। তাই পড়ার ই্ছে অনেক দিনের।
  • kc | 188.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৭:৫৬523785
  • আপিলা-চাপিলা এক খণ্ড বই। আনন্দর।
  • | 190.*.*.* | ০৩ মে ২০১৩ ১৯:২১523786
  • সে কী? আমাকে দেজ র ভদ্রলোক গোঁফ হীন চশমা। বল্লেন এটার ছ্টা খন্ড। আমি খুঁজে পেতে একটা নিয়ে কাউন্টারে এসেছিলাম। সেদিন ফাঁকা ছিল তাই ভেতরে ঢুকতে দিয়েছিল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন