এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৭০৬৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | 135.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:২৯660786
  • এস এম, যশোর রোড বা এন এইচ থার্টি ফোর কিন্তু ২০১১-র পরেও পাল্টায় নি। শুধু জ্যোতি দাদুকে গাল পাড়লে হবে?
  • potke | 126.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:৫৯660787
  • আমার এক প্রাক্তন কলীগ, হুইজকিড বলা ভালো, ১৩ বছর ধরে ওয়াল স্ট্রিটে দাপানো ফরোয়ার্ড ট্রেডার, গত বছর দেশে ফিরেছে। ডেরিভেটিভ্স স্টার্টাপ, বম্বে। আমার দুটো ছাত্রকে গত সপ্তাহে রিক্রুট করেছে। বল্লাম কলকাতায় খোলনা, ৮ জন কে দিলেই হবে, আমি দায়িত্ব নেব। বল্ল, বম্বে আয়, ২০ জনের টিম লিড কর। এন-ওয়াই-ইউ র পিহেচডি, স্টকাস্টিক মডেলিং করে।

    কল্কেতায় স্টার্টাপ?

    " ট্যাঁকে নেই গামছার দাম
    কিনলেন বাবু ওরিয়েন্টাল বাম!"
  • sm | 233.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:১৯660788
  • b, পাল্টেছে। যতদুর জানি মুর্শিদাবাদের পর থেকে উত্তরবঙ্গের প্রায় পুরোটা কাজ হয়ে গেছে। শোনা কথা, প্রত্যক্ষ দর্শী কেউ কনফার্ম করতে পারেন। কৃষ্ণনগর অবধি কাজ চলছে।
    যশোর রোডে এয়ারপোর্ট থেকে বারাসাত অবধি কাজ চলছে। তবে সেটা এন এইচ ৩৪ এর সঙ্গে কানেক্ট করার জন্য বোধ হয়।পুরো যশোর রোড টু লেন হওয়া চাপের আছে।
    এবাদেও পুরনো দিল্লি রোডে,চন্দননগর অবধি কাজ চলছে দেখলাম।
  • কল্লোল | 132.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৩১660789
  • আমি বহুবারই বলেছি, শিল্প হোক অকৃষিপ্রধান অঞ্চলে। সেটা এই রাজ্যে হোক বা অন্য রাজ্যে।
    মানুষ গাড়ি বা সেলাই কল খেয়ে বাঁচে না।
  • sm | 233.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৩৪660790
  • Dhirubhai's father, Hirachand Govardhandas Ambani, earned little as the village schoolteacher.
    Dhirubhai was precocious and highly intelligent and also as highly impatient of the oppressive grinding mill of the school classroom. Formal education was not his forte, he realized very early in life
    he once procured a tin of groundnut oil on credit from a local whole seller and sold the oil in retail sitting on the roadside, earning a profit of a few rupees that he gave to his mother. Next, he began setting up bhajia or onion and potato fries stalls at village fairs during bodheekends when his school was closed.
    ধীরুভাইএর বোধ হয় গামছা কেনার পয়সাও ট্যাঁকে ছেলো না।
  • quark | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৩৯660791
  • ঠিক! তাই তো তিনি বলেছেন তেলেভাজা বিক্কিরি ক'রেও বাড়ি-গাড়ি করা যায়। খামোখা শিল্প-শিল্প ক'রে প্যাঁচাল পাড়েন কেন?
  • sm | 233.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৪৪660792
  • মিষ্টির দোকানে দশ রকম মিষ্টি না সাজিয়ে রাখলে বিক্রি বাড়বে?কৃষি, শিল্প,প্রমোটারী, দোকানদারী,স্বাস্হ্য, শিক্ষা সব ই চলুক।কোনটাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে লাভ নাই।
  • Arpan | 233.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫১660793
  • আ মোলো যা। মিনসেরা হিল্লি-দিল্লি করেই মল্ল।

    বলি ঘরেই অত বড় ক্রাউডসোর্সিং বেসড স্টার্টাপ, হাজার হাজার কোটি নিয়ে কারবার কিসুই মিনসেদের চোখে পড়ে না নাকি!!
  • সিকি | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫৩660794
  • :)
  • potke | 126.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫৮660796
  • ঃ)
  • oi | 127.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:১৬660797
  • "বম্বে (বা মুম্বাই) (জানি না ব্যাঙ্গালোরে একই হয় কি না) এ ভোটের সময় লোক কে পয়্সা দিয়ে মিছিলে আনতে হয়, কারণ ফ্রি তে লোক পাওয়া যায় না, সবার কাজ আছে।" - এটাই আসল কথা। নেতারা চায় না এরাজ্যে সবাই কাজ পেয়ে যাক তাহলে সাধের মিছিলে লোক ভরাবে কে।
  • সিকি | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:২৪660798
  • এটা সারা ভারতের জন্য সত্যি। কোনও নেতাই চায় না অন্ন-বস্ত্র-শিক্ষা-চিকিৎসার মত বেসিক চহিদাগুলো দেশ থেকে চিরতরে খতম হয়ে যাক, হলে কেউ ভোট পাবে না। এগুলোকে জিইয়ে রাখাই হয় পরের ভোটে জেতার জন্য। নইলে ষাট বছর অনেকটা সময় একটা দেশকে গড়ে তোলার জন্য। কেউ চেষ্টা করে না।
  • lcm | 118.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:০০660799
  • আহ! বড় গোল পাকাও। হতাশার ডিপো সব। দেখো, মোন্তিমশাই কি বলছেন দেখো, এ বছরের জানুয়ারির খপোর --

    West Bengal attracted Rs 83000 crore investments in past 3 years: Amit Mitra

    "Contrary to general perception, West Bengal is riding on growth path. The state has attracted Rs 83,212 crore investment between April 2011 and December 2014, which includes investment in operational as well as upcoming large and medium industrial units," Mitra told reporters.
    ...
    The state's own tax collection growth has doubled from Rs 21,000 crore in 2010-11 to Rs 40,000 crore in 2013-14, the largest increase in three years period on account of e-taxation reforms. The current year tax collection target is Rs 45,000 crore...

    For the first time in nearly 50 years the ratio of tax to gross state domestic product has improved past the 5 per cent in West Bengal. This has been made possible as in FY14 the state has been able to garner tax revenue of about Rs 39,100 crore, a 19 per cent growth over the actuals for FY13.

    তলে তলে শিপ্পো হবে। হচ্ছিল। সিঙ্গুরের আগে অবধি দিব্য হচ্ছিল। বুদ্ধবাউ, নিরুপমবাউ-দের সময় তলে তলে হচ্চ্চিল, যেই সিঙ্গুর নিয়ে এমন মিডিয়া হুপলা হল, ড্রামা, মেলোড্রামা....। এত নাটুকেপনা শুরু হল।

    আবার হবে। সব হবে। জয় বাংলা। জয় হো।
  • pi | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:১৫660800
  • ক'দিন আগে আমি এখানকার আলোচনা দেখে একটা প্রশ্ন করেছিলাম। পঃবঙ্গের ইকনমিক গ্রোথ গত ক'বছরে কেমন, অন্য রাজ্যের তুলনাতেই কেমন, সেই নিয়ে কোন পরিসংখ্যান আছে কিনা। তো সেসব কেউ দিলেন ই না, উল্টে বলা হল, এ যে খুব বাজে তাই নিয়ে কোন সন্দেহ আছে !
    নাঃ, ঠিক সন্দেহ না, তবে অ্যানেকডোট আর মনে হওয়ার থেকে স্টাডি বা তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা বেটার লাগে, বুঝতে সুবিধে হয়। তাই নিজেই একটু খুঁজছিলাম।

    এখানে তিনের পাতাটা একটু দেখবেন। সেকশন ১।৯। ভারতে গড় আর পব র তুল্নামূলক গ্রাফ আছে। এই নিয়ে একটু আলোচনা হোক ? পব জিজি তেই ছিল আছে এবং থাকবে লাইনে অ্যানেকডোটাল আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে ?
    ২০০৯-১০ থেকেই উন্নতি দেখছি, আর এখন ভারতের গড়ের চেয়ে বেটার। কিছু ভুল হলে বলবেন।

    http://www.bengalchamber.com/economics/westbengal-stateincome.pdf
  • dc | 132.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:১৬660801
  • তলে তলে এতো শিল্পো হওয়া কি ভালো? :p
  • ? | 87.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:২৩660802
  • ও হিসেব তো স্টেট গভর্নমেন্টের বানানো। কোন আমলার ঘাড়ে কটা মাথা যে মমতার কথায় হিসেব বানাবে না?

    তবে নকুরা কিছু লাথখোর। এখনো মমতার অ্যাপোলজিস্ট হয়েই আছে।
  • Ishan | 214.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:৩১660803
  • এ নিয়ে এত গোল করার কী আছে? গণতন্ত্র একটি বৃহৎ মার্কেট। :-) যে যতটা মার্কেট শেয়ার নিতে পারে সেটা তার কৃতিত্ব। নকুদের গাল দেওয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা আগে ইনসিগনিফিক্যান্ট থাকলেও নকু এবং প্রাক্তন নকুরা মিলিয়ে এখন খানিক মার্কেট শেয়ারের অধিকারী। গায়ে গতরে না হোক, অন্তত সোশাল মিডিয়ায়। তেরোটা লোক নিয়েও যদি তিরিশ পার্সেন্ট মার্কেট শেয়ার পাওয়া যায় সে তো আনন্দের কথা। বাকিরা এ ব্যাপারে পিছিয়ে আছে। তাই উহাদের প্যাঁক। যান মন দিয়া মার্কেট ধরা প্র্যাকটিস করুন। তাপ্পর ডায়লগ দেবেন। :-)
  • pi | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:৩৪660804
  • বানানো কীকরে জানলেন বলুন তো ? তাহলে আপনার কাছে নিশ্চয় সঠিক তথ্যটা আছে।
    খিস্তিখাস্তার বদলে সেগুলো দিলে ভালো হয় ঃ)

    আর ইয়ে, মানে কোন হিসেবটা নিয়ে বল্লেন ? বেঙ্গল চেম্বারের রিপোর্ট সরকারি আমলার বানানো ? ঃ)

    আর ইয়ে, সব সময় এত রেগে থাকতে নেই। এত না রেগে রিপোর্টটা একটু দেখলে দেখতে পেতেন, প্রাক মমতা আমল থেকেই উন্নতির দিকে। ঃ)
  • একক | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:৩৬660805
  • "Name: কল্লোল

    IP Address : 111.63.209.209 (*) Date:30 Apr 2015 -- 08:40 AM

    একক বোধহয় পরিবেশবাদী ও মানবাধিকার সংগঠনেদের কথা বলছে। কারন নকুরা (লিবারেশন থেকে মাওবাদী) সকলেই মার্ক্সবাদী ফলে সকলেরই অ্যাজেন্ডায় শিল্পস্থাপন আছে। সেটা সরকার করবে, বেসরকার নয়, এটুকুই তফাৎ। জমি সরকারই নেবে। ক্ষতিপূরণ কি/কত হবে তাই নিয়ে মতের ফারাক থাকতে পারে। তবে ওটুকুই। বুদ্ধর সাথে নকুদের শিল্প্স্থাপন নিয়ে কোনও দৃষ্টিভঙ্গীর ফারাক নাই।

    আমি খুব দৃঢ়ভাবে মনে করি পবর মতন উর্বর জমির রাজ্যে শিল্পস্থাপন করতে হলে অপেক্ষকৃত অনুর্বর জায়গায় করা উচিৎ (বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম)। ইনফ্রাস্টাকচার না থাকলে সরকারের দায়িত্ব সেটা করে দেওয়া। সেই অর্থে শিল্প হওয়া উচিৎ ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড় অঞ্চলে, যেসব অঞ্চল কৃষিপ্রধান নয়। তবে শিল্পস্থাপন, পরিবেশকে সমূলে নষ্ট করে নয়, বরং পরিবেশ সংক্রান্ত আইন মেনে করতে হবে।
    এখানে পবর লোকেদের একটাই চাহিদা, ঘরের খেয়ে চাকরী করবো। আমি বুঝিনা সেই যুক্তিতে সিকিম, মিজোরাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, কাশ্মীর, আন্দামান বা ত্রিপুরার লোক তবে কি করবে? তাদরও তো ঘরের খেয়ে চাকরী করতে সাধ যায়।"
    --------------------------------------------------------------------------------------------------------
    কল্লোল দা কে কিছু উত্তর দিচ্ছি। সাম মোর পয়েন্টস উইল অল্সো বী কভারড। প্রথমত শুধুমাত্র মানবাধিকার সংগঠনের কথা বলিনি। আমি অনেক আগেই স্পেসিফিকালি এগুলো নিয়ে আলোচনা করেছিলুম যে আইডিয়ালিস্ট রাজনীতি আর এপ্লিকেসন এর তফাৎ কোথায় বুঝে চলা দরকার আছে। আমি যে রাজনীতি তে বিশ্বাস করি তাতে স্টেট এর কোনো অধিকার ই নেই একজনের জমি কেড়ে আরেকজন কে দেওয়ার। সে চাষের জন্যে হোক বা ইন্দাস্ত্রী। তুমি যে রাজনীতি তে বিশ্বাস করো সেখানে স্টেট সেন্ট্রাল প্ল্যানার। সে ইচ্ছে করলেই জমি কাড়তে পারে। এবং "ক্ষতিপূরণ" নামে তোমরা যেটা দেখাও সেটা গণতন্ত্র থেকে উঠে আসা একটা কালেকটিভ মেসার। আদৌ ওই জমির মালিকের কাছে সেটা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ কিনা তার কোনো উত্তর তোমার সিস্টেমে নেই। আবার আমি যেটা মার্কেট প্রাইস বলি সেটা হতে গেলে মিনিমাম যে ওপেন মার্কেট ইনস্ট্রুমেন্ট থাকার দরকার সেটা এদেশে বা রাজ্যে নেই।

    এখন এই দুটোই আইডিয়ালিস্ট অবস্থান। প্র্যাকটিকাল জগতে ঘটছে না। আমাদের দেশে প্রাইভেট প্রপার্টি বলে কিছু হয়না কাজেই আমার অতিদক্ষিনপন্থী প্রপার্টি রাইট এখানে খাটবে না। আর তোমার অতিবামপন্থী দৃষ্টিতে ঐভাবে যদি স্টেট নিজের মত জমি এদিক-ওদিক করতে শুরু করে তাহলে রাষ্ট্রের ঘটি উল্টে যাবে। কাজেই স্ক্রু আইদিয়ালিজম, মানবাধিকার -প্রপার্টি রাইট এসব হাওয়া না দিয়ে ভাবা যাক বাস্তব দুনিয়াতে কী হতে পারে। দক্ষিনপন্থী হোক বা বামপন্থী কোনরকম অধিকারের রাজনীতি আঁকড়ে আলোচনা জাস্ট এগোবেনা।

    তোমার এই উর্বর জমিতে চাষ হবে শুধু এই ধারণা বা চিন্তার সবচে বড় গলদ হচ্ছে ধরেই নিয়েছ ইন্দাস্ত্রী এপ্রোচ ফার্ম অরিয়েন্টেড হতে পারেনা বা ফার্মিং এর গ্রোথ বলতে শুধু চাষ বোঝায়।এটা ঠিক না।একটু খোঁজ খবর নিয়ে দেখো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিভাবে ফার্মিং বেসড বিলিয়ন ডলার বিসনেস গড়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে তাও নেই। কল্যানী থেকে ফার্মিং-ডেয়ারী নিয়ে মাস্টার্স করা লোকজন বিদেশে গিয়ে ডেয়ারী টেকনোলজি পড়ে ইউএসে তে সেটল করছে কারণ পশ্চিমবঙ্গে এমনকি ফার্মিং বা ডেয়ারী ইন্ডাসত্রি অবধি উন্নত নয়। উত্তর আছে তোমার কাছে ? হরিয়ানায় চাষ হয়না ? অন্য কোনো রাজ্যে দু-ফসলি জমি নেই ? বিগ ফার্মিং ইন্দাস্ত্রী কেন গড়ে ওঠেনি এই রাজ্যে সেটা বারবার এড়িয়ে যাও ক্যানো ? ওঠেনি কারণ চাষের বড় মালিকানা কে রাষ্ট্র বলপ্রয়োগ করে ভেঙ্গে দিয়েছে। এখন সেই সময়ে রাষ্ট্র ঠিক করেছিলো না ভুল সেই তর্ক আমি করবনা। সেন্ট্রাল প্ল্যানার স্টেট যা করেছিল করেছিল .............এটাকে রিভাইস করবে কে ? বেচারাম তেলী ? সেন্ট্রাল প্ল্যানিং পলিটিক্স এ একটা বেসিক কথা আছে : যে ছেঁড়ে তারই গোটাবার দায়ীত্ব। তাহলে এবার দায়ীত্ব টা পালন করুক ! :)

    খবর রাখো এই আজকের দিনেও পশ্চিমবঙ্গে কৃষি নিয়ে কী ছেলেখেলা হয়? অর্গ্যানিক চাষ করার জন্যে চাষীরা বিশাল ইনভেস্ট করেছিল। হটাত তারা জানতে পেরেছে পব সরকারের ফরমান তিন বচ্ছর না হলে অর্গানিক সার্টিফিকেট পাবে না। কারণ পরিবেশ ও কৃষিবিজ্ঞানী রা বলেছেন টানা তিন বচ্ছর চাষ না হলে জমি থেকে আগের কেমিক্যালের প্রভাব যায় না। বাহ বাহবা। এবার চাষীরা মরুক। ওই দ্বিগুন ইনভেস্ট এর ফসল একগুন দামে বিক্রি হোক। এটা নিয়ে তোমার ওই মানবাধিকারবাদীরা কী মধ্যস্থতা করেছে একটু জেনে বোলো তো ! সাউথ ইন্ডিয়া তে কিন্তু একটা নিয়ম আছে, চাষীর খরচটুকু যাতে উঠে আসে তাই তি-ন বচ্ছর হওয়ার আগে একটা স্পেশাল সার্টিফিকেট দেওয়া হয় যে ফসলের দাম নরমাল এর বেশি কিন্তু অর্গ্যানিক এর চে কম।
    পরিবেশ- চাষ এসব করে পশ্চিমবঙ্গ একা ফাটিয়ে দিচ্ছে এরকম আদৌ নয়। আসল ঘটনা এমনকি ফার্মিং রিলেটেড ইন্ডাসট্রি কিভাবে ফ্লারিশ করতে পারে তাই নিয়েও এদের কোনো আধুনিক চিন্তাভাবনা নেই। একপাল গাড়ল হাত্তিমাতিম্তিম রাজ্যের বুকে চড়ে ডিম পারছে।

    এবার আসি হেভি ইন্ডাসট্রি তে। গাড়ি কারখানা সিঙ্গুরে হলে কী ফেটে যেত আমি সত্যি জানিনা। আমি এখানে আগেও লিখেছি, বুদ্ধ ভটচাজএর আবালপনায় তিল থেকে তাল হয়েছে। একবার তাল হয়ে গেলে কে ঠিক কে ভুল তাই নিয়ে পাতার পর পাতা হ্যাজের তর্ক ছাড়া কিছু হয়না। কিন্তু এখানে এই মুহুর্তে দাঁড়িয়ে কী হতে পারে, পারতো নিয়ে কথা হচ্ছে। এইমুহুর্তে দাঁড়িয়ে শহর বা শহরের আশেপাশে কিছু জমি পেলে আইটি হাব হতে পারতো। এর কারণ কোন সদা বা একক কলকাতায় গিয়ে ভাত খাবে নয় ! তোমার রাজনীতিটা তুমি যেমন বোঝো, তেমনি ক্যাপিটালিস্ট গ্রোথ কেমন ভাবে হয় সেটাও আমি বুঝি। যে রাজ্যে উচ্চমধ্যবিত্ত-মধ্যবিত্ত কনসিউমার ক্লাস এ হু হু করে পয়সা ঢোকেনা -গ্রোথ আটকে থাকে সেখানে কোনদিন স্টার্ট আপ কোম্পানি বুম হয়না। কারণ পাইলট ফেসের হাই কস্ট তারা টানতে পারেনা। ইনফোসিস না হয়ে ছোটো ছোটো কোম্পানি হোক এসব যারা বলে তাদের বিন্দুমাত্র আইডিয়া নেই ইন্দাস্ত্রী ইনকিউবেশন সম্পর্কে। প্রথমেই দরকার কিছু সার্ভিস কোম্পানি যারা মাইনে বাড়িয়ে দিতে পারে মধ্যবিত্ত ক্লাসে। এবার বলবে : কেন ? তাতে গরিব দের কী লাভ ? সাধের সিপুএম এতই যদি গরিবদরদী তাহলে কাজের মাসিদের ওয়েজেস নিয়ে কোনদিন ইউনিয়ন করেনি ক্যানো ? কারণ ওরা জানতো এক্সট্রা পে করার ক্ষমতা পশ্চিম্বগের মধ্যবিত্তর নেই। ইকনমি টাতেই কোনো গ্রোথ নেই। কাজেই ওই একটাকা দুটাকা অটোর ভাড়া বাড়ানো অবধি ঠিকাছে কিন্তু একচুয়াল প্রেসার দিতে গেলেই ইকনমির দৈন্যতা ন্যাংট হয়ে যাবে। তারচে বরং ছবি শেয়ার করে ট্রিকল ডাউন ইকনমিকে গাল পারা অনেক স্বাস্থ্যকর।

    একটা রাজ্যে প্রথমে বিগ সার্ভিস ইন্ডাসত্রি, তারপর তাকে ঘিরে ভেহিকল-রিয়েল এস্টেট -স্টার্ট আপ ইনোভেশন এইভাবে এগোয়। যে কোনো উন্নত রাজ্যেই তাই। কৃষি টা কোনো অজুহাত নয়। কৃষি কর্নাতকেও হচ্ছে। এক্ষুনি দশটা লিংক পরে যাবে কর্ণাটকের চে পব তে কৃষি কত বেশি হয়। লিংক ওয়ালা দের বলি এফেক্টিভ গ্রোথ বুঝতে শিখুন। "ব্যাঙ্গালোর ব্লু" আঙ্গুর যেটা মাত্র কয়েক হাজার একর চাষ হয় কর্নাটকে সেটা থেকে এই মুহুর্তে ওয়ান অফ দ্য বেস্ট দেশী ওয়াইন তৈরী হচ্ছে। চাষীদের শেখানো হচ্ছে কিভাবে ম্যাক্সিমাম কোয়ালিটি গ্রোথ সম্ভব। টপ ওয়াইনারী এক্সপার্ট রা আসছে। আর পশ্চিমবঙ্গের যে ফল গুলো এক্সপোর্ট হয় সেগুলো গত দুবছর কোয়ালিটি সার্টিফিকেটে আটকে গেছিল দেশের বাইরে। জ্যুস ম্যানুফ্যাকচারিং এ না কোনো বড় কো-অপারেটিভ না কোনো বড় কোম্পানি। ফ্রিটল্যে আলু কেনে তাও ভুটান থেকে। আরে কিছুতো এফেক্টিভ গ্রোথ হবে একটা রাজ্যে !!! সবেতেই সাবস্ট্যান্ডার্ড আর কিছু ভালো চাষজাত কাঁচামাল তৈরী হয় সেগুলো প্রোডাক্ট এ কনভার্ট হয় বাইরের রাজ্যে। এর নাম ফার্ম গ্রোথ ?

    গ্রোথ ব্যাপারটা একটু বোঝো। ওই পব তে গিয়ে দেখলে চারপাশে ধান-পান ওরকমভাবে গ্রোথ মাপেনা। ফার্মিং এস ইন্ডাসট্রি তাতে ইন্লেক্ত্রিসিটি-ব্যান্ক লোন -ইরিগেশন-ফার্তিলায়জার ইনভেস্টমেন্ট-এক্সপোর্ট -এলায়েড গ্রোথ সব ধরে গ্রোথ। একটা ডেটা দিচ্ছি। এই অন্ধ্রপ্রদেশ ইত্যাদির সঙ্গেই তুলনা। পাঞ্জাব তান্জাব দিলে অজ্ঞান হয়ে যাবে।

    "Andhra Pradesh: The perusal of Table 2 shows that the growth rate of loans for the distribution of fertilizer and other inputs was 4.95 per cent and that of the loans to State Electricity Board for energising tubewells was -53.54 per cent and both these growth rates were statistically non-significant. Under other type of indirect finances, the growth rate was 29.06 per cent and was significant at one per cent level finances showed a growth rate of 30.57 per cent, which was also significant at one per cent level of significance. In terms of total, advances, the growth rate came to be 27.68 per cent, again significant at one per cent. But on the whole the State fell in the low growth rate zone on the basis of growth rates of loans advanced by the commercial banks. It was further showed that total cropped area grew at a nonsignificant rate of 0.70 per cent. Area under gross irrigation showed a growth rate of 2.05 per cent and net irrigated area recorded a growth rate of 1.81 per cent. They were significant and fell in medium growth rate zone.

    Bihar: The growth rate of institutional advances for distribution of fertilizer and other inputs was 72.05 per cent,advances to State Electricity Board 14.49 per cent, other type of indirect finances 50.15 per cent, direct finances 43.65
    per cent and that of total advances, it was 44.18 per cent. All these growth rates statistically significant. The study of Table 2 further shows that the growth rate of total cropped area came to be 0.03 per cent which was found to be nonsignificant. Growth rate of gross irrigated area was 3.77 per cent and that of net irrigated area was 3.19 per cent and they were significant of 1% level.
    Gujarat: The Table 2 revealed that advances for distribution of fertilizer and other inputs had 22.26 per cent growth rate, significant at 1% level. Advances to State Electricity Board for energising tubewells recorded 24.72 per cent
    growth rate, again significant at 1% level. Other type of indirect finances increased significantly at 26.09 per cent rate of growth. Direct finances showed significant growth at the rate of 19.30 per cent. The aggregate advances grew at the growth rate of 20.13 per cent and was significantly at 1% level. The perusal of Table 2 shows that total cropped area declined (-0.17%) in 4 non-significant manner. The growth rate for gross irrigated area was 4.08 per cent and that of net irrigated area was 3.90 per cent and were statistically significant at one per cent level.

    West Bengal : The perusal of Table 2 shows that the advances to State Electricity Board for energising tubewells, etc.experienced a considerably high growth rate of 562.01 per cent, but non-significant. The very high level of year to year variation turned such a high growth to be non-significant. Growth rate of advances to distribute fertilizers and other inputs was 18.06 per cent, that of other types of indirect finances was 51.31 per cent, direct finances was 37.69 per cent and that of aggregate advances was 33.05 per cent. All these growth rates were significant at one per cent level. Total cropped area recorded a negligible and non-significant growth rate of 0.07 per cent. Gross irrigated and net irrigated areas could not show any change during the period under study.

    উল্লিখিত টেবল টু টা একটা ওই ওই গ্রোথ পারামিটার এর টেবল। এই ডেটা টা এইজন্যে দিলুম যাতে একটা ধারণা হয় যে গ্রোথ আউট অফ ফার্মিং বলতে কী বোঝায়। সব মিলিয়ে সারা রাজ্য কত পটল চাষ করেছে ওটা একমাত্র পারামিটার নয়। এই অবস্থা হচ্ছে ক্যানো ? হচ্ছে কারণ বড় জমির মালিকানাধিন কোনো ফার্মিং ইন্দাস্ত্রী নেই। তাই সব মিলিয়ে আগের মতই ফসল ফলালেও গ্রোথ রেট্ কম। অন্য রাজ্যের সঙ্গে ডিরেক্ট তুলনা করলে যুক্তি আসবে আরে আমাদের এমনিতেই উর্বর জমি, এমনিতেই বৃষ্টি হয় ইরিগেশন লাগেনা। তো ? যেটা লাগেনা ওটা আমাদের পসিটিভ দিক তখনি হত যদি আমরা সেটা কাজে লাগিয়ে ফার্মিং রিলেটেড ইন্দাস্ত্রী গড়তে পারতুম। তাও নেই। তার মানে ফার্মিং এর দিকেও পিছিয়ে থাকা রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। এই যুক্তিটাকে চাপা দেওয়ার জন্যে আমরা কত বস্তা ধান আর পটল ফলাই সে গল্প দিয়ে লাভ নেই। আমাদের টোটাল ফার্মিং রিলেটেড গ্রোথ রেট্ বেশ পুওর। এমনকি পিছিয়ে থাকা রাজ্যের চেও।

    এই গ্রোথ রেট্ টাই প্রভাব ফেলে। যাঁরা গোলাভরা ধান মার্কা যুক্তি দেন তাঁদের কিছুতেই মাথায় ঢোকানো যায়না যে সুলেমান বা সজলের গোলাভরা ধান হয়ে রাজ্যের ইতরবিশেষ নেই। ইতরবিশেষ তখনি হবে যখন গোটা ফার্মিং ইন্ডাস্ট্রির এস আ হোল গ্রোথ রেট্ কার্ভ উঠতে থাকবে।

    এর পরেও এঁড়ে তর্ক করা যায়। বলা যায় সুলেমান বা সজলের গোলাভরা ধানে যখন তোমার ছেঁড়া যায়না তখন তোমার আইটি গ্রোথ দিয়েই বা তাদের কী ? নো প্রবলেম দেন। তখন তো কেড়ে নেবার কথা বলবই !! তখন বলবই অমুকের চে আমি বেশি রেভেনিউ রিটার্ন দি কাজেই অমুককে জমি থেকে সরিয়ে কারখানা বানাবার রাইট আমার আছে ! শোধ -বোধ-ঘোড়ার-পোদ :)

    কিছু হচ্ছেনা রাজ্যটায়। যারা ছিঁড়ে ছড়িয়েছিল তারা আঁটি বাঁধতে গিয়েও ছড়িয়েছে। এরা সেন্ট্রাল প্ল্যানার হিসেবে ফেইলীয়র আবার অন্যদিকে ক্যাপিটালিস্ট গ্রোথ দেখলেও রোমান্তিসিসম এর স্বপ্নে কাঠি হয়ে যায়। কে রাজ্যে গিয়ে ভাত খেতে চাইছে বলে লাভ নেই, কলকাতা বহুকাল ছেড়েছি যখন সাউথ ইন্ডিয়াতে আসার চিন্তাও মাথায় ছিলোনা। কিন্তু তাই বলে মমতার গ্রোথ লেস রাজনীতির শীল্ড যোগাবার ও দরকার বোধ করিনা। আর আং-বাং বকে পরবর্তীকালে যারা পশ্চিমবঙ্গে কলেজ-ইউনিভ থেকে বেরোচ্ছে তাদের ভবিষ্যতের বারো বাজাবার ও কোনো উত্সাহ নেই। মমতা-বিরোধী পলিটিক্স যদি সত্যিই করতে হয় তাহলে পব তে ইন্দাস্ত্রী গ্রোথ চাইতে হবে। এবং নাগারে ওই পয়েন্টে চাপ দিতে হবে। ওটাই ওর একিলিস হীল। এটাকে ইকনমিক দৃষ্টি বলো বা পলিটিকাল স্ট্রাটেজি, যা খুশি।

    [ অনেক পয়েন্ট লিখেছি যা তুমি বলোনি। এই একটু তোমার দিকে মুখ করে বকবক কল্লুম আরকি :) বাকিরা যা ক্ষেপে আছে ]
  • একক | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:৪৮660807
  • আর পাই কে একটা কথা বলার আছে ওই ইকনমিক গ্রোথ প্রসঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের ইন্ডাসট্রি গ্রোথের একটা বড় চানক অফ ডেটা টা আসে এম-এস-আই, এস-এস-আই তে সরকারী বিনিযোগ এবং তাদের দেওয়া রিক্রুটমেন্ট ডেটা থেকে। এটার চে বড় জালিবাজি আর হয়না। সমস্ত লোনগুলো পায় পার্টির পরিচিত লোক। দালাল অব্দি আছে। কোনো প্রজেক্ট হয়না পুরো টাকাটা গাপ। নেহাতই যদি অবিশ্বাস হয় তাহলে স্মল ইন্দাস্ত্রী ইন্সপেকশনে যারা যায় সেই ঘুঘুদের সঙ্গে একটু কথা বলে দেখ বুঝতে পারবি। এর সঙ্গে বাম-ডান রাজনীতির কিছু নেই। রাজনীতি নির্বিশেষে বহুকাল ধরে এই জালিবাজি টা পব সরকার করে। একটা বিশাল পাইয়ে দেওয়ার খেলা এবং সরকারী ঘুঘুর বাসা।

    ডেটা কে খোঁজখবর না নিয়ে মানতে গেলে কিন্তু এবার দাবি করব মুসলিম কান্ট্রি তে রেপ হয়না। তখন আবার অন্য যুক্তি অনিসনা।
  • pi | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:৫৩660808
  • মুসলিম কান্ট্রিতে রিপোর্টেড রেপ তো কম ই। সেই তথ্যে তো জালি নেই। রিপোর্ট হল না, তাই কম, আর রিপোর্ট হল, তাকে দেখালাম না .. দুটো আলাদা জিনিস।
    ভুলভাল উদাঃ দেওয়ার মানে হয়না।

    আর রাজনীতি নির্বিশেষে বহুকাল ধরে এই জালিবাজি টা পব সরকার করে তো গ্রাফটা ওরকম হল কেন ? পব তাহলে ভারতের গড়ের থেকে তো কখনৈ কম থাকতে পারেনা !
  • dc | 132.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২০:৫৭660809
  • "মমতা-বিরোধী পলিটিক্স যদি সত্যিই করতে হয় তাহলে পব তে ইন্দাস্ত্রী গ্রোথ চাইতে হবে"

    হায় হায় হায় পবতে হবে ইন্ডাস্ট্রি গ্রোথ চেয়ে আন্দোলন? একথা টাইপ করতে গিয়ে আপনার কম্পু ক্র্যাশ করে গেলনা? সাম্রাজ্যবাদী ক্যাপিটালিস্টদের তাড়ানোর জন্য যেখানে আন্দোলন হয়, সেই বিপ্লবের আঁতুড়ঘরে হবে ইন্ডাস্ট্রি হওয়ার আন্দোলন? চিনের চেয়ারম্যান এসে যখন আপনার মাথায় আস্ত একটা চেয়ার ভাঙ্গবে তখন বুঝবেন!
  • Ishan | 202.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:০১660810
  • এই ডেটা পছন্দ না হলে (যদিও কেন পছন্দ নয়, সেটা বোঝা গেলনা। জিডিপির হিসেবে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই জালি হয়, আর সারা ভারতের বাকি হিসেব গঙ্গাজলতূল্য?) গ্রোথের ব্যাপারে (জিডিপি জিএসডিপির তুলনা করে) একক একটা বিশ্বাসযোগ্য প্রামাণ্য ডেটা দিক না। নইলে তো হাওয়ায় ঢিল ছোঁড়া হয়ে যাচ্ছে।
  • pi | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:০৩660811
  • With over 43,000 jobs generated in the small and medium enterprises (SMEs) sector between April 2011 and up to February 15, 2012, West Bengal has emerged as a front-runner state to facilitate growth in the SMEs sector, apex industry body Assocham said on Tuesday.

    Utilizing the margin subsidy money worth Rs 52.49 crore, the state of West Bengal assisted about 5,290 SME units across the state, according to a state-wise analysis of number of SMEs assisted, margin money utilized and estimated employment generation during the aforesaid period carried out by Assocham.

    এই Assocham পবর সরকারি বডি কিনা আর এই ডেটার জল গুলো নিয়ে লোকজন অ্যানেকডোট শেয়ার করুক।
    ২০১৪ তেও এরকম কিছু দেখলাম।
  • pi | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:০৬660812
  • যদিও একক নিজেই উপরে গুচ্ছ তথ্য দিয়ে গেল, সেগুলো অবশ্যই গঙ্গাজলতুল্য, কারণ পব সেখানে পিছিয়ে।
  • শ্রী সদা | 113.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:০৯660813
  • স্ট্যাট নিয়ে কিছু বলার মতো পড়াশোনা নেই, কিন্তু পাইদি এটা বুঝিয়ে বলুক কেন প্রতি বছর হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট পশ্চিমবঙ্গে ছেড়ে পালাচ্ছে এবং উল্টোদিকে কিছু মুটে-মজুর এবং পানওয়ালা ছাড়া কেউ আসছেনা কেন। অবশ্য এটাকে ও অ্যানেকডোট বলে কাটিয়ে দিতে পারো।
  • শ্রী সদা | 113.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:১৩660814
  • আর এই SME র ঢপটা বিশ্বাস করিনা।
  • একক | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:১৭660815
  • আরে এরা ডেটা পায় কোত্থেকে ? এসেসআই-এমএসআই তে যাঁরা কাজ করেন তার একটা বড় অংশ ট্যাক্স স্ল্যাব এর নীচে এবং এইসব ক্ষেত্রে এখনো ট্যাক্স স্ল্যাব এর নীচে থাকলেও জিরো রিটার্ন শো করার নিয়ম পশ্চিমবঙ্গে বলবৎ নয়। অন্য রাজ্যে অলরেডি চালু আছে যে নিয়ম টা। রিটার্ন না দেখানে আগে কোন কোম্পানিতে কাজ করেছি বললেও কাউন্ট করেনা। পশ্চিমবঙ্গে একটা যাহোক-তাহক স্যালারি সার্টিফিকেট দেখালেই হয়। যেহেতু ট্যাক্স সার্টিফিকেটের বেসিসে প্রপার ডেটা পাওয়া সম্ভব না তাই একমাত্র সরকারের দপ্তরের দেওয়া ডেটাই ভরসা। গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিশাল চক্র আছে এসএসআই-এমএসআই প্রজেক্ট এর নামে টাকা পাইয়ে দেওয়ার। একটা পার্সেন্টেজ দালালি লাগে শুধু। বহু এসএসআই কদিন লোক দেখিয়ে চলে তারপর ইন্সপেক্টর কে হাত করে নিয়ে প্রজেক্ট ফরফিট করে দেয়। এই এত জালি কোম্পানি, সরকারী লোন আদৌ ব্যবসা না করে গুটিয়ে ফ্যালা এসব কী আজ নতুন হচ্ছে নাকী পব তে ? রাজনীতি নির্বিশেষে এসএসআই-এমএসআই হলো সরকারের তহবিল তছরুপের সবচে বড় চক্কর।
  • শ্রী সদা | 113.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:২১660816
  • তবে এটা দেখেছি, এই ফোরামে, ফেসবুকে সর্বত্র - এই টাটা বিরোধী, পশ্চিমবঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি চাইনা, আইটি ইন্ডাস্ট্রি ঢপের জিনিস - ওতে কিছু লোকের উন্নয়ন হয় - এই গল্পগুলো যারা বলে তারা মেইনলি দুটো সেকশনের - ১) যারা অলরেডি রাজ্যের বা দেশের বাইরে প্রফেশনাল লাইফে সেটলড, বা যে ডোমেনে কাজ করেন তার সাথে পশ্চিমবঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি হোক বা না হোক তার সম্পর্ক নেই আর ২) কিছু সদ্য কলেজে ঢোকা বিপ্লবী জনতা যাদের প্রফেশনাল লাইফ সম্পর্কে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। এর মাঝামাঝি লোকজন যারা জানে যে তাদের এই ইন্ডাস্ট্রিতেই খেয়েপরে বাঁচতে হবে এবং উন্নতি করতে হবে, তারা মোটামুটি আমার মতোই কথা বলছে।
  • একক | 24.*.*.* | ৩০ এপ্রিল ২০১৫ ২১:২৬660818
  • না, অন্য রাজ্যে এসএসআই, এমএসআই নিয়ে এই লেভেলের জালি হয়না। হয়না তার কারণ রাজনীতির দুর্নীতিকরণের প্যাটার্ন অন্য রাজ্যে আলাদা। পশ্চিমবঙ্গের দুর্নীতিটা হচ্ছে একদম নীচ থেকে ওপর দুর্নীতি। যার ফলে কে কত কোয়ান্টিটি তে খেলছে ম্যাটার করে। আজ কর্নাতকেও বিশাল দুর্নীতি হয়। কিন্তু বড় লেভেলে। এসএসআই এর দুলাখ টাকা বা এমএসআই এর তিরিশ লাখ লোন মেরে বসে গেলে ইন্সপেক্টর এসে চাম গুটিয়ে দেবে। কেন ? না ওই ইন্সপেক্টর বড় কোম্পানির ছোটো-খাটো গলতি ধরতে পারলে অনেক বেশি পার্সেন্টেজ পাবে সেখান থেকে। কাজেই ছোটো জায়গাগুলো তে দুর্নীতি কম। যেখানে দুর্নীতি হয় সেখানে অডিট ফদিত করে মাথা খাটিয়ে দুর্নীতি করতে হয়। কলকাতার রাস্তায় তো পুলিশ গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেয়। ব্যাঙ্গালোরে নেয় ? নেয়না। তাহলে এখানকার পুলিশ খুব সাধু ? মোটেই না। ম্যাক-ডি থেকে রেগুলার তোলা নিচ্ছে। রাজনীতি এবং দুর্বৃত্তায়ন এর প্যাটার্ন টা কমপ্লিটলি আলাদা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন