এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ২০:১৩306691
  • ইটিভি নিউজ আসে ব্রতীন্দার ?
  • | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ২০:১১306688
  • গা সওয়া হয় নি। কিন্তু সমাধানের কোন পথ ও তো দেখা যাচ্ছে না, যা বাস্তবায়িত করা যায় ঃ((
  • a x | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ২০:০৬306687
  • ব্লগার খুনটাও কেমন গা-সওয়া হয়ে গেল, না? যত বেশি খুন হবে, তত নর্মালাইজড হবে। ভালোই।
  • একক | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ২০:০৫306686
  • টোটোবোবো ইউস করুন। বেস্ট ফিল্টার, এয়ার পাস ও ভালো। মানুষ জামা কেনে টুপি কেনে মাস্ক কেনে না ক্যানো :/
  • | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৯:৫৯306685
  • ক দিন ধরে মিঠু কে দেখছি না..
  • apps | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৮:৪১306684
  • আমার এজমা বনেদী না হলেও বুঝতে পারি কুমুদি. এবার বইমেলার দ্বিতীয়দিনে এত্ত ধুলো লাগলো. বিশেষ করে ওই ড্যাশের সাবওয়ে. কি চরম অবৈজ্ঞানিক ভাবে বানানো. ন্যূনতম ভেন্টিলেশন নেই. পাঁচ হাত দূরের লোককে দেখা যায়না এত চাপ চাপ ধুলো. আমি সাতদিন বিছানায় পড়ে রইলাম. পুরো বইমেলা ভোগস.
  • kumu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৫:১৫306683
  • যাদের বনেদীasthamaথাকে তারা এই বায়ুদূষণের ব্যাপারটা পরিষ্কার বুঝতে পারে।
  • pi | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৫৯306682
  • 'গত নয় বছরে বায়ু দূষণের কারণে ভারতে মারা গেছে ৩৫,৬১৬ জন মানুষ। প্রতিদিন নতুন করে বায়ুদূষণজনিত অসুখের কবলে পড়ছে ৯৫ হাজার মানুষ।গত বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্ত্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী, প্রকাশ জাভেদকার সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    বিভিন্ন সংস্থা এর আগে বহুবার শ্বাসযন্ত্রে মাত্রাতিরিক্ত সংক্রমণের কারণে মত্যুর জন্য বায়ুদূষণকে দায়ী করলেও সরকারি ভাবে তা কখনোই মেনে নেয়া হয়নি ভারত। অবশেষে তা স্বীকার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, শ্বাসযন্ত্রে মাত্রাতিরিক্ত সংক্রমণের কারণে ২০০৬-২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ হাজার ৬১৬ জনের। এর মধ্যে আবার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ পশ্চিমবঙ্গে। এই নয় বছরে এ রাজ্যে মারা যায় ৬,৪২৩ জন।দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানা, তালিকার ছয় নম্বরে রয়েছে রাজধানী দিল্লি।'
  • সিকি | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৩১306680
  • সামরান আর তাপস, অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল জন্মদিনের। ভালো থেকো।
  • obu pal | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৩০306679
  • ব্রেস্টফিডিং এর লেখা সংক্রান্ত পোচুর প্রতিক্রিয়ার জন্য সব্বাইকে পোচ্চুর ভালোবাসা. তবে কিনা আমার ল্যাপু প্রায়ই বিগ্রোয়. আর মোবাইল থেকে এত্ত এত্ত উত্তর দেওয়ার ধৈর্য আমার এক্কেরে নেই. পরের হপ্তায় ব্লগে আরেকটা লেখা দেব খন. এ সংক্রান্ত.

    প্রসঙ্গত, আমার মূল লেখার নাম ছিল- বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ: লিঙ্গসাম্য ও শিশুর অধিকার. ভাবনার বেসিক পার্সপেক্টিভ এইটা ছিল মাথার মধ্যে. শেষদিকের বেশ কিছু বাক্য এডিট করা হয়েছে. আর বলা বাহুল্য, ম্যাডোনা টা বেএএশ বিরক্তিকর, সকালে কাগজ দেখেই এ নিয়ে বাড়িতে বিস্তর গ্য়াজর গ্য়াজর করেছি. লেখাটার সাথেও জাস্ট যায় না. তোপসে অবশ্য ব্যাপারটা পপুলারিস্তিক ফর্ম হিসাবে দেখেছে, সেটা আমাকে শান্ত করার জন্য কিনা জানিনা.

    পাই- হ্যা কমলেন্দু মানে ডাক্তার বুড়ো. ইনফোর জন্য ওঁর বাড়ি গেসলুম গত মাসে. বুড়ো একটু ফ্রাস্টু আর অনেকটা গাঁট, কিন্তু খুব হেল্পফুল আর চমত্কার শিক্ষক.
  • h | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৩:৩৩306678
  • তাপস কে শুভ জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। পরম করুণাময় তোমাদের মংগল করুন। যাকে বলে লিখুন, পড়ুন ও পড়ান। কিন্তু কদাচ লেখাবেন না ঃ-))
  • kumu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৩:২৭306677
  • সব সহ্য হয় শুধু ফেবু ভরে "শ্রদ্ধাঞ্জলী" দেয়া সহ্য করতে পারি না।
  • | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৩:১১306676
  • খুব পছন্দের গানঃ

  • kumu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১১:০০306675
  • অভ্যু অনেক থাংকু।অনেক চিংম্ড়ি বাহার হোক।
    তাপস ও সামরানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।জীবন সুন্দর হোক,উজ্জ্বল হোক চিরকাল।
    মিনমিন করিয়া- সামরানের হাতে অনেক বিরিয়ানিকোর্মাপটলের দোর্মা হোক।
  • Bratin | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১০:৫২306674
  • তাপসের ও জন্মদিন নকি।

    অনেক শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা।
  • Bratin | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১০:১৫306673
  • সামরান কে জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই।

    পাঠক দের জন্যে আরো অনেক সুন্দর সৃষ্টি করো।
  • pi | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৯:৫৭306672
  • তাপসদাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা। খুব ভালো থেকো।
  • Abhyu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৮:৩৪306671
  • আর এটা কুমুদির জন্যে
    http://tinyurl.com/q9deqz7
  • Abhyu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৮:২৫306670
  • Abhyu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৮:২৪306669
  • Abhyu | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৮:২৩306668
  • বাইশে শ্রাবণ স্মরণে | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৮:২০306667
  • সিকি | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৭:১৬306666
  • আজ বাইশে শ্রাবণ।
  • Ritwik | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৪:৪০306665
  • সাধারনত ডাবল স্পাই রা ধরা পড়ে যায় আর তারপর মৃত্যুদন্ড পায়। মাতাহারি থেকে রিচার্ড সর্জ অধিকাংশের তাই হয়। সেদিক থেকে গার্সিয়া এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। কোনওদিক পিস্তল রিভলভার হাতে না তুলেও, একজনকেও না মেরেও, যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও যে যুদ্ধের ভবিষ্যত ঠিক করে দেওয়া যায় আর তার পরে ৪৩ বছর খুব সাধারন জীবন যাপন করা যায় এটা দেখিয়ে গেছ্ল হুয়ান পুওল গার্সিয়া।
  • Ritwik | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৪:৩৩306664
  • বিশ্বাসঘাতক!
    **************************
    আমরা আমজনতা স্পাই এজেন্ট বলতে বুঝি জেমস বন্ড কে, যার হাতের ঘড়ি থেকে লেসার বীম ছোঁড়া যায়, যে হেলিকপ্টার, প্লেন, সাবমেরিন থেকে ট্যাংক সবই চালাতে জানে, যে একজন ডাকসাইটে লেডিকিলার, স্মার্ট, ক্যাসিনোপ্রেমী এক্জন সুপারহিরো।
    হুয়ান পুওল গার্সিয়া কিন্তু একজন সাদামাটা মানুষ। খুব সাধারন দেখতে, ২৫-২৬ বছর বয়সেই মাথায় টাক, বিবাহিত, বার্সিলোনার হোটেল ও পরে একটা চিকেন ফার্মে কাজ করা একটা বোরিং জীবন কাটানো লোক। স্পেনের বার্সিলোনা শহরে গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য স্ট্রাগল করছিল সে। কোনও মিলিটারী ট্রেনিং ছিল না, কোনও পলিটিক্যাল গডফাদারও ছিল না যাতে ঐ স্পেনের সিভিল ওয়ারের বাজারে করে খেতে পারবে। তখন তার লক্ষ্য ছিল একটাই, গুলি না খাওয়া। সেটা সে পেরেছিল। লিবারেল পরিবারে বড় হয়ে ওঠা হুয়ান নাৎসী জার্মানী আর রুশ কমিউনিষ্টদের কাওকেই বিশ্বাস করত না। তাই ১৯৩৯ এ যখন স্পেনের গৃহযুদ্ধ শেষ হতে না হতেই আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে তখন সে ঠিক করল এই বাজারে ব্রিটেনই একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য দেশ, সেখানে যেতে হতে আর তাদের সাহায্য করতে হবে। কিন্তু সাদামাটা চেহারার কারোর পক্ষ্যে এম আই ফাইভে ঢোকা কি সহজ? তায় হুয়ান আবার তখনো ভালো ইংরাজীও জানে না। আর তাছাড়া স্পেন ফ্রন্টে যেহেতু তখুনি কোনও যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই, এক স্প্যানিশ কে রিক্রুট করে কি লাভ? হুয়ানের পর পর তিনটে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হল।
    হুয়ান তখন অন্য পরিকল্পনা করল। সোজা জার্মানী এম্ব্যাসীতে ফোন করে বলল সে থার্ড রাইখের হয়ে স্পাইং করতে চায়। জার্মানী বিদেশে স্পাই নেটওয়ার্ক বানাতে তখন তৎপর। ইংল্যান্ডে এমন কিছু কাজ হয়নি। Abwehr এর একজন এজেন্ট ফ্রেডেরিখ যে হুয়ানের সাথে মিটিং করেছিল সে হুয়ান কে বলল লিসবন থেকে ইংল্যান্ডের ভিসা যোগাড় করতে, পারলেই চাকরী পাকা। হুয়ান ভিসা জাল করল ও চাকরী পেল।
    তারপর শুরু হল আসল খেলা। ওর কোনও ইচ্ছে ছিল না লন্ডন যাওয়ার। লিসবনে গিয়ে আন্ডার কভার চলে গেলো। যোগাড় করল ইংল্যান্ডের ম্যাপ, ট্যুরিষ্ট গাইডবুক,রেলওয়ে টাইমটেবিল, ফ্লাইটের টাইমিং, ইংলিশ রেডিও শুনতে শুরু করল। আর তার উপর ভিত্তি করে কিছু মনগড়া গল্প গোপনে পাঠাতে লাগল Abwehr কে। বলে রেখেছিল চিঠি সে পাঠালেও লিসবন হয়ে পাঠাবে, যাতে ব্রিটিশরা সন্দেহ না করে। Abwehr ওকে বিশ্বাস করে সিফার, অদৃশ্য কালি, ৩০০০ পাউন্ড আর ARABEL কোড নাম দিয়েছিল। শুধু নিজে খবর কাল্পনিক তা নয়, কাল্পনিক সাব-এজেন্ট ও রিক্রুট শুরু করে দিয়েছিল। একটা নেটওয়ার্ক, যার বাস্তবে কোনও অস্তিত্ব ছিল না। এখন অনেক উদ্ভট মনগড়া গল্পের মাঝে দু একটা রেডিও তে শোনা সাধারন খবর জুড়ে দিত। তারপর এক দুবার ঐ কাল্পনিক গল্প সত্যের কাছাকাছি চলে যায়। একটা চিঠিতে হুয়ান লেখে পাঁচটা অ্যালায়েড জাহাজ লিভারপুল থেকে মাল্টা যাচ্ছে, সংখ্যাটা না মিললেও কয়েকটা যুদ্ধ জাহাজের মাল্টা যাবার প্ল্যান চলছিল বৈকি। খবর টা ইন্টারসেপ্ট করে MI5 বেশ ভয় পেয়ে গেল। লন্ডনে নাকের তলায় একজন ARABEL নামের নাৎসী এজেন্ট বসে এক বিশাল নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে আর MI5 এর কাছে তার কোনও খোঁজ নেই।
    এর কিছুদিন পর হুয়ান ওর সমস্ত গেমপ্ল্যান, নাৎসী এজেন্ট হবার গল্প নিয়ে সোজা হাজির হল ব্রিটিশ এম্ব্যাসীতে। শিফারটাও নিয়ে যেতে ভুললো না। MI5 পুরো মুগ্ধ, এতো মেঘ না চাইতেই জল, কোনও পরিশ্রম ছাড়াই জার্মানীকে বোকা বানাচ্ছে একটা সাধারন স্প্যানিশ। ডাবল এজেন্টের চাকরী হল ও সত্যিকারের লন্ডন যাত্রাও হল, প্রথম বারের জন্য। MI5 ওর নাম দেয় গার্বো।
    সত্যিকারের ইংল্যান্ডের কিছু হার্মলেস গোপন খবর ও পাচার করল Abwehr কে। হুয়ানের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়তে থাকল রোমেল ও খোদ হিটলারের কাছে। ওর কাল্পনিক সাব-নেটওয়ার্কের সদস্যসংখ্যা তখন ২৭, তাদের মাইনেও জুগিয়ে চলেছে থার্ড রাইখ। হুয়ানের তখন আসল কাজ ঠিক ও ভুল দুই খবরই পাঠানো, ভুলটা একটু আগে, ঠিকটা একটু দেরী করে, যাতে নাৎসী বাহিনী ধোঁকা খেয়ে যায়। ভুল খবর দেওয়ার জন্য ওর এক দুজন কাল্পনিক সাব-এজেন্টকে তাড়ানোও হয়, এক-দুজন মারাও যায়। সবই বিশ্বাসযোগ্য সেই যুদ্ধের বাজারে।
    অপারেশন টর্চের সময় একটা খবর পাঠায় যে স্কটল্যান্ডে বাহিনী প্রস্তুত হচ্ছে নরওয়ে দখলের জন্য, আবার কদিন পরে খবর যায় নাহ আসলে আক্রমন হবে সেনেগালে। উত্তর আফ্রিকার অভিযান এর খবর যখন আসে তখনও জার্মানী প্রস্তুত নয়। কিন্তু এই বিশ্বাসযোগ্য ও রিয়্যাল টাইম রিপোর্টিং এর জন্য হুয়ানের দাম কিন্তু রাইখে বাড়তেই থাকে।
    হুয়ানের জীবনের সবচেয়ে বড়ে ম্যানিপুলেশন হল ডি ডে। ফ্রান্স তখন রাইখের ভিতর। ইংল্যান্ড ঠিক করেছে নর্ম্যান্ডিতে ঢুকবে, ফ্রান্সকে উদ্ধার করতে না পারলে পশ্চিম ইওরোপে জেতার কোনও সম্ভাবনা থাকবে না। তখন হুয়ানের মেসেজ গেল হিটলারে কাছে যে ইংল্যান্ড ও আমেরিকার এক বিরাট সেনাবাহিনী ক্যালে অভিযানের পরিকল্পনা করেছে। ইংল্যান্ডে FUSAG নামক বিশাল মার্কিন বাহিনীর ফর্মেশন চলছে। এই গল্প বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য হলিউডের সাহায্যও নেওয়া হয়। বেলুনের ট্যাংক বানিয়ে তার দূর থেকে ভিডিও ফুটেজ তোলা হয়, হাসপাতাল, সেনা ছাউনির সেট বানানো হয়, তারও ছবি ওঠে। মিথ্যে নিউজপেপার রিপোর্ট বানানো হয়, যেখানে দেখানো হয় যে সাধারন মানুষ এই আমেরিকান সৈন্যদের নিয়ে বিরক্ত। FUSAG ট্যাগ লাগানো পায়রাও ওড়ানো হয়।
    তারপর আসল অভিযানের কদিন আগে ক্যালেতে গিয়ে দুটো বোমা ফেলে আসে ব্রিটিশ বাহিনী। তখন হুয়ান পাঠায় পরের মেসেজ, যে নর্ম্যান্ডিতেও প্রক্সি ওয়ার হতে পারে। হিটলার বোঝেন যে ক্যালেই আসল জায়গা। সব সৈন্য ক্যালেতে তৈরী হয়। নর্ম্যান্ডিতে বাহিনী নামার পরও হিটলার ভাবছেন ওটা প্রক্সি। আসাল বাহিনী আসবে ক্যালে তে। কিন্তু ওদিকে নর্ম্যান্ডির দখল রাইখের হাতছাড়া হচ্ছে দেখে প্যানৎসার এর একটা ট্রুপকে নর্ম্যান্ডি পাঠানোর কথা ভাবছেন তখন আসে আর একটা গোপন খবর। যে আপাতত FUSAG আক্রমন করছে না, যদি জার্মানীর বাহিনী দু তিন যায়গাতে ছড়িয়ে যায়, তখন ক্যালে এলাকায় আক্রমন করা যাবে। হিটলার ক্যালে থেকে আর বেরোতে পারলেন না। নর্ম্যান্ডি হাতছাড়া হল। পশ্চিম ফ্রন্টে হিটলারের সেই শেষের শুরু। কিন্তু হিটলার তবু বুঝলেন না যে হুয়ান এভাবে বোকা বানিয়েছে। হুয়ান পেলো রাইখের আয়রন ক্রস অফ দি সেকেন্ড অর্ডার। আর এর কয়েক মাস পরে স্বয়ং ষষ্ঠ জর্জ ইংল্যান্ডের সেরা এজেন্ট গার্বো ওরফে হুয়ান কে দিলেন অর্ডার অফ দি ব্রিটিশ এম্পায়ার। দুই শত্রু বাহিনীর দুজনের কাছেই এরকম পুরস্কার আর কোনও এজেন্ট কখনও পায় নি।
    তারপর মহাযুদ্ধ শেষ হল। হুয়ানের গল্পটা কিছুটা প্রচার হল। নাৎসী সহানুভূতিশীলদের হাতে গুপ্তহত্যার ভয়ে হুয়ান নিজের মৃত্যুসংবাদ প্রচার করে। যে আফ্রিকাতে ঘুরতে গিয়ে ম্যালেরিয়াতে মারা গেছেন। ওদিকে পরিবার নিয়ে চলে যায় ভেনেজুয়েলাতে। বই এর দোকান, ইংরাজী-জার্মান-স্প্যানিশ ভাষার শিক্ষকতা আর দুই ছেলেকে মানুষ করে কাটিয়ে দেয় আরো প্রায় ৪০ টা বোরিং বছর। ১৯৮৪ সালে নাইজেল ওয়েষ্ট নামে এক সাংবাদিক হুয়ানকে খুঁজে বের করে। ব্রিটেনে এসে MI5 এর পুরোনো বন্ধুদের সাথে পুনর্মিলন হয়, নর্ম্যান্ডিতে ডি ডে র চল্লিশ বছর পুর্তির অনুষ্ঠানেও যোগ দেয়।
    ১৯৮৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে কারাকাসে মৃত্যু হয় হুয়ান পুওল গার্সিয়ার।
  • sosen | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৩:৫৫306663
  • ব্রেস্ট ফিডিং এর খাদ্য পানীয় ইমিউনিটি ছাড়াও আরো কিছু উপকারিতা আছে। মা শিশু উভয়ের জন্যই।
  • একক | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০০:৫৯306662
  • এবার খেরেস্তান ইত্যাদি ছেড়ে অবন্তিকার লেখাটা নিয়ে সিরিয়াসলি একটা কথা বলি।

    "সহযোগিতামূলক আবহাওয়া" টা কাকে সহযোগিতা করার জন্যে সেটাও পরিস্কার হয়নি। ধরে নেওয়া হয়েছে মেয়েদের দিক থেকে ছমাস ধরে ব্রেস্ট মিল্ক ফিড করাতে কোনো আপত্তির কারণ থাকতে পারেই না। এই ধরে নেয়াটা বিজ্ঞান না। পলিটিকাল স্ট্যানড। যেকারণে ডাগদার ডাগদার বল্লুম। ডক্টরস আর পলিটিকাল এনটিটি উইথ সায়েন্টিফিক টুলস।
    আবার যদি বলা হয় উভয়ে মিলে বাচ্চার প্রতি সহযোগিতা তাহলে এটা স্বীকার করে নেওয়া ভালো যে বিজ্ঞান এখানে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। বিকল্প ব্রেস্ট মিল্ক তৈরীর কাজ কদ্দুর এগোলো যা এমনকি ব্রেস্ট মিল্কএর চেও বেটার নিড ফুলফিল করতে পারবে। এই প্রসঙ্গ গুলো আসা জরুরি। সেগুলো পেলুম না।
    আগেও এই বিষয়ে প্রবন্ধ পড়তে গিয়ে দেখেছি লেখকরা প্রথমেই অমুক অমুক জায়গায় বলা আছে ব্রেস্ট মিল্কের বিকল্প নেই অতএব এই করা উচিত তাই করা উচিত। দিস ইস নট ফিউচারিস্টিক থিঙ্কিং। মানুষের স্বাধীন জীবনযাপনে কোনভাবে ফিট করছেনা মানে এবার বিকল্প খোঁজো সময় পেরিয়ে যায়। সেই খোঁজা টা তুলে ধরা সাংবাদিকতার অন্যতম কাজ।

    অবন্তিকার লেখার আমি রেগুলার পাঠক। বেশ বেশ ভালো লেখে। এই লেখাটা বড্ড লোডেড লাগলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত