এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • albert banerjee | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৪২548083
  • না মলয় বাবু সেই আমলে AI দিয়ে লিখেছেন ভাবতে ভালো লাগছে। আসলে একটা ব্যাপার দেখছি যা কিছু নতুন তাই Ai নিজের বিলে দাবি করছে। এবং AI ডিটেকশনের যা আলগোরিদিম ব্রেন ওয়াশ করছে তারজন্য সাহিত্য ঘেঁটে যেতে পারে। জেমস জয়েস ট্রাই করলাম বলে কিনা এ আই জেনারেটেড। ভাবা যায় ?
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৩১548082
  • আপনি কি কোন বডি অফ লিটারেচার *সাইট করতে পারবেন
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৩০548081
  • অনেকগুলো টই দেখছি খোলা হয়েছে এলেলেম দিয়ে টেক্সট জেনারেট করে, অটোমাটা সে লেকর এপস্টিন তক। তো এতো এতো টেক্সট জেনারেট না করে দুয়েকটা ছোট প্যারা লিখে, ভালো ওয়েবসাইট বা নিউজ সাইট সাইট করলেও হতো। অবশ্য এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২৫548080
  • র২্হ এর তৃতীয় আর চতুর্থ পয়েন্টের কনট্রাস্টটা দুর্দান্ত আয়রনিক laugh
  • r2h | 134.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২২548079
  • অ্যালবার্ট ব্যানার্জি দেখছি খুব রাগ টাগ করেছেন ওঁর লেখা এআই দিয়ে লেখা মনে হয় বলাতে।

    আমারও তো তাই মনে হত, মানে মনে হতো কী, স্থির প্রতীতিই ছিল। এখনও যে তার খুব পরিবর্তন হয়েছে তা বলতে পারি না। কোন লেখা এআই কেন মনে হয় তা নিয়ে ডিসি লিখেছেন, ঐটা খুবই ঠিকঠাক, পয়েন্ট ধরে।

    আর সত্যিই এআই দিয়ে লেখানো না - এমন হলে আপনি যান্ত্রিক ধরনের লেখায় বিরল বুৎপত্তি অর্জন করেছেন, ভবিষ্যতে হয়তো এমন ভাষাতেই লেখা হবে।

    তবে নুলো হাত দিয়ে জাপটা সামলাতে পারার ব্যাপারটা এআই না, ওটা নিশ্চিত করে বলা যায়। ওরকম মানুষই লিখতে পারে।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২২548078
  • "বিজ্ঞানের শুরুতে একটা প্রমিস ছিল। সেটা হচ্ছে সমস্ত ঘটনার ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। নন-ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা যেমন সংস্পর্শে না থাকা দুটি বস্তুর মধ্যে অদৃশ্য বল কাজ করছে, এরকম ব্যাখ্যা নট এলাউড।"
     
    অ্যাঁ এরকম প্রমিস আবার কোথায় ছিল? আপনি কি কোন বডি অফ লিটারেচার সাবমিট করতে পারবেন, যেখানে এরকম কিছু লেখা আছে? আর বিজ্ঞানের শুরু ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না। মানুষ যখন গুহায় বসে আগুনে মাংস পুড়িয়ে খেতে শুরু করলো (অর্থাত কিনা টুল এর ব্যবহার শিখলো) তখনই তো বিজ্ঞানের শুরু! আমি যদ্দুর জানি, সায়েন্টিফিক মেথড এর প্রেমিস, যা বেশ কয়েকশো বছর ধরে মানা হয়, তা হলো স্কেপটিক হিসেবে অবসার্ভেশান যাচাই করা আর হাইপোথিসিস টেস্টিং এর মাধ্যমে প্রেডিকটিভ থিওরি বানানো।
     
    "ফিজিক্যাল শব্দটার পরিষ্কার ডেফিনেশন মেকানিক্যাল ফিলোজফাররা দিয়েছিলেন। দেকার্তের মাইন্ড-বডি ডুয়ালিজমের মূল জায়গাটা হচ্ছে মনোজগত ও বস্তুজগৎ আলাদা। বস্তুজগৎকে একটি মেশিনের মতো ব্যাখ্যা করা যাবে, যেখানে মেশিনের প্রতিটি অংশ অন্য অংশের সঙ্গে যুক্ত। এই কাঠামোতে একটি ঘটনার ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা দিতে গেলে, একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করছে দাবি করলে তাদের মধ্যে কন্ট্যাক্ট দেখাতে হবে। কিন্তু যে মুহূর্তে দেখা গেল মহাবিশ্বে একশন এট আ ডিসট্যান্স রয়েছে এবং সেসব ব্যাখ্যা করতে ফিল্ড ইত্যাদি এল, তখন থেকেই ফিজিক্যাল বলে আর কিছু রইল না। মাইন্ড-বডি ডুয়ালিজম ভেঙে গেল কেননা বডি বলে আর কিছু নেই। এই ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা দিতে না পারাটাই বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা।"
     
    বস্তুজগৎকে একটি মেশিনের মতো ব্যাখ্যা করা, একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করছে দাবি করলে তাদের মধ্যে কন্ট্যাক্ট দেখাতে হবে - আবারও, এরকম কোন বডি অফ লিটারেচার যদি সাইট করেন তো আলোচনা করতে সুবিধা হয়। এই পুরো প্যরাগ্রাফটা পড়ে আমার মনে হচ্ছে আপনি বোধায় ক্লাসিকাল মেকানিক্স বোঝাতে চাইছেন। কিন্তু ক্লাসিকাল মেকানিক্সের সীমাবদ্ধতা মোটামুটি উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকেই পরিষ্কার হয়ে গেছিল, আর বিংশ শতাব্দীতে এই সীমাবদ্ধতাকে আমরা অতিক্রম করতে পেরেছি কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মাধ্যমে। এখন কনসেনসাস এরকমঃ "ফিজিকাল রিয়েলিটির" সবথেকে ফান্ডামেন্টাল ব্যপার হলো কোয়ান্টাম ফিল্ডগুলো। এই ফিল্ডগুলোর ভাইব্রেশানের ফলে এনার্জি, মাস, ফোর্স ইত্যাদি ব্যাপারগুলো আসে। এর মধ্যে মাইন্ড-বডি ডুয়ালিজম ভেঙে যাওয়ার কোন ব্যপার নেই।
  • albert banerjee | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৮548077
  • কালো বাগান AI, ও মলয় রায়চৌধুরী
    এই হলো AI এর অবস্থান। মলয় বাবু আপনি কি এ আই দিয়ে লিখেন নাকি?
  • albert banerjee | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৪548076
  • কালো বাগান AI, ও মলয় রায়চৌধুরী
  • টেলিকাইনেসিস | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৩548074
  • আমাদের মুন্ডু থেকে যে ওয়েভ বেরোয়, এক মাস আগেও এই পাতায় কেউ বললে গাঁজা ভেবে একটা গল্প বা কবিতা পড়তে চলে যেতাম অন্য পাতায়!
    সমস্যা হয়েছে, সেসব নাকি মাপাও হয়েছে, পেপারও নাকি আছে!
  • @ | 51.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০১548073
  • বিজ্ঞানের শুরুতে একটা প্রমিস ছিল। সেটা হচ্ছে সমস্ত ঘটনার ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। নন-ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা যেমন সংস্পর্শে না থাকা দুটি বস্তুর মধ্যে অদৃশ্য বল কাজ করছে, এরকম ব্যাখ্যা নট এলাউড।
     
    ফিজিক্যাল শব্দটার পরিষ্কার ডেফিনেশন মেকানিক্যাল ফিলোজফাররা দিয়েছিলেন। দেকার্তের মাইন্ড-বডি ডুয়ালিজমের মূল জায়গাটা হচ্ছে মনোজগত ও বস্তুজগৎ আলাদা। বস্তুজগৎকে একটি মেশিনের মতো ব্যাখ্যা করা যাবে, যেখানে মেশিনের প্রতিটি অংশ অন্য অংশের সঙ্গে যুক্ত। এই কাঠামোতে একটি ঘটনার ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা দিতে গেলে, একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করছে দাবি করলে তাদের মধ্যে কন্ট্যাক্ট দেখাতে হবে। কিন্তু যে মুহূর্তে দেখা গেল মহাবিশ্বে একশন এট আ ডিসট্যান্স রয়েছে এবং সেসব ব্যাখ্যা করতে ফিল্ড ইত্যাদি এল, তখন থেকেই ফিজিক্যাল বলে আর কিছু রইল না। মাইন্ড-বডি ডুয়ালিজম ভেঙে গেল কেননা বডি বলে আর কিছু নেই। এই ফিজিক্যাল ব্যাখ্যা দিতে না পারাটাই বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা।
     
    ফিজিক্যাল বলে কিছু হয়না এর ইমপ্লিকেশনটা সাংঘাতিক। ধরুন আপনি টেলিকাইনেসিসে বিশ্বাস করেননা। কেন করেন না? ওটা ননফিজিক্যাল মনে করেন বলে? ধরুন কালকে দেখা গেল টেলিকাইনেসিস সত্যি আছে এবং ফিজিসিস্টরা পরশুদিন এই ঘটনার একটা সলিড ব্যাখ্যা দিয়েও দিলেন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ত্ব দিয়েটিয়ে। আপনি তখন একসেপ্ট করে নেবেন এই ফিজিক্যাল মহাবিশ্বে টেলিকাইনেসিস ঘটে। অর্থাৎ স্রেফ রাশন্যাল দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আপনি আর কোনো কিছু রিজেক্ট করতে পারছেন না। টেলিকাইনেসিস আর কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্টের মধ্যে তফাৎ শুধুই এম্পেরিক্যাল। এই হচ্ছে ব্যাপার।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৭548072
  • "মনে করেছিলেন একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করতে হলে ​​​​কন্ট্যাক্ট হচ্ছে অপরিহার্য" - বলতে চাইলাম যে সেই অর্থে কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি এই কনট্যাক্ট (বা এক্সচেঞ্জ) ব্যাপারটা সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করেছে, চাইলে ফাইনম্যান ডায়াগ্রাম গুগলে করে দেখতে পারেন (আবার কেউ এটা নিয়ে এলেলেম ডাম্প না দেয়!) :-)
     
    কিন্তু দ্যাখেন, আজ রোব্বারের বাজারে একটু পাঁঠার মাংস না আনলেই নয়, এখুনি না বেরোলে বৌ এর সাথে হাতাখুন্তি এক্সচেঞ্জ হলো বলে! আপাতত কাটলাম laugh
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৯548071
  • "গ্রাভিটি ইলুশন এটা ঠিক কোয়ালিফায়েড স্টেটমেন্ট ​​​​​​​নয়"
     
    একদম ঠিক বলেছেন। আবার পড়ে মনে হচ্ছে আমি ভুল লিখেছি, বরং লেখা উচিত ছিল গ্র‌্যাভিটি অ্যারাইজেস আউট অফ স্পেসটাইম কার্ভেচার। অর্থাত গ্র‌্যাভিটি হলো স্পেসটাইমের জিওমেট্রির ফল, সেই অর্থে অন্য তিনটে ফোর্সের মতো নয়।
     
    "​​​​​​কিন্তু লোকালিটির যে ​​​​​​​মাপকাঠি দেকার্ত, লাইবনিৎজ ​​​​​​​প্রমুখ ​​​​​​​মেকানিক্যাল ​​​​​​​ফিলোজফাররা দিয়েছিলেন, মনে করেছিলেন একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করতে হলে ​​​​কন্ট্যাক্ট হচ্ছে ​​​​​​​অপরিহার্য, ফিজিক্স সেই মাপকাঠিতে মহাবিশ্বের ঘটনাবলীকে ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছে।"
     
    অন্য তিনটে ফোর্সের ব্যাখ্যা কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরিতে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যাটা এরকমঃ পুরো ইউনিভার্স জুড়ে নানারকম ফিল্ড ছড়িয়ে আছে, সেই ফিল্ডের ভাইব্রেশানের ফলে একেকরকম পার্টিকল তৈরি হয়, যেমন কোয়ার্কগুলো, ইলেকট্রন, প্রোটন, নানারকম ভার্চুয়াল পার্টিকল, ইত্যাদি। এবার এই পার্টিকলগুলো নিজেদের মধ্যে পার্টিকল এক্সচেঞ্জ করে, যাকে আমরা ফোর্স হিসেবে দেখতে পাই। যেমন ধরুন, ফোটন হলো ইএম ফিল্ডের কোয়ান্টাইজড এক্সাইটেশান আর ফোটন এক্সচেঞ্জের ফলে ইএম ফোর্স তৈরি হয়, আবার বোসন এক্সচেঞ্জের ফলে উইক ফোর্স তৈরি হয়, ইত্যাদি। তো কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি দিয়ে তথাকথিত অ্যাকশান অ্যাট এ ডিসট্যান্সের সুন্দর সলিউশান পাওয়া গেছে।
  • সায়েন্সের লিমিট | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৪548070
  • @ | 51.8.***.*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫২
    --- কিন্তু লোকালিটির যে মাপকাঠি দেকার্ত, লাইবনিৎজ ​​​​​​​প্রমুখ ​​​​​​​মেকানিক্যাল ​​​​​​​ফিলোজফাররা দিয়েছিলেন, মনে করেছিলেন একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করতে হলে ​​​​কন্ট্যাক্ট হচ্ছে ​​​​​​​অপরিহার্য, ফিজিক্স সেই মাপকাঠিতে মহাবিশ্বের ঘটনাবলীকে ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
     
    ভারি মুশকিল তো! ফিলোজফাররা কোন হনু যে তাদের্কেই শেষ কথা বলতে হবে!
  • @ | 51.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫২548069
  • এনসিয়েন্ট গ্রিস লিখতে গিয়ে বেদের আমল লিখলাম আর কি।
     
    আর জিআর গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্সকে গ্রাভিটেশনাল ফিল্ড দিয়ে রিপ্লেস করেছে। গ্রাভিটি ইলুশন এটা ঠিক ​​​​​​​কোয়ালিফায়েড স্টেটমেন্ট ​​​​​​​নয়। ​​​​​​​সাধারণত ​​​​​​​একথাটা ​​​​​​​আসে ​​​​​​​ইকুইভ্যালেন্স প্রিন্সিপালের ​​​​​​​সূত্রে, অর্থাৎ ​​​​​​​কিনা পতনশীল ​​​​​​​বস্তু ​​​​​​​অভিকর্ষের ​​​​​​​টান ​​​​​​​অনুভব ​​​​​​​করেনা। ​​​​​​​আইনস্টাইনের ​​​​​​​ফিল্ড ​​​​​​​ইকুয়েশন ​​​​​​​যেটা ​​​​​​​করে ​​​​​​​সেটা ​​​​​​​হল ​​​​​​​স্ট্রেস-এনার্জি ​​​​​​​টেনসরকে স্পেসটাইম ​​​​​​​কার্ভেচারের ​​​​​​​সঙ্গে রিলেট ​​​​​​​করে। ​​​​কিন্তু মূল বক্তব্যটা আলাদা ছিল।​​​​​
     
    নিউটনের ​​​​​​​তত্ত্বে যে ননলোকালিটির ​​​​​​​সমস্যা ​​​​​​​ছিল ​​​​, আইনস্টাইনের ​​​​​​​তত্ত্বে তার সমাধান ​​​​​​​এভাবে ​​​​​​​হয় ​​​​​​​যে কজালিটি ​​​​​​​নিজেই ​​​​​​​আলোর ​​​​​​​গতিবেগ দ্বারা ​​​​​​​সীমাবদ্ধ। ​​​​​​কিন্তু লোকালিটির যে ​​​​​​​মাপকাঠি দেকার্ত, লাইবনিৎজ ​​​​​​​প্রমুখ ​​​​​​​মেকানিক্যাল ​​​​​​​ফিলোজফাররা দিয়েছিলেন, মনে করেছিলেন একটি বস্তু আরেকটি বস্তুকে প্রভাবিত করতে হলে ​​​​কন্ট্যাক্ট হচ্ছে ​​​​​​​অপরিহার্য, ফিজিক্স সেই মাপকাঠিতে মহাবিশ্বের ঘটনাবলীকে ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফিজিসিস্টরা যেসকল সফল তত্ত্ব দিয়েছেন, সেগুলো সবই এই সীমাবদ্ধতা মেনে নেওয়ার পরে। বিজ্ঞানের প্রতিটি ডিসিপ্লিনে এরকম সীমাবদ্ধতা আছে ও থাকবে, এটুকুই বক্তব্য।​​
  • কনশাসনেসের ডেফিনিশান | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৯548068
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:d0bb:1eed:3443:***:*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:১৯
     
    আচ্ছা, বুঝলুম smiley
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:১৯548067
  • না, ডেফিনিশানের সমস্যাও একটা বড়ো বাধা, কারন ডেফিনিশানের অভাব আরও অনেক গভীর সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এর মানে হলো, দু হাজার বছর ধরে তর্ক করেও, কনশাসনেস নিয়ে কোন কনসেনসাসে পৌঁছনো যায়নি (অ্যালিটারেশনটা খেয়াল করবেন :-))। শুধু হার্ড সায়েন্স না, ফিলোজফারদের মধ্যেও। দ্যাট ইটসেল্ফ ইজ রিমার্কেবল।
  • প্রোগ্রেস | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:১৪548066
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:d0bb:1eed:3443:***:*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৭
    ---এই প্রোগ্রেসটাই বা কম কি!
     
    উনি বলছেন সব ব্যাদে আছে laugh
  • কনশাসনেসের ডেফিনিশান | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:১১548065
  • কনশাসনেসের ডেফিনিশান সমস্যা নিয়ে আপনারা একটু বিচলিত, তবে আমার ধারণা উটি নেহাতই পেরিফেরিয়াল সমস্যা! হার্ড সায়েন্স আটকে আছে বলে ঐ ডেফিনিশান সমস্যা নিয়ে কেউ foot down করতে চাইছে না! একটা breakthrough হলে তখন একটা রোডম্যাপ বানাবে হয়ত সব ধরণের ডেফিনিশান কিভাবে ব্যাখাত হবে তার!
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৭548064
  • "আমাদের মূল প্রশ্নটা ছিল চেতনাকে আজকের বিজ্ঞান ব্যাখা করতে পারবে কি না!"
     
    এখনও অবধি পারেনি, তবে এটাও ঠিক যে অনেক কিছু জানা গেছে। নিউরোসায়েন্টিস্টরা, বায়োলজিস্টরা অনেকরকম ইন্টারেস্টিং তথ্য পেয়েছেন, লাস্ট কয়েক দশকে অনেক কাজ হয়েছে। এই প্রোগ্রেসটাই বা কম কি!
  • AI - প্রমাণ বা জিরাফ | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৫548063
  • albert banerjee | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৪২
     
    পাতার পর পাতা তথ্য ভাট মারার জায়গায় ডাম্প করাটা একটু বিরক্তিকর - টই তো খুলছেনই। সেরকম খুলে এখানে লিং দিলেই হয় যদি নেহাতই আপনার বক্তব্য থাকে।
    dc ও এটা বলেছেন, আপনার নিজস্ব বক্তব্য শুনতেই লোকে আগ্রহী থাকে, তথ্য তো সাপোর্টিং! এখানে নিজস্ব বক্তব্য তো কিছুই পেলাম না!
     
    একটু সাহায্য করুন।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০১548062
  • "বহু পরে আইনস্টাইন এই সমস্যা মেটাতে রিয়েলিজম ব্যাপারটাকে আলোর গতির সঙ্গে জুড়ে দিলেন। বললেন, দেখো বাপু, সবকিছুই ফিল্ড, গ্র্যাভিটি হোক বা তড়িৎচুম্বকীয় শক্তি"
     
    এটা কিন্তু ঠিক না, বরং আইনস্টাইন এর উল্টোটাই বলেছিলেন :-) ওনার জিআর তত্ব অনুসারে, গ্র‌্যাভিটি হলো স্পেস-টাইম কার্ভেচার, যে কার্ভেচার আবার তৈরি করে ম্যাটার। অর্থাত গ্র‌্যাভিটি আসলে ফোর্স নয়, স্পেসটাইম কার্ভেচারের ফলে উদ্ভূত একটা "ইলিউশান"। কিন্তু অন্য তিনটে ফোর্স (ইএম, স্ট্রং, আর উইক) এর নিজের নিজের ফিল্ড আছে, ফোর্স ক্যারিং পার্টিকল আছে। এটাই হলো কোয়ান্টাম মেকানিক্স আর জিআরকে মেলানোর সবথেকে বড়ো বাধা। গ্র‌্যাভিটিকে কোয়ান্টাইজ করা যাচ্ছে না, গ্র‌্যাভিটির ফোর্স ক্যারিইং পার্টিকল, যার নাম দেওয়া হয়েছে গ্র‌্যাভিটন, তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
     
    "কনশাসনেস জিনিসটা আগে ডিফাইন করুন কেউ, তবে সেটা সায়েন্টিফিক মেথডের আন্ডারে আসবে। মনে রাখবেন বিজ্ঞান কেবল সেইসব প্রশ্নের জবাব দেয় যে প্রশ্নের জবাব দেওয়া যেতে পারে।"
     
    দ্বিতীয় সেন্টেন্সে একদম একমত। আর কনশাসনেসের কোন ডেফিনিশান দু হাজার বছরেও পাওয়া যায়নি। আর প্রিসাইজলি এটাই কারন যে বহু বায়োলজিস্ট বা ফিজিসিস্ট কনশাসনেস নিয়ে কাজ করতে চান না। পেনরোজের মতো স্ট্যাচার এর ম্যাথামেটিশিয়ান কাজ করতে পারেন, কারন অন্যরা খানিকটা স্নেহের চোখে দেখে, নব্বুই বছরের বুড়ো, ওকে ওর মতো বলতে দাও, এই আর কি :-)
  • সায়েন্সের লিমিট | 165.*.*.* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫১548061
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:৫১
     
    উত্তরটি বড়ই প্রাণের আরাম দিল।
    =====
     
    @ | 15.204.***.*** | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:২৬
    সায়েন্টিফিক মেথড খুব প্রিসাইজ জিনিস
     
    এই প্রিসিসানই কি মানুষকে কোয়ার্ক থেকে মহাকাশে বিচরণ করাচ্ছে না?
     
    যেসব জায়গায় বিজ্ঞানের আর generalization সেই মূহূর্তে সম্ভব নয়, তাকে মৌল ধর্ম ধরে নিচ্ছে! পরবর্তী কাল হয়ত গভীরতর ব্যাখা দেবে। এইটেই তো সর্বদেশে সর্বকালে প্র্যাকটিকাল অ্যাপ্রোচ - যেটা এই মূহূর্তে বুঝছিস না, মুখস্ত করে নে!
     
    উল্টোদিকে আমাদের হাতে আর অপশান কি?
    হোয়াই অবজেক্টস মুভ? ভগবানের ইচ্ছে!
    ভগবান কে? সাদা দাড়িওলা বুড়ো/ পরম করুণাময় স্রষ্টা/সর্বভূতে বিরাজমান অবাংমানসগোচর ব্রহ্ম/ নানা ফর্মে দেবদেবী ইত্যাদি। সেসব যদি না মানো তবে যাহা অবজেক্টসকে মুভ করায় তাহাই ভগবান!
     
    বিজ্ঞানও একটি ভগবান খাড়া করেছে, নেচার নামটি তাহার। সেটির কোন ইচ্ছেশক্তি আছে এমন কল্পনা করা হচ্ছে বলে আমার জানা নেই!
     
    আমাদের মূল প্রশ্নটা ছিল চেতনাকে আজকের বিজ্ঞান ব্যাখা করতে পারবে কি না!
     
    মনে হচ্ছে আপনি বলতে চাইছে এখানেও বিজ্ঞান বলে দেবে এটি একটি মৌল বিষয় (ফিল্ড টাইপের)! আমার মতে, সেইটে এক্ষুণি বলার সময় আসেনি, সম্ভাবনাও ক্ষীণ!
    আর হ্যাঁ, বিজ্ঞান যে ভবিষ্যতে ফিল্ডকেও গভীরতর ব্যাখ্যার অন্তর্গত করবে না, তার নিশ্চয়তা কই!
     
    লঘুতর প্রসঙ্গে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:০৯
    ---এইসব কনশাসনেস বিষয়ে সেই বেদের আমল থেকে আজ পর্যন্ত আমরা এক পাও এগোতে পারিনি।
    মনে রাখবেন, বিগ ব্যাং থেকে ২০০৫ পর্যন্ত এ আইয়ে আমরা এক পাও এগোতে পারিনি! laugh
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪৮548060
  • অটোমেটন টই এর মূল লেখাটাও এলেলেম, কোড স্নিপেটটাও এলেলেম, আর যামিনীবাবুর কমেন্টটাও এলেলেম। এ একেবারে যুগান্তকারী ব্যপার laugh
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪০548059
  • বিটিডাব্লু, এলেলেম ব্যবহার করে টেক্সট জেনারেট করা ভালো না খারাপ সে নিয়ে আমার কোন মতামত নেই। আমার মনে হয় কোন সাবজেক্ট শিখতে হলে সে নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত, যেমন কিনা এম থিওরি জানতে হলে স্ট্রিং রেভোলিউশান, সুপারস্ট্রিং রেভোলিউশান ইত্যাদি জানা ভীষন জরুরি, কারন ওগুলো বিল্ডিং ব্লক। এড উইটেন ঠিক কিভাবে এম থিওরি প্রোপোজ করেছিলেন, সেই ইতিহাস জানা ভীষন জরুরি। এগুলোর জন্য অনেক ভালো ভালো ওয়েবসাইট আছে, সেগুলো রেফার করা যায় বা এম থিওরি নিয়ে লিখতে গেলে সেগুলো কোট করা যায়। এলেলেম দিয়ে সামারি লেখালে সেই রাস্তাটা হাঁটা হয় না। অবশ্য আমি ওল্ড স্কুল, প্রি এলেলেম সময়ে লেখাপড়া শেখা লোক :-)
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৩২548058
  • তাছাড়া এলেলেম দিয়ে কোন স্পেসিফিক সাবজেক্টের ওপর লেখানো হলে, সেই সাবজেক্ট নিয়ে যারা কিছুটা জানে তারা মোটামুটি বুঝতে পারে। যেমন ধরুন, প্যালারামবাবু যে ফিলোজফি সিরিজ লিখছেন, সেটা মানুষের লেখা, কারন লেখার ডেপ্থ, সাবজেক্ট কভারেজ, আর বিভিন্ন ডিসপ্যারেট টপিক এর মধ্যে সম্পর্ক টানা (বা অ্যাসোসিয়েশান), যা কোন এলেলেম এখনও আয়ত্ব করতে পারে নি। যদুবাবুর লেখাগুলোও তাই। সাবজেক্ট স্পেসিফিক মানুষের লেখায় "স্ট্রিম অফ কনশাসনেস" বেশ ভালো বোঝা যায়, অন্যদিকে এলেলেম এর লেখা খুব শ্যালো বা সুপারফিশিয়াল হয়, চিন্তার উদ্রেক করেনা, উদাহরন এই এম থিওরি আর কনশাসনেস নিয়ে দুটো পোস্ট (১ঃ০৩ আর ১ঃ১৭)।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:২৪548057
  • কোন লেখা এলেলেম এর না মানুষের, সেটা বোঝার কয়েকটা সহজ উপায় আছে, কারন এলেলেমের লেখা বেশীর ভাগ সময়ে একটা স্ট্রাকচারের মধ্যে থাকে। এমনকি এলেলেম দিয়ে টেক্স্ট জেনারেট করে তারপর সেই টেক্সট হিউম্যানাইজারে চালিয়ে এলেলেম ফুটপ্রিন্ট কমালেও, কিছু কিছু এলেলেম আর্টিফ্যাক্ট থেকে যায়। আর লেখা চেনার আরেকটা সহজ উপায় হলো "এআই স্লপ" বা "এআই হ্যালুসিনেশান"।
     
    কয়েকটা উদাহরন দি।
     
    "মানুষের গাণিতিক জ্ঞান যে কোনো যান্ত্রিক পদ্ধতির চেয়ে উচ্চতর—এই ধারণাটি প্রমাণিত হয়নি" (১ঃ১৭)
    "কোয়ান্টাম মেকানিক্সের একটি মৌলিক নীতি হলো 'ডিকোহেরেন্স'—যে কোনো কোয়ান্টাম অবস্থা পরিবেশের সাথে মিথস্ক্রিয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস হয়ে যায়"
    "চেতনার এই ধাঁধার সমাধানের পথে এটি হয়তো এক মাইলফলক হয়ে থাকতে পারে, অথবা ইতিহাসের একটি ভুল পথের নির্দেশনা হিসেবেই বিবেচিত হবে—সময়ই তা নির্ধারণ করবে।"
     
    এই এম ড্যাশের ব্যবহার একেবারে টিপিকাল এলেলেম, কারন এই মডেলগুলোর ট্রেনিংএ এই ধরনের অ্যাকাডেমিক টেক্সট প্রচুর ব্যবহার হয়।
     
    "এই সাহসী ধারণা প্রচলিত বিজ্ঞানের ধারার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করায় শুরু থেকেই তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছে।"
     
    টিপিকাল এলেলেম।
     
    " গণিত, দর্শন ও কম্পিউটার বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞদের ব্যাপক অংশ মনে করেন, পেনরোজ গ্যোডেলের উপপাদ্যের প্রয়োগ নিয়ে ভুল করেছেন"
     
    তিনটে জিনিস দিয়ে উদাহরন দেওয়াও টিপিকাল এলেলেম স্টাইল।
     
    "পরিশেষে, অর্ক-ওআর তত্ত্ব চেতনার রহস্য সমাধানে একটি মৌলিক ও সাহসী পদক্ষেপ।"
     
    একটা বড়ো লেখাকে সামারাইজ করার জন্য পরিশেষে (ইংরেজিতে ওভারল) ব্যবহার করা টিপিকাল এলেলেম। মৌলিক, সাহসী ইত্যাদি শব্দগুলোও তাই।
     
    "এই জানালা দিয়ে তাকালে আমরা হয়তো একদিন বুঝতে পারবো, আমরা কেবল মহাবিশ্বের মধ্যে বাস করি না, বরং মহাবিশ্ব আমাদের চেতনার ভেতরেও বাস করে।" (১ঃ০৩)
     
    এই সেই বিখ্যাত এআই স্লপ। হঠাত পড়লে মনে হবে বিরাট গম্ভীর কোন ব্যাপার, কিন্তু অ্যাকচুয়ালি মিনিংলেস laugh
  • :|: | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:৫১548056
  • ২৩: ৫১ আর ২৩:৫৪ পড়তে পড়তে মনে হল শুধুই কি বিজ্ঞানের শক্ত সমস্যায়? কবি তো সরল গোলগাল কেনরই জবাব পাননি --
    "কেন তারার মালা গাঁথা,
    কেন ফুলের শয়ন পাতা,
    কেন দখিন-হাওয়া গোপন কথা জানায় কানে কানে?"
    এই সব কেন উত্তরে কিছু বিজ্ঞানী আঁক কষলেন "ফিল্ড" দিয়ে, ভারতীয় দার্শনিক বোঝালেন ব্রহ্মতত্ত্ব দিয়ে, আর ভক্ত দেখার চেষ্টা করলো প্রেম দিয়ে।
  • albert banerjee | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:৪১548055
  • @ .থ্যাংক ইউ ম্যাম
  • albert banerjee | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:৪০548054
  • kk রাগ করিনি শুধু একটু ক্রস করছি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত