এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৭৮৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 126.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৫:৫৯664985
  • কল্লোলদা আমি অন্য কিছু দেখছি। এ অন্য ব্যাপার। যার শুরু কুঁদঘাটকে নেতাজী বা বাঁশদ্রোণীকে মাস্টারদা বলার মধ্য দিয়ে। তোমরা যারা "শতফুল বিকশিত হোক" বলতে তারা কোনদিন ভাবতে পেরেছিলে যে গোটা পব-কে একজন মাত্র মানুষের পছন্দের রং দিয়ে লেবড়ে দেওয়া হবে বা একজনের পছন্দে সব কিছুর নামকরণ হবে?

    এই সম্পাদকীয়টা পড়েছ কিনা জানিনা। পিটি আবাপ থেকে কোট করছে বলে হাল্কা করে দেখিও না। আমি এটা কোট করলাম কারণ আমার মনে হচ্ছে আমার বহুদিনের বিশ্লেষণ আমার চাইতে বেশী ভাল করে কেউ একজন লিখে দিয়েছে। স্বৈরতন্ত্রের এ এক সম্পূর্ণ পশ্চিমবঙ্গীয় রূপ। তোমার নিরপেক্ষতা এই স্বৈরতন্ত্রকে বুঝতে পারছে না বা চাইছে না।

    "কৌতুক বিদায়"
    কাঞ্চীরাজের নিকট বিদায় চাহিয়া বিদূষক বলিয়াছিলেন, মহারাজের সভায় থাকিলে তিনি হাসিতে ভুলিয়া যাইবেন। ২০১৫ সালের বঙ্গদরবারে চাকুরি করিলে তিনি কথাটির পুনরাবৃত্তি করিতেন। রসিকতা-রসদের অভাবে নহে, তাহার আতিশয্যে। মেট্রো স্টেশনের নাম যে দিন মহানায়ক উত্তমকুমার হয়, সেই দিনই জানা গিয়াছিল, উদ্ভটরসের জন্য আর নাটক রচনার প্রয়োজন হইবে না, বাস্তব যথেষ্ট। কিন্তু বাস্তব যে ক্রমশই কী হারে উদ্ভটতর হইয়া উঠিতে পারে, তাহা না দেখিলে বিশ্বাস করা কঠিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে সচিবালয় হইয়াছে নবান্ন, বোলপুর হইয়াছে গীতবিতান। যে নাগরিক ভাবিতেছিলেন, কালে কালে আরও কত দেখিতে হইবে, তাঁহাকে নিরাশ না করিয়া মহালয়া তিথিতে শ্রীমতী মুখ্যমন্ত্রী আপন সকল দৃষ্টান্ত অতিক্রম করিলেন। নগরের নবীনতম ও দীর্ঘতম উড়ালপুলটির নামকরণ করিলেন ‘মা’। ইহা দেখিলে স্বয়ং সুকুমার রায়ও নমস্কার করিয়া কলমটি নামাইয়া রাখিতেন। তিনি এক রসিকের কথা শুনাইয়াছিলেন, যে জুতোকে ডাকিত অবিমৃশ্যকারিতা, ছাতাকে প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব, গাড়ুকে পরমকল্যাণবরেষু। কিন্তু তাঁহাকে কৌতুক সৃষ্টির জন্য অনেক শব্দ ব্যবহার করিতে হইয়াছিল। একটি শব্দে এমন আশ্চর্য রস বানানোর সাধ্য তাঁহারও হইত না। প্রসঙ্গত, সুকুমার রায়ের গল্পে বাড়ির নাম কিংকর্তব্যবিমূঢ় দিবামাত্র অবশ্য তাহা হুড়মুড়িয়া ভাঙিয়া পড়ে। কলিকাতাবাসী কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করিবেন, ‘মা’ নিজেকে রক্ষা করিবেন, সন্তানদেরও। প্রথম পর্বে এই সেতু লইয়া বিচিত্র সমস্যা দেখা দিয়াছে, এখনও অবধি ইহাকে দ্বিমুখী করা যায় নাই, করিলেই তুমুল যানজট। যানবাহন কখনও পশ্চিমবাহিনী, কখনও পূর্বমুখী। হয়তো ইহাও বঙ্গেশ্বরীর লীলা— তিনি দেখাইয়া দিতেছেন, কী ভাবে একটি ফ্লাইওভার একটি নদীর মতো হইয়া উঠিতে পারে। নদীকে মা হিসাবে কল্পনা করিতে সত্যই অপূর্ব লাগে। হয়তো সেই কল্পনাই তাঁহার অভীষ্ট। এহ বাহ্য। সৃষ্টিশীলতায় সুঅভিজ্ঞ ব্যক্তির ন্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়াই নীরব। নূতন এবং নগরীর দীর্ঘতম উড়ালপুলের নামটির ব্যঞ্জনা কী? তাহা কি ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর দ্যোতক? মা দুর্গার চরণে স্বভাবসিদ্ধ শ্রদ্ধাতর্পণ? না, নিজ জন্মদাত্রীরই নামাঞ্জলি? তর্ক চলুক। প্রশ্ন, ইহার পরে কী? অদূর ভবিষ্যতে কি তিনি শপিং মলকে ‘বাবা’ ডাকিতে শিখাইবেন, স্টেডিয়ামকে ‘ভাই’, অনুষ্ঠানবাড়ি ‘দিদি’ এবং গণশৌচালয় হইবে ‘মেসোমশাই’।

    হযবরল’কে বাস্তবের মাটিতে টানিয়া নামাইলে কৌতুকরসের ঘোর বিপদ। বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতির দুনিয়ায় এই রসের আকাল চলিতেছে অনেক দিনই। এই সংকট নূতন নহে, নানা সমালোচক নানা ভাবে তাহার নানা ব্যাখ্যাও দিয়াছেন। তবু যেটুকু টিমটিম করিয়া বাঁচিয়া আছে, তাহাও বুঝি এ বার ষোলো আনা বিসর্জনের পথে। রাস্তাঘাটেই যদি ট্যাঁশগরু চলে, অফিসে কুমড়োপটাশ আসিয়া বসে, বোম্বাগড়ের রাজার পিসি তাঁহার কুমড়োটি লইয়া আইপিএল মঞ্চ অলংকৃত করেন— তবে তাঁহাদের গল্প পুনরায় কল্পনা করিয়া, পুলকিত হইবার আর উপায় থাকে না। যাহা বাস্তব নহে, বাস্তবের বিকৃতি বা আধিক্য, তাহা লইয়াই নানাবিধ কৌতুক চিরকাল জমিয়াছে। কিন্তু বাস্তব যখন নিজেকে ভেঙচাইতে থাকে, তখন আর কে কৌতুক করিবে, কে-ই বা তাহাতে পুলকিত হইবে? পরিপার্শ্বে অসম্ভব ও কিম্ভূত কাণ্ড অনবরত ঘটিয়া চলিলে অতি সৃষ্টিশীল কবি-মনও যে যানজটে স্তব্ধ হইয়া যায়। উদ্ভাবন-শক্তিটি খোয়াইয়া বিস্ফারিত নেত্রে সে কেবলই চাহিয়া চাহিয়া দেখিতে থাকে, বঙ্গ হাস্যমঞ্চের শূন্য মণ্ডপে বিসর্জনের পিদিম জ্বলিতেছে। কারণ দেবীপক্ষের শুভারম্ভে শহরের প্রাণকেন্দ্রে বঙ্গজননী মমতা অসুরজ্ঞানে, কৌতুককে বধ করিয়াছেন। ইহাই হয়তো পশ্চিমবঙ্গে এ বারের পূজায় ‘মা’-এর উপহার।
    http://www.anandabazar.com/editorial/%E0%A6%95-%E0%A6%A4-%E0%A6%95-%E0%A6%AC-%E0%A6%A6-%E0%A7%9F-1.224935#
  • . | 205.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:২১664986
  • ইকিরেদাদা! রাস্তার নাম যেদিন লেনিন সরনি আর হোচিমিন সরনি রাখা হয়েছিল উদ্ভটরস তো সেদিন থেকেই বাস্তব হয়েছিল! তার জন্য মহানায়ক উত্তমকুমার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়নিতো।
  • দেব | 75.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:৩০664987
  • PT স্যার আবাপ থেকে যেটা কোট করলেন সেটা নিউজ না ভিউজ?
  • PT | 190.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:৩৪664988
  • উত্তরটা আমার পোস্টিং-এই ছিল। বোঝা গেল যে না পড়েই লেখেন।
    "আমি এটা কোট করলাম কারণ আমার মনে হচ্ছে আমার বহুদিনের বিশ্লেষণ আমার চাইতে বেশী ভাল করে কেউ একজন লিখে দিয়েছে।"
  • . | 205.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:৫৮664989
  • এরকম JJTT দাদার পোস্ট পড়েও চক্ষু সার্থক হয়। মাস্টারদা আপনি মহান।
  • sm | 233.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৭:০১664990
  • পিটি কে অনুরোধ করছি নিজের পোস্ট দুবার পড়তে।
    --
    কান ফাটানো শব্দের উচ্চতায় কেউ এখন হেঁড়ে গলায় এবং বেসুরে "যেতে যেতে পথে হল দেরী" গেয়ে পূজোর উদ্বোধন করছে।
    এই ক্লাবটিও দু লাখ টাকা অনুদান পেয়ে এক মন্ত্রীর ছবির বিশাল পোস্টার ঝুলিয়ে রেখেছে।
    ----
    পিথিবির বিহত্তম দুগ্গা পেতিমার কাছে ফাটাকেস্টোর দশ হাত কালি বাচ্চা মাত্র। আর গোপাল পাঁঠা এসব দেখলে খাসীর মত ব্যা-ব্যা করত। কেননা এসব নাকি ২৫ কোটির বাজেটের খেলা।
    ---
    অপরের দুটো পোস্ট থেকে দেখা যাচ্ছে দু লাখ টাকা টা একটা দূর্গা পুজুর জন্য নেহাত অকিঞ্চিতকর। যেখানে ২৫ কোটির চালা চালি সেখানে দু লাখ এর উল্লেখ করে কবি কি বোঝাতে চাইলেন?

    আবার দেখুন
    যার শুরু কুঁদঘাটকে নেতাজী বা বাঁশদ্রোণীকে মাস্টারদা বলার মধ্য দিয়ে। তোমরা যারা "শতফুল বিকশিত হোক" বলতে তারা কোনদিন ভাবতে পেরেছিলে যে গোটা পব-কে একজন মাত্র মানুষের পছন্দের রং দিয়ে লেবড়ে দেওয়া হবে বা একজনের পছন্দে সব কিছুর নামকরণ হবে?
    ---
    এসব কথা বলে কি হচ্ছে? নেতাজি, মাস্টার দা তো বঙ্গ দেশীয় প্রাত স্মরণীয় ব্যক্তি। তাও তো মমতার নিজের নাম দিয়ে কিছু নাম করণ হয়নি। বাম আমলে তো আস্ত টাউনের নাম করা হয়েছিল জ্যোতি বসু নগরী।
    তার বেলা? এই সেম সাইড খেলা কি অনন্ত কাল ধরে চলবে?
  • PT | 190.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৭:১২664991
  • সহজ পাঠঃ
    ঘ-এ ঘন্ট (পাঠান্তরে ঘন্টা)!!
  • sm | 53.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৭:১৭664992
  • ন - এ নির্বোধ!
    প- এ পুনরাবৃত্তি।
    ল - এ লেবু।
    ক - কচ কচি।
  • চিত্র গুপ্ত | 11.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:১৬664993
  • ন এ নির্ব‌োধের পর প এ পাঁঠা ই থাক।
  • PM | 53.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২০:৪০664995
  • সইত্যের খাতিরে, আপিস যাওয়া আসার অময়ে না না মন্ডপে বেশীরভাগ-ই বাংলা গান-ই শুনছি। তার মধ্যেও বেশীটাই রবীন্দ্রসংগীত। ভলুম -ও সহ্যের মধ্যে।

    আমাদের সময়ে "গুরু গুরু" বা "হালুয়াওলা আগায়া" এসবই তারস্বরে হতো অনিলান বা সুভাসায়নের জন্য। মাধ্যমিকের টেস্টের ঠিক আগে দুগ্গাপুজোর সময় প্রায় পাগোল হতে বসেছিলাম সেই ৩৪ বছরের কালে।

    সমস্কিতি-তে দিদির রজত্বে আমরা অনেক এগিয়েছি দেখা যাচ্ছে ঃ)।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২০:৪৬664996
  • পিটি।
    সুকুমার রায় মনুমেন্টকে শহীদ মিনার বা ডালহৌসী স্কোয়ারকে বি-বা-দী বাগ ইঃ ও দেখে যাননি। আর শহীদ মিনারের মাথাটি লাল রং করে দেবার ফলে সেটিকে যে বেশ অসইব্য মতোন দেখতে হয়েছিলো - তা কি তোমার কোনদিনই মনে পড়বে??????????

    উত্তমকুমার, সূর্য সেন হলো লুম্পেনাইজেশন, আর লাল মুন্ডিওয়ালা শহীদ মিনার, বি-বাদী বাগ, হো চি মিন সরণী হলো সংষ্কৃতির জয়ধ্বজা।

    চালিয়ে যাও। ২০১৬তে ভারাডুবি কে ঠেকায়। তোমরা থাকতে মমতার আর ক্ষীইইই ভাবনা। তোমরাই ঠেলে ঠুলে স্বৈরাচারী মমতাকে আবার সরকারে পাঠাবে।

    আবাপ তবে ভালো কথাও লেখে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

    যদি মনে করতে পারো - শহীদ মিনার, বি-বাদী বাগ, হো চি মিন সরণী, বৃটিশ সেনাপতি ও শাসকদের মূর্তি সরানো নিয়েও আবাপ এরকমই লিখেছিলো।
    মনে পরে পিটিহায়?
  • সে | 204.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২০:৫০664997
  • আমাদের সময় পুজোর ছুটির পরে বাৎসরিক পরীক্ষা থাকত। সারা ছুটি কানের পাশে উচ্চগ্রামে হিন্দি ও বাংলা গানের অত্যাচার সয়েছি। রাত দশটার পরে ভলিউম কমিয়ে দিত।
    ও মুকাদ্দর কা সিকন্দর
    আজ তোমার পরীক্ষা ভঅগোবান
    ময়না বলে তুমি কৃশনো রাধে
    ইত্যাদি
  • | 24.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২১:২৯664998
  • সে দি,

    " ...

    নাম তার..
    যেন পাথরে খোদাই করা ইঞ্জিন..

    "

    এই সব বাজতো কি?

    তাহলে আর কী হলো? ঃ))))
  • PT | 126.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২১:৫৬665000
  • কল্লোলদা
    তুমি ফাটাকেষ্ট আর গোপাল পাঁঠাকে আদর্শ ধরে ব্যক্তির স্বৈরাচারে বেশী আস্থা দেখিয়ে ফেলছ। ভুলে যেওয়া না যে বিধানসভা লন্ডভন্ড করার পরেও আশা করেছিলে যে সেই লুম্পেনাইশেসনের রাস্তায় "পরিবর্তন" আসবে। তবে আশার কথা এই যে ভুলেও আর পরিবর্তনের নাম কর না সে বেশ লম্বা সময় হল। উল্টে অতীতের ভুলভ্রান্তি আঁকড়ে ধরে তিনোর হয়ে সাফাই গাইছ।

    অনেক নকশালই যে পথভ্রষ্ট হয়েছে তা দেখেছি। কিন্তু বি-বা-দী বাগ, হো চি মিন সরণী তোমার কাছে আওয়াজ দেওয়ার বস্তু হবে সে প্রত্যাশা আমার ছিল না। আর সংস্কৃতি ও রাজনীতির চর্চাকারীদের কাছে উত্তমকুমার আর সূর্য সেনের মধ্যে কোন ফারাক নেই সেটা দেখেও বিশেষ শঙ্কিত হলাম। মস্তিষ্ক প্রক্ষালন কি একেই বলে? অবিশ্যি সর্বত্র নীল রং ল্যবড়ানো নিয়ে চেপে গেলে বলে ধরেই নিলাম যে মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ প্রক্ষালিত হয়ে গিয়েছে।

    তবে শহীদ মিনার (for that matter যে কোন লম্বা বস্তুর ডগা) লাল দেখলে যাদের "অসইব্য" কথা মনে হত বা এখনো হয় তাদের মানসিক বিকৃতির জন্য ডাক্তার দেখানো উচিৎ।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২১:৫৬664999
  • বোতিন। উফ।
    "যেন পাথরে খোদাই করা ইঞ্জিন"
    এর পর হাসতে হাসতে পাগলা হয়ে গেলে, তুইই দায়ী।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:০৪665001
  • লিং দিতে পারবো না। তবে সত্যজিত রায়কে, মনুমেন্টের নবরূপ নিয়ে মন্তব্য করাতে, ডাক্তার দেখানো হয়েছিলো বলে মনে করতে পারছি না।

    অ। তবে সূর্য সেন (নাকি মাস্টারদা!) নামটা সংষ্কৃতি আর উত্তমকুমার নামটা অপসংস্কিতি। তা, বেশ।
    বি-বা-দী বাগ নামটা সংষ্কৃতি। আর নবান্ন নামটা অপসংস্কিতি। ক্যাবাৎ।

    চালিয়ে যাও।
  • PT | 126.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:০৯665002
  • মনে হচ্ছে মুড়ি আর চালভাজার তফাৎ ধরতে না পারার রোগটা বেশ সিরিয়াস জায়্গায় গিয়ে পৌঁছেছে!! নাহলে মাস্টারদা আর উত্তমকুমারের মধ্যে ফারাক করতে পারা যাচ্ছে না?

    কিন্তু সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন যে তাঁর বেশ 'অসইব্য" কথা মনে হচ্ছে শহীদ মিনারের নবরূপ দেখে? সত্যি?
    "নব ইতিহাস রচিব আমরা........?"
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:২৩665003
  • না। সত্যজিত রায় বলেছিলেন - ওটা দেখতে বেশ অস্বস্তিকর লাগছে।
    তার বেশ কিছুদিন পর, লাল রং মুছে দেওয়া হয়।

    কথা হচ্ছে নাম পাল্টানো নিয়ে। মমতা খুশী মতো নাম পাল্টাচ্ছে। তাতে আপত্তি আছে। কিন্তু নাকতলা পাল্টে মাস্টারদা কল্লে ঠিক আছে, আর টালিগঞ্জ পাল্টে উত্তমকুমার করলে ঠিক নেই। এটা মাথায় ঢুকলো না।
    আপত্তি হলে দুটোতেই আছে। সম্মান জানানোর অনেক পন্থা আছে। প্রতিটি জয়গার নামের কিছু ঐতিহ্য, কিছু ইতিহাস আছে। নাম পাল্টে ইতিহাস পাল্টানো যায় না। অক্টোরলেনী মনুমেন্ট, ইংরাজদের নেপাল জয়ের স্মারক। সেটার নাম শহীদ মিনার রাখলে বা এস্প্ল্যানেড ইস্টকে সিদু-কানু ডহর নাম দিলে ইতিহাস পাল্টে যায় না। শহীদদের বা সিধু-কানুকেও সাংঘাতিক সম্মান জানানো হয় না।
  • | 24.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:৪৯665007
  • কল্লোল দা, ভুলে গেছি বলেই ডট ডট দিয়ে ড্যমেজ কন্ট্রোল করতে চাইছিলুম ঃ))

    তবে তোমার 8:46 এ অনেক গুলো ক। আমার মনের কথা।
  • PT | 190.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:৪৯665004
  • শেষ কবে টালী থেকে মেট্রোয় চড়েছ? একই লাইনে নেতাজী ভবন থাকার পরেও কুঁদঘাটকে নেতাজী নামে ডাকলে কি নেতাজীকে বেশী সন্মান দেখানো হয়?

    সৌভাগ্য বশতঃ রেল মন্ত্রীত্ব সুস্থ লোকেদের হাতে যাওয়ার পরে তারা বুঝতে পারে যে মানুষের ঐ সব স্থানের সঙ্গে সম্পর্কহীন নামের স্টেশনের আসল জায়গার নাম বুঝতে বেজায় অসুবিধে হচ্ছে। সেইজন্য সব পুরনো লেখা বদলে তলায় ব্র্যাকেটে আসল জায়্গার নাম লেখা হচ্ছে আর ঘোষণাও করা হচ্ছে।

    তিনোদের সমর্থন করতে হয় করো-কিন্তু সব তক্ক কি গা জোয়ারী হয় নাকি?
  • সে | 94.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:৫০665008
  • নাঃরে। ওগান শুনেছি বলে মনে পড়ছে না।
    তবে বাবা তারকনাথ সিনেমার সেই উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও শুনে মাথা যন্ত্রণা হয়েছিল খুব। কিন্তু সব গানই শিখে ফেলছিলাম মুখস্থ আছে আজও। আস্তে আস্তে প্র্যাক্টিস হয়ে গেল গান শুনতে শুনতেই পড়ালেখা করা। বা একটা গান ব্যাকগ্রাউন্ডে চললেও অন্য গান গাইতে পারা। কানেও কম শুনতাম কিছুটা তা পরে জেনেছি।
  • PM | 53.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২২:৫১665009
  • বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে আপনাদের রাজনৈতিক আলুচনা দেখে আমি পুলকিত, শিহরিত দুই-ই
  • PT | 126.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:১১665010
  • যাক শেষ পর্যন্ত পূজার ব্যব্স্থপকদের লুম্পেনাইসেশন সাময়িক ভাবে আটকানোর জন্য পিথিবির সব্চাইতে নম্বা দুগা পেতিমিকে চারপাশ থেকে তেপোল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে আর মাইকে এলাউন্স করা হচ্ছে যে এই পেতিমে দেখা নিষিদ্ধ। ভাবা যায় যে দুগ্গা পেতিমে নিষিদ্ধ হচ্ছে? কি সময় এল রে বাওয়া?

    তবু যাহোক মনে হচ্ছে যে এখানে যারা তিনো সমর্থক তাদের চাইতে অনেক বেশী সেন্সিবিল লোক পব-র সরকারে আছে!!
  • PM | 53.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:২১665011
  • কালোলদা, আমি এই আলোচনাটাতে অংশ নিতে চাইছিলাম না। তবু সইত্যের খাতিরে-----পোবোল জ্যোতি বিরোধীদের নয়নের মনি `যতিনবাবুর মন্ত্রীত্বে শহিদমিনারের চুড়ার রং পাল্টায়। যতীনবাবুর মন্ত্রিত্ব যাবার কিছুদিন পরে রঙ পাল্টানো হয়। এতো তাড়ারাড়ি "ভুলে" গেলে হবে?

    সে যুগে আবাপঃ শহিদ মিনারের রঙ, হোপ ৮৬, হো চিমিন সরনী এই সব ভয়ংকর ব্যাপার নিয়ে পোচোন্ডো সমালোচনা করে পাতা ভরাতো।

    এখনকার মতো বিনা পরীক্ষায় চাকরী, বিনা যোগ্যতায় পরীক্ষা দেওয়া, একটার পর একটা চাকরীর পরীক্ষার ফল দূর্নীতির দায়ে কোর্ট কর্ত্তৃক স্থগিত হওয়া, কলেজে ভর্ত্তির জন্য বাধ্যাতামুলক ঘুষ, ক্লাবে ক্লাবে লাখ লাখ টাকা বিলি, এমপি কর্ত্তৃক রেপের হুমকি, মুখ্যমন্ত্রী কর্ত্তৃক থানায় গিয়ে অপরাধীকে ছাড়িয়ে আনা, পুলিশের টেবিলের তলায় লুকোনো, জনপ্রতিনিধি দ্বারা পুলিশকে বোম মারার হুমকি এসব ছোটো ছোটো সামান্য ঘটনা তো এইভাবে ঘটতো না সেসময়ে ঃ(

    আপনিও দেখুন সেই সব বড় বড় ঘটানার কথা-ই বলছেন এতোকাল বাদেও মনে করে, আজকের দিনের ছোটো ঘটনা গুলো কেমোন আলোচনার অযোগ্য হয়ে গেছে আপনার কাছে।
  • | 24.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:৩৩665012
  • সে দি, বাবা তারকনাথের গানঃ

    ১। আজ তোমার পরীক্ষা ভগবান
    ২। তোমার চন্দ্র সূর্য্য এই দুটি চোখ
    ৩। বোবা বলে দুঃখ কেন নিজেই ঠাকুর বোবা যে

    বাকি গুলো কী কী?
  • | 24.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:৩৯665013
  • আহা পিএম আগেও তো বিনা যোগ্যতায় চাকুরী হতো শুধু হালকা লাল রঙের হতে হতো। ব্যাস।

    " এই সব কোন লজ্জার মাথা খেয়ে বলো আমার সত্যি খুব অবাক লাগে। নাকি তোমাদের ক্ষেত্রেও এ গুলো স্বতঃসিদ্ধ!! ঃ))

    "সত্য সেলুকাস কী বিচিত্র এই "বাম" ঃ)))
  • | 24.*.*.* | ১৯ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:৪২665014
  • / "বিনা যোগ্যতায় চাকুরী" এই টা সাম হাও হাওয়া হয়ে গেছে..
  • সে | 94.*.*.* | ২০ অক্টোবর ২০১৫ ০০:০৩665015
  • পার্টিফাণ্ডে টাকা দেবার নিয়ম বহু আগে থেকে। সুনীল গঙ্গোর উপন্যাস শেষ দেখা হয় নি (১৯৮৬-৮৭ তে লেখা কি?) তে এর উল্লেখ আছে।
  • সে | 94.*.*.* | ২০ অক্টোবর ২০১৫ ০০:১০665016
  • নীললোহিতের উপন্যাস ওটা। সেই প্রথম জানতে পেরেছিলাম ব্যাপারটা।
  • PT | 126.*.*.* | ২০ অক্টোবর ২০১৫ ০০:১৩665018
  • এই যে এতদিন শুনলাম বামেরা প্রথম ১০-১৫ বছর ঠিক বাম ছিল?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন