এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আম্রিগা - একটি নির্মোহ ব

    pi
    অন্যান্য | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ | ২৭৬৬১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:১০528926
  • তাতিন,
    তুলনাটা আপেল-লেবু হয়ে যায়।
    ভারতের সেরার সাথে আমেরিকার অ্যাভেরেজ-এর।
  • bb | 14.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:১২528927
  • @LCM আমি তুলনাটা সাধারণ আমেরিকান আর শিক্ষিত ভারতীয়ের মধ্যে করেছি।
    আমেরিকান উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থা খুব ভাল এবং তাতে অনেকের অবদান থাকলেও এটা যে তাদের শিক্ষাব্যবস্থার গুনগত মান ভাল তার সুচক এটা বুঝতে অমৃতলাল হতে হয় না।
    প্রশ্ন হচ্ছে তার খারাপ দিকটার আলোচনা হলেই ভারতীয় ব্যবস্থা কত খারাপ - আর বাঙ্গালীর দোষটা সেই গরুর রচনা হয়ে যায়।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:১৭528928
  • দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, এই যে সেক্টরে ফরেন স্টুডেন্টরা এসে চাকরি করছে (টোট্যাল % হিসেবে অনেক কম), সেগুলো নিশ্‌ এরিয়া। মানে মেইন জব স্ট্রিম নয়।

    যেমন ধরো, হাউসিং ইন্ডাস্ট্রি। ১৯৯৯-২০০৮ এ এই ইন্ডাস্ট্রিতে দেশ জুড়ে ১০-১২ মিলিয়ন লোক কাজ করত। এই মার্কেট ক্র্যাশ-এর সাথে ফরেন স্টুডেন্ট-দের কোনো সম্বন্ধ নেই।
    বা, ধরো ফাইন্যান্স/ব্যাংকিং সেক্টর। এটার ক্র্যাশ করেছে।

    এই জব লস গুলো গভীর ক্ষত তৈরী করে। স্কুলে প্রচুর অংক শিখিয়ে এগুলো সারানো যায় না। ওবামা-রা এটা জানে না তা নয়, কিন্তু কোনো সল্যুশন নেই। তার চেয়ে স্কুল সিস্টেম নিয়ে খেজুর বেটার। পলিটিশিয়ানদের যা কাজ। যেন, প্রচুর ক্যালকুলাস শিখলে হাউসিং আর ফাইন্যান্স-এর লস্ট জব ফেরৎ আসবে।
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:৩০528929
  • আমেরিকার শিক্ষা-ব্‌য়্‌বস্থার কি করুণ হাল সেটা যারা ওখানে আন্ডারগ্রাডদের পড়িয়েছে তারাই জানে। সে যন্ত্রণার ইতিহাস অন্যরা বুঝবে না।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:৩৩528930
  • বিবি,
    আমি একমত। ভারতীয় সিস্টেম খারাপ ভালো এই প্রশ্ন ওঠে না। যেখানে দুটো দেশের পার ক্যাপিটা ইনকাম-এর এত তফাৎ ( ৪৮০০০ - ৩০০০ ডলার)। ইন্ডিপিন্ডেন্ট থিংকিং প্রোমোট করার জন্যে যে পরিকাঠামো দরকার, তা কিন্তু ইউএস/কানাডা/ইউকে/জার্মানি... বড়লোক দেশ ছাড়া পেরে ওঠে না। সবাই যে খুব ইন্ডিপেন্ডেন্টলি হেব্বি জিনিসপত্র করে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করে তা নয়, কিন্তু মূল পরিকাঠামো সেইরকম ভাবে করা।

    ভারতীয় সিস্টেমের সব থেকে বড় ব্যাপার হল কম্পিটিশন। এবং, কম্পিটিশন ইস নট নেসেসারিলি ব্যাড। আল্টিমেট্‌লি কিন্তু স্টুডেন্টরা কিছু শেখেই।

    আর, ভারতে একটা সবথেকে বড় ব্যাপার হল গভর্নমেন্ট স্পনসর্ড হায়ার এডুকেশন, কলেজ এডুকেশন। প্রায় বিনে খরচায় উচ্চশিক্ষা। যাদবপুরে আজকাল গ্র্যাজুয়েট কোর্সের ফি কত? তেমন কিছু নয় বোধহয়। শুধু তাই নয়, পোস্ট গ্র্যাড এডুকেশনে স্টুডেন্টরা পয়সা পেতে পারে উচ্চশিক্ষার জন্যে। বেশীর ভাগ এমটেক্‌-এ স্টাইপেন্ড দেওয়া হয়। এবং, এটা কোনো কাজের বিনিময়ে নয় (টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ এসেট্রা)।

    সুতরাং, গভর্নমেন্ট হায়ার এডুকেশন প্রোমোট করে, ভারতেও, যতটা পারে করে। রিলেটিভ্‌লি, ভালোই করে।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:৩৬528931
  • সিদ্ধার্থ যে হতাশার কথা জানিয়েছে, এটা অনেক ফার্স্ট জেনারেশন এশিয়ান ইমিগ্র্যান্ট শিক্ষকদের কাছেই শোনা যায়।
    আন্ডারগ্র্যাড (১২ বছর স্কুলে পড়াশোনার) পর কারা ইঞ্জিনিয়ারিং বা সায়েন্স পড়তে যায় বা কাদের যাওয়া উচিত, এই এক্সপেক্টেশন-টা ভারতে অন্য।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:৩৭528932
  • ভারতে জেনারেলি একেবারে ছেঁকে নেওয়া ছেলেমেয়েরাই ইঞ্জিনিয়ারিং/সায়েন্স পড়তে যায়। এখানে গপ্পোটাই আলাদা।
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:০৩528933
  • ইঞ্জিনিয়রিং কেন! পিওর সায়েন্স বা ম্যাথে্‌সর ক্ষেত্রে চিত্রটা অলাদা নকি? বরং আরও করুণই
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:০৬528934
  • আর এলসিএম নিজেই হিউম্যানিটিস-এর কথা আগে বলেছেন।
    তাইলে হাতে রইলো কী?
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:১১528936
  • হ্যাঁ, আমি সায়েন্স-এর মধ্যে ওগুলো ধরেছি।

    K-12, অর্থাৎ, কিন্ডারগার্টেন থেকে বারো ক্লাস অবধি পড়াশোনার পর যে স্টুডেন্ট সায়েন্স পড়তে কলেজে যায়, তার সঙ্গে ভারতে যে কলেজে সায়েন্স পড়তে যায় তার তফাৎ আছে।

    আমাদের দেশে একটা প্যাটার্ন আছে, লেখাপড়ায় ভালো ছেলেমেয়েরা ইঞ্জিনিয়ারিং/সায়েন্স পড়তে যায়।
    এখানে, প্যাটার্ন হল, মেডিক্যাল এবং ল। বা, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

    সুতরাং, এখানে মাঝারি মানের কলেজে খাজা সায়েন্স/ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট দেখলে ভারতীয় শিক্ষক আঁতকে ওঠেন। এই অংকের জ্ঞান নিয়ে সায়েন্স পড়তে এসেছে!! এবং, এই অবাক হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। আমেরিকান প্রফেসররা আশ্চর্য হন না।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:১৫528937
  • এছাড়া, আরো কতগুলো ব্যাপার আছে।

    যদিও গভর্নমেন্ট প্রচুর টাকা দেয় স্টেট ইউনিগুলোতে। কিন্তু, স্টুডেন্ট সিলেক্‌শন ক্রাইটেরিয়া সব সময় ওয়েল ডিফাইন্‌ড নয়, আউট অফ্‌ দ্য স্টেট স্টুডেন্ট-রা বেশী পয়সা দেয় বলে সেখানে অনেক ফ্লেক্সিব্‌ল সিলেকশন।

    আর একটা ব্যাপার হল, অনেক কলেজেই প্রথম দুই বছর কোনো মেজর সাবজেক্ট থাকে না। যার ফলে, নানা রেঞ্জের স্টুডেন্ট এসে হাজির ক্লাসে। আমাদের সিস্টেমে ভাগটা হয়ে যায় ক্লাস ১১ থেকেই (আর্ট্‌স/হিউম্যানিটি, কমার্স, সায়েন্স)।
  • ppn | 202.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:১৯528938
  • এলসিএমের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এইবার দুটো এলিমেন্টারি প্রশ্ন আছে। এক, এত খাজা ছাত্র তালে বেরোয় কী করে? দ্বিতীয়ত, তারা অংকের ক্যালকুলাসের এলিমেন্টারি জিনিস না জেনে সায়েন্সে চান্স পায় কী একরে? কোন স্ক্রিনিঙের ব্যবস্থা নেই?
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:২০528939
  • আমাদের সিস্টেমে যেমন ভাবাই যায় না, যে, কেই যদি অংকে খুব একটা ভাল না করে ক্লাস ৯-১০ এ, তার আর কোনোদিন সায়েন্স পড়া হবে। এখানে কিন্তু তা নয়। চাইলে সে পরে পড়তেই পারে। এত ফ্লেক্সিব্‌ল হওয়ায় ক্লাসে নানা রেঞ্জের স্টুডেন্ট আসে। অনেকেই এক্সট্রা ক্লাস নেয় প্রেপ কোর্স হিসেবে। বা, অনেকে বুঝে যায় যে এ জিনিস আমার জন্যে নয়।

    ইতিহাস নিয়ে পড়বে বলে কলেজে ঢুকে, নিউক্লিয়ার ফিজিক্‌স নিয়ে বেরোলো - এ জিনিস কিন্তু এখানে সম্ভব এবং হয়ও। আমাদের সিস্টেমে টাফ্‌।
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:২২528940
  • কী মুশকিল, আম্রুরা তো মেডিক্যাল চার বছর সায়েন্স পড়ার পরে পড়ে বলে জানতাম। ল-ও বোধহয় তাই (সিওর নই)

    তাহলে ইউজি সায়িন্স ক্লাসে ছড়ুদের মধ্যে হবু ডাক্তাররাও থাকেন নিশ্চয়ি
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:২৩528941
  • যদিও কলেজের কাউন্সেলিং বোর্ড অনেক হেল্প করে ঠিক সাবজেক্ট বাছতে, কিন্তু অনেকের তো বাসনা থাকে এটা পড়ব, ওটা পড়ব। তার জন্যে চারটি প্রেপ কোর্স/প্রিলিম টেস্ট দিতে হলে তাও দেয়।

    এখন, আমাদের পক্ষে এই সিস্টেম একটু ভেগ্‌ লাগবেই।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:২৬528942
  • মেডিক্যাল-এ এ¾ট্রান্স কঠিন।
    এক, বায়ো সায়েন্স মেজর দরকার।
    দুই, একটু মাঝারি ইউনি গুলোই 3.6 জিপিএ না হলে অ্যাপ্লিকেশন নেয় না (এক দিক দিয়ে ভালো, ফি-এ পয়সা নষ্ট হয় না)
    তিন, এর ওপর আছে এম্‌ক্যাট স্কোর।

    সুতরাং....

    ল-তেও অনুরূপ।

    অর্থাৎ, ফোকাস্‌ড/ডিসিপ্লিন্‌ড না হলে এই সবে ঢোকা মুশকিল।

    আর এখানে, টাকা-পয়্‌সা আয় মেডিক্যাল আর ল এ অনেক বেশী।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৩528943
  • অপ্পোনের প্রশ্নের উত্তরে --
    ১) এত খাজা - এটা রিলেটিভ ব্যাপার। পপুলেশনের ৩০% কলেজ গ্র্যাজুয়েট। হাবিজাবি করে ডিগ্রী নেওয়ার সম্ভাবনা থাকেই। সেটা কিন্তু সব দেশেই। দ্বিতীয়ত প্রচুর ফালতু কলেজ/ইউনি আছে।

    ২) ক্যালকুলাসের এলিমেন্টারি নেই - এদিকে মনে উদগ্র বাসনা নিউক্লিয়ার ফিজিক্‌স শিখবে। নানা রকম প্রেপ কোর্স দেওয়ার সুযোগ থাকে। কলেজে ঢুকে ক্যালকুলাস ওয়ান/টু পরপর নিতে থাকো, ভালো করলে ফিজিক্‌স ডিপার্টমেন্ট সুযোগ দেবে। ভারতীয় শিক্ষক ক্যালকুলাস ওয়ান ক্লাসে ঢুকে হাঁ হয়ে যাবে কিস্যু জানে না দেখে। অনেকেই কিন্তু শিখে নেয়। আবার, অনেকে পারে না। হাল ছেড়ে দিয়ে, টিবেটান আর্ট নিয়ে পড়াশোনা করে ডিগ্রী কপ্লিট করে।
  • ppn | 202.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৩528944
  • আচ্ছা। কিন্তু খাজা (শব্দটা তোমার ১:১১ PM-এর পোস্ট থেকে নেওয়া) ছাত্ররা তো ওই ৩০%-এর মধ্যেই আছে। এইটা কি ঠিক বুঝলাম?
  • Bratin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৯528945
  • মানে জনগনের দাবি কী? ভারতের শিক্ষার মান আমেরিকার থেকে ভালো?

    এর পক্ষে আর বিপক্ষে কে কে আছে হাত তোলো। আমি বিপক্ষে। ( এখানে মনে রাখতে হবে একট MIT, একটা IISc নয়। ইন জেনের‌্যাল)
  • kc | 194.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:০৬528947
  • এমন কোনও জিনিস / ব্যাপারের নাম কি কেউ বলতে পারবে? যেটা অ্যামেরিকার থেকে প:বঙ্গে ভাল পাওয়া যায়? সিরিয়াসলি ভাবলে কিন্তু নেই। খিল্লি করলে করাই যায়।
  • Bratin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:০৮528948
  • কেসি আছে। বন্ধ :-))
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:০৯528949
  • কথাটা একটু অন্যভাবে বলার ছিল- টইতে কিছু প্রাসঙ্গিক হতে পারে ভেবে রাখা।

    প্রথম প্রসঙ্গে আসে, আগের যে আলোচনাগুলো ছিল, এত এত নবেল লরিয়েট, সারা পৃথিবির লোক হত্যে দিয়ে আমেরিকা আসতে চাইছে, এসবের ওপর বেস করে আমেরিকান এডু সিস্টেমকে চ্যাম্পিয়ন বলা। এইটা ধরে নিয়ে তো আমাদের দেশেও আমেরিকান সিটেম ফলো করার প্রবণতা কিঞ্চিৎ দ্যাখা যাচ্ছে। কিন্তু শুধু অনেক ভালো ল্যাব, অনেক নোবেল লরিয়েট, ভালো ইন্‌ফ্‌রস্ট্রকচার বানানো হয়েছে বলেই কি সিস্টেমটাকে ভালো মেনে নিতে হবে? পৃথিবীর ইতিহাসে, যার হাতে যখন ক্ষমতা/পয়সা থেকেছে তার সিস্টেমই কি নিরপেক্ষভাবে দেখলে বেস্ট ছিল? সেইটা হয়ে গেলে আগের থেকেই জাস্টিফাই করে তর্ক করা হয়, খুব বেশি ভাটানোরও মানে থাকেনা।

    উল্টোদিকে একটু 'খারাপ' দিক দেখতে গেলে যে জিনিসগুলো আসছে- অংক জানে না, ইতিহাস-ভূগোলে লিমিটেড জ্ঞান, মানে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে (দু-চারটে ব্যতিক্রম বাদ দিয়ে বাকি সবাই) একভাবে লিমিটেশন দেখা যায়। মাইন্ড করুন, ইউরপের দেশগুলো সম্পর্কে লিমিটড নলেজ থাকলেও, ফ্রেঞ্চরা অংকে কাঁচা বা ব্রিটিশরা নেপাল কোথায় জানে না, জাতীয় জেলারেলাইজেশন কাউকেই করতে দেখা যাবেনা।

    ফলে একটা কোনো জায়গায় আমেরিকান এডুকেশন সিস্টেম, আরও স্পেসিফিকালি নিচুতলার এডুকেশন সিস্টেম নিয়ে প্রশ্ন থাকছে।

    প্রশ্নটা আরো ভাইটাল হয়ে আসছে যখন, আমাদের দেশেও অনুরূপ ব্যবস্থা চালু করার, কোথাও হুবহু টুকে ফেলার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। (এমনকী আমরা পড়াতে এসে দেখছি ওপর থেকে চাপ আসছে কম থিওরিটিকাল, বেশি এপ্লিকেশন ওরিয়েন্টেড শিক্ষণের দিকে। ) -এই খেলা খেলা পড়া, যেখানে জানার পার্টটা একটা উনাততর উইকিপিডিয়া দিয়ে হয়ে যাবে আর ইনোহেশন ওরিয়েন্টেড চিন্তা ভাবনা- এইটা কি সত্যিই ভালো? ওপর থেকে দেখে জাস্ট আমেরিকা করছে বলেই চলবে? মুখস্ত করা, চারট বই থেকে অন্যরা কি লিখেছে পড়া, প্রশ্ন কম করে জিনিসটাকে আপাত-অব্রন্ত ধরে বোঝার চেষ্ট করা (যেগুল আমরা করে আসতাম)- সেগুলো কি এর পাশে ফেলে দেওয়ার মতন? নাকি আমাদের এনালিটিকাল হতে পারা, তলিয়ে গিয়ে অংক কষে বুঝতে পারার এবিলিটির পেছনে এই পুরোনো শিক্ষণের ভিত রয়েছে?
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:১০528950
  • নলেনগুড়, চারাপোনা ইত্যাদি কতকিছু
  • Ben Arfa | 121.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:১১528952
  • ল্যাংড়া আম, বারুইপুরের পেয়ারা, নিজামের বীফ কাবাব।
  • Bratin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:১১528951
  • সে আমি ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট র নিয়ে ক্যুইজ করলে পারবো না। তো?? :-((
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:৩০528953
  • লিংকন-ওয়াশিন্‌গ্‌টন-বুশ-ওবামার নাম জান্বেন্না?
  • Bratin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৪:৩৭528954
  • নাম কেন জানবো না। কিন্তু ক্যুইজ করলে পারবো না? তেমতি ওর হয়তো বুদ্ধদেবের বাবার নাম জানে না বা ঘানার
    রাষ্ট্র মন্ত্রী নাম জানে না। তাতে কী?
  • aka | 168.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৭:৫৩528955
  • রিদ্ধি, প্রোডাক্ট বিচার নেহাতই ইন্ডিভিজুয়াল পার্সেপশন। কেউ মনে করে এমন প্রোডাক্ট তৈরি করব ধাঁধার টইতে অভ্যুর কঠিন অংক গুলো হু হা নামিয়ে দেবে। কেউ মনে করে এমন প্রোডাক্ট তৈরি করব হু হা ইনোভেশন করে ইকনমিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দুটোর মধ্যে তুলনা করার কোন অবজেক্টিভ রেফারেন্স ফ্রেম না থাকলে সেই তুলনা আপেল এবং কমলালেবুর তুলনা। দ্বিতীয়ত কি প্রোডাক্ট বেরচ্ছে তা অনেকটাই ইন্ডিভিজুয়ালের ওপরেও ডিপেন্ড করে। নইলে একই বাড়িতে দুই ভাই/বোন ভিন্ন প্রোডাক্ট হত না। সব সময়ে একই প্রোডাক্ট হত। নয় কি? স্ট্যাট কি বলে? :))

    ল্যাদোষ-দা, ভারতীয় সিস্টেমে টাকা কম মানা গেল কিন্তু সমস্ত অব্যবস্থা টাকার কমের জন্য? আমাদের স্কুলে বড় বাইরে পেলে সেন্সিটিভ লোকজন চেপে বসে থাকত। দুখানা ছিল, একটা মাস্টারমশাইদের জন্য তালা বন্ধ, অন্যটা অবাধ দ্বার। কোনদিন পরিষ্কার হত না, উপচে পড়ত, তারপর না হয় অন্যদিকে তাকিয়ে টাকিয়ে কোনরকমে করা গেল, শেষে দেখা গেল জল নেই। তখন ন্যাংটো *দে উঠে অন্য জায়গায় গিয়ে জল আনতে হবে। মাইরি এসব পরিষ্কার করতে তখন, এখন কখনোই খুব বেশি পয়সা লাগে না। লাগে চেতনা। সে চেতনা কোত্থেকে আসে জানি না। এগুলো কি শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে? নাকি সামান্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আনতে ৪৮০০০ পার ক্যাপিটা ইনকাম লাগে?

    তাতিন, পয়সা না হলে খুব ভালো সিস্টেম করা যায় না। কিন্তু পয়সা থাকলেও হয় না। তাহলে এখন সবথেকে ভালো সিস্টেম হওয়া উচিত ছিল স্ক্যাণ্ডানেভিয়ান কাϾট্রগুলোতে। বিষয়টা আরও একটু গভীর।

    আর ইন্ডিয়ান প্রফেসররা অনেক সময়েই ইন্ডিয়ান ছাত্র প্রেফার করে, ইন্ডিয়ান ম্যানেজাররা ইন্ডিয়ান ওয়ার্কার প্রেফার করে। হিডেন অ্যাজেন্ডা বেশির ভাগ সময়ে শোষণ বেশি করা যায় বলে। এ আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। তবে সেটা নিতান্ত কম না।
  • rimi | 168.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৮:৪৮528956
  • তাতিনের জেনারেল নলেজ এবং মুখস্ত ইত্যাদি শুনে অনেক আগের একটা ঘটনা মনে পড়ল।

    মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে আমরা আমার এক ক্লাসমেটের পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গেছিলাম নৈনিতাল, রানীক্ষেত ইত্যাদি জায়গায়। ধরা যাক তার নাম সুস্মিতা। ট্রেনযাত্রায়, নৈনিতাল থেকে রানীক্ষেত যাবার দশঘন্টা গাড়িতে এবং হোটেলে ডিনার ও লাঞ্চের সময়ে, সুস্মিতার বাবা সমানে চার বাচ্চাকে, মানে আমি আমার বোন, সুস্মিতা ও তার বোনকে জিকের প্রশ্ন করে গেলেন। সুস্মিতা তো বটেই, এমনকি সুস্মিতার পুঁচকে বোন পর্যন্ত টকাটক উত্তর দিয়ে গেল - কাম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী কে থেকে শুরু করে কত রূপিতে এক ডলার পর্যন্ত। এদিকে আমি আর আমার বোন কোনোমতে শুধু নিজের দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম জানতাম, আর কিছুই না, তাই আমরা হাঁ করে বসে থাকতাম আর হীনমন্যতায় ভুগতাম। ওদিকে গাড়িতে তারা দুই বোন আবার বিরাট বিরাট কবিতাও আবৃত্তি করত। আর আমাদের দুই বোনের জীবনে কোনোদিন কবিতা মুখস্ত করতে ইচ্ছে হত না। ওদের কবিতা আবৃত্তি দেখে আমাদের বাবা মার পর্যন্ত হীনমন্যতা জন্মে গেল! সে কি কান্ড!!!!

    তো আমরা একই দেশের, একই স্কুলের, একই ক্লাসের ছাত্রী ছিলাম। আমাদের দুই পরিবার একই সোশিও ইকোনোমিক ক্লাসের। আমার বাবা মা দুজনেই টিচার, আর ওদের বাবা জুট ইঞ্জিনিয়ার, মা গৃহবধূ। কিন্তু জিকে, কবিতা মুখস্ত ইত্যাদি ব্যপারে আকাশ পাতাল তফাৎ।

    এবারে এই জিকে, কিম্বা মুখস্ত শক্তি ইত্যাদির সঙ্গে অ্যানালিটিকাল এবিলিটির কি সম্পক্ক সে ব্যপারে বিশেষজ্ঞের মতামত দেবার ক্ষমতা নাই। কিন্তু এই দুই বোনের কথা বলতে পারি, এত মুখস্ত এবং এত জিকে নিয়ে নীচু ক্লাসে এরা খুব ভালো রেজাল্ট করত বলা বাহুল্য। কিন্তু অ্যানালিটিকাল এবিলিটি এদের সাংঘাতিক ভালো তা কখনো মনে হয় নি। আর রেজাল্টের মানও (যদি রেজাল্ট আদৌ শিক্ষার কোনো সূচক হয়) ক্রমশ নিম্নগামী ছিল।

    ডি: এইটা কোনো তর্কের জন্যে নয়, এমনিই বল্লাম, মনে পড়ে গেল তাই।
  • PM | 86.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১৯:২০528958
  • রিমির সাথে কিছুটা একমত যে আমাদের দেশে একাডেমিক সাকসেস আর প্রফেসনাল সাক্সেস এর ডাটা নিয়ে কোরিলেসন বার করলে খুব খারাপ রেসাল্ট পওয়া যাবে।

    আমেরিকায় এটা আমার অভিঞ্জতা অনুযায়ী বেশ বেশী।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন