এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩২২৩২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | 203.*.*.* | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:১২520987
  • এই টইতে মন্তব্যের সংখ্যার সর্বোচ্চ সীমা পেরিয়েছে। মতামতের জন্য অন্য একটি টই খুলুন।

    এই জন্যই নতুন টই খোলা হয়েছিলো।
  • Vive Le Nouveau Château | 131.*.*.* | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:১৯520988
  • সে বহুদিন আগেই পেরিয়েছে। কিন্তু সেই নিয়মও এখন ঠোঙা হয়ে গেছে, মেসেজটা মামু ওড়ায়নি।
  • siki | 132.*.*.* | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:৩৩520989
  • হে হে ... আর সীমা পেরোলেই বা ক্ষী যায় আসে? ছাপ্পা আছে কী জন্য?
  • siki | 132.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৪৩520990
  • হ্যাঁ, মাঝে অনেকদিন আসা হয় নি তক্কাতক্কির মাঝে, যদিও পড়ে গেছি নিয়মিত। তো, মোদ্দা কথাটা যা বুঝলাম, সিপিএমের অরাজকতা ব্যাপারটা, অনেকটা চলমান অশরীরির মত। আছে, মানে ছিল, কিন্তু কেউ কোনওদিন চোখে দ্যাখে নি। অনিলায়নের দুচাট্টি এগজাম্পল দিতে বলে লোকজন কত্তো ডাকাডাকি করল, কিন্তু কেউ ঠিকমত একটা উদাহরণ দিয়ে উঠতে পারল না। যা-ও বা দু-একটা নমুনা পেশ করা হল, শিবুদা নিদান দিলেন, পৃথিবীর কোন দেশে এইটুকু আমরা-ওরা হয় না। এটা এমন কিছু ব্যাপার না।

    দেখেশুনে মনে হল, সত্যিই বোধ হয় শিক্ষাক্ষেত্রে "নিজেদের লোক" বলে অযোগ্য লোকজনকে বোধ হয় ঢোকানো হয় নি গত চৌত্রিশ বছরে। অথচ ঢোকানো হয়েছিল, এবং ভূরিভূরি ঢোকানো হয়েছিল বলেই জানতাম তো! পার্টিকে তুষ্ট করতে না পারলে আলিপুরদুয়ার বা কাকদ্বীপে পানিশমেন্ট পোস্টিং, ঠিকমত মাখন মারতে পারলে বাড়ির কাছাকাছি পোস্টিং, এসব নিজেদের আত্মীয়-পরিজনদের মধ্যে দেখে দেখেই তো বড় হলাম, ছোট ছিলাম বলেই বোধ হয় নামধামগুলো ডকুমেন্ট করে রাখার দরকার মনে করি নি। অবিশ্যি ডকুমেন্ট করলেই বা কী হত, পৃথিবীর কোন দেশে এইটুকু স্বজনপোষণ হয় না? আমেরিকায় কি হয় না?

    স্রেফ ডকুমেন্টেশনের অভাবে আমি এটাও প্রমাণ করতে পারব না, শুধুমাত্র লালঝাণ্ডা পুঁতে রাতারাতি কীভাবে জমির দখল নিত সিপিএম, বিরুদ্ধ কণ্ঠস্বর বন্ধ করার জন্য কী কী ভাবে এক্সপ্লয়েটেহন চালিয়ে গেছে মালদা, দিনাজপুর, জলপাইগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে হতদরিদ্র মানুষগুলোকে, লোকগুলো ভালোবেসে নয়, প্রাণভয়ে, জমি হারানোর ভয়ে পা মিলিয়েছে সিপিএমের মিছিলে, ভোট দিতে বাধ্য হয়েছে সিপিএমের প্রার্থীকে।

    এসব আসলে কিছুই হয় নি। কারণ, ডকুমেন্টেড নেই। তবে এর কিছু কিছু কেস আমার নিজের চোখে দেখা। জেলার গ্রামে গ্রামে বড় হয়েছি কিনা।

    শুধু, এত কিছুর পরে এইটুকু বুঝতে অসুবিধে হয়, কিছুই যখন হয় নি, তা হলে দুহাজার এগারো সালে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে হল-টা কী! বেশির ভাগ অভিযোগই তো দেখা যাচ্ছে প্রমাণযোগ্য নয়, বা হলেও অতি সাধারণ ঘটনা। তা হলে কী এমন ঘটল যে লোকে রাতারাতি মুখ ফিরিয়ে নিল? বাজারী কাগজের অপপ্রচার? বাজারী কাগজের এত জোর, তারা সারা পশ্চিমবঙ্গের মানুষজনকে বায়াসড করে ফেলল সিপিএমের বিরুদ্ধে? ... আরও আশ্চর্যের বিষয়, এই বায়াসনেসের খবর আমি জেনে গেলাম, পাড়ার দুলে বাগদি জেনে গেল, জানল না শুধু হার্ডকোর সিপিএমের লয়্যাল বলে পরিচিত লোকজন? বিমান বোস থেকে আমাদের অরিজিৎ মুখুজ্জে? কেউ বুঝতে পারল না রাজনীতির এত কাছাকাছি থেকেও, অথচ আমরা যারা রাজনীতির ধারকাছ মাড়াই না, তারা আগে থেকেই বুঝে গেছিলাম?

    হিসেব মেলে না দাদা। শিবুদার আরও বক্তব্য ছিল, মমতা তথা তৃণমূল যে "অত্যাচারী" সিপিএমের থেকেও দশগুণ বেশি অপদার্থ, সেটা নাকি আগে থেকেই জানা ছিল। একটা সিস্টেমের অল্টারনেটিভ সিস্টেমটা যতক্ষ্ণ পর্যন্ত বেটার নয়, ততক্ষণ খামোকা সিস্টেমকে পাল্টানোর কোনও যুক্তি দেখতে পায় নি শিবুদা। কে জানে, "জনগণ" ভুল করেছে হয় তো নিকৃষ্টতর তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনে, আনা উচিত হয় নি, কারণ তৃণমূল কোনও অবস্থাতেই সিপিএমের থেকে বেটার নয়, সেটা অনেক আগে থেকেই পাবলিক ছিল।

    মানুষ কোন পরিস্থিতিতে পৌঁছলে নিকৃষ্টতর বিকল্পকেও আঁকড়ে ধরে পরিচিত সরকারকে ছেড়ে, সেটা অনেকেই হয় তো আজও অনুভব করতে পারছে না। সরু গলির মুখ আটকে ডায়ার রাউন্ডের পর রাউন্ড গুলি চালাচ্ছে, পালানোর কোনও রাস্তা নেই, মহিলাদের দল শিশু বুকে নিয়ে ঝাঁপ দিচ্ছেন কুয়োয়, আর ডুবে মারা যাচ্ছেন। কুয়োটা কোনও মতেই জালিয়ানওয়ালাবাগে ডায়ারের গুলির থেকে বেটার অপশন ছিল না, মৃত্যু ছিল দুদিকেই, তবু মানুষ এক ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচার জন্য অন্য ধ্বংসের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

    তবু অবাক লাগে। অবাক লাগে যখন দেখি সুমনের একাধিকবার ধর্ম পাল্টানোর গল্প পড়ে ব্ল্যাংকি বলে, আগে থেকেই জানতাম সুমন একটা আগাপাশতলা ধান্দাবাজ, আজ সেই ধারণাটা আরও পোক্ত হল। পলিটিকাল মতাদর্শের অমিল শেষে ঠেকল ধর্ম পাল্টানোর স্ট্যাটিসটিক্সে? আমি ব্যক্তিগতভাবে সমস্ত ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাহীন, পহাকড়ির জোর থাকলে আমিও কাল মুসলমান, পরশু খ্রিস্টান, তরশু হিন্দু হয়ে তার পরের দিন আবার মুসলমান হয়ে যেতে পারি, আমার বিবেকে মননে কোথাও এতটুকু বাধবে না, যে কোনও ধর্মবিশ্বাসই আমার কাছে সমান মূল্যহীন, তার মানে কি আমি নিজে ধান্দাবাজ? সুমন পলিটিকালি ইম্ম্যাচিওর্ড, হ্যাঁ ধান্দাবাজি ছিল, না থাকলে মমতার সাথে অতদিন থাকল কী করে, সব মেনে নিয়েও এটা মানতে অসুবিধে হয় সুমন লোকটা আজন্ম ধান্দাবাজ তার একটা অন্যতম কারণ সে একাধিকবার ধর্ম পালটেছিল? পাড়ার ফোতো কাপ্তান এইসব কথা বললে তাও মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু ব্ল্যাংকির কাছ থেকে এই রকমের যুক্তি ... হিসেব মেলে না।

    তৃণমূল একটি বালের দল। বোল্ড এবং আন্ডারলাইন। মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের বৃহত্তম বাল। এ কথা আজ সবাই জানে, সবাই মানছে। নিকৃষ্টতম গালাগাল দিয়েও শুভাপ্রসন্ন, জ্যোতির্ময়, কাকলি, অর্পিতা ইত্যাদিদের জন্য সঠিক বিশেষণ হয় না, সবই ঠিক আছে, কিন্তু ঠিক কী জন্য এত শক্তিশালী রেজিমেন্টেড একটা দল এইসব ঝাঁটবালেদের কাছে গো-হারান হেরে গেল, তার আত্মসমীক্ষা বোধ হয়, আজও সিপিএম শুরু করে নি, আর কখনো করবে বলে মনেও হয় না। মমতার বা তৃণমূলের প্রতিটা ভুল স্টেপের সমালোচনা করার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে একটা হোলিয়ার দ্যান দাউ, সিপিএম কিন্তু এ রকম ছিল না, এই রকমের অ্যাটিটিউড। আরে ছিল না তো, হারল কেন?

    অনেকবার বলা হয়েছে এসব কথা। নতুন কিছু নয়। ভেতরের ফ্রাস্ট্রেশন ভেন্ট আউট করতে গিয়ে কিছু প্রিয় বন্ধুর নাম নিলাম, ক্ষমাপ্রার্থী তাদের কাছে। এবার হুগলির গল্প।

    শ্বশুর মারা গেছেন। তাড়াহুড়ো করে গেছি ব্যান্ডেলে। সিকিনীর তরফে শ্রাদ্ধশান্তি যা যা করার করা হল, কাজের মাঝে পড়ল দুদিন বন্‌ধ। বন্‌ধের আগের দিন আমাকে গঙ্গায় যেতে হয়েছিল, গঙ্গামাটি গঙ্গাজল ইঃ আনার জন্য। ফেরার সময়ে দেখলাম একটা ম্যাটাডোর ভরতি কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলে, হাতে রড হকিস্টিক নিয়ে উত্তাল চেঁচামেচি করতে করতে তীরবেগে বেরিয়ে গেল চকবাজার দিয়ে। ম্যাটাডোর ভর্তি তৃণমূলের পতাকা।

    নতুন কিছু দৃশ্য নয়। এর আগেও এসব দেখেছি, সিপিএমএর পতাকার সাথে। মুখগুলো একই থাকে, পতাকার রঙ বদলে যায় শুধু। ভাবলাম, বাব্বা, বন্‌ধ শুরু না হতেই এই, কাল নিশ্চয়ই গণ্ডগোল হবে।

    পরদিন, অবাক কাণ্ড, সবকিছু স্বাভাবিক। যেন হুগলিতে বন্‌ধ হচ্ছেই না। ব্যান্ডেল হুগলি চুঁচুড়া অটোয় করে গেলাম এলাম, অটোওলাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের বন্‌ধে কেউ গাড়ি আটকাচ্ছে না? অটোওলা মুচকি হাসল, কে আটকাব্যা? কেউ আছে নাকি?

    সত্যিই কেউ নেই। কিছু রাস্তার মোড়ে সিটুর পতাকা লাগানো, তার বাইরে সবকিছু স্বাভাবিক, বাস চলছে, অটো চলছে, সমস্ত, হান্ড্রেড পার্সেন্ট দোকান খোলা, রিক্সা চলছে, ট্রেন চলছে, কেবল ব্যাঙ্কগুলো বন্ধ। হুগলিতে অন্তত, বন্‌ধ, পুরো ফ্লপ। শ্বশুরবাবুর ডেথ সার্টিফিকেট আনতে যাবার ছিল, মিউনিসিপ্যালিটিতে গেলাম, সেখান থেকে চুঁচুড়া কোর্টে গেলাম, সমস্তকিছু স্মুথ চলছে। স্টেট ব্যাঙ্ক তো দেশের সবচেয়ে আতাক্যালানে ব্যাঙ্ক, কেবল ওদের এটিএমগুলোই বন্ধ করা ছিল, বাকি সমস্ত এটিএমও চালু।

    মানুষ কি সত্যিই স্বতস্ফুর্তভাবে বন্‌ধকে কলা দেখাল? এতটা পালটে গেছে হুগলির মানুষজন? নাকি এ শুধুই তৃণমূল ডমিনেন্সের প্রভাব? উত্তর খোঁজবার জন্য, চলুন, সিকির মামাবাড়ি যাওয়া যাক।

    মেজমামা কাজ করেন নৈহাটি হাসপাতালের পিএইচই বিভাগে। মানে জল আর বিদ্যুতের সাপ্লাই নিরন্তর হাসপাতালে চালু রাখার কাজ। রোজ গঙ্গা পেরিয়ে নৈহাটি যায়, সোম থেকে শনি। গেছিলাম শুক্রবারের সন্ধ্যেয়। কথায় কথায় রাজনীতির কথা উঠল। মেজমামা কোনওদিন সক্রিয় রাজনীতি করে নি। নকশাল পিরিয়ডে স্রেফ সন্দেহের বশে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে অকথ্য টর্চার করেছিল, মেজোমামার তখন আঠেরো বছর বয়েস। তারপরে আর জীবনে কখনো রাজনীতির ধারকাছ ঘেঁষার চেষ্টা করে নি। যতদিন নৈহাটিতে সিপিএমের ডমিন্যান্স ছিল, ইউনিয়ন চাঁদা চেয়েছে, চাঁদা দিয়ে গেছে, সাপোর্টও করে নি, বিরোধিতাও করে নি।

    শুক্রবার, তখন দুদিনের বন্‌ধ শেষ, গেলাম মামাবাড়ি। কথায় কথায় রাজনীতির কথা উঠল। মেজোমামার মুখটা কেমন যেন কালো হয়ে গেল। "সম্মান নেই, বুঝলি, ইহুদীদের নিয়ে নাৎসীরা যেমন করত, আমাদের নিয়ে আজ তৃণমূলের গুণ্ডারা তাই করে, জানিস? এত বছর চাকরি করেছি ওই অফিসে, কখনো এই রকমের অসম্মান হতে হয় নি।"

    অরিজিতের কথা মনে পড়ল। শুধোলাম, কী রকম?

    মেজোমামা বলল, মঙ্গলবার, বুঝলি? পরদিন থেকে বন্‌ধ শুরু হবে। মঙ্গলবার বিকেলে এলাকার কিছু ছেলেপুলে, সব বয়েসে তোর থেকেও ছোটই হবে, অফিসে এসে বলল, এই যে, সব বেরিয়ে আসুন। এইখানে লাইন দিয়ে দাঁড়ান। ... দাঁড়াতে হল। একজন নেতাগোছের ছেলে বলল, মুখগুলো সব চিনে রাখলাম, এবার নিজের নিজের টেবিলে চলে যান। কাল ঠিক টাইমে অফিস আসবেন, পরশুও। যে মুখটা একদিনের জন্যেও অ্যাবসেন্ট দেখব, তার বাড়িতে থানকাপড় পাঠানো হবে। প্রাণের মায়া থাকলে আগামী দুদিন অফিস কামাই করবেন না।

    বিশ্বাস কর্‌, অফিস না আসার কোনও ইচ্ছে আমার ছিল না, কিন্তু এ কী ধমকি? সেই সত্তরের দশকে এইসব কথা শোনা যেত। ... বুঝলি, ভোর চারটেয় উঠে প্রথম নৈহাটি লোকাল ধরে অফিসে পৌঁছেছি, যেখানে আমি যাই সকাল সাড়ে নটায়। তবু, বন্‌ধের দিন, তাড়াতাড়ি তো যেতেই হবে, গিয়ে চেয়ারে বসতে যাব, অন্ধকার থেকে দুটো ছেলে এসে বলল, দাঁড়ান, বসার আগে শ্রীমুখটা দেখিয়ে যান, তারপরে বসবেন। আমরা সব টিকমার্ক লাগাচ্ছি।

    মুখ দেখিয়ে আসতে হল। সারাদিন ছেলেগুলো আমাদের অফিসে বসে রইল। একজনের আসতে দেরি হয়েছিল, অনেক দূর থেকে আসে, তাকে যে কী কী না বলল ওইটুকুটুকু ছেলেগুলো, সে আমি তোকে বলতে পারব না। বেস্পতিবারের শেষে হুকুম হল, এবার বাড়ি যান, শনিবার আমাদের হাসপাতালে দিদি আসছেন, জলের সাপ্লাই চাই, এইখানটায় ফোয়ারা লাগানো হবে।

    হাসপাতালের জন্য স্পেশালি ট্রিটমেন্ট করা জল, সেটা পেশেন্টের জন্য না দিয়ে দেওয়া হবে ফোয়ারা চালাবার জন্য। কারণ, দিদি আসবে। ... এই হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তন, বুঝলি? আমাদের বড় অফিসার বসেন কলকাতায়, তাঁকে ফোনে বললাম সবকিছু, কীভাবে অপমান হতে হয়েছে আমাদের গত দুদিন ধরে। তিনি আর কী বলবেন, তাঁরও তো হাত পা বাঁধা, বললেন, যদি বেশি ঝামেলা করে, হাসপাতালের সার্ভিস চুলোয় যাক, আপনারা অফিসে তালা মেরে সোজা ট্রেন ধরে কলকাতায় এসে রিপোর্ট করবেন।

    এই সব হল শোনা গল্প। বড়মামার ঘরেও অন্যরকম কিছু গল্প শুনলাম। বড়মামা ডানলপে ছিল, অকালে চাকরি খুইয়ে অকালে বুড়িয়ে গেছে। মাইমা শাড়ির ব্যবসা করে সংসার চালায়। বড়মামাও যৌবনে ধরা পড়েছিল, মেজোভাইয়ের সঙ্গে। তারপরে পুলিশের অত্যাচার। সেই নকশাল আমলে। বড়মামা অবশ্য চিরদিন যুক্ত ছিল ডানলপের সিটুর সঙ্গে। ডানলপের সেই সিটু নেতার এখন পুরীতে হলিডে হোম, লোকে অনেক দামে ভাড়া নেয়, মার খেয়ে গেছে, তার অনুগত কমরেডদের দল। আমাদের বড়মামারা। বড়মামা মমতার নাম উঠতে বলল, শুওরের বাচ্চা। বেসিকালি শুওরের বাচ্চা। তারপর কিছু চর্বিতচর্বন, পার্কস্ট্রীট কাণ্ড থেকে পচনন্দা পর্যন্ত।

    আর আমি কী দেখলাম? হুগলিতে লোডশেডিং আর হয় না। রাস্তাগুলো বেশ ভালো, আর কোথাও প্রায় খানাখন্দ নেই, এমনকি গলির ভেতরকার রাস্তাগুলোও কংক্রিট দিয়ে বাঁধানো।

    আর? হুগলি ব্যান্ডেল এখন ধীরে ধীরে বড়সড় বৃদ্ধাবাস হয়ে উঠছে। লোকে বহু পুরনো জমিজমা তুলে দিচ্ছে প্রোমটারের হাতে, বিল্ডার ফ্ল্যাট উঠছে এখানে, সেখানে। বাবাও দু একজন বিল্ডারের ফোন নং টুকে রেখেছে, দেখে এলাম। কসবার দিকে বাড়ি খুঁজছে।
  • অচেনা | 96.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:১৭520991
  • গনতন্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার পাল্টাবে---এতে অশ্চর্য্য হবার কি আছে। না হলেই আশ্চর্য্য। আমার তো মনে হয় ৩৪ বছর একটা দল সরকার চালানোটাই সবচেয়ে আশ্চয্যের, যেখানে ৫ বছর অন্তর ভোট হয়। এতো অকথ্য অত্যাচার, দলবাজী করে একটা দল কি করে ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকলো সেটা নিয়ে সিকিবাবু বরং একটু গবেষনা করুন।

    ডকুমেন্টেড প্রমান না হয় নাই দিতে পারলেন..... না হয় তখান ছোটো ছিলেন। SSC, CSC তে কিভাবে অযোগ্যতা সত্ত্বেও সিপিয়েম-এর লোকেদের বেছে বেছে ঢোকানো হতো বা কিভাবে ঢোকানো সম্ভব সেই প্রসেসের থিওরিটিকাল বর্নানা দিলেই আপাততঃ চলবে। আগেও কেউ এই প্রশ্নটা করেছিলো। কোনো উত্তর তো আসেনি এখনো। আপনি না হয় আপনার মামাদের জিগিয়ে একটু লিখে আমাদের আলোকিত করুন
  • S | 139.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:২৭520992
  • আচ্ছা আমি বলছি কি করে SSC তে নাম ঢোকানো যায়। SSC র আল্টিমেট আউটপুট হোলো একখান লিস্টি। সেই লিস্টিতে নিজের লোকের নাম কোথাও একটা গুঁজে দাও। ভুল বললে জানাবেন। ব্যাপারটা যে হয়েছে, সেটা আমি বুঝতে পেরেছিলাম একটা কেসে। নাম ধাম বলতে পারবো না, নিজের লোকজন। কিন্তু আমি সিওর নই, কারণ ব্যাপারটা নিয়ে কেউ কথা বলেনি - তাই আমি বলছি যে আমি জানিনা, কিন্তু বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্তু তার সাথে এটাও সত্যি যে এই কম্মটি করা বহুত হ্যাপার ব্যাপার। তাই লিস্টির বেশ নিচের দিকে নামটা গুঁজে দেওয়া হয়েছিলো। তারপরের প্রসেসটা তো হে হে, খুবই সিম্পল।
  • Sibu | 84.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:০৫520993
  • সিকির বড্ড অভিমানী পোস্ট।

    ডকুমেন্ট না করে প্রমান কি করে দেওয়া যায় সেটা তো জানি না, এক যদি না পোমোদের মত সব ডিসকোর্সই ইকুয়ালি ভ্যালিড ধরে নেই। সে হলে কোন কিছুরই কোন প্রমান দরকার নেই। ভুত, ভগবান, জ্যোতিষ - সবই প্রমানিত।

    আর এক হয়, যদি সিপিএম মানেই খারাপ। প্রমান আছে কিনা ম্যাটার করে না।

    সুমনের ধর্ম বদ্লটাকে অনেকেই দু-নম্বরি ব্যাপার বলে। গুজোরব, মারিয়ার সাথে ডাইভোর্সের ঝামেলায় না গিয়ে সাবিনাকে বিয়ে করার জন্য সুমন নাকি মুসলমান হয়েছিল। অর্থাৎ, সুমন ধর্ম বদলেছিল ভারতের পার্সোন্যাল ল কে পাশ কাটানোর জন্য, কোন ইডিওলজিক্যাল কনভিকশন থেকে নয়। ডকুমেন্টেশন নেই অবিশ্যি।
  • SC | 160.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:১৭520994
  • তার ধর্মটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
    এইরকম allegation এর কোনো উত্তর হয় না।
    ইসলাম ধর্মের মধ্যে তিনি শান্তি খুঁজে পেয়েছেন বহুবার বলেছেন।
    এরপরে সেইটা নিয়ে কেন করেছিলেন, এরামভাবে যুক্তি সাজালে সকলের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই কুত্সা করা যায়।
    অমুক অমুকিকে বিয়ে করেছে কারণ অমুকির বাপের অনেক পয়সা, তমুক তমুকিকে বিয়ে করেছে কারণ তমুকির মা পার্টির বড় নেত্রী। এভাবে কুত্সার কোনো শেষ নেই।

    আর নিজের ভালবাসার মানুষকে বিয়ে করার জন্য আইনকে কাঁচকলা দেখিয়ে কোনো কাজ করে থাকলে খুব ভালো কাজ করেছেন। ভালবাসার জন্য অনেক কিছু করতে পারেন, সুমনকে এরকম একজন হিসেবেই চিনতাম।
    বন্ধু, তোমার ভালবাসার স্বপ্নটাকে রেখো।
  • aka | 178.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:১৮520996
  • মানে এই লজিকে সিপিএমের থেকে দিদি খারাপ অতএব জ্যানাগনের সিপিএমকে ভোট দেওয়া উচিত, শুধুমাত্র এই লজিকেই সিপিএম যতটা পারত নীচে নেমেছে, জানত কোন অলটারনেটিভ নেই। দলের মধ্যে থেকেই একটা অংশের শুদ্ধিকরণের লাগাতার ডিমাণ্ড সত্ত্বেও জায়গায় জায়গায় এলসিএস, বিধায়কদের অরাজকতা বেড়েছে। জল নাকের ওপর উঠলে লোকে খড়কুটো আঁকড়ে ধরে, হাতের কাছে সাপ থাকলে তাকেও আঁকড়ে ধরবে। মমতা সাপ হলে প্রমাণিত হয় না সিপিএমের আমলে নাকের ওপর জল যায় নি।

    দলের মধ্যে থেকে শুদ্ধিকরণের দাবী মোটেও আনডকুমেন্টেড নয়, বরং বেশ ডকুমেন্টেড।
  • aka | 178.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:১৯520997
  • কথায় আছে জ্যোতিবাবু বউকে মেরে শালিকে বিয়ে করে লণ্ডনে গিয়ে চামড়া ট্যান করে আসতেন, যদিও ডকুমেন্টেড নেই কোথাও।
  • Sibu | 84.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:২৫520998
  • ভালবাসার জন্যে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। সেই যে ক'দিন আগে একজন প্রেমিকার বিয়েতে ঢুকে বরকে মেরে দিল। কিন্তু জালিম দুনিয়া সে নিয়ে কি কুচ্ছো কিছু কম করল?
  • Sibu | 84.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:২৭520999
  • এক অর্থে SC বা aka আমার কথাটাকেই সমর্থন করছে বলে মনে হচ্ছে। ডকুমেন্টেশন ছাড়া কোন অ্যালিগেশন অর্থহীন।
  • aka | 178.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:৩৩521000
  • কোর্টে, জ্যানগণের আদালতে মানে ভোটে নয়। তাই ডকুমেন্টশন ছাড়া কবীর সুমন জালিয়াত হয়ে যায় না, যেমন জ্যোতিবাবু খুনি হয়ে যায় না। কিন্তু ডকুমেন্টশন ছাড়াই জ্যানাগণ সিপিএমকে তাড়িয়ে মমতাকে আনে।
  • Sibu | 84.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:৩৬521001
  • ঃ-)

    এবারে আকা রেগে গেছে।

    ইয়ুপ, জ্যানাগ্যান এরকম করে থাকে। তা সে তো জ্যানাগ্যান হিটলারকেও ভোট দিয়েছিল। বা জ্যানাগ্যান জ্যোতিষেও বিশ্বাস করে।
  • Yan | 161.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:৫৫521002
  • লন্ডনে চামড়া ট্যান? তার চেয়ে ভারতের রোদে ভালো হতো না???? ঃ-)
  • SC | 160.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:০১521003
  • ট্যান নয় গো, ফেসিয়াল। মা কাকিমারা বলতেন, এই বয়সেও কিরকম টানটান চামড়া দেখেছিস।
    তবে আমার অবস্যি এক্কার ওনার সাথে লন্ডন যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। শুনেছি মদের ব্যাপারে খুব ভালো জানতেন ভদ্রলোক।
    আমার এসব লোক খুব পছন্দ।
    আর এটা কিন্তু Documented, চাইলেই পেশ করা হবে ডকু।
  • Ishan | 202.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:০৬521004
  • জ্যোতিবাবুর চামড়ার গ্ল্যামার বিষয়কও একটি ওয়েল ডকুমেন্টেড গপ্পো আছে। কিন্তু অনেকদিন এই টইয়ে আপডেটেড না থাকার ফলে ডকুমেন্ট করা হইতে বিরত রইলাম। :)
  • Yan | 161.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:০৮521005
  • আরে রে রে! মদ বিশেষজ্ঞ পচ্ছন্দ আপনার? গুর্চ ভর্তি এমন লোক! একজন তো আমাকে বলেই বসেছিলেন ফ্রী ফ্রী ভালো মদ খাওয়াবেন লন্ডনের এক পাবে! ঃ-)
    পাষন্ড আমি কিনা কলকেতার ময়দানের ধারের ফুচকা প্রেফার করলাম মদের চেয়ে! তিনি বড়ো মনক্ষুন্ন হয়েছিলেন গো! আহা!
  • S | 109.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:১১521007
  • আরেকখানা শুনেছিঃ উনি নাকি বিদেশ থেকে হরমোন চেন্জ করে আসতেন। এটা শুনে আমার রাগ-হাসি-বোকা বোকা সব রকম ইয়ে একসঙ্গে হয়েছিলো।

    তবে এক কম্যু নেতাকে বলতে শুনেছি যে উনি নাকি রোজ রাত্রে খুব অল্প মাত্রায় খুব ভালো কোয়ালিটির ইয়ে পান করতেন।
  • Yan | 161.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:১৩521008
  • তবে এস সি, একথা বলতেই হয় চল্লিশ পেরোলেই অম্বল টাক ভুড়ি আর কুচকানো চামড়া নিয়ে অকালবৃদ্ধ হয়ে লুচিভাজা খেতে হ্যাংলামি করা যাওয়া আর হ্যা হ্যা ব্যা ব্যা করে অনন্ত বকবক করে যাওয়া বাঙালি পুরুষসমাজে জ্যোতিবাবু এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। অনেক বয়স অবধি সতেজ ও সুস্থসবল। কথাবার্তাতে ও মিতাচারী।
  • cb | 99.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৪:৩৪521009
  • হীরক রাণীর দু নম্বরি টই খোলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালুম,

    আমি এই টই ছেড়ে নড়ছি না
  • aka | 85.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৭:৩৫521010
  • স্টালিনকে অবশ্যি জ্যানাগণ নিযুক্ত করে নি, পার্টি করেছিল। এবারে তুল্যমূল্য তুলনা চলতে পারে স্টালিন নাকি হিটলার কে বেশি লোক মেরেছে, সংখ্যায় যার লোক মারা কম হবে সে কম এভিল অতএব বেশি গ্রহণযোগ্য।
  • Sibu | 118.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৯:৩১521011
  • বা তক্কো চলতে পারে হোয়াট ইজ লেসার ঈভিল। পার্টি অর জ্যানাগ্যান। বাট দেন, পার্টি ইজ দি ভ্যানগার্ড অফ জ্যানাগ্যান। ;-)
  • Blank | 69.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৯:৩২521012
  • কবীর সুমন আদ্যন্ত ধান্দাবাজ। একটা লোক যখন নিজের গান বলে গেয়ে ওঠে 'ধর্ম বলতে মানুষ বুঝবে মানুষ শুধু' - সে যদি হঠাৎ দুদিন পরে একটা ধর্ম ছেরে আর একটা গ্রহন করে তখন অবশ্যই তাকে ধান্দাবাজ বলতে হয়।
    লোকটা রাজনৈতিক ভাবেও ধান্দাবাজ - মাওবাদী বিপ্লবলে সমর্থন করে আবার মমতার আঁচল ধরে ভোটে দাঁড়ায়। ঠিক তেমন লোকটা ধর্ম ইত্যাদি ব্যপারেও সমান ধান্দাবাজ।
  • Vive Le Nouveau Château | 131.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৯:৪৯521013
  • সিকির লেখাটা পড়ে সেই শিবিল সোসাইটি আর পলিটিক্যাল সোসাইটি মনে পড়ে গেলো।
  • প্পন | 126.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:০৫521014
  • সিকির পোস্টটা গুড হয়েছে। এদিকে শুদ্ধীকরণের কাজ বিশেষ এগোয়নি বলে বিমানবাউ কদিন আগেই হাহাকার করেছেন। বুর্জোয়া এক (বাজারী নয়) কাগজে বেরিয়েছিল। ঃ)

    বাকি রইল জনগণ পুরো বুউকা এই তত্ত্ব। তারা লেসার ইভিলকে চেনে না, দুটো বিয়ে করে এমন দুশ্চরিত্রকেও ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনে এমনই বুউকা। এমনই বুউকা যে তাদের মাথায় গজাল মেরে বোঝানোও যায় না।

    হ্যাঁ, কমরেডরা, জনগণকে বোঝানো যায়নি, তারা সহজেই প্রতিক্রিয়াশীল বাজারী শক্তির দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছিল, এইটাই তো সঠিক এবং স্বাভাবিক ব্যাখ্যা। আবার আকাশে বাতাসে গুচর পাতায় উহা অণুরণিত হইতেছে দেখি যারপরনাই স্বস্তি বোধ করিতেছি। কেন যে ভোটে হারার পরে ক'মাস আমরাই জনগণকে বুঝতে পারিনি বলে কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করছিলেন কে জানে!
  • Vive Le Nouveau Château | 131.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:০৮521015
  • শুধু এই জায়গাটা একটু কঠিন লাগলো - শিশিবোতলের মতন -

    "শুক্রবার, তখন দুদিনের বন্‌ধ শেষ, গেলাম মামাবাড়ি। কথায় কথায় রাজনীতির কথা উঠল। মেজোমামার মুখটা কেমন যেন কালো হয়ে গেল। "সম্মান নেই, বুঝলি, ইহুদীদের নিয়ে নাৎসীরা যেমন করত, আমাদের নিয়ে আজ তৃণমূলের গুণ্ডারা তাই করে, জানিস? এত বছর চাকরি করেছি ওই অফিসে, কখনো এই রকমের অসম্মান হতে হয় নি।"

    অরিজিতের কথা মনে পড়ল। শুধোলাম, কী রকম?"

    বুঝায়ে দাও। মানে অরিজিত কোদ্দিয়ে এলো?
  • প্পন | 126.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:১০521016
  • ঐ যে তুমি হিটলারের সাথে তুলনা কর। মনে হয় সেটাই বলতে চেয়েছে।
  • aranya | 154.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:১৯521019
  • প্রেমিকাকে বিয়ে করার জন্য ধর্ম পাল্টানো যে ধান্দাবাজি নয় সেটা ব্ল্যাঙ্কি একমাত্র তখন বুঝবে যদি ও কোন পাহাড়ী বৌদ্ধ সুন্দরীর প্রেমে পড়ে আর প্রেমিকার বাবা বলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ না করলে বিয়ের সিন নেই :-)।

    জনতা এখানে 'বৌদ্ধ'-কে ক্রিশ্চান, ইসলাম ইঃ যে কোন ধর্ম দিয়ে রিপ্লেস করতে পারেন, 'হিন্দু' বাদে।
  • siki | 132.*.*.* | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১০:২৫521020
  • হ্যাঁ, নাজি জমানার সঙ্গে অ্যানালজি টেনেছিলে কিছুদিন আগে। তাই তোমার কথা মনে পড়ল ঐ উপমায়।

    ব্ল্যাংকি, আবার কই, গানের লাইনের সাথে জীবনকে মেলানোর চেষ্টা? মান্না দে যখন গান করেন, সে আমার ছোট বোন, গানের শেষে ছোট বোন মরে যায়, তা হলে ধরে নিতে হবে উনি সত্যি সত্যিই নিজের ছোট বোনকে নিয়ে গান গেয়েছিলেন আর সেই বোন সত্যি সত্যি মরে গেছিল?

    সুমনের ডকুমেন্টেড ধর্ম পাল্টানোর ব্যাপারটা সাবিনাকে বিয়ে করার জন্য, সেটা সুমন নিজে অস্বীকার করলেও সবাই জানে। ধান্দাবাজ, অবশ্যই। কিন্তু তার জন্য তার পলিটিকাল মতাদর্শে এর কী প্রভাব পড়তে পারে, বুঝলাম না।

    আর, গানের লাইন ধরেই যদি স্পেশালি সুমনের জীবনকে মেলাতে হয়, তা হলে এই নে, মিলিয়ে দিলাম, সুমনের গানেই আছেঃ আমিও ভণ্ড অনেকের মতো / গান গেয়ে ঢাকি জীবনের ক্ষত।

    পলিটিকাল পার্সোনালিটির পার্সোনাল লাইফ যদি আলোচনার বিষয় হতেই হয়, তা হলে এই জিনিসগুলো কেন উচ্চারণ হয় না, কমল বসু তার্কেশ্বরে শিবের মাথায় জল ঢালতে যাবেন বলে জ্যোতি বসুর পুলিশের নির্দেশে তারকেশ্বর লোকালের লেডিজ কামরা লাঠি চালিয়ে খালি করা হয়েছিল? এর পরে জ্যোতি বসুকে নিয়ে এত শ্রদ্ধাভক্তি বাজারে চলে কী করে?

    আর কথাবার্তায় মিতাচারী? জ্যোতি বসু কীভাবে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতেন আমি জানি, দেখেছি টিভিতে। ওটাকে আর যাই হোক, "ভদ্রভাবে কথা বলা" বলা যায় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন