এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • Multibrand FDI 2

    h
    অন্যান্য | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ | ১২৯৯০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | 75.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৭:৫৭512491
  • জ্জিও। আমি এখানে এবারে প্রবন্ধ লিখব, ওখানে তক্কাতক্কিতে ব্যপারটা কেমন জানি হল, সবাই এসে হ্যাটা মেরে গেল। কিন্তু ঐ সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হতে পারব না। পীড়ের নাম নিয়ে নামছি একটু বাদে।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:০৭512602
  • একটু "দীর্ঘ' হ্যাটা মারার জন্য এতো ভূমিকার কি হল? কিন্তু এই টই খোলার অ্যাডমিন টা করতে গিয়ে আমার সকাল সকাল তোর সঙ্গে ঝগড়া করার পবিত্র ইচ্ছেটা উবে গেল। মজা হল কাল অন্যত্র-ও এ এই নিয়ে একটু তুমুল হল। আজ ও শনিবারীয়টা হবে, রতনদার চায়ের দোকানে:-) বিভিন্ন ফ্রন্টে হ্যাটা খেতে খেতে এত বিউটি অভ্যেস হয়ে গেছে, কোথাও আর লুকিয়ে চুরিয়ে কথা বলতে হয় না:-)
  • r2h | 173.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:৪৭512713
  • আমি এখন পীড়ের নাম নিচ্ছি, আর নামবোনা, এবার শুধুই উঠবো হাহাহা
  • aka | 75.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:৫২512935
  • (একটু সঙ্গে থাকুন পুরোটা লিখে নিই)
  • aka | 75.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:৫২512824
  • বস্তুত ভেবে দেখলাম নতুন কিছু কি লেখার আছে? আসলে মৌলিক যা চিন্তাভাবনা যা কিনা দেশে বা বিদেশে বা পাতালে কিংবা স্বর্গে যেখানেই থাকুন না কেন সেখানে থেকেই করা যায় এবং লেখা যায় যদি গুরুর সার্ভার ডাউন না থাকে এবং উক্ত জায়গাবলীতে ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তার প্রায় সবই বিভিন্ন ভাষায় আগের টইতে লেখা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাও লোকের মনে প্রশ্ন আছে, ঠিক মেনে নিতে পারছে না। তাই এইটা ধরা যাক অ্যাডেন্ডাম।

    ভারতের রিটেল - আসলে কিভাবে বাড়ছে?
    -------------------------------------------

    এটা এখন জানা যে গত কয়েক বছর ধরে ভারতের জিডিপি হু হা বাড়ছে - জিডিপি বাড়লেই উন্নতি হয় না এই ফ্যাকড়া আপাতত দুরে থাক, প্রচণ্ড ইচ্ছে হলে একটা ডিপ ব্রেথ নিন, কারণ জিডিপি বাড়লে উন্নতি হয় না তা এই বক্তব্যের সাথে রিলেটেড নয়। তো, জিডিপি বাড়লে কারুর তো আয় বাড়ছে নাকি? বাড়ছে বিশেষত শহুরে মধ্যবিত্তদের, আর মাইগ্রেশন হচ্ছে শহরে। ফলে শহরে রিটেল মার্কেটের ডিমাণ্ড প্রচণ্ড বাড়ছে। ভালো করে একটু খেয়াল করতে হবে। দুটি জিনিষ, এক, লোক বাড়ছে বলে রিটেলের গ্রোথ হচ্ছে, দুই, লোকের আয় বাড়ছে বলে রিটেলের গ্রোথ বাড়ছে। কেমন, প্রথম ক্ষেত্রে লোক বাড়ছে ফলে বেশি জিনিষ লাগছে, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লোকের আয় বাড়ছে ফলে জিনিষ কেনার প্রবণতা বাড়ছে। একটা থাকলে দুটো টিভি, একটা প্লাজমা টিভি, নিত্যনতুন ফ্রিজ, গাড়ির মেইনটেনেন্স ইত্যাদি ইত্যাদি। কোনটা কত শতাংশ জানি না। তবে দ্বিতীয়টাই বেশি বলে মনে হয়, কারণ খাবার দাবার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের ডিমান্ড লোক গ্রাম থেকে শহরে এলে বাড়তে পারে কিন্তু কত আর লোকে খাবে? দ্বিতীয়টাই মানে যাকে আমরা ঘৃণা ভরে কনজিউমারিজম বলি তা বাড়ছে।

    গ্রামেও বাড়ছে, কারণ বর্দ্ধিত জিডিপির পুরোটাই শহরে তা নয় কিন্তু বেশিটাই বোধহয় শহরে। এই নিয়ে ডেটা সমৃদ্ধ পেপার ইত্যাদি অনেক আছে। দেখে নিতে পারেন।

    শহরে রিটেলিংয়ের কনসেপ্টও বদলাচ্ছে
    ---------------------------------------------

    বিলেতের মতন চেইন শপ ইত্যাদিও বাড়ছে, মল বাড়ছে, লোকে সেখানে গিয়ে সময় কাটাতে, জিনিষপত্তর কিনতে ভালোবাসছে। আবার এইটা ঠিক কি ভুল এই নিয়ে মরাল পুলিশের মতন কমেন্ট দান থেকে বিরত থাকুন, কারণ আমাদের আলোচনার স্কোপের বাইরে।

    তো দেখা গেল যে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শহরে মল জাতীয় বা চেইন জাতীয় রিটেলের ডিমাণ্ড খুব বেশি। এই নিয়েও ডেটা আছে বিভিন্ন পেপারে, খুব জোরাজুরি করলে দেব নয়। আপাতত বিশ্বাস করে নিন।

    তাতে সরকারের কি?
    ---------------------------------------------
    লক্ষ্য করে দেখুন এগুলো হল গিয়ে ডেফিনিশন অনুযায়ী অর্গানাইজড সেক্টর। তা এখানে ডিমাণ্ড বাড়ল কি বাড়ল না, তাতে সরকারের কি আসে যায়? যায় যায়, অর্গানাইজড সেক্টরে টাকা পয়সা বাড়লে সরকারের ডাইরেক্ট লাভ হল ট্যাক্স ইনকাম, আর দ্বিতীয়ত পুরো সাপ্লাই চেনের সবার ইনকাম বাড়া এইসব। তো এই যে ডিমাণ্ড বাড়ল তা যদি মিট করার জন্য সরকার এবং আপামোর ভারতীয় জনসাধারণের একটা ভেস্টেড ইন্টারেস্ট আছে।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:১০512978
  • ন্যাড়া দেখলাম মাল্টি ব্র্যান্ড এফ ডি আই নিয়ে প্রশ্ন তোলা লোকজনদের 'ভ্যালু' ভিত্তিক আলোচনার পদ্ধতির কথা বলেছে, ইঙ্গিত টা হল এরা তথ্য আর বিশ্লেষণের বদলে মূল্যবোধ ভিত্তিক আলোচনা চালাচ্ছেন। আরো নানা গালাগাল দিয়েছে, তার সিংহভাগ আমাকে।

    মজার ব্যাপার হল এই দীর্ঘ টই এ, ন্যুনতম অর্থনৈতিক তথ্যের ব্যবহার করেছে ন্যাড়া নিজে। নিজের দৈনন্দইন অভিজ্ঞতার বাইরে পর্যবেক্ষণ করার অভ্যেস, অর্থনীতি বিষয়ের পেপার বা কাগজপত্র বা বইপত্র পড়া বা এই বিষয়ে পেশাদারী কর্ম অভিজ্ঞতা এইগুলোর পরিচয় তার এই টই এর লেখায় কিসুই পাওয়া যায় নি। আর আমি সেই চেষ্টা করলে বলেছে, আত্মপ্রচারের জন্য করছি। গুরুচন্ডালির লোকজনের কাছে আমি কি নতুন আত্ম পরিচয় দেব, সকলেই আমাকে দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, আমার এইখানে প্রকাশিত লেখা তার মধ্যে একাংশ পড়েছেন বলে আশা করা যায়। কি প্রচার করবো? তাদের মোট সংখ্যা দশের নীচে হলেও তো নতুন কিসু প্রচারের নেই। আমার বুক রিভিউ এর থেকে একটা রেফারেন্স দিয়েছিলাম বলে হয়তো বলেছে। এইখানে এতো ডেকোরাম মেনে কথা হয় জানা ছিল না।

    অন্যদের ক্ষেত্রে পার্সোনাল ঘৃণা হয়তো একটু কম, তাই বলছে, ভ্যালু-অ্যাডেড আলোচনা। আর মাঝে মাঝেই সে এও জানিয়েছে যে এই 'বালের' ডিবেটে তার আগ্রহ নেই বা এটা 'ডিবেট' ই না।

    যাই হোক ন্যাড়া যে পার্সোনাল ঘৃণা ঢাকতে না পেরে ক্রমশ: একেবারেই ফাল্‌তু ছেলে হয়ে উঠেছে, এই তথ্য টা ইকোনোমিক না হলেও সামাজিক। নোট করে গেলাম। যদি কোনো ভ্যালুপন্থী দের কাজে লাগে।
  • aka | 75.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:২৯512989
  • এখনও অবধি দেখলাম আগামী কয়েক বছরে শহরে রিটেলিংয়ের ডিমাণ্ড বাড়ছে এবং সরকার এবং তারসাথে সাধারণ জনগণের ভেস্টেড ইন্টারেস্ট আছে সেই ডিমান্ড মিট করার।

    এই ডিমাণ্ড মিট করা যায় কি ভাবে? এক, সরাসরি সরকারী হস্তক্ষেপে, দুই দেশীয় পুঁজিপতিদের আহ্বান করে, তিন, দরজা খুলে দিয়ে মজা লোটো, যো জিতা ওহি সিকান্দার। দেশী বিদেশী তাই দিয়ে আমার কি? জিনিষ বেচবে, ট্যাক্সো দেবে, লোকের চাকরি হবে ব্যস মিটে গেল। আমার কাজ সরকার চালানো আমি চালাব, বাকি প্রোডাকশন, সাপ্লাই চেন ম্যানেজমেন্ট আমার কাজ না, করব না। বর্তমান সরকারের এই স্টান্স।

    এই অবধি হলে ঠিক ছিল, কিন্তু মুশকিল হল ভারতের অনেক লোক এই সেক্টরে যুক্ত। আর সেই বিরাট সংখ্যক লোকের অধিকাংশই আনর্গানাইজড সেক্টরে - ভারতের রিটেল সেক্টরে ২ শতাংশ অর্গানাইজড আর ৯৮ শতাংশ আনর্গানাইজড।

    হ্যাঁ এইখানেই কবি হাউ হাউ করে কেঁদেছেন। মোহন গুরুস্বামী (পাইয়ের পছন্দ হবে) র মতন অর্থনীতির লোক এবং অন্যদিকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মতন পলিটিশিয়ান এটার বিরোধীতা করেছেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় কেন বিরোধীতা করছেন জানা নেই। খুব সম্ভবত ভোট হারানোর ভয়ে। কিন্তু মোহন গুরুস্বামী কিছু যুক্তি, তথ্য ইত্যাদি দিয়েছেন। পাই বোম্বের একটা স্টাডিও দিয়েছে যাতে দেখানো হয়েছে একটি মলের ১ কিমির মধ্যে হকারদের রোজগার খুব কমেছে। ঠিক মনে নেই এরকম একটা কিছু।

    একে একে দেখি:-

    মোহন গুরুস্বামী এবং এট অল
    ---------------------------------
    Consider this scenario. If Wal-Mart were to open an average Wal-Mart store in each of our 35 cities with a population of more than one million, and they reached the average Wal-Mart performance per store – we are looking at a turnover of over Rs. 8030 crores with only 10,195 employees. Extrapolating this with the average trend in India, it would mean displacing about 4,32,000 persons currently engaged in the small retail sector.

    এখানে ইমপ্লিসিট অ্যাজাম্পশনটা হল ডিমাণ্ড একই থাকবে। নইলে জব ডিসপ্লেসমেন্টের কথাই আসত না। বর্ধিত ডিমান্ড যদি ওয়ালমার্ট বা বড় রিটেল মেটায় তাহলে অসুবিধা কোথায়?

    একটু সহজ ফিগার দিলে। ধরা যাক আজকের দিনে ডিমান্ড হল ১০০ টা জামা, সব মিলিয়ে কাজ করে ১০ জন। কাল ওয়ালমার্ট এল, মাত্র ২ জন এমপ্লয়ী বিক্রি করে ১০০ টা জামা। ডিমাণ্ড একই থাকলে ১০-২ = ৮ জনের চাকরি গেল। কিন্তু যদি আরও ১০০ টা জামার ডিমাণ্ড বাড়ে তাহলে ১০+২ = ১২ জনের চাকরি হল। শুধু তাই নয় ১০০ টা নতুন জামা তৈরির জন্য আরও অনেকের অন্ন সংস্থান হল।

    ডিমান্ড বাড়ছে কিনা এই সন্দেহ থাকলে জানাবেন, পেপার, ডেটা দেওয়া যাবে।
  • aka | 75.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:৪৮513000
  • মোহন গুরুস্বামী এবং এট অল এর দাবী কিছুটা হলেও সত্যি হবে যদি এই বিগ রিটেলরা গ্রামে যায় যেখানে ডিমান্ড খুব বেশি নয়।

    এই থেকেই এসেছিল আম্রিগার ওয়ালমার্ট, দেশের ওয়ালমার্ট, দেশীয় গ্রামীন ক্রেতারা কিরকম ইত্যাদি ইত্যাদি।
    ---------------------------------------------

    একটু খেয়াল করলেই দেখা যায় ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি আম্রিগায় সবচে শস্তা, অথচ ভারতে পশ রেস্টোরেন্ট। আম্রিগায় গ্রামেও একটা ম্যাকডোনালডস বা কেএফসি পাওয়া যায়। কিন্তু ভারতে? শুধু বড় শহরে, কেন?

    এরা যেভাবে অপারেট করে, কোয়ালিটি চেক করে, ওভারহেড যত বেশি তাই দিয়ে ফুটপাথের কথা ছেড়েই দিন, এমনকি এমনি মাঝারি রেস্টোরেন্টের সাথেও পেরে ওঠে না। প্রশ্ন হতে পারে এটা কেন করতে হবে? মাল্টি ন্যাশনাল হবার জ্বালাও কিছু কম না। ইন্টারন্যাশনাল ব্রাণ্ড ইমেজ।

    যাইহোক ওয়ালমার্টও একই রকম ভাবে দেশে শহুরে, মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তদের দোকান হবে। কারণগুলো একইরকম। ঠিক তাই গ্রামে গিয়ে ব্যবসা করা পোষাবে না। গ্রামে লোকের চাহিদা অন্য। যা অনেকবার বলেছি। গ্রামে ব্যবসা করতে হলে ধারের খাতা রাখতে হবে, ছোট ছোট পাউচে চিনি, আমুল স্প্রে বিক্রি করতে হবে। খুব সন্দেহ হলে C K Prahlad bottom of pyramid দিয়ে সার্চ করে দেখুন।

    তো খুব সোজা হিসেব ওয়ালমার্ট গ্রামে যাবে না। যেমন গঙ্গা থেকে ৫০ কিমি ভেতরে থাকলে বর্ষায় গঙ্গার জল উপচে বন্যা হবার সম্ভাবনা নেই, এটাও তেমনই।

    তো মোহন গুরুস্বামীদের এই চাকরি যাবার যে থিওরি তা নিতান্তই অবান্তর।
  • aka | 75.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:০৩512381
  • ওয়ালমার্ট এসে লাভ কি?

    ১। ওয়ালমার্ট সাকসেসফুল হলে এই বর্ধিত ডিমাণ্ড মিট করছে অর্গানাইজড সেক্টর মানে সরকারের এবং আমার আপনার লাভ।

    ২। ওয়ালমার্টের বিজনেস ভিশন, ম্যানেজমেন্ট, টেকনলজি ইত্যাদি জনিত কারণে সফল হবার সম্ভাবনা বেশি।

    ৩। যেকটা লোক অর্গানাইজড সেক্টরে চাকরি পাবে তাদের লাভ। ওয়ালমার্টের এমপ্লয়ীদের শত শোষণও ভারতের আনর্গানাইজড সেক্টরের (অধিকাংশ) শোষণের সাথে তুলনীয় নয়।

    ৪। একে বলে স্পিল ওভার এফেক্ট। ওয়ালমার্টের এফিশিয়েন্সি অন্যান্য সংস্থায় উপচে পড়বে। একটা উদাহরণ দিলে সুবিধা হবে। এইচএসবিসি, সিটি ব্যাঙ্ক আসার ফলে এসবিআইয়ের সার্ভিসের আকাশ পাতাল পার্থক্য। এইচডিএফসির মতন ব্যাঙ্ক তৈরি হয়েছে। ইত্যাদি।

    ৫। ওয়ালমার্ট সাপ্লাইচেনে ফড়েদের বাদ দেবেই দেবে এতে করে অন্তত খানিকটা হলেও সাপ্লাই চেনটি ঠিক হবে।

    তাই ওয়ালমার্ট এলেই যে আশংকা সব ভেঙে পড়বে তা নিতান্তই অমূলক। এরকমই পলিটিকাল পশ্চারিং দেখা গিয়েছিল ১৯৯০ তে যখন দেশের দরজা খোলা হয়েছিল। ছোট বিজনেসের কি হবে?

    দেখা যাক ছোট বিজনেসের কি হয়েছে।

    In 1990s, with dereservation of small scale industries (SSIs), even though there was speculation of their decline, the employment generated by registered SSIs grew at four per cent in the first decade of the post-liberalisation era (1993-1994 to 2003-2004), and accelerated to 19 per cent in the five year period between 2003-2004 to 2008-2009.

    তাহলে কি রিটেলে FDI হলেই উই উইল লিভ হ্যাপিলি এভার আফটার?
    -----------------------------

    বলা খুব মুশকিল। যদিও যুক্তি এবং অন্যান্য ডেটা বলছে অন্তত ক্ষতি হবে না। ইকনমিস্ট বা মোর প্রিসাইসলি পলিসি মেকারদের অমৃতলাল হতেই হয়। কারণ সেটাই তাদের কাজ। কিন্তু সেই অমৃতলাল সাজার পেছনে কিছু তথ্য, তঙ্কÄ এবং যুক্তি থাকে। আমার যা যা মনে হয় লিখলাম।

    এগুলোই এতক্ষণ ধরে খেপছে খেপছে লিখেছি।

    যাক এই অবধিই। এবারে অন্যদের দান।
  • a | 208.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:৫৫512392
  • এহ হিসাবে ভুল

    IP Address : 75.76.118.96 Date:03 Dec 2011 -- 09:29 AM এই পোস্টে, ১০০ টা জামার ডিমান্ড বাড়লে তো ২+২=৪ জনের চাকরি হবে, মানে টোটাল ৬ জন চাকরি হারাবে।

    আর এই ৬ বা ৮ জন চাকরি হারালে ডিমান্ড এক থাকবে কিভাবে?
  • . | 14.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:১৩512403
  • এইটা তা হলে নতুন টই। ঈশানবাবুকে এখানে বলা যাক।

    দেশের বিরাট অংশের অর্থনৈতিক নড়াচড়াকে হিসেবের বাইরে যাতে না রাখা হয়, স্পেসিফিকালি সেই কারণেই সংগঠিত ও অসংগঠিত দুই ভাগ করে আলাদাভাবে অ্যানালাইজ করবার চেষ্টা হয়। কেননা, (এটি আন্ডারলাইন করবেন), সংগঠিত অর্থনীতির নিয়ম-হিসেব-মডেল ইত্যাদি দিয়ে অসংগঠিত অর্থনীতিকে এস্টিমেট করা যায়না। তার জন্য অন্যরকম এস্টিমেশনের চেষ্টা হয়। হয় বলেই আলাদাভাবে সেটি রেকনাইজ ও অ্যানালিসিসের জন্য দুটি ভাগের আলাদা নাম, আলাদা হিসেব, আলাদা মডেল ইত্যাদি।

    এই আলাদা মডেল (বা মডেল তৈরির চেষ্টা) যদি না থাকে, যদি সমস্ত ইকনমিকেই একধারসে 'সবই তো সংগঠিত ' বলে ক্যাজুয়ালি নিদান দিয়ে দেন, তাহলে এই সমস্ত 'অন্যরকম' অ্যানালিসিসের প্রয়োজনীয়তা ঢাকা পড়ে যায়। সেটা যেমন আপনার কাম্য নয়, তেমন ইকনমিস্টদেরও কাম্য নয়।

    'আমি দেখি সবই সংগঠিত - সরকারি হোক বা বেসরকারি - অতএব ভাগাভাগি করার কোন মানে নেই' - এই ধরণের হঠকারী ও ক্যাজুয়াল মন্তব্য দিয়ে ইকনমিক্সের অ্যানালিসিস বা আলোচনা হয় না। উদ্দেশ্য যতই মহৎ বা সঠিক হোক প্রকাশভঙ্গী একটি জরুরি বিষয়। অর্থনীতির একটি নিজস্ব ভাষা আছে। সেই ভাষার প্রতি নজর রাখা উচিত বলে মনে করি।
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫৪512414
  • একমত হলাম না। বে-আইনি/আন-রিপোর্টেড/আন-রেকর্ডেড অর্থনৈতিক কার্যকলাপ আর ইনফর্মাল সেক্টর মোটেও এক জিনিস নয়। (যে তিনটে লিখলাম, তারা হল এক্সিস্টিং ক্যাটেগরি। এক্ষেত্রে এর বাইরেও অন্য কোনো ক্যাটিগরির প্রয়োজন পড়তে পারে। ) পুরোটাকেই "অসংগঠিত' বলে লেবেল মেরে দেওয়া মানে হল এর ভিতরের পাওয়ার স্ট্রাকচার আর ডায়নামিক্সটাকে অস্বীকার করা। দেশীয় অর্থনীতিবিদরা দিনের পর দিন তাই করে চলেছেন।

    দেশে মাঝে সাঝে শুনি ব্ল্যাক মানির এস্টিমেট হয়। ব্ল্যাক মানি নাকি জিডিপির চেয়েও দ্রুতগতিতে বাড়ছে। গোটা রেকর্ডেড জিডিপির ৫০% বলেও শোনা যায়। কিন্তু তার সঙ্গে এই "অসংগঠিত' সেক্টরের সম্পর্ক কি, সে নিয়ে (ভারতের স্পেসিফিক ক্ষেত্রে) অর্থনীতিবিদরা কিছু করেছেন? তাঁরা "সবই অসংগঠিত' এবং ইউনিফর্ম ধরে নিয়ে সেখানে "লেবার ল'র অভাব, শ্রমিকদের দুর্গতি ইত্যাদি চাট্টি বাঁধাগতের জিনিস নিয়ে প্র্যাকটিস করে গেছেন। এর বাইরে অন্যকিছুর দিকে নজর দেবার প্রয়োজনি বোধ করেন নি। যদিও সেটা খুবই দরকার ছিল এবং আছে।

    পু: এখানে আমি পেপার লিখছিনা। ফলে অর্থনীতির টার্মের পবিত্রতা রক্ষার কোনো দায় আমার নাই। আমি লুজলি লিখছি এবং লিখব।

    আমি একটা ফোরামে লিখছি। তারও কিছু নিয়মকানুন আছে। ভাষা আছে। সেটাও স্লাইট অধ্যয়ন করা প্রয়োজন মনে হয়।
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৮512425
  • আকাকে থ্যাঙ্কু। এতক্ষণে বিবাদ করার মতো একটা টেক্সট পেলাম। সে বিষয়ে আমার মূল্যবান মতামত:

    আকার একটা পয়েন্ট খুব ইন্টারেস্টিং। যেটা আকার অবসার্ভেশনের উপর দাঁড়িয়ে করা। যে, একই ব্র্যান্ডের পোজিশনিংএর ক্ষেত্রে দেশ ও বিদেশে বিস্তর তফাত। ম্যাক আমেরিকায় হল অগতির গতি, আর এ দেশে পশ। সুপার মার্কেট আমেরিকায় হল পাতি মুদির দোকান, আর এখানে হাইফাই জায়গা। এবং এর উপরে দাঁড়িয়ে আকা কইছে, যে, ওয়ালমার্টের কেসটাও তাইই হবে।

    যদি তাইই হয়, তো তো আকা ঠিকই বলছে। শহরের তিনটে মলে তিনটে ওয়ালমার্ট হলে কোত্থাও কারো কিচ্ছু এসে যাবেনা। সত্য কথা। কিন্তু সমস্যাটা হল, যে, ওয়ালমার্টের বিজনেস স্ট্র্যাটেজি কি আমরা জানিনা। এখনকার মলগুলোর যে মার্কেটিং বেস, তার বাইরে ওয়ালমার্ট যেতে চাইবেনা, তা আমরা জানলাম কিকরে? সেটা যদি ওয়ালমার্ট করে, তো আকার মডেলে ব্যথা আছে। সেক্ষেত্রে ওয়ালমার্টের দাপটে অনেকেই ভোগে যাবে।
  • pinaki | 14.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১১512436
  • 4,32,000 : 10,195 = 42.37 : 1

    উপরে যা পড়লাম সেই অনুযায়ী এটা হল স্পেকুলেটেড জব লস আর জব জেনারেশন এর অনুপাত। বলতেই হচ্ছে - এটা হিউজ। শুধু বর্ধিত ডিমান্ড দিয়ে এটা মেকাপ হয়ে যাবে - এই ব্যাপারটা একটু ওভার-অপটিমিস্টিক শোনাচ্ছে।

    ডিমান্ড কি এই অনুপাতে বাড়বে বা বাড়ছে? এই ডিমান্ড বাড়ার হার সংক্রান্ত কোনো তথ্য আছে? কি থেকে বোঝা গেল যে বর্ধিত ডিমান্ড দিয়ে জব লসের পুরোটাকে কম্পেনসেট করে দেওয়া যাবে?

    আমি আগের আলোচনাটা পড়ি নি। আকার এই লেখাটা খুব সুখপাঠ্য আর সহজবোধ্য হয়েছে। তাই ঝপ করে পড়ে ফেল্লাম। কিন্তু পড়ে আমার এই একটা খটকা হল।
  • Ishan | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৮512447
  • আরেকটা জিনিস আমি যোগ করতে চাইব। সেটা অবশ্য আকার পক্ষেই যাবে।

    এ দেশে ব্যবসা করতে গেলে অজস্র রকম অলিখিত চুক্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ওয়ালমার্টকেও যেতে হবে। স্থানীয় জোটরা এখানে কিছু কম শক্তিশালী নয়। এই কোথায় যেন স্থানীয় বিক্রেতারা বিগ রিটেলরকে বাধ্য করেছে তাদের চেয়ে একটাকা বেশি দামে মাল বেচতে। নইলে পাতি দোকান চলতে দেবেনা। এরই বৃহত্তর ক্ষেত্রে ম্যানিফেস্টেশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল বিরোধিতা।

    এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যে, একটা পর্যায়ে এসে সবাইই মেনে নেবে, কিন্তু তার আগে গুচ্ছের নেগোশিয়েশনের মধ্যে দিয়ে চলতে হবে ওয়ালমার্টকে। অনেক কমপ্রোমাইজ করতে হবে। সেটা একচেটিয়ার সম্ভাবনাকে অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

    আরও অনেক কিছু লেখার ছিল। কিন্তু মাথাটা ক্যামন ভোঁ ভোঁ করছে। বাকি পরে লিখব।
  • pi | 72.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৯512458
  • তাড়াহুড়ো করে লিখছি, খুব গুছিয়ে হবেনা। কারণ অনেক। তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে, সময় সংক্ষেপ।

    ১। বর্ধিত ডিমাণ্ড সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন আছে, এখন তুল্লাম না। কেবল একটি বাদে। এতটাই যদি বেশি ডিমান্ড, তাইলে হ্যাঁ, এই যে এত সার্ভে, স্টাডি হয়েছে ( হ্যাঁ, বম্বেরটির পরেও আরো বেশ কিছু কেয়ারফুল ডিটেইলড স্টাডি হয়েছে,নানা শহরে, ইনক্লুডিং সরকারের - আমি আর এখানে 'পেপার' দিলুম না, সন্দেহ বা ইচ্ছে থাকলে নিজেরা খুঁটে খান :) ), সেখানে এমনি দেশীয় রিটেল আসার ফলে, হ্যাঁ, আশেপাশের ব্যবসা উঠে গেছে, তাদের ( একেকটা স্টাডিতে সংখ্যা একেকরকম, কিন্তু মোটামুটি ৫০-৭০% ) বলছে এগুলি আসার পরে আয় বেশ কমে গেছে ! হ্যাঁ, এবার এর মধ্যে সেক্টর অনুযায়ী, অবস্থান অনুযায়ী ভাগাভাগি আছে। যেমন পাড়ার গলির ভিতরের দোকানের বিজিনেস নষ্ট হয়নি ইত্যাদি।
    তো, ঘটনা হল, দেশীয় রিটেইলের বেলাতেই এই ? তাহলে এখন এই এতগুণ বেশি যা আসতে চলেছে, তা এক্সিস্টিং কিছুতে খাবলা মেরে বেশিটাকে

    ২।এবারে, তোমার হিসেব মত ডিমাণ্ড এত বাড়ছে ধরলেও ( যেটা ঠিক নয় বলে প্রথম পয়েন্টে বলেছি) ব্যাপারটা, ঐ ২০০ জামার জন্য ২+১০ এর সহজ হিসেবে থাকবে কি ? ১০ জনের চাকরি খেয়ে ওয়ালমার্ট যখন ২ জনকে সেটা করাচ্ছে, সেটা বিক্রেতা ওয়ালমার্ট কর্মী আর অন্য দোকান এই হিসেবে বলছ তো ? তো, এখানে, তুমি ধরে নিলে, ১০০ টা বেশি জামাকাপড়ের ডিমান্ড মেটাবে ওয়ালমার্ট। হরে দরে বাকি দোকানগুলোর জন্য আগে ১০০ ছিলো, পরেও তাই। ওয়ালমার্টকে নিয়ে সমস্যাটা তো এখানেই বলা হচ্ছে। ওয়ালমার্ট এই ১০০ টা জামা যে দামে দেবে ( বিবিধ কারণে, যেগুলো নিয়ে পরের পয়েন্টে আসছি), তাতে করে অরিজিনাল ও অন্যদের ১০০ তেও তারা ভাগ বসাবে না, এতে গ্রান্টি কই ? এখানেই তো আশঙ্কাটা করা হয়েছে।

    (চলছে)
  • pi | 72.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:০৬512469
  • ৩। হ্যাঁ, এবার এটার কারণ হিসেবে তুমি বলছো, দেশে ম্যাকডির মত ওয়ালমার্ট ও শহরের মূলত: উচ্চবিত্তদের ক্যাটার করবে। এখানেই তো অন্যত্র ওয়ালমার্টের স্ট্র্যাটেজির দিকে চোখ দেবার দরকার হয়ে পড়ে। না, ডেভেলপড দেশ নয়। অনেকটা আমাদের মতই কোন উন্নতশীল দেশকে নেওয়া যাক। মেক্সিকো। কমরেড, লক্ষ্য করে দেখুন, সেখানে ওয়ালমার্ট মূলত সার্ভ করছে মূলত: লোয়ার ইনকাম সেগমেন্টকেই। শহর মানেই তো কেবল বড়লোকদের জায়গা, এমনটা আদৌ নয় !
    আর তারা সেখানে কমপিট করছে রাস্তার ভেণ্ডরদের সাথেই, কারণোখানকার লোকজন তাদের থেকে কম দামে কিনেই অভ্যস্ত। এবং সারা দেশে এখন হাজার হাজার ওয়ালমার্ট। একের পর এক অন্য রিটেইল তারা অধিগ্রহণ করে নিয়েছে। না, দাম বাড়ায়নি। কারণ স্ট্রীট ভেন্ডরদের সাথে প্রতিযোগিতা। তো, এইরকম একটা সাকসেসফুল মডেল থাকতে তারা আমাদের দেশে সেরকম কিছু অ্যাপ্লাই করার চেষ্টা করবে না কেন ?
    এদেশের একটা বিশাল মার্কেটকে তারা ধরতে চায়, একথা নানা জায়গায় নানা ভাবে বলেছে তারা, আর এই এতদিন ধরে লেগে আছে, এই এϾট্রটার জন্য। সেটা কি ঐ এখন স্পেনসার যেমন করে চলছে, সেইরকম চলার জন্য !

    ৪। বারেবারে শুনছি, এতে করে দু'দল খুব লাভবান হবেন, ক্রেতা ও প্রাইমারি প্রোডিউসাররা। তা, ক্রেতারা হবেন বটে। অনেক পরে মনোপলি হবেকিনা সেই প্রশ্নে যাচ্ছিনা। আপাতত নয় ধরেই নিলাম, হচ্ছে না। তো, ক্রেতা লাভবান হচ্ছেন। সেটা ভাল।
    কিন্তু প্রাইমারি প্রোডিউসারদের গল্পটা একটু ভাল করে দেখা যাক। ওয়ালমার্ট কিন্তু এদের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করার সেক্টরটাতে ক'বছর আগেই ঢুকে পড়েছে। ভারতী-ওয়ালমার্ট হয়ে। মেট্রো ক্যাশ অ্যাণ্ড ক্যারির মতন হোলসেলার। পঞ্জাবে তারা সরাসরি চাষীদের থেকে কেনে। তাই না, তারা আলাদা ভাবে চাষ ও করায়।তো, মিডলম্যান নেই। কৃষকরা কতটাবেশি পান ? না, ৫-৭%। আর পরিবহন খরচটাও কিছু লাগেনা। তো, এটা নাকি তাদের দেশে এϾট্র নেবার স্ট্র্যাটেজি। নিজেরাই বলেছে। যখন কৃষকদের ম্মধ্যে তারা ভরসা তৈরি করতে চায়। এখানেই ৫-৭% মাত্র বেশি। এরপরে কী হতে পারে ? ওয়ালমার্টকে নিয়ে এক্ষপ্লয়টেশনের সবচেয়ে বড় অভিযোগ কিন্তু, না, কর্মচারী না, সাপ্লায়ারদের। ওয়ালামার্ট তাদের থেকে সরাসরি কিনছে বটে, কিন্তু মিডলম্যানের অনেকটা টাকা নিজেই গাপ করছে, কারণ সাপ্লায়ারদের ফোর্স করছে কম দামে দিতে ! এনিয়েও অনেক লেখাপত্তর আছে, পড়ে নিতে পারেন। ও হ্যাঁ, মেক্সিকোতে এই নিয়ে কেসপত্তরও হয়েছে। বলা বাহুল্য, ওয়ালমার্টকে কিছু করা যায়নি।
    হ্যাঁ, বলবেন যে, ভারতীয় ক্ষেত্রে এমনিতেই তো অবস্থা খারাপ তাদের। তার থেকে কি খারাপ হবে ? এখানে একাধিপত্য বিস্তার করলে বার্গেইন করে এখনের চেয়ে কমাতেই পারে। কিন্তু সেটা হলেও অনেক পরে হবে। এখনকার জন্য নাহয় ধরে নিচ্ছি হবেনা। কিন্তু তাদের অবস্থার কোন বিশেষ উন্নতি আদৌ হবে কি ? ঐ ম্যাক্সিমাম ৫-৭% আয় বৃদ্ধি ?
    যাই হোক, এদের পরিত্রাণায় ওয়ালমার্টকেআনা হচ্ছে, বা এলে এদের জীবনে অবশেষে সূর্যোদয় ঘটবে, এমনতর যুক্তি না দিলেই হল। অন্য ব্যবস্থা না নিলে ( যেগুলোর কথা আগেরদিন লিখেছিলাম ) এরা যে তিমিরে, প্রায় সে তিমিরেই।

    বরম, আমার আশংকাঅ, বেশ কিছু সেক্টরে অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে। গারমেন্ট ওয়ার্কারদের সাথে এদের যেভাবে ট্রিট করার ইতিহাস আছে, সেটা আমাদের দেশের এখনকার সিস্টেমের থেকেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে খারাপ। ও হ্যাঁ, এনিয়েও রিপোর্টপত্তর আছে, পড়ে নিতে পারেন।

    (চলছে)
  • pi | 72.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:২৫512480
  • ৫। আগের পোস্টের ঐ ভারতী-ওয়ালমার্টের হোলসেলের প্রসংগক্রমেই এই পয়েন্টটা। ওদের দাবী এই হোলসেলের জন্য এতদিন ওরা দেশে অনেকটা ইনভেস্ট করে ফেলেছে, এবার এই হোলসেলার হবার পূর্ণ বেনিফিট ওরা পাচ্ছে না, যতক্ষণ না ওরা নিজেরাই একা রিটেইলিং এ আসতে পারে। আর সেইজন্যই এত আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে ও আসার ব্যাপারে আশাবাদী ইত্যাদি। তো, নিজেরাই হোলসেলার হলে ওদের দাম যথেষ্ট কম থাকবে কিনা ?
    তেমনি, অন্যান্য গুডসের ক্ষেত্রে, আগেরদিন অন্যরা বল্লেন, আর হ্যাঁ, নানা পেপারেও বলছে ওয়ালমার্টের সাথে চায়নার আলাদা ডিল আছে। দেশের অন্য দোকানের চেয়েও কম দামে সেই মালগুলো দিতে পারবে।
    এবার ২ নং পয়েনকে কে রিভিসিট করা যাক। বাকি ১০০ টা জামায় কোন থাবা বসাবে না ? বসানো মানেই কিন্তু জব লস কমরেড। বাকিদের আর্থিক ক্ষতির কথা তো চীড়েই দিলাম।

    ৬। এটা একটা প্রশ্ন আমার। আমি এখানে ধরে নিলাম, ডিম্যান্ড অনেক বেড়েছে ও ক্রমবর্ধমান। তো, সেই বর্ধিত ডিম্যান্ডের সূত্র ধরে যা কিছু আয় হবে সেটা অর্গ্যানাইজড রিটেইলে হোক না কেন, তালে তো জব লসও হবে না, সরকারেও আয় হয়,এই যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। আমি কি পাল্টা যুক্তি দিতে পারি, যে এই বর্ধিত ডিম্যান্ড কে এই ব্‌ড় কর্পো দেশি ( ও মূলত: ওয়ালমার্ট, আইকিয়ার মত বিদেশী) পুঁজির রিটেইল দিয়ে না মেটালে আরো ছোট মাঝারি দোকান তৈরি হতে পারে। যেহেতু এক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক বেশি লেবার ইন্টেন্সিভ ((সেটা নিয়ে তো কোন তর্ক নাই), অনেক অনেক বেশি জব তৈরি হবে, তাই না ? বর্ধিত ডিম্যান্ড ই ড্রাইভিং ফোর্স হলে ( যেটা আমি এখানে, এই পয়েন্টের জন্য মেনে নিয়েছি) আরো আরো অনেক বেশি জব জেনেরেশানের সুযোগ কেন নষ্ট করা হচ্ছে ? দেশে তো বেকার কিছু কম পড়ে নাই !!
    হ্যাঁ, তুমি এটার কারণ দেখিয়েছ, কেন এটা অর্গানাইজড রিটেইলে চ্যানেলাইসড হওয়া উচিত। কারণটা ঐ সরকারের আয়। তো,এবার মামুর পোস্টগুলোর দিকে নজর ফেরাই। এরা অসংগঠিত হলেও ব্যবসার জন্য কোন টাকা দিচ্ছে না, এমন তো নয় কেসটা। সে টাকা বেসরকারি ভাবে সরকার ও বিরোধী পার্টির পকেটে ঢুকে যাচ্ছে। এই দিকটায় নজর দেবার বন্দোবস্ত করলে হয় না ? এই সিন্ডিকেট জাতীয় জিনিস তো সবার আগে ভাঙ্গা উচিত। তাতে ক্রেতাদেরও উপকার। আসল যারা বিক্রেতা,তাদেরও। সরকারেরও। আর বর্ধিত ডিম্যান্ড থাকলে আরো অনেক অনেক বেশি কর্মসংস্থান হওয়া লোকজনেরো।

    নইলে কেমন জানি মনে হয়,এরা যদি এϾট্র পেয়েই যায়, তো শেষমেষ তোমার ঐ একটা টিভির পর প্লাজমা টিভি কিনতে পারা লোকজনের জন্য আঅরো তিনটে টিভি কেনা সহজতর হবে বটে কিন্তু বাকি অনেক অনেক মানুষের জীবন অনেক অনেক দিক দিয়ে অনেক কঠিন হয়ে যাবে।
  • pi | 72.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৪১512492
  • আরো কিছু পয়েন আছে। কিন্তু আজ আর হবেনা। কালও হবেনা হয়তো।

    ও হ্যাঁ, এক নং পয়েনে উল্লিখিত সব স্টাডিই ( কয়েকটা বেশ বড় ও রিসেণ্ট) দেশের নানা শহরের কিন্তু। বিদেশ নয় :)
    নাম টাম আর কপি পেস্ট করলাম না। খুঁজলে পেয়ে যাবেন। তবে কপি পেস্ট বলতে মনে হল, এই যে 'উন্নত' হবার সংজ্ঞাটা আমরা প্রথম বিশ্ব থেকে কপি পেস্ট মারি, , মডেলটাও ( আমি নিজেও তার বাইরে থাকতে পেরেছি বা পারছি, এমন বলছিনা)- এই বর্ধিত ক্রয়ক্ষমতা, বর্ধিত ডিম্যান্ড, বর্ধিত মল, বর্ধিত কেনাকাটা, অতএব বর্ধিত জীবনযাত্রা মান, এর বাইরে কি কিছু ভাবা সম্ভব ? আর, এই বাড়ার তো কোন শেষও নেই, তাই কোথায় গিয়ে পৌঁছবে ঠিক ঠাহর করতে পারিনা।
  • lcm | 69.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৫০512503
  • গত ১০০ বছরের বেশী সময় ধরে যে ক®¾ট্রাল/পাওয়ার ছিল কনজিউমার গুড্‌স ম্যানুফ্যাকচারার/প্রোডিউসার-দের হাতে, তার কিছুটা চলে গেছে গ্লোব্যাল রিটেইল ডিস্ট্রিবিউটরদের হাতে।

    ... a hundred-year history in which the manufacturer was powerful and the retailer was sort of the vassal...

    ... Now the retailer, the mass global retailer, is the center, the power, and the manufacturer becomes the serf, the vassal, the underling, who has to do the bidding of the retailer.
    ...
    That's a new thing....


    এটা নতুন। গত ২৫-৩০ বছরের। কিন্তু এটা হবে। আজ, নাহলে কাল।

    কেল্লগ, কোক, পেপসি, প্রোক্টর এন্ড গ্যাম্ব্‌ল,
    জনসন এন্ড জনসন, ডাও কেমিক্যাল, কোলগেট, ক্যাডবেরি, সোনি, স্যামসুঙ ... - এরা তো আরো অনেক বেশী দেশে - এদেরকে যখন সয়ে গেছে... ওয়ালমার্ট ও সয়ে যাবে। ওয়ালমার্ট তো সবে ২৬ টা দেশে এখনও অবধি।

    একবার মার্কেট খুলে দিয়ে এখন দরজা বন্ধ করা মুশকিল। দরজা বন্ধ করে বসে থাকলে (যেমন ছিল ) এই কনফিউশন হত না।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:০৫512514
  • আকার পয়েন্ট টা নতুন কিসু না। আগের থ্রেডে একেবারে প্রথম দিকে (এবং মাঝের ও শেষের দিকে :-) ) আকা এই কথা বলেছে। খুব সংক্ষেপে সেই কথা হল বিলিতি ব্র্যান্ডের প্রচন্ড মাইক্রো লেভেল বিস্তার কি করে হবে, শ্যামনগর রহড়া ইত্যাদি। অতএব বাই একসটেনশন, সত্যি সত্যি মাইক্রো লেভেলের ব্যবসায়ীদের বা তার কর্মচারীদের বা সেই চেন এর লোক দের চাকরি/কাজ/ব্যবসা বিপদাশংকা করার পক্ষে কোন যুক্তি নেই।

    ইশান যে মূল পয়েন্ট টা বলেছে, (সংগঠিত অসংগঠিত টার্মের ব্যবহারে আমি একমত নই) সেটা ভ্যালিড, এবং আমি একমত, সেটা হল ছোটো খুচরো ব্যবসায়ী দের রুজি রোজগার এতে জড়িয়ে আছে, মমতা হলেন তাঁদের রিপ্রেজেন্টেটিভ, অতএব তাকে এই এফ ডি আই বিলের বিরোধিতা করতে হয়েছে। বিভিন্ন ধরণের ইকোনোমিক রিয়েলিটি তে বিভিন্ন ধরণের পোলিটিকাল আলাইনমেন্ট শুধু না বিভিন্ন পোলিটিকাল কনস্টিটুএন্সি তৈরি হয়, এই কথা আমিও বলেছি, এবং এই বকতব্যে মূলত: সহমত। আমি ও আগে একটু অন্য ভাবে বলেছিলাম, কংগ্রেস কর্পোরেটের ইন্টারেস্ট দেখার পাশাপাশি আগে অন্তত মেনলি এই ছোটো ব্যবাসায়ী দের ইন্টারেস্ট ও দেখতো। তাই সে বাজাজ আর বিড়লা দের সঙ্গে ছোটো মিল ওনার দের বা বড় ডিলার দের সমর্থন ও পেত। কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্কের ইম্ব্যালান্স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই শক্তি ও তাকে ডেসার্ট করে নতুন নতুন দল কে শক্তিশালী করেছে। প্রচুর পোলিটিকাল কারণের সঙ্গে এটাও একটা কারণ। বিজেপি র বড় বাজারে ৮০ র দশক থেকে হঠাৎ ক্ষমতাবৃদ্ধি, শুধু ভাষার কারণে আর রামের কারণে হয় নি।

    এই বার আমার পয়েন গুলো বলি।

    ১। আকার উদা গুলো, কে এফ সি, ম্যাক ইত্যাদি, এগুলি সিঙ্গল ব্র্যান্ড শুধু না, একটি ব্যবসা, যেটি টেক অ্যাওয়ে খাবার আর রেস্টোরেন্ট এর মাঝামাঝি একটা সেগমেন্ট যার একটা ব্র্যান্ড এবং ব্যবহারিক অ্যাপীল আর্বান ইউথ কালচারে এসেছে। কিন্তু এই দিয়ে ওয়ালমার্ট, টেস্কো, অন্যান্য ইউরোপীয়ান বা জাপানিজ বড় মাল্টি ব্র্যান্ড স্টোরের ক্ষমতার প্রিভিউ সম্ভব না। খাবার দাবার আনাজ থেকে জামা কাপড় হোয়াইট গুডস আর ইলেকট্রিকাল্‌স ও এর আওতায় পড়ে। দ্বিতীয়ত: এই অ্যানালজি করার সময়ে আকা ভুলে যাচ্ছে, যেটা আমার আর এল সি এম এর বিতর্কে উঠে এসেছিল, সেটা হল, কর্ণার স্টোর (বা ধর বম্বে দিল্লি র কিরানা স্টোর) কে রিপ্লেস করার চেষ্টা বিদেশে আগে হয় নি তা না। 'এক্সপ্রেস' রিটেল চেন, শহরের মধ্যেকার ছোটো রিটেল শপ এ বহু আগে থেকে বড় স্টোর ঢুকেছে। টেসকো এক্সপ্রেস, বা সেন্সবেরি এক্সপ্রেস কিছু নতুন কনসেপ্ট না, প্রচুর ছোটো রিটেল স্টোর টেস্কো কিনেছে ইউ কে তে। সেটা এখানে এলাকা ভিত্তিক ভাবে ঢুকতেই পারে। কোন এলাকায় কি ধরণের এফ এম সি জি বা ওয়ারহাউজিং আছে সেই অনুযায়ী এর প্যাটার্ণ বেরোবে। আর নতুন সাপ্লাই চেন এ পুরোনো সাপ্লাই চেন এর ব্যবসায়ীরা নতুন করে রিলেশন এ জড়িতে যেতেই পারেন, তাতে নতুন পোলিটিকাল আলাইনমেন্ট তৈরি হতেই পারে, কিন্তু তাই দিয়ে একটা নতুন ইকোনোমিক রিয়েলিটি তে অ্যাডজাস্টমেন্ট বোঝানো যায়, সেটা ভালো না মন্দ তর্ক করা যায় না। প্লাস প্রচুর কর্মচারী রয়েছেন এইসব ব্যবসায়।
    হ্যাঁ হতেই পারে বাইপাসে সবার আগে ওয়ালমার্ট হল, আর সবার পরে হল বোলপুরের ডাউনটাউনে, সাইজ ও ছোটো হল, কিন্তু হবে না এই কথা বলা যায় না।

    ২। একটা কথা কেউ বিশেষ বলছে না, সেটা হল, অ্যান্টি হোর্ডিং যে কটা আইন ছিল, জবাহরলাল এর সেই কালোবাজারী দের সম্পর্কে ল্যাম্পপোস্টে লটকানোর ঘোষণা সঙ্কেÄও স্বাধীনতার পর থেকে দুর্বল করা হয়েছে, তুলেও দেওয়া হয়েছে। ইউ পি এ ওয়ান না নরসিম্‌হা রাও এর সর্কার, কে যেন ভুলে গেছি, অ্যান্টি হোর্ডিং ল থেকে ক্রিমিনাল প্রসিকিউশন এর প্রভিশন ও তুলে দেওয়া হয়েছে। লেজিসলেটিভ ঝোঁক টা কোন দিকে সেটা পরিষ্কার। আর মজা হল, হোর্ডিং সামলাতে না পেরে, হোর্দিং এর মনোপোলি একটা বা দুটো বড় প্রাইভেট প্লেয়ার এর হাতে তুলে দেওয়াটা একটা সমস্যা সমাধানের হাস্যকর পদ্ধতি। আরো মজা হল, এই একই যুক্তিতে এফ সি আই কে বা পিডিএস কে আরো ক্ষমতা, বাজেট দেওয়া যেত, সেটা করা হয় নি, কারণ অ্যাসাম্পশন হল সরকারি ব্যবস্থা হল ইনএফিসিয়েন্ট। তো সেটা এফিসিয়েন্ট করার কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? সিরিয়াসলি হাস্যকর।

    ২। এর পরে হল, হ্যাঁ এখনকার যে সব খুচরো ব্যবসায়ী, তার অনেকেই ট্যাক্স ফ্যাক্স দেন না। তো ট্যাক্স ডিপারমেন ঘুষ টা না খেয়ে যাতে ট্যাক্স বেস বাড়ানো যায় তার চেষ্টা করতে পারেন। সেল্‌স ট্যাক্স পার্ট টা দিদি র কাজেও লাগবে। প্রণবদা, বিদেশী অ্যাকাউন্ট হোল্ডার দের কাছে কিছু কিছু ট্যাক্স পাচ্ছেন রোজ ই খবর বেরোচ্ছে।

    ৩। তার পরে হল, কর্মচারী রা ছোটো ব্যবসায়ী দের কাছে এক্সপ্লয়েটেদ, ক¾ট্রাক্ট লিগালাইজড না। হ্যাঁ অনেক ক্ষেত্রেই তাই, প্রচুর এক্সপ্লয়েটেশন আছে। কিন্তু এটা মজার যুক্তি দুটো কারণে, ওয়ালমার্ট নিজে মাল তৈরি করবে না, সে পেটি প্রোডাকশন ইউনিট থেকেই কিনবে, ধর গিয়ে, প্যাকেজিং এর মেটেরিয়াল। কিন্তু সেই ইউনিটে লেবার ল যদি আজ মানা না হয়, ওয়াল মার্ট এলে কেন মানা হবে মাইরি? আজ যদি এগজিস্টিং লেবার ল মানা না হয়, কাল হবে কেন, ওয়ালমার্ট নিজে মানলেও সেটা যথেষ্ট?

    ৪। একটা কমন যুক্তি হল, বিশেশ করে ফ্রেশ পেরিশেবল এর ক্ষেত্রে। ফড়ে রা নিজেরা নিজেদের খুশি মত দাম দেয়, পাইকারি দাম ক®¾ট্রাল করে, বাজার মালিক গুন্ডা রা ইচ্ছে মত খুচরো দাম নিয়ন্ত্রণ করে। প্রথমত রাইট অফ রিজেক্‌শন ফর্মাল ইনফর্মাল সব রকম ক¾ট্রাক্ট এ বায়ার এর হাতে থাকে। এটা যে কোনো সেল্‌স এর চাগরি তে প্রথম পাঠ। (আমি এমন কি সেটাও করেছি, লাইফ টা মাইরি সত্যি আমার মধ্যমান) সেটা টেসকো এলে চলে যাবে, কোয়ালিটি ক®¾ট্রাল এর নামে থেকে যাবে না, এটা আজব যুক্তি। বড় কাপড়ের মিল যেমন রিজেক্টেড মাল ও বেচে, বড় বইয়ের পাবলিশার বা দোকান যেমন রিমেন্ডার এডিশন বেচে তেমনি এটাও হবে, তাতেও দু পয়হা স্টোর করতে চাইলে বাধা দেয় কে। আর দাম ও সাধারণ পারচেজার এর হাতে থাকে।
    আমাদের দেশে সাপ্লাই চেন টা এফ এম সি জি তে চলে বিভিন্ন ডিলারশিপ, ওয়ারহাউজিং আর ফরওয়ার্ডিং এজেন্সির মাধ্যমে। সেটাতেই অসংখ্য ছোটো ব্যবসায়ী জড়িত। এখন হোয়াইট গুডস এ ম্যানুফ্যাকচার এর নিজের নিজের দোকান দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। মিশ্রিত মডেল টা সিংগল ব্র্যান্ডে(উদা সামসাং) যত চলে, মাল্টি ব্র্যান্ডে প্যাটার্ন আলাদা (উদা এইচ এল এল বা রেকিট কোলম্যান, বা ফার্মশিউটিকাল)। সেখানে প্যাটার্ন হল, ম্যানুফ্যাকচারার - এলাকা ভিত্তিক ফরোয়ার্ডিং এজেন্সি -- ডিলার -- বড় রিটেলার -- ছোটো রিটেলার। এক ই প্লেয়ার নানা লেভেল এ ও থাকে। এই জায়গাটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটা এখন মহান কিছু ইকো সিস্টেম না, তখনো ইকো সিস্টেম থাকবে না এটুকু তর্কের খাতিরে স্বীকার করলেই হয়। তবে প্রিডেটরের সংখ্যা কমালেই তার খিদে কমবে তা না :-))

    কৃষি ক্ষেত্রে ক¾ট্রাক্ট ফার্মিং এ কে দাম বেঁধে দেন সেটা কি আর বলে দিতে হবে?

    ৫। প্রতিবাদ গুলো হচ্ছে, কিন্তু শুধু ব্যবসার সম্ভাব্য ক্ষতির কথা ভেবে নয়, আমাদের দেশে লস অফ ইনকাম সম্পর্কে মানুষের ইনসিকিউরিটি র অনেক গুলো কারণ আছে। এটা কেউ কেউ বলেছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তা, ওয়েলফেয়ার ব্যবস্থার বারোটা বাজা ও এই সব প্রতিবাদের কারণ। দোকানদার যদি দেখতো, তার বেসিক নিড গুলো ওয়েলফেয়ারে অপেক্ষাকৃত সস্তায় কভার্ড, তাইলে সে খচ্চর ডিলারের ডাকা স্ট্রাইকে নাই যেতে পারতো। তার তো ক্ষার আছে, সেই ক্ষার টা যে অন্য দিকে বাহিত হচ্ছে, সেটাই ওয়েলফেয়ার ব্যবস্থার ক্ষতি সাধনের প্রচেষ্টার আরেকটা ক্রিটিক। সারের দাম আর ইন অ্যাডিকুয়েট সাপোর্ট প্রাইস ও কৃষি ক্ষেত্র থেকে কিছুটা সাপোর্ট আসার একটা কারণ।

    ৬। বিলটার সম্পর্কে প্রচারে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ১০ মিলিয়ন চাকরি তৈরি হবে। এটার জন্য আকা দায়ী না;-) কিন্তু বিপক্ষে এও বলা হছে সোশাল কস্ট ইম্প্যাক্ট অ্যানালিসিস করা খুব কঠিন, না করে কত ক্ষতি হবে বলা যাবে না। আমার বক্তব্য হল, তাইলে সেই অ্যানালিসিস পর্যন্ত বিল পেশ করতে দেরী করা হল না কেন? তুল্য মূল্য বিচার হত। গন্ডায় গন্ডায় কমিশন দিয়ে তদন্ত ঠেকাতে সিদ্ধহস্ত সরকারের এত তাড়া কিসের।

    ৭। লাস্টলি, বড় ব্যবসায়ীদের, আড়তদারদের প্রতিবাদ হয়তো ঢিলে হয়ে যাবে। তারা হয়তো রিয়েল এস্টেটে হাত লাগিয়ে নেবে, যদি না লাগিয়ে থাকে, বা নতুন সাপ্লাই চেন এ কোন না কোন ভাবে ঢুকে যাবে। আরবানাইজেশন কে যেমন বড় চাশীরা অনেক ক্ষেত্রেই মেনে নিয়েছেন, তেমনি প্রতিবাদ সাবসিস্টেন্স ফার্মার দের থেকে, দিন মজুর ক্ষেত মজুর দের থেকেও আসতে পারে, কম্যুনিটি ফারমার দের থেকেও আসতে পারে। ঠিক তেমনি এই নতুন আইনে যাঁরা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, বা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সামলে নিতে পারবেন, তাঁরা এখন প্রথম সারিতে থাকলেও, অন্যরা যাঁরা সমর্থন করছেন, ভাস্ট মেজরিটি, তাঁরা আরো বেশি ডিপেন্ডেন্ট এখন কার সাপ্লাই চেন এর উপরে। তাঁদের রোজগার নিশ্চিত করার জন্য কোনো লিডারশিপ ভবিষ্যতে তাঁরা পাবেন কিনা, না নিজেরাই কিসু করবেন, সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। তবে ঐ বিভিন্ন রাজ্যের উপরে ইমপ্লিমেন্টেশন ছেড়ে দিয়ে কংগ্রেস মাস্টার স্ট্রোক খেলেছে কোন সন্দেহ নেই। বিরোধীদের মধ্যে ভাঙন আর ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে সব স্টেট লিডারশিপ ই এটা মেনে নেবে। ইশতেহার, পোলিটিকাল প্রিন্সিপল এইসবের কথা কে আর ভাবে?
  • . | 14.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:১০512525
  • অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা হবে অথচ অর্থনীতির টার্মিনোলজি ও স্ট্রাকচার সঠিক ভাবে ব্যবহার করবার কোনো দায় থাকবে না এই সশব্দ ঘোষণার পরে অবশ্য অন্য কিছু বলার থাকতে পারে না। তবে ফোরাম সংক্রান্ত মন্তব্যটি শিরোধার্য।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:১৩512536
  • ৮। সামসাং, এল জি আসার পরে প্রভৃতি হোয়াইট গুডস এর দাম পড়েছে, বা অন্তত কোয়ালিটি ভালো হয়েছে এটা বাস্তব। কিন্তু সেটা ঠিক ডিস্ট্রিবিউশন চেন এর ক্ষমতার জন্য না। বা নিজের ফ্ল্যাগশিপ স্টোর খোলার জন্য না। বেশি হয়েছে টেকনোলোজি নতুন নতুন অ্যাডভান্স করেছে তাই। তো হোক না, টেকনোলোজি করতে উৎসাহ দেওয়া হোক না ভারতীয় ব্যাবসায়ী দের, করুন না সব করপোরেট রা। তাঁরা তো শস্তার কারেন্সি ডিফারেন্স কাজে লাগাতে ব্যস্ত। তাঁরা করুন না বাবা নতুন টেকনোলোজি, সরকার ভালো টেকনোলোজি চর্চা, বিজ্ঞানচর্চার কেন্দ্র খুলুন না, খোলা গুলো কে চালান না, আর অ্যান্ড ডি তে ক পয়সার বাজেট আমাদের দেশের কর্পো দের? এখন কয়েকটা সেকটরে একটু বেড়েছে। তাও টোটাল সাইজের তুলনায় কিসুই না। পাবলিক সেক্টর আমল কি শাইনিং আমল দুটো তেই খালি রিভার্স এঞ্জিনীয়ারিং আর শস্তায় কাজ করে গেলাম আমরা। চীন শস্তা হয়ে ভালো কাজ করছে বটে, তার ইনটার্নাল ডিসকন্টেন্ট, তার টেরিবল সব লেবার ল র খবর কে রাখে।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:১৭512547
  • if I am not completely mistaken, some big store, even bought out Timson's, a railway or metro station based store chain in UK, which specialised in shoe or key repairing and possibly dry cleaning and warm-clothes repairing. forgotten the details, will get back.
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:২১512558
  • আমার ২. এর সঙ্গে কমোডিটি স্পেকুলেশন এর কথা বলা উচিত ছিল। এই আপদ এখন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে হয়ে থাকে। তার সঙ্গে মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অবশ্য বাজারপন্থীরা, তবে যদ্দিন না বেশ ভালো বড় একটা সার্ভে হবে, তদ্দিন আইনটা আনবো না, এ কথা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কিসু জানানো হয় নি।
  • a | 208.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৩০512569
  • মেক্সিকোতে হাজার হাজার ওয়ালমার্ট? এই তথ্যের একটা সূত্র দিলে ভালো হত।

    এই রকম ডেটার উপর বেস করে স্টাডি বা যুক্তি দুটৈ অর্থহীন।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৩৭512580
  • এর সঙ্গে আরেকটা কথাও বলার ছিল, আজকাল ভালো রুরাল রোডস এর পাশে বা হাইওয়ে র পাশে যে রিসর্ট মার্কা জায়্‌গা গুলো হয়েছে, তারা নিজেদের ফার্মের জিনিস বিক্রিবাটা করে। ওয়ালমার্টের কোন ব্লু আইড বয়, সেইখানেই আগে হাত দেবেন কিনা, ধরেন ছোটো শহরের পাশে একটি ফার্মার্স মার্কেট টাইপের স্টোর, আমরা সব গাড়ি করে কিনতে যেতেই পারি, শোঁ করে বিষ্ণুপুর থেকে উইকেন্ডে গিয়ে কপি কুমড়ো কিনে নিয়ে এলাম, বা কেউ গেলে বলে দিলাম। ইন ফ্যাক্ট মেট্রো স্টোর যে গড়িয়ার কাছে হয়েছে, এবং সলট লেকে বা ভবানিপুরে হয় নি, তার একটা কারণ পার্কিং এর জায়্‌গা, বড় রাস্তার পাশে, আরেকটা কারণ হল, মালঞ্চ, ক্যানিং, ঘটকপুকুর প্রভৃতির কাছে এটা। পেরিশেবল আসা সুবিধে জনক। টপ টু বটম বিস্তার আসবে না বটম টু টপ আমাদের এখনো জানা নেই। বিগ বাজার বা মোর ও আগে এখানে যেতে পারে। সেটা আর্বানাইজেশন এর বিস্তৃতির প্যাটার্ন এর সঙ্গে খাপ ও খায়।
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৭:৫৩512591
  • লাস্টলি ছোট রিজিওনাল পার্টি গুলোর লিডারশিপ কে সমালোচনা করা হচ্ছে( বিলের বিরোধিতা করছেন যাঁরা) এই বলে যে তারা ক্রিমিনাল ভেস্টেড ইন্টারেস্ট দিয়ে জড়িত স্মল ট্রেডার দের সঙ্গে। ঠিক প্রফেশনাল ক্লাস এর হাত থেকে অনেকাংশেই পোলিটিকাল লিডারশিপ ট্রেডার দের হাতে চলে এসেছে। টি এম সি র কর্পোরেটর দের মধ্যে কজন অধ্যাপক/উকিল কজন ট্রেডার/প্রোমোটার, বা রিলেটিভ ক্ষমতা কতটা সেটা দেখলেই এটা বোঝা যায়। তো আমার বক্তব্য হল, ইকোনোমিক পলিসি যা কেন্দ্র থেকেই পারসু করা হয়েছে, তাতে এই গোষ্ঠী গুলির ক্ষমতায়ন হয়েছে। বড় স্কেলে দেখতে গেলে, এই যে ইউনিটেক একদিনে প্রোমোটার/ডেভেলাপার/ফাউন্ড্রি ওনার থেকে টেলেকম প্লেয়ার হয়ে গেল সেটাতো তার কোর বিজনেসে সারপ্লাস এসেছে বলে। তার রিফ্লেকশন পলিটিক্স এ হবে। এটাকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইকোনোমিক অর্থনইতিক থেকে পলিসি দিয়ে সম্পূর্ণ বিচ্যুত করলে, অন্যান্য রেগুলেটরি ক্লিনিং ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, লোকাল এমপ্লয়মেন্টে এদের অবদান অস্বীকার করলে, বিষয়টা কে আরো ক্লোজলি না দেখলে ক্রিমিনালাইজেশন বাড়বে না কমবে সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। বিল্ডিং মেটেরিয়াল সাপ্লাই এর সিন্ডিকেট শিল্পায়ন এর প্রয়োজনীয় ফডার মাত্র। যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য র সুযোগ থাকলে মানুষ নতুন ইনডাস্ট্রি তে কাজ করতে পারতো, সেটা না থাকায় তাঁরা ইঁট বালি সাপ্লাই করছেন। ক্রিমিনালাইজেশন টা কমতো যদি রিয়েল এস্টেট রেগুলেশন ঠিক ঠাক মানা হত তাইলে অন্যরকম হতেই পারতো। এত অ্যাকসিডেন্ট প্রোন ক্যাপিটাল বিজনেসে বিজনেসে একটা ওয়ারকার / সাপ্লায়ার ইনশিওরেন্স অব্দি নাই। পেটি প্রোডাকশন এর ঘাপলা র পার্ট সরকারি প্রোকিওরমেন্ট প্রসেসের মধ্যে নেই?
    আলাদা করে কয়েকটা প্রফেসন কে ক্রিমিনালাইজ করে লাভ কি?
  • h | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১১ ১৭:৫৪512603
  • *independent economic activity
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন