এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • সুনার বঙ্গালের অচ্ছে দিন

    চাক্ষিক
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৮ মে ২০২৬ | ১৯১৬ বার পঠিত

  • পরিবর্তনের সঙ্গেই ধাক্কা স্বাস্থ্যসাথীতে।


    সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন বিজেপির দায়িত্ব নয়


    বারাসাতে সিরাজের নামে উদ্যান ছিল। বিজেপি জেতার পর সেটাকে করে দিল শিবাজী উদ্যান।
     

    বুলডোজার নামলো কলকাতায়।


    কঙ্কালীতলায় বিধর্মীদের প্রবেশ নিষেধ! দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে বোলপুরের মন্দির শুদ্ধকরণ করে হোর্ডিং টাঙাল বিজেপি

    আশুতোষ কলেজ দখলের পর সেখানকার হলে বাংলার মনীষীদের ছবিতে কপালে গেরুয়া তিলক কেটে দিল হিন্দুত্ববাদীরা। রাজা রামমোহন রায়, স্বামী বিবেকানন্দ, ভগিনী নিবেদিতা, বিদ্যাসাগর, মাদার টেরেসা কেউ বাদ গেল না
    সূত্রঃ https://www.facebook.com/reel/1633077977957178
     

    Violence continues across Kolkata pockets


    কৌশিক গাঙ্গুলীর রুদ্রকে গিফট



    সিধু প্রথমেই বলেন, “একটা পরিবর্তনের দরকার ছিল। শিল্পী হিসাবে নয়, সেটা এক জন নাগরিক হিসাবে মনে হয়েছে। ১৫ বছর একটি দলকে দেখলাম। খুব যে মুগ্ধ হয়েছি তা নয়, বরং নালিশ জমেছে। যারা এসেছে তাদের বিরাট সমর্থক, তা নয়। কিন্তু তাও আশা রয়েছে।”"
    https://www.anandabazar.com/entertainment/lagnajita-chakraborty-riddhi-bandopadhyay-and-sidhu-shared-what-they-expect-from-the-new-government-dgtl/cid/1685036

    শেষে, নিন একটা গান শুনুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৮ মে ২০২৬ ০০:৩৫747526
  • ।।প্রকৃত পুনর্বাসন চাই।।
    "যাঁদের তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁরা গরিব মানুষ। হকারমুক্ত ফুটপাথ, হকারমুক্ত রেলওয়ে স্টেশন চত্বর সকলেই চায়। কিন্তু এই প্রশ্ন তো থাকবেই, এই মানুষগুলি কাল থেকে খাবে কী? যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া আমাদের মতো দেশে কি হকার উচ্ছেদ সত্যিই করা যায়? একজন হকারের কথা শুনছিলাম টিভিতে। তিনি বলছিলেন, পকেটের পয়সা দিয়ে বিজেপি করেছি, এই তার প্রতিদান! উত্তরপ্রদেশে যে-মডেল সফল, পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু সেই মডেল সফল হবে না। গুড গর্ভনেন্স মানে সেই মানুষগুলির কথাও চিন্তা করা যাঁদের আমাদের সমাজ আর রাজনীতি ফুটপাথ দখল করে, স্টেশন দখল করে পসরা বিক্রি করতে বাধ্য করেছে। সরকারের একটি মানবিক মুখ থাকা খুব দরকার।"
     
    ফেসবুক
  • PBS | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ২০ মে ২০২৬ ১৯:৩৭747548


  • "Bengali Muslims in India face persecution and displacement amid citizenship disputes"

    9,144 views May 18, 2026This month in India, political violence erupted in the eastern state of West Bengal after Prime Minister Narendra Modi’s party won key elections amid allegations of voter suppression targeting Muslims. Zeba Warsi reports with support from the Unity Productions Foundation on families that are now fighting to prove they belong in the only country they’ve ever known.
  • Cockroach Janta Party | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ২০ মে ২০২৬ ১৯:৪০747549
  • সারা দেশ জুড়ে মাত্র দুদিনে যুব সমাজের মধ্যে ঝড় তুলে দেওয়া Cockroach Janta Party'র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে'র এই mind-blowing সাক্ষাৎকারটি শুনলে GenZ আজ কোন পথে তা কিছুটা মালুম হতে পারে।

  • prohibition | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ২১ মে ২০২৬ ০২:০৯747559

    • Complete prohibition on participating in any media programme without prior government sanction
    • Complete prohibition on communicating any document or information to the press — directly or indirectly — without government order
    • Complete prohibition on writing articles, letters, or editing publications without prior sanction
    • Complete prohibition on "adverse criticism of any policy or decision of the central or state government" in any media
    • Complete prohibition on any media contribution that could "strain relations" of the state government with the central government, other state governments, or foreign states
  • | ২১ মে ২০২৬ ১৯:৪০747566
  • অভিযুক্তদের নাম জিতেন্দ্র প্রতাপ সিং, পাপ্পু সিং, কানাইয়া সিং। অধরা। তিনজনই হিন্দিভাষী।
    বাংলা পক্ষের গর্গ চ্যাটার্জী অবশ্য এখনও জেলে।
     
  • :|: | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ২২ মে ২০২৬ ১৭:৪৮747569
  • ১৯টা ৪০: কোন কাগজের ছবি?
  • মধুজা সেনরায়ের পোস্ট | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ২১:৫৫747579
  • https://www.facebook.com/share/p/1DxQwfUkf7/

    মধুজা সেনরায় ফেসবুকে লিখেছেন।

    গতকাল.... রেলওয়ে হকারদের সমাবেশ.... কিছুটা দেখার ইচ্ছে নিয়েই শিয়ালদা স্টেশনের বাইরে পৌঁছলাম নির্ধারিত সময়ের আধঘন্টা পরে... তখন সমাবেশ শুরু হয়ে গিয়েছে। মঞ্চের আশেপাশে না গিয়ে আমি সোজা হাঁটতে শুরু করলাম সমাবেশের একদম পেছনের দিকে... যত এগোচ্ছি, দুপাশের ভিড়ের চাপে ক্রমশ রাস্তাটা সরু হয়ে আসছে... ভিড়ের মধ্যে দু চারজন সংগঠক নেতৃত্বের সাথে দেখা হল.... আর বাকি সবাই পেটের দায়ে এসেছেন... কেউ কেউ এসেছেন পরিবার-পরিজন সমেত... চেহারায় দারিদ্র,ক্লান্তি, হাড়ভাঙ্গা খাটনি আর জেদের এক অদ্ভুত মিশেল নিয়ে ওঁরা সমাবেশে এসেছেন... গত বেশ কয়েক বছর ধরে উনারা অনেকেই তৃণমূল করেছেন.... কেউ স্বেচ্ছায় কেউবা বাধ্য হয়ে... কেউ কেউ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন ভালোবেসে অথবা শুধুই তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে বাঁচতে... খুব সামান্য কয়েকজন হয়তো লাল ঝাণ্ডার সমর্থক ছিলেন ভোটের আগেও... ভোটের পরে যখন উচ্ছেদ চললো তখন সবাই বুঝেছেন, রুটি রুজি বাঁচানোর লড়াইতে সঙ্গী একমাত্র লাল ঝাণ্ডাই হয়.... বাকিরা হয় নিজেদের আখের গুছিয়ে বিপদে ফেলে পালায় অথবা নিজেদের গোদি লাভ হয়ে গেলে গরিব মানুষের পেটে লাথি মারে...
    বিগত কয়েকটি পোষ্টের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, বেশ কিছু মানুষ এই পোষ্টের তলাতেও ঝাঁপিয়ে পড়বেন তাদের অদ্ভুত এবং অসাড় যুক্তি সমূহ নিয়ে...একদল মানুষ বলবেন, যাতায়াতের অসুবিধা হয়...একদল বলবেন সরকারের জায়গা দখল করে বসবে কেন...তবে সবথেকে পপুলার যুক্তি হিসেবে উঠে আসবে আপনার বাড়ির সামনে বসতে দিন অথবা পার্টি অফিস খুলে দিন....
    শুনুন মশাই, মানুষের পেটের ভাতের জন্য হাতের কাজের যোগান দেওয়া, কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ থেকে পরিবেশ তৈরি করা সবই সরকারের কাজ.... যেসব চাড্ডিরা এসব যুক্তি দিতে আসেন, তাঁরা এসব জানেন.... তাহলেও কেন এ যুক্তি দেন? কারণটা খুব পরিষ্কার... সরকার আমাদের কাছ থেকে ট্যাক্স নেবে, আমাদের শাসন করবে, আমাদেরকে শোষণও করবে, কিন্তু আমাদের রুটি রুজি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা কোন কিছুরই দায়িত্ব নেবে না.... ক্রমশ একটু একটু করে হাত তোলা শুরু হয়ে গিয়েছে... স্বাস্থ্য, শিক্ষা সর্বত্রই বাজেট বরাদ্দ কমছে অথবা সেভাবে বাড়ছে না... রেশনের চালে টান পড়েছে....রাজ্য হোক বা কেন্দ্র...সরকারি দপ্তরগুলোতে নিয়োগ নেই.... সেই অর্থে সারা দেশ জুড়েই ভারী শিল্প তৈরি হচ্ছে না... আমাদের দেশের বড় বড় ইনভেস্টাররা বাইরের দেশে গিয়ে কারখানা তৈরি করছেন.... এদেশের সরকারি নেতাদের শুধু পকেট ভরলেই চলবে... দেশের মানুষ খেতে পেল কি না পেল তাদের কিচ্ছু যায় আসেনা.... ক্ষমতায় টিকে থাকতে মাঝে মাঝে দু আনা জনস্বার্থবাহী কাজ করে ২০০ আনার প্রচার করবে... মুষ্টিমেয়র যুক্তিকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করবে... আর একদল লোক সমানেই আমাদের শিখিয়ে যাবেন 'পেট দিয়েছেন যিনি, তিনিই যোগাবেন চিনি '.... অর্থাৎ যে সরকারকে তুমি ট্যাক্স দাও, সেই সরকারের তোমার মৌলিক চাহিদাগুলো মেটানোর কোন দায় থাকবে না, দায় শুধুমাত্র না দেখা কোনো এক অলৌকিক শক্তির...চোখের সামনে যিনি নেই, তার ঘাড়ে দোষ চাপানো তো ভীষণ সোজা.. শুধু শুধু চোখের সামনে থাকা প্রবল পরাক্রমশালী রাষ্ট্রের চক্ষুশূল হওয়ার কি দরকার বাপু!!! নিজের হকের কথা সোচ্চারে বললেই তা নেতিবাচক অর্থে রাজনীতি... আর গরিব হকারের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে তার পেটে লাথি মেরে বড় বড় গয়না, ফুড চেন আর ব্র্যান্ডেড জামা কাপড়ের ঝকঝকে শোরুম তৈরি করে দেওয়ার নাম নাকি উন্নয়ন!!!!! এসব আজব যুক্তি ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত খাটে যতক্ষণ না ওই গরিব মানুষদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়... গতকাল এই পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষগুলিই এসেছিলেন সমাবেশে... রেল পুলিশের ঠিক করে দেওয়া অল্প জায়গা কম পড়ে গিয়েছিল... সীমানা টেনে দেওয়ার গার্ডরেল, পুলিশের হাতের লাঠি অদ্ভুত অসহায়তা নিয়ে ভিড়ের কথা শুনছিল...
    কাঠি আইসক্রিমটা হাতে নিয়ে খেতে খেতে সামনের দিকে এগোনোর সময় শুনতে পেলাম, গলায় কলকাতা পুলিশের ব্যাচ ঝুলানো খাকি উর্দির দুজন পুলিশ একজন আরেকজনকে বলছেন, আমাদের কর্মস্থলে কিছু হলে তো কথা বলার একটুও সুযোগ নেই...
    আর এক হকার বন্ধু, তার সহকর্মী কে বলছেন... শালা! ঝালমুড়ি খেয়ে ভোট নিয়ে সরকারে এসে আমার ঝালমুড়ির ব্যবসা তুলে দিল... প্রত্যুত্তরে সেই সহকর্মী বলছেন,একটা দল সরকারে এসেই ৭ দিনের মধ্যে তার নিজের সমর্থন হারাতে শুরু করল... এটাই বাস্তব, প্রবল বাস্তব...

  • মধ্যমগ্রামের মদ্যপ | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ মে ২০২৬ ২১:৫৭747580
  • মধ্যমগ্রাম স্টেশনে লাল পতাকা খুলতে এসে মদ্যপ বিজেপি কর্মী শ্রমিক ও হকারভাইদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে স্টেশন ছেড়ে পালাতে বাধ্য হল৷ফিরে যাওয়ার আগে সাথে নিয়ে গেলেন বিশেষ স্মৃতি৷ সবাই ভিডিওটি দেখুন ও শেয়ার করুন।শ্রমিক,হকারভাইদের দেখানো এই ট্রিটমেন্টই হোক আগামীর পথচলার হাতিয়ার।

    https://www.facebook.com/share/v/1E5CR4WFdf/
  • এবার মুজিব | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ০৭:৫১747606
  • বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের একটি বক্তৃতাংশ শুনলাম। সেখানে তিনি বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানকে ১৯৪৬এর দাঙ্গার অন্যতম প্রধান অংশগ্রহণকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বস্তুতপক্ষে, এই দাবি একেবারেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং নির্জলা মিথ্যা। যদিও সেই সময় মুজিব ছিলেন ইসলামিয়া কলেজের সাধারণ সম্পাদক এবং প্রাদেশিক মুসলিম লীগের উদীয়মান নেতা ও শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহধন্য, প্রত্যক্ষ সংঘর্ষের বিষময় পরিণতিতে তাঁর কোনও এফেকটিভ ভূমিকা ছিল না। বলা ভালো, এর নীল নকশা সম্পর্কে কোনও ধারণাই ছিল না তাঁর মতো মধ্য পর্যায়ের নেতাদের। প্রকৃত ঘটনা এই যে, সেদিন হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা যখন এক তীব্র আকার নেয়, তখন তিনি তাঁর সাথীদের সঙ্গে মিলে অসংখ্য হিন্দু এবং মুসলমান পরিবারকে উদ্ধার করেন, এবং পরবর্তী জীবনে এই অভিজ্ঞতার কারণে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে পরিত্যাগ করে ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতি মনোনিবেশ করেন। আমার মনে হয়, শমীক বাবুর এই অসত্য উচ্চারণ এবং সমাজ মাধ্যমে তার প্রচার আসলে শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে গান্ধী-মুজিব যুগল মূর্তি ধ্বংস করার একটা প্রাথমিক যুক্তি। তাই সাধু সাবধান। মুজিব কিন্তু হাজার সমস্যা, সুবিধাবাদ এবং আপস সত্ত্বেও বাঙালির আংশিক আইকন, যেমন আইকন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।
    -বাসু আচার্য্য
  • সনাতনী কাকাকাহিনি | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ০৭:৫৮747607
  • মুসলমানদের টাইট করতে গিয়ে, সনাতনী কাকারই নাইট এর ঘুম উধাও হয়ে গেছে। সরকার পাল্টানোর চক্করে কাকার পেশা জীবিকাই এবার পাল্টে দিতে হবে। মুসলমানরা তো গরুকে "রাষ্ট্রীয় পশু" করার দাবি জানিয়েছে,আপনারাও প্রকৃত সনাতনীর মতো গোপূজন করুন, পারলে গোমূত্র ও গোবরের ব্যবসা করুন। চারিদিকে যে পরিমাণে গোমূত্র ও গোবরখেকো অন্ধভক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আগামী দিনে গোমূত্র ও গোবর কেনার জন্যে অন্ধভক্তদের লাইন লেগে যাবে.. এই ব্যবসা করে আপনারাও প্রকৃত সনাতনী ঝটকা স্টাইলে আর্থিকভাবে ফুলেফেঁপে উঠবেন...!!
     
    শুনুন:
    https://www.facebook.com/share/r/1D4EXxiX4B/

    #cow #gomata #gomutra #gobarbhakt #গোমূত্র #গোবর #গোমাতা #hindu #sanatandharma #sanatani #hinduism #সনাতন #সনাতনী #হিন্দু #হিন্দুত্ব #গরু #WestBengal #WestBengalNews #kolkatanews #কুরবানি #কোরবানি #ঈদ #Jhatka #ঝটকা #BreakingNews #highlights #trendingreels #ব্রেকিং #খবর #সংবাদ
     
    - আকাশ সরকার
  • বেকার হকার | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ০৮:০৬747608
  • ডটের মত অনেকে এসব দেখে নিশ্চয় ভারি খুশি হবেন। হকার ফকার, লোক না পোক, এরা যত মরে সরে যায় তত বেশি ভিকাস হয়!

    https://www.facebook.com/share/v/18drHGCLxL/

    'ডবল ইঞ্জিন সরকারের মহিমা দেখুন। এক মাসও হয়নি এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে৷ এরই মধ্যে এদের কর্মকান্ডে আতঙ্কিত হয়ে মানুষ নিজের প্রাণ অবধি বিসর্জন দিয়ে দিতে চাইছে,কারণ এই সরকার কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে তাদের রুটিরুজির একমাত্র মাধ্যম।

    দমদমের এই দিদি হকারি করেই এতদিন সংসারে অবদান রেখেছে৷ আজ বিজেপির রেল পুলিশ আর রাজ্য পুলিশ মিলে তার অন্ন সংস্থানের একমাত্র পথকে বন্ধ করে দিতে চাইছে। নিজের এতদিনকার সাধের দোকানকে বুলডোজারে ধ্বংস হতে দেখার আগে সে রেললাইনে নিজের শরীর ছুঁড়ে দিয়ে নিজের জীবনকে শেষ করে দিতে চেয়েছে।
    কতটা অসহায়তার দিকে এই সরকার মানুষকে ঠেলে দিয়েছে। যেখানে রাজ্য জুড়ে একটাও স্থায়ী চাকরি এখনও অবধি দিতে পারেনি, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার মানুষের পয়সা উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম। ভাত দেবার মুরোদ নাই, কিল মারার গোঁসাই।

    পুনর্বাসন ছাড়া কোনো হকারের উচ্ছেদ চলবেনা। প্রয়োজনে সরকারি খরচে কোনো মার্কেট তৈরী করে সেখানে এই হকারদের পুনর্বাসন দেওয়া হোক। আর IRCTC র মাধ্যমে যেই কর্পোরেট ভেন্ডারদের বসানো হবে, সেই প্রতিটা কোম্পানি যেন বাংলার হয়। বিহার,ইউপি, রাজস্থান, গুজরাটের কোম্পানির লভ্যাংশ বাঙালির পকেট থেকে যাবেনা...!! '

    #hawkers #hawkerfood #hawkercentre #হকার #হকারউচ্ছেদ #kolkata #railway #easternrailway #sealdahdivision #howrahdivision #WestBengal #WestBengalNews #kolkatanews #RailwayNews #eviction #suicide #আত্মহত্যা #কলকাতা #পশ্চিমবঙ্গ #রেলওয়ে #ট্রেন #BreakingNews #trendingreels #highlights #DumDum #দমদম

    -আকাশ সরকার
  • শাইনিং শহর হবে... | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ০৮:১৭747609
  • গভীর রাতে মালগাড়িতে চাপিয়ে বুলডোজার এনে দমদমে হকারদের দোকানপাট ভেঙে গুঁড়িয়ে উচ্ছেদ করা হল। প্রতিরোধ রুখতে নিয়ে আসা হল সাঁজোয়া গাড়ি৷ যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। যুদ্ধই তো! গরীব মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল এবং বিজেপি। স্টেশনে হকার থাকবে না, থাকবে কর্পোরেটের স্টল। ৫ টাকার চা ৫০ টাকায় কিনতে বাধ্য করা হবে আমাদের৷ হকাররা কাঁদছেন৷ কাঁদছেন তাঁদের পাশে দাঁড়ানো বামপন্থী কর্মীরাও।

    বামপন্থীদের যে অংশটি উচ্ছেদের বিরোধিতা করছেন, তাঁরা জানেন, হকারদের পক্ষে দাঁড়ানো মানে বিপুল সংখ্যক মধ্যবিত্ত জনতার কাছে আরেকটু বেশি অজনপ্রিয় হওয়া৷ তাঁরা সেই ঝুঁকি নিচ্ছেন৷ চকচকে শহর হবে। ঝকঝকে স্টেশন হবে৷ কোথাও কোনও গরীব থাকবে না৷ দারিদ্র্য থাকবে। কিন্তু শহরে, স্টেশনে দরিদ্র মানুষ থাকবেন না৷ তাঁরা থাকবেন বস্তির ঘেটোয়। উন্নয়নের পর্দার আড়ালে।

    যাঁরা উন্নয়নের এই মডেল সমর্থন করেন, আবার নিজেদের বামপন্থী বলে পরিচয় দেন, তাঁরা বিজেপি-আরএসএসের চেয়েও ভয়ঙ্কর। হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে থাকা মানেই এই অংশের সমর্থন হারানো। এসেছে সেই সময়, যখন শরীর থেকে পুঁজরক্ত বেরিয়ে যেতে পারছে৷ দুধ আর জল আলাদা হয়ে যাচ্ছে৷
     
    - অর্ক ভাদুড়ি
  • কাল রাতে যা হল | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ০৮:২৩747610
  • মিথ্যার ফাঁদ পেতে মাঝ রাতের অপারেশন আদানি আম্বানির সরকারের!

    তিন দিন ধরে সিপিএম এবং সিটু কর্মীরা দফায় দফায় রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক এবং রাত পাহারা দিয়েও দমদম স্টেশনের বাইরে ক্যারেজ ওয়েতে হকারদের স্টল গুড়িয়ে দেওয়া আটকাতে পারল না। ভেঙে দেওয়া হল ভিতরের স্টলও। শনিবার রাত ১২ টা নাগাদ বুলডোজার নীতি প্রয়োগ হল। সিপিএমের নেতা সোমনাথ ভট্টাচার্য, গার্গী চ্যাটার্জীরা রেলকে অনুরোধ করেছিলেন, হকারদের উঠে যাওয়ার জন্য এক মাস সময় দেওয়া হোক। হয়নি। খবর পেয়ে বেশি রাতে ৮৬ বছর বয়সের ৫ বারের প্রাক্তন সিপিএমের সাংসদ তড়িৎ তোপদার ব্যারাকপুর থেকে ছুটে আসেন। তিনি হাত জোর করে বলেন, একটা দিন সময় দিন। আমি রেল মন্ত্রীর সঙ্গে কাল কথা বলব। কিন্তু তাঁর অনুরোধে কোনও কাজ হয়নি।

    শনিবার বিকেলে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব কিন্তু হঠাৎ করেই রেলের সঙ্গে বৈঠক করে জানিয়েছিল, আপাতত কিছু হবে না। ভিডিও বার্তাও দেওয়া হয়। নাকি দমদমের বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই ভাবে গরিবদের পেটে হঠাৎ লাথি মারা হবে না। সময় দেওয়া হবে। কিছু ব্যবস্থা হবে। ফলে রাতে অধিকাংশ হকার নিশ্চিত মনে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে যান। এরপরে রাত সাড়ে ১১ টায় একসঙ্গে রেল পুলিশ, বেঙ্গল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষ হকার উচ্ছেদে নামে।

    প্রশ্ন হচ্ছে, স্থানীয় বিজেপি নেতাদের এই আশ্বাস কি নাটক ছিল? মিথ্যার ফাঁদ পাতা হয়েছিল? নাকি তাঁরা কিছুই জানতেন না?

    - প্রসুন আচার্য!
  • একইসঙ্গে উত্তরপাড়ায়ও | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ০৮:৫৩747611
  • এ এক অদ্ভুত অগ্নিশুদ্ধির সময়। আমরা ভাগ্যবান তাই এই সময় প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাচ্ছি। এত বছর বাংলা বামঘেঁষা রাজনীতি দেখেছে। কংগ্রেস যখন বাংলা শাষণ করেছে, তারা ছিলো সোভিয়েত দ্বারা প্রভাবিত। সমাজতান্ত্রিক মডেল ছিলো তাদের অর্থনৈতিক মডেল। তারপর এলো বাম সরকার। হলো আমূল ভূমিসংস্কার, পঞ্চায়েত স্থাপনের মাধ্যমে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, গণবন্টন ব্যবস্থা চালু হলো। তারপর এলো মমতার সরকার। আদপে চুরি জোচ্চুরির সরকার হলেও, মানুষকে সাময়িক রিলিফ দেওয়ার রাজনীতি থেকে তারাও সরে আসার সাহস করে নি।

    কিন্তু এইবার একটি চূড়ান্ত দক্ষিণপন্থী দলকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে। তাদের কর্মপদ্ধতি তাদের অর্থনীতির অভিজ্ঞতা হওয়াটা ভীষণ জরুরী ছিলো। দ্বিধাহীন ভাবে একদিকে মিডিয়াকে অভিষেক ব্যানার্জিতে ব্যস্ত রেখে, আজ সারা রাত জুড়ে দমদম আর উত্তরপাড়ায় উচ্ছেদ চলছে। ভোট দেওয়ার আগে বাঙালি হিন্দু ভেবেছিলো বুলডোজার চলবে শুধু মুসলমান পাড়ায়। কিন্তু তাদের দ্রুতই ভুল প্রমাণ করে বুলডোজার পৌঁছে গেছে হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে গরীব মানুষের দোকানে। হ্যাঁ তারা দখলদার। কিন্তু কেন তাদের দখলদারি করে দোকান চালাতে হচ্ছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়েই উত্তরপাড়ার স্টেশন সংলগ্ন মাছের বাজার ভেঙে দিয়েছে আদানির সরকার। ভেঙে দিয়েছে দমদমের সমস্ত দোকান। কাল যারা ট্রেন ধরবেন তাদের বেশ ফাঁকা ফাঁকা লাগবে হয়তো দমদম। বেশ কিছুটা ভালো লাগবে। কিন্তু বহু মানুষের দীর্ঘশ্বাসের ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে হবে আপনাকে। কারণ কাউকে পুনর্বাসন দেওয়া সম্ভব না সরকার জানিয়ে দিয়েছে। এতগুলো মানুষ খাবে কী? আগের সরকার গুলো ভাবতো, এই সরকার ভাববে না।

    Rangan দার একটা লেখা মনে পড়ছে

    ভোটের আগে মাংস পোলাও
    ভোটের পরে উচ্ছে দে।
    উচ্ছেদে-

    ভালো থাকবেন সবাই, এক নির্দয় নির্মম সাজানো গোছানো কলকাতায় আপনাকে স্বাগত। যা তাঁর চরিত্রই ছিলো না কখনো।
     
    - অনির্বাণ মাইতি
     
    উত্তরপাড়ার ভিডিও
     
  • | ৩১ মে ২০২৬ ০৯:৪৫747612
  • দিলীপ ঘোষ হেলমেটছাড়া বাইক (৫০ লক্ষ দাম) চালাবে তাই রাস্তা কিলিয়ার রাখতে হবে।
  • Prithwish Roy | ৩১ মে ২০২৬ ১১:৪১747613
  • *অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে নাটক করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু এবং অগ্নিমিত্রা পাল? প্রশ্ন BJP কর্মীর*

    https://www.youtube.com/live/mgr7UiypMQ0?si=A7U6N-yu3NKsgBGk
  • মেরেই শেষ করবে? | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১১:৪৫747615
  • কল্যাণ ব্যানার্জিকে মারল এবার। মাথা ফাটিয়েছে।
  • Prithwish Roy | ৩১ মে ২০২৬ ১১:৪৯747616
  • অন্তর্বাস পরিয়ে অপরাধীদের রাস্তায় ঘোরানো উচিত শাস্তি?

  • সঞ্জু ও অভিষেক সংক্রান্ত | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১২:২৬747617
  • https://www.facebook.com/share/r/1D14tosfVS/

    সরকারি চাকরি করলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবো না বলেছিল সঞ্জু।। সোনারপুরে নিহত সঞ্জু কর্মকারের ওপর ক্ষোভ সরকারি চাকরি করা মহিলার

    একই মহিলা-
    https://www.facebook.com/share/r/1BVKD9e73h/
    সঞ্জুকে উপরে পাঠিয়েছি এবার অভিষেককে পাঠাবো
  • প্রতিবাদ করলেও গ্রেপ্তার! | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১৪:১৯747621
  • চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার সহো গ্রেফতার ১৩ জন
    বিশেষ সূত্রে খবর, গতকাল অভিষেক ব্যানার্জির উপর আক্রমণের প্রতিবাদে চুঁচুড়া পিপুলপাতি মোর অবরোধ করে প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার এবং কিছু কাউন্সিলর। এই অপরাধে কাউন্সিলর, আইনজীবী সহ মোট ১৩ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
     
    ফ্যাসিজমের আর বাকি কী বা রইল!
  • মর্গের উপহার | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১৫:১৯747623
  • বিজেপি’র বিজয় মিছিল থেকে গরিবদের ‘মর্গের জামাকাপড়’ দান!
    ক্ষোভে ফুঁসছে মানকানালি!
    দু‘দিন আগে বিজেপি‘র লোকজন বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের মানকানালি অঞ্চলের কেন্দবনি আদিবাসী ও তপসিলি জাতিভুক্ত রায় পাড়ার গরিব খেতমজুর পরিবারগুলিকে বাসি ঘুগনি, লুচি দেয় বিজয় উল্লাসে। পাশাপাশি তাঁদের হাতে কিছু জামা প্যান্ট, কাপড় তুলে দেয়।
    সেই কাপড় গুলো সবই পুরোনো, ছেঁড়া।
    জামা প্যান্টের ভিতর থেকে পোড়া বিড়ি, খৈনি বেরিয়ে আসে।
    ছিল রক্ত, সিঁদুর এর দাগ ও মানুষের অভিযোগ এগুলো শ্মশান ও মর্গ থেকে এনে তাঁদের দেওয়া হয়েছে।
    তাঁদের বক্তব্য আমরা গরিব বলে এই ভাবে আমাদের অপমান করা হল? তাঁরা ক্ষোভে ফুঁসছেন।
    কেউ এই কাপড়, জামা ব্যবহার করেননি।
  • Prithwish Roy | ৩১ মে ২০২৬ ১৯:১৫747627
  • *WB में अभिषेक बनर्जी पर हमले के बाद सांसद कल्याण बनर्जी पर भी हमला! तस्वीरों ने खोली भाजपा की पोल?*

  • ইস্মার্ট বঙ্গাল | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:১২747630
  • হকারদের পর এবার আপনার আমার পালা। এই মহামূল্যবান স্মার্ট মিটারের দাম ধার্য হয়েছে দশ হাজার টাকা। যার মধ্যে হিন্দুদরদী সরকার দয়া করে দেবেন ৯০০ টাকা। বাদবাকি টাকা কিস্তিতে দিতে হবে ভোক্তাদের। স্মার্ট মিটারের আবেদন না করেও কেন এই টাকা দিতে হবে, তার কোন উত্তর নেই। উত্তর চাইলে দেশদ্রোহী। আর স্মার্ট মিটার বসার পর বিল কেমন আসবে? স্রেফ গুগল করে ডবল ইঞ্জিন রাজ্যের স্মার্ট মিটার ভোক্তাদের অভিজ্ঞতা দেখে নিন। প্রসঙ্গত হিন্দুদরদী সরকার আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে আগামী দুই মাসের মধ্যে বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধি করা হবে। ঘাটতি মেটাতেই নাকি এই মহতী পদক্ষেপ। হিন্দুরা নিশ্চয়ই হিন্দুদরদী সরকারের এসব পদক্ষেপের পাশে থাকেবন। থাকবেন তো?

    - Rajdip Biswas Rudra
  • হকারোচ্ছেদ সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:৫১747632
  • Facebook: Link to the original post: https://www.facebook.com/share/p/1Qw4j3ttxj/

    "ঝাঁ চকচকে রাস্তা চাই, বিদেশের মতো দেখতে স্টেশন চাই, ফটোশ্যুট করার জন্যে ঝলমলে নদীর পাড় চাই - এবং যারা এইগুলি চাইছে না তারা অশিক্ষিত, দেশকে গরিব রাখতে চায়, এরা নিজেদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে হকারদের রাখুক, বেআইনি জায়গা হকাররা দখল করে থাকবে কেন?"
    এটাই হলো মোটের উপর যুক্তি। শুনতে কি দারুণ না? আবেগ দিয়ে নয় বাস্তবতা দিয়ে ভাবতে হবে যাতে দেশের উন্নতি হয়। আবেগ দিয়ে উন্নতি হয় না। দৃঢ় পদক্ষেপ লাগে। অর্থাৎ যেন এই যে বন, নদ-নদী, নদীর পাড়, হকার সবকিছুর উচ্ছেদ হচ্ছে সেখানে দুইপক্ষের একজন আবেগী যে এইগুলি রুখতে চায় অন্যজন বিশাল অর্থনীতি বোদ্ধা যুক্তিবাদী - এইরকম শোনাচ্ছে তো?

    আসুন যারা খুব যুক্তিবাদী সাজছে তাদের কয়েকটি প্রশ্ন করি। যে যেখানে এইসব কিছু উচ্ছেদ করে দেওয়ার পক্ষে দাঁড়াবে তাদের এই প্রশ্নগুলি করুন -

    (১) তারা বলছে হকাররা "বেআইনি দখল" করে আছে। ঠিক আছে। কিন্তু তারা আগে বলুক — এই মানুষগুলো যাবে কোথায়?

    ভারতবর্ষের জিডিপি-তে কৃষি থেকে আসা অংশ ক্রমহ্রাসমান অথচ দেশের সর্বোচ্চ মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে এই পেশার সাথেই যুক্ত। কৃষি এতো অলাভজনক হওয়ায় মানুষ অন্যান্য সেক্টরে কাজের খোঁজে বেড়ানো শুরু করেছে।
    সরকারের নিজের সংস্থা NSSO-র তথ্য বলছে, কৃষি ছেড়ে আসা কোটি কোটি মানুষের মধ্যে কারখানা-শিল্প নিয়েছে নগণ্য একটা অংশকে। PLFS ২০২২-২৩ বলছে ম্যানুফ্যাকচারিং-এ নতুন কাজ তৈরি হচ্ছে না বললেই চলে। এমনকি মোদী সরকারের "স্কিল ইন্ডিয়া" প্রকল্পে যারা ট্রেনিং পেয়েছে তাদের ৭০%-এর বেশি চাকরি পাননি — এটা সরকারের নিজের CAG রিপোর্ট বলছে।
    এখন তারা বলুক যে এই কোটি মানুষ ফুটপাতে না দাঁড়ালে কোথায় দাঁড়াবে?

    (২) "বিদেশের মতো সব ঝাঁ চকচকে চাই" যারা বলছে। মনে রাখবেন তারাই আপনি কি পোশাক পড়বেন, কোন ভাষায় কথা বলবেন ইত্যাদি সব স্বদেশী চায়। যেই উচ্ছেদের প্রসঙ্গ আসে সাথে সাথে বিদেশী মডেল এদের চোখে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু, বিদেশে কি দেখতে পাওয়া যায়?
    ব্যাংককের রাস্তার খাবারের দোকানের কথা কে না জানে? খাদ্যরসিক মানুষ সারাদিন ব্যাংককের খাবারের ভিডিও দেখছে। এমনকি এটি UNESCO স্বীকৃত। শহরের পর্যটন আয়ের প্রায় ২০% আসে এই রাস্তার অর্থনীতি থেকে। সেখানকার সরকার জোনিং করে দিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধির ট্রেনিং দিয়েছে, ছোট ঋণের ব্যবস্থা করেছে। দেশের অর্থনীতিতে সেটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
    সিঙ্গাপুরে সরকার নিজে হকার সেন্টার বানিয়ে দিয়েছে, হকারদের ভর্তুকি দিচ্ছে। পরিণাম কী জানেন? সেখানকার দোকান Michelin Star পেয়েছে। Michelin Star হলো রান্নায় অস্কার পাওয়ার মতো সম্মান।
    নিউ ইয়র্কে দেখুন। ওখানে ফুড ট্রাককে লাইসেন্স দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যবিধি মানলেই ছাড়।
    প্যারিসে পৌরসভা নিজে থেকে জায়গা দেয়। সেই জায়গার ভাড়া নেয়। এবং প্যারিস হকারদের নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে দেখে।
    এই উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। তাহলে? কোন বিদেশের গল্প শোনাচ্ছে তারা?

    (৩) "আবেগ নয়, বাস্তবতা দিয়ে ভাবতে হবে"? পরিসংখ্যান দিক ওরা ওদের উন্নয়নের মডেলের। কীরকম বাস্তবতা দেখি আমরাও একটু।
    দিল্লিতে ওরা যে বড় উচ্ছেদ ঘটালো তারপর ওই পরিবারগুলো কোথায় গেল, কী করছে, আয় কত হলো — এই তথ্য কি সরকার কোথাও প্রকাশ করেছে? Habitat International আর মুম্বাই হাইকোর্ট নিযুক্ত কমিটির পুরনো রিপোর্ট বলছে, জোরপূর্বক উচ্ছেদের পর পারিবারিক আয় গড়ে ৭৭% কমে গেছে এবং স্কুলছুট হয় ৫০% শিশু।
    এগুলির দায় কার? তারা সেই দায় পালনে কী ভূমিকা নিয়েছে?

    (৪) ওরা যে বলছে উচ্ছেদ হলে "উন্নয়ন হবে"। কোন মডেলে হবে সেটা? ওরা কিছু বলতে পারছে? উচ্ছেদের পরে কী? ধাপে ধাপে দেখাতে পারবে কীভাবে উন্নয়ন আসবে উচ্ছেদ করে?
    "মেট্রো হবে, মল হবে" - এই তো যুক্তির হতশ্রী দশা!
    ওদের এই মডেলেই নয়া রায়পুর বানানো হয়েছিল পরিকল্পিত শহর হিসেবে। আজ সেখানে মানুষ নেই, ভুতুড়ে শহর হয়ে জায়গাটা পড়ে আছে। ওরা উদাহরণ দেবে গুরুগ্রামের DLF — যেখানে ঢুকতে গেলে পকেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চাই। স্থানীয় ছোট বিক্রেতাদের ঢোকার অনুমতি নেই। ফলাফল? দেশের ক্রাইমে অন্যতম প্রধান জায়গা।
    যারা এখানে উচ্ছেদের জন্যে লাফাচ্ছে তারা নিজেদের কন্যাসন্তানকে ওখানে চাকরি করতে পাঠায় না। এতটাই 'সুরক্ষিত'!
    তাহলে উচ্ছেদের পরে এইরকম শহর বানিয়ে দিল ভালো কথা। কিন্তু, এই উচ্ছেদের পর কত লাখ চাকরি হবে, কত বছরে, কে দেবে — এর কোনো হিসেব আছে? ক্ষমতা থাকে তো সরকার আমাদের ডাকুক। আমরা যারা বিরোধিতা করছি আমাদের প্রশ্নের ধাপে ধাপে উত্তর দিক।

    (৫) এদের অন্যতম হাতিয়ার হলো হকারদের "বেআইনি" বলা। ঠিক আছে, তাহলে আইনের কথাতেই আসি।
    দেশজোড়া হকারদের বিদ্রোহের ফলে তৎকালীন ইউপিএ সরকার ২০১৪ সালে — Street Vendors (Protection of Livelihood and Regulation of Street Vending) Act - এই আইন তৈরি করে। সেই আইন বলছে: প্রতিটা শহরে টাউন ভেন্ডিং কমিটি গঠন করতে হবে, পাঁচ বছর অন্তর সমীক্ষা হবে, ভেন্ডিং জোন চিহ্নিত হবে, হকারদের সার্টিফিকেট দিতে হবে।
    যারা বেআইনি বেআইনি করে লাফাচ্ছে — তারা একটু তথ্যপ্রমাণ সহ আমাদের জানিয়ে যাক যে
    মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, বিহার, দিল্লি এবং এখন বাংলায় যে হকার উচ্ছেদ চলছে তার আগে এই সমীক্ষা হয়েছে? যদি হয়ে থাকে সেই কমিটিতে কি হকার প্রতিনিধি আছেন? তাঁকে কারা নির্বাচন করলো? আইন অনুযায়ী তাদের বিকল্প জায়গা কি দেওয়া হয়েছে? CAG আর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালেও দেশের মাত্র ৩০% পুরসভা এই কমিটি তৈরি করেছে, সমীক্ষা তারও কম হয়েছে। এখানে ওরা যুক্তি দিতে পারে রেলের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়। এখানে মৌলিক প্রশ্ন - রেল তো এদের থেকেই ভাড়া নিতে পারে। যারা ইতিমধ্যে ওখানে রয়েছে। ওদেরকে তুলে বড়ো বড়ো কম্পানিকেই তো সেখানে বসাবে। শিক্ষা খাতে টাকা বাড়াতে পারছে না, স্বাস্থ্যখাতে টাকা বাড়াতে পারছে না, অন্তত ভারতবর্ষের মানুষের অন্যতম প্রাণ রেলটা ছেড়ে দিক। সেখানে যে বিপুল সংখ্যক গরিব মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন তাদের কতজন প্রতিদিন ১০০ টাকার চা আর ২০০ টাকার ভাত খেতে পারবে?

    (৬) প্রচুর কমেন্ট আসছে "এদের নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখো"। তারপর এদের প্রোফাইলগুলো গিয়ে দেখছি। কারও আর্থিক অবস্থা নিয়ে কটুক্তি করার শিক্ষা আমাকে আমার বাড়িতে দেয়নি। কিন্তু, এরা নিজেরাও হয়তো উপলব্ধি করতে পারেনি যে কীভাবে এরা নিজেরাও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এদের উপর নির্ভরশীল।
    NITI Aayog-এর ২০২২ রিপোর্ট বলছে, ভারতের শহুরে কর্মশক্তির ৮২% অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে আছে। যাদের পেটের ভাত মারতে এরা উচ্ছ্বসিত সেই চাওয়ালা, অটোচালক, রাজমিস্ত্রি, গৃহ পরিচারিকা — সবাই এটির অংশ।
    এদের দাবি এরা সকালে শহরে ট্রেন ধরে আসবে তারপর পরিষেবা দিয়ে বিকেলে ট্রেন ধরে বাড়িতে ফিরে যাবে। শহরে এদের কোনো জায়গা নেই।
    এই কথাটা এরা মুখ ফুটে বলতে পারছে না। শহুরে যেসব বাবু-বিবিরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তারা বিজেপির ওই নিচুতলার গরিব কর্মীটিকেও এই চোখেই দেখে। জেনে রাখুন।

    (৭) এদের আরও এক যুক্তি হলো "যারা বিরোধিতা করছে তারা দেশকে গরিব রাখতে চায়"। তাই? তাহলে সেই পরিসংখ্যানটাই দেখা যাক। গত বারো বছরে মোদীজির "উন্নয়নের" জোয়ারে— কর্মসংস্থানের হার CMIE অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৪৪% থেকে ২০২৪ সালে ৪০%-এ নেমেছে। ক্ষুধা সূচকে ভারত ১২৫টি দেশের মধ্যে ১১১ নম্বরে নেমে গেছে। এমনকি সেটা নেপাল, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশেরও নিচে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের নিজস্ব হিসেব বলছে যে মূল্যস্ফীতি ধরলে গ্রামীণ মজুরির প্রকৃত বৃদ্ধি নেই। মানে আপনার মনে হতে পারে যে আজ থেকে বারো বছর আগের থেকে আজকে আপনার মাইনে অনেক বেশি। কিন্তু টাকার মূল্য প্রতিদিন যেভাবে কমছে, দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে সেখানে দেখা যাচ্ছে যে আপনার অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং আরও খারাপ হয়েছে।
    তাহলে আপনাদের মডেল কোন গরিবকে নিস্তার দিচ্ছে? কতজনকে বড়োলোক করেছে?

    (৮) বুলডোজার চালানো কি একমাত্র পদক্ষেপ? ওরা বলছে কিছু ভালোর জন্যে কিছু খারাপ সহ্য করতে হয়। এদিকে ব্যাখ্যা করতে পারছে না যে ভালোটা কী হচ্ছে? জিজ্ঞাসা করলে বলছে 'দৃঢ় পদক্ষেপ লাগে'। তার ফলাফলটা আমাদেরও বোঝানো হোক! একতরফা সমীক ভট্টাচার্যকে বলতে দিলে হবে? আমাদের সামনে বসানো হোক। আমরা প্রশ্ন করি। সাহস থাকলে সামনে বসিয়ে উত্তর দেওয়া হোক আমাদের।
    মিউনিসিপ্যাল বন্ড জারি করে ভেন্ডিং জোন বানানো, সকল হকারদের নথিভুক্ত করা, ক্ষুদ্রঋণ ও বীমার ব্যবস্থা করা, প্রতিটা শহরে ভেন্ডিং কমিটির নির্বাচন বাধ্যতামূলক করা। এগুলি করলে কি ক্ষতি হতো আমি জানতে চাই।

    আমি জানি এতকিছু পড়ে উত্তর দিতে না পেরে তারা বের করবে সবচেয়ে অশ্লীল যুক্তিটি।

    "এরা কোথায় যাবে সেটা সরকারের দায় নয়।"

    তাহলে দেখা যাক সরকার এদের দায়িত্ব না নিলে যারা এদের বিরোধিতা করছে তাদের কী অবস্থা হবে! যদিও এখানে প্রশ্ন করা যেতো যে,
    যে দেশে কর্মশক্তির ৮২% অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে, সেই দেশে সরকার যদি বলে "এদের দায় আমার নয়" — তাহলে সরকার আসলে কার দায় নিচ্ছে? ৮২% মানুষের দায় না নিলে যে ১৮% বাকি থাকে, তারা একা কি দেশটা চালাবে? এই দেশের উন্নয়ন, সবকিছু কি শুধুই এদের জন্যে? আদৌ সেটা হবে কি?

    এই ৮২% মানুষ শুধু "গরিব" নয় — এরা দেশের সবচেয়ে বড় ভোক্তাগোষ্ঠী। এরা রোজ যা আয় করে তার প্রায় পুরোটাই স্থানীয় বাজারে খরচ করে। চাল, তেল, সবজি, বাসভাড়া, বাচ্চার পড়ার খরচ। এই খরচ থেকে আরেকজনের আয় হয়, সেই আয় থেকে আরেকজনের — এটাই অর্থনীতিতে demand multiplier। এই শৃঙ্খলটা ছিঁড়ে দিলে শুধু গরিব মানুষ মরে না, পুরো অর্থনীতিতে ধ্বস নামে। ভারতে মানুষ জিনিস কিনছে না। এটা সরকারি পরিসংখ্যান বলছে। তাই তাদের জিএসটি ২.০ করতে হলো। যাতে মানুষ জিনিস কিনতে উৎসাহ পায়। কিন্তু, ভেবে দেখুন তার ফলে এক প্যাকেট বিস্কুটের দামও কমেনি। অর্থাৎ ট্যাক্সের ছাড় সরাসরি গেল কম্পানির মুনাফায়। এবং ভাতা কোনো ভিক্ষা নয়। মার্কেট যখন এইরকম অচল হয়ে যায় ক্রেতার অভাবে তখন মৃত মানুষকে কোনোরকমে বাঁচিয়ে রাখতে মার্কেটে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে যৎসামান্য বৃদ্ধির জন্যে সরকার নিজের স্বার্থে ভাতা দেয়।

    পৃথিবীতে এই অবস্থা আগেও হয়েছে।

    ১৯৯০-এর দশকে আর্জেন্টিনা IMF-এর পরামর্শে ঠিক এই কাজটাই করেছিল — সরকারি ব্যয় কমানো, দুর্বলদের ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়া, বাজারকে নিজের মতো চলতে দেওয়া। ফল কী হয়েছিল? ২০০১ সালে দেশ দেউলিয়া হয়ে গেছিল। মধ্যবিত্ত রাতারাতি দরিদ্র হয়ে ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে রাস্তায় নেমে গেছিল। ব্যাংকের সামনে লাইন পড়ল। ভয়াবহ সামাজিক কলহ সৃষ্টি হলো। সেখানকার সরকার পড়ে গেল। এক বছরে পাঁচজন প্রেসিডেন্ট বদলানো হলো।

    কারণটা খুব সহজ। যখন সরকার দুর্বল মানুষের দায়িত্ব নেওয়া বন্ধ করে, তখন সেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে যায়। ক্রয়ক্ষমতা হারালে বাজারে বিক্রি কমে। বিক্রি কমলে ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়। ছোট ব্যবসা বন্ধ হলে আরও বেকারত্ব বাড়ে। বেকারত্ব বাড়লে আরও ক্রয়ক্ষমতা কমে। এটা একটা মৃত্যুকূপের মতো — একবার শুরু হলে থামানো ভয়ঙ্কর কঠিন।

    ভারতে এই লক্ষণগুলি কিন্তু দেখা যাচ্ছে। গ্রামীণ মজুরি বাড়ছে না, FMCG কোম্পানিগুলো নিজেরাই বলছে গ্রামীণ চাহিদা কমছে, ছোট প্যাকেটের বিক্রি বাড়ছে কারণ মানুষ এক কেজির জায়গায় আধা কেজি কিনছে। এটা সমৃদ্ধির লক্ষণ নয় বরং বিপদের লক্ষণ।

    এই যে নিজের পছন্দের দলের জন্যে এই দেশের এবং এই দেশের গরিব মানুষের জন্যে কবর খোঁড়ায় যারা উচ্ছ্বাসিত জানবেন ওদের এই কবরে ফেলেই ওদের সরকারের লোকজন বিপদের দিনে বিদেশে পালাবে।

    তথ্যসূত্র (ফুটনোট)
    1. ১. NSSO Employment-Unemployment Survey (68th Round, 2011-12) – কৃষি ছেড়ে আসা শ্রমিকের তথ্যের জন্য: https://mospi.gov.in/unit-level-data-labour২.
    2.  Periodic Labour Force Survey (PLFS) 2022-23 Annual Report – ম্যানুফ্যাকচারিং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত: https://mospi.gov.in/periodic-labour-force-survey-plfs৩.
    3.  CAG Report on Skill India Mission (Report No. 12, 2023) – প্রশিক্ষণ পরবর্তী চাকরির হার: https://cag.gov.in/en/audit-report/details/118011৪.
    4.  UNESCO Intangible Cultural Heritage – Bangkok Street Food (Nomination file, 2019):  https://ich.unesco.org/en/RL/nuad-thai-traditional-massage-01384?
    5.  (উল্লেখ্য, ব্যাংকক স্ট্রিট ফুড আলাদা তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াধীন ছিল, পর্যটন আয়ের ২০% সংক্রান্ত তথ্য:  https://www.bangkokpost.com/thailand/special-reports/1427953/bangkok-street-food-a-20-year-retrospective)৫.
    6.  Michelin Guide Singapore – Hawker Chan (1 Star) related report: https://guide.michelin.com/sg/en/article/dining-out/hawker-chan-singapore-first-michelin-starred-street-food৬.
    7.  New York Food Truck Permit – NYC Health Dept:  https://www.nyc.gov/site/doh/business/food-operators/mobile-food-vending.page৭.
    8.  Paris Marchés (street markets) – Mairie de Paris:  https://www.paris.fr/pages/les-marches-parisiens-2420৮.
    9.  Habitat International Coalition – Eviction Impact Assessment reports: https://www.hic-gs.org/document.php?pid=2706
    10.  (সাধারণ তথ্যের জন্য; নির্দিষ্ট ৭৭% আয় হ্রাস ও ৫০% স্কুলছুটের ডেটা বিভিন্ন এনজিও রিপোর্টে, যেমন: https://yuvaindia.org/wp-content/uploads/2020/01/Eviction-Impact-Assessment-Report.pdf)৯.
    11.  CMIE Unemployment Rate Data (2017 vs 2024): https://unemploymentinindia.cmie.com/১০.
    12.  Global Hunger Index 2023 – India rank 111 out of 125: https://www.globalhungerindex.org/india.html১১.
    13.  EAC-PM Working Paper on Real Rural Wages (2023): https://eacpm.gov.in/reports/১২.
    14.  NITI Aayog – Report on India's Informal Economy (2022): https://www.niti.gov.in/sites/default/files/2022-07/Informal-Economy-in-India.pdf১৩.
    15.  Argentina IMF crisis 2001 – overview: https://www.imf.org/external/np/exr/center/mm/eng/mm_rs_01.htm১৪.
    16.  GST 2.0 reform press coverage (The Hindu BusinessLine, 2023): https://www.thehindubusinessline.com/economy/gst-20-need-for-rate-rationalisation-and-simplification/article66773340.ece১৫.
    17.  FMCG Rural Demand slowdown reports: https://www.business-standard.com/industry/fmcg-sector-slowdown-124022100052_1.html
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন