এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • k | ২৬ জুন ২০২৬ ১৩:১৮556878
  • একে একরকমের "অর্থলাভ জিহাদ" ও বলা যেতে পারে।
    ঐ দরিদ্র হিন্দুটি নিশ্চয়ই অর্থলাভের জন্যই ঐ পারসিক ধ্বজা বহন করছেন। কাজেই...
  • k | ২৬ জুন ২০২৬ ১৩:১৩556877
  • শিব্রাম চকরবরতী মহাশয় অবশ্য কংগ্রেসের আমলেও এরকম বর্ণনা লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন।
  • k | ২৬ জুন ২০২৬ ১৩:১০556876
  • ফটোগুলোতে দেখতে পাচ্ছেন না, শিখাধারী (উপবীতও থাকতে পারে টি শার্টের তলায়) নিষ্ঠাবান হিন্দু, শিয়াদের মহরমে ধ্বজা বহন করছেন।।

    এ অনাচার বন্ধ করার জন্য পশ্চিমবঙ্গবাসী এত কাঠখড় পুড়িয়ে বিজেপি কে পাওয়ারে আনলুম, কোথায় কি!
    দিদির ট্র্যাডিশন সমানে চলছে।

    (এ দেশে বিভেদকামীদের কোনদিনও পসার হবে ????)
  • . | ২৬ জুন ২০২৬ ১৩:০১556875
  • এই ফোটোগুলো কী ব‍‍্যাপারে k?
  • . | ২৬ জুন ২০২৬ ১২:৫৮556874
  • ২৬ জুন ২০২৬ ১২:২৬
    মাথা ঠাণ্ডা রাখুন।
  • k | ২৬ জুন ২০২৬ ১২:২৯556873
  • আমাদের দেশের কিস্যু হবে না মশাই...


    কে কার ধ্বজা বইছে আর কেই বা বইতে দিচ্ছে তা কেউ জানে না।
     


     
    এনার্কিজমই এ দেশের ভবিতব্য।
  • মুগ্ধ পাঠক | ২৬ জুন ২০২৬ ১২:২৬556872
  • "ভারতে এইরকমের কোনও নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়া হয় না"
    - এই আশ্চর্য বাণী একজন ইমিগ্র্যান্টের থেকে দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
     
    জন্মগত সুইস নাগরিকদের ঐ নাগরিক কাগজ জন্মের সাথে সাথে হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় নাকি?
  • @UCC | ২৬ জুন ২০২৬ ১১:১৮556871
  • //সর্বপরি এটাই বলার যে আইন হোক বা মানুষের রুজি রুটি। সব কিছুই প্রথাগত ভাবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে করা উচিৎ। //
     
    *****সংবিধান বা আইন সংশোধন করে। কারন পুরোন আইন সংশোধনের মাধ্যমে এগোলে। পুরোন আইনের ভুল ত্রুটি গুলো পর্যালোচনা করার সুযোগ থাকে। যা সমাজের পক্ষে উপযোগি। এবং তার বদলে কোন নিয়ম আনলে, বেশি কার্যকরী হবে। সেটাও বোঝা যায়। কিন্তু একটা নতুন নিয়ম আনলে। তার ফল সমাজে কী হবে? সেটা বোঝা যায় না। যেমন নোট বন্দি।
  • শ্রাবণী | ২৬ জুন ২০২৬ ১১:০৯556870
  • হিন্দিতে পাকা ও কাঁচা দুইকেই "কঠাল" বলে, এঁচোড়ের আলাদা হিন্দি নেই তাই কাঁঠালের বিরিয়ানি
  • Bratin Das | ২৬ জুন ২০২৬ ০৫:৩৩556869
  • একদম ঠিক হুচি
  • hu | ২৬ জুন ২০২৬ ০৫:৩১556868
  • "তবে ডিম কোন
    কালে দেয় নি"
     
    - ডিম প্রসঙ্গে মিড ডে মিলের কথা হচ্ছে তো! যেটা বাম আমলের শেষের দিকে চালু হয়েছিল। মিড ডে মিলে সপ্তাহে একদিন ডিম দেওয়ার চেষ্টা মোটামুটি সব স্কুলই করেছে।
     
    ব্রতীনদা যে টিফিনের কথা বলছে সেটা গভর্নমেন্ট স্কুলগুলোতে দেওয়া হত। মেনু ভালোই থাকতো। যেদিন ডালপুরী হত সেদিন ভাই আমার জন্য নিয়ে আসতো। অন্যদিন খিচুড়ি, ঘুঘনি বা আরও সিম্পল কিছু দিত। এমনকি তিনটে বিস্কুট দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে এমনও হত।
     
    গভর্নমেন্ট এইডেড স্কুলগুলোতে টিফিন দিত না। মাইনেও সামান্য বেশি ছিল। নব্বইয়ের প্রথমার্ধে বছরে উনপঞ্চাশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা দিতে হত।
     
    তারপর লেডি ব্রেবোর্নেও মাসে তিনশো টাকা দিয়ে হোস্টেলে থেকেছি। এই সাবসিডিগুলো তো বুদ্ধিমান সরকারের দেওয়াই উচিত। এগুলো ভবিষ্যত নাগরিকের ওপর ইনভেস্টমেন্ট।
     
    এই সাধারণ ব্যাপারগুলো বুঝতে পারি না কেন এখন অনেকেই বোঝেন না, বা না বুঝেও ইগনোর করেন।
  • Bratin Das | ২৬ জুন ২০২৬ ০৫:০৫556867
  • আমি সরকারী স্কুলে পড়েছি
     
    টিফিন দিত. মাইনে নিত ৩ টাকা
     
    যখন সেভেনে উঠলাম তখন মাইনে
    হল ৬ টাকা
     
    জিলিপি লাড্ডু আলুর চপ এইসব দিত
     
    গরমকালে তরমুজ দিত.
     
    তবে ডিম কোন
    কালে দেয় নি
  • Bratin Das | ২৬ জুন ২০২৬ ০৪:৫৯556866
  • ইয়ে মানে মিঃ বীন যখন শুয়ে থাকেন তখন
    তাকে "সোয়াবিন " বলে wink
  • মিঃ লেগ্রি | ২৬ জুন ২০২৬ ০৪:৫২556865
  • স্বেচ্ছায় বেশ্যাবৃত্তি স্বেচ্ছায় দাসত্বের মতোই অক্সিমোরণ। কাউকে দিয়ে লিখিয়ে নিলেই হল আমি স্বেচ্ছায় আত্মবিক্রয় করিয়া দাস হইলাম। কোন সভ্য দেশে আদালত ওরকম চুক্তি মেনে নেয় না। কারণ কেউ ওরকম ক্ষতিকর চুক্তি স্বেচ্ছায় সই করতে পারে না। পিরিয়ড। স্বেচ্ছায় বেশ্যাবৃত্তিও প্রায় ওই স্তরের ক্ষতিকর।
     
    ইউরোপ তো ঠিক সভ্য দেশ নয়। বহু বছর ধরে কলোনির সম্পদ আর কলোনির মেয়েদের যৌনশোষণ এর ওপর বেঁচে থেকেছে। ইদানীং আমেরিকা আর চীন দুদিক থেকেই লাথি ঝাঁটা খাচ্ছে। কিন্তু স্বভাব সহজে যায় না। আইনসঙ্গত বেশ্যাবৃত্তি, স্বেচ্ছায় যৌনপেশা এই সব ঢপ মেরে কালো, হলুদ, বাদামী, স্লাভিক মেয়েদের যৌনশোষণ টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আরএসএস সবসময়েই সাদা প্রভুদের পা চেটেছে। এখনও সাদা প্রভুরা লালসা মেটানোর জন্য যথেষ্ট রঙিন মেয়ে পাবে না ভাবলেই তাদের বুক ফেটে যায়। বেশ্যাবৃত্তি এদের জাস্টিফাই করতেই হয়।
  • অরিন | ২৬ জুন ২০২৬ ০৪:২৫556864
  • PM Poshan মানে যে প্রোগ্রামের অন্তর্গত এই পশ্চিমবঙ্গের ইসকনের দায়িত্বে মিড ডে মিলের প্রোগ্রাম, তাকে নিয়ে World Food Program এর ভারতীয় দফতর একটি রিপোর্ট পেশ করেছিলেন বছর দুয়েক আগে। রিপোর্ট টা বিস্তারিত এবং তাতে নানান তথ্য আছে। তার মধ্যে আমাদের প্রাসঙ্গিক আলোচনায় শিশু কিশোরদের প্রোটিন কতটা দেওয়া হচ্ছে তার বাস্তবিক পর্যালোচনার "নির্যাস" এই রকম:
     
    Protein Quality: Adequate dietary protein is essential during growth when new tissue proteins are synthesised. While the proteins can be derived from both animal and plant sources, the efficiency of dietary protein utilization depends upon the digestion and absorption of the released amino acids, which is often better for animal-source protein. Further, by their amino acid composition, animal source proteins are good quality proteins. The PM POSHAN guidelines recommend the use of pulses as the key source of protein. The total protein intake from various food sources in hot-cooked meals recommended PM POSHAN food norms falls within the range of 12 to 19 gm for Primary and Upper Primary students respectively, and pulses contribute approximately 5 to 7 gm of protein to both groups. However, it is important to note that a substantial portion of the protein is derived from cereals, which presents a practical challenge. Children may find it difficult to consume large quantities of cereals supplied to meet their protein needs, while at the same time, the quality of protein is poor as well. Therefore, providing children with more nutrient-dense protein sources is imperative to ensure they receive the necessary nutrients without excessive reliance on cereals.
     
     
    Bold faced font এ আমার করা।
    যে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেটি বাস্তবিক। শুধু ডাল সোয়াবিন রাজমা নির্ভর পুষ্টি বাড়ন্ত শিশুর পক্ষে যথেষ্ট নয়।
  • :|: | ২৬ জুন ২০২৬ ০৪:১৬556863
  • ২৬ জুন ২০২৬ ০০:০২ --
    আপনার প্রচারক হওয়া আরেসেসের প্রচারক হবার মতোই গৌরবের ব্যাপার! কি অসম্ভব দদক্ষতার সঙ্গে মিড ডে মিলে নিরামিষ খাওয়া এবং ইসকনের হাতে টেন্ডার দেওয়ার বদমাইশি বিষয়ক ডিসকাশন থেকে এক কথায় "হাত তুলুন" বলে এতো জনকে শরিয়া আলোচনার দিকে টেনে নিয়ে চলে গেলেন সেটা দেখার মতো!
  • অরিন | ২৬ জুন ২০২৬ ০৩:৫২556862
  • "...it has to be noted that the cooked Mid –day Meal programme alone cannot change the whole schooling system – increased attendance of the children does not necessarily mean a better quality of education. Efforts are needed to streamline the whole schooling system – from allocating more funds for infrastructure to ensuring better teaching and learning in the classroom. Mere pious pieces of advice by the political leaders and government officials are not sufficient to put a stop to teachers' absenteeism of various kinds, particularly under a ramshackle inspection system. Stronger supervision by the local community can be the best corrective measure to eradicate these evils. Parents' involvement in the implementation of the Mid–day meal programme armed with certain legal power (through the parent-teacher committees) can bring about a sea change in the actual delivery of education. At the same time such participation will go a long "
     
    প্রতীচি ট্রাস্টের রিপোর্ট (boldface আমার)।
    মিডডে মিলের প্রকৃত উপযোগিতার ব্যাপারটা বিচার করলে দেখবেন একদম তৃতীয় পক্ষের হাতে সে যে ই হোক মিড ডে মিলের দায়িত্ব দিলে সামান্য কিছু উপকার হয়ত হবে, কিন্তু বড় ছবিটা মোটের ওপর ভাল নয়। এর মূল্যায়ণ অন্য রাজ্যে কতটা হয়েছে এর পর দেখা যাক।
  • তরমুজ | ২৬ জুন ২০২৬ ০৩:০৬556860
  • কোন গাছের পাঠা?
  • . | ২৬ জুন ২০২৬ ০৩:০৩556859
  • সম্ভবত গাছপাঁঠা।
  • ভজহরি | ২৬ জুন ২০২৬ ০৩:০১556858
  • "পাঞ্জাবী রেস্তোরাঁ তে কাঁঠালের বিরিয়ানি!"
    কাঁঠাল দিয়ে বিরিয়ানি? ওরকম একটা অখাদ‍্য খাবার কে খায়? নাকি কাঁঠালের আমসত্ত্ব বলুন।
  • @UCC | ২৬ জুন ২০২৬ ০৩:০১556857
  • সর্বপরি এটাই বলার যে আইন হোক বা মানুষের রুজি রুটি। সব কিছুই প্রথাগত ভাবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে করা উচিৎ। আজ সিভিল কোড দিয়ে যেটা শুরু হল। সেটা পরবর্তিতে শুধু সিভিল কোডেই আটকে থকবে না। অন্যান্য দিকেও ছড়িয়ে পড়বে। এবং সেখানে শুধু মুসলিম নয়। হিন্দু সম্প্রদায়ও ক্ষতির শিকার হবে। যেমন এখন চূড়ান্ত বেকারত্ব ও মূদ্রাস্ফীতির জন্য সব সম্প্রদায়ই প্রচন্ড ক্ষতির শিকার হচ্ছে। হকার হিন্দু না মুসলিম তাতে ওদের কিছু যায় আসে না। নোট বন্দি থেকে শুরু করে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। রিপ্লেসমেন্টের মাধ্যমে কখনো কোন সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব নয়। মাঝখান থেকে যেটা হয়, মানুষের আসল সমস্যা থেকে নজর ঘুরিয়ে দেওয়ার খেলা। মানুষের আসল সমস্যার সমাধানের রাজনীতি কি এই সরকারের অধিনে আশা করা যায় না? এটাই কি এই সরকার এবং এর সমর্থকদের প্রকৃতি?
  • তরমুজ | ২৬ জুন ২০২৬ ০২:৩৮556856
  • //ধর্মীয় আইন তো ফিউডালিজমের সমাজ ব‍্যবস্থায়।
    আপনি ফিউডাল সমাজের সমর্থক?//
     
    হিন্দু ম্যারেজ, ক্রিশ্চিয়ান ম্যারেজ, তাহলে কী? ফিউডাল তখনই বলা যাবে যখন এর মাধ্যমে অর্থনীতির উপর প্রভাব পড়বে। এক্ষেত্রে কোন প্রভাব পড়ে না। সেজন্য এটা ফিউডাল নয়। আদানিকে এক টাকায় জমি দেওয়াটা ফিউডাল।
  • তরমুজ | ২৬ জুন ২০২৬ ০২:৩৩556855
  • //ইউনিফর্ম সিভিল কোড হলে শোষণ হবে?
    আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না।//
     
    হবে তো। এই আইনের মাধ্যমে দেশের বৈচিত্রের উপর আঘাত করা হচ্ছে। যা সংশোধনের মাধ্যমে করা যায়। তা রিপ্লেসমেন্টের মাধ্যমে করা হচ্ছে। হকার উচ্ছেদ থেকে শুরু করে আইন। এগুলো অবশ্যই শোষন।
  • তরমুজ | ২৬ জুন ২০২৬ ০২:২৯556854
  • //বোঝো! ভারতে নাকি বহুবিবাহ নাই!এইতো হাতে নাতে প্রমাণ।//
     
    আপনি তো পেশা ভিত্তিক যৌন কর্মের সমর্থক। বহু বিবাহ আছে না নেই। তাতে আপনার কী?
  • . | ২৬ জুন ২০২৬ ০২:২৫556853
  • বোঝো! ভারতে নাকি বহুবিবাহ নাই!
    এইতো হাতে নাতে প্রমাণ।
  • তরমুজ | ২৬ জুন ২০২৬ ০১:১৪556851
  • //একটাই বিবাহ আইন থাকবে। স্পেশাল অ‍্যাক্ট, হিন্দু অ‍্যাক্ট, ইসলামি অ‍্যাক্ট ইত‍্যাদি প্রভৃতি নয়।//
     
    আগে মানুষের রুজি রুটির চিন্তা করা হোক। তারপর কে কার সাথে কোথায় কি করবে। সেগুলো নিয়ে চিন্তা করা যাবে।
  • তরমুজ | ২৬ জুন ২০২৬ ০১:১১556850
  • //আপনি স্বেচ্ছায় শ্রম বেচা, আর জোরপূর্বক কারোকে দিয়ে শ্রম করানোর পার্থক্য বোঝেন না।//
     
    এক জন শ্রমিক শ্রমের ন্যায্য দাম না পেয়ে যেমন কম দামে কাজ করতে বাধ্য হয়। ঠিক তেমনই একজন মানুষ বেচে থাকার মত অন্য কোন পেশা না পেয়ে যৌনকর্ম করতে বাধ্য হয়। দুটোই জোরপূর্বক। এছাড়া একটা ফিউডাল সমাজ চালানোর জন্য। এবং যেসব পুরুষ ও মহিলারা ভালবাসার সম্পর্কের মাধ্যমে যৌন চাহিদা মেটাতে পারে না। তাদের স্বার্থে এর পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেওয়া হয়। যেটা সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর। যা মানুষের ও সম্পর্কের মধ্যে সম্মানকে কমিয়ে আনে। এই সব প্রাচীন ও অসভ্য ব্যবসা থেকে সমাজকে বের করে আনার জন্য চিন্তা ভাবনা করা উচিৎ।
  • | ২৬ জুন ২০২৬ ০১:০২556849
  • খুব সন্দেহ আছে যে মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগঢ়, উড়িষ্যা, এসব রাজ্যে এই বিল আনা হবে কিনা। কারণ মুসলিম % বেশী নয়, ৬%, ২% মত। কিন্তু গুজরাত বা মহাঃ ১০ এর ওপরে, ইউপি ২০%, আসম, পঃবঃ তো ৩০%। উত্তরাখণ্ডেও ১৫% মত। যেখানে মোটামুটি বেশী, খোঁচালে পলিটিকাল সুবিধে বেশী সেখানে আনবে প্রথমে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত