Malay Roychoudhury
গ্রাহক হন
কিছু ভুল থাকে আজীবন ভোলা যায় নাভুলের মাশুল দিয়ে যেতে হয়, উসুল কখনো হয় নাতুমি দেউলিয়া হতে পারো সে তোমার একান্ত যন্ত্রণা। তবু দুদন্ড ভুলকে ভুলে হালকা হতে পারোনা অপেক্ষা শেষে উপেক্ষা এসে করে যদি ক্রুর ছলনা!অহরহ সে খুনীর মত আহত করে তোমাকে তুমি রক্তাক্ত হও তোমার ভূমিকায় সংলাপ হীন নাটকে।মঞ্চ সফল হতে গিয়ে তুমি অতি অভিনয়ে দুষ্ট আর ভুলের মাশুল দিতে দিতেই যাপন হয়েছে ভ্রষ্ট।বলি, অনেক হয়েছে প্রতিশোধ নেওয়া এইবার তুমি যাও প্রতি মুহূর্তে রক্তাক্ত করে কি সুখ তুমি পাও?সদর্পে সে বলে, - আমি তো তোমারই হঠকারী মনের আয়না উপহাস যত জমেছে এযাবৎসবই তো তোমার পাওনা।তোমার পাওনা না মিটিয়ে থাকবো না আমি ঋণীতাহলে তো তুমি মাশুল ... ...
শুনছি বাংলার ভোটের কালচার খারাপ। ভালো ভোট নিশ্চয়ই মডেল রাজ্য গুজরাটে হয়। দেশের কাগজ তো সব লিখতে পারেন না। লন্ডনের দি গার্ডিয়ান কী লিখেছিল পড়ুন। 'প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া': ভারতের নির্বাচনে বিজেপির ভীতি প্রদর্শনের কৌশলের অভিযোগবিরোধীরা বলছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করতে প্রার্থীদের হয়রানি করতে পুলিশ ব্যবহার করে ক্ষমতাসীন দল গণতন্ত্রকে দুর্বল করছেহানা এলিস-পিটারসন এবং আকাশ হাসান গান্ধীনগর থেকেমঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ ০৩.০০ বিএসটিগত সপ্তাহে যখন গুজরাটের লোকেরা ভারতের ছয় সপ্তাহব্যাপী লোকসভা নির্বাচনে তাদের ভোট দিয়েছিল, তখন রাজ্যের একটি কেন্দ্র নীরব ছিল। সেখানে কোনও ভোটকেন্দ্র বা অধীর আগ্রহে সারিবদ্ধ মানুষের ভিড় ছিল না, আর কাউকে কালি দেওয়া আঙুল নিয়েও দেখা যায়নি। সুরাটে, ... ...
(১)বিশ্বগরু ঘুঁটের মেডেলে হাম্বা হাম্বা করে।বিজ্ঞানী সেজে এলপিজি খোঁজে নর্দমার জলে!! (২)বিশ্ববাসী যুদ্ধের আঁচে দগ্ধট্রাম্পের বন্ধুরা কি মুক্ত? দানবের সাথে শত্রুতা করা-ধ্বংসাত্মককিন্তু বন্ধুত্ত্ব আরো মারাত্বক।। (৩)লাদাখের কন্ঠস্বর রুদ্ধ ছিল মুক্ত হলো ছ' মাস বাদপরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুক-তোমার লড়াই জিন্দাবাদ।। ( ৪)আমেরিকা কারো বন্ধু- নযঅস্ত্র বিক্রিই লক্ষ্য অস্ত্র বেচতে যুদ্ধ চাইতাই সে লাগায় যুদ্ধ। (৫)বন্ধু বলেই বন্ধুর তরে- খুলে দিয়েছে প্রনালীবন্ধু সামিল শত্রুর দলে-এ কেমন তরো ছেনালী!? (৬)সন্জু,বুমরাহ্ বা ... ...
তোমার মনের আঙ্গিনায় কোনোআপোষের ঠাঁই নেই;তুমি হার-মানা-হার পরো না।মুহুর্তে চোখের সুলভ ঘৃনায়ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠো।জাগে নির্মম এক বাসনা;অদ্ভুত এক প্রতিশোধ স্পৃহাছাপিয়ে যায় তোমাকে;তুমি যন্ত্রণায় নীল হও।তোমার বন্ধু ফুল-পাখিরাভালোবেসে গান গাইলে -তুমি নিজেকে খুঁজে পাও।মেঘেরা সরে পথ করে দেয়আলোর ভেলায় ভাসাতে;তুমি রঙ-তুলি খুঁজে নাও।তোমার নয়নে দুর্লভ হাসি-বৃষ্টির পরে রামধনু;তুমি অপরুপা হয়ে যাও!তোমার প্রেমের বাণী সুন্দর সুর অতি ধ্রুপদী;হায় অপেরা সফল নয়।তোমার প্রেম জীবন যুদ্ধে-অতন্দ্র এক প্রহরী!তবু সীমান্তে শহীদ হয়!! ... ...
(১) যুদ্ধ থামাও! থামাও মৃত্যু! এই দাবানল ছড়িয়ো না।ইগো সরিয়ে হাত বাড়িয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও না!? (২) স্বপ্নের সাধে দুর দিগন্ত! বাতাসে বারুদ-গন্ধ।তোমার শিল্প তোমার গল্প-অনির্দিষ্টকাল বন্ধ!! ... ...
ফাল্গুনের মাঝামাঝি মাতাল হাওয়া যেন বনপথে ত্রস্ত প্রেমিকের ব্যস্ত আসা যাওয়া।অঝোর ধারায় ঝরিয়ে চলেছে লক্ষ লক্ষ পাতা। নিস্পৃহ নীরব বৃক্ষ মাতা।যেন কোনদিন তারা ছিল না তার সাথেএমনি করেই কি ঝরিয়ে দিতে হয়! নতুন কে জায়গা দিতে !অজস্র প্রজাপতি যেন ডানা মেলেছে আকাশে, আকাশ ভারাক্রান্ত!অথচ এ চরাচর অদ্ভুত ভাবে শান্ত। আমি যেন পড়ে আছি উজ্জয়িনী নগরে। গোধূলি লগনে শিপ্রা নদীর ধারে। মেঘের দল তারাদের করছে আড়াল।নাকি নক্ষত্র মেঘেদের করেছে ঢাল!চলেছে এক মোহময় লীলাখেলা -বিস্মিত আমি একা এই চরাচরে সন্ধ্যা বেলা।হঠাৎ ধুলোর মতো দুহাতে মেঘ সরিয়ে নক্ষত্রের আলোর দিকে তাকিয়ে -এক বিরল তেজস্বী রূপের ঝলকানি;দ্বিধাগ্ৰস্ত মনে আমার শূদ্রক কাহিনী:অসাধারণ ব্যাক্তিত্বে এমন সৌন্দর্য ও রুচি -যেন কমলহীরের পাথরটাই প্রতীকি!উজ্জয়িনী ... ...
(১)নদীর শাহ্ লুটছে দেশখাচ্ছে মোহন ভোগ !নদীর শাহ্ র বরাদ্দ'তে 'একশো দিনে ' ও কোপ ! (২)শংসাপত্রে চায়ের দাগ টা-মুছতে পারবে না।নোবেল প্রাপ্ত, হচ্ছে ব্রাত্য- এ কি লাঞ্ছনা!! (৩)দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে না? টাকার দামতো কমবেই!কালোটাকা ফেরাতে হলে বিমূদ্রাকরন ঘটবেই! আর দাঙ্গা হাঙ্গামা বন্ধ করতে মেরুকরণ তো চলছেই!! (৪) চল্লিশ টা কফিন দুলছে ভালোবাসার লগনবুকে তাদের রক্ত গোলাপী ক্ষত! কার স্বার্থে এমন ছন্দ পতন!পারো যদি ফিরে যেও জীবনে প্রেমাস্পদ।! (৫)খুনির ... ...
এ আমায় কার হাতে যে তুলে দিলে মা?এ তো শরীর ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না!মানছি শরীর ফেলনা নয়;তাই বলে তো খেলনা নয়-যে মন নেই, তবু সম্ভোগেতেসাড়া দিতেই হবে!কেন এত তাড়াহুড়ো করলে মা?বেশ তো ছিলাম তোমার সাথে সাথে কলেজ শেষে বিকেল বেলা -যখন রোদ্দূর কমে আসতো- তখন আমি ছিলাম তোমার সাথীদোকান বাজার করতে। আসতে যেতে কতই না হতো গল্প!-মনে পড়ে মা? মনে পড়ে সেসব দিনের কথা?কেন তুমি আমায় ... ...
বিশ বছরে সাতাশি থেকে দশ হাজার একশো সাত; একশো চৌত্রিশে পূর্বতন;পেরিয়ে বছর ষাট।নদীর শাহ্ লুটছে দেশখাচ্ছে মোহন ভোগ! নদীর শাহ্ র বরাদ্দ তে 'একশো দিনে' ও কোপ!! ... ...
দুটো চারটা নোট মুখস্থ করলে চাকরি পাওয়া যায়-- মার্কসবাদ জানা যায় না। বা নিজেকে বামপন্থী বলে দাবি করলেই বামপন্থী হওয়া যায় না। মার্কসের তত্ত্ব জানতে হয়। পড়তে হয়। বুর্জোয়া বিলাসের সব উপকরণ ব্যবহার করেই আজ আমরা বামপন্থী! শ্রেণিচ্যুতি ঘটাই নি। উল্টে শ্রেণি উত্থানের দিকে গিয়েছি। সুবিধাবঞ্চিত নয় সুবিধাবাদের পথ নিয়েছি। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত হতে চাইছি। তেলা মাথায় তেল দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে চলেছি। জনসংখ্যার .০০১ এর জন্য লড়াইয়ে ব্যাকুল। ৭০ শতাংশের কথা ভাবছি না। মার্কসবাদী মত একটু জানা যাক। ভাতা, ভিক্ষা, মানুষকে পঙ্গু করে দেওয়া -- এইসব তত্ত্ব বোঝা যাবে। তাঁদের খালি স্মরণ ... ...