এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৯২৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ১০:২২662786
  • আর যারা জরুরী অবস্থার কারণে কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করা ও বামেদের উৎখাত করাকে একই নিঃশ্বাসে উচ্চারণ করে তাদের রাজনৈতিক অব্স্থান নিয়ে আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে।
  • quark | 24.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ১৫:০৫662788
  • কালকের ঘটনা নতুন নয়, আগেরগুলোর থেকে আলাদাও কিছু নয়। অত্যন্ত নিন্দার্হ কাজ। লজ্জাজনক পরিস্থিতি গোটা পঃবঙ্গের শিক্ষাজগতে। উপাচার্য শুনলাম সাংঘাতিক কিছু দেখতে পান নি। সে উনি আর কিছুদিনের মধ্যেই আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হতে চলেছেন, না দেখতে পাওয়ারই কথা। দেখা যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য কি বলেন।
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ১৬:৩১662789
  • পিটি। আহা তোমার তো তেমন লাগবেই। যে কোন সিপিএম সমর্থকের তো তাইই লাগার কথা। এইত্তো, গৌতম দেবের ইচ্ছেমত জোট হলে তৃণমূলীরাও তেমনই বলবে - সিপিএমের ৩৪ বছরের অপশাসনকে উচ্ছেদ করা আর তৃণমূলকে উৎখাত করা এক ব্যাপার হল্লো?
    তা কি আর করা যাবে। যে যেমন দ্যাখে।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০০:১৯662790
  • পিটিবললেনঃ
    "RR
    আপনি অতীত আঁকড়ে পরে থাকুন। সময় পেলে বর্তমানে ফিরলে দেখবেন আজকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা মাস্টারদের চড়-থাপ্পর মারছে।

    ---- বেশ, আপনার হাত ধরে বর্তমানে ফিরলাম। এবার দেখলাম।
    বলুন, কী করতে হবে?
    আপনিও তো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারমশাই!
  • PT | 190.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০৭:৫১662791
  • কি আর করবেন!!
    জরুরী অবস্থা নিয়ে চর্বিত-চর্বণই সার। সিদ্ধার্থ রায়ের উত্তরসূরীরা যে নব নব রূপে ফিরে এসেছে সেটার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম।
  • SS | 106.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০৮:২৪662792
  • জরুরী অবস্থা নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই। কিন্তু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তো সুভাষ বোসের সময় থেকে ছাত্ররা মাষ্টারদের পেটাচ্ছে। নতুন ব্যাপার তো নয়।
  • sm | 233.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০৯:০০662793
  • সন্তোষ ভট্টাচার্জ্যৰ সময় ছাত্র আন্দোলন, চায়ের ভাঁড় ছুড়ে মারা মনে পড়ে?
  • quark | 24.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০৯:২৩662794
  • ss আশাকরি ঠাট্টাই কল্লেন। যদিও এই বিষয়ে ঠাট্টার দিন আর আছে কিনা নিশ্চিত নই।
  • quark | 24.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০৯:২৯662796
  • "সন্তোষ ভট্টাচার্জ্যৰ সময় ছাত্র আন্দোলন, চায়ের ভাঁড় ছুড়ে মারা মনে পড়ে?"

    যাক্‌! চৌতিরিশ এসে গেছে।
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ০৯:৫৮662797
  • চায়ের ভাঁড় ছোড়াও নিন্দনীয় এটাও।
  • quark | 24.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১০:০১662798
  • একদম!
  • aranya | 83.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১০:৪০662799
  • ফুল ছাড়া যে কোন কিছু ছোড়াই নিন্দনীয় :-)
  • aranya | 83.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১০:৪১662800
  • জোকস অ্যাসাইড, রাজ্যের অবস্থা বড়ই করুণ :-(
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১০:৪৭662801
  • ফ্লায়িং কিস? ঃ))
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১০:৪৮662802
  • অ্যাঁ টই-এ মন্তব্যও ছোঁড়া যাবেনা!
  • SC | 83.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১১:০৯662803
  • ভাঁড়ের মধ্যে চা ছিল, না খালি ছিল?
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১১:২১662804
  • আহা ভর্তি থাকলেও তো গায়ে গিয়ে লাগতে লাগতেই ভাঁড় খালি হয়ে যাবার কথা!!ঃ))
  • quark | 24.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১২:০০662805
  • বাহ্‌! ভারি সুন্দর গল্পগাছা।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১২:০২662807
  • জরুরী অব্স্থা ও আজকের সময়ঃ রেড রাইডিং হুডের রূপকথা
    ====================================
    প্রশ্ন দুটোঃ
    ১) জরুরী অবস্থা কি আজকে ফিরে আসতে পারে?
    ২) গোটা দেশে? বঙ্গে?

    --- আমার দু'পয়সা।
    হ্যাঁ, পারে। গোটা দেশে এবং বঙ্গে।
    কিন্তু কিছুটা রূপ পালটে, রেড রাইডিং হুডের গল্পের নেকড়ে ও ঠাকুমার মত। নতুন মোড়কে, যাতে পাবলিক সহজে এটাকে "জরুরী অবস্থা" বলে চিনতে না পারে। সেই মোড়ক হল উন্নয়নের প্যাকেজ।

    ১)তাহলে কি ইন্দিরার সময় মোড়ক ছিল না? ছিল।
    "গরীবি হটাও" শ্লোগান ও ২০ পয়েন্ট উন্নয়ন প্রোগ্রাম-- মূলতঃ গ্রামের গরীবদের লক্ষ্য করে।
    ফলে রেলওয়ে ধর্মঘট ও জয়প্রকাশ আন্দোলনের সময় সেগুলোকে উন্নয়নকে স্যাবোটাজ করে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার ও অ্যান্টি পুওর আন্দোলন বলে লেবেল লাগানো সহজ হয়েছিল। তাই কমিউনিস্ট ব্লকের সমর্থন ও সিপিআইয়ের গোলামি সহজ হয়েছিল আর সিপিএম নেতৃত্ব এর বিরোধিতা করে সোশ্যালিস্ট পার্টি, জনসংঘের জোটের সঙ্গে যোগ দিতে দ্বিধা করেছিলেন।

    ২)আমরা দুই পর্যায়ে আলোচনা করব।
    এক,ইন্দিরার হীরকরাণীর ও আচ্ছে দিনের প্রবক্তার মধুর মুনাক্কার (ভাঙের) মোড়ক গুলো কী কী?
    দুই, এমার্জেন্সি- পূর্ব ইন্দিরার একনায়কতন্ত্রী রাজনৈতিক পদক্ষেপ ও বর্তমানে হীরকরাণী ও আচ্ছে দিনের কাজকম্মে কোন সাধারণ লক্ষণ প্রকট কি না।
    ৩) মোড়কগুলোঃ
    ক) ইন্দিরার প্যাকেজ= গরীবি হটাও, গ্রামীণ উন্নয়ন--বিশেষ করে সেচ, গ্রামীণ ব্যাংক, গরীবদের শস্তায় ঋণ ও সুদখোর মহাজনদের কারবার বে-আইনী ঘোষিত করা, ব্যাংকের রাষ্ট্রীয়করণ, রাজা-মহারাজাদের প্রিভি পার্স বন্ধ করা আর পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমেরিকার জায়গায় সোভিয়েত লবির দিকে ঝুঁকে পড়া। কিন্তু ফরম্যাটটা ছিল সেন্ট্রালাইজেশন। সোভিয়েত ইকনমির নকল।
    খ)মোদীজির উন্নয়ন প্যাকেজ= একেবারে উল্টো; সময় বদলে গেছে যে! আচ্ছে দিন! আনতে হলে শিল্প ও ব্যবসার বৃদ্ধিতে জোর, গরীবি উন্নয়ন, সাবসিডির ভার কমিয়ে আনা। প্রাইভেটাইজেশনের দিকে জোর। কৃষি ও গ্রামবিকাশে লিপ-সার্ভিস। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রাইভেটাইজেশন। পাবলিক সেকটরের শিল্প ও ব্যাংকের শেয়ার ব্যক্তি-পুঁজির কাছে বেচে দেওয়া। ইকনমির বিকেন্দ্রীকরণ। হিন্দু কমিউনিটির ইমোশনাল তুষ্টিকরণ। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমেরিকার দিকে ঝুঁকে পড়া।
    গ) হীরকরাণীর প্যাকেজ= বঙ্গের উন্নয়নের নামে একটা হ-য-ব-র-ল প্যাকেজ। বাম-অপশাসনের ক্ষয়ক্ষতিতে পুলটিস দেওয়া, দলতন্ত্র খতম করা, গ্রামশহরে পিছিয়ে পড়া এলাকায় সরকারি সাহায্যের আশ্বাসন। যুবশক্তিকে ধরে রাখতে ক্লাবকে পয়সা একটা উদাহরণ। কন্যাশ্রী প্রকল্প, হ্যানো ত্যানো উৎসব ইত্যাদির মাধ্যমে সরকারী ব্যয় বাড়ানো।
    এই ধরণের উৎসব ও বিভিন্ন সেগমেন্টকে ( সিনেমা, সঙ্গীতশিল্পী) তুষ্টিকরণ এক হিসেবে খানিকটা ইন্দিরার নকল ও খানিকটা স্বকীয় প্রতিভা। কিন্তু এই ধরণের "কন্স্পিকুয়াস কনসাম্পশন" মূল ইকনমিতে বাস্তবিক গ্রোথের জায়গায় নমিনাল গ্রোথ দেখায় আর ইনফ্লেশন বাড়ায়। এদিকে সরকারী কর্মচারীদের ডি এ ৪৯% বকেয়া রয়েছে। আর মোদীর বিপরীতে মুসলিম কমিউনিটির তুষ্টিকরণ।

    দুই। ইন্দিরা-হীরকরাণী-মোদীজির কমন অ্যাটিচুডঃ
    ক) মেগালোম্যানিয়াঃ
    --ইন্ডিয়া ইজ ইন্দিরা, ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া।
    --- অব কী বার, মোদী সরকার।
    --- ক্ষমতা নয় সততা, দেখিয়ে দিল, মমতা।
    অর্থাৎ, দলের থেকে ব্যক্তি নেতা বড়, তাঁর কথাই শেষ কথা, সরকারী তন্ত্রের বিজ্ঞাপনে নেতার লার্জার দ্যান লাইফ ইমেজ তৈরি।
    খ) সাংবিধানিক সংস্থা, পদ ও ট্র্যাডিশনের অবমাননা।
    তিনজনই ক্ষমতায় এসেছেন বিপুল মেজরিটি ভোট পেয়ে, জনতার ম্যান্ডেটে। কিন্তু সেই জোরে যা খুশি করা সম্ভব ধরে নিয়েছেন।
    ----ইন্দিরা ব্যাক ডেট থেকে এফেক্টিভ আইন পাশ করিয়ে নিজের নির্বাচন বৈধ করিয়ে নিলেন।
    ---- মোদি অর্ডিনান্সের পর অর্ডিনান্স জারী করে চলেছেন।
    --- মমতার অধিকাংশ নির্ণয় ( যেমন মেয়র-পারিষদ, সিবিআই তদন্ত,)হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্টে মুখ থুবড়ে পড়েছে।

    -- ইন্দিরা মানবাধিকার নিয়ে বিশেষ চিন্তিত ছিলেন না। প্রেস মিডিয়াকে হয় স্তাবক নয় দাবড়ে রাখতে দড়।
    -- মোদী লোকপাল ইত্যাদিকে উড়িয়ে দিয়েছেন। কোর্টকে নিয়ন্ত্রণ করার কোন প্রয়াসই বাদ দেন নি।
    -- মমতা সোজাসুজি বিজ্ঞাপন বন্দ্ধ ও ধমকানোয় বিশ্বাসী।

    ইন্দিরা-=ছাত্র-যুববাহিনীর ( সঞ্জয় গান্ধীর যুব কংগ্রেস) ও লুম্পেন এলিমেন্টের ব্যবহার করে রাজনীতির অপরাধীকরণ। শিখ বিরোধী দাঙ্গায় এদের ভূমিকা ও পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা।

    মোদী= বজরঙ্গদল, শিবসেনা ও আর এস এস এর গ্রাসরুট লেভেলে জনতার মধ্যে বিভাজন তৈরি করা; বিরোধীদের ও মিডিয়াকে ধমকানো।

    হীরকরাণী= ছাত্রযুববাহিনীর ভ্যান্ডালিজম, ও বিধায়কদের সোজাসুজি মারদাঙ্গায় উশকানি। নিজেদের আলাদা আলাদা এলাকায় ডন হওয়া; পুলিশকে নিষ্ক্রিয় রাখা। নিয়মিত ভাবে পাবলিক প্রসিকিউটরের জামিনের বিরোধিতা না করা বা অনুপস্থিত থাকা,

    এই অবস্থায় বলা যেতেই পারে যে কেন্দ্রে এবং বঙ্গে এমার্জেন্সি ঘোষণা না হলেও তার পূর্বশর্ত তৈরি হয়েছে। এবার আমাদের রেড রাইডিং হুডের গল্পের মত ঠাকুমাবেশী নেকড়ে(জরুরী অব্স্থা) কে জিগ্যেস করতে হবে যে তোমার দাঁত, তোমার নখ অমন কেন? কেন এত ছুঁচলো আর ধারালো?
    জিগ্যেস করতে হবে প্রতি পদে। শাসকের সমস্ত বেচাল পদক্ষেপে।
    নইলে কেন্দ্রে এবং বঙ্গে সমস্ত বিরোধী কন্ঠস্বরকে আস্তে আস্তে মুছে দেওয়া হবে। বলা হবে এরা উন্নয়নের বিরোধী, আচ্ছে দিনের বিরোধী, বঙ্গের বিকাশের বিরোধী। এই ক্যাম্পেন এখনই শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। সাধু সাবধান।
    আর একা লড়া যায় না। তাই ব্যাপক মোর্চা তৈরির স্বার্থে কংগ্রেসের হাত ধরাও ভুল হবে না। শুধু সিট ও ভোটের মাপকাঠিতে কোন দলের সাংগঠনিক শক্তির আন্দাজ করা ভুল। সে সিপিএমই হোক কি কংগ্রেস।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১২:১৬662808
  • পিটি,
    পিটিয়েবল!
    আমি তো খালি চর্বিত অচর্বণ করি, আপনি কী করবেন বলুন দিকি! এমন ভাব করলেন যে--।
    ভেবে পাচ্ছেন না? আচ্ছা, আমি একটা নিরিমিষ প্রস্তাব দিচ্ছি।
    মুখ্যমন্ত্রী/শিক্ষামন্ত্রীকে অ্যাড্রেস করে একটা পিটিশন বানান।
    বলুন যে আমরা মিডিয়াতে ছাত্রনামধারী কিছু এলিমেন্টের অধ্যপকদের গায়ে হাত তোলার দৃশ্য দেখে যারপরনাই ক্ষুব্দ ও ব্যথিত।
    শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে আপনদের অনুরোধ করছি কিছু কড়া ব্যবস্থা নিন যাতে এই সব এলিমেন্ট ভবিষ্যতে এইজাতীয় কাজকর্ম করে আপনার সরকার ও বঙ্গের বদনাম না করতে পারে।
    সেই পিটিশনে সাইন করে (ডিজিটালি) এটা গুরুতে ইউআরেল হিসেবে পোস্ট করুন। প্রথম সাইন আপনার থাকবে, দ্বিতীয়টি অবশ্যই আমার।
    করুন দিকি! সঙ্গে আছি।

    সবাইকে দেখিয়ে দিন যে আপনি খালি চর্বিতচর্বণ করেন না, যা বিশ্বাস করেন তার জন্যে কাজ করেন। তাই সবাইকে সমালোচনা করার ভুল ধরার নৈতিক অধিকার আপনার আছে।
  • quark | 24.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১২:২০662809
  • রঞ্জনদার ৩. গ) নম্বরে একটা যোগ করি - ১,৩০,০০০ গ্রুপ সি ও ডি চাকরি রাজ্য সরকারে। বিরোধিতা করার আগে হাজার বার ভাববে বিরোধিরা। অথচ দানছত্রেরই অন্যরূপ।
  • ঊমেশ | 118.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৩:১৪662810
  • অরণ্য'দা,
    আমরা যারা বাইরে থেকে আনন্দবাজার আর এইসময় এর চোখে পশ্চিমবঙ্গের হাল দেখছি, তাদের মনে হচ্ছে খুব খারাপ হাল।
    কিন্তু যারা দেশে থাকে, তারা বলছে না খুব খারাপ অবস্থা।
    রাস্তা-ঘাট নাকি অনেক ভালো হয়েছে। সরকারী কর্মচারী'রা সময়ে বেতন পাচ্ছে।
  • সিকি | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৩:২১662811
  • "সরকারী কর্মচারী'রা সময়ে বেতন পাচ্ছে।"

    - আগে পেত না?
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৩:৩৫662813
  • /দেরি হত
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৩:৩৫662812
  • না। অন্ততঃ আমার বন্ধু বেলুড় স্কুলে আছে। সে বলেছিল বেশ দেরি হয় মাইনে পেতে।
  • PM | 116.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৩:৫২662814
  • তাহলে ৫০% DA না পাওয়াতেও জনগন খুশী। জনগন আজকাল রমুদার পোকিত অনুসারী হয়ে টাকা মাটি -মাটি টাকা ভাবছে ? ভালো
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৩:৫৪662815
  • " ধীরে বৎস ধীরে" ... ঃ))
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৪:০৭662816
  • পবয় বাজার কিন্তু বেশ সস্তা। বরাবরই তাই।
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৪:১৭662818
  • কারণ " আমরা নিরপেক্ষ নয়, আমরা মেহনতী মানুষের পক্ষে"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন